Mirza Mahedi Hassan

Mirza Mahedi Hassan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mirza Mahedi Hassan, Photographer, Dhaka.

সূরা সূরা আন্-নাস ও সূরা আল-ফালাক্ব পাঠের ফজিলতঃ◆ উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল...
03/10/2021

সূরা সূরা আন্-নাস ও সূরা আল-ফালাক্ব পাঠের ফজিলতঃ

◆ উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে প্রতি ওয়াক্ত নামাযের পর সূরা আন্-নাস ও সূরা আল-ফালাক্ব পাঠের আদেশ করেছেন।

(জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৯০৩)

◆ আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি রাতে যখন বিছানায় যেতেন, সে সময় “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ”, “কুল আউযু বিরব্বিল ফালাক" ও "কুল আউযু বিরব্বিন নাস" (সূরা তিনটি) পাঠ করে নিজের উভয় হাতের তালু একসাথে করে তাতে ফুঁ দিতেন, তারপর উভয় হাত যথাসম্ভব সারা শরীরে মলতেন। তিনি মাথা, চেহারা ও দেহের সম্মুখের অংশ হতে আরম্ভ করতেন। তিনি তিনবার এরূপ করতেন।

(জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৪০২)

◆ আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

‘রাসূলুল্লাহ (সূরা ফালাক্ব ও নাস অবতীর্ণ হবার পূর্ব পর্যন্ত নিজ ভাষাতে) জিন ও বদ নজর থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় প্রার্থনা করতেন । পরিশেষে যখন উক্ত সূরা দু’টি অবতীর্ণ হল, তখন ঐ সূরা দু’টি দ্বারা আশ্রয় প্রার্থনা করতে লাগলেন এবং অন্যান্য সব পরিহার করলেন ।’

(রিয়াদুস সলেহিন, হাদিস নং ১০২২)

◆ 'আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

যখনই নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হতেন তখনই তিনি ‘সূরায়ে মু’আব্বিযাত’ পড়ে নিজের উপর ফুঁক দিতেন। যখন রোগ কঠিন হয়ে গেল, তখন বাকাত অর্জনের জন্য আমি এই সূরা পাঠ করে তাঁর হাত দিয়ে শরীর মাসহ্ করিয়ে দিতাম।

(সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫০১৬)

06/05/2021

পৃথিবী মানবতা ও একটি মানব শিশু - মির্জা মেহেদী হাসান
____________________________________________

পৃথিবী
তার মোহহীন রূপকথার গল্পের
মোড়ক উন্মোচন করে কদাচিৎ,
পৃথিবী
তুমি খুব রূঢ় অভব্যতায় বিষিয়ে
দাও থমকে যাওয়া মানবিকতার মানদন্ড,
পৃথিবী
তুমি জীর্ণশীর্ণ থুরথুরে ভবঘুরে
ক্ষণে ক্ষণে যৌবনত্ব পাও মানব হৃদয়ের সৃজনে,
পৃথিবী
তুমি যাদের অস্বীকার করো
তারাও মানব সন্তান,
পৃথিবী
তোমার বুকের রাজসিকতায় যাদের ঠায় মিলেনি
সেই মানব শিশুটিও একদিন ঠায় দাঁড়াবে নিজের পায়ে,
পৃথিবী
তুমি মোহ মায়ার কুয়াশায়
আচ্ছাদিত করেছো মানবিক বোধ,
পৃথিবী
মিথ্যা রঙে রাঙানো দেয়াল
আটকাতে পারবেনা মানবতাকে,
পৃথিবী
তুমি ধুলিস্মাত হবে রোজ কেয়ামতে
হাশরের ময়দানে শেষ বিচারের দিনে জয় হবে মানবতার।

