Shakhawat's Eyewink

Shakhawat's Eyewink Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shakhawat's Eyewink, Photographer, Gazipur.

রাসূল (সাঃ) বলেছেন—"খোরাসান দিক থেকে একদল মানুষ কালো পতাকা নিয়ে আগমন করবে। তারা এমনভাবে এগিয়ে আসবে যে, কেউ তাদেরকে থামাত...
02/03/2026

রাসূল (সাঃ) বলেছেন—"খোরাসান দিক থেকে একদল মানুষ কালো পতাকা নিয়ে আগমন করবে। তারা এমনভাবে এগিয়ে আসবে যে, কেউ তাদেরকে থামাতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত তারা বায়তুল মুকাদ্দাসে (জেরুজালেম) পৌঁছাবে এবং সেখানে ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে।আরেকটি হাদিসে এসেছে—"তোমরা যখন খোরাসান দিক থেকে কালো পতাকা আসতে দেখবে, তখন বরফের উপর হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাদের সঙ্গে যোগ দিও, কারণ তাদের মধ্যেই থাকবেন আল্লাহর খলিফা মাহদী।
আল্লাহ, আপনি মজলুম দের সাহায্য ও জালিম কে ধ্বংস করে দিন।🤲

আহ্ আল্লাহ্ আহ্
23/02/2026

আহ্ আল্লাহ্ আহ্

খুনি জেনারেলদের বিচার বন্ধ করতে হয়তো তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দিবে বিএনপি সরকার।শুধু একটা কথা মনে রাখতে হবে জনাব তারেক রহমান...
22/02/2026

খুনি জেনারেলদের বিচার বন্ধ করতে হয়তো তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দিবে বিএনপি সরকার।
শুধু একটা কথা মনে রাখতে হবে জনাব তারেক রহমানকে যদি সেনাপ্রধানের ফাঁদে পা বাড়ায় তাহলে জনতার সামনে উনি আবার ভিলেন হিসাবে চিহ্নিত হবেন।
জেনারেল ওয়াকার এবং ভরত জাতির সামনে হিরোকে ভিলেন বানিয়ে তারপর জনগণের কাছ থেকেই শুনতে চাইবে আপায় ভালো ছিলো।
এই তরুণ প্রজন্ম সবকিছু নিয়মিত খোঁজ খবর রাখে?

শেষ....!লেফটেন্যান্ট জেনারেল  কামরুল হাসান, ইন্টিরিম সরকারের আমলে অ*স্ত্র কেনার জন্য সবচেয়ে বেশি দৌড়াদৌড়ি করা ব্যাক্তি। ...
22/02/2026

শেষ....!

লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান, ইন্টিরিম সরকারের আমলে অ*স্ত্র কেনার জন্য সবচেয়ে বেশি দৌড়াদৌড়ি করা ব্যাক্তি। সেনাবাহিনীর একমাত্র মেরুদণ্ড ওয়ালা অফিসার, যিনি তার পজিশন থেকে সেনাবাহিনীকে ভারতীয় বলয় থেকে বের করে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। গতবছর তিনি পাকিস্তান সফরে গিয়ে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সাথে বৈঠক করে পাকিস্তানের সাথে সামরিক প্রশিক্ষণ এবং JF-17 যুদ্ধবিমান ক্রয়ের আলোচনা করেন।

ওনাকে আজ সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। যেই লোকটা পরবর্তী সেনাপ্রধান হবার কথা, তাকে আর্মী থেকে বের করে দেয়া হলো...! একই সাথে ভারতের দিল্লি দুতাবাসে কর্মরত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজুর রহমানকে প্রোমশন দিয়ে মেজর জেনারেল বানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে।

কি অদ্ভুত! ভারত সফর করে এলেই সবার প্রমোশন হয়! একজন ৯ বছর ভারতে থেকে ফিরে এসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়ে গেছে, আরেকজন অমিত শাহকে কুর্নিশ করে অর্থমন্ত্রী হয়ে গেছে। আর দেশপ্রেমিকদের ভাগ্যে কেবল বিতাড়িত হওয়া লেখা আছে।

পশ্চিম| এক অন্ধকারের গল্প। পশ্চিম|দের আদর্শ ভেবে যারা ১৮ নিচে বিয়ে কে বন্ধ করেছে। পশ্চিম|দের কিছু বললে যারা জ*ঙ্গি ট্যাগ...
01/02/2026

পশ্চিম| এক অন্ধকারের গল্প।

পশ্চিম|দের আদর্শ ভেবে যারা ১৮ নিচে বিয়ে কে বন্ধ করেছে। পশ্চিম|দের কিছু বললে যারা জ*ঙ্গি ট্যাগ দেয় তারা জেনে রাখুক এই পশ্চিম|রা ছোট্ট বাচ্চাদের ধ'র্ষণ করে হ-ত্যা করে তাদের মাংস নিয়ে পার্টি করতো।

ঠিক শুনেছেন তারা মানুষ কতটা বিকৃত রুচি সম্পন্ন হলে একটি শিশুকে ছিন্নভিন্ন করে তার অন্ত্র বের করে সেই অন্ত্র থেকে মলমূত্র খেতে পারে! এগুলো সেই সুশীলমারানীদের চোখে পড়বে না কারণ তারাও এদের মতো বিকৃত মস্তিষ্কের

এরা শয়তানের পূজারি!

