Atol's Daily Life

Atol's Daily Life My Daily Lifes
Daily blogging

21/09/2024

এবার মিলিয়নিয়ার বড়লোক্স হতে কেউই আটকাতে পারবেনাকো😁😁😁😁😁

দুজনই সমসাময়িক নায়িকা, দুজনের জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষও একজন। রেখা এখনও অনেক সুন্দরী, কিন্তু তার ভাগ্য তার মতো ...
21/09/2024

দুজনই সমসাময়িক নায়িকা, দুজনের জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষও একজন। রেখা এখনও অনেক সুন্দরী, কিন্তু তার ভাগ্য তার মতো সুন্দর নয়। জয়া বুড়িয়ে গেছেন ঠিক, কিন্তু তার ভাগ্য তাকে অনেক দিয়েছে, স্বামী সন্তান নাতি পুতি নিয়ে ভরা সংসার তার। অপরদিকে রেখা একদমই একা। প্রকৃতি বোধকরি সবাইকে সবকিছু দেয়না, কোথাও না কোথাও ঘাটতি রেখেই দেয়। রেখাকে সুন্দরী করে রেখেছে ঠিকি কিন্তু মা ডাক শোনার অধিকার দেয়নি। সংসারের সুখ দেয়নি। যা জয়া ততো বেশী সুন্দরী না হতেও পেয়ে গেছেন অনায়াসে। আমার ব্যাক্তিগত মত যদি বলি তাহলে বলব অমিতাভের সাথে কেখাকেই বেশী মানাতো, দুজনই সুদর্শন এবং মেধাবী। কিন্তু প্রকৃতি জয়ার জন্যই অমিতাভকে নির্ধারন করে রেখেছেন। তাই সবার সাথে খারাপ আচরন করা জয়ার ভরপুর সংসার আর সবার সাথে হাসিখুশীভাবে মেশা রেখা বড্ড একা।দুজনই সমসাময়িক নায়িকা, দুজনের জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষও একজন। রেখা এখনও অনেক সুন্দরী, কিন্তু তার ভাগ্য তার মতো সুন্দর নয়। জয়া বুড়িয়ে গেছেন ঠিক, কিন্তু তার ভাগ্য তাকে অনেক দিয়েছে, স্বামী সন্তান নাতি পুতি নিয়ে ভরা সংসার তার। অপরদিকে রেখা একদমই একা। প্রকৃতি বোধকরি সবাইকে সবকিছু দেয়না, কোথাও না কোথাও ঘাটতি রেখেই দেয়। রেখাকে সুন্দরী করে রেখেছে ঠিকি কিন্তু মা ডাক শোনার অধিকার দেয়নি। সংসারের সুখ দেয়নি। যা জয়া ততো বেশী সুন্দরী না হতেও পেয়ে গেছেন অনায়াসে। আমার ব্যাক্তিগত মত যদি বলি তাহলে বলব অমিতাভের সাথে কেখাকেই বেশী মানাতো, দুজনই সুদর্শন এবং মেধাবী। কিন্তু প্রকৃতি জয়ার জন্যই অমিতাভকে নির্ধারন করে রেখেছেন। তাই সবার সাথে খারাপ আচরন করা জয়ার ভরপুর সংসার আর সবার সাথে হাসিখুশীভাবে মেশা রেখা বড্ড একা।

একজন রঙ মিস্ত্রীকে বলা হলো- নৌকাটি ভালো করে রঙ করে দেয়ার জন্য।রং মিস্ত্রী নৌকা রং করতে গিয়ে দেখেন- নৌকার তলায় ছোট একটা ফ...
16/09/2024

একজন রঙ মিস্ত্রীকে বলা হলো- নৌকাটি ভালো করে রঙ করে দেয়ার জন্য।
রং মিস্ত্রী নৌকা রং করতে গিয়ে দেখেন- নৌকার তলায় ছোট একটা ফুটো। রং মিস্ত্রি ভালো করে নৌকাটি রং করেন। তারপর নৌকার ফুটোটিও মেরামত করে উপরে রং লাগিয়ে দিয়ে মজুরি নিয়ে চলে যান।

পরদিনই নৌকার মালিক রং মিস্ত্রীর বাড়িতে এসে তাকে বেশ বড় একটা চেক দিতে চাইলে - রং মিস্ত্রী বলেন- আপনি তো আমার প্রাপ্য মজুরি দিয়ে দিয়েছেন। তবে, এই বাড়তি এতোগুলো টাকা আবার কেন দিচ্ছেন?

