The Rail Buffs-TRB

The Rail Buffs-TRB Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Rail Buffs-TRB, Photography Videography, Dhaka.

দ্যা রেল বাফস্ ফেসবুক পেজে সবাইকে স্বাগতম!

রেলওয়ে সম্পর্কিত সকল ছবি,রিলস ও ভিডিও
এইসব নিয়েই এই পেজ।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল লিংক -
https://youtube.com/-trb?si=oU9VTcm-oH--PaNW

17/10/2025

ধোয়া উড়িয়ে একটি ট্রেনের স্টেশন ত্যাগ।।

পবিত্র ইদ-উল-আযহা/২০২৫ উপলক্ষে, ইদ যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রয়ের সময়সূচি :
21/05/2025

পবিত্র ইদ-উল-আযহা/২০২৫ উপলক্ষে, ইদ যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রয়ের সময়সূচি :

15/05/2025

বাংলাদেশ রেলওয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আগ্রহী রেলফ্যানদের জন্য নিয়মিত তথ্য শেয়ার করার উদ্যোগে এবার তুলে ধরা হলো ২০২৫ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য।

সরকারি ও বৈদেশিক অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ কতটা এগিয়েছে, কোথায় কী ধরনের নির্মাণ বা পুনর্বাসনের কাজ চলছে, কোথায় কিছুটা ধীরগতি রয়েছে এবং কোন কোন প্রকল্পে সম্ভাব্যতা যাচাই ও ডিজাইন পর্যায়ে কাজ চলছে—সব কিছু এক নজরে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে নিচের পোস্টে।

✅ ১. কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন

সেকশনটি ৪৪.৭৭ কিমি এবং ৪ ডিসেম্বর ১৯৮৬ সালে চালু হয়েছিল। এটি ২ ফেব্রুয়ারি ২০০২ সালে বন্ধ হয়। বর্তমানে কুলাউড়া জংশন থেকে শাহবাজপুর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ৫২.৫৪ কিমি ডুয়েল গেজ লাইনের পুনর্বাসনের কাজ চলছে (মেইনলাইন ৪৪.৭৭ কিমি, লুপলাইন ৭.৭৭ কিমি)। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৫৫%।

🔹 ১৭টি মেজর ব্রিজে ৩৮৪টির মধ্যে ৩৬০টি পাইল সম্পন্ন হয়েছে।
🔹 ২৫টি বক্স কালভার্ট সম্পন্ন (মোট ৪১টি)।
🔹 ৬ কিমি ট্র্যাকে Initial Tracking শেষ।
🔹 ৬টি স্টেশন ভবনের মধ্যে ৩টির ছাদের কাজ শেষ।
🔹 সিগন্যালিং প্যাকেজের টেন্ডার আগামী জুলাই মাসে হতে পারে।
🔹 প্রকল্পের সময়সীমা: ডিসেম্বর ২০২৬।

✅ ২. ঢাকা-টঙ্গী ও টঙ্গী-জয়দেবপুর ডুয়েল গেজ লাইনের নির্মাণকাজ

এই প্রকল্পে ঢাকা-টঙ্গীতে ৩য় ও ৪র্থ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুরে ২য় লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। সার্বিক অগ্রগতি ৪০%। তবে এখনও এক্সিম ব্যাংকের অর্থ পাওয়া যায়নি।

🔹 সেকশনের নতুন-পুরনো মিলিয়ে মোট ১০৭.৯৪১ কিমি ডুয়েল গেজ মেইন লাইন এবং ৩০ কিমি লুপলাইন ও সাইডিংগুলোকে ইউআইসি ৬০ কেজি রেল দিয়ে নির্মান/পুনর্নির্মান।
🔹 তেজগাঁও, বনানী, টঙ্গী ও ধীরাশ্রম স্টেশনের ভবন পুনর্নির্মান। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন ভবনের উল্লম্ব সম্প্রসারন।
🔹 ১৪টি প্ল্যাটফরম নির্মান ও ৪টি প্ল্যাটফরম সম্প্রসারন। ৯টি প্ল্যাটফরম শেড নির্মান ও ৩টি প্ল্যাটফরম শেড সম্প্রসারন।
🔹 এপ্রোচ রোড, অফিস, আবাসিক ভবন, ড্রেন, এলসি গেইট ও গুমটি ঘর পুনর্নির্মান।
🔹 প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রন এবং নিরাপত্তা বিশ্চিত করতে RoW প্রান্তে এবং স্টেশনগুলিতে রাস্তার আলো সহ সীমানা প্রাচীর নির্মান। প্রাকৃতিক শব্দ বাধা হিসেবে সীমানা প্রাচীরে কার্টেন ক্রিপার লাগানো।
🔹 ৭টি স্টেশনের টেলিকম সিস্টেমের সাথে সিবিআই এবং সিটিসি এর ইন্টারফেসিং করা হবে। ৩৭টি লেভেল ক্রসিং গেইটে আধুনিক ওয়ার্নিং সিগন্যাল ব্যবস্থা স্থাপন।

✅ ৩. ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েল গেজ লাইনের নির্মাণকাজ

বর্তমান মিটারগেজ লাইনের সমান্তরালে নতুন ডুয়েল গেজ লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। এরপর শুরু হবে বিদ্যমান মিটারগেজ লাইনকে ডুয়েলগেজে রুপান্তরের কাজ। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৪৭.৫০%।

🔹 ২৩.৪১ কিমি ডুয়েল গেজ মেইন লাইন ও ৬.৮৫ কিমি লুপ লাইন।
🔹 ৫টি স্টেশন ভবন, ১১টি লেভেল ক্রসিং, ৫টি ফুটওভার ব্রিজ, নারায়নগঞ্জে ২টি ওয়াশপিট।
🔹 ১০টি প্ল্যাটফর্ম ও প্ল্যাটফর্ম শেড নির্মাণ।
🔹 ২২টি ছোট ব্রিজ।
🔹 নতুন ঠিকাদার: GPT Infras (India) + Standard Engineering (Bangladesh)।
🔹 সময়সীমা: জুন ২০২৬।

✅ ৪. মধুখালী-কামারখালী-মাগুরা ব্রডগেজ লাইনের নির্মাণকাজ

মোট দৈর্ঘ্য ১৯.৯ কিমি। সার্বিক অগ্রগতি ৫৭%।

🔹 ২টি মেজর ব্রিজ (চন্দনা নদীর উপর ৯০ মিটার এবং গড়াই নদীর উপর ৫৪৯ মিটার), ২৭টি মাইনর ব্রিজ ও কালভার্ট।
🔹 কামারখালী ও মাগুরায় নতুন স্টেশন ভবন এবং ৪.৯ কিলোমিটার লুপলাইন।
🔹 ১টি আন্ডারপাস, ২০টি লেভেল ক্রসিং ও সিগন্যালিং।
🔹 সময়সীমা: ডিসেম্বর ২০২৫।

