16/01/2018
গল্পটার শুরু ২০১৭ জানুয়ারি থেকে,নিজেকে কেমন জানি হারিয়ে ফেলতে শুরু করেছিলাম।
তখন বুঝতে পেরেছিলাম তবে,ততটা সিরিয়াস হতে পারিনি লাইফ নিয়ে।
কে জানত বলুন লাইফটার ঠিক এতটা অধঃপাত হবে..?
এমনিতেই সারাদিন ফ্রি থাকতাম, কিন্তু কখনোই ফ্রি মনে হত না নিজেকে জাগতিক সব ফালতু কাজের চাপে। সময় পেয়েছি অনেক, কিন্তু নিজের জন্য, নিজের ভবিষ্যতের জন্য এক চিলতে পরিমান সময় বের করে ভাবিনি আমি কোন পরিস্থিতিতে।
কথাতেই আছে "আজ সময় খাচ্ছো তুমি,কাল সময় তোমাকে খাবে"। আমার ক্ষেত্রে এ বাক্যটির যে যথার্থই প্রয়োগ হয়েছে সেটা বলার বাহুল্য রাখেনা।
প্রতিটা সেকেন্ড অপচয় করেছি,ঠিক তা না,প্রতিটা সেকেন্ড আমি আমার ব্যার্থতার গল্প লিখেছি।
হারিয়ে ফেলতে ফেলতে আজ এপ্রান্তে এসে নিজেকে খুজেই পাচ্ছিনা।
ব্যার্থতের কাছে একসাথে দুটো পথ খোলা থাকে
প্রথমত,সবার তিরস্কার আর টিপ্পনী সহ্য করে হারকে শক্তি বানিয়ে নতুন করে পথচলা আরম্ভ করা।এক্ষেত্রে আমাদের দেশে এক প্রথাগত শাস্তি অবশ্য ভোগ করতেই হবে আপনাকে আর সেটা হলো একাকীত্ব।। এ মুহুর্তে আপনি আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষদেরও পাশে পাবেন না।কারন ব্যার্থদের কোন মা নেই,, বাবা নেই,,না আছে ভাই না আছে বোন।আছে শুধু একটাই পরিচয় ব্যার্থ,আর প্রিয়জনদের সপ্নভঙ্গের সাজাপ্রাপ্ত আসামী।।
আর দ্বিতীয় এবং অন্যতম পথটা হলো লটকায় পড়া।আই মিন আত্মহত্যা।শত তিরস্কার আর টিপ্পনী সবাই সহ্য করতে পারে না।শতবছর ধরে এদেশে ব্যার্থদের কবর খোড়া হয়ে আসছে।।তারা নিজ থেকে মরেনা,সমাজ তাদের গলা টিপে হত্যা করে।।
আর যায় হোক ব্যার্থরা কাপুরুষ না।তাদেরও সাহসিকতার গল্প আছে।আছে এক সফলের ব্যার্থ হওয়ার গল্প।
আর ব্যার্থদের সফলতার গল্পটা হয় সবার থেকে আলাদা।
কারন তারা শ্রেষ্ট অবশ্যই না কিন্তু এক অতিমানবীয় ক্ষমতাসম্পন্ন।।