নৌকার মালিক বললেন - বাড়তি না, খুব কমই দিচ্ছি। আপনি আমার যে উপকার করেছেন - এর আসল মূল্য দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব না।
মিস্ত্রী বললো - কিছুই বুঝতে পারছিনা। আমি কি এমন উপকার করলাম? কাজের মাঝে আমি এতো বেশি ব্যস্ত ছিলাম- নৌকার তলানীতে যে ছোট একটা ফুটো আছে সেটা আপনাকে বলতে ভুলে গিয়েছিলাম। অথচ, নিজ তাগিদে আপনি সেটা মেরামত করে দিয়েছেন।
মিস্ত্রী বললো - সেটাতো সামান্য একটা ফুটো। আর এ জন্য এতোগুলো টাকা?

নৌকোর মালিক তখন বললেন - এ সামান্য ফুটো নয়। আমি কাজ থেকে ফিরে ঘাটে গিয়ে দেখি - ডাঙ্গায় নৌকা নেই। ছেলেরা রঙ শুকানোর সাথে সাথেই নৌকা নিয়ে নদীতে চলে গেছে। আমিও ওদেরকে বলিনি- ওরাও জানেনা নৌকার নীচে ছোট একটা ফুটো আছে।

বুঝতেই পারছেন। আমার কি বিপর্যস্ত মানসিক অবস্থা। সন্ধ্যা হয়ে আসছে, ছেলেরা নৌকা নিয়ে ফিরছেনা। আমার অস্থিরতা বাড়ছেই। আমি নদীর দিকে চেয়ে বসে আছি। কোনো নৌকা ঘাটের নিকটে আসতে দেখলেই মনে করি - এই বুঝি ছেলেরা ফিরে এসেছে। অস্থির মন নিয়ে ঘাট থেকে আপনার ঘরে আসি। দেখি- আপনিও ঘরে নেই, হাটে গেছেন। আবার ঘাটে আসি। এমন সময় দেখি - ছেলেরা নৌকা নিয়ে ফিরছে।

ছোট ছেলে দুটোকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরি। ওরাও বুঝতে পারছেনা, আজ কি এমন হয়েছে! এরপর নৌকা চেক করে দেখি - আপনি নৌকার তলানীর ফুটোটি সবার অজান্তেই মেরামত করে দিয়েছেন। হয়তোবা কাজটি অতি সামান্য, কিন্তু এই সামান্য কাজটিই যদি আপনি না করতেন - তবে আমার আদরের সন্তান দুটি আজ নৌকা ডুবিতে মারা যেতো। আপনার উসিলায় আল্লাহ ওদের বাঁচিয়েছেন।

👉 শিক্ষনীয় বিষয়ঃ জীবনের ঘাটে ঘাটে এরকম কত রং মিস্ত্রী আছে। যারা নিজেও হয়তো জানেনা- নীরবে নিভৃতে নৌকার ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দিয়ে কত মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। চোখ বন্ধ করে বুকের উপর হাত রাখলে একটা ডাক শুনতে পাওয়া যায়।
আহ্বান! যতক্ষণ এই আহ্বান আছে - ততক্ষণ বুঝতে হবে পৃথিবীর কেউ না কেউ কারো সামান্য সহযোগিতা পেয়ে পুরো একটা নতুন জীবন নিয়ে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছে।।

(সংগৃহীত)

তখন ছোট ছিলাম, খুব একটা বুঝতাম না!টিভিতে দেখতাম এ্যাড দিতো এই "প্রাণ ম্যাংগো ড্রিংক" এর। তখন একটা এ্যাড ছিলো মুকিদ অভিনী...
16/09/2024

