Reflection-প্রতিচ্ছবি

Reflection-প্রতিচ্ছবি Life and Life and observation around us. simple and simple

কী করছে এই যুবক? ভিন্ন কিছু মনে হচ্ছে, তাইনা ? আজ সকালে এই যুবক বাসের হেল্পার ছিল। খুব দ্রুত মুভ করতে পারে। যুবকটাকে দেখ...
11/06/2026

কী করছে এই যুবক? ভিন্ন কিছু মনে হচ্ছে, তাইনা ? আজ সকালে এই যুবক বাসের হেল্পার ছিল। খুব দ্রুত মুভ করতে পারে। যুবকটাকে দেখলাম কোনোরকম হইচই করছে না ভাড়া নিয়ে। এটাও স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে বিশেষ একটা দিক খেয়াল করলাম।

কী করছে এই যুবক? ভিন্ন কিছু মনে হচ্ছে, তাইনা ? আজ সকালে এই যুবক বাসের হেল্পার ছিল। খুব দ্রুত মুভ করতে পারে। যুবকটাকে দেখলাম কোনোরকম হইচই করছে না ভাড়া নিয়ে। এটাও স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে বিশেষ একটা দিক খেয়াল করলাম।

এক যাত্রী বলল, আমি স্টুডেন্ট। হেল্পার এই যুবক উত্তর দিল- আজ ফুল ভাড়া দেয়া যায় কিনা!

সে যাত্রী ফুল ভাড়া দিতে গেল। কিন্তু হেল্পার নিলো না। মাথায় হাত রেখে বলল, মন দিয়ে পড়াশোনা কইরেন ভাইজান। পড়াশোনাটা খুব দরকার।

একই পরিস্থিতি হলো আরেক যাত্রীর কাছে। সেও স্টুডেন্ট। এবারও সে স্টুডেন্ট শুনে যাত্রীর আরো কাছে গিয়ে বলল, ভাইজান অনেক বড় মানুষ হতে হবে কিন্তু। বাবা মার মুখ উজ্জ্বল করতে হবে। খুব মনোযোগ দিয়ে পইড়েন। কোনো বিষয়ে হতাশ হইয়েন না।

আরে কী আজব! এই হেল্পার সব স্টুডেন্টদের এভাবে মোটিভেট করছে কেন ?

ভাবলাম হতেই পারে। তবে তিন নম্বর স্টুডেন্টের কাছে গিয়ে বলল, দোয়া করি অনেক ভালো মানুষ হন। অনেকদূর পড়াশোনা করেন।

দারুণ ক্যারেক্টার । বেশ ভালো লাগলো।

একই সঙ্গে বাসে কিছু লোক দাঁড়িয়ে ছিল। সবাইকে সে চাচা, আংকেল বলে সম্বোধন করছে। এক যাত্রীকে বলল, চাচা আপনি এই জায়গায় দাঁড়ান। ফ্যানের বাতাস লাগবে। বলে সে নিজেই ফ্যানটা ঠিক করে দিল।

আরেক যাত্রী একটু বয়সী, ফার্মগেটে উঠতে যাচ্ছিল এই বাসে। সে দরজা থেকে নেমে ওই যাত্রীকে বলল, চাচা এই বাসেও যাইতে পারবেন। কিন্তু আপনার কষ্ট হইতে পারে। আপনি পেছনের ওই গাড়িতে উঠেন। সিট ফাঁকা আছে।

সাধারণত সিট ফাঁকা থাক বা না থাক জোর করে যেখানে যাত্রীদের তোলে সেখানে এই হেল্পার মানুষের বয়সের কথা বিবেচনা করে দারুণ পরামর্শ দিচ্ছে।

জানিনা এর ব্যক্তিজীবন কেমন। কিন্তু বাসের ভেতর পড়াশোনার প্রতি, ছাত্রদের প্রতি, বৃদ্ধদের প্রতি যে শ্রদ্ধাবোধ দেখলাম তার তা অনন্য।

তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হলো। আপনাকে দেখলাম কেউ ভাড়া কম দিলেও নিচ্ছেন।

