ফ্রেমে বন্দী জীবন

ফ্রেমে বন্দী জীবন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ফ্রেমে বন্দী জীবন, Photographer, Faridpur, Dhaka, Faridpur.

24/12/2024
24/12/2024
24/12/2024
24/12/2024
পুরুষ এবং মেয়েদের মাহরাম ও গায়রে মাহরাম‼️🟢 মাহরাম 🔴 গায়রে মাহরামউল্লেখ্য, ইসলামের দৃষ্টিতে যেসব নারী-পুরুষের মধ্যে বিয়ে ...
21/01/2024

পুরুষ এবং মেয়েদের মাহরাম ও গায়রে মাহরাম‼️

🟢 মাহরাম
🔴 গায়রে মাহরাম

উল্লেখ্য, ইসলামের দৃষ্টিতে যেসব নারী-পুরুষের মধ্যে বিয়ে বৈধ নয়, তাদেরকে মাহরাম বলে। তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ এবং কথা বলা জায়েজ আছে। আর যাদের মধ্যে বিয়ে বৈধ, তাদেরকে গায়রে মাহরাম বা নন মাহরাম বলে। এই নন মাহরাম নারী-পুরুষের পর্দাহীনভাবে বিয়েপূর্ব দেখা-সাক্ষাৎ এবং কথা বলা জায়েজ নয়। তা হারাম ও কবিরা গুনাহ।

#পর্দা #মাহরাম াহরাম

অনেকক্ষণ ধরে খেয়াল করছি  বাবা আমার রুমের সামনে আসে তারপর কি একটা চিন্তা করে আবার চলে যায় । আমি বাবাকে ডেকে আমার রুমে নিয়...
19/11/2023

অনেকক্ষণ ধরে খেয়াল করছি বাবা আমার রুমের সামনে আসে তারপর কি একটা চিন্তা করে আবার চলে যায় । আমি বাবাকে ডেকে আমার রুমে নিয়ে আসলাম। তারপর বাবার হাতটা ধরে বললাম,
-- বাবা, কিছু বলবে আমায়?
বাবা নিচের দিকে তাকিয়ে বললো,
~আমি যদি তোর মত চুল কাটি, দাড়ি কাটি, তুই যে সমস্ত কাপড় চোপড় পড়িস সেই গুলো যদি আমি পড়ি আর তোর বাইকটা যদি আমি মাঝে মধ্যে চালাই তাহলে কি তোর কোন সমস্যা হবে?
আমি বাবার কথা শুনে অবাক হয়ে বললাম,
-- না বাবা কোন সমস্যা নেই। কিন্তু বাবা হঠাৎ কেন এমন করবে সেটা আমায় একটু বলবে?

বাবা এইবার আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো,
~আমি কখনো আমার জীবনটা উপভোগ করতে পারি নি।খুব অভাব অনটনে বড় হয়েছি। আমি খুব কষ্ট করে আমার ছাত্র জীবন পার করেছি। আমার বন্ধুরা যখন স্টুডেন্ট লাইফটা এনজয় করতো আর আমি তখন টিউশনি করিয়ে নিজের আর নিজের পরিবারের খরচ চালাতাম। যখন ভালো একটা চাকরি পেলাম ভাবলাম এখন জীবনটা উপভোগ করবো কিন্তু তার আগেই বাবা মা আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলো। বিয়ের পর তোর মাকে দেখে মনে হলো আজ থেকে আমার সুখের জীবন শুরু। কিন্তু সেই সুখ আমার কপালে বেশিদিন ঠিকলো না। তুই জন্মের ২ বছর পর হঠাৎ তোর মা মারা যায়। তোর কথা ভেবে দ্বিতীয় বিয়ে করি নি। তারপর তকে মানুষ করতে আর তোর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে টাকার পিছনে ছুটতে ছুটতে কখন যে বুড়ো হয়ে গেলাম নিজেও জানি না। আর আজ এত বছর পর হঠাৎ ইচ্ছে হচ্ছে নিজের জীবনটা একটু উপভোগ করতে।

বাবার কথা গুলো শোনার পর নিজের চোখের জলটা কোন রকমে লুকিয়ে বাবাকে বললাম,
-- বাবা আমার কোন সমস্যা নেই। এই নাও বাইকের চাবি। আজ থেকে তুমি ২০ বছরের তরতাজা যুবকের মত নিজের জীবনটা উপভোগ করো...
|
|
সেদিন দুপুরে অফিসে বসে কাজ করছি এমন সময় আমার বন্ধু রাকিব আমায় ফোন দিয়ে বললো,
- পিয়াস, চাচা কি ঠিক আছে?
আমি বললাম,
-- মানে?
রাকিব তখন বললো,

- বন্ধু, কিছুক্ষণ আগে গলির মোরের দোকানটাতে বসে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ কে যেনো আমার পিছনে থাপ্পড় মেরে বললো, হোয়াটস আপ ব্রো। তাকিয়ে দেখি তোর বাবা৷ গলায় মোটা চিইন, দাড়ি স্টাইল করে কাটা৷ চুল হাইলাইট করা। একটা টিশার্ট পড়েছে আর তাতে লেখা, "আহো ভাতিজা আহো" আর কাটাছেঁড়া জিন্স প্যান্ট। আমি তোর বাবাকে বললাম, আসসালামুয়ালাইকুম চাচা। কিন্তু তোর বাবা আমার ডানগালে থাপ্পড় মেরে বললো, আমাকে কি চাচার মত লাগে?

আমি রাকিবের কথা শুনে বিরক্ত হয়ে বললাম,
-- দেখ আমার বাবা হলো মর্ডাণ বাবা। তোর বাবার মত ফকিন্নি বাবা না। আজ থেকে তকে আমি চাচা বলে ডাকবো আর তুই আমার বাবাকে ভাই বলে ডাকবি

এই কথা বলে আমি ফোনটা রেখে কাজে মন দিলাম...
|
|
অফিস থেকে ফেরার পথে আমাদের পাশের বাসার করিম আংকেল আমায় ডেকে আমতা আমতা করে বললো,
~ বাবা লজ্জার কথা তোমায় কিভাবে যে বলি। আমার বউ মানে তোমার চাচী একটু বাহিরে বের হয়েছিলো। তোমার বাবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমার বউকে দেখে শিস বাজায় আবার চোখও মারে।

আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- চাচা, চাচী কি বোরকা পরে বের হয় নি?
চাচা মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললো,
-না তো, শাড়ি পরে বের হয়েছিলো.

আমি তখন বললাম,
--দেখেন চাচা, বোরকা না পরে বের হলে রাস্তাঘাটে বাচ্চা পোলপান একটু আধটু শিস বাজাবে চোখে ইশারা করবে এটাই স্বাভাবিক।

করিম আংকেল আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে বললো,
- তোমার বাবা বাচ্চা পোলাপান?

