যুবরাজ হালদার"""Yuvraj halder"""

যুবরাজ হালদার"""Yuvraj halder""" The Official Fan Page of Yuvraj halder

05/05/2025
05/05/2025
05/05/2025

__ কি হবে এতো টাকা-পয়সা দিয়ে সন্তানে বুকে জড়িয়ে যদি ঘুমাতে না পারেন__ বড়ো হয়ে সন্তান যদি বাবার সাথে শৈশবের কোন স্মৃতিই না মনে করতে পারে...!! জীবনে টাকা পয়সার প্রয়োজন আছে। কিন্তু ভালোবাসাটা টাকা পয়সার থেকেও বেশি প্রয়োজন।

22/04/2025

📣🥰📣 সন্তানকে অভাব নয়,শিক্ষা দিন
অর্থবিত্ত থাকা সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনোই দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি। সে প্রায়ই তার বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে বলত, “বাবা, দেখো, ও কত ব্র্যান্ডেড ঘড়ি পরে এসেছে!” কিংবা, “বাবা, ওর ব্যাগটা কত সুন্দর, ইম্পোর্টেড।”
আমি শুধু হেসে মাথা নাড়াতাম।
তবে সে কখনোই এসব চায়নি।
একদিন হালকা পায়ে ব্যথা পেয়েছিল। বলল, “বাবা, আজ তোমার অফিসের গাড়িতে করে স্কুলে নামিয়ে দেবে?”
আমি ওর কষ্ট বুঝে রাজি হলাম। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ ও আমার সঙ্গেই গেল।
একদিন দেখলাম, হাঁটতে আর ওর ইচ্ছে করছে না। আমি আগেই বলে দিলাম—
“অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যায় না। স্কুল মাত্র দশ মিনিটের পথ। একটু আগে বেরোলে হেঁটেই যাওয়া যাবে।”
ওর মন খারাপ হয়ে গেল। স্ত্রীও অভিমান করল, "এমন করলে কেনো?"
আমার জবাব ছিল না।
সেদিন সন্ধ্যায় ছেলে বলল, “বাবা, জানো? আমার এক বন্ধু শহরের সবচেয়ে ভালো স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও...”
আমি থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “বাবা, বলো তো—স্কুল ভালো হয়, না ছাত্র?”
"ধরো, আমি তোমাকে ওই স্কুলে দিলাম। তুমি যদি ফেল করো, তখন কি বলবো—তুমি ফেল করেছো, না স্কুল?”
সে মাথা নিচু করে বলল, “বুঝেছি, বাবা।”
আমি ওর মাথায় হাত রেখে বললাম, “তোমার ক্লাসে আজ পর্যন্ত কেউ তোমাকে টপকাতে পারেনি। তুমি ফার্স্ট বয়। তুমি যেখানে যাবে, সেখানেই সেরা হবে।”
ও আর কোনোদিন সেই কথা বলেনি।
এক বিকেলে বলল, “বাবা, একজন এক্সট্রা টিউটর দরকার। ম্যাথ আর ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে।”
আমি বললাম, “বাবা, একটু কষ্ট করতে হবে। আমি যখন রাত ৯টা-১০টায় বাড়ি ফিরবো, তখন আমার কাছেই পড়তে হবে।”
ছেলে বলল, “তুমি তো ক্লান্ত থাকো, বাবা।”
আমি হেসে বললাম, “আমার সামর্থ্য নেই আলাদা টিচার রাখার। বরং আমি কষ্ট করবো। কি বলো?”
