Mr. Arjo Mojumder

Mr. Arjo Mojumder নতুন নতুন ভিডিও দেখতে।আমাদের পেজটি ফলো দিয়ে পাশে থাকুন।

একটা ভাইয়ের পোস্ট তার দিদিকে নিয়ে লেখা, আমার দিদি,একটা ভাঙাচোরা বেড়ার ঘরে থেকে বড় হয়েছি আমরা। কতবার যে ঝড়ে টিন উড়...
11/08/2026

একটা ভাইয়ের পোস্ট তার দিদিকে নিয়ে লেখা,

আমার দিদি,

একটা ভাঙাচোরা বেড়ার ঘরে থেকে বড় হয়েছি আমরা। কতবার যে ঝড়ে টিন উড়ে গেছে, তার হিসাব নেই। আমি, মা, বাবা আর দিদি অন্যের বাড়ির বারান্দায় কাচুমাচু হয়ে রাত কাটিয়েছি। ও ছিল আমার থেকে মাত্র আড়াই বছরের বড়।

তখন আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। মা আমাদের দুজনকে হারিকেন আর কুপির আলোয় পড়াতেন। আমরা দুজন একটা ছোট চাটাইয়ের ওপর বসে পড়াশোনা করতাম। দিদি ছোটবেলা থেকেই খুব পড়ুয়া ছিল।

মাত্র ৪ বছর বয়সে সে স্যাটেলাইট স্কুলে ভর্তি হয়। ৬ বছর বয়সে, ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময়, একদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। খুঁজতে খুঁজতে গিয়ে দেখি, সে একটি পানের বরোজে কাজ করছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বরোজ পরিষ্কার করে ২০ টাকা পাবে। কেন? সে ওই টাকা দিয়ে ময়ূরের পালক কিনবে। তার বিশ্বাস ছিল, বইয়ের ভেতরে ময়ূরের পালক রাখলে সেখান থেকে বাচ্চা হয়..

সেই ঘরেই আমাদের বড় হওয়া। দিদি ক্লাস সিক্স পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছাড়াই পড়াশোনা করেছে। অত্যন্ত মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও আমাদের পারিবারিক অবস্থার কারণে সে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হতে পারেনি। মানবিক বিভাগ থেকে পড়ে এসএসসিতে জিপিএ-৪.৮৮ পায়। এরপর আমাদের এলাকার কলেজে ভর্তি হয়।

এইচএসসি পরীক্ষার আগে হঠাৎ তার গুটি বসন্ত (পক্স) হয়। সেই অবস্থাতেই সব পরীক্ষা দেয় এবং আবারও মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করে।

ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে মাত্র পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরম তোলে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ইউনিটে তার অবস্থান ছিল প্রায় ৯ম। সে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (IR) বিভাগে ভর্তি হয়।

সেই প্রথম আমাদের দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়া। দিদি ঢাকায় চলে গেল, আমি রইলাম বাড়িতে। বাড়ি থেকে তাকে মাসে কোনোরকম খরচ দেওয়া হতো। বাকি খরচ চালাত টিউশনি করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে সেরা পাঁচজনের মধ্যে থেকে পড়াশোনা শেষ করে।

পড়াশোনা শেষ করার কিছুদিনের মধ্যেই সে কৃষি ব্যাংকে চাকরি পায় এবং ২০১৮ সালে যোগদান করে। চাকরিতে যোগ দিয়ে আবার খুলনার বাড়িতে ফিরে আসে।
২০১৯ সালে একসঙ্গে তিনটি সরকারি চাকরিতে সুযোগ পায় সে—কৃষি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনে সিনিয়র অফিসার পদে। দিদি হাউস বিল্ডিংয়ে যোগ দেয় খুলনা মেইন ব্রাঞ্চে।

চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তার কর্মদক্ষতা এতটাই ভালো ছিল যে, ব্যাচের সবার আগে বয়সসীমার আগেই পদোন্নতি পেয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার হয়।

বাড়ির সমস্ত দায়িত্ব সে নিজের কাঁধে তুলে নেয়। আমি তখন গোপালগঞ্জে। মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসতাম, আর দেখতাম মা-বাবা, দিদি আর আমি—কী সুন্দর, সুখী একটা পরিবার!