বললেন, জীবনে অনেক ঠকেছি। আমি জানি ঠকার কী যন্ত্রণা। কাউকে তাই ঠকাতে চাই না। পারলে উপকার করব। আমার তিন মেয়ে। তারা অনেক শিক্ষিত হবে এইটাই চাই।

(ছবি তার অজান্তে তুললেও পরে তার অনুমতিতেই পোস্ট দেয়া। নাম রাসেল।)

Copy Post-

আমি একজন ডেলিভারি বয়।বেশিরভাগ সময়ই আমার ডিউটি থাকে সন্ধ্যার শিফটে।সেদিন রাত প্রায় ৯টার সময় আমি শেষ অর্ডারটা হাতে পাই...
10/06/2026

আমি একজন ডেলিভারি বয়।
বেশিরভাগ সময়ই আমার ডিউটি থাকে সন্ধ্যার শিফটে।
সেদিন রাত প্রায় ৯টার সময় আমি শেষ অর্ডারটা হাতে পাই।
রেস্টুরেন্ট থে কে প্যাকেটটা নেওয়ার সময় খেয়াল করলাম—অর্ডারটা খুবই ছোট।
সাধারণ খিচুড়ি, একটু দই, আর দুটো কলা।
ঠিকানাটা ছিল শহরের পুরনো অংশে।
একটা জরাজীর্ণ পুরনো বাড়ি।
তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হলো।
আমি দরজার বেল টিপলাম।
একজন বৃদ্ধা দরজা খুললেন।
সাদা চুল, কাঁপা কাঁপা হাত, চোখে মোটা চশমা।
মুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল, কিন্তু কণ্ঠে ছিল অদ্ভুত এক মমতা।
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“বাবা, খাবারটা ভেতরে টেবিলের ওপর রেখে দাও তো…
হাত দুটো খুব কাঁপে।”
আমি খাবারটা টেবিলে রেখে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছিলাম,
ঠিক তখনই তিনি আবার বললেন—
“দু’মিনিট বসবে বাবা?
একা একা খেতে আর ভালো লাগে না…”
আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম।
আমার শিফট শেষ হয়ে গিয়েছিল।
শরীরও বেশ ক্লান্ত ছিল।
তবু কেন জানি না, আমি বসে পড়লাম।
ঘরটা একদম নিস্তব্ধ ছিল।
দেওয়ালে ঝোলানো পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ ভেসে আসছিল।
এক কোণে ছোট্ট করে ঈশ্বরের ছবি।
আর সামনের দেয়ালজুড়ে অসংখ্য পুরনো ফ্রেমবন্দী ছবি।
বৃদ্ধা ধীরে ধীরে খাবারের প্লেট খুললেন।
খুব আস্তে আস্তে খিচুড়ি খেতে শুরু করলেন।
প্রতি দু’কামড় পরপর আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসছিলেন।
হঠাৎ তিনি বললেন—
“জানো বাবা, আমি রোজ বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করি না।
আজ শুধু মনে হলো…
একটা মানুষের গলার শব্দ শুনতে ইচ্ছে করছে।”
আমি চুপ করে রইলাম।
তিনি দেয়ালের একটা ছবির দিকে আঙুল তুলে বললেন—
“এই যে, উনি আমার স্বামী।
রেলে চাকরি করতেন।
পাঁচ বছর আগে চলে গেছেন।”
তারপর আরেকটা ছবির দিকে তাকালেন।
“এটা আমার ছেলে।
কানাডায় থাকে।
খুব ভালো আছে…
প্রতি মাসে টাকা পাঠায়।”
এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।
মুখে হাসি ছিল, কিন্তু চোখ ভিজে উঠেছিল।
তিনি ধীরে বললেন—
“শুধু…
কথা পাঠানোর সময়টা আর হয় না।”
হঠাৎ যেন ঘরের ঘড়ির টিকটিক শব্দটা আরও জোরে শোনা যেতে লাগল।
তিনি আবার একটু খিচুড়ি খেলেন।
“এটা আমার মেয়ে।
বেঙ্গালুরুতে থাকে।
নিজের সংসারে খুব সুখে আছে।
থাকুক…
সন্তানরা যদি উড়তেই না শেখে, তাহলে এত কষ্ট করে মানুষ করলাম কেন?”
কথাগুলো বলতে বলতে তাঁর গলা কেঁপে উঠছিল।
তবু মুখে কোনো অভিযোগ ছিল না।
ছিল শুধু এক গভীর শূন্যতা।
হঠাৎ তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন—
“তোমার মা আছেন বাবা?”
আমি বললাম—
“হ্যাঁ, আছেন।”
তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন—
“প্রতিদিন ফোন করো?”
আমি চুপ করে গেলাম।
সত্যি বলতে, আমিও অনেকদিন বাড়িতে ফোন করতাম না।
কাজের চাপ, ক্লান্তি, ব্যস্ততা—
প্রতিবার ভাবতাম, ‘কাল ফোন করব।’
বৃদ্ধা আমার নীরবতা বুঝে ফেলেছিলেন।
খুব শান্ত গলায় বললেন—
“মা-বাবারা টাকা গোনেন না বাবা…
ওরা অপেক্ষা করে সন্তানের কণ্ঠস্বরের জন্য।”
কথাটা শুনে বুকের ভেতরটা কেমন ভেঙে গেল।
খাওয়া শেষ হলো।
তিনি একটু জল খেলেন।
তারপর পার্স থেকে ৫০০ টাকার একটা নোট বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
