RH Rubel

RH Rubel Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RH Rubel, Photographer, dinajpur, Dinajpur.

I think of myself as a hard-working person but at the same time I like to enjoy the life for example going to the cinema, walking around with friends, doing sports…

Therefore, I think that I am also active and sociable.

23/08/2025
ইচ্ছেতুমি যদি কথা বলার ইচ্ছে পাও,আমি হবো তোমার ভাষার সুর।তুমি যদি দেখার ইচ্ছে পাও,আমি হবো তোমার চোখের নূর।তুমি যদি হাসার...
21/06/2024

ইচ্ছে
তুমি যদি কথা বলার ইচ্ছে পাও,
আমি হবো তোমার ভাষার সুর।
তুমি যদি দেখার ইচ্ছে পাও,
আমি হবো তোমার চোখের নূর।

তুমি যদি হাসার ইচ্ছে পাও,
আমি হবো তোমার ঠোঁটের হাসি।
তুমি যদি কাঁদার ইচ্ছে পাও,
আমি হবো তোমার চোখের অশ্রু ভাসি।

তুমি যদি পথ চলার ইচ্ছে পাও,
আমি হবো তোমার পথের দিশা।
তুমি যদি সাগর পাড়ি দাও,
আমি হবো তোমার নৌকার নিশা।

তুমি যদি ভালোবাসার ইচ্ছে পাও,
আমি হবো তোমার হৃদয়ের গান।
তুমি যদি স্বপ্নে ডুবতে চাও,
আমি হবো তোমার ঘুমের টান।

20/06/2024

অপরিচিতা,
তোমাকে নিয়ে আমার লিখা প্রথম কবিতা,
মন যেন গুঞ্জনে ভরে উঠে, কোন অদৃশ্য অভিমানে,
যেন তোমার হাসির আভা, এক সূর্যোদয়, এক প্রভাতের সোনালি রেখা,
তোমার চোখের মায়া, এক অনন্ত সমুদ্র, এক দিগন্তের অজানা প্রাচীন গানে।

তোমার চুলের ঢেউ, এক ঝর্ণার কলধ্বনি,
তোমার ঠোঁটের লাবণ্য, এক সুবাসিত গোলাপ,
তোমার প্রতিটি কথা, এক মধুর সুরের জাদু,
তোমার প্রতিটি হাসি, এক সোনার হরিণের স্বপ্ন।

অপরিচিতা, তুমি যেন এক দূরদেশের রাণী,
যার সৌন্দর্য শুধু হৃদয়েই বাঁধা,
তুমি যেন এক চিরন্তন কাহিনী,
যার প্রতিটি পাতা মমতায় গাঁথা।

তোমাকে নিয়ে লিখা প্রথম কবিতা,
যেন এক নতুন ভোরের প্রতিশ্রুতি,
তুমি আমার কল্পনার অপরূপা,
তোমার স্মৃতিতে বাঁচে আমার প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি গতি।

অপরিচিতা, তুমি আমার ছন্দের রাণী,
তোমার প্রেমে গাঁথা প্রতিটি লাইন,
তোমার নামেই লেখা হবে, প্রতিটি কবিতা,
তুমি হবে আমার কাব্যের প্রেরণা, আমার হৃদয়ের প্রথম অনুভূতি।

09/10/2022
25/05/2022

#পাওয়ার ডিপার্টমেন্ট

#পোষ্ট নং :০১

ইঞ্জিন বিষয়ে ৬৬টি প্রশ্ন ও উত্তর-

০১। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কাকে বলে ?

উত্তরঃ ইঞ্জিন বলতে মূলত সয়ংক্রিয় যন্ত্র কে বুঝায়। যা জ্বালানি দহনের মাধ্যমে তাপ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজে চলে এবং যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে অন্যান্য যন্ত্রাদি কে চালায় তাকে ইঞ্জিন বলে।

০২। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কত প্রকার কি কি?

উত্তরঃ ইঞ্জিন দুই প্রকারঃ

১. আই সি ইঞ্জিন বা অন্তর্দহ ইঞ্জিন ( Internal Combustion Engine)।

যে ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের দহন প্রকোষ্ঠে বা অন্তর্দেশে বাতাস ও জ্বালানির মিশ্রণ কে দহন ঘটিয়ে শক্তি উৎপাদন করে তাকে অন্তর্দহ ইঞ্জিন বলে।

২. ই সি ইঞ্জিন বা বহির্দহ ইঞ্জিন (External Combustion Engine)।

বহির্দেশে বাতাস ও জ্বালানির মিশ্রণ কে দহন ঘটানো। (Its Impossible).

আই সি ইঞ্জিন এর প্রকারভেদঃ

জ্বালানি অনুসারে ৩ প্রকার

ক) পেট্রোল বা গ্যাসোলিন ইঞ্জিন

খ) ডিজেল ইঞ্জিন

গ) গ্যাস ইঞ্জিন।

প্রজ্জলন অনুসারে ২ প্রকার

ক) স্পার্ক ইগনেশন

খ) কমপ্রেশন ইগনেশন

স্ট্রোক এর সংখ্যা এর উপর ২ প্রকার

ক) দুই স্ট্রোক

খ) চার স্ট্রোক

ভালভ এর অবস্থান অনুসারে ৪ প্রকার

ক) L Head বা সাইড ভালভ ইঞ্জিন।

খ) I-Head বা ইনলাইন ভালভ ইঞ্জিন।

গ) F-Head ইঞ্জিন।

ঘ) T-Head ইঞ্জিন।

সংক্ষেপে LIFT বলে।

সিলিন্ডারের সংখ্যা অনুযায়ী ইঞ্জিনকে নিম্ন লিখিত ভাগে ভাগে করা যায়।যথাঃ-

১) এক সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

২) দুই সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৩) তিন সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৪) চার সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৫) ছয় সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৬) আট সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

কুকিং সিস্টেম অনুযায়ী ইঞ্জিন দুই প্রকার।যথাঃ-

১)এয়ার কুলিং ইঞ্জিন।

২)ওয়াটার কুলিং ইঞ্জিন।

সিলিন্ডার এবং বিন্যাশ অনুযায়ী ইঞ্জিন কে নিম্ন লিখিত ভাগে ভাগ করা যায়।যথাঃ-

১)ইনলাইন ইঞ্জিন।

২)ভি-টাইপ ইঞ্জিন।

৩)রেডিয়েল টাইপ ইঞ্জিন।

৪)অপজাড সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

৫)রেডিয়াল সিলিন্ডার ইঞ্জিন।

০৩। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিন কি?