✅ ৫. বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ লাইনের নির্মাণকাজ

ঢাকা থেকে বগুড়ার দুরত্ব ১১২ কিলোমিটার কমাতে এই প্রকল্পে একটি ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মিত হবে কাহালু ও শহীদ এম মনসুর আলী রেলস্টেশনের মাঝে। সার্বিক অগ্রগতি ১৮%। ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।

🔹 ৮৫.০৬ কিমি ডুয়েল গেজ মেইন লাইন এবং ৩৭.৪৯ কিমি লুপলাইন।
🔹 নতুন ৮টি স্টেশন - সিরাজগঞ্জ জংশন, কৃষ্ণদিয়া, রায়গঞ্জ, চান্দাইকোনা, ছোনকা, শেরপুর, আরিয়া বাজার এবং রাণীরহাট। কাহালু স্টেশন পুনঃনির্মান ও শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশনের সম্প্রসারন।
🔹 করোতোয়া ও ইছামতি নদীতে দুটো মেজর ব্রিজ নির্মান।
🔹 ১০৬টি লেভেল ক্রসিং গেইট, ২৫টি ছোট বড় সেতু, ৯১টি বক্স কালভার্ট, ১টি রোড ওভারপাস, ১টি রোড আন্ডারপাস, ১টি রেল ফ্লাইওভার।
🔹 ১১টি স্টেশনে CBI সিগন্যালিং স্থাপন।

✅ ৬. সিলেট-ছাতকবাজার লাইনের পুনর্বাসন কাজ

২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লাইনের অবকাঠামো পুনর্বাসনের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। ঠিকাদার নিয়োগ হয়েছে ফেব্রুয়ারি/২০২৫। লক্ষ্য: জুন ২০২৬ এর মধ্যে কাজ শেষ করা।

✅ ৭. ধীরাশ্রম ICD নির্মানে টেকনিক্যাল সহায়তা প্রকল্প

ধীরাশ্রম থেকে পুবাইল পর্যন্ত ৭.১৬ কিমি রেললিংক এবং আইসিডির জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। লক্ষ্য: অক্টোবর ২০২৬। অগ্রগতি সন্তোষজনক। এরপর মূল ICD নির্মাণ শুরু হবে।

✅ ৮. চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটারগেজ লাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর

পাহাড়তলী–ঝাউতলা বাইপাস রেললাইনসহ পাহাড়তলী-চট্টগ্রাম-দোহাজারী (৫২ কিমি মেইন লাইন সহ) মোট ৬২.৪৮ কিমি মিটারগেজ ট্র্যাককে ডুয়েলগেজে রুপান্তর করা হবে। সময়সীমা: জুন ২০২৮। ADB অর্থায়ন নিশ্চিত, শিগগির টেন্ডার হবে।

🔹 পাহাড়তলী, ষোলশহর ও ঝাউতলা স্টেশন পুনর্নির্মান এবং ১৪টি স্টেশন বিল্ডিং এর মেরামত কাজ।
🔹 পাহাড়তলী, ষোলশহর, পটিয়া, কাঞ্চননগর ও দোহাজারী স্টেশনে সিবিআই সিগন্যালিং পদ্ধতি চালু।
🔹 এই প্রকল্পের অধীনেই কেনা হবে ৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ।

✅ ৯. যমুনা রেলসেতু

১৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে বাকি একটি প্যাকেজে সেতুর পশ্চিমপ্রান্তে ব্রিজ ইঞ্জিয়ারের অফিস, আবাসিক এলাকা ও ব্রিজ মিউজিয়ামের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সময়সীমা: আগস্ট ২০২৫।

✅ ১০. জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডাবল লাইনের নির্মাণকাজ

ডুয়েলগেজ মেইন লাইন ১৬২.০২৩ কিমি, ২৪.৯৯ কিমি লুপলাইন এবং ১১.২৮ কিমি বিদ্যমান রেললাইন পুননির্মান করা হবে।

🔹 ৭টি স্টেশন পুনঃনির্মাণ, ১টি নতুন রেলস্টেশন নির্মান, ১৪টি রেলস্টেশন সংস্কার, ২১টি রেলস্টেশনের সুবিধা বৃদ্ধি।
🔹 ৩টি রোড ওভারব্রিজ, ৬৬টি মেজর ব্রিজ, ১৩৮টি মাইনর ব্রিজ নির্মান।
🔹 ১৬টি স্টেশনের সিগন্যালিং ও টেলিকম ব্যবস্থার মানোন্নয়ন।
🔹 সার্বিক অগ্রগতি মাত্র ৭.৫০%।
🔹 বাস্তবায়ন সময়সীমা: ২০৩০ নাগাদ শেষ হতে পারে।
🔹 বর্তমানে জাইকার কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় ডিজাইন কনসালটেন্ট নিয়োগের কাজ চলছে।

❗ যেসব প্রকল্পে এখনও কাজ শুরু হয়নি:
পার্বতীপুর-কাউনিয়া ডুয়েল গেজ রূপান্তর
খুলনা-দর্শনা ডাবল লাইন
ঈশ্বরদী-পার্বতীপুর সেকশনে সিগন্যালিং আধুনিকায়ন

📋 চলমান সমীক্ষা কার্যক্রম:

১। নারায়নগঞ্জ থেকে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম এবং টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত বিদ্যমান রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিচালনার নিমিত্তে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন প্রবর্তনের জন্য (ওভারহেড ক্যাটেনারি ও সাবস্টেশন নির্মান সহ) সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনঃ কাজ করছে টার্কিশ TUMAS.

২। বিদ্যমান হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সমান্তরতালে একটি নতুন ব্রিজ নির্মানের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

৩। আব্দুলপুর বাইপাস সহ রাজশাহী-আব্দুলপুর-সান্তাহার-পার্বতিপুর সেকশনে বিদ্যমান ডুয়েলগেজ সিঙ্গেল লাইনের সমান্তরালে একটি নতুন ব্রডগেজ লাইন নির্মানের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (ড্রাফট রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে)

৪। সান্তাহার বাইপাস সহ সান্তাহার-বগুড়া-কাউনিয়া-লালমনিরহাট মিটারগেজ সেকশনকে ডুয়েলগেজে রুপান্তর এবং বিদ্যমান লাইনের সমান্তরালে একটি নতুন ব্রডগেজ লাইন নির্মানের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

৫। ভৈরববাজার-ময়মনসিংহ মিটারগেজ সেকশনকে ডুয়েলগেজে রুপান্তর এবং বিদ্যমান লাইনের সমান্তরালে একটি নতুন ব্রডগেজ লাইন নির্মানের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

৬। নারায়নগঞ্জ থেকে লাকসাম/কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মানের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

৭। যশোর-বেনাপোল সেকশনে বিদ্যমান ব্রডগেজ লাইনের সমান্তরালে একটি নতুন ব্রডগেজ লাইন নির্মানের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

৮। টঙ্গী বাইপাস সহ ময়মনসিংহ-জামালপুর-ইব্রাহিমাবাদ মিটারগেজ সেকশনকে ব্রডগেজে রুপান্তরের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