আমি কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললাম,
-- বাচ্চা না তো আপনার মত বুইড়া না কি? আমার বাবার লুক দেখেছেন, স্টাইল দেখেছেন? আপনার তো এক পা কবরে আর আমার বাবাকে বুইড়া বলেন
|
|
আজ বাবা কালো থ্রি কোয়াটার পড়েছে আর সাদা টিশার্ট। টিশার্টের উপর সুন্দর করে লেখা, "বুঝো না দুধু খাও"। আমি বাবাকে বললাম,
-- বাবা, তোমায় জন আব্রাহামের মত লাগছে।
বাবা মুচকি হেসে বললো,
~ একজনকে আমার খুব ভালো লাগে রে। কিন্তু কিভাবে প্রপোজ করবো বুঝতে পারছি না।
আমি বাবাকে তখন বললাম,
-- তুমি মোটেও চিন্তা করো না। তোমার এই লাভার বয় ছেলে তোমাকে সব শিখিয়ে দিবে

আমি সারারাত বাবাকে প্রেমের সকল নিয়ম কায়দা শিখালাম...
|
|

কয়েকদিন পর কলিংবেলের আওয়াজ শুনে দরজা খুলে আমি পুরো অবাক হয়ে যায়। দেখি বাবা একটা মহিলাকে বিয়ে করে নিয়ে এসেছে। আমাকে দেখে বাবা বললো,
~ পিয়াস, সালাম কর। আজ থেকে উনি তোর নতুন মা। আজকাল একা থাকতে ভালোলাগে না। তাই তোর দেওয়া বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে প্রেম করে বিয়ে করে ফেলি...

আমি এই মুহূর্তে ঠিক কি বলবো বুঝতে পারছি না। এমন সময় আমার গার্লফ্রেন্ড শ্রাবণীর ফোন। আমি ফোন রিসিভ করতেই শ্রাবণী কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- পিয়াস, মাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
আমি গোমড়া মুখে বললাম,
-- তোমার মা আমাদের বাসায়। তুমি তাড়াতাড়ি আসো...
|
|
ছাদের এককোণে চুপ করে বসে আছি। শ্রাবণী আমার কাছে এসে আমার পিঠে সমানে কিল ঘুষি মারতে লাগলো। তারপর কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- ৫ বছর প্রেম করে শেষমেষ ভাই বোন হয়ে গেলাম। আরো বাবাকে আধুনিক বানাও। তোমার বাবা দুনিয়াতে আর কোন মানুষ পেলো না শেষ পর্যন্ত আমার মাকেই খুঁজে পেলো?
আমি এইবার রেগে গিয়ে বললাম,
-- তোমার মার কি আক্কেল বুদ্ধি নাই? এই বয়সে মেয়ের বিয়ে না দিয়ে নিজে বিয়ে করে ফেলেছে..
শ্রাবণী আরো রেগে গিয়ে বললো,
-একদম আমার মা নিয়ে উল্টো পাল্টা কথা বলবে না।
আমিও রেগে গিয়ে বললাম,
-- তুমিও আমার বাবা নিয়ে কোন ফালতু কথা বলবে না...

ঝগড়ার এক পর্যায়ে শ্রাবণী আমার চুল আর আমি শ্রাবণীর চুল ধরে টানতে লাগলাম। এমন সময় খেয়াল করি বাবা আর শ্রাবণীর মা আমাদের দেখে হাসছে আর বলছে,
ভাই বোন ঝগড়া করবে এটাই তো স্বাভাবিক...

আমি মনে মনে বলতে লাগলাম,
-- হাইরে আমার বাবা, কি বাঁশটাই না দিলা..
#বাশ_

ফ্রেমে বন্দী জীবন

---কালো শরীরের সাথে একবার শা/রী/রিক সম্পর্ক করবো তা ও এতো দাম। সেটাও আবার এক রাতের জন্যে ২ হাজার টাকা। ---হ‍্যা আমার একট...
19/11/2023

---কালো শরীরের সাথে একবার শা/রী/রিক সম্পর্ক করবো তা ও এতো দাম। সেটাও আবার এক রাতের জন্যে ২ হাজার টাকা।

---হ‍্যা আমার একটু দাম বেশি? আপনার যদি ইচ্ছে হয় নিয়ে যেতে পারেন।

---ঠিক আছে আমি রাজি তবে একটি সত‍্য আছে?

---কি সত‍্য বলুন? আমি সব কিছুতেই রাজি আছি কোন সমস্যা নেই।

---সত‍্যটি হলো আমি যা যা বলবো তাই তাই করতে হবে। কোন কিছুতেই না করা যাবে না।

---ঠিক আছে? চলেন এখন আপনার বাসায়।

---তো এর পরে নিবির শুভার সাথে কথা বলতে বলতে বাসায় চলে আসে।

নিবির : মা ও মা বাহিরে আসো দেখো কাকে নিয়ে এসেছি।

---ছেলের ডাক শুনেই মা বাহিরে চলে আসে। এসেই দেখে যে একটি মেয়ে বউ সেজে আছে।

মা : নিবির কে এই মেয়ে বাবা! আর বউ সেজেই বা কেনো আছ।

নিবির : মা ওর নাম হলো শুভা! আমরা দুজন দুজন কে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। এই শুভা মাকে সালাম করো।

---যেইনা শুভা সালাম করতে যাবে ঠিক তখনি নিবিরের মা ঠাসসস! করে একটি থাপ্পড় দেয় নিবির কে।

মা : ঠাসসসসস! ঠাসসস! ছি....ছি... নিবির তোর লজ্জা করেনা এমন কালো কুট কুটে একটি মেয়েকে বিয়ে করে আনলি?

নিবির : মা আমরা দুজন দুজন কে ভালোবাসি।

মা : তোর মতো একটি স্মার্ট ছেলের চয়েজ এতোটা খারাপ আর যর্ঘন‍্য? তুই আমাদের মান সন্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিলি।

নিবির : ভালোবাসা কি রুপ দেখে হয় মা?

মা : ভালোবেসে বিয়ে করবি ঠিক আছে। তাই বলো এই কালো মেয়েটা।

নিবির : আমার ওকেই ভালো লেগেছে তাই বিয়ে করেছি। তুমি তো সংসার করবা না আমি করবো। তবে তোমার সমস্যা কি।

মা : এতো কথা বলতে পারবো না। তুই এই মেয়েকে যেখান থেকে নিয়ে এসেছিস ঠিক ওখানেই রেখে আয়।

---তো এমন চিল্লাচিল্লি শুনে বাসার সবাই সেখানে চলে আসে? এসেই তো মাথা নষ্ট সবার।

নিবির : যদি চলেই যেতে হয় ওকে নিয়ে আমি সহো চলে যাবো।

---ভাইয়া তুই কোথায় যাবি। আর কালো মেয়েটা কে। ( নিবেরের বোন কথা)

নিবির : তোর ভাবি হয়?