তখন ছোট ছিলাম, খুব একটা বুঝতাম না!
টিভিতে দেখতাম এ্যাড দিতো এই "প্রাণ ম্যাংগো ড্রিংক" এর। তখন একটা এ্যাড ছিলো মুকিদ অভিনীত "লাগলে খবর আছে!" সেটা ছিলো লটারির মতো, বোতলের ক্যাপের নিচে কিছু একটা কোড থাকতো সেটা থেকে টাকা পাওয়া যাবে এমন আরকি।
কিন্তু তখন অনেক ইচ্ছে থাকা সত্বেও এটা খেতে পারিনি, বা খাবো খাবো করেও শেষমেশ আর এটার টেস্ট পাওয়া হয়নি। তখন এটার দাম ৮৳ ছিলো (সম্ভবত)
তারপর কোথায় যেন হারিয়ে গেলো আমার ছেলেবেলা,

আর আজ এই আমি? এখন যদি আমাকে কেউ ডজন ডজন ও এনে দেয়, আমি খাবো না/ খেতে চাইবো না! হয়তো এখনো এটা পাওয়া যায় কিন্ত সেই আগের মতো আর ইন্টারেস্ট নাই আমার! কারণ এখন শ খানেক বোতল খেয়ে শেষ করলেও, ওইযে সেই ছোটবেলায় এটাকে না পাওয়ার আক্ষেপ টা আর কোনোদিনও ঘুচবে না!😊

গোলাপ ফুলের পাপড়ি ছিড়েছেন কখনো? ছিঁড়লেও নিশ্চয়ই গুণে দেখেন নি, কয়টা পাপড়ি থাকে। ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫ কিংবা ৮৯ টা। কিছু ব্যাতিক...
24/08/2024

গোলাপ ফুলের পাপড়ি ছিড়েছেন কখনো?

ছিঁড়লেও নিশ্চয়ই গুণে দেখেন নি, কয়টা পাপড়ি থাকে। ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫ কিংবা ৮৯ টা।
কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া প্রায় সব ফুলই এই নিয়ম মেনে চলে।

অদ্ভুত মনে হচ্ছে?

আসুন আরো সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে। আপনি সায়েন্স হোন আর আর্টস হোন, অঙ্কে দুর্বল হোন, আর সুপার ডুপার হোন খুব সহজেই হিসাবটা করতে পারেন।
০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫, ৮৯, ১৪৪, ২৩৩, ৩৭৭...... এই যে সংখ্যাগুলো, এদেরকে বলা হয় ফিবোনাক্কি সংখ্যা। অর্থাৎ, আগের সংখ্যার সাথে পরের সংখ্যাটা যোগ করলেই আরেকটি ফিবোনাক্কি সংখ্যা পাওয়া যায়।

কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব ফুল এই নিয়ম মেনে চলে।
শুধু ফুল নয়, প্রকৃতির অনেক জায়গায় এ সংখ্যা পাবেন। ফলেও ফিবোনাক্কি সংখ্যা দেখা যায়। আনারসের "চোখ" গুণে দেখুন। এক সারিতে ৮ টা কিংবা ১৩ টা থাকে।

নাম লিওনার্দো ফিবোনাক্কি।
জন্ম ইটালিতে। তিনি-ই সর্বপ্রথম এটি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারেই এই ধারার নাম হয়েছে, ফিবোনাচ্চির ধারা!

১২০৩ খ্রিষ্টাব্দে খরগোশের প্রজননে তিনি সর্বপ্রথম এই ধারার অস্তিত্ব দেখতে পান। অর্থাৎ দুটি খরগোশ থেকে যদি প্রজনন হয়, আর একটা খরগোশও না মরে, তাহলে যদি ১০ মাস পর ৫৫ টা খরগোশ হয় ১১ মাস পর হবে ৮৯ টা, ১২ মাস পর হবে ১৪৪ টা।

এখানেই শেষ না।
পাশাপাশি দুটি ফিবোনাক্কি সংখ্যার যদি পরেরটাকে আগেরটা দিয়ে ভাগ করেন ১.৬১ হয়।
অর্থাৎ ২৩৩ কে ১৪৪ দ্বারা কিংবা ৩৭৭ কে ২৩৩ দ্বারা ভাগ করলে ১.৬১ পাওয়া যাবে।
একে বলে গোল্ডেন রেশিও। মানবদেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঙ্গে এই গোল্ডেন নাম্বারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। একটা অঙ্গের দৈর্ঘ্যকে ১.৬১ দ্বারা গুণ করলে আরেকটা অঙ্গের দৈর্ঘ্যের সমান হয়।