৯। আমনুরা থেকে সান্তাহার পর্যন্ত একটি নতুন ব্রডগেজ রেললাইন নির্মানের জন্য ডিতেইল ডিজাইন সহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

১০। রোলিংস্টকের ভবিষ্যত চাহিদা নিরুপন করে রোলিংস্টক রক্ষনাবেক্ষনের স্থাপনাগুলোকে স্থানান্তর, পুনর্নির্মান ও প্রয়োজনীয় নতুন স্থাপনা নির্মানের জন্য ডিটেইল ডিজাইনসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, (চলমান)

১১। বাংলাদেশ রেলওয়ের Core এবং Non-core business সম্পর্কে বিশদ ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়ন, (চলমান)

১২। সেকশনাল ক্যাপাসিটী বৃদ্ধির জন্য Intermediate Block System এর গুরুত্ব, বিদ্যমান CBI সিস্টেম এর সাথে ATS/ATP স্থাপন, মেইন লাইনে CTC সিস্টেম প্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষন এবং সিগনালিং বিষয়ক ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা যাচাইকরন। (ড্রাফট রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে)

১৩। National Inland Container Depot Development Plan প্রণয়ন। (চলমান)

===
লেখা: জনাব Shafqat Amin

কোন স্টেশনে নামলে, কোথায় কোথায় যেতে পারবেন..★১)  #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা...
07/05/2025

কোন স্টেশনে নামলে, কোথায় কোথায় যেতে পারবেন..
★১) #উত্তরা_উত্তর (Uttara North): দিয়াবাড়ি, খালপাড়, রূপায়ণ সিটি, উত্তরা পশ্চিম থানা, জমজম টাওয়ার, সেক্টর-৭, ১০, ১২, ১৪,১৫,১৬, কামারপাড়া, সুইচগেইট, রানাভোলা, হাউজবিল্ডিং, রাজলক্ষী, জসীমউদ্দীন, এয়ারপোর্ট, টঙ্গী, কলেজ গেইট, টঙ্গী হয়ে বোর্ড বাজার, গাজীপুর, জয়দেবপুর। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলের ভাড়া ১০০ টাকা।

★২) #উত্তরা_সেন্টার (Uttara Center): সেক্টর ১৮, রাজউক উত্তরা মডেল টাউন, বউ বাজার, পঞ্চবটি, বোটক্লাব, বীরুলিয়া ব্রীজ, বীরুলিয়া ব্রীজ থেকে সাভার, আশুলিয়া। উত্তরা উত্তর থেকে সর্বনিম্ন ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

★৩) #উত্তরা_দক্ষিণ (Uttara South): ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, শান্তা-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ভবন, বৃন্দাবন বাজার, এয়ারপোর্ট, । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ২০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৯০ টাকা।

★৪) #পল্লবী (Pallabi): মিরপুর ১২, মিরপুর ডিওএইচএস, মিরপুর সেনানিবাস, ইষ্টার্ন হাউজিং, আফতাব নগর হাউজিং, বিইউপি, কালসী মোড়,মুসলিম বাজার, ইসিবি চত্বর,রুপনগর,আবাসিক,দুয়ারিপাড়া,আরিফাবাদ।
উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা।
মতিঝিল থেকে: ৮০ টাকা।

★৫) #মিরপুর ১১ (Mirpur 11): পূরবী সিনেমা হল, কালসী মোড়, আধুনিক,ইসিবি চত্বর, মিরপুর ১১, মিল্কভিটা,চলন্তিকা মোড়,শিয়াল বাড়ি,প্রশিকা, মিরপুর-১,৬,৭, চিড়িয়াখানা।
উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৩০ টাকা।
মতিঝিল থেকে: ৭০ টাকা।

★৬) #মিরপুর_১০ (Mirpur- 10): মিরপুর গোল চক্কর, সেনপাড়া, মিরপুর-১,২,BRTA, হোপ মার্কেট,শাহ আলী মার্কেট,চিড়িয়াখানা , হার্ট ফাউন্ডেশন, পাকা মসজিদ, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, কল্যাণপুর, গাবতলী, আমীনবাজার, সাভার, মিরপুর-১৩, ১৪, পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ভাষাণটেক, কচুক্ষেত, বনানী, বনানী থেকে উত্তরা বা মহাখালী অভিমূখের যেকোনো জায়গা। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

★৭) #কাজীপাড়া (Kazipara): কাজীপাড়া, বেগম রোকেয়া সরণী, ইটাখোলা বাজার, পূর্ব মনিপুর, বৌবাজার, সাততারা মসজিদ রোড এবং এর আশেপাশে। উত্তরা দিয়া বাড়ি থেকে ভাড়া: ৪০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৬০ টাকা।

★৮) #শেওড়াপাড়া (Shewrapara): শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, আগারগাঁও, তালতলা, এবং এর আশেপাশে। ভাড়া: ৫০ টাকা। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

★৯) #আগারগাঁও (Agergaon) : আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস, বিসিএস কম্পিউটার সিটি, চক্ষু হাসপাতাল, নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল, শ্যামলী, জাপান গার্ডেন সিটি, টেকনিক্যাল , গাবতলী, শিশু হাসপাতাল, শিশু মেলা, তালতলা এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৫০ টাকা।

★(১০) #বিজয়_সরণী (Bijoy Sarani): বিজয় সরণী, জাতীয় সংসদ,নব থিয়েটার, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, শাহীন স্কুল ও কলেজ, তেজগাঁও এয়ার পোর্ট, শাহীন বাগ, নাখালপাড়া এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৬০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৪০ টাকা।

★(১১) #ফার্মগেট (Farmgate) : ফার্মগেট, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি -২৭, ২৮, লালমাটিয়া, তেজগাঁও কলেজ, বিজ্ঞান কলেজ, হলিক্রস কলেজ এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৭০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

★(১২) #কাওরান_বাজার ( Kawran Bazar) : কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বসুন্ধরা সিটি, পান্থপথ, স্কয়ার হাসপাতাল, বিআরবি হাসপাতাল, ধানমন্ডি -৩২, কলাবাগান এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ৩০ টাকা।

★(১৩) #শাহবাগ (Shahbagh) : শাহবাগ জাদুঘর, পিজি হাসপাতাল, বারডেম হাসপাতাল, রমনা পার্ক, সাইন্স ল্যাব, সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজ, ল্যাবএইড হাসপাতাল এবং এর আশেপাশে। উওরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৮০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

★(১৪) #ঢাকা_বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, টিএসসি, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েট, শহিদ মিনার, শিশু একাডেমী, আজিমপুর, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, নিউ মার্কেট, চক বাজার। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

★(১৫) #বাংলাদেশ_সচিবালয় ( Bangladesh Secretariat) : সচিবালয়, প্রেস ক্লাব, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট, পল্টন, বিজয়নগর, মিন্টু রোড, বেইলী রোড, ভিকারুননিসা স্কুল, গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম এবং এর আশেপাশে । উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া : ৯০ টাকা। মতিঝিল থেকে: ২০ টাকা।