কথা : হাহহাহা হাহহাআহ! মজা করোস আমার সাথে তুই। এই কাইল্লা মেয়ে তোর বউ।

নিবির : হুমম কেনো সমস্যা আছে কি।

কথা : এর থেকে তো আমাদের বাসার কাজের বুয়াও সুন্দর আছে। ওকেই তো বিয়ে করতে পাইতি।

নিবির : অনেক হয়েছে কথা চুপ কর এখন। মা তুমি কি আমাকে ভিতরে আসতে দিবা নাকি চলে যাবো।

---বেশ কিছুক্ষন পরে নিবিরের মা বলে উঠে।

মা : আয় ভীতরে আয়। শোন কাল আমাদের বাসায় কিছু মেহমান আসবে। তোর এই রুপোর বউ যেনো রুম থেকে বাহিরে না আসে।

নিবির : ঠিক আছে আসবে।

মা : যা তোর রুমে যা?

---কথাটি শুনার সাথে সাথেই নিবির শুভাকে নিয়ে তার রুমে চলে যায়। আর এই সব কাহিনী দেখে কথা মাকে বলে উঠে।

কথা : ছি...মা তুমি মেনে নিলে ভাইয়া কে। এই মেয়ের জন্যে তো বাহিরে আমি নিজেই মুখ দেখাইতে পারবো না।

মা : চিন্তা করিশ না কালকের দিনটায় আগে মেহমান চলে যাকে। তার পরে দেখ আমি কি করি।

কথা : যে কোন ভাবেই হোক এই মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করতে হবে। তুমি একটি জিনিস লক্ষ করছো আমাদের কাজের মেয়েটাও কতো সুন্দর ।

মা : চুপ থাক আজ কাল?

---এই দিকে শুভা নিবিরের সাথে রুম এসেই কান্না করতে থাকে। তো কান্না করা দেখে নিবির বেশ অবাক হয়ে জিঙ্গেস করে।

নিবির : কান্না করছো কেনো শুভা?

শুভা : দেখছেন আপনার মা আমাকে কতো আপোমান করলো আমি দেখতে শ‍্যাম বলে? কেনো আমরা কি মানুষ না। আমাদের কি আল্লাহ্ তৈরি করেনি।

নিবির : আরে ওরা বলবে এমন?শোন এটা তোমার এটা চাকরি অভিনয় করা। এতে মন খারাপের কী আছে। এক দিন গেলেই তুমি ২০ হাজার টাকা পাবে।

শুভা : তাই বলে কি এই ভাবে মানুষ মানুষকে অপোমান করে।

নিবির : আরে ঠিক হয়ে যাবে সমস্যা নেই। শোন কাল সকাল বেলা উঠেই রান্না কাজ করবা কিন্তু বলে দিলাম।

শুভা : ঠিক আছে।

( সবাই ভাবতেছেন কি হচ্ছে এই সব? তবে শুনুন সবাই আসল কাহিনী -- নিবিরেরা ২ বোন এক ভাই। নিবির হলো সবার বর। আর দুই বোনের মধ্যে বর বোনের বিয়ে হয়েছে। আর তার ছোট হলো কথা যে এখনো পরাশুনা করতেছে। তো নিবিরের পরাশুনা শেষে এখন চাকরি করতেছে। বেশ কয়েক মাস থেকে তকে বিয়ে করানোর জন্যে বাসা থেকে চাপ দেয়া হচ্ছিলো। কিন্তু নিবির একটি মেয়েকে ভালোবাসে সে এখন বিদেশে আছে। তার দেশে আসতে প্রায় ৬/৭ মাস দেরি আছে। তো অতিরিক্ত বিয়ের চাপের কারনে নিবির একটি বুদ্ধি খাটায়। এবং একটি মেয়েকে ভারা করে আনে সে যেনো এই ৬/৭ মাস বউ হিসেবে নাটক করে। তো যেই ভাবনা সেই কাজ? অনেক খোজা খুজির পরে শুভা কে খুজে পায়। শুভা ও রাজি হয়ে যায় অনেক টাকা দেখে। যাক এখন গল্পে ফিরি )

নিবির : শোন তুমি খাটে শুয়ে পরো? আমি সোপায় শুইতেছি।

শুভা : না সাহেব সেটা হয়না? আপনি বরং খাটে শুয়ে পরুন আমি সোপায় শুইতেছি।

নিবির : আরে আরে আমাকে তো সাহেব বলা যাবে না। এখান থেকে তুমি আমার বউ আমি তোমার স্বামী বুজছো।

শুভা : হুমম বুজছি।

নিবির : তুই বা আপনি করে ও কথা বলা যাবে না। তুমি করে কথা বলতে হবে ওকে।

শুভা : হুম ঠিক আছে।

নিবির : কালকে কিন্তু আমার ছোট বোন রুহি আসবে ওর পরিবারের সবাই মিলে। তুমি বাহিরে যেও না।

শুভা : আপনার! ওহ সরি তোমারা কয়ভাই বোন?

নিবির : ২ বোন এক ভাই। আমি সবার বর। আমার ছোট যে তার বিয়ে হয়েছে। আর তার ছোট এখনো পরাশুনা করতেছে।

শুভা : ওহ আচ্ছা। তবে তোমার বোন কালকে আসবে।

নিবির : হুমম? এখন ঘুমিয়ে পরো অনেক রাত হয়েছে। যা যা বলছি তাই করবা কাল।

---তো এর পরে শুভা ও নিবির দুজনেই ঘুমিয়ে পরে? পরের দিন সকাল বেলায় শুভা সবার আগে উঠে ফ্রেশ হয়ে রান্না ঘর খুজে বের করে। এবং সবার জন্যে রান্না করতে থাকে।

---এর পরে কাজের বুয়া তার সময় মতো রান্না ঘরে এসেই হতোবাক হয়ে যায়। আর এটা দেখে শুভা কাজের মেয়ের সাথে পরিচয় হয় যায়। এরি মাঝে আবার সব রান্না কম্পিলিট হয়।

---এর পরে সবাই যখন খাইতে বসে তখন একটি ঘটনা ঘটে যায়?

---যখন সবাই এক সঙ্গে খাইতে বসেছে তখন হঠাৎ করেই কথা বলে উঠে।

কথা : আরে বাহ্ আজ দেখি বুয়ার হাতের রান্না চমৎকার হয়েছে। মন চাচ্ছে সব খাবার একাই খেয়ে ফেলেছি।

---তো কথার এই কথা শুনে কথার মা ও প্রসংসা করে বুয়ার। কিন্তু তখন বুয়া বলে উঠে।

বুয়া : এই রান্না আমার হাতের না? এটা নিবির স‍্যারের বউ শুভা আপুর হাতের রান্না?

---বুয়ার মুখে কথাটি শুনেই কথা ও কথার মা সব খাবার মাটিতে ফেলে দেয় আর বমি করতে থাকে।

বুয়া : কি হলো আপা? বমি করতেছেন কেনো?

কথা : ঠাসসস! ঠাসসস! এই কুত্তার বাচ্চা তুই রান্না করিশনাই কেনো? ওই কালো পেত্তানিকে কেনো দিয়েছিস রান্না করতে। ঘৃনা লাগে ওকে দেখলেই আমার।

বুয়া : আপু আমি দেখি শুভা আপা আমার আগে উঠে রান্না কাজ শেষ করেছে।

কথা : সেই কথা আগে বল্লি না কেনো।

বুয়া : ভুল হয়েছে আমার?