হাই কম্প্রেশন-ইগনিশন ইন্টারনাল কম্বাশন ইঞ্জিন৷ সিলিন্ডারের ভিতরে শুধু হাওয়াকে কম্প্রেশন করিয়া অত্যাধিক উত্তাপ সৃষ্টি করিয়া থাকে ৷ হাই স্পীডে ডিজেল ফুয়েলকে জালাইয়া তাপ শক্তি উৎপন্ন করে৷

০৪। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিন আবিস্কার হয় কত সালে? আবিস্কারকের নাম?

উত্তরঃ ডঃ রুডলফ ডিজেল এবং 1893

০৫। প্রশ্নঃ পেট্রোল ইঞ্জিন কি?

উত্তরঃ

০৬। প্রশ্নঃ সি.আই.ই(CIE) ও এস.আই.ই(SIE) বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ CIE = Compression Ignition Engine.

(ডিজেল ইঞ্জিনকে বোঝায় ) ও

SIE= Spark Ignition Engine (পেট্রোল ইঞ্জিনকে বোঝায়)

০৭। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন কী?

উত্তরঃ ইঞ্জিন হলো বহু যন্ত্রাংশের সহযোগে গঠিত একটি বিশেষ যন্ত্র। যেটি নিজে চালিত হয়ে তাপশক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তরিত করে।

০৮। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের পাওয়ার কি?

একক সময়ে ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যান্তরে উৎপাদিত কাজকে ক্ষমতা (POWER) বলে৷আবার কাজ করার হারকে ক্ষমতা (POWER) বলে৷ক্ষমতার একক ওয়াট (WATT) ৷ইঞ্জিনের ক্ষমতা নিভর করে টকের উপর।

০৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ইফিসিয়েন্সি বলতে কি বুজায়?

উত্তর: ইঞ্জিনের ইফিসিয়েন্সি বলতে উহার কজের দক্ষতা বুঝায়।কাজের দক্ষতা শব্দের অথ প্রয়োগকৃত কাজ এবং উহা হতে প্রাপ্ত কাজের মধ্যে সম্পক বা অনুপাতকে বুঝায় । ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কোন ইঞ্জিন হতে যে পরিমান কাজ পাওয়া যায়(BHP) এবং ইঞ্জিন যে পরিমান কাজ সরবরাহ করে এই দুইয়ের অনুপাতকে ইঞ্জিন ইফিসিয়েন্সি বলে৷(BHP=Break horse power)

১০। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স কেন রাখা হয়?

উত্তরঃ ইঞ্জিন চলাকালীন তাপে বর্ধিত Valve Stem এর জন্য বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হয় তাই এই ক্লিয়ারেন্স রাখা হয়।

খ) ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ Valve Tip ও Rocker Tip এর মধ্যবর্তী ফাঁকা

স্থানকে Tappet Clearance বলে।

১১। প্রশ্নঃ সাইকেল বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ Crankshaft ঘুরে ঘুরে সিলিন্ডারের ভিতরে

পর পর যে কার্য সম্পাদন করে তাকে Cycle বলে ।

১২। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে সুপার চার্জার কেন ব্যবহার করা হয়?/সুপার চার্জার এর কাজ কী?

উত্তরঃ ইঞ্জিনের Volumetric Efficiency বৃদ্ধির জন্য বায়ুমন্ডলীয় চাপের চেয়ে অধিক চাপে সিলিন্ডারে বাতাস প্রবেশ করানো Super Charger এর কাজ।

১৩। প্রশ্নঃ প্রাইমিং কাকে বলে?

উত্তরঃ ইঞ্জিন চালানোর পুর্বে উহার বিভিন্ন যন্ত্রাংশকে (Bearing, Valve Mechanism) Lubrication করার পদ্ধতিকে Priming বলে। এতে Moving Parts এর Sticky ও ঘর্ষণজনিত ক্ষয়রোধ হয়।

১৪। প্রশ্নঃ অয়েল স্ক্রেপার রিং এর কাজ কী?

উত্তরঃ সিলিন্ডার ওয়াল হতে অতিরিক্ত L**e Oil কে Scrapping করে Crankcase এ ফেরত পাঠানোর কাজে Oil Scrapper Ring or Oil Control Ring ব্যবহার করা হয়।

১৫। প্রশ্নঃ একটি ইনজেকটরের পাঁচটি অংশের নাম লেখ।

উত্তরঃ Nozzle, Nozzle Valve, Nozzle Valve Spindle, Nozzle Valve Spring, Pressure Adjusting Screw.

১৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের কানেকটিং রডের কাজ লেখ।

উত্তরঃ ইহা Piston এর Reciprocating Motion কে Crankshaft এর Rotary Motion এ রুপান্তরিত করে

এবং Combustion Chamber এ উৎপাদিত শক্তি ইহার মাধ্যমে Crankshaft এ স্থানান্তরিত হয়।

১৭। প্রশ্নঃ দ্বিঘাত এবং চতুর্ঘাত ইঞ্জিনের পার্থক্য লেখ।

উত্তরঃ Two Stroke এবং Four Stroke ইঞ্জিনের পার্থক্যঃ Two Stroke Four Stroke Crankshaft এর এক ঘূর্ণনে (360°) একটি Cycle সম্পন্ন হয়।

Crankshaft এর দুই ঘূর্ণনে (720°) একটি Cycle সম্পন্ন হয়।

Intake Port ও Exhaust Port/Valve থাকে । Intake

Valve ও Exhaust Valve থাকে ।

সাধারণত Beveled Piston ব্যবহৃত হয়।

সাধারণত Flat, Concave ও Crown Piston ব্যবহৃত হয়।

Fuel ও L**e Oil Consumption বেশি।

Fuel ও L**e Oil Consumption তুলনামূলক কম।

১৮। প্রশ্নঃ লুব অয়েল সিস্টেমের কয়েকটি উদ্দেশ্য লেখ।

উত্তরঃ Lubricating, Cooling, Cleaning, Sealing and Noise Reducing.

১৯। প্রশ্নঃ এয়ার ইনটেক সিস্টেমের উদ্দেশ্য সমুহ লেখ।

উত্তরঃ সিলিন্ডারে পরিস্কার ও ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করা, চাপ প্রয়োগে বাতাস সরবরাহ করা,সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ ঠান্ডা করা, শব্দ কমানো এবং অবশিষ্ট পোড়া গ্যাস বের করে দেওয়া।

২০। প্রশ্নঃ স্ক্যাভেঞ্জিং বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ ইন্টেক এয়ারের সাহায্যে Combustion Chamber হতে Exhaust Gas কে ধাক্কা দিয়ে বের করার পদ্ধতিকে Scavenging বলে।

২১। প্রশ্নঃ স্ক্যাবেনজিং কি,কেন দরকার হয় এবং কিভাবে হয় ?