বর্তমানে মিউজিকে এর বহুল ব্যাবহার দেখা যায়। বড় বড় ব্যান্ড দলগুলো বিভিন্ন মিউজিকে ফিবোনাক্কির ছন্দ ব্যাবহার করেছে। এ মিউজিকগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
...ফিবোনাক্কির সংখ্যাগুলো নিয়ে পাশাপাশি বর্গ আঁকুন। অর্থাৎ প্রথমটা দুই সেমি হলে পরেরটা তিন পরেরটা পাঁচ....এরপর এদের স্পর্শক আঁকলে দেখা যাবে, এটা হাতির শুঁড়ের মতো হয়। বহু প্রাণীর লেজ এরকম বাঁকানো থাকে।

চমক শেষ হয়নি।

পাখিরা যখন দলবেঁধে আকাশে ওড়ে, গণণা করে দেখবেন। প্রতি দলে হয় ১৩ টা নাহয় ২১ টা নাহয় ৩৪ টা.......অর্থাৎ ফিবোনাক্কির সংখ্যানুযায়ী এরা দলে বিভক্ত থাকে। যদি শিকারীরা কোনো একটা পাখিকে মেরে ফেলে, এরা দল ভেঙ্গে আবার ফিবোনাক্কি সংখ্যানুযায়ী দলবদ্ধ হয়।

সত্যি-ই এটি প্রকৃতির এক অদ্ভুত রহস্য!
এই উদ্ভিদ-প্রাণীদের গণিত শেখালো কে?

[নিশ্চয়ই চিন্তাশীলদের জন্য এর মধ্যে নিদর্শন রয়েছে😍😍]

১৯৭১ সালে মুক্তিযু-দ্ধ চলাকালীন সময় ,আমি অটল বিহারি । ১\৩  দিলুরোড  এ ট্রেনিং এর সময়।(হানাদার বাহিনী )..কেউ সিরিয়াসলি ...
04/07/2024

১৯৭১ সালে মুক্তিযু-দ্ধ চলাকালীন সময় ,আমি অটল বিহারি । ১\৩ দিলুরোড এ ট্রেনিং এর সময়।(হানাদার বাহিনী )..

কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না এটা মুক্তিযুদ্ধের নাটকের দৃশ্যের চরিত্রে

©বিহারি বাবু

যে ইতিহাস জানা ছিল না ঃ“সক্রেটিসের মৃত্যু”মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে সন্ধ্যায়। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী পরিব...
04/07/2024

যে ইতিহাস জানা ছিল না ঃ
“সক্রেটিসের মৃত্যু”

মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে সন্ধ্যায়। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী পরিবারের সবাই এবং একান্ত শিষ্য'রা তার চারপাশ ঘিরে আছেন।
কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ। প্রধান কারারক্ষী এসে শেষ বিদায় নিয়ে গেলেন। তার চোখেও অশ্রু টলমল করছে। হায়, কি অদ্ভুত শাস্তি! যে মরবে সে ধীরস্থির, শান্ত। আর যে মারবে তার চোখে জল। কারাগার প্রধান বললেন, 'এথেন্সের হে মহান সন্তান, আপনি আমায় অভিশাপ দিবেন না। আমি দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। এতবছর কারাগারে কাজ করেছি, আপনার মতো সাহসী, সৎ এবং জ্ঞানী কাউকে আমি দেখিনি।
মৃত্যুর ঠিক আগে সক্রেটিস তার পরিবারের নারী ও শিশুদের চলে যেতে বললেন। সুন্দর পোষাক পরলেন তিনি। শিষ্যরা সবাই কাঁদছে কিন্তু সক্রেটিস যেনো বেপরোয়া। মৃত্যুতে কি কিছুই যায়-আসেনা তার? মৃত্যুদন্ডটা চাইলেই তিনি এড়িয়ে যেতে পারতেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো- দেবতাদের প্রতি ভিন্নমত প্রকাশ, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং তরুণদের বিপথগামী হতে উৎসাহ প্রদান। নিয়ম অনুযায়ী খোলা মাঠে তার বিচার বসেছিলো। বিচারক ছিলেন সমাজের ৫০০ জন জ্ঞানী মানুষ। এদের অনেকেই ছিলেন গ্রীসের রাজার একান্ত অনুগত। সক্রেটিসের মেধা এবং বিশেষতঃ তরুণদের কাছে তার জনপ্রিয়তায় জ্বালা ছিলো তাদের। সক্রেটিসকে খতম করার এমন সুযোগ তারা ছাড়বে কেন ? তবুও হয়তো প্রাণে বেঁচে যেতেন সক্রেটিস। কিন্তু কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও বিচারকদের নিয়ে উপহাস করতে ভুললেন না। ফলাফল 'হ্যামলক বিষপানে মৃত্যু'।
মৃত্যুর আগে একমাস কারাগারে বন্দী ছিলেন তিনি। নিয়ম ছিলো এমন। এই একমাসে কারারক্ষীরাও তার জ্ঞানে মুগ্ধ হয়ে গেলো। তারা তাঁকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করতে চাইলো। সক্রেটিস বিনয়ের সাথে না করে দিলেন। বললেন ''আজ পালিয়ে গেলে ইতিহাস আমায় কাপুরুষ ভাববে''। তিনি পৌরুষের সাথে মৃত্যুকে অপমানের জীবনের চাইতে শ্রেষ্ঠ বলে মানলেন।
ঐ সন্ধ্যায় প্রধান কারারক্ষী চলে যাওয়ার পর জল্লাদ এলো পেয়ালা হাতে। পেয়ালা ভর্তি হ্যামলকের বিষ। সক্রেটিস জল্লাদকে বললেন ''কি করতে হবে আমায় বলে দাও। তুমি আমার চাইতে ভালো জানো''। জল্লাদ বললো ''পেয়ালার পুরোটা বিষ পান করতে হবে, একফোঁটাও নষ্ট করা যাবেনা''। সক্রেটিস বললেন ''তবে তাই হোক''। তিক্ত বিষের পুরো পেয়ালা তিনি পানির মতো করে পান করে ফেললেন। চারপাশে বসে থাকা শিষ্যরা চিৎকার করে কাঁদছেন। এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ। তখন জল্লাদ আরও কঠোর নির্দেশটি দিলো। বললো ''নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে এখন কিছুক্ষণ পায়চারী করতে হবে, যাতে বিষের প্রভাব পুরোটা শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পরতে পারে''। হায় হায় করে উঠলেন সবাই। শুধু ম্লান হাসলেন সক্রেটিস। বললেন '' আজীবন আইন মেনেছি, মৃত্যুতে আইন ভাঙবো কেন'' ? দূর্বল পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে হাঁটলেন কিছুক্ষণ, যতক্ষণ তার শক্তিতে কুলোয়। এরপর বিছানায় এলিয়ে পড়লেন। শিষ্যদের বললেন ''তোমরা উচ্চস্বরে কেঁদোনা, আমায় শান্তিতে মরতে দাও''। জল্লাদের পাষাণ মনেও তখন শ্রদ্ধার ভাব, বিনয়ে আর লজ্জায় মাথা নামিয়ে নিলো সে। চাদর দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে নিলেন সক্রেটিস। একবার চাদরটা সরালেন। একজন শিষ্যকে ডেকে বললেন ''প্রতিবেশীর কাছ থেকে একটা মুরগী ধার করেছিলাম আমি, ওটা ফেরত দিয়ে দিও''।
এই ছিলো তার শেষ কথা। ক্ষনিক পরেই অনিশ্চিত যাত্রায় চলে গেলেন মহাজ্ঞানী সক্রেটিস। তার শিষ্যদের মাঝে সেরা ছিলেন প্লেটো। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের এই ঘটনাগুলো প্লেটো লিখে রেখে গেছেন। প্লেটোর শিষ্য ছিলেন মহাজ্ঞানী এ্যারিষ্টটল, সর্বকালের জ্ঞানী মানুষের উপরের সারির একজন। মহাবীর আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের নাম আমরা সবাই জানি। এই বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন এ্যারিষ্টটল।
প্রহসনের বিচারে সক্রেটিসের মৃত্যু হয়েছে ঠিকই কিন্তু মৃত্যু তাকে মারতে পারেনি। শিষ্যদের মাঝে জ্ঞানের আলো দিয়ে বেঁচে রইবেন তিনি অনন্তকাল। সত্য প্রকাশে যারাই লড়বে, একাত্তুর বছর বয়সে মৃত সক্রেটিস(Socrates) তাদের কাছে উৎসাহের এক নাম হয়েই রইবে...।
----------------------------------
এই চিত্রকর্মটির নাম “সক্রেটিসের মৃত্যু”। আজ থেকে প্রায় দু'শ তিরিশ বছর আগে (খ্রি. ১৭৮৭) ফ্রান্সের শিল্পী জাঁক-লুই ডেভিড এই ছবিটা আঁকেন। ছবিটার গল্পটা সবারই জানা। সক্রেটিসের সামনে মেলে ধরা হয়েছে হেমলক বিষের পাত্র, সক্রেটিস সেটা নির্দ্বিধায় পান করছেন। ছবির ডান দিকে তার শিষ্যরা শোকে, ক্ষোভে মুহ্যমান হয়ে পড়েছে। সক্রেটিসের বামে যে লোকটি হেমলকের পাত্র এগিয়ে দিচ্ছে, তার নিজের মুখও লজ্জায় ঢাকা, এমন জ্ঞানী একজন মানুষের মৃত্যু তার মাধ্যমে হচ্ছে, হয়তো সেই কারণেই।