সময়ঃ ০৫ঃ১৫ পি.এম
তারিখঃ ০৬ মে ২০২১

05/07/2017

তোমার বনের রাজা - মির্জা মেহেদী হাসান
========================
তুমি বলেছিলে আমি নাকি মোগলি
তবে শুনো বালিকা - আমি তোমার বনে মোগলি হবো
সারা বনময় শুধু আমার রাজত্ব
এখানে গিয়ে ডাকবো ওইখানে গিয়ে চিৎকার
ভালোবাসি তোমায় করবো সম্মোহন।
সম্মোহিত তুমি আর তোমার বোধ
আজন্ম বাধা পড়ে যাবে বাহুডোরে
এবেলা ওবেলা সারা জীবন আমার মায়ায়
চলবে মায়ার খেলা অবেলায়
ভুলতে চাইলেও ভুলতে পারবেনা আমার আধিপত্য।

বিঃদ্রঃ কোন একজন বালিকার দেয়া উপাধির সদ্বিচার করতে গিয়ে এই কবিতার আবির্ভাব। বালিকা আপনি এবং আপনার উপর্যুপরি মন্তব্যের এরচেয়ে সদ্ব্যবহার করা যাইতো না। কিছু মনে করবেন না #বালিকা ।

30/06/2017
29/06/2017

নীলাম্বরী অপ্সরী নীলকথা
- মির্জা মেহেদী হাসান
নীল আর নীল
গভীর কালো নীল
তোমায় প্রথম দেখা না দেখার মতই
যেমনটা চাঁদ কখনো দেখেনা তার প্রিয়তম সূর্য্যকে
বুকের ভিতর নিয়ে হাজার ব্যাথা
আমাদের বেচে থাকতে হয় -
নীলাম্বরী অপ্সরী নীলকথা।

20/06/2017

একটু সময় হবে তোমার
খুব বিক্ষিপ্ত মন
একটু তোমায় লাগবে
দিবা একটু সময়

পৃথিবী জুড়ে এমন অনেক কিছুই রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে ন্যূনতম কোনও ধারণাই আমাদের নেই। আজ মানবদেহের নাভি সম্পর্কে কিছু আশ্চর...
26/05/2017

পৃথিবী জুড়ে এমন অনেক কিছুই রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে ন্যূনতম কোনও ধারণাই আমাদের নেই। আজ মানবদেহের নাভি সম্পর্কে কিছু আশ্চর্যজনক তথ্য।

মানব শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ নাভি। জন্মের পর মাতৃজঠরের সঙ্গে ছেদের মুহূর্তেই যা তৈরি হয়ে যায়।

মা ও শিশুর যোগসূত্র। তাই নাভির সঙ্গে জড়িয়ে নানা অবাক করা বিষয়।

১. প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় ২ লক্ষ মানুষ নাভি কুন্ডলীর প্লাস্টিক সার্জারি করান। প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাভি কুন্ডলী ভিতর দিকে করেন।

২. একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ৬০ জন মানুষের নাভিতে প্রায় আড়াই হাজার আলাদা আলাদা প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়া বসবাস করে।

৩. নাভি কুন্ডলী সাধারণত বাইরের দিকেই বেরিয়ে থাকে। পৃথিবীর মাত্র ১০ শতাংশ ব্যক্তির নাভি কুন্ডলী ভিতরের দিকে।

৪. অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের অনেক সময় শিশুর চাপে নাভি কুন্ডলী ভিতর থেকে বাইরের দিকে বেরিয়ে আসে।

৫. প্লাস্টিক অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জারি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র বলছে, যে সব মহিলার নাভি কুন্ডলী বাইরের দিকে, তারা খুব একটা আকর্ষণীয় হন না। পুরুষদের ক্ষেত্রেও তাই।

হুমায়ূন আহমেদের বিয়ে - মির্জা মেহেদী হাসান এই জীবনে বেশিরভাগ কাজই আমি করেছি ঝোকের মাথায়। ডিগ্রী শেষ করে দেশে ফিরলাম। সা...
07/05/2017