★(১৬) #মতিঝিল ( Motijheel) : মতিঝিল, দিলকুশা, কমলাপুর , বঙ্গভবন , বাংলাদেশ ব্যাংক, নটরডেম কলেজ, আরামবাগ, ফকিরাপুল এবং এর আশেপাশে। উত্তরা উত্তর থেকে ভাড়া: ১০০/- টাকা।
বিঃদ্রঃ ২০০ টাকা বিনিময়ে কার্ড করলে, যাতায়াতে সবসময় ১০% ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়।
উত্তরা উত্তর থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:১০ মিঃ
এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:০০ ঘটিকায়।
মতিঝিল থেকে প্রথম ট্রেন: সকাল ৭:৩০ মিঃ
এবং সর্ব শেষ ট্রেন: রাত ৯:৪০ মিঃ।
প্রতি শুক্রবার উত্তরা উত্তর থেকে: ৩:৩০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:০০ মিঃ।
এবং মতিঝিল থেকে বিকাল ৩:৫০ মিঃ শুরু হয়ে সর্ব শেষ ট্রেন ৯:৪০ মিঃ।
প্রতি ৮/১০ মিনিট পরপর উত্তরা ও মতিঝিল থেকে মেট্রো রেল ছাড়ে।

★★★পোস্টটি কপিকৃত ★★★
🌿🌿 ধন্যবাদ 🌺🌺
.. Bangladesh Metro Railway Information.!! 🏵️
#মেট্রোরেল_সংবাদ

রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমীতে প্রথম দিন পড়ানো হয়--"ট্রেনের লাইনের কাছাকাছি গেলে নিজের কানকে একবিন্দু বিশ্বাস করবেন না। ট্রেনে...
04/05/2025

রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমীতে প্রথম দিন পড়ানো হয়--
"ট্রেনের লাইনের কাছাকাছি গেলে নিজের কানকে একবিন্দু বিশ্বাস করবেন না। ট্রেনের শব্দ আসলেই শোনা যায় না নতুবা বিশেষ সময়ে কান প্রতারণা করে- এটা বাস্তব ফ্যাক্ট। রেললাইন ও রেলক্রসিং এর কাছে গেলে একমাত্র এবং শুধুমাত্র চোখের ওপর নির্ভরশীল হোন। "