একটি ইঁদুরকে শস্যদানা ভর্তি একটি বয়ামের উপরে রাখা হয়। তার চারপাশে এত খাবার পেয়ে  ইঁদুরটি এত বেশি খুশি হয় যে সে আর খা...
03/07/2024

একটি ইঁদুরকে শস্যদানা ভর্তি একটি বয়ামের উপরে রাখা হয়। তার চারপাশে এত খাবার পেয়ে ইঁদুরটি এত বেশি খুশি হয় যে সে আর খাবারের সন্ধানে এদিক সেদিক দৌড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করে না। এখন সে তার জীবন সুখে কাটাতে পারছে। কিন্তু কয়েক দিন শস্যদানা ভোগ করার পর সে বয়ামের তলায় পৌঁছে যায়। হঠাৎ সে বুঝতে পারে যে সে বয়ামের ভিতরে আটকা পড়েছে। বয়ামের ভিতর হতে সে আর বের হতে পারছে না। বেঁচে থাকার জন্য তাকে এখন পুরোপুরি নির্ভর করতে হয় কে কখন সেই বয়ামে শস্যদানা রাখে তার উপর। তাকে এখন যা দেওয়া হয় তা খাওয়া ছাড়া তার আর কোনো উপায় নেই। এভাবে অন্যের করুনার উপরই তাকে বাকি জীবন কাটাতে হবে।

এ গল্প থেকে শিক্ষনীয়ঃ
১। যখন আপনার দক্ষতা ব্যবহার করবেন না, তখন দক্ষতার চেয়ে বেশি কিছু হারাবেন। আপনি আপনার পছন্দ এবং স্বাধীনতা হারাবেন।
২। আপনার জীবন যদি সহজ হয় এবং আপনি আরামপ্রিয় হয়ে যান, তবে আপনি অন্যের উপর নির্ভরতার মধ্যে আটকা পড়ছেন৷
৩। স্বল্পমেয়াদী আনন্দ দীর্ঘমেয়াদী ফাঁদ হতে পারে।
৪। স্বাধীনতা সহজে আসে না, কিন্তু দ্রুত হাতাছাড়া হয়ে যেতে পারে।
৫। জীবনে কিছুই সহজে আসে না । কোন কিছু সহজে পেয়ে গেলে তাকে যথাযতভাবে মূল্যায়ন করা হয় না।

ইংরেজি গল্প থেকে অনুবাদঃ Ramij Ahmad

আলু ৬০/৭০ টাকাআদা ৩০০ টাকা পিয়াজ ৯০/৯৫ টাকারসুন ১৮০/২০০ টাকা এক সময় পাঙ্গাস মাছ কিনলে বলতো এই মাছ মানুষ খায় নাকি?সেটাও আ...
01/07/2024