হুমায়ূন আহমেদের বিয়ে - মির্জা মেহেদী হাসান
এই জীবনে বেশিরভাগ কাজই আমি করেছি ঝোকের মাথায়। ডিগ্রী শেষ করে দেশে ফিরলাম। সাত বছর আমেরিকায় কাটিয়ে যে সম্পদ নিয়ে ফিরলাম তা হল নগদ পঞ্চাশ ডলার, দুই স্যুটকেস ভর্তি বাচ্চাদের পুরানো খেলনা, এক স্যুটকেস বই এবং প্রচুর চকলেট। আমি যে সব সময় ইমপালস- এর উপরে চলি তা কিন্তু না। কাজে-কর্মে, চিন্তা-ভাবনায় আমি শুধু যে গোছানো তা না, অসম্ভব গোছানো। কখন কি করব, কতক্ষণ করব তা আগে ভাগে ঠিক করা। কঠিন রুটিন। সময় ভাগ করা তারপরেও হঠাৎ হঠাৎ কেন জানি মাথা এলোমেলো হয়ে যায়। উদ্ভট একেকটা কাণ্ড করে বসি। কোন সুস্থ মাথার মানুষ যা কখনো করবে না। গুলতেকিনের সঙ্গে বিয়ে হয় এমন ঝোঁকের মাথায়। তখন আমি হতদরিদ্র। লেকচারার হিসেবে ইউনিভার্সিটি থেকে সব মিলিয়ে সাত/আটশ’ টাকা পাই। দুই ভাইবোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বাবর রোডের এক বাসায় থাকি। সে বাসা সরকারী বাসা। এভিকেশন নোটিস হয়ে গেছে। ম্যাজিস্ট্রেট নিজে এসে বলে গেছেন বাড়ি ছেড়ে দিতে। পনেরো দিনের নোটিস। বাড়ি না ছাড়লে পুলিশ দিয়ে উঠিয়ে দেয়া হবে। টাকা পয়সার দিক দিয়ে একেবারে নিঃস্ব। মাসের শেষের দিকে বেশির ভাগ সময়ই বাসে করে ইউনিভার্সিটিতে আসার পয়সাও থাকে না। হেঁটে
হেঁটে আমি ক্লাসে যাই। ক্লাস শেষ করে ক্লান্ত হয়ে হেঁটে হেঁটে বাসায় ফিরি। নিতান্ত পাগল না হলে এমন অবস্থা কেউ বিয়ের চিন্তা করে না। আমার মনে হল গুলতেকিন নামের এই বালিকাটিকে পাশে না পেলে আমার চলবে না। গুলতেকিনের মা- বাবা আমার কাছে মেয়ের বিয়ে দেবেন না। বড় মেয়েরই বিয়ে হয় নি। ক্লাস টেনে পড়া মেয়ের
বিয়ে হবে কি করে? কি করা যায় কিছুই ভেবে পাই না। একদিন গুলতেকিন ডিপার্টমেন্টে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। আমি বললাম, চল এক কাজ করি – আমরা কোর্টে গিয়ে বিয়ে করে ফেলি। সে চোখ বড় বড় করে বলল, কেন? কোর্টে গিয়ে বিয়ে করব কেন? ‘খুব মজা হবে। নতুন ধরনের হবে। ব্যাপারটা খুব নাটকীয় না? তোমাকে ভাবার জন্য তিন মিনিট সময় দিলাম। তুমি ভেবে দেখ, তারপর বল।’সে ভাবার জন্য তিন মিনিটের মত দীর্ঘ সময় নিল না। এক মিনিট পরেই বলল, চলুন যাই। কিন্তু আমি তো শাড়ি পরে আসি নি। সালোয়ার-কামিজ পরে কি বিয়ে করা যায়?
কোর্টে শেষ পর্যন্ত যাওয়া হল না। কনের বয়স চৌদ্দ। এই বয়সে বিয়ে হয় না। আমি কোন উপায় না দেখে তাঁর ফুপু খালেদা হাবীবকে একটি দীর্ঘ চিঠি লিখলাম। আমার সাহিত্যপ্রতিভার পুরোটাই ঢেলে দিলাম চিঠিতে। চিঠি পড়ে তিনি বিস্মিত এবং খুব সম্ভব মুগ্ধ। কারণ তিনি গুলতেকিনের পরিবারের সবাইকে ডেকে দৃঢ় গলায় বললেন, এই ছেলের সঙ্গেই গুলতেকিনের বিয়ে দিতে হবে। অন্য কোথাও নয়। ভবিষ্যৎ-এ যা হবার হবে। আমার চিঠির জবাবে তিনি লিখলেন – “আপনার অদ্ভুত চিঠি পেয়েছি। এত বানান ভুল কেন?” তারা ক্লাস টেনে পড়া মেয়েকে আমার সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজী হয়েছেন। এপ্রিল মাসের ২৮ তারিখে বিয়ে হবে। এই খবরে আমার এবং মা’র মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। হাতে একটা পয়সা নেই। যে কোন মুহুর্তে আমাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে। এই অবস্থায় বিয়ে। কে জানে নতুন বউ নিয়ে বাসায় এসে দেখা যাবে পুলিশ দিয়ে সবাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। নতুন বউ নিয়ে রাস্তায় রাত