---তো এই সব আবার নিবির ও শুভা পাশে থেকে দেখতেছে। মায়ের ও বোনেরেমন কাহিনী দেখে কি বলবে নিবির সেটাই খুজে পাচ্ছে না।

---তো এর পরে নিবিরের মা ও বোন অনেক কথাই বললো শুভাকে উদ্দেশ্য করে। কিন্তু শুভা কোন প্রতিবাদ করেনি। কারন শুভাকে অভিনয় করার জন্যে আনা হয়েছে। ওরা কি করে করুক সেটা দেখার কোন টাইম নাই।

---এর পরে ৩ পরে নিবেরের বোনের শশুর বাড়ির লোক সবাই চলে আসে। এটা দেখে সবাই বেশ খুশি হয়। এবং বহু পদের রান্না ও করা শুরু করে দেয়। এর পর অনেক আড্ডা দেয়ার পরে এক পর্যায় সবাই খাইতে বসে। ( তখন পযর্ন্ত কিন্তু কেউ জানে না নিবির বিয়ে করেছে )

---সবাই খাইতে বসছে এমন সময় শুভার পেট ভিষন ব‍্যথা করতে শুরু করে। তবুও কষ্ট করে রুমের ভিতরেই থাকে। কিন্তু যখন নিজেকে আর কন্টল করতে পারতেছিলো না তখন শুভা নিবির কে ডাকার জন্যে রুমের ভিতর থেকে বেরিয়ে নিছে নেমে আসে? কিন্তু নিছে আসা মাত্রই শুভা গল গল করে ভমি করতে থাকে সাবার সামনে । এটা দেখে সবাই মন্তব্য করতে থাকে।

---এই সব প্লান করে তৈরি করেছে যাতে আমরা খাইতে না পারি। আপনারা যদি না খাওয়াবেন তবে ডাকলেন কেনো খাওয়ার জন্যে ।

---মেহমানের মুখে এই কথাটি শুনেই কথা রুম থেকে একটি লাঠি এনে শুভার___

নতুন গল্প

শ্যাম_সুন্দরী_সে
পর্ব---১

ফ্রেমে বন্দী জীবন

বিয়ের ১৩ বছর পর জানতে পারলাম, আমার স্বামী অন্য মেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে প/তি/তা/ল/য়ে  গিয়ে রাত কাটায়....সে রাতটা...
19/11/2023

বিয়ের ১৩ বছর পর জানতে পারলাম, আমার স্বামী অন্য মেয়েদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে
প/তি/তা/ল/য়ে গিয়ে রাত কাটায়....

সে রাতটা ছিল ঈদের রাত। সে বাইরে থেকে এসে ফ্রেশ হবার জন্য ওয়াশরুমে ছিল, আর আমি খাবার গরম করে টেবিলে সাজিয়ে, তাকে সালাম করার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কারন প্রতি ঈদে তার পায়ে হাত দিয়ে সালাম করি, সেই ১৩ টা বছর ধরে। রাত আনুমানিক ১২.৩০, আমি বসে আছি, এসময় হঠাৎ তার ফোনে রিং বেজে উঠল, দেখলাম, আননোন নাম্বার, পিক করলাম না আননোন নাম্বার দেখে। রেখে দিতে যাবো, এমন সময়ে মেসেঞ্জারে টুং করে শব্দ হলো।

সচরাচর আমি তার মেসেঞ্জার চেক করি না, কিন্তু সেইসময় ফোনটা যেহেতু হাতেই ধরা ছিল, মেসেজটা দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না।
যা দেখলাম, তাতে আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। আমার স্বামী ১২ বছর ধরে একটা মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত।
সেখানে সব লেখা আছে, তারা কবে কোথায় দেখা করেছে, তার দেয়া গেন্জি পরে, আজ তার সাথে দেখা করে এসছে।
সব, সবটাই লেখা আছে।

আরেকটা কথা বলা হয়নি, আমরা ৪ বছর প্রেম করে পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে করি, আমাদের সংসারে দুটো সন্তান রয়েছে।

আমি ও আমার স্বামী দুজনেই শিক্ষিত, আমি চাকুরীজীবি, আমার স্বামী তেমন কিছু করে না, ফ্যামিলি বিজনেস দেখাশোনা করে, তার বাবার অঢেল সম্পত্তি ছিল, সে নেশাগ্রস্ত, নেশা করতে গিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট করে।

যাই হোক সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তার সবটাই মেনে নিয়েছিলাম, তাছাড়া প্রচন্ড ভালবাসতাম তাকে, ভাবতাম, একসময় সে নেশার জগত থেকে ফিরে আসবেই।

কিন্তু, এখন দেখছি, একটা মেয়ের সাথেও জড়িত, মেয়েটি একজন মাদক ব্যবসায়ী, সেই সাথে একটা প্রাইভেট ক্লিনিকের আয়া। অনেকে অনেক সময় এসে বলতো আমাকে এই মেয়ের কথা, কিন্তু স্বামীর প্রতি অগাধ বিশ্বাস আর ভালবাসা ছিল বলে, কোনদিন বিশ্বাস করিনি।

যায় হোক, বাস্তব নির্মম সত্যিটা আজ আমার সামনে, যেটা ভয় পেতাম সেটাই হলো!!

তারপর আমি কি করলাম? আমি........

তারপর আমি কি করলাম? আমি তার ফোনটা যথাস্থানে রেখে দিলাম। সে ওয়াশরুম থেকে বের হলে, তাকে খেতে দিলাম, আমি তেমন কিছু খেলাম না।তার খাওয়া শেষ হলে, তাকে রুমে ডাকলাম, বললাম, তোমাকে কিছু বলতে চাই, সত্যি সত্যি উত্তর দেবে, কোনকিছু অস্বীকার করবে না, কারন আমি সবকিছু জানি।

সে বলল, বলো!
আমি বললাম, কোন মেয়ের সাথে কি তোমার সম্পর্ক আছে?
আমি তখন কেবল আল্লাহ্কে ডাকছিলাম, যেন বলে সব মিথ্যা, কারন তার মুখ থেকে এটা আমি সহ্য করতে পারব না।
সে বলে, হ্যাঁ, আছে। তবে আজকের পর থেকে আর থাকবে না।
আশ্চর্য হয়ে গেলাম, কি রকম অবলীলায় সে স্বীকার করে নিল! আমার পায়ের তলার মাটি সরে গেল, কোনমতে জিজ্ঞেস করলাম, আজ থেকে ঠিক বারো বছর আগে তোমার ফোনে একটা মেয়ের ম্যাসেজ দেখেছিলাম, সেই মেয়েটাই কিনা!
সে বলল, হ্যাঁ, সে মেয়েটাই।
আমার চারিদিক অন্ধকার হয়ে গেল। নিজেকে কোনমতেই সামলাতে পারলাম না।
তবুও যতোটা সম্ভব ঠান্ডা হয়ে, তার ফোনটা নিয়ে, তার সামনেই মেয়েটাকে ফোন দিলাম, তখন রাত প্রায় ২ টা বাজে।
রিং হতেই ওপাশ থেকে একটা ছেলে ফোন ধরলো, বললাম, এটা কি নাদিরার নাম্বার!
লোকটা বলল, হ্যাঁ।
বললাম, আপনি কে?
বলল, আমি তার স্বামী।
বললাম, আপনি কি জানেন, আপনার বউ একজনের সাথে প্রেম করে, নাকি নিজের বউকে বিক্রি করে দিয়েছেন?
লোকটা বলল, কি যা তা বলছেন!!
এটা বলতেই আমার হাজবেন্ড, আমার হাত থেকে ফোনটা নিয়ে আছাড় মেরে ভেঙে চুরমার করে ফেললো, আর আমাকে দুইটা লাত্থি মেরে বিছানা থেকে নিচে ফেলে দিল।