পৃথিবীর সবচেয়ে আন্ডাররেটেড ঘাতক "ট্রেন" এবং আমাদের "হ্যাবিচুয়াল কনফিডেন্স"
-
২০১৭ সালের পহেলা এপ্রিল আমেরিকান নিউজ চ্যানেল "এনবিসি" তে একটা আশ্চর্যজনক ভিডিও প্রচার করা হয়। জেফ রোসেন নামের একজন রিপোর্টারের করা এক্সপেরিমেন্টাল রিপোর্ট। এক্সপেরিমেন্টের নাম "আসলেই কি ট্রেন লাইনে দাঁড়ালে পেছনে আসা ট্রেনের শব্দ শোনা যায় না?"
-
এক্সপেরিমেন্টে পরে আসি। প্রথমে প্রেক্ষাপট।
-
আমাদের অনেকেরই ধারণা ট্রেনে কাটা পড়ে কেবল বাংলাদেশীরাই মারা যায়। বাংলাদেশের মানুষজন বেকুব, ইতর। তারা সিগন্যাল মানে না। হেডফোন লাগিয়ে লাইনে হাঁটে। ট্রেনে কাটা পড়ার এটাই মূল কারণ।
ট্রেনে চাপা পড়ার এটা অবশ্যই একটা কারণ, কিন্তু একমাত্র না। সম্ভবত সবচেয়ে বড়ো কারণও নয়। মোবাইল ও হেডফোনের সঙ্গে মানুষের পরিচয়ের বয়স ১৫-২০ বছর। তার আগে কি এসব ঘটনা ঘটেনি? অনেক ঘটেছে, প্রচুর ঘটেছে।
-
ব্রিটেনের মতো দেশে প্রতি বছর ৫০০ টার মতো ঘটনা ঘটে যেখানে লোকজন অসতর্কভাবে ট্রেনের নিচে পড়ে বা একদম শেষ মুহূর্তে উদ্ধার পায়। মানুষ মরে খোদ আমেরিকাতেও। শুধু ২০১৩ সালেই আমেরিকায় ট্রেনের লাইনে জীবন গেছে ৭৮৪ জন মানুষের।
-
ব্যাক টু এক্সপেরিমেন্ট।
-
ট্রেনে কাটা পড়ার খবর দেখলে প্রায় প্রত্যেকটা মানুষের মাথায় প্রশ্ন আসে, "লোকটা ট্রেনের শব্দ শুনল না কেন?" এত ভারী একটা বাহন। ঝকঝক শব্দ, হুইসেলের তীব্র আওয়াজ..কিছুই কীভাবে কারো কানে যায় না?
-
সুদূর আমেরিকায় এনবিসি রিপোর্টার জেফ রোসেনও একই ধাঁধায় আটকে যান। ধাঁধার উত্তর না পেয়ে ক্যামেরা সমেত একদিন নিজেই চলে যান ট্রেন লাইনে। ট্রেন আসার উল্টো দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকেন লাইনে। সামনে ক্যামেরা। লোকজন আছে যথাযথ প্রোটেকশন নিয়ে।
কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর একটা ট্রেন আসে রোসেনের পেছনে। সাপের মতো বাক নিয়ে এগোয়৷ কিন্তু একি! রোসেনের খবর নেই! ট্রেন আরো কাছে আসে, তবুও রোসেনের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। একসময় পেছনে ঘাতকের উপস্থিতি টের পান রোসেন, ট্রেন তাকে অতিক্রম করে। তিনি হিসেব কষে দেখেন, ট্রেনের শব্দ প্রথম শোনা ও ট্রেন তাকে অতিক্রম করে চলে যাবার মাঝখানের সময় মাত্র ৫ সেকেন্ড!
-
আরেকটা ফ্যাক্টর আছে এখানে। এই বিশেষ স্থানে ট্রেনটার গতি ছিল বেশ কম। মাত্র ২৫ মাইল পার ঘন্টা। ইউএসএ তে গড়ে ৭০ মাইল বেগে চলে এই অজগর। আরেকবার হিসেব করা হলো। দেখা গেল, ট্রেনের গতি ৭০ থাকলে রোসেন সময় পেতেন মাত্র দুই সেকেন্ডেরও কম। অর্থাৎ সরে যাবার কোনো সুযোগই ছিল না। (এই ভিডিও লিংক কমেন্ট বক্সে দিচ্ছি)
আমেরিকান জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল 'এনবিসি' অবশেষে স্বীকার করতে বাধ্য হয়, ট্রেনের শব্দ শোনা ব্যাপারটা এতটা সরল না। এসব এক্সিডেন্টে ভিক্টিমের খামখেয়ালির পাশাপাশি আছে বিরাট এক রহস্য। কিছুটা সায়েন্স, কিছুটা সাইকোলজি। সেই রহস্যের ব্যাখা পরে দিই।
-
গতকালকে এক তরুণ ফটোগ্রাফার মারা গেছে। একটা লাইনে দাঁড়িয়ে সে অন্য লাইনে ট্রেনের ভিডিও করছিল। কেউ বলছে ট্রেন নয়, ফুলের ছবি তোলা ছিল তার উদ্দেশ্য। যাই হোক, ঠিক তখনই পেছন থেকে এসে দ্বিতীয় একটা ট্রেন তাকে ধাক্কা মারে। স্পট ডেড।
-
দুইটা ট্রেন একসাথে চলে আসার কারণে সবাই ভাবছে এটাই তাহলে মূল কারণ। দুইটা ট্রেনের শব্দকে সে আলাদা করতে পারেনি। হতেও পারে কারণ আসলে তাই। কিন্তু ট্রেন দুইটার জায়গায় একটা হলেও আসলে এমন ঘটার সম্ভাবনা ছিল। এর কারণটা জেফ রোসেন কিছুটা ব্যাখা করেছেন।
-
আচ্ছা বলুন তো, বাংলাদেশে কত মানুষ এমন দুর্ঘটনায় মারা যায়? এক্সাক্ট ফিগার আমার ধারণা খুব কম মানুষ জানেন।
-
প্রথম আলো বলছে, ২০২৩ সালে ট্রেনে চাপা পড়ে মৃত্যু ঘটেছে ১ হাজার ৬৪ জনের। দিনে গড়ে প্রায় ৩ জন। মৃত্যুগুলোর বিস্তারিত ক্যাটাগরি আলাদা করা হয়েছে সেই রিপোর্টে।
-
১০৬৪ জনের ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে মরেছে ২৩ জন, আত্মহনন ও কারণ জানা যায়নি এমন মৃত্যু ১৩৪ টি। সবচেয়ে আলোচিত "কানে এয়ারফোন" ঘটনায় মারা গেছে মাত্র ১৮ জন। ট্রেনের লাইনে বসে গল্প, আড্ডাবাজি ও গেইম খেলা এবং লাইন ধরে হাঁটার সময় এক্সিডেন্টে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০২ জন। রেল ক্রসিং এ প্রাণ গেছে ৩৮৭ জনের।
-
প্রচুর ঘটনা ঘটেছে যেখানে একসাথে একাধিক মানুষ চাপা পড়েছে। এই সংখ্যা দুইজন থেকে পাঁচজন অব্দি আছে। এখন বলুন তো, পাঁচজন মানুষ যখন এক দল হয়ে বসবে বা হাঁটবে, এদের কানে কি এয়ারফোন থাকার কথা?
-
এক সঙ্গে সকলে বধির হয়ে গেল কীভাবে? এই ম্যাজিকটা কী?
-
আমি অনেক ঘাটাঘাটি করেছি। কোনো গবেষণা, কোনো এনালাইসিস কোথাও ঠিকঠাক মতো প্রশ্নটার জবাব দিতে পারেনি। কিন্তু প্রচুর আর্টিকেল পেয়েছি যেখানে এই রহস্যটাকে স্বীকার করা হয়েছে। বহু লোক বলেছেন, তাদের লাইফে এই অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাদের কানে এয়ারফোন ছিল না, তারা খুব অসতর্ক ছিলেন তাও নয়। শুধু লাইনটার দিকে নজর ছিল না এবং হঠাৎ তারা আবিষ্কার করেছেন গায়ের সাথে ঘেষে একটা ট্রেন বুলেটের মতো চলে যাচ্ছে।
-
দুর্বল কিছু ব্যাখা আছে। এসব ব্যাখার একাংশ সায়েন্টিফিক, অন্য অংশ সাইকোলজিক্যাল। সায়েন্টিফিক একটা ব্যাখামতে, ধাতব মোটা লাইন ট্রেনের কিছু শব্দ ভাইব্রেশনের মতো করে খেয়ে ফেলে। লাইনের কাছাকাছি দাঁড়ানো মানুষের কাছে মূল শব্দটা পৌঁছায় না।
-
আরেক ব্যাখা বলে, ট্রেন দৈর্ঘ্য-প্রস্থে অসম একটা বাহন। অনেক লম্বা কিন্তু কম চওড়া। তার শব্দ সামনের দিকে V এর উল্টো শেইপে বাতাস কেটে আসে। এ কারণে একদম মুখোমুখি দাঁড়ানো ব্যক্তির কানে পুরোপুরি যায় না।
-
ট্রেন লাইনের অবস্থান নিয়েও আলোচনা আছে। সড়ক-মহাসড়কের পাশে বিল্ডিং থাকে। বিল্ডিং না থাকলেও গাছগাছালি খুব একটা থাকে না দুপাশে। কিন্তু ট্রেন লাইনের ব্যাপারটা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিপরীত। চারপাশে গাছ থাকে বেশিরভাগ স্থানে। গাছের পাতা ট্রেনের শব্দ এবসর্ব করে ফেলে অনেকটা। ঐ যে সাউন্ডপ্রুফ ঘরের দেয়ালের মতোন।
-
সায়েন্টিফিক ব্যাখাগুলোর চেয়ে সাইকোলজিক্যাল ব্যাখা আমার কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য লেগেছে।
-