বললেন—
“এটা টিপস নয় বাবা।
এই আধঘণ্টা তুমি আমাকে একা খেতে দাওনি—
এটা তার দাম।”
আমি তাড়াতাড়ি বললাম—
“না না, আম্মা, এটা আমি নিতে পারব না।”
তিনি মৃদু হেসে বললেন—
“নাও বাবা।
আজ তুমি শুধু খাবার পৌঁছে দাওনি…
তুমি সঙ্গ পৌঁছে দিয়েছ।”
শেষ পর্যন্ত আমি টাকাটা নিলাম।
কিন্তু পকেটে রাখতে পারলাম না।
হাতেই ধরে রইলাম।
আমি বেরিয়ে আসছিলাম, তখন তিনি আবার ডাকলেন—
“আর শোনো—
আজ বাড়ি গিয়ে মাকে অবশ্যই ফোন করবে।”
সেদিন রাতে বিল্ডিংয়ের নিচে নেমে আমি বাইক স্টার্ট দিইনি।
প্রথমেই মাকে ফোন করেছিলাম।
ওপাশ থেকে মায়ের কণ্ঠ ভেসে এলো—
“হঠাৎ আজ ফোন করলি?
সব ঠিক আছে তো বাবা?”
শুধু সেই গলাটা শুনেই আমার গলা ধরে এলো।
আমি ধীরে বললাম—
“হ্যাঁ মা…
শুধু তোমার গলাটা শুনতে ইচ্ছে করছিল।”
ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।
তারপর মা বললেন—
“খেয়েছিস তো?”
রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েই আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম।
সেই রাতের পর থেকে আমি প্রতিদিন মাকে ফোন করতে শুরু করি।
আর শুধু মাকেই নয়—
প্রতিটা ডেলিভারিও আমার কাছে আর শুধুমাত্র একটা অর্ডার রইল না।
কোনো বাড়িতে ওষুধের দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে একাকীত্বের একটু উপশম দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে কারও ফেরার অপেক্ষা শেষ হওয়ার প্রয়োজন হয়।
আবার কোনো বাড়িতে শুধু দরকার হয়—
একটা মানুষের কণ্ঠস্বর।
এখন দরজা খুললেই আমি আর তাড়াহুড়ো করি না।
আমি মুখের দিকে তাকাই।
কথার ভেতরের ক্লান্তি শুনতে চেষ্টা করি।
মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করি—
“সব ঠিক আছে তো?”
বেশিরভাগ মানুষ শুধু বলে—“হ্যাঁ।”
কেউ একটু হাসে।
আবার কিছু মুখ বলে দেয়—
সারাদিন তারা কারও সঙ্গে কথা বলেনি।
দু’মাস পরে আবার সেই একই ঠিকানা থেকে একটা অর্ডার এলো।
আমি তাড়াতাড়ি সেখানে গেলাম।
কিন্তু দরজা খুললেন অন্য একজন।
পাশের ফ্ল্যাটের এক আন্টি।
তিনি ধীরে বললেন—
“আম্মা গত সপ্তাহে মারা গেছেন।”
আমি কয়েক মুহূর্ত দরজার সামনে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।
হাত খালি ছিল,
তবু মনে হচ্ছিল ভেতরে যেন খুব ভারী কিছু ভেঙে পড়েছে।
আন্টি ভেতর থেকে একটা ছোট খাম এনে আমার হাতে দিলেন।
বললেন—
“এটা তোমার জন্য রেখে গিয়েছেন।”
কাঁপা হাতে খামটা খুললাম।
ভেতরে ছিল সেই ৫০০ টাকার নোট।
আর একটা ছোট্ট চিরকুট।
তাতে লেখা ছিল—
“বাবা,
যদি তুমি এই চিঠিটা পড়ো, তবে আমি আর নেই।
সেদিন আমার সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
তুমি আমাকে শুধু খাবার দাওনি—
সম্মান দিয়েছিলে।
আর হ্যাঁ…
মাকে নিয়মিত ফোন করবে।
— আম্মা”
আজও সেই ৫০০ টাকা আমার ব্যাগের ভেতরের পকেটে রাখা আছে।
আমি কখনও খরচ করিনি।
কারণ সেদিন আমি প্রথমবার বুঝেছিলাম—
প্রতিটা দরজার ওপাশে শুধু একজন কাস্টমার থাকে না।
কখনও সেখানে একজন মা অপেক্ষা করেন।
কখনও অপেক্ষা করে থাকে নিঃসঙ্গতা।
কখনও সেটা হয় জীবনের শেষ কথোপকথন।
আমরা সবাই কোনো না কোনো ক্ষুধা নিয়ে বেঁচে আছি।
কারও দরকার খাবার,
কারও দরকার ওষুধ,
আর কারও দরকার শুধু দু’মিনিটের সঙ্গ।
মানুষ সবসময় টাকার ডেলিভারি চায় না—
কখনও কখনও তারা শুধু চায়
একটু উপস্থিতি,
একটু মানবিকতা,
একটু সময়।
গল্পটা এখানেই শেষ।
কিন্তু সত্যি বলতে—
গল্প শেষ হয়ে গেলেও বুকের ভেতরের ভার অনেকদিন থেকে গিয়েছিল।
একাকীত্ব আর বার্ধক্য—
এই দুটো একসাথে যখন জীবনে আসে, তখন তা সত্যিই ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
আর যদি তার সঙ্গে অভাব-অনটনও যোগ হয়,
তবে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় জীবনের সবচেয়ে নির্মম ট্র্যাজেডি।