ডিজেল ইঞ্জিনে সিলিন্ডারের এ্যাডজস্ট গ্যাস বাহির করিয়া,ফ্রেস এয়ার পূন(fill) করার নাম স্ক্যাবেনজিং (Scavenging)।

স্ক্যাবেনজিং এয়ার ,এ্যাগজস্ট ও ইনলেট পোট , পিস্টন , সিলিন্ডার লায়নার , ভালব ইত্যাদি ঠান্ডা রাখিতে সাহায্য করে ।ইঞ্জিনের দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি প্রায় ৩০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।

২২। প্রশ্নঃ ক্লিয়ারেন্স ভলিউম কাকে বলে?

উত্তরঃ পিস্টন TDC তে অবস্থান কালে উহার Top

Level হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী

স্থানের আয়তনকে Clearance Volume বলে।

২৩। প্রশ্নঃ ব্লো বাই বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ লাইনার অথবা পিস্টন রিং ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ায় Combustion Chamber হতে Compression Leak বা Exhaust Gas Leak হয়ে সাম্পে প্রবেশ করলে তাকে Blow By বলে।

২৪। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স বেশি হলে ইঞ্জিনে কী

কী অসুবিধা হতে পারে?

উত্তরঃ Valve নির্দিষ্ট সময়ের পরে খুলবে, সিলিন্ডারে বাতাস কম প্রবেশ করবে, কম্প্রেশন প্রেসার কম হবে, Fuel সম্পূর্নভাবে জ্বলবে না, পিস্টনের মাথায় কার্বন

জমবে, সিলিন্ডার হতে এগজস্ট গ্যাস সম্পূর্ন বের হবে না।

২৫। প্রশ্নঃ ট্যাপেট ক্লিয়ারেন্স কম হলে ইঞ্জিনে কী কী

অসুবিধা হতে পারে?

উত্তরঃ Valve নির্দিষ্ট সময়ের আগে খুলবে এবং বেশি সময় খোলা থাকবে, Valve Lid বেঁকে বা ভেঙ্গে যেতে পারে, Push Rod অথবা Rocker Arm বেঁকে যেতে পারে, Piston Head এ আঘাত হতে পারে।

২৬। প্রশ্নঃ বাম্পিং ক্লিয়ারেন্স কী?

উত্তরঃ পিস্টন TDC তে অবস্থান কালে উহার Top Level হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী

স্থানের দূরত্বকে Bumping Clearance বলে।

২৭। প্রশ্নঃ ক্লাচ বলতে কি বুঝায় ?

একটি চালিত শ্যাফকে অন্য আরেকটি চালক শ্যাফটের সাথে ইচ্ছামাফিক সংযোজন ও বিচ্ছিন্ন করার জন্য যে যান্তিক অংশ ব্যবহার করা হয় তাকে ক্লাচ বলে৷

২৮। প্রশ্নঃ তাপ ও তাপমাত্রার চারটি পার্থক্য লেখ?

উত্তরঃ তাপ এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়।

তাপমাত্রা বস্তুর তাপীয় অবস্থা।

তাপ হল শক্তির নিদর্শন।

তাপমাত্রা শক্তির বহিঃপ্রকাশ।

তাপ পরিমাপের যন্ত্রের নাম ক্যালরিমিটার।

তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের নাম থার্মোমিটার।

তাপের একক বিটিইউ, ক্যালরি, জুল ইত্যাদি।

তাপমাত্রার একক ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডিগ্রি

ফারেনহাইট, ডিগ্রি রোমার ইত্যাদি।

২৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ

সমূহ লেখ।

উত্তরঃ ইঞ্জিন Over Load or Low Load এ চললে,

Compression Pressure কম হলে, Piston Ring ও

Liner ক্ষয়প্রাপ্ত হলে, Fuel Injection Timing সঠিক

না হলে, Valve Timing সঠিক না হলে, Tappet Clearance সঠিক না হলে, Injector ত্রুটিযুক্ত হলে।

৩০। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ সমূহ লেখ?

উত্তরঃ Combustion Chamber এ পানি প্রবেশ করলে, Fuel Contamination হলে, Engine Temperature মাত্রাতিরিক্ত হলে, Fuel Injection Timing Advanced হলে।

৩১। প্রশ্নঃ পার্জিং বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ ইঞ্জিনের কোন Liquid System এ আটক বা

জমাকৃত বাতাস বা গ্যাস বের করে উহাকে Liquid

দ্বারা পূর্ণ করার পদ্ধতিকে Purging বলে। যেমন- L**e Oil System, Fuel System ইত্যাদি।

৩২। প্রশ্নঃ কার্বুরেটর বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ কার্বুরেটরকে পেট্রোল ইঞ্জিনের হার্ট বলা হয়। ইহা ইঞ্জিনের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অনুপাতে Air-Fuel Mixture তৈরি করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারে সরবরাহ করে।

৩৩। প্রশ্নঃ প্লাঞ্জার এর কাজ লেখ।

উত্তরঃ Fuel Injection Pump এ Barrel এর মধ্যে

Plunger এর অবস্থান। ইহা Cam এর ধাক্কায় Reciprocating Motion এ কাজ করে এবং এর গায়ে

তিন ধরনের Slot বা খাঁজ কাটা থাকে যা দ্বারা ফুয়েল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। (Vertical, Helical and Round Slot)

৩৪। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের লুব অয়েল প্রেসার কম হওয়ার

কয়েকটি কারণ লেখ।

উত্তরঃ Main এবং Big End Bearing এর ক্লিয়ারেন্স

বেশী, লুব অয়েল সিস্টেমে বাতাস প্রবেশ, লুব অয়েল ফিল্টার আংশিক বন্ধ, লুব অয়েল ঠিকমত কুলিং না হলে, Pressure Regulating Valve ত্রুটিপূর্ণ, Dilution

হলে, L**e Oil Grade সঠিক না হলে।

৩৫। প্রশ্নঃ কমপ্রেশন প্রেসার কম হওয়ার কয়েকটি কারণ লেখ?

উত্তরঃ কারণসমুহ- Valve Seats Pitted,Valve Deformity, Blown Head Gaskets, Extensive Piston Ring and Cylinder Wear.