আমি কিছু না বলে,আস্তে করে রুম থেকে বের হয়ে আসলাম।
চলে গেলাম রান্নাঘরের দিকে, সেসময় মনে হয় কাঁদতে ভুলে গিয়েছিলাম, বুকটা পাথর, দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে পড়লাম।
মনে পড়তে লাগলো সেই সব পুরনো দিনের কথা। সেসময় কলেজে পড়তাম। আমি শহরে কলেজের হোস্টেলে থাকতাম। খালাতো ভাইয়ের ফ্রেন্ড ছিল সে। সেখান থেকেই পরিচয়। চার বছর প্রেম। একটা দিনও আমাকে না দেখে থাকতে পারতো না। প্রতিদিন দেখা হতো আমাদের। কলেজ ছুটি হলে, আমি গ্রামের বাড়ি গেলে, আমাকে বাসা পর্যন্ত রেখে আসতো। মাঝে মাঝে আমাকে এক নজর দেখার জন্য আমাদের গ্রামের বাড়িতে ছুটে যেতো ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে।
একসময় দেখলাম, দুজন দুজনকে ছেড়ে থাকতে পারছি না।পারিবারিক সম্মতিতে হঠাৎ করেই বিয়ে হয়ে গেল।
দুজনের মতো সুখী কেউ ছিল না সেদিন।
এই তেরোটা বছরে, আমি একটা দিনও তাকে ছাড়া ঘুমাইনি।
আমি বাবার বাসায় যেতাম না, গেলে দুদিন থেকেই চলে আসতাম।
কারন, তার হাতটা ছিল আমার বালিশ। তার বুকে মাথা না রাখলে, কিছুতেই ঘুমটা আসতো না।
সে রাত করে বাসায় ফিরতো, আমি তার জন্য বসে থাকতাম।সে আসলে একসাথে খেতাম।

আমার দুটো বাচ্চায় সিজারিয়ান। ওটিতে ঢোকার আগ মূহুর্তে তার সে কি কান্না।
এই তেরোটা বছরে আমাকে কোনদিন অবহেলা করেনি।
আমি যা চেয়েছি, তাই এনে দিয়েছে, আমি যা করতে বলেছি, তাই করেছে।
খারাপ অভ্যাস ওই একটাই ছিল। মাদকাসক্তি। বোঝাতাম তাকে, ভেবেছিলাম, সেটাও আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।

আমি সারাক্ষণ আমার বাচ্চা আর সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। সংসারের প্রতি তার কোনদিনই মনোযোগ ছিল না, বাজার করা থেকে, রান্না করা, সংসার সামলানো, বাচ্চাদের স্কুল সবটাই আমাকে একাই সামলাতে হতো। তবুও ভাল ছিলাম, সুখী ছিলাম।
বাসার প্রত্যেকটা কোনা আমার নিজ হাতে সাজানো।

আমার সেই ভালবাসার মানুষটা কি করে আমার সাথে প্রতারণা করতে পারলো, যাকে ছাড়া আমি আমার জীবনের একটা দিনও কল্পনা করতে পারি না, সে শুধুই ঠকিয়ে এসছে আমাকে।

আমি আর কিছুই ভাবতে পারলাম না। মৃত্যুর পথ বেছে নিলাম।
অন্য রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে, ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে পড়লাম।

তারপর, দরজা ভেঙে আমার হাজবেন্ড আমার গলা থেকে পেঁচানো ওড়না খুলেই আমার গালে ঠাস ঠাস করে ২টা থাপ্পড় বসিয়ে দিল। আমি ২ সপ্তাহ কানে শুনতে পাইনি। সেদিন সে আমাকে স্যরি বা জড়িয়ে না ধরে থাপ্পড় কেন মারল, তা আমার আজও বোধগম্য নয়। কান্নাটা ছিটকে বের হতে চাইল কিন্তু, আঁটকে যাচ্ছিল হয়তোবা অপমান আর অভিমানের চাপে, শুধু দুচোখ দিয়ে অশ্রু আর বুক থেকে হেঁচকি উঠে আসছিল।

যায় হোক, দরজা ভাঙার শব্দে আমার শ্বাশুড়ি আর আমার পাঁচ বছরের ছোট বাচ্চাটা জেগে গেল। আমার বাচ্চাটা জেগেই কান্না শুরু করে দিলো। বাচ্চার কান্না দেখে, বুকে জড়িয়ে নিলাম। শ্বাশুড়ি সব শুনে কিছুক্ষণ থ হয়ে বসে থাকল, তারপর আমাকে ছেলের পক্ষ হয়ে বুঝাতে শুরু করলো।
বলল, বাচ্চা কাঁদছে, তাকে নিয়ে শুয়ে পড়ো।
প্রায় ভোর হয়ে আসলো, শুয়ে পড়লাম।

সেদিন থেকে আমার খাওয়া, ঘুম সব কোথায় যেন হারিয়ে গেল।
আমি সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, আর সেই মেয়ে একজন অশিক্ষিত আয়া। আমি কি করে এতোবড় অপমান সহ্য করবো।

তাকে সারাক্ষণ জিজ্ঞেস করতে লাগলাম, সেই মেয়ের সাথে তোমার কতোদূর সম্পর্ক। কি করেছো তার সাথে, কতোবার তার হাত ধরেছো, কতোবার তাকে জড়িয়ে ধরেছো, কতোবার তাকে ফোন করতে, তাকে কি কি গিফট করেছো, কোথায় কোথায় দেখা করেছো, কোন কোন রেস্টুরেন্টে দেখা করেছো, কোন পার্কে বসেছো, তাকে কতোবার ভালবাসি বলেছো ইত্যাদি ইত্যাদি প্রশ্ন করতাম সারাক্ষণ।

সে আমার প্রতি বিরক্ত হতে লাগলো আস্তে আস্তে। আর আমি ধীরে ধীরে মানসিক রুগী হতে লাগলাম।একদিন আমার এক আত্মীয় মারা যাওয়ায়, আমার আব্বু আম্মু ভাই বোন বাসায় আসলো।