কাটাতে হবে। মা তাঁর সর্বশেষ সম্বল বাবার দেয়া হাতের একজোড়া বালা, যা তিনি চরম দুঃসময়েও যক্ষের ধনের মত আগলে রেখেছিলেন, বিক্রি করে বিয়ের বাজার করলেন। জিনিসপত্রগুলি খুব সস্তা ধরনের কিন্তু তাতে মিশে গেল আমার বাবা এবং মা’র ভালবাসা। আমি জানতাম ভালবাসার এই কল্যাণময় স্পর্শেই আমার অনিশ্চয়তা, হতাশা কেটে যাবে। বউ নিয়ে বাসায় ফিরে বড় ধরনের চমক পেলাম। আমার শোবার ঘরটি অসম্ভব সুন্দর করে সাজিয়ে দিয়েছে আমার ছোট বোন। আমাদের কোন ফ্যান ছিল না। কিন্তু আজ মাথার উপরে ফ্যান ঘুরছে। বিছানায় কি সুন্দর ভেলভেটের চাদর। খাটের পাশে সুন্দর দুটি বেতের চেয়ার। বেতের চেয়ারের পাশে ছোট্ট একটা টেবিলে একগাদা রক্ত গোলাপ। গোলাপের পাশে একটা চিঠিও পেলাম। মেজো বোন শিখুর লেখা চিঠি -
“দাদা ভাই,
তুমি যে সব গান পছন্দ করতে তার সব ক’টি টেপ করা আছে। কথা বলতে বলতে তোমরা যদি ক্লান্ত হয়ে পড় তাহলে ইচ্ছা করলে গান শুনতে পার। দরজার কাছে একটা ক্যাসেট প্লেয়ার রেখে দিয়েছি।”
ক্যাসেট প্লেয়ার চালু করতেই সুচিত্রা মিত্রের কিন্নর কন্ঠ ভেসে এল – ভালবেসে যদি সুখ নাহি তবে কেন, তবে কেন মিছে এ ভালবাসা?
গভীর আবেগে আমার চোখে জল এসে গেল। আমি সেই জল গোপন করবার জন্য জানালা দিয়ে তাকিয়ে বললাম, কেমন লাগছে গুলতেকিন? সে নিচু গলায় বলল, বুঝতে পারছি না। কেমন যেন স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছে।
‘ঘুম পাচ্ছে?’
‘না।’
সারারাত আমরা গান শুনে কাটিয়ে দিলাম দু’জনের কেউই কোন কথা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। গান শোনা ছাড়া উপায় কি?
পরদিন ভোরবেলা খুব দুঃখজনক ব্যাপার ঘটল। যাদের বাসা থেকে সিলিং ফ্যান ধার করে আনা হয়েছিল তারা ফ্যান খুলে নিয়ে গেল। গুলতেকিন বিস্মিত হয়ে বলল, ওরা আমাদের ফ্যান খুলে নিচ্ছে কেন? আমি মাথা নিচু করে রইলাম। জবাব দিতে পারলাম
না। বিছানার চমৎকার চাদর, বেতের চেয়ার, ক্যাসেট প্লেয়ার সবই তারা নিয়ে গেল। এমন কি টেবিলে রাখা সুন্দর ফুলদানিও অদৃশ্য। গুলতেকিন হতভম্ব। সে বলল, এসব কি হচ্ছে বলুন তো? ওরা আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে কেন? আমরা বুঝি রাতে গান শুনব না?
গুলতেকিনের প্রশ্নের জবাব দেবার মত মানসিক অবস্থা তখন আমার নেই। আমার জন্য আরো বড় সমস্যা অপেক্ষা করছে। বাসার সামনে পুলিশের গাড়ি এসে দাঁড়িয়ে আছে। আজ আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দেবে। এই কারনেই সবাই তড়িঘড়ি করে তাদের জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে। ওদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। মা পুলিশ অফিসারের সঙ্গে কথা বলছেন। আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে লজ্জায় কাঁপছি। আমার ছোটবোন এসে বলল, দাদাভাই, তুমি ভাবীকে নিয়ে কোথাও বেড়াতে চলে যাও। এই নোংরা ব্যাপারটা ভাবীর সামনে না হওয়াই ভাল।
আমি গুলতেকিনকে নিয়ে বের হয়ে পড়লাম। বৈশাখ মাসের ঘন নীল আকাশ, পেঁজাতূলার স্তূপীকৃত মেঘ, চনমনে রোদ। আমরা রিকশা করে যাচ্ছি। হুড ফেলে
দিয়েছি। আমার মনের গোপন ইচ্ছা – পৃথিবীর সবাই দেখুক, এই রূপবতী বালিকাটিকে আমি পাশে পেয়েছি। গভীর আনন্দে আমার হৃদয় পূর্ণ। বাসায় এখন কি হচ্ছে তা এখন আমার মাথায় নেই। ভবিষ্যতে কি হবে তা নিয়েও ভাবছি না। বর্তমানটাই সত্যি।
অতীত কিছু না। - ভবিষ্যৎ তো দূরের ব্যাপার। আমরা বাস করি বর্তমানে অতীতেও না, ভবিষ্যতেও না।
—হুমায়ূন আহমেদ
অবশিষ্ট সম্পাদনায়ঃ মির্জা মেহেদী হাসান