৩৬। প্রশ্নঃ কার্বুরেটর কোন ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ পেট্রোল ইঞ্জিনে।

৩৭। প্রশ্নঃ টিডিসি ও বিডিসি এর অর্থসহ অবস্থান উল্লেখ কর?

উত্তরঃ TDC = Top Dead Center ,

BDC =Bottom Dead Center Liner এর ভিতর Piston এর সর্বোচ্চ অবস্থানকে TDC এবং সর্বনিম্ন অবস্থানকে BDC বলে।

৩৮। প্রশ্নঃ ফুয়েল ইনজেকটরের কাজ কী? / ইনজেকটর কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ Injector এর কাজ Atomized Condition এ

Fuel কে Combustion Chamber এ স্প্রে করা। তাই ইহাকে Atomizer ও বলা হয়ে থাকে।

৩৯। প্রশ্নঃ বিয়ারিং কাকে বলে?কত প্রকার কি কি?

উত্তরঃ বিয়ারিং হলো এমন একটা ডিভাইস যাহা নিজে ঘোড়ে এবং ঘূনয়মান অবস্থায় লোড স্থানান্তর করে৷

বিয়ারিং দুই প্রকার:

1:বল বিয়ারিং

2:রোলার বিয়রিং

৪০। প্রশ্নঃ বিয়ারিং ক্লিয়ারেন্স কাকে বলে?

উত্তরঃ Crankshaft এর Main Journal এর আউটার

ডায়ামিটার এবং Bearing Shell এর ইনার ডায়ামিটারের পার্থক্যের অর্ধেক কে Bearing Clearance বলে।

৪১। প্রশ্নঃ হাই প্রেসার পাম্প (Fuel Injection Pump)

এর কাজ কী?

উত্তরঃ ফায়ারিং অর্ডার অনুসারে ফুয়েলকে উচ্চ

চাপে ইনজেক্টরে সরবরাহের মাধ্যমে কার্যকরী

সিলিন্ডারে স্প্রে করানো।

৪২। প্রশ্নঃ ডিকম্প্রেশন লিভারের কাজ কী?

উত্তরঃ The Decompression lever for the easy

cranking herewith it completes blow-through

also. It usually locates with the exhaust valve.

৪৩। প্রশ্নঃ ডিজেল ইঞ্জিনে কী ধরনের ফুয়েল ফিল্টার

ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ Pre-filter or Primary filter and secondary

filter. এদের গঠন Duplex হলে একটি স্ট্যান্ডবাই রেখে অন্যটি ব্যবহার করা যায়।

৪৪। প্রশ্নঃ বাষ্পীয় ইঞ্জিন কোন সালে এবং কে আবিষ্কার করে?

উত্তর: বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন ইংল্যান্ডের বিজ্ঞানী জ্যামস ওয়াট 1778 খৃষ্টাব্দে এবং ফ্রান্সের বিজ্ঞানী ক্যাপ্টেন নিকোলাস কাগনট বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন1769 খৃষ্টাব্দে।

৪৫। প্রশ্নঃ রকার আর্মের কাজ কী?

উত্তরঃ রকার আর্ম লিভারের ন্যায় কাজ করে। এটি Cam lobe, Valve lifter ও Push rod দ্বারা Pivot প্রান্তে ধাক্কা প্রাপ্ত হয়ে Rocker Tip প্রান্ত দ্বারা ভালভ স্টেমকে Depress করে ভালভ ওপেন করে।

৪৬। প্রশ্নঃ পাম্প টাইমিং করতে হলে কী করা প্রয়োজন?

উত্তরঃ Fuel Injection Pump গিয়ার ট্রেন হতে বিযুক্ত অবস্থায় POPC (Point Of Port Closer) করে ১ নং পিস্টনকে কম্প্রশন স্ট্রোক (BTDC নির্দিষ্ট ডিগ্রিতে) রেখে পাম্প টি গিয়ার ট্রেনের সাথে যুক্ত করতে হবে।

৪৭। প্রশ্নঃ ব্যারেলের অবস্থান কোথায়?

উত্তরঃ Fuel Injection Pump এর ফুয়েল গ্যালারিতে।

৪৮। প্রশ্নঃ রেডিয়েটরের pressure cap কেন use করা হয় এবং কি কাজ?

রেডিয়েটরের cape দুইটা ভালভ আছে একটা pressure valve & vacuum valve ।

আমরা জানি পানির বাসপীয় temperature 100 degree centigrade but এটা হলো খোলা অবসথায়।

তাই রেডিয়েটরের pressure cap এর 100 degree centigrade temperature বাষপ হয়না ।

সেই সময় দেখা যায় 115 degree. Centigrade বা এর কম / বেশিতে বাষপ হয় ।

বাষপ হওয়ার কারনে pressur cap খুলে রিজাভ tank এ জমা হয়।

আবার যখন engine cold হয় তখন engine এর ভিতরে নেগেটিভ pressure হয় তখন রেডিয়েটরের vacuum valve open হয় এবং পানি শূনতা পুরন করে।

৪৯। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ইমিসন কন্ট্রোল কি?

উত্তরঃ ইঞ্জিন হতে নিরগত ক্ষতিকারক পদার্থকে নিওন্ত্রন করাকে ইঞ্জিন ইমিসন কন্ট্রোল বলা হয়।

৩৭। ফ্রিকশনাল হর্স পাওয়ার (F.H.P) কি?

উত্তরঃ ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যন্তরে উৎপাদিত শক্তি বিভিন্ন অংশের মাধ্যমে ফ্লাই হুইলে পৌছানোর পথে ঘষন জিনত কারনে যে ক্ষমতার অপচয় হয় তাকে ফ্রিকশনাল হস পাওয়ার (F.H.P) বলে।

সূএ, F.H.P=I.H.P - B.H.P

৫০। প্রশ্নঃ ব্রেক হর্স পাওয়ার (B.H.P)

কোন একটি ইঞ্জিনের ফ্লাই হুইল হতে ব্যবহার উপযোগী যে ক্ষমতা পাওয়া যায় তাকে ব্রেক হস পাওয়ার বলে।কখনো একে Shaft horse power বা Delivered horse power বলে।

ব্রেক হস পাওয়ার নিনয়ের সূএ

B .H.P=2pNT%4500

N=প্রতি মিনিটে CRANK SHAFT ঘূনন গতি

T=পরিক্ষিত টক kg-m

এখানে,

T=PR

P=লোড কেজি

R=রেডিয়াস দূরত্ব ,m

৫১। প্রশ্নঃ ইন্ডিকেটেড হর্স পাওয়ার (I.H.P)

জালানি প্রজ্জলন করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সবমোট হস পাওয়ারকে ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার বলে। ইঞ্জিন নিদেশক (Engine indicator) নামের এক প্রকার যন্ত্র দ্বারা ইহা পরিমান করা হয় । সে জন্য এর নাম ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার। ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার নিনয়ের সূএ

ইন্ডিকেটেড হস পাওয়ার (I.H.P) =PLANK%4500 (For two stroke )

PLANK%4500*2 ( For four stroke )

এখানে,

P=গড় কাযকারী চাপ,kg/cm sq

L= স্টোকের দৈঘ্য , মিটার (m)

A=সিলিন্ডারের ক্ষেএফল,cm sq

N=প্রতি মিনিটে crank shaft ঘূনন গতি

K=সিলিন্ডার সংখ্যা।

৫২। প্রশ্নঃ স্ক্যাভেনজিং কি? কেন দরকার হয় এবং কিভাবে হয় ?