সেদিন রাতে সে বাহির থেকে আসলে, আমি তাকে বললাম, আমি ঐ মেয়ের সাথে কথা বলতে চাই। আমি ঐ মেয়ের কাছে যেতে চাই।
সে বলল, ঐ মেয়ের কাছে গেলে তোমাকে সতীনের সংসার করতে হবে।
তা শুনে, আমার পৃথিবীটা অন্ধকার হয়ে গেল।
আবারও দরজা বন্ধ করে, আমার নিজের গায়ে আমি আগুন ধরিয়ে দিলাম।
আবারও আমাকে দরজা ভেঙে বের করলো, গায়ে পানি ঢেলে আগুন নেভালো।
কিন্তু আমাকে ঐ অবস্থায় রেখে, সে বাসা থেকে বেরিয়ে গেল।
আমার শ্বাশুড়ি আমাকে বলল, তোমার প্রতিদিনের নাটক আর ভাল লাগে না, তোমার জন্য আমার ছেলে বাসা থেকে বেরিয়ে গেল, যাও যেখান থেকে পারো আমার ছেলেকে ফিরিয়ে নিয়ে এসো। রাত তখন ১ টা বাজে।

আমার ছোট ননদ, তার জামাই, চাচা শ্বশুর, চাচী শ্বাশুড়ি আরও অনেকে বাসায় চলে আসলো।

আমার ছোট ননদ সবার সামনে আমাকে বলল, ছেলেরা দশজনের সাথে প্রেম করলে কিছু হয় না, কিন্তু মেয়েমানুষ স্বামীর সাথে ঝগড়া করলে, তাকে বলে বেশ্যা।
আমি রীতিমতো হিজাবী, অথচ আমার ননদ আমাকে বানিয়ে দিল বেশ্যা।

যায় হোক, সেই রাতেই শ্বাশুড়ির কথা মতো ভাইকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম তাকে খুঁজতে।

তার কিছু ফ্রেন্ডের কাছে ফোন করে, তার খোঁজ পেলাম, সে কিছুতেই বাসায় আসবে না, তাকে স্যরি বলে, বললাম, আর ঐ মেয়েকে নিয়ে কোন কথা বলব না, বাসায় চলো।
অনেক বুঝিয়ে রাত প্রায় ২ টায় বাসায় নিয়ে আসলাম।
সব আত্মীয় স্বজন বুঝাতে লাগলো, কি করবা, দুটো সন্তান আছে তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে, সব মেনে নাও, বাচ্চা দুটোকে মানুষ করো।

আমি কোন কথা না বলে, শুয়ে পড়লাম। সবকিছু আগের মতো, সংসার বাচ্চা, তাদের স্কুল।

কিন্তু, ভেতরের আগুনটা কিছুতেই নেভে না। একদিন ডিসিশন নিলাম, তার সাথে আর থাকবো না, শুধু নিজের সার্টিফিকেটগুলো নিয়ে এই বাসা থেকে চলে যাবো। তাঁর বাচ্চাদের সে, একা মানুষ করুক, এটাই তার শাস্তি।

কিন্তু আমি মা, বাচ্চাদের ছেড়ে যাবো ভাবতেই দুচোখ জলে ভরে আসে। সিদ্ধান্ত নিলাম, ছোট বাচ্চাটাকে সাথে নিবো, ঢাকায় আমার এক ফ্রেন্ড থাকে, আপাতত তার বাসায় কয়েকটা দিন থেকে, একটা চাকরি যোগাড় করে নেবো।
একটা ছোট ব্যাগ, আমার সার্টিফিকেট আর আমার ছোট বাচ্চা এসব নিয়েই রওনা হলাম, অজানা পথের উদ্দেশ্যে।

চলবে....

#তেরো_বছরের_সংসার_বারো_বছরের_পরকীয়া
পর্ব : ০১

ফ্রেমে বন্দী জীবন

প্লেন ল্যান্ড করেছে। যাত্রীরা সবাই নেমে গেছে। পাইলট হোটেলে পৌঁছেছেন। উড়োজাহাজ পরিচ্ছন্ন কর্মী এসেছেন- পুরো প্লেন পরিষ্কা...
19/11/2023

প্লেন ল্যান্ড করেছে। যাত্রীরা সবাই নেমে গেছে। পাইলট হোটেলে পৌঁছেছেন। উড়োজাহাজ পরিচ্ছন্ন কর্মী এসেছেন- পুরো প্লেন পরিষ্কার করতে। পরিষ্কার করতে করতে তিনি পাইলটের ককপিটে আসেন। দেখেন-সেখানে একটা বই।
বইয়ের উপরে লিখাঃ কিভাবে পাইলট হতে হয় (ভলিউম ১)

উৎফুল্ল পরিচ্ছন্ন কর্মী - বইয়ের প্রথম পাতা উল্টান। সেখানে লিখা - লাল বোতামে টিপুন- প্লেনের ইঞ্জিন চালু হবে।
তিনি তাই করলেন- লাল বোতামে চাপ দেয়ার সাথে সাথে ইন্জিন চালু হয়ে গেলো।

পরের পাতায় লিখা- উড়োজাহাজকে সামনে অগ্রসর করাতে চাইলে এবার এই নীল বোতাম টিপুন। তিনি আর অপেক্ষা না করে তাই করলেন। সাথে সাথে উড়োজাহাজ সামনে এগোতে লাগলো।

তারপরের পাতায় লিখাঃ গ্রাউন্ড থেকে শূণ্যে উড়াতে চাইলে এবার সবুজ বোতাম টিপুন।
তিনি তাই করলেন।
পরিচ্ছন্ন কর্মী অবাক- প্লেন শূণ্যে উড়া শুরু করেছে এবং উপরে উড়ছে তো উড়ছে।

তার আনন্দের সীমা নেই। এতো সহজেই প্লেন আকাশে উড়ানো যায়। প্রায় বিশ মিনিট তিনি আকাশে উড়লেন। এবার নামার পালা।

বইয়ের পরের পাতা উল্টালেন। সেখানে লিখাঃ প্লেন কিভাবে নীচে ল্যান্ড করাতে হয় সেটা শিখতে চাইলে (ভলিউম ২) বইটি কিনুন এবং আমাদের ফ্লাইট লার্ণিং কোর্সে ভর্তি হয়ে যান।

সারমর্ম : অল্প বিদ্যায় পারদর্শিতা আপনাকে হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য আকাশে উড়াতে পারে, কিন্তু একসময় ঠিক নিচে নামাবে, জীবিত অথবা মৃত, না হয় কেটে ছিড়ে!!!