( সংগৃহীত)

Law Of Attraction: কথা বলে ইউনিভার্সকে মেসেজ পাঠানোর টেকনিক.!আপনি কি জানেন যে আপনার মুখের কথাই ইউনিভার্সের কাছে মেসেজ হি...
08/06/2026

Law Of Attraction: কথা বলে ইউনিভার্সকে মেসেজ পাঠানোর টেকনিক.!

আপনি কি জানেন যে আপনার মুখের কথাই ইউনিভার্সের কাছে মেসেজ হিসেবে যায়? ফলে আপনি যা ভাবেন তাই হয়, যা চান তাই পান।

ল' অফ অ্যাট্রাকশন থিওরী অনুযায়ী: যা আপনি অনুভব করেন এবং বিশ্বাস করেন, সেটাই আপনার জীবনে আকর্ষিত হয়। আর এই আকর্ষণকে সবচেয়ে দ্রুত কাজে লাগানোর একটা সহজ উপায় হলো *কথা বলা* অর্থাৎ Verbal Manifestation বা Affirmation Technique.

কীভাবে কথা বলে ইউনিভার্সকে মেসেজ পাঠাবেন?
1/ Present Tense এ কথা বলুন। যেমন:
ভুল: 'আমি একদিন ধনী হবো'
ঠিক: 'আমি এখনই প্রচুর অর্থের অধিকারী। টাকা আমার জীবনে সহজেই আসছে।'

2/ Emotion Conviction যোগ করুন।
শুধু বললেই হবে না। অনুভব করুন। আনন্দ, কৃতজ্ঞতা আর বিশ্বাসের সাথে বলুন। যেন সেটা আপনার সাথে ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে।

3/ I AM দিয়ে শুরু করুন।
I AM Healthy And Energetic.
I AM Attracting My Soulmate Easily.
I AM Successful And Confident in Everything I do.