ডিজেল ইঞ্জিনে সিলিন্ডারের এ্যাডজস্ট গ্যাস বাহির করিয়া, ফ্রেস এয়ার পূর্ন (fill) করার নাম স্ক্যাভেনজিং (Scavenging)।

স্ক্যাভেনজিং এয়ার ,এ্যাগজস্ট ও ইনলেট পোট , পিস্টন , সিলিন্ডার লায়নার , ভালব ইত্যাদি ঠান্ডা রাখিতে সাহায্য করে । ইঞ্জিনের দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি প্রায় ৩০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।

৫৩। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনে ভাল্ব সিট এ্যাঙ্গেল কত থাকে?

উত্তরঃ ইনটেক ৪৫° আর এগজষ্টে ৩০° থাকে।

৫৪। প্রশ্ন: গাড়িতে কাম্বার এ্যাংগেল কত থাকে?

উত্তর : POINT 5 ডিগ্রি

৫৫। প্রশ্নঃ Horse power বের করার পদ্ধতি কি?

উত্তরঃ P*l*A*N*n%4500*2=I.H.P

Only for four stroke.

৫৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিনের সি সি বলতে কি বোজায়?

উত্তর : সিসিকে পিষ্টন ডিসপ্লেসমেন্ট বলা হয়,অথবা ভলিউম ডিসপ্লেড অফ পিষ্টন।

সহজভাবে একটা পিষ্টন যে জায়গাটাতে ওঠানামা করে তার পুরো জায়গাটাকে সিসি বলে।বের করার নিয়ম

Bore (mm) X Bore (mm) X Stroke (mm) X 3.1416"/4 = Engine cc

এটা হলো একটা সিলিন্ডারের ক্ষে্ত্রে।

৫৭। প্রশ্নঃ অটো ইলেকট্রিসিটি বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ মোটরগাড়িতে বিভিন্ন ধরনের বাতি, হর্ন,ব্যাটারি চার্জ,ইঞ্জিন চালু করন,পেট্রোল ইঞ্জিনে হাই ভোলটেজ ইলেক্ট্রিক স্পার্ক তৈরী করন এবং বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞজামাদি পরিচালনার জন্য যে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে, তাকে অটোমোটিভ বা অটো ইলেকট্রিসিটি বলে।

৫৮। প্রশ্নঃ একটি মোটর গাড়িতে কি কি ইলেকট্টিক্যাল আইটেম থাকে?

উত্তরঃ প্রধানত যে সকল ইলেকট্টিক্যাল আইটেম থাকে তা হলো :

*ব্যাটারি

*অল্টারনেটর

*স্টাটার মটর/সেলফ স্টাটার

*হন্

*উইপার এবং

*লাইট(হেড লাইট,ইন্ডিকেটর,পাকিং) ইত্যাদি

৫৯। প্রশ্নঃ Rocker arm কাজ কি?

উত্তরঃ রকার আম পুশ রডের মাধ্যমে ক্যাম দ্বারা শক্তি নিয়ে ভালব খোলা এবং বন্ধ করার কাজ করে।

৬০। প্রশ্নঃ টক( TORQUE ) কি?

ইঞ্জিন সিলিন্ডারের মধ্যে জালানি প্রজ্জলনের ফলে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা পিষ্টণকে ধাক্কা দেয় এবং এর ফলে crankshaft এর মধ্যে ঘূননের সৃষ্টি হয়,উহাকে টক( TORQUE ) বলে।

টক(T)=W*r

এখানে,W=লোড

r=ব্যসাধ

৬১। প্রশ্নঃ গড়মীন ইফেকটিভ প্রেসার(Mean effective pressure)

উত্তরঃ কোন ইঞ্জিনের গড় কাযকরী চাপ বলতে কাযকারী স্ট্রোকে পিষ্টনের উপর আরোপিত গড় চাপকে বুঝায়।এর একক

৬২। প্রশ্নঃ হইড্রোষ্ট্যাটিক লক

একটি ফোর ষ্ট্রোক ইঞ্জিনে চারটি ষ্ট্রোক থাকে যথা সাকশান,কম্প্রেশন,পাওয়ার এবং এ্যাগজষ্ট।

সাকশান ষ্ট্রোকে কম্প্রেশন চেম্বারে বাতাস নিগত হওয়ার সাথে অথবা শুধু লিকুইড প্রবেশ করলে

হইড্রোষ্ট্যাটিক লক হয়।কারন লিকুইড কম্প্রেশড হয় না।হইড্রোষ্ট্যাটিক লক হওয়ার কারনে যে সকল যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে তা নিম্নরুপ:

পিষ্টন,কানেকটিং রড,পুশ রড,ক্র্যাংশ্যাফট,ভালভ ইত্যাদি।

৬৩। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এর কাজ কি?

টেকনিক্যালি, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হল কোনও বস্তুর জন্য ডিজাইন থেকে উত্পাদন পর্যন্ত বাজার থেকে নীতিনির্ধারক এবং সমস্যা সমাধান প্রযুক্তি প্রয়োগ। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা গতি, শক্তি এবং বলের নীতিমালা ব্যবহার করে তাদের কাজকে বিশ্লেষণ করে - এই নকশাগুলি একটি প্রতিযোগিতামূলক খরচে সবগুলি নিরাপদে, দক্ষতা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত করে।

৬৪। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা একটি পার্থক্য করতে পারেন। যেহেতু মানুষের প্রয়োজন মেটাবার জন্য প্রযুক্তি তৈরির জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার সেন্টার। আধুনিক জীবনের কার্যত প্রতিটি পণ্য বা সেবা সম্ভবত একটি যান্ত্রিক প্রকৌশলী দ্বারা মানবতার সাহায্য করতে স্পর্শ করা হয়েছে।

৬৫। প্রশ্নঃ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কি ও কেন ?