ফ্রেমে বন্দী জীবন

রিয়া চল না আজ যাই, আমার বাসা পুরো ফাঁকা কেউ নাই,-দেখ নাইম, তুই ফ্রেন্ড তাই তোকে একবার চান্স দিছি আর না,--আবার যাই না, চল...
12/11/2023

রিয়া চল না আজ যাই, আমার বাসা পুরো ফাঁকা কেউ নাই,
-দেখ নাইম, তুই ফ্রেন্ড তাই তোকে একবার চান্স দিছি আর না,
--আবার যাই না, চল অনেক মজা দিবো,
--রাফি যদি জানতে পারে তাহলে শেষ করে ফেলবে আমাকে,

--এত ভয় পাস কেনো,একটা bf গেলে আরো ১০টা bf পাবি,তুই কি কম সুন্দরী,

--তা ঠিক বলছিস,কিন্তু ও ভালো একটা ছেলে বোকাসোকা, যা বলি তাই করে,
এমন আর পাবো না,

--আচ্ছা চল তো জানতে পারবে না,আজ ওয়ান টাইম খেয়ে শুরু করব,

-- ওয়াও আচ্ছা চল তাহলে,,,,

রিয়া চলল তার জাস্ট ফ্রেন্ড নাইমের সাথে রুমডেট করতে,

রাফি রিয়া কে অনেক ভালবাসে, আর বিশ্বাসও করে,
রিয়া আর নাইম ক্লাসমেট আর রাফি
এক ইয়ারের সিনিয়র,

রাফি রিয়া কে ফোন দিলো,

রিয়া; হ্যালো রাফি বলো

রাফি; তুই কই?

রিয়া; আমি তো মাত্র ক্যাম্পাস থেকে বাসায় আসলাম,

রাফি; তা আমাকে ফোন দিবা না,

রিয়াঃ ফোন তো দিয়েছিলাম,তোমার ফোন অফ ছিলো,,

রাফি; ক্লাসে ছিলাম,,,,
কথা শেষ হওয়ার আগেই রিয়া ফোন টা কেটে দেয়,

রাফি কিছু মনে করে না,

কিছুক্ষণ পর রিয়ার বান্ধুবি লিমা এসে
জিজ্ঞেস করে রাফি ভাইয়া রিয়া কে দেখছেন,

রাফি; ও তো বাসায় চলে গেছে,

লিমা; কি বাসায় চলে গেছে,কিন্ত রিয়ার বাবা আমাকে ফোন করে বলল,রিয়ার ফোন অফ বাসায় যায়নি,

তখন রাফির টনক নড়ে,

রাফি তখন রিয়া কে ফোন দেয়,কিন্তু অফ,

রাফি লিমা কে জিজ্ঞেস করে নাইম কে দেখছো,

লিমা; না ভাইয়া ওকেও তো দেখছি না,

তখন রাফির মনে সন্দেহ জাগ্রত হলো,
রাফির এক ফ্রেন্ড এসে বলল,

কি মামা তোমার পাখি কে দেখলাম নাইমের সাথে, ব্রেকাপ হয়ছে নাকি,

রাফি; কই দেখছোস,

--নাইমের বাসার দিকে যেতে দেখলাম,

রাফি; চল মামা তাহলে,

--আরে কই যামু,

রাফি বাইক Start দিয়ে বলল রাতুল বস,
রাতুল হচ্ছে রাফির ফ্রেন্ড,

রাতুল; কই যামু বলবি তো,

রাফি; নাইমের বাসায়,

রাতুল ; কেনো, রিয়া গেছে বলে,তুই কি রিয়া কে সন্দেহ করিস,

রাফি; আগে করতাম না একটু আগে থেকে করি,

রাতুল; কি ভাবে,

রাফি; রিয়া রে ফোন দিলাম ও বলল বাসায়,তুই বললি নাইমের বাসার দিকে যাচ্ছে,

রাতুল ; তাহলে মামা চল যাই,

কিছুক্ষনের মধ্যে নাইমের বাসার সামনে হাজির হল,

কিন্ত রাফি বাসার ভিতরে যেতে ভয় পাচ্ছে,যেয়ে কি বলব ও তো কোন কাজেও আসতে পারে কোন বই নিতে,

রাতুল; সালা তুই কথা আগে ভেবে বলতে পারলি না,

রাফি; আরে তখন তো মাথায় সন্দেহ ছিলো,চল চলে যাই,

রাতুল; দোস্ত খুব ক্ষুধা পাইছে,চল ভিতরে যাই,

রাফি; সালা এক লাথি খাবি,খাবি হোটেলে চল বাসার ভিতর কি করবি,,,
পরবর্তী অংশ অর্থাৎ পেজে দেয়া হবে, পুরো গল্পটি পড়তে লাইক/ফলো দিয়ে সাথে থাকুন।
রাতুল; দেখ আমার কাছে টাকা নাই,আমরা নাইমের বড় ভাই, বাসায় গেলে না খেয়ে আসতেই দিবে না,
আর তোর সন্দেহ দূর হবে,

রাফি; যখন বলবে কেনো আসছেন তখন কি বলবি,

রাতুল; বলব বলব,আমরা একটা ফুটবল টুর্নামেন্ট,,,,,,,,,,,.

রাফি; মামা বুঝতে পারছি এবার চল আর বলতে হবে না,

দরজায় কলিং বেলে চাপ দেয় রাতুল কিন্ত কেউ দরজা খোলে না,

রাফি দরজা ধাক্কা দিতেই খোলে যায়, তার মানে দরজা খোলাই ছিলো,
এমন সময় নাইম এসে হাজির অর্ধ উলঙ্গ অবস্থায় শুধু একটা জাঙ্গিয়া পড়া,
তখন রাফির মাথায় আবার রিয়ার কথা চলে আসে,

রাতুল; নাইম তোমার এই অবস্থা কেনো,

নাইম ভয়ে চুপসে গেছে,চোকে মুখে বিষন্নতা,

নাইম আমতা আমতা করে বলল, ভাভাভাভাইয়া গোগোসল করছিলাম তো,
রাতুল; বাসায় কেউ নাই,

নাইম; না ভাইয়ায়ায়া,নানানু বাড়ি গেছে,

রাতুল; তুমি এমন করছো কেনো,

রাফির মনে এখন এক অজানা ভয় কাজ করছে,আর মন চাইছে ভিতরে যেতে,
কিন্ত ছোট ভাই নাইমের যে অবস্থা যাই কি করে,কিন্ত রাফির মন মানছে না,

কিন্ত রাফি এদিক সেদিক তাকাচ্ছে,হঠাৎ ফ্লোরে চোখ যায়,
আর যা দেখে রাফির চোখ কপালে উঠে যায়,

রাফি; নাইম আমাকে এক গ্লাস পানি খাওয়াতে পারবা,

নাইম; আসলে ভাইয়া পানি নেই, সাপ্লাই পানি তো,

রাতুল; দূর মিয়া তুমি না একটু আগে বললা গোসল করতে ছিলা,

রাফির মন তখন বলে ও মিথ্যা কেনো বলছে,

রাফির মন আর মানছে না তাই রাফি নাইম কে ঠেলে ভিতরে ঢুকে,

রাফি; নাইম কে বলে তোর রুম কোন টা,

রাতুল রাফি কে বলে বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে না,
কারন সোফার উপর রিয়ার ফোন টা দেখে বিশ্বাস হয়ে গেছে,

রাফি তখন নাইম কে একটা থাপ্পড় দেয় আর ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করে,
রিয়া আসছে কিনা,

নাইম ভয়ে বলে দেয়,

রাফি উপরে যায় রুমের দরজা খোলতেই যা চোখে পড়ে,

নিজের প্রিয় মানুষ টা কে এই ভাবে দেখতে হবে তা কখনো ভাবে নি,
রাফি দেখে রিয়া উলঙ্গ অবস্থায় বসে আছে,,,
ওদের মধ্যে কিছু একটা হয়ছে তা রুমের অবস্থা দেখেই বুঝা যাচ্ছে,

রিয়া ভয় পেয়ে যায় আর আমতা আমতা করে বলে,,,,,,,,

গল্পেটা দিবো নাকি বাদ দিয়ে দিবো?
কমেন্ট করে জানাও?? কেমন?