শহরের কথা যদি ভাবেন, একজন পথচারীকে মোটামুটি সব সময় সকল ইন্দ্রিয় সজাগ রেখে পথ চলতে হয়। মূল সড়কের কথা বাদই দিলাম। একটা ছোটো গলির ভেতরেও অসতর্ক থাকলে রিকশা ধাক্কা দিয়ে দিতে পারে। ইন্দ্রিয়গুলোর এক্টিভ থাকার একটা সীমা আছে। মানুষ যখন রেল ক্রসিং এর কাছাকাছি আসে, নিজের অজান্তে সে রিলাক্সড হয়ে যায়। সড়কে বহু রকম বাহন চলে। ট্রেন লাইনে চলে একটা বাহনই। সেটাও অনেকক্ষণ পরপর আসে। একাধিক নয়, একটা। সো, চিল। একটু ফোন বের করে নোটিফিকেশন চেক করি। অফিস, বাসা, বাচ্চা, প্রেমিক বা প্রেমিকার কথা ভাবি।
-
দ্বিতীয় ব্যাখাটা ইন্টারেস্টিং এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
-
এটা ব্যাখা করার আগে ট্রেনে চাপা পড়ে মৃত্যুর ঘটনাগুলো গভীরভাবে এনালাইসিস করা দরকার।
-
সর্বশেষ মারা যাওয়া আলোচিত ফটোগ্রাফের কথাই বলি। তার পোস্ট করা সর্বশেষ ভিডিও রেল স্টেশনের। ২৩ এপ্রিল কুমিল্লায় ট্রেনে একসাথে কাটা পড়েছিল ৩ কিশোর। এরা স্টেশনের টোকাই। সারাদিনই ট্রেন লাইনের আশেপাশে ছিল তাদের আনাগোনা।
-
গত বছরের জুলাইয়ে নরসিংদীতে ৫ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তাদের উদ্ধার করার সময় একজন উদ্ধারকারী কাটা পড়ে আরেক ট্রেনে। গত বছরের নভেম্বরে লালমনিরহাটে ট্রেনের লাইনে বসে টাকা ভাগাভাগির সময় মারা যান ৪ দিনমজুর। লাইনে বসার আগে তারা স্টেশন মসজিদে নামাজ পড়ে আসে।
-
এই চারটা ঘটনাকেই এনালাইসিস করেন।
-
ফটোগ্রাফার তরুণের রেল স্টেশনে পোস্ট করা ভিডিও বলছে, ট্রেন লাইন ও ট্রেনের সাথে তার সখ্য আগেই ছিল। জীবনে প্রথমবার লাইনে দাঁড়িয়ে সে দুর্ঘটনার শিকার হয়নি। তিনটা কিশোরের ঘর বাড়িই রেল স্টেশন। তারা নিশ্চয়ই জানে ট্রেন কত দ্রুত আসে, কীভাবে যায়। লাইনে কাটা পড়া লাশ উদ্ধারে যে ব্যক্তি এসেছেন তিনি দক্ষ ও অভিজ্ঞ। অনকোরা ও অস্থানীয় কেউ লাশ উদ্ধারে যাবে না। রেল লাইনে বসে টাকা ভাগ করা ও স্টেশনে নামাজ পড়া শ্রমিকেরাও স্টেশন এলাকার বলেই ধারণা করা যায়।
প্রশ্ন হলো, এদের সবার এমন পরিণতি কেন ও কীভাবে হলো?
-
উত্তরটাই হলো সর্বশেষ ব্যাখা।
-
"হ্যাবিচুয়াল কনফিডেন্স"।
-
দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততা মানুষের মনে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। যে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে প্রথমে ভয় লাগে। ঐ যে কোনো এলাকায় প্রথম গেলে লোকজন ফোন মানিব্যাগ শক্ত করে চেপে ধরে যেরকম। এই বুঝি পকেট কেটে ফেলল কেউ। পেছনে পায়ের শব্দ শুনলে সতর্ক হয়। বেশ কিছুদিন যাবার পরেও যখন কিছুই ঘটে না, শুরুর সতর্কভাবটা ধীরে ধীরে আর থাকে না। এটা প্রত্যেকটা মানুষের খুবই ন্যাচারাল একটা অভ্যাস। তারপর যখন একদিন পকেটটা সত্যি সত্যিই কাঁটা যায়, মানুষের মনে পড়ে সতর্কতায় কোনো ছুটির দিন নাই। টার্গেট ফিলআপ নাই।
-
সতর্ক ও সাবধান প্রতিদিনের কাজ।
-
যারা ট্রেনের সাথে বেশি পরিচিত, স্টেশনে বা স্টেশনের কাছাকাছি কাজ করে, প্রতিদিন ক্রসিং পার হতে হয়...এরা জীবনে বহুবার লাইন পার হবার আগে হয়তো সাবধানে পেছনে ফিরে তাকিয়েছে। প্রতিবার দেখেছে, ট্রেনের খোঁজ নেই। এরপর নিজের অজান্তে তারা অভ্যস্ত হয়েছে। ব্রেনে সিগন্যাল গেছে, লাইনে ট্রেন থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। আমি ৩-৪ ফুটের লাইনে পা রাখব আর ঠিক তখনই বাতাস ফুঁড়ে একটা জিনিস এসে আমাকে ধাক্কা মারবে এমন হয় নাকি! এই জিনিস এমনিই লেট করে। সো, নো টেনশন।
-
এটাই হ্যাবিচুয়াল কনফিডেন্স। এই আত্মবিশ্বাসে মানুষ চোখকে কাজে লাগায় না। কান ঠিকমতো কাজ করে না। হ্যাবিচুয়াল কনফিডেন্স তাকে আরো বলে, পুরো শহরে ট্রেন লাইনটাই সেইফ। যত জায়গা দিয়ে সে হেঁটেছে, প্রত্যেকটা জায়গায় রিক্সা, গাড়ি, বাইক এমনকি মানুষের ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। ট্রেন লাইন এমন একটা স্থান যেখানে কেবল ট্রেনই চলে। আর ট্রেন আসে দীর্ঘ সময়ের বিরতিতে। ক্রসিং এ গদা ফেলার পরেও কয়েক মিনিট পাওয়া যায়। লাইন পার হতে লাগে কয়েক সেকেন্ড। অর্থাৎ, নিশ্চিন্তে সামনে ফেলো পা।
-
ভাগ্য ও ইন্দ্রিয় বিশ্বাসঘাতকতা করে ফেলে একদিন। পত্রিকায় ছোটো করে নিউজ "অমুক জায়গায় ট্রেনে কাটা পড়ে একজনের মৃত্যু"। মানুষ সেই খবর স্কিপ করে। যেমন স্কিপ হয়তো ভিক্টিমও করতো। মানুষ খবর পড়লে শুরুতেই প্রশ্ন করে " এত শব্দ কানে শুনলো না কেন?" এই প্রশ্ন ভিক্টিমের মাথায়ও একদিন ছিল।
-
লেখা প্রায় শেষ।
-
ট্রেনে কতটা ভয়ানক, ট্রেনে কত মানুষের প্রাণ যায় এটা কম মানুষ জানতেন বলে আমার ধারণা। গত বছর শুধু ভৈরবে মারা গেছেন ৮৫ জন, আখাউড়ায় ৬৫। বছরে এক হাজার মানুষের প্রাণ চলে যাচ্ছে রেললাইনে। এটা সেই বিরল দুর্ঘটনা যেখানে চালকের দায় শূন্য। ক্রসিং এ সিগন্যালম্যানের অবহেলা বাদ দিলে কর্তৃপক্ষ ও সরকারের দায় খুব বেশি নেই। দায় ও দুর্ভাগ্যের প্রায় পুরোটাই ভিক্টিমের।
-
এখন বলি, এই লেখা কেন লিখেছি।
-
জেফ রোসেনসহ দুনিয়ার সকলের মতো আমার মনেও প্রশ্ন ছিল, মানুষ কেন ট্রেনের শব্দ শুনে না? কান কি বন্ধ করে রাখে নাকি?
-
গত বছরের কোনো একদিন কাওলা রেল ক্রসিং এ প্রশ্নের আংশিক উত্তর পেলাম। আমার স্ত্রী তন্বীসহ হেঁটে যাচ্ছিলাম ক্রসিং এর দিকে। রাস্তায় গদা ফেলে রাখা। আমাদের দুজনের কারো কানেই হেডফোন এয়ারফোন নেই। কথাবার্তা বলছি না কেউই। তবে কিছুটা অন্যমনস্ক ছিলাম। মুহূর্তের খামখেয়ালিতে ক্রসিং এর বাঁশের সাইড ঘেষে একটু সামনে চলে গেছি। না, ক্রসিং পার করার ইনটেনশন ছিল না। শুধু একটা পা চলে গেছে সামনে। তারপর খেয়াল হয়েছে। থেমে গেছি দুজনেই। মাথা তুলেছি। আর তখনই ভীষণ অবাক ও ভয়ংকর আতংক নিয়ে দেখলাম একটা ট্রেন চলে যাচ্ছে বাতাস কেটে।
-
একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করলাম আমরা। দুজনের চোখেমুখে একটাই প্রশ্ন।
-
"শব্দ পেলাম না কেন?"
-
যাই হোক, এটা লেখাটা ভিক্টিমের কেয়ারলেস হবার জাস্টিফিকেশন নয়। কেউ দয়া করে বেশি বুঝে এমন উপসংহারে যাইয়েন না। আমি শুধু ট্রেনের কাঁটা পড়ে মৃত্যুর সংখ্যার ভয়াবহ বাস্তবতা ও পেছনের কারণে একটা ব্যাখা দিলাম।
-
অনুরোধ করছি, ট্রেনের লাইনের কাছাকাছি গেলে নিজের কানকে একবিন্দু বিশ্বাস করবেন না। ট্রেনের শব্দ আসলেই শোনা যায় না নতুবা বিশেষ সময়ে কান প্রতারণা করে এটা বাস্তব ফ্যাক্ট। লাইন ও ক্রসিং এ গেলে শুধুমাত্র ও একমাত্র চোখের ওপর নির্ভরশীল হোন। আর অবশ্যই সিগন্যাল ভেঙে দৌড় বা হাঁটা দেবেন না।
-
সকল ভিক্টিমের আত্মার শান্তি কামনা করছি।
-
লেখাঃ Joynal Abedin