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা যন্ত্রকৌশল পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ও বিস্তৃত ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্র। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংকে বলা হয় মাদার অফ ইঞ্জিনিয়ারিং। যন্ত্র প্রকৌশল প্রকৌশলের একটি বিষয় যাতে যান্ত্রিক ব্যবস্থাসমূহ রক্ষণাবেক্ষণ,নকশা,উৎপাদন এবং বিশ্লেষণের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো ব্যবহার করা হয়।বলবিজ্ঞান, গতিবিজ্ঞান, তাপগতিবিজ্ঞান এবং শক্তি সম্বন্ধে একটি সুস্পষ্ট জ্ঞান এই প্রকৌশল অধ্যয়নের জন্য প্রয়োজনীয়। যন্ত্র প্রকৌশলীরা মোটরগাড়ি,বিমান,শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,শিল্প কারখানার যন্ত্রপাতি নির্মাণ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের যন্ত্রাদি নির্মাণে এই জ্ঞান ব্যবহার করেন।

একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কাজঃ

মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা ছোট পার্টস থেকে শুরু করে অনেক বড় বড় মেশিন, যন্ত্রপাতি বা যানবাহন ডিজাইন ও সেই পণ্য উৎপাদনের পুরো পদ্ধতিকে অধিক কর্মক্ষম করার জন্য কাজ করে থাকেন। তারা একটা পণ্য তৈরির সকল পর্যায়ে (গবেষণা,নকশা, উতপাদন, ইনস্টলেশন এবং চূড়ান্ত চালু) কাজ করতে পারেন।

তাদের কাজগুলো সাধারণত নিম্নরূপ:

আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও টেকশই সরঞ্জাম ডিজাইন ও তৈরি করা।অন্যান্য শ্রেণীর ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে আলোচনা করে কোন প্রজেক্টের জন্য প্রয়োজনীয় দিকগুলো বাছাই করা।তাত্বিক ডিজাইনের কার্যকারিতা জানার জন্য সিমুলেশন করা ও সেই অনুয়াযী ডিজাইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা।পণ্য সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের জন্য উৎপাদন বিভাগের লোকজন, সরবরাহকারী এবং গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা করা।প্রকৌশল ও অন্যান্য খাতের পেশাদারদের সঙ্গে কাজ করা।যন্ত্রপাতির মেইনটেনেন্সের দায়িত্ব পালন করা।

৬৬। প্রশ্নঃ ইঞ্জিন ওভার রানিং কখন হয় এবং হলে কি হয়?

উত্তরঃ আপনি যদি গাড়ি চালিয়ে 2nd গিয়ার লাগিয়ে ব্রীজে ওঠেন আর ৫th গিয়ার লাগিয়ে ব্রীজ থেকে নামেন তা হলে যেটা হওয়ার সম্বাভনা হবে তা ইঞ্জিন ওভার রানিং। সহজ কথায় গাড়ির চাকায় যদি ইঞ্জিন ঘুরায় তা হলে ইঞ্জিন ওভার রানিং হয়।

25/05/2022

#পাওয়ার ডিপার্টমেন্ট
#পোষ্ট নং :০২

১. বয়লার ইঞ্জিন কাকে বলে?

উত্তর :- নিরাপত্তার ব্যবস্থা সহ যে সুদৃঢ় আবদ্ধ পাত্রের ভেতর পানি রেখে তাতে তাপ প্রয়োগ করে স্টিম উৎপাদন করা হয় তাকে বয়লার বলা হয় । স্টিম তৈরি করার জন্য জ্বালানি হিসেবে সাধারণত কয়লা, কাঠ, তেল ব্যবহৃত হয়।

২. বয়লার কয় ধরণের হয়?

উত্তর:- বয়লার সাধারনত ২ ধরনের হয়ে থাকে , যথা:-

(ক) ফায়ার টিউব বয়লার এবং

(খ) ওয়াটার টিউব বয়লার।

৩. বয়লার কোথায় ব্যবহার করা হয়?

তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছাড়াও বড়, মাঝারি ও ছোট প্রায় সব কারখানাতেই বয়লার ব্যবহার করা হয়।

৪. ফায়ার টিউব বয়লার ও ওয়াটার টিউব বয়লারের মাঝে প্রধান পার্থক্য কি?

উত্তর:- ফায়ার টিউব বয়লারের টিউবের ভিতরে আগুন থাকে এবং ওয়াটার টিউব বয়লারে টিউবের ভিতরে পানি থাকে।

৫. বয়লার মাউন্টিংস বলতে কি বুঝি ?

উত্তর:- বয়লার মাউন্টিংস হচ্ছে বয়লারের আবশ্যকীয় সরঞ্জাম যা ছাড়া বয়লার নিরাপদে ও সুষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে না!

৬.পাঁচটি বয়লার মাউন্টিংস এর নাম লিখ।

উত্তর :- ৫টি বয়লার মাউন্টিংসের নাম:-

১। সেফটি ভালবস(Safety valves)।

২। স্টপ ভালবস(stop valves)।

৩। ফিড চেক ভালবস(Feed check valves)।

৪। প্রেশার গেজ(pressure gauge)।

৫। ওয়াটার লেভেল ইন্ডিকেটর

৭. বয়লার এ্যাকসোসরিজ বলতে কি বুঝি ?

উত্তর :- বয়লার এক্সেসরিজ হচ্ছে এমন কিছু ডিভাইস যা বয়লারের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বয়লারের সাথে যুক্ত করা যায়!

৮. পাঁচটি বয়লার এ্যাকসোসরিজ এর নাম লিখ।

উত্তর:- ৫টি বয়লার এক্সেসরিজের নাম:

১। সুপার হিটার(Super Heater)।

২। এয়ার প্রি হিটার(Air pre-heater)।

৩। ড্রাফট(Draft)।

৪। ফিড পাম্প(Feed Pump)।

৫। ইকোনোমাইজার(Economizer)।

৯. সেফটি ভাল্ব কাকে বলে?

উত্তর:- সেফটি ভাল্ব:

বয়লারের মধ্যে ষ্টীমের অতিরিক্ত চাপকে যে ভাল্বের সাহায্যে বের করা হয় তাকে সেফটি ভাল্ব বলে।

১০. বয়লারে সেফটি ভাল্ব কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর:- এটা স্বংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত চাপকে বের করে দেয় এবং বয়লারকে নিরাপদ সীমার মধ্যে কার্যকর রাখে। বয়লারের নিরাপত্তার জন্য দুটি সেফটি ভাল্ব রাখা হয় যাতে একটি নষ্ট হলে অপরটি দ্বারা সাময়িক ভাবে কাজ চালানো যায়।

১১. সেফটি ভাল্ব কত প্রকার ও কি কি?