4/ Mirror Technique.
প্রতিদিন সকালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ রেখে ৫-১০ মিনিট নিজেকে বলুন আপনার ডিজায়ার। এতে Subconscious Mind দ্রুত প্রোগ্রাম হয়।

5/ Scripting Speaking.
রাতে ঘুমানোর আগে আপনার আইডিয়াল দিনটা লিখুন, তারপর জোরে জোরে পড়ুন। এতটাও জোরে না যে আশেপাশের সবাই শুনবে, শুধু ইউনিভার্স শুনলেই হইলো।

প্রতিদিনের ছোট রুটিন:
সকালে উঠে ৫ মিনিট Positive Affirmation. এবং দিনে ২-৩ বার নিজের ডিজায়ার নিয়ে কথা বলা (গাড়িতে, শাওয়ারে, হাঁটতে হাঁটতে), রাতে কৃতজ্ঞতা সহকারে বলা : Thank You Universe For Giving Me…

মনে রাখবেন: ইউনিভার্স আপনার কথার দিকে তাকায় না, আপনার ভাইব্রেশনের দিকে তাকায়। যখন আপনি কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়া, ভয় ছাড়া, আনন্দের সাথে কথা বলবেন, তখনই ম্যাজিক ঘটবে। ❤️
বুঝলেন..?





Collected

১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল।ইতিহাসের সবচেয়ে করুণ ও বড় জাহাজ দুর্ঘটনা ঘিটেছিল নাম: *টাইটানিক*।  সবাই বলেছিল: এই জাহাজ নাকি কখনো ...
08/06/2026

১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল।
ইতিহাসের সবচেয়ে করুণ ও বড় জাহাজ দুর্ঘটনা ঘিটেছিল নাম: *টাইটানিক*।

সবাই বলেছিল: এই জাহাজ নাকি কখনো ডুববে না। এটা অদম্য, অপরাজেয়। কিন্তু একদিন ঠিকই জাহাজটা ডুবলো।

আসল কারণটা ছিল আরও ভয়ংকর। ক্যাপ্টেন আগেই আইসবার্গের সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন। রেডিওতে বারবার বলা হয়েছিল: গতি কমান, সামনে বিপদ। কিন্তু তিনি গুরুত্ব দেননি। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, আমার জাহাজ এতটাই শক্তিশালী যে, কোনো কিছুই এর ক্ষতি করতে পারবে না। এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস আর সতর্ক সংকেতকে অবহেলা করার মূল্য চোকাতে হয়েছিল হাজার হাজার নিরীহ প্রাণ দিয়ে।

আপনার মস্তিষ্কও একটা টাইটানিক।
প্রতিদিন আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে সিগন্যাল পাঠায়। খারাপ কিছু ঘটার আগেই সতর্ক করে দেয়:

- এই মানুষটার সাথে আর সময় নষ্ট করো না, সে তোমাকে শুধু শুষে নিচ্ছে।
- এই সম্পর্কটা আর তোমার জন্য নয়, এটা ধীরে ধীরে তোমার মানসিক শান্তি কেরে নিচ্ছে।
- এই পরিবেশ, এই চাকরি, এই বাজে অভ্যাস তোমাকে বিষাক্ত করে তুলছে।
- এই পথে চললে ভবিষ্যতে অনুতাপ ছাড়া আর কিছু পাবে না।

কিন্তু আপনি শোনেন না।
বেহুদা আশা আর দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে আপনি নিজের আত্মসম্মান, মানসিক শান্তি, সময় এবং জীবনের আলোকে ধীরে ধীরে ডুবিয়ে দেন।টাইটানিক দু'ঘণ্টায় ডুবেছিল। কিন্তু মানুষ ডুবে যায় বছরের পর বছর ধরে আস্তে আস্তে, নিঃশব্দে, কিন্তু এসব কারও চোখেও পড়ে না।