গল্প; just_Friend
পর্ব-০১

(চলবে)
ফ্রেমে বন্দী জীবন

গল্প_ভরসা2শেষআমার শাশুড়ী দেবরের দিকে তাকিয়ে আছে কেউ কিছু বলছে না আমার দেবর মাথা নিচু করে লজ্জা পেয়ে তার রুমে চলে গেলো।আম...
05/11/2023

গল্প_ভরসা
2শেষ

আমার শাশুড়ী দেবরের দিকে তাকিয়ে আছে কেউ কিছু বলছে না আমার দেবর মাথা নিচু করে লজ্জা পেয়ে তার রুমে চলে গেলো।
আমার শাশুড়ী আমাকে কিছু না বলে নিজের রুমে চলে গেলো।জানি না তার মতামত কি হবে।তিনি তার ছেলের পক্ষ নিবেন নাকি আমার?
আমি এইসব কি ভাবছি!একবার আমাকে ভরসা করেছেন বলে আমি বার বার একই রকম আশা করতে পারি না।
যাই হোক,আজকে একটু শান্তির ঘুম ঘুমাতে পারবো।আমার এই সংসারে আমার কাছের মানুষ আর একমাত্র ভরসা ছিল আমার স্বামী।তিনি মারা যাওয়ার পর ভরসার ছাদটাও আমার মাথার উপর থেকে সরে গেছে।মানুষটা ভীষণ রকমের ভালো ছিলো।তার ভাইয়ের বিপরীত। মেয়েদের যথেষ্ট সম্মান করতো।কখনো আমাকে অসম্মান করে কথা বলেনি।
এইসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরেছি।সকাল হতেই ঘুম ভেঙ্গে গেলো।সবাই একসাথে নাস্তা করতে বসেছি।আমার শাশুড়ী আমার দেবরকে সবার সামনে অপমান করছে।এই দৃশ্য দেখে আমি অবাক!যে শাশুড়ী কোনোদিন আমার সাথে ভালো করে সুন্দর করে কথা বলেনি সেই শাশুড়ী আমাকে সাপোর্ট দিচ্ছে দেখে আমি কোনো কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।আর চোখ দিয়ে এক ফোটা দুই ফোটা করে পানি গড়িয়ে পরছে।
আমার শাশুড়ী যখন আমার দেবরকে অপমান করছে সে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে।
ছেলেটাকে আমার স্বামী খুব ভালোবাসত।নিজের ভাইকে কেউ এত ভালোবাসতে পারে তাকে না দেখলে বুঝতাম না।
আমি ভেবেছি আমার দেবর শোধরে গেছে।আমার ধারণা সে ভুল প্রমাণ করে দিল।আর সে আরো ভয়ানক হয়ে উঠলো!
একদিন আমি আমার রুমে আমার বাচ্চাকে খাবার খাওয়াচ্ছি আমার শশুর শাশুড়ী তাদের নিজেদের রুমে ঘুমাচ্ছে।এমন সময় আমার দেবর এসে আমার মুখ চেপে ধরে।আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না।আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো।আমার বাচ্চা হঠাৎ চিৎকার দিয়ে কান্না করে দেয়।আমার বাচ্চার কান্না শুনে আমার শশুর শাশুড়ীর ঘুম ভেঙ্গে যায়।তারা এসে দেখে আমার রুমে আমার দেবর।
আমি তাদের সবটা খুলে বলি।আমার দেবর আমার রুম থেকে বের হয়ে নিজের রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়।
এইবার শাশুড়ী আমার কাছে আমার সিদ্ধান্ত জানতে চাই।তাকে কি শাস্তি দেওয়া যায়?আমি মনে মনে ভাবছি আমার দেবরের জায়গায় যদি আমার আপন ভাই হতো আমি কি করতাম?আমি শাশুড়ীকে বললাম তাকে আর একবার সুযোগ দিয়ে দেখতে।আর আমি বলছি তাকে বিয়ে করিয়ে দিতে।সংসারের চাপে বা তার জীবনে কেউ আসলে সে হয়তো বদলে যাবে।তাছাড়া তার বিয়ের বয়সও হয়েছে।টাকাও মোটামুটি ভালো আয় করে।
আমার শাশুড়ী আমার সিদ্ধান্তে রাজি হয়।কিছুদিন পর আমরা সবাই মিলে তাকে বিয়ে করিয়ে দিই।আমার জা এতটা ভালো মেয়ে তা ভাষায় প্রকাশ করার মত না।সব কিছুতে আমাকে সম্মান দেয়।আমাকে ছাড়া কিছু বুঝেনা।নিজের বোনের মত দেখে সবসময়।
মেয়েটা আস্তে আস্তে আমার দেবরকে সঠিক পথে নিয়ে আসে।আমার দেবরও এখন আমাকে আগের মত সম্মান দেয়।সে বুঝতে পারে তাকে আমি আমার আপন ভাইয়ের মত করে সবসময় ভেবেছি।কিছুদিন আগে তাদের একটা ফুটফুটে মেয়ে হয়েছে।
একদিন আমার দেবর আমার কাছে এসে তার কাজগুলোর জন্য অনুতপ্ততা প্রকাশ করেছে।আমিও তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।
আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমাকে অনেকে বলেছে আমার দেবরকে বিয়ে করে নিতে।আমি রাজি হয়নি।যদিও বিয়ে করার নিয়ম আমাদের সমাজে আছে।আমি তাকে আমার ছোট ভাই ভেবেছি সবসময়।হঠাৎ করে তাকে বিয়ে করে নেওয়াটা আমার কাছে ভালো লাগেনি।এখন সম্পূর্ণ পরিবারে আমরা একের ভরসা অন্য জন। আমার দেবরের ইনকামে আমার পুরো সংসার চলে।
আমার সব চেয়ে বড় ভরসা আমার শাশুড়ী তিনি যদি সেদিন আমাকে সাপোর্ট না দিতো আমি হয়তো সমাজের চোখে ঘৃণার পাত্র হয়ে যেতাম।সমাজে সবসময় মেয়েদের দোষটা বড় করে দেখা হয়।
প্রতিটা মানুষের জীবনে একটা ভরসার কাঁধ মানে বিশাল বড় একটা ছাদ।
গল্পঃভরসা
(শেষ পর্ব)

ফ্রেমে বন্দী জীবন. with. / Ajjob " Photography

Address

Faridpur, Dhaka
Faridpur
7800

Telephone

01716023236

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফ্রেমে বন্দী জীবন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category