৩৩০ বছর পূর্বেকার হাতে লেখা পবিত্র কোরআন শরীফের সন্ধান - মির্জা মেহেদী হাসান১১০০ হিজরি সালে হাতে লিখিত ৩৩০ বছর পূর্বেকার...
07/05/2017

৩৩০ বছর পূর্বেকার হাতে লেখা পবিত্র কোরআন শরীফের সন্ধান - মির্জা মেহেদী হাসান
১১০০ হিজরি সালে হাতে লিখিত ৩৩০ বছর পূর্বেকার সবচেয়ে ক্ষুদ্র দুর্লভ কুরআনুল কারিমের কপির সন্ধান পাওয়া গেছে। যার দৈর্ঘ ১.৪ সেন্টিমিটার। ইয়েমেনে প্রাপ্ত এই ক্ষুদ্রতম কুরআনের কপির পাতায় পাতায় রয়েছে অনন্য নকশা ও ক্যালিওগ্রাফি। যা প্রাকৃতিক উদ্ভিদের রঙ ব্যবহার করে করা হয়েছে।

ইয়েমেনের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রধান ইবাদুল্লাহ হাসানির তত্ত্বাবধানে থাকা কুরআনের কপিটি এখন পর্যন্ত পাওয়া ক্ষুদ্রতম কুরআনুল কারিমের কপিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন বলে ধরা করা হচ্ছে।

কুরআনুল কারিমের এ কপিটি কে বা কারা লিখেছেন বা এটি ইয়ামেনের কোন অঞ্চলে লিখিত হয়েছে এ ব্যাপারে কোনো সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এর তথ্য অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ইসলামি ঐতিহ্যের ধারক হাতে লিখা এ কুরআনের কপিটি যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে এর কভারের নকশা এবং ভিতরের লেখা অনেকটাই জীর্ণ হয়ে গেছে। ইসলামের এ জাতীয় দুর্লভ সংগ্রহগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ করা অত্যন্ত আবশ্যক।

আগামী প্রজন্মের জন্য ইসলামি ঐতিহ্যের জানান দিতে কুরআনের এ দুর্লভ কপিটিকে যথাযথ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তথ্যসুত্রঃ ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত
লিখায়ঃ মির্জা মেহেদী হাসান

Address

Dhaka
1212

Telephone

01932341587

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mirza Mahedi Hassan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mirza Mahedi Hassan:

Share

Category