সে আমাকে জড়িয়ে ধরল।
স্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি তো দশটা টিউটর রাখতে পারো। তাহলে এমন করো কেনো?”
আমি বললাম, “আমি চাই, ও বুঝুক—আরামে কিছু পাওয়া যায় না। অভাব আসলে কীভাবে লড়াই করতে হয়, সেটা শিখুক।”
তিনি চুপ হয়ে গেলেন।
আমার ছেলে আর আমি মাঝে মাঝে ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু, দরিদ্র মানুষ—ওকে দেখাই। বলি, “পৃথিবী ভাবনায় যতটা সুন্দর, বাস্তবে ততটাই কঠিন।”
আমি কখনো চাওয়া মাত্র কিছু দেইনি।
একদিন ও বলল, “বাবা, তুমি এমন কেনো?”
আমি বলেছিলাম, “সময় হলে বুঝবে।”
দু-তিন দিন আগে ইলিশ আর মাংস-পোলাও খেতে চাইল।
বললাম, “টাকা কম। তোমার কাছে কিছু আছে?”
ও পঞ্চাশটি দশ টাকার নোট বের করল। আমি অবাক!
বলল, “না বাবা, খরচ করিনি। আমার এক বন্ধু স্কুলে না খেয়ে আসে। মা যা দেন, তা আমার যথেষ্ট। কিছু মানুষ সামান্যটাও পায় না। তাই টাকা জমাই।”
আমি তাকিয়ে রইলাম। তারপর ইলিশ কিনে নিয়ে এলাম। তাকে ইলিশ আর মাংস পোলাও খাওয়ালাম।
ইচ্ছে করেই অভাব দেখাই, যাতে জীবনটা বোঝে।
ঈদের সময় মার্কেটে গিয়ে বললাম, “সাধ্যের মধ্যে নিও।”
সে শুধু একটা প্যান্ট নিল। বলল, “তোমার জন্য পাঞ্জাবি, মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি।”
আমি হেসে উঠলাম। সে শিখে ফেলেছে টাকা খরচের মূল্য।
একদিন বলল, “বাবা, সায়নটা মানুষ হলো না, অথচ তার বাবা যা চেয়েছে সবই দিয়েছে।”
আমি বললাম, “আমি কি তোমাকে কিছু দেইনি?”
সে মাথা রেখে বলল, “তুমি যা দিয়েছো, তা সবার ওপরে। তুমি শিখিয়েছো, অভাবে যেন চরিত্র নষ্ট না হয়। তুমি শিখিয়েছো, কীভাবে অভাবকে ভালোবাসতে হয়। তুমি ছাড়া তোমার কিছু নেই, এটা জানি। আর বাকিটা আমাকে গড়ে নিতে হবে।”
“আমি জানি আমি কে, তাই সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না, বাবা।”
তার কথা শুনে আমি নিশ্চিন্ত।
কয়েক বছর পর নিজের রোজগারে প্রাইভেট কার কিনল।
হাসতে হাসতে বলল, “পাঁচ বছরে টিফিন আর বোনাসের টাকা জমিয়েছি।”
তখন বুঝলাম, আমার ছেলে শুধু সঞ্চয়ী নয়, মানুষও হয়েছে।
এক সপ্তাহ পর আমি সব সম্পত্তি ওর নামে লিখে দিলাম।
সে দলিল ফেরত দিয়ে বলল, “তোমরা পাশে থাকো, আর কিছু লাগবে না।”
আমি স্ত্রী নীলিমাকে বললাম, “দেখেছো, আমি ভুল করিনি। আমি আমার ছেলেকে মানুষ বানাতে গিয়ে বাবার দেওয়া জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাই দিয়েছি। আমি ওকে শিখিয়েছি, অভাবে যেন মাথা নিচু না হয় বরং আরো শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হয়।”