উত্তর :- সেফটি ভাল্ব চার ধরনের হতে পারে।

যথা –

১. লিভার সেফটি ভাল্ব

২. ডেড ওয়েট সেফটি ভাল্ব

৩. হাই ষ্টীম এন্ড লো ওয়াটার সেফটি ভাল্ব

৪. স্প্রীং লোডেড সেফটি ভাল্ব

১২. ইকোনোমাইজার কি?

উত্তর:- ইকোনোমাইজার:-

পরিত্যক্ত ফ্লু গ্যাসের তাপকে কাজে লাগানোর জন্য ইকোনোমাইজার ব্যবহার করা হয়।ইকোনোমাইজার দ্বারা পরিত্যক্ত ফ্লু গ্যাসের তাপ ব্যবহার করে ফিড ওয়াটার কে উত্তপ্ত করা হয়।

১৩. ইকোনোমাইজার ব্যবহারের সুবিধা কি?

উত্তর:- ইকোনোমাইজার ব্যবহারের সুবিধা:-

১. ১৫% থেকে ২০% জ্বালানী হ্রাস পায়।

২. বয়লারের ষ্টীম উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৩. ইকোনোমাইজার ব্যবহারের ফলে বয়লার টিউবে স্কেল তৈরি হতে পারেনা।

১৪. ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট বলতে কি বুঝতে?

উত্তর:- ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট:-

বয়লারে পানি প্রবেশ করানোর পূর্বে এর বিভিন্ন অপদ্রব্য দূর করে পানিকে পরিশোধন করাকে ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট বলে।

১৫. ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট এর উদ্দেশ্য কি?

উত্তর:- ফিড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট এর উদ্দেশ্য:-

১. পানিকে উত্তপ্ত করার ফলে জ্বালানী সাশ্রয় হয়।

২. স্কেল উৎপন্নকারী লবণসমূহকে বয়লারে প্রবেশের পূর্বেই ওয়াটার থেকে পৃথক করা।

৩. বয়লারের ধাতব অংশ ক্ষয়কারী পানিতে দ্রবীভূত গ্যাস দূর করা।

১৬. এয়ার প্রি হিটার কি?

উত্তর: এয়ার প্রি হিটার:

বয়লারের দহন কার্যে যে বাতাস ব্যবহৃত হয় তাকে তাকে বয়লারে প্রবেশ করানোর পূর্বে যার সাহায্যে উত্তপ্ত করা হয় তাকে এয়ার প্রি হিটার বলে।

বয়লারের এ পরিত্যক্ত উত্তপ্ত ফ্লু গ্যাসকে বাতাস উত্তপ্ত করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

১৭. এয়ার প্রি হিটার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি?

উত্তর:- এয়ার প্রি হিটার ব্যবহারের উদ্দেশ্য :

১. উত্তপ্ত বাতাস প্রবেশ করানো হলে ফার্নেসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, এর ফলে পানিতে বেশি পরিমান তাপ সঞ্চালন করা যায় এবং প্রতি কেজিতে জ্বালানীর বাষ্পায়ন ক্ষমতা বেড়ে যায়।

২. ৩৫°-৪০° তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বয়লারের দক্ষতা ২% বৃদ্ধি পায়।

৩. এটা নিম্ন মানের জ্বালানীকে জ্বলনে সহায়তা করে।

সুপার হিটার কি?

উত্তর:- সুপার হিটার:

বয়লারে যে বাষ্প তৈরি হয় তা আর্দ্র অবস্থায় থাকে। আর্দ্র বাষ্পকে তাপের সাহায্যে সম্পৃক্ত বাষ্পে রুপান্তরিত করতে বয়লারের সাথে যে ডিভাইস ব্যবহার করা হয় তাকে সুপার হিটার বলে।

১৮.সুপার হিটার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি কি?

উত্তর:- সুপার হিটার ব্যবহারের উদ্দেশ্য:

১. সুপার হিটেড ষ্টীমে অপেক্ষাকৃত বেশি তাপ থাকে তাই বেশি কাজ পাওয়া যায়।

২. সুপার হিটার ব্যবহারে প্লান্টের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

৩. সুপার হিটার ব্যবহারে টারবাইন ব্লেডের ক্ষয় কম হয়।

১৯. বয়লার কেন বিস্ফোরিত হয়?

উত্তর :- বয়লারে একটি সেফটি ভাল্ব থাকে, যা একটি নির্দিষ্ট চাপে বা প্রেসারে সেট করা থাকে। বয়লারের অবস্থা অনুযায়ী ওই চাপ নির্ধারণ করা হয়। প্রেসার এর চেয়ে বেশি হলে সেফটি ভাল্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়ার কথা। প্রেসার বেশি হওয়ার পরেও সেফটি ভাল্ব ওপেন না হলে বয়লার বিস্ফোরিত হয়।

২০. কনডেন্সার কি?

উত্তর:- স্টিম টারবাইন কে ঘুরিয়ে যখন বেড় হয় , তখন এই এগজস্ট স্টিমকে ঠান্ডা করার কাজে কনডেন্সার ব্যবহার করা হয় । এটি মাধ্যমে ঠান্ডা পানি স্টিম এর সংস্পর্শে ঘনীভূত হয়ে করে পানিতে পরিনত করা হয়।অর্থাৎ স্টিম কে পানি করে পুনরায় ফিড ওয়াটার হিসাবে বয়লারে সরবারহ করা হয় । একে আমরা হীট একচেঞ্জারও বলে থাকি।

01/02/2022
13/01/2022

গাড়ির কুলিং সিস্টেম (Car cooling system)
আমাদের গরম লাগলে যেমন ফ্যান এসি ছেড়ে দেই এবং ঠান্ডা হই ঠিক তেমনি গাড়ির ইঞ্জিনের ও গরম অনুভুত হলে ঠান্ডা হওয়ার দরকার হয়।how car cooling system works

ইঞ্জিন চলার জন্য যতটুকু তাপমাত্রা প্রয়োজন তার থেকে বেশি হলেই গাড়ি অটোমেটিক ফ্যান দিয়ে রেডিয়েটর এ কুল্যান্ট ঠান্ডা করে নিজে ঠান্ডা হয়। এজন্য ইঞ্জিন চলার জন্য কুল্যান্ট এর তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি এর নিচে হওয়া দরকার। সেটা হতে পারে ৮০-৮৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা। আরে কুল্যান্ট এ পানিই বেশি ব্যবহার করা হয়।