আমার জীবনের সবচেয়ে সুখের সময় ছিল সেটা।

দিদি বলল, সে বাড়ি করবে। আমি বললাম, “তুই আগে বিয়ে কর।” সে বলল, “আগে বাড়ি করব।” নিজের বেতনের প্রায় পুরো টাকা দিয়ে আমাদের বাড়ি বানানো শুরু করল এবং সবকিছু নিজে দেখাশোনা করল।

২০২৩ সালে তার বিয়ের জন্য ছেলে দেখা শুরু হলো। দিদির কথা ছিল, যাকে তার পছন্দ হবে না, তাকে সে বিয়ে করবে না। আমিও তাকে সেই সমর্থন দিয়েছিলাম। তার বিশ্বাস ছিল, সে এত ভালো মানুষ যে তার ভাগ্যে যখনই কেউ আসবে, নিশ্চয়ই একজন ভালো মানুষই আসবে।
হঠাৎ ২০২৫ সালে বাড়ি থেকে ফোন এলো। দিদি বলল, “ভাই, আমার ডেঙ্গু হয়েছে।” তার অসুস্থতার কথা শুনলেই আমার ভীষণ খারাপ লাগত। সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি চলে গেলাম।

আমি তাকে সিটি মেডিক্যালে নিয়ে যাই। গাড়ির ভেতরে সে আমার হাত ধরে ঘুমিয়ে পড়ে। তার মুখে ফোড়া উঠেছিল, অপারেশন করতে হয়েছিল। প্রায় ১৫ দিন লেগেছিল পুরোপুরি সুস্থ হতে। তার অনেক ওজন কমে গিয়েছিল। তারপরও সে চাকরি চালিয়ে যেতে থাকে।

গত ১৮ মে আমি ঢাকায় ফিরে আসি। সেদিনই ছিল বাড়িতে তাকে শেষবারের মতো দেখা।

আমার সঙ্গে তার মাঝে মাঝে অভিমান হতো। সে চাইত আমি বাইরে গিয়ে চাকরি করি, আর আমি চাইতাম পরিবারের কাছাকাছি থাকতে। এই নিয়ে আমাদের মতভেদ ছিল। কিন্তু আমি জানতাম, আমি জীবনে যা চেয়েছি, সে সবসময় তা পূরণ করার চেষ্টা করেছে।

৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মা বললেন, “তোর দিদির জ্বর, কথা বলবি?” আমি ফোনে বললাম, “দিদি, কী হয়েছে?” সে বলল, “ভাই, আমার জ্বর।” আমি বললাম, “জ্বর মেপে দেখ, ওষুধ খেয়ে নিস।” তারপর ফোন রেখে দিল।

সেদিন রাত ১০টার দিকে আবার ফোন করেছিলাম। সে ধরেনি। ভেবেছিলাম, হয়তো ঘুমিয়ে গেছে। আমিও ঘুমিয়ে পড়লাম।

৬ আগস্ট সকালে বাবার ফোনে ঘুম ভাঙল।

বাবা শুধু বললেন, “তোর দিদি মারা গেছে।”

আমি মুহূর্তেই পাগলের মতো হয়ে গেলাম। আমার পৃথিবী শেষ হয়ে গেল। আমার জীবনের সমস্ত সুখ, শান্তি, আনন্দ এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে গেল।

আজ পাঁচ দিন হলো, সে আমাকে, আমার মা-বাবাকে ছেড়ে চলে গেছে।

এখনও মনে হয়, আমি যেন কোনো দুঃস্বপ্নের মধ্যে আছি। বিশ্বাস করতে পারি না।

আমার মা-বাবা তাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধুসম মেয়েকে হারিয়েছে। আমি হারিয়েছি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়, আমার দিদিকে।

ওকে ছাড়া এই পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকা এক অসহনীয় নরকযন্ত্রণা।
সবাই আমার দিদির জন্য আশীর্বাদ করবেন

সালমান শাহ’র বাবা জীবিত থাকলে আজ অনেক বেশি খুশি হতেন।তার সন্তানের খুনিদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ । আ...
10/08/2026

সালমান শাহ’র বাবা জীবিত থাকলে আজ অনেক বেশি খুশি হতেন।তার সন্তানের খুনিদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ । আফসোস তিনি তিনি আর বেঁচে নেই, বেঁচে আছেন সালমান শাহ’র মা ও ছোটভাই। সালমান শাহ হত্যা কারীদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডন তাকে গ্রেফতার করাতে সালমান শাহ মা ও ভাইসহ ভক্তরা অনেক খুশি হয়েছেন এবার সালমান শাহ হত্যার বিচার হবে।



#সালমান

১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহ কে খুন করা হয়। সালমান শাহ এর স্ত্রী খলনায়ক ডনকে দিয়ে সালমান শাহ কে খুন করে। পুলিশের ...
10/08/2026