ছোট্ট শিশুদের ওরা খাবারের টেবিলে সাজিয়েছে!
বিশ্বাস হয়? চিকেন, বিফ, পোর্ক এগুলোর পাশাপাশি ওরা ছোট্ট শিশুদের শরীর প্লেটে হাজির করেছে!

শিশুদের রেইপ করতো তারা! জর্জ বুশ ও তার বাবা ও ইনক্লুডেড!

উফফ, কী বিকৃত রুচি!

অথচ এরা কিনা আপনাদের মানবতার সবক দেয়!

আল্লাহ যেন এদের প্রাপ্য শাস্তি দেন।

কী পরিমাণ ভয়ংকর সাইকো না হলে এই কাজ সম্ভব!

বড় বড় রাজনীতিবিদ ধনকুবেরদের পার্টিতে বাচ্চাদের মাংস সার্ভ করা হতো চিকেনের পাশাপাশি!

ট্রাম্প ইলন মাস্ক বিলগেটস থেকে শুরু করে 'বাঙ্গু ফেমিনিস্টদের একনজর দেখে ফেইন্ট হয়ে যাওয়া' জোহরান মামদানির মা-ও এই তালিকায় আছে। ওয়েস্টের সভ্যতার সবচে সুন্দর চিত্র পৃথিবী দেখলো।

যারা ওয়েস্ট থেকে নানা তন্ত্রমন্ত্র আমদানি করে এবং এর বিরোধিতা করলে পাবলিক প্লেসে সন্ত্রা*সী ট্যাগ দেয়, তাদের বোধবুদ্ধি এখনো উদয় হবে না। ওয়েস্টের মানুষের মতো মোল্লারা কি এত স্মার্ট হয়েছে হ্যাঁ!

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাক...
01/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।
সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)। সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল। সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।
মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?
জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।
কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোসাদ (Mossad) এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।

আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"

কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল। যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।

এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।
আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?
ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।

কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন? হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জাহান্নামে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

— Sawtul Zilzal

কেমন লাগবে যখন দেখবেন, আপনার ছোট শিশুটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধণী, প্রভাবশালী বুড়োরা মিলে ছিঁড়ে খাচ্ছে দেখতে?সেইসব মানুষগুলো ...
01/02/2026

কেমন লাগবে যখন দেখবেন, আপনার ছোট শিশুটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধণী, প্রভাবশালী বুড়োরা মিলে ছিঁড়ে খাচ্ছে দেখতে?
সেইসব মানুষগুলো যাদের মোটিভেশনাল স্পিকিংয়ে আপনি ইনস্পায়ার্ড হতেন। আপনি আপনার বাচ্চাদের তাদের মতো জ্ঞানী, ধনী সেলেব্রিটি হবার জন্য উৎসাহিতও করেন। তাদের অভিনীত সিনেমা দেখেন, তাদের খেলা দেখেন, তাদের সাপোর্ট করেন।

এপস্টেইন ফাইল আপনাকে দেখাচ্ছে যে জগতে আপনি আছেন তার শীর্ষে বসে থাকা সবাই ভয়ঙ্কর ক্রিমিনাল, জঘন্য বিকৃত মানসিকতার শয়তান।

জেফ্রি এপস্টেইন যার শ্বশুর একজন ইসরাঈলি গোয়েন্দা ছিল। সে নিজেও ইসরাঈলের হয়ে কাজ করতো। তার কাজ ছিল অল্পবয়সী বাচ্চাদের ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের বিকৃত উপায়ে রেইপ করা। দুনিয়ার সকল দেশ থেকে বড় বড় নেতা, ব্যবসায়ী, সেলেব্রিটিদের তার দ্বীপে নিয়ে গিয়ে এসব বাচ্চাদের দিয়ে এন্টারটেইন করানো।

এবং এই তালিকায় আছে আপনাদের সব প্রিয়জন। প্রিয় নেতা, প্রিয় অভিনেতা, প্রিয় লেখক, প্রিয় গায়ক। যে রিপোর্ট আপনারা দেখছেন - এটা একেবারেই সামান্য। মূলত আপনার পরিচিত সবগুলো সেলেব্রিটি এখানকার খদ্দের। কারণ, জেফ্রি এপস্টেইন একজন নয়। প্রতিটি দেশে এমন আলাদা আলাদা এপস্টেইন আছে। আর প্রতিটি দেশের সেলেব্রিটিরা তাদের খদ্দের।

তবে সবার একটাই মিল। তারা সবাই এই পূঁজিবাদী, সেকুলার সিস্টেমের শাসক, সমর্থক। সবকিছুর গোড়ায় এই শয়তানি সিস্টেম।

আপনার আমার প্রভু কি সব অপরাধের মূল কোথায় তা বলেন নি?
সমস্ত রকম শয়তানি অপকর্মের একটাই কারণ– ইসলাম ছাড়া ভিন্নকিছু দিয়ে শাসিত হওয়া।



ওড়িশ্যার বালেশ্বর জেলায় ফের মানবতাকে লজ্জায় ডুবিয়ে দিল এক মর্মান্তিক ঘটনা। অভিযোগ উঠেছে, শেখ মুকরন্দ মোহাম্মদ নামে এ...
18/01/2026

ওড়িশ্যার বালেশ্বর জেলায় ফের মানবতাকে লজ্জায় ডুবিয়ে দিল এক মর্মান্তিক ঘটনা। অভিযোগ উঠেছে, শেখ মুকরন্দ মোহাম্মদ নামে এক মুসলিম যুবক—পেশায় ভ্যানচালক—কে নির্মমভাবে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা নিজেদের ‘গো-রক্ষক’ বলে পরিচয় দেয়।
প্রত্যক্ষ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, হামলার সময় শেখ মুকরন্দ মোহাম্মদকে জোরপূর্বক ধর্মীয় স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়। অসহায় ওই যুবকের আর্তচিৎকারেও নরম হয়নি হামলাকারীদের হৃদয়। শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে বালেশ্বরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা গোটা দেশকে আবারও ভাবতে বাধ্য করেছে—ভারতে কি সংখ্যালঘুদের জীবন সত্যিই নিরাপদ?
উল্লেখযোগ্যভাবে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তথাকথিত গো-রক্ষার নামে মুসলিম নাগরিকদের উপর হামলা, নিগ্রহ ও হত্যার একের পর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গো-মাংস রপ্তানিকারক দেশ ভারতে এই দ্বিচারিতা ও আইনহীনতা নিয়ে উঠছে তীব্র প্রশ্ন।
আইনের শাসনের দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ধর্মের নামে রক্তপাত নয়—এই বার্তাই আজ আরও জোরে উচ্চারিত হওয়া দরকার।
এই নৃশংস ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভবিষ্যতে এমন বর্বরতা রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা।

১৯৯৩ সালের ৩রা অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা ফোর্স সোমালিয়ার মগাদিশুতে যায়, যেভাবে ভেনেজুয়েলায় গিয়েছিল। মার্কিন স্পে...
04/01/2026

১৯৯৩ সালের ৩রা অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা ফোর্স সোমালিয়ার মগাদিশুতে যায়, যেভাবে ভেনেজুয়েলায় গিয়েছিল।

মার্কিন স্পেশাল ফোর্স সোমালিয়ার মিলিশিয়া নেতা মোহাম্মদ ফারাহ আইদিদকে ধরার জন্য গিয়েছিল।

অভিযান চলাকালীন সোমালি মিলিশিয়ারা আরপিজি (RPG) দিয়ে আমেরিকার দুটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করে।

ফলস্বরূপ, যুদ্ধে ১৮ জন মার্কিন সৈন্য নিহত হন এবং ৭৩ জন আহত হন।

নিহতদের মধ্যে গ্যারি গর্ডন ও র‍্যান্ডি শুঘার্ট নামে দুজন বিখ্যাত ডেল্টা স্নাইপার ছিলেন।

পরবর্তীতে মার্কিন সেনাদের মৃতদেহ রাস্তায় টেনে-হিঁচড়ে ঘোরানোর দৃশ্য বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে, যা আমেরিকার জন্য ছিল একটি বড় সামরিক অপমান।

এই ঘটনার পর ১৯৯৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন সোমালিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করেন।

🇧🇩দেশের মানুষ যদি পাশে থাকে, তাহলে প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে যাবে-এটা কল্পনাও করা সম্ভব নয়।

হোক সে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শক্তিশালী দেশ (ভারততো যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় শিশু+অন্যদিকে বাংলাদেশের একটি শৃঙ্খল সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে)।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা এই বিষয়টি যেন মনে রাখেন এবং হিম্মত নিয়ে দেশের স্বার্থে কথা বলেন।

ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

© ডক্টর মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন

একটি স্বাধীন দেশের প্রেসিডেন্টের চোখে কালো কাপড় বেঁধে তুলে নেওয়া রাষ্ট্রই নিজেকে বিশ্ব শান্তির ইজারাদার দাবি করে।ভেনিজুয়...
04/01/2026

একটি স্বাধীন দেশের প্রেসিডেন্টের চোখে কালো কাপড় বেঁধে তুলে নেওয়া রাষ্ট্রই নিজেকে বিশ্ব শান্তির ইজারাদার দাবি করে।
ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপহরণের সেই দৃশ্য গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক নীতির নগ্ন ভণ্ডামি প্রকাশ করে।
শান্তির নামে ক্ষমতার দাপট—এটাই আজকের

Address

Gazipur

Telephone

01922007664

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shakhawat's Eyewink posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category