পশ্চিমাঞ্চলের ব্রডগেজ ট্রেনের রেক ঘোরানো সংক্রান্ত নোটিশ।চাকার ক্ষয়রোধে একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর রেক ঘোরানোর প্রয়োজন হয়।...
27/04/2025

পশ্চিমাঞ্চলের ব্রডগেজ ট্রেনের রেক ঘোরানো সংক্রান্ত নোটিশ।

চাকার ক্ষয়রোধে একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর রেক ঘোরানোর প্রয়োজন হয়। যাতে করে দুই চাকার ক্ষয়রোধে সমতা বজায় থাকে।

যে তারিখে যে ট্রেনগুলোর রেক ঘোরানো হবে তা চিঠিতে উল্লেখ আছে। যাত্রীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ রইল।

©️ Firoj Khan

Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
06/04/2025

Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

06/04/2025

বাংলাদেশ রেলওয়ের কোচ সংকট, না কি শুধু ব্যবস্থাপনার অভাব?

লেখাঃ জনাব Shafqat Amin

প্রথম পর্ব- পশ্চিমাঞ্চল (ব্রডগেজ)

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের কোচ সংখ্যা মোটেও অপ্রতুল নয়— অন্তত যেসব তথ্য জানা গেছে তাতে তা-ই স্পষ্ট হয়। এই মুহুর্তে ইন্টারসিটি-ক্লাস প্যাসেঞ্জার ফ্লিটের ৪৩৯টি কোচের মধ্যে বিভিন্ন ট্রেনে স্ট্যান্ডার্ড কম্পজিশনে চলছে ২৮০টি কোচ, বাকিগুলো হয় চলাচলের বাইরে বা “স্পেয়ার” হিসেবে বিভিন্ন বেইজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে— যার সংখ্যা মোট ১৪৪টি!

-----

ধরা যাক এলএইচবি কোচের কথা। মৈত্রী, মধুমতি আর সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস চালানো হচ্ছে ৩২টি কোচ দিয়ে। এই বাইরে ১৫টি কোচ রয়েছে স্পেয়ার হিসেবে— যার মধ্যে আছে এসি কেবিন ৪টি, স্নিগ্ধা ৩টি, শোভন চেয়ার ৫টি এবং পাওয়ারকার কাম গার্ড ব্রেক ৩টি। এসব কোচ খুলনা, ঈশ্বরদী ও রাজশাহী বেইজে ছড়িয়ে আছে। যদি এগুলোকে একটি নির্দিষ্ট বেইজে কেন্দ্রীভূত করা যেত, তাহলে বন্ধ থাকা মৈত্রী রেক অক্ষুণ্ণ রেখেও একটি সম্পূর্ণ রেক গঠন সম্ভব হতো।

-----

পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে ফ্রেশ লট চাইনিজ ও ইনকা-২০১৯ লটের কোচগুলোর ব্যবস্থাপনাও একই রকম। মোট ১৫০টির মধ্যে ১১০টি কোচ চলছে ১১টি ট্রেনে।

এর মধ্যে রাজশাহী বেইজের বনলতা, ধূমকেতু, পদ্মা, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে ১৪ কোচ, চিলাহাটির চিলাহাটি ও নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে ১২ কোচ, এবং খুলনা ও বেনাপোল বেইজের সুন্দরবন, চিত্রা, বেনাপোল, জাহানাবাদ ও রুপসী বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ১১ কোচ দেখানো হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড কম্পোজিশনে।

বাকিরা স্পেয়ার হিসেবে ছড়িয়ে আছে পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায়— রাজশাহী, খুলনা, ঈশ্বরদীসহ প্রায় প্রতিটি বেইজেই কিছু না কিছু পড়ে আছে। এর মধ্যে এসি কেবিন আছে ৭টি, স্নিগ্ধা ৯টি, শোভন চেয়ার ১৩টি, পাওয়ার কার ৬টি এবং খাবার গাড়ি কাম গার্ড ব্রেক ৫টি।

অথচ, এই কোচগুলোকে একটু গোছানোভাবে ব্যবহার করলে ঢাকা-খুলনা শর্টরুটের ট্রেনগুলোতে কোচ সংখ্যা বাড়ানো এবং সম্পূর্ন নতুন একটি রেক তৈরি করা যেত।

-----

ইনকা-২০১৬ ও ২০০৬ লটের কোচগুলোর অবস্থাও প্রায় একই। গুটিকয়েক ট্রেনে কিছু কোচ ব্যবহৃত হচ্ছে, আর বাকিরা পড়ে আছে নানা বেইজে, কোনো কার্যকরী পরিকল্পনা ছাড়াই। এমনকি পুরনো এমওজি কোচগুলোর মাঝেও ২৭টি ব্যবহারযোগ্য স্পেয়ার আছে।

ইনকা-২০১৬ লট (১২/৫০)ঃ রুপসা, সীমান্ত ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনে চলছে ৩৮টি কোচ। খুলনা, রাজশাহী, ঈশ্বরদী ও চিলাহাটি বেইজে পড়ে আছে এই লটের ১২টি স্পেয়ার কোচ— এসি কেবিন ২, নন-এসি কেবিন ১, স্নিগ্ধা ১, শোভন চেয়ার ৪, পাওয়ার কার ২, খাবার গাড়ি কাম গার্ড ব্রেক ২।