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করা ১২ বিষয়১. বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী নয় – জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।2...
20/04/2025

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করা ১২ বিষয়

১. বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী নয় – জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।

2. নিজের সঙ্গে সম্পর্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ – আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি বিশ্বের সব সম্পর্কের চেয়ে মূল্যবান।

3. কেউ পরিশ্রম দেখে না, সবাই শুধু ফলাফল দেখে – সফল হলে প্রশংসা, ব্যর্থ হলে সমালোচনা। তাই নিজের জন্যই পরিশ্রম করুন।

4. হৃদয়ভঙ্গ ও ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ – এগুলো এড়ানো নয়, বরং শেখার সুযোগ হিসেবে দেখাই শ্রেয়।

5. বাড়ির মতো আপন কোনো জায়গা নেই – দুনিয়ার যেখানেই যান, মানসিক শান্তির ঠিকানা একটাই—নিজের ঘর।

6. পরিবার ও অর্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ – বন্ধু, গ্ল্যামার বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরিবার ও অর্থ দীর্ঘমেয়াদে আপনাকে আগলে রাখে।

7. বই-ই সত্যিকার বন্ধু – বই কখনো প্রতারণা করে না, বরং জ্ঞানের আলো দিয়ে পথ দেখায়।

8. শারীরিক ব্যায়াম চাপ কমায় – শুধু ফিটনেসের জন্য নয়, মানসিক প্রশান্তির জন্যও ব্যায়াম জরুরি।

9. অনুশোচনা ও কান্নায় সময় নষ্ট নয় – যা হয়ে গেছে, তা আর ফিরে আসবে না। সামনে এগোনোর দিকেই নজর দিন।

10. আজ যা চাইছেন, কাল হয়তো তার মূল্যই থাকবে না – মানুষের চাহিদা বদলায়, তাই আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।

11. আপনার সিদ্ধান্তই জীবন গড়ে দেয়, ভাগ্য নয় – ভাগ্য নির্ধারিত নয়, বরং আপনার সিদ্ধান্তই ভবিষ্যৎ তৈরি করে।

12. শৈশবই জীবনের সেরা সময় – দায়িত্বহীন, নির্মল আনন্দের সেই দিনগুলো আর কখনোই ফিরে আসে না।

05/04/2025

গরিব কেন সারাজীবন গরিব থাকে?

আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়:
১. একটিভ ইনকাম
২. প্যাসিভ ইনকাম
৩. পোর্টফোলিও ইনকাম

১. একটিভ ইনকাম: একটিভ ইনকাম মানে হচ্ছে এমন আয় যা আপনি সরাসরি পরিশ্রম এবং সময় দিয়ে উপার্জন করেন। যেমন: চাকরি, ব্যবসা অথবা এমন কোনো কাজ যা আপনি যতটুকু সময় দেবেন, ততটুকু আয় করবেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি দোকান চালান, তবে আপনি যতক্ষণ দোকান চালাবেন, ততক্ষণ আয় হবে। কিন্তু যদি আপনি দোকানে না যান, তাহলে আয় হবে না।

এই ধরনের আয় বেশিরভাগ মানুষের কাছে সহজ এবং দ্রুত মনে হয়। এটি সাধারণত সবার কাছে পরিচিত একটি মাধ্যম, এবং বেশিরভাগ মানুষ একটিভ ইনকামের দিকে ছুটে চলে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরি করে মাস শেষে বেতন নেওয়া, কিংবা ছোটখাটো ব্যবসা করা। কিন্তু এই ধরনের আয় হয় সীমিত, কারণ আপনি যতটুকু পরিশ্রম করবেন, ততটুকু আয় হবে। আর একজন মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারে, এর বেশি নয়।

যত বড় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অভিনেতা হোন না কেন, একটিভ ইনকামে আপনি এক সময় আপনি সেই সীমার মধ্যে আটকে পড়বেন। তাই, একটিভ ইনকাম দীর্ঘমেয়াদী ধন-সম্পদ গড়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

২. প্যাসিভ ইনকাম: প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এমন আয় যা আপনি কাজ না করেও উপার্জন করতে পারেন। অর্থাৎ, আপনি ঘুমাচ্ছেন, বা অন্য কোনো কাজ করছেন, তবুও আপনার আয় চলতে থাকে। যারা প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করেন, তারা অনেক সময় ধনী হয়ে ওঠেন। কারণ, প্যাসিভ ইনকামের একটা বড় সুবিধা হলো, এটি সময়ের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং কখনো থেমে যায় না।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি একটি বাড়ি ভাড়া দেন, তবে আপনি প্রতি মাসে ভাড়া পাবেন, আর আপনাকে বাড়ির দিকে কোনো বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে না। এছাড়া বই লেখা, ইউটিউব চ্যানেল চালানো, ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করা, ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়, আপনি যদি বিশেষ কোনো কাজে দক্ষ হন সে বিষয়ে অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স তৈরি, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ (Cost Per Action) এই সবই প্যাসিভ ইনকামের উদাহরণ।