১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহ কে খুন করা হয়।
সালমান শাহ এর স্ত্রী খলনায়ক ডনকে দিয়ে সালমান শাহ কে খুন করে। পুলিশের কাছে এরকম স্বীকারোক্তি দিয়েছে ডন।
#ডন #সালমান #সামিরা #হত্যা #বিচারচাই

১৯৯৬ সাল চিত্র নায়ক সালমান শাহ্ র মৃতদেহ  নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সময়। সাংবাদিকের ক্যামেরায় বন...
10/08/2026

১৯৯৬ সাল চিত্র নায়ক সালমান শাহ্ র মৃতদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সময়। সাংবাদিকের ক্যামেরায় বন্দী হয়েছিল এই দৃশ্য। বাংলাদেশের তরুণ তরুণীর তখন চোখের ঘুম হারাম। চারিদিকে শুধু একটাই কথা শোনা যাচ্ছে সালমান শাহ্ আর বেঁচে নাই। সালমান শাহকে হারানোর দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে না পেরে কয়েকজন তরুণ তরুণী দিয়ে দিল নিজের প্রাণ। জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ্ হঠাৎ মৃত্যুতে সারা বাংলাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল।
#1996
©

কথা দিয়ে কেউ কথা রাখেনি, পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সবাই ভুলে যায় কেন???? কাস্টম কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর স্ত্রী উর্ম...
25/07/2026

কথা দিয়ে কেউ কথা রাখেনি, পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সবাই ভুলে যায় কেন???? কাস্টম কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর স্ত্রী উর্মি হীরাকে এখনো পর্যন্ত একটি চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারেনি কেউ? তার বিপদের সময় তাকে সরকারে থাকা উদ্বোধন ও কর্মকর্তা ও এমপি মন্ত্রী কথা দিয়েছিল একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেবে।
゚viralシ

পুরীর জগন্নাথ মন্দির শুধু একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অমীমাংসিত রহস্যে ঘেরা এক বিস্ময়। এর মূল আকর...
17/07/2026

পুরীর জগন্নাথ মন্দির শুধু একটি ধর্মীয় স্থান নয়,
এটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে অমীমাংসিত রহস্যে ঘেরা এক বিস্ময়।
এর মূল আকর্ষণগুলি হলো:

১/ বাতাসের বিপরীতে ওড়ে পতাকা:

মন্দিরের চূড়ায় থাকা 'পতিতপাবন' নামক পতাকা সবসময় প্রাকৃতিক নিয়মের বিপরীতে অর্থাৎ বাতাসের উল্টো দিকে ওড়ে। প্রতিদিন একজন পুরোহিত প্রায় ৪৫ তলা সমান উঁচুতে উঠে খালি হাতে এই পতাকা পরিবর্তন করেন।

২/ মহাপ্রসাদ রান্নার রহস্য:

মন্দিরের রান্নাঘরে মাটির সাতটি হাঁড়ি একটির ওপর আরেকটি সাজিয়ে কাঠের আগুনে রান্না করা হয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, সবচেয়ে উপরের হাঁড়ির খাবার আগে সিদ্ধ হয়, এরপর ক্রমান্বয়ে নিচের দিকের হাঁড়িগুলোর রান্না সম্পন্ন হয়।

৩/ সমুদ্রের শব্দ উধাও:

মন্দিরের সিংহদ্বারে (প্রধান প্রবেশদ্বার) দাঁড়িয়ে সমুদ্রের গর্জন স্পষ্ট শোনা যায়। কিন্তু ঠিক ভেতরে পা রাখার সাথে সাথেই সমুদ্রের সব শব্দ সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায় এবং পিনপতন নীরবতা অনুভূত হয়।

৪/ ছায়াহীন মন্দির:

বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো কাঠামোর ছায়া মাটিতে পড়ার কথা, কিন্তু দুপুরের সময় এই মন্দিরের চূড়ার কোনো ছায়া মাটিতে দেখা যায় না।

৫/ ব্রহ্মপদার্থ:

প্রতি ১২ থেকে ১৯ বছর অন্তর 'নবকলেবর' উৎসবের সময় মূল বিগ্রহ বা মূর্তি পরিবর্তন করা হয়। তখন শহরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় এবং পুরোহিতের চোখ বেঁধে একটি নির্দিষ্ট উপাদান (ব্রহ্মপদার্থ) নতুন মূর্তিতে স্থানান্তর করা হয়।

Address

Dhaka
GOPALGONJ

Telephone

+8801745437710

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr. Arjo Mojumder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mr. Arjo Mojumder:

Shortcuts

Share