ইনকা-২০০৬ লট (১৫/৫০)ঃ তিতুমীর, বরেন্দ্র ও বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে চলছে ৩৫টি কোচ। রাজশাহী ও চিলাহাটি বেইজে স্পেয়ার হিসেবে আছে বাকি ১৫টি— এসি কেবিন ২, স্নিগ্ধা ২, শোভন চেয়ার ৫, পাওয়ার কার ৩, খাবার গাড়ি কাম গার্ড ব্রেক ৩।

পুরাতন ভ্যাকাম এমওজি আন্তঃনগর কোচ (২৭/৯২)ঃ সিরাজগঞ্জ, টুঙ্গিপাড়া, ঢালারচর এক্সপ্রেস ও কিছু কমিউটার ট্রেনে চলছে ৫৬টি কোচ। পাবনা এক্সপ্রেসের জন্য সংরক্ষিত আছে ৯টি কোচ। স্পেয়ার আছে আরও ২৭টি— কেবিন ১, স্নিগ্ধা ২, শোভন চেয়ার ৪, শোভন ৮, খাবার গাড়ি ৩, গার্ড ব্রেক ৩।

-----

📌 তাহলে সমস্যা কোথায়? কোচ নেই— এটা বলার সুযোগ নেই। সমস্যা হলো যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাব, বেইজ অনুযায়ী ছড়িয়ে রাখার অকার্যকর কৌশল, যা একাধিক রেক তৈরির সম্ভাবনাও নষ্ট করছে।

📌 প্রশ্ন উঠছে— এটা কি শুধুই অব্যবস্থাপনা? নাকি ইচ্ছাকৃতভাবেই যাত্রীদের ট্রেন বিমুখ করার পাঁয়তারা? জানি না। হয়তো না। কিন্তু প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে।

📌 এই অবস্থায় যেটা দরকার — লটভিত্তিক কোচগুলোকে এক বা দুইটি বেইজে কেন্দ্রীভূত করে নতুন রেক গঠন, এবং রুটভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী বাস্তবসম্মত ব্যবস্থাপনা।

এই জায়গায় দৃষ্টি না দিলে, নতুন কোচ এলেও এই একই চক্রে পড়ে যাবে।

25/02/2025

গোপালগঞ্জের "বোড়াশী" স্টেশনের নাম পরিবর্তন হয়ে "খাটরা" হচ্ছে

চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেসঃ বাংলাদেশের প্রথম দ্রুতগামী ট্রেনতারিখঃ ১লা এপ্রিল, ১৯৫৪। বাংলাদেশের রেল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূ...
19/01/2025

চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেসঃ বাংলাদেশের প্রথম দ্রুতগামী ট্রেন

তারিখঃ ১লা এপ্রিল, ১৯৫৪। বাংলাদেশের রেল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয় এই দিনে। জেনারেল মোটরসের বি১২ মডেলের ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন (২০০০ সিরিজ) দিয়ে “ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে” চালু করে চট্টগ্রাম-ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে দেশের প্রথম দ্রুতগামী ট্রেন, ৩ আপ/ ৪ ডাউন “চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেস।”

নতুন যুগের সূচনা:

“চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেস” ছাড়াও একই দিনে ডিজেল ইঞ্জিনে চলাচল শুরু করে ১ আপ/২ ডাউন চট্টগ্রাম মেইল, ৯ আপ/১০ ডাউন সিলেট এক্সপ্রেস (ঢাকা-সিলেট), ২১ আপ/২২ ডাউন সিলেট প্যাসেঞ্জার (সিলেট-আখাউড়া)। নতুন ইঞ্জিনের ফলে ট্রেনগুলোর চলাচলের সময় কমে আসে এবং সময়সূচি পুনর্গঠন করা হয়।

“চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেস” চট্টগ্রাম থেকে দুপুর ১২:৩০-এ ছাড়তো এবং ঢাকা পৌঁছাতো রাত ৯টায়। নারায়ণগঞ্জে পৌঁছানোর সময় ছিল রাত ১০:১০। ফিরতি যাত্রায় ট্রেনটি নারায়ণগঞ্জ থেকে সকাল ১১:৩৫-এ এবং ঢাকা থেকে দুপুর ১২:৩০-এ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করত, পৌঁছাত রাত ৯:৩০-এ। যাত্রাবিরতি ছিল কেবলমাত্র ফেনী, লাকসাম, কুমিল্লা, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব বাজার, নরসিংদী স্টেশনে।

ডিজেল ইঞ্জিনের আগমন:

১৯৫৩ সালে আমেরিকা থেকে আনা হয় প্রথম ১০টি ডিজেল ইঞ্জিন, যা পরে বেড়ে ৪০টিতে দাঁড়ায়। পূর্ব পাকিস্তানে কয়লার ঘাটতির ফলে স্টিম ইঞ্জিনের পরিবর্তে ডিজেল ইঞ্জিন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডিজেল ইঞ্জিনের মাধ্যমে স্টিম ইঞ্জিনের যুগের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশ রেলওয়েতে গতির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।

নাম পরিবর্তনের ইতিহাস:

চালুর বছরেই “চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেস” এর জন্য একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন নাম আহ্বান করা হয়। সেরা নাম হিসেবে নির্বাচিত হয় “Green Arrow”, যার ১১ জন প্রস্তাবক সমানভাবে পুরস্কার ভাগ করে নেন।

পরে ১৯৮১ সালে ট্রেনটির নাম পরিবর্তিত হয়ে “কর্ণফুলী সুপার এক্সপ্রেস” রাখা হয়। তখন প্রথমবারের মতো ফার্স্টক্লাস চেয়ার কার চালু করা হয়। তবে ১৯৮৫ সালে আন্তঃনগর ট্রেন চালু হওয়ার পর এর জনপ্রিয়তা কমে যায়। বর্তমানে এটি একটি সাধারণ এক্সপ্রেস ট্রেন হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে “কর্ণফুলী কমিউটার” নামে চলছে।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব

“চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেস” বাংলাদেশে দ্রুতগামী ট্রেনের ধারণা জনপ্রিয় করে। এর পথ ধরেই পরবর্তী সময়ে উল্কা (১৯৬৬), মহানগর (১৯৮৫) এবং সুবর্ণ এক্সপ্রেস (১৯৯৮) ট্রেনগুলোতে “সর্বাপেক্ষা দ্রুতগামী ট্রেন” ব্র্যান্ডিং শুরু হয়।

শেষ কথা:

নাম পরিবর্তন এবং পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ট্রেনটির গৌরব কিছুটা ম্লান হলেও, এর অবদান অম্লান। “চিটাগং ফাস্ট এক্সপ্রেস” ছিল দেশের দ্রুতগামী ট্রেনের ভিত্তি, যা রেলওয়ে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Photo Credit: Masud Rahman (2018)
ধন্যবাদ।
লেখা- জনাব Shafqat Amin

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Rail Buffs-TRB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Rail Buffs-TRB:

Share