আলু ৬০/৭০ টাকা
আদা ৩০০ টাকা
পিয়াজ ৯০/৯৫ টাকা
রসুন ১৮০/২০০ টাকা
এক সময় পাঙ্গাস মাছ কিনলে বলতো এই মাছ মানুষ খায় নাকি?
সেটাও আজকে অনেকের স্বপ্ন
ব্রয়লার মুরগি কিনতে গেলে বলতো এই মুরগী মানুষ খায়?
সেটা এখন অনেকের স্বপ্ন
চাউল ৭০/৮০ টাকা
সয়াবিন তেল ২০০ টাকা
৪০/৬০ টাকার নিচে কোন সবজি নাই
শাক কিনতে গেলে ১৫/২০ টাকা হাটা

চিনি ১৫০ টাকা
এর ভিতরে ও ২৪ ঘন্টার ভিতরে ভালো করে ৮ ঘন্টাও বিদ্যুৎ থাকেনা!!
এক সময় মনে হত আমি মধ্যবিত্ত
এখন বাজারে গেলে বুঝি আমি মধ্যবিত্ত নয় আমি গরিব এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত গরীব
চারিদিকে হতাশা
আয় করি দুই টাকা আর ব্যায় এর হিসাব লম্বা।
কোথায় যাবে এই অসহায় জনগন?
বাজারে গেলে মাথা ঠিক থাকে না।
হিমসিম খাচ্ছি সংসার চালাতে

জীবনের হিসাব মিলানো খুব কষ্ট
এটা হাজার হাজার মানুষের মনের কথা সেটা আমি বুজি।
কারণ বাজারটা আমি না করলে আমি নিজে বোঝি 😢
এই হলো ডিজিটাল বাংলাদেশের অবস্থা
জীবন অনেক কস্ট রে 🥲🥲🥲

বান্ধবী কিছু মনে করিস নাঅনেকটা অপ্রত্যাশিত ভাবেই দেখা করেছিস্কুল লাইফের বান্ধবী 💃💃
22/06/2024

বান্ধবী কিছু মনে করিস না

অনেকটা অপ্রত্যাশিত ভাবেই দেখা করেছি

স্কুল লাইফের বান্ধবী 💃💃

জীবন নিয়ে কিছু উক্তি : 1. “জীবন হতে পারে চমৎকার, যদি আপনি একে ভয় না পান। এজন্য প্রয়োজন সাহস, কল্পনা শক্তি ও অল্প কিছু...
22/06/2024

জীবন নিয়ে কিছু উক্তি :

1. “জীবন হতে পারে চমৎকার, যদি আপনি একে ভয় না পান। এজন্য প্রয়োজন সাহস, কল্পনা শক্তি ও অল্প কিছু টাকাকড়ি।” – চার্লি চ্যাপলিন

2. “জীবন বাই সাইকেল চালানোর মতো একটা ব্যাপার, পড়ে যেতে না চাইলে তোমাকে সামনে চলতে হবে।” – আইনস্টাইন

3. “জীবন যেমনই কঠিন হোক না কেন, অবশ্যই এমন কিছু আছে যা তুমি করতে পারবে এবং সে কাজে তুমি সফল হবে।” – স্টিফেন হকিং

4. “জীবন সহজ নয়, জটিলও নয়, জীবন জীবনের মতো। আমরাই একে সহজ করি জটিল করি।” – হুমায়ূন আহমেদ

5. “জীবন বিস্ময়কর হতে পারে, যদি মানুষ একা আপনাকে ছেড়ে দেয়।” – চার্লি চ্যাপলিন

6. “ভালোবাসা দিয়ে ভালোবাসা না পেলে তার জীবন দুঃখের ও জড়তার।” – কাজী নজরুল ইসলাম

7. “জীবনটা খুবই ছন্দহীন হয়ে যেত যদি জীবনে কোন হাসি ঠাট্টা না থাকতো।” – স্টিফেন হকিং

8. “মধ্যবিত্ত পরিবার গুলি জানে, জন্মের সময় থেকেই শিক্ষা শুরু হয়ে যায়।” – জেফ্রি কানাডা

9. “সৎ মানুষ মাত্রই নিঃসঙ্গ, আর সকলের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু।” – হুমায়ূন আজাদ

10. “শত শত আঘাতের পরেও মুখে হাসি রেখে পথ চলার নামই জীবন।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

#সংগৃহীত

08/06/2024

ব্রেকআপ ফেক্ট:-

Address

Dinajpur
5220

Telephone

+8801729311999

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Atol's Daily Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Atol's Daily Life:

Share