যাদের সাথে কথা বলার পর আপনার মন ভারী হয়, যাদের সামনে নিজেকে ছোট করে ফেলতে হয়, যেখানে থাকলে আপনি আর নিজের মতো থাকতে পারেন না, এসবের ফলে মস্তিষ্ক যখন আপনাকে সতর্ক করে দেয়, তখনই ব্যবস্থা নিন। দেরি করবেন না।

খারাপ কিছু ঘটার আগে মস্তিষ্ক সবসময় সিগন্যাল দেয়। আপনি যদি সেই সিগন্যালকে অবহেলা করেন, তাহলে সেই খারাপটা আপনার সাথেই ঘটবে। কারণ শেষ পর্যন্ত সেই ডুবে যাওয়া টাইটানিককে কেউ আর উদ্ধার করতে পারেনি। আপনার জীবনকেও শেষ পর্যন্ত কেউ বাঁচাতে আসবে না।

সিগন্যাল দেখলেই ব্যবস্থা নিন।
নিজেকে বাঁচানোর দায়িত্ব শুধু আপনারই। বুঝলেন..?

Collected

আমি প্রায়ই অনেক ছেলে-মেয়েকে অভিযোগ করে বলতে শুনি: অমুক আমার জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছে, আমাকে শেষ করে দিয়েছে, এখন আমি কী করব...
04/06/2026

আমি প্রায়ই অনেক ছেলে-মেয়েকে অভিযোগ করে বলতে শুনি: অমুক আমার জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছে, আমাকে শেষ করে দিয়েছে, এখন আমি কী করবো?

Dear...
প্রথমত কেউ কারো জীবন নষ্ট করতে পারে না।
এটা একটা বড় ভ্রান্তি। এটা একটা মিথ্যা ধারণা যা আমরা নিজেরাই তৈরি করি এবং পরে সেটিকে সত্য বলে বিশ্বাস করতে শুরু করি।

হ্যাঁ, মানুষ আমাদের আ'ঘাত দিতে পারে। বিশ্বাস ভঙ্গ করতে পারে। প্রত্যাশা শেষ করে দিতে পারে। সম্পর্কের মাধ্যমে কষ্ট দিতে পারে। সেই কষ্ট সাময়িকভাবে খুবই তীব্র ও বাস্তব এটা সত্য একে অস্বীকার করার কোনো Way নাই। কিন্তু আপনার পুরো জীবন নষ্ট করে দেওয়ার ক্ষমতা আসলে কারোই নেই, এটা শুধুমাত্র আপনি যদি নিজে তা বিশ্বাস করেন, তবেই সম্ভব হয়।

Psychology Says:
যখন আমরা বলি, সে আমার জীবন নষ্ট করেছে, তখন আসলে আমরা নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে তুলে দিই। একে External Locus of Control বলা হয়। ফলে আমরা নিজেকে শিকার (Victim) হিসেবে দেখতে শুরু করি। আর একবার শিকারের মানসিকতায় প্রবেশ করলে সত্যিকারের সুস্থতা লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

কিন্তু যখন আপনি উপলব্ধি করবেন যে আমাকে আ'ঘাত দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আমার জীবনের দায়িত্ব এখনো আমারই হাতেই। তখনই আপনার ভিতরে সত্যিকারের শক্তি ফিরে আসবে। এবং নতুন সুযোগ দেখতে পাবেন।

স্টোয়িক দার্শনিকরা বলতেন: কিছু বিষয় আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিছু থাকে না। অন্য মানুষের আচরণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। কিন্তু সেই আচরণের প্রতি আমরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবো, সেটা সম্পূর্ণভাবে আমাদের নিয়ন্ত্রণে। তাই যেটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে, আগে সেটাই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত.!