এক্ষেত্রে একটা বিষয় লক্ষনীয় যে Coolant হিসেবে পানি ব্যবহার করলে ত সেটা ১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে আর যখন ফুটতে শুরু করে তখন সেটি বাস্পে পরিনিত হয়। আর পানি বাস্পে পরিনিত হলে এর ভলিউম এবং চাপ দুটোই বাড়তে থাকে। যার ফলে প্রেসার বেশি হলে যেদিকে নরম যায়গা পাবে সেদিকে বেড় হয়ে আসবে বা ফেটে যাবে। আমরা মাঝে মাঝেই শুনে থাকি যে রেডিয়েটর ট্যাংক ফেটে গেছে বা পাইপ খুলে গেছে। এটি যে কারনে হতে পারে তা হচ্ছে ফ্যান না চললে অথবা পানি কম থাকলে এছাড়াও কারন হিসেবে ধরা যেতে পারে ফ্যানের স্পিড কম থাকলে।

তাই ফ্যনের কাজ ব্যবহৃত কুল্যান্ট এর তাপমাত্রা ৯০ বা এর কাছাকাছি আসলেই ফ্যান অন হয়ে কুল্যান্ট ঠান্ডা করা। ফ্যানকে নিয়ন্ত্রন করে কুল্যান্ট টেম্পেরেচার সেন্সর(Temperature sensor) ।


সম্পুর্ন প্রক্রিয়াটি যেভাবে কাজ করে (how car cooling system works)
ইঞ্জিনের টেম্পারেচার কন্ট্রোলে রাখার জন্য কুল্যান্ট ইঞ্জিনের মধ্যেই থাকে। তাই তাপমাত্রা বাড়লে ইঞ্জিন থেকে রেডিয়েটর পর্যন্ত কুল্যান্ট সার্কুলেশন করার জন্য পানির পাম্প ব্যবহার করা হয়।

কুল্যান্ট সার্কুলেশন পদ্ধতি টা এই চক্রে কাজ করেঃ

ইঞ্জিন=>>ওয়াটার পাম্প =>>রেডিয়েটর =>>ইঞ্জিন

এই পদ্ধতিতে রেডিয়েটর যে কাজ করে তা হল কুল্যান্টকে ঠান্ডা করে আবার ইঞ্জিনে পাঠানো। সম্পুর্ন পদ্ধতিটা এভাব চলে এবং সার্কুলেশন নিয়ন্ত্রনের জন্য ইঞ্জিনে থার্মোস্ট্যাট ইউজ করা হয় পাম্প পরিচালনার জন্য ।এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে কুল্যন্ট কম থাকলে ইঞ্জিন ওভারহিট হয়ে যেতে পারে। তাই নির্দিষ্ট পরিমান কুল্যন্ট রাখা দরকার অথবা নিয়মিত কুল্যান্ট লেভেল চেক করা উচিৎ। কম থাকলে কুল্যান্ট ফিল করতে হয়।

থার্মোস্ট্যাট একটি গুরুত্তপুর্ন উপাদান যা কুল্যান্ট এর গেইট হিসেবে ইউজ হয়। কুল্যান্ট টেম্পারেচার ৮০ এর উপরে গেলেই থার্মোস্ট্যাট খুলতে শুরু করে ফলে কুল্যান্ট ইঞ্জিন থেকে রেডিয়েটরে যেতে পারে। যে কোনো কারনে থার্মোস্ট্যাট স্টাক বা নষ্ট হলে কুল্যান্ট রেডিয়েটরে সার্কুলেট হতে পারে, ফলে ইঞ্জিন ওভারহিট হয়। বেশিরভাগ মেকানিকরা এটা খুলে ফেলে দেয় যাতে এক্সিডেন্ট না ঘটতে পারে।

কুল্যান্ট হিসেবে পানি ইউজ করা যাবে কিনা?

how car cooling system works
অবশ্যাই যাবে। এক্সিডেন্টাল যদি কুলান্ট কমে যায় তাহলে পানি ব্যবহার করে আবার চেঞ্জ করে ফেলতে হবে।

তাহলে কুল্যান্ট এ কি পানি ইউজ হয় না? হ্য হয় তবে সেটা ৫০% পানি তবে সেটা ডি-মিনারেলাইজড হতে হবে। কেননা ইঞ্জিনে মেটাল হওয়াতে এতে মরিচা পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে । তাই সরাসরি মিনারেল ওয়াটার ইউজ করা যাবে না। তাই আপনি যদি আপনার গাড়িতে কুল্যান্ট ইউজ করতে চান তাহলে মার্কেটে প্রি-মিক্সড কুল্যান্ট পাওয়া যায় সেগুলো ইউজ করবেন অথবা ১ লিটার হিসেব কুল্যান্ট পাওয়া যায়। টোটাল ভলিউমের ৫০% কুল্যান্ট +৫০% ডি-মিনারেলাইজড ওয়াটার ইউজ করবেন।



ওভারহিট থেকে আপনার গাড়ির ইঞ্জিন যদি বাচাতে চান তাহলে নিয়মিত নিচের জিনিস গুলা চেক করবেনঃ-

1. রেডিয়েটর প্রেশার ক্যাপ চেক করতে হবে।
2. কুল্যান্ট লেভেল। ইঞ্জিন ঠান্ডা অবস্থায় রেডিয়েটর প্রেশার ক্যাপ খুলে দেখবেন যে কুল্যান্ট ফুল আছে কিনা।আর রিজার্ভ ট্যাংক লেভেল FULL বরাবর থাকবে
3. কুল্যান্ট লিকেজ চেক করবেন। লিকেজ দেখা দিলেই লিক ঠিক করবেন। কুল্যান্ট কমতে থাকলে প্রথমেই রেডিয়েটর লিকেজ চেক করবেন। অনেক সময় ফিন্স এ সুক্ষ ছিদ্র থাকে যার ফলে লিকেজ দেখা যেতে নাও পারে।
4. ফ্যান চেক করতে হবে।
5. ফ্যান বেল্ট চেক করতে হবে।
6. ওয়াটার পাম্প চেক করতে হবে।
7. প্লাস্টিক হোজ গুলোচেক করতে হবে।

Address

Dinajpur
Dinajpur

Telephone

+8801786972678

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RH Rubel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RH Rubel:

Share

Category