27/06/2025
ফরিদপুর রেলওয়ে বস্তিতে মা/দক সম্রা/জ্ঞী শিল্পি চক্র ধ্বং/স, যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১৫ জন আ/টক
ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুর সদর উপজেলার গুহ লক্ষ্মীপুর এলাকার রেলওয়ে বস্তিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা মা/দক কারবার ও সন্ত্রা/সী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অ/ভিযানে ১৫ জনকে আট/ক করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মা/দক, দেশীয় অ/স্ত্র ও অন্যান্য অ/পরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উ/দ্ধার করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে আলোচিত মাদক চক্রের নেত্রী শিল্পি বেগম (৩০) এবং তার পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন।
সেনা সূত্র জানায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পে গুহ লক্ষ্মীপুর রেলওয়ে বস্তি এলাকায় চলমান মা/দক পাচার, জোর/পূর্বক দখ/লদারিত্ব এবং স্থানীয় স/ন্ত্রা/সী কর্মকাণ্ড নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছিল। গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়া যায়, শিল্পী বেগম ও তার পরিবার এলাকায় একটি সুসংগঠিত মাদ/ক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে, যেখানে নারীদের ব্যব/হার করে প্রকা/শ্যে ই/য়াবা, গাঁ/জা ও হে/রোইন বিক্রি করা হচ্ছিল। অনুসন্ধানে উঠে আসে, শিল্পীর সঙ্গে ভারতীয় মা/দক পা/চার চক্রের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে এবং ভারত থেকে গাঁ/জা এনে এই এলাকায় সরবরাহ করে একটি অবৈ/ধ অর্থনৈ/তিক প্রভাব বিস্তার করে আসছিল।
২৬ জুন রাত ৮টায়, আন্তর্জাতিক মাদ/ক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ১৫ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও পুলিশ যৌথভাবে একটি বিশেষ অভি/যান পরিচালনা করে। অভি/যানে তাৎক্ষণিকভাবে ৭ জনকে হাতেনাতে মা/দক বিক্রির সময় আট/ক করা হয়। এরপর এলাকাজুড়ে পরিচালিত ত/ল্লাশি ও বস্তির কেন্দ্রে অবস্থিত শিল্পির বাড়িতে অভিযা/ন চালিয়ে তাকে এবং আরও আটজনকে আ/টক করা হয়। অভি/যান চলাকালে শিল্পির বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ মা/দকদ্রব্য, দেশীয় ধা/রালো অ/স্ত্র এবং মোবাইল ফোন উ/দ্ধার করা হয়, যা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভী/তি ও নিয়/ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আসছিল তারা।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভি/যানে উদ্ধারকৃত সামগ্রীতে রয়েছে ৪৫.৫ কেজি গাঁ/জা, ৩৩৭টি ইয়া/বা ট্যাব/লেট, ২১১টি হেরো/ইনের প্যাকেট, ৬১টি দেশীয় অ/স্ত্র, ২টি বিদেশি ম/দের বো/তল, ৯টি ফিচার ফোন এবং ১০টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
আট/ককৃত ১৫ জনকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থা/নায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদ/ক ও সন্ত্রা/সবিরো/ধী আইনে মাম/লার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সেনা সূত্র মতে জানা যায়, অবৈ/ধ অ/স্ত্র, মা/দক, চাঁ/দাবাজি ও স/ন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরু/দ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে সেনাবাহিনী। অপ/রাধ দমনে সেনা ক্যাম্প সমূহকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।