দেখেন জীবন কখনো সরলরেখায় চলে না। দুঃখ, ব্যর্থতা, বি'শ্বাসঘাতকতা, এসবই জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলো আমাদের ভাঙে এবং আবার নতুন করে গড়েও তোলে। যে ক্ষতগুলো আপনাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে, সেগুলোর মধ্য দিয়েই অনেক সময় আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি জন্ম নেয়। কিন্তু আপনি এটা লক্ষ্য করেন না।

Listen :
আপনি কষ্ট পেয়েছেন, কিন্তু আপনি এখনো শেষ হয়ে যাননি। বরং আপনি এখন একটা নতুন অধ্যায়ের শুরুতে দাঁড়িয়ে আছেন। জীবনে কষ্ট আছে, কিন্তু সেটা আপনার পুরো পরিচয় নয়। বরং আপনার ভবিষ্যৎ এখনো আপনারই হাতেই। শুধু Present টাইমকে কাজে লাগাতে হবে।

তাই জীবনের গল্পটা আবার নতুন ভাবে লিখতে শুরু করুন...

মানুষের জীবন শেষ হওয়ার প্রসেস শুধুমাত্র একটাই আর সেটা হলো: মৃ'ত্যু। মৃ'ত্যু না হওয়া অব্দি আমি যেন আপনাকে আর কখনো বলতে না শুনি যে আমার জীবন নষ্ট হয়েছে..!

Philosopher In Town:

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন .......ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষ...
03/06/2026

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন .......

ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার বুক।
পুরুষ হয়ে জন্মেছিলাম, কিন্তু মানুষ হতে শিখেছি এক মায়ের শুকনো বুকের দিকে তাকিয়ে...

(লেখাটি একজন পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। দেখুন তো আপনি এর সাথে নিজেকে মিলাতে পারেন কিনা)

সত্যিটা স্বীকার করতে আজ আর কোনো লজ্জা নেই—
বয়স যখন কম ছিল, আর দশটা ছেলের মতো আমার চোখও পাপমুক্ত ছিল না। নারীর সৌন্দর্যের কথা ভাবলেই চোখ আটকে যেত তার শরীরের ভাঁজে, বিশেষ করে বুকের দিকে।
বন্ধুমহলে আড্ডায় বলতাম, "নারীর আসল সৌন্দর্য নাকি ওখানেই!"
ছিঃ! আজ ভাবতেই ঘৃণায় শরীর শিউরে ওঠে। তখন বুঝতাম না, মাংসপিণ্ডের ওই আকার বা আকৃতির নিচে কী বিশাল এক মহাসমুদ্র লুকিয়ে থাকে। আমার দৃষ্টি তখন চামড়া ভেদ করে আত্মার নাগাল পেত না।

কিন্তু সৃষ্টিকর্তা হয়তো চেয়েছিলেন আমার এই "পুরুষত্ব"র অহংকার ভেঙে চুরমার করে দিতে। তাই আমাকে মুখোমুখি করেছিলেন এমন এক দৃশ্যের—যা দেখার পর আমি আর আগের আমি থাকিনি।

সময়টা চৈত্র মাসের কাঠফাটা দুপুর। গ্রামবাংলার আকাশ থেকে যেন আগুন ঝরছে। মাটি ফেটে চৌচির। ধুলোবালি ওড়া এক মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। তৃষ্ণায় আমার নিজেরই গলা শুকিয়ে কাঠ।
হঠাৎ পথের ধারে এক জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরের দিকে চোখ গেল। চালের খড় উবে গেছে, বেড়া নড়বড় করছে। সেই ঘরের দাওয়ায় বসে ছিলেন এক মা।

বয়স কত হবে? পঁচিশ? ছাব্বিশ? কিন্তু অভাব আর দারিদ্র্য তার যৌবন শুষে নিয়ে মুখে এঁকে দিয়েছে পঞ্চাশ বছরের বার্ধক্য। গায়ের ব্লাউজটা শতছিন্ন, শাড়ির আঁচলটা খসে পড়েছে—কিন্তু সেদিকে তার কোনো খেয়াল নেই।
কারণ, তার কোলে শুয়ে আছে এক হাড়জিরজিরে শিশু।

আমি থমকে দাঁড়ালাম। দৃশ্যটা আমাকে নড়তে দিল না।
বাচ্চাটা কাঁদছে না। কান্নার শক্তিও হয়তো তার নেই। সে শুধু প্রাণপণ শক্তিতে মায়ের বুকটা কামড়ে ধরে চুষছে।
কিন্তু