প্যাসিভ ইনকাম শুরু করা সহজ নয়, কারণ এর জন্য প্রথমে কিছু সময় এবং পরিশ্রম দিতে হয়। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন, তবে প্রথম কয়েক মাস হয়তো আপনি আয় পাবেন না, কিন্তু একসময় যখন আপনার ভিডিওগুলো জনপ্রিয় হবে, তখন আয় আসতে থাকবে। অনেক সময়, এই ধরনের ইনকাম শুরু করতে কিছু পুঁজি এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন।

এ কারণে অধিকাংশ মানুষ প্যাসিভ ইনকাম এর প্রতি আগ্রহী নয়, এবং তারা একটিভ ইনকামে আটকে থাকে। তবে যাদের প্যাসিভ ইনকাম থাকে, তারা কখনো অর্থ কষ্টে পড়েন না, কারণ তাদের আয় কখনো বন্ধ হয় না। তাই, যদি আপনি জীবনে সফল হতে চান, তবে একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করুন।

৩. পোর্টফোলিও ইনকাম: পোর্টফোলিও ইনকাম হলো সেই আয় যা মূলত ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে আসে। যাদের টাকা আছে, তারা যদি সেই টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করে আয় করেন, তখন সেখান থেকে বড় অংকের আয় আসে। এই ধরনের ইনকামের জন্য তাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি শেয়ার বাজারে বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়া, আপনি যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে সেই ব্যবসা থেকে আয় পাবেন, যদিও আপনার কোনও সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই।

ধনী মানুষ সাধারণত এই ধরনের ইনভেস্টমেন্টে অর্থ রাখেন। কারণ, ব্যাংকে টাকা রাখলে, আসল অর্থের মূল্য দিন দিন কমে যায়। অর্থাৎ, সময়ের সাথে সাথে আপনার টাকা ক্ষয় হতে থাকে। তবে, যদি আপনি সেই টাকা স্টক মার্কেট, রিয়েল এস্টেট, ক্রিপটো (Crypto) মার্কেট, মিউচুয়াল ফান্ডে বা কোনো ভালো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার টাকা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।

যারা পোর্টফোলিও ইনকামে আগ্রহী নয়, তারা হয়তো জানেন না যে বিনিয়োগের মাধ্যমে কীভাবে সম্পদ হাজার গুণ বৃদ্ধি করা যায়।

২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাচ্ছেন না তো?

আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম কিংবা পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তাহলে আপনি হয়তো ২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাবেন। এই সিস্টেম অনুযায়ী, ২০% মানুষ সবসময় ধনী হয় এবং ৮০% মানুষ সারাজীবন গরীব থাকে। এই ২০% মানুষ পৃথিবীর মোট সম্পদের সিংহভাগ অংশের মালিক হয়।

এই কারণে, আপনি যে প্রফেশনেই থাকেন না কেন, চেষ্টা করুন প্যাসিভ ইনকাম শুরু করতে। আপনি যদি শুধুমাত্র একটিভ ইনকামে আটকে থাকেন, তবে আপনার আয় একসময় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। আর প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম না থাকলে, আপনি সেই ৮০% মানুষের মধ্যে পড়ে যাবেন, যারা সারাজীবন অর্থ কষ্টে ভুগবে।

তাই, আজ থেকেই আপনার আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন এবং একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম তৈরি করুন। এতে আপনার ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন। জীবনে সফল হতে এবং ধনী হতে হলে, একটিভ ইনকাম ছাড়াও প্যাসিভ ইনকাম এবং পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি মনোযোগ দিন।
©
#জীবন_চক্র

12/01/2025

Address

Nawabgonj
Dhaka
1322

Telephone

8801763676303

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when যুবরাজ হালদার"""Yuvraj halder""" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category