14/10/2026
জীবন নাশের ৯৯.৯৯% সংশয় থাকলেও
বিজিবি গুলি করে না।
যখন দেখে চোরাকারবারি আক্রমণে সৈনিকের জীবন ১০০% ঝুঁকিতে আছে তখন সে ফায়ার করতে বাঁধ্য হয়, না হলে তার বেঁচে ফিরতে কষ্ট হয়, বা অস্ত্র-গোলাবারুদের নিরাপত্তা থাকে না।সীমান্তে একটা অস্ত্র হাতছাড়া মানে সেটি পাশের দেশে চলে যায়।
আবার কোনো চোরাকারবারির আক্রমণে যদি বিজিবি সদস্যে আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তখন দেশের মানুষই বলবে অস্ত্র কি মশা মারার জন্য দিছে!? বা কি জন্য দিছে? নিজের জীবন সেইফ করতে পারে না?
মনে রাখবেন, সীমান্তে যখন বিজিবির গুলিতে কোনো মানুষ মারা যায়, বা আঘাতপ্রাপ্ত হয় সে কখনই ভালো মানুষ হতে পারে না, সে বড় চোরাকারবারি বড় স্মাগলার। দেশের শত্রু,জাতীর শত্রু,দেশদ্রোহী ।
সর্বোপরি, আমার কেনো জানি মনে হয় বর্ডারের কিছু কিছু মানুষ বিজিবিকে বড় শত্রু মনে করে। কারন তাদের স্বার্থে আঘাত লাগে।
বর্ড়ারের ডিউটিতে যেকোনো সময় যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে! এ সমস্ত বাঁধা-বিপত্তির উপেক্ষা করেই আমাদের দিনরাত ডিউটি-টহল করতে হয়।
মনে রাখবেন, আজ চোরাকারবারি, মাদক,অস্ত্র, নারী শিশু পাচার কারী,অবৈধভাবে পন্যসামগ্রিই আনা ব্যাক্তি কখনো ভালো মানুষ হতে পারে না।
আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারির গায়ে আঘাত করলে তার পরিণাম সরাসরি। গুলি। আর অস্ত্র গোলা গুলি সরকার আমাকে দেয় আমাকে মার খাওয়ার জন্য না।
আগে নিজে বাঁচো তাপর দেশকে বাচাও, দেশদ্রোহী ও বিদেশের শত্রুকে প্রথমে প্রতিহত তারপরে না পারলে এমনই সরাসরি গুলি। তখন আর পিছন ফিনে তাকানোর আর কোন সময় থাকেনা।
আর এখানে তাই পরিস্হিতিতে গুলি ছাড়া কোন উপায় ছিল না।
#হালুয়াঘাট #চোরাচালান_বন্ধ_করো #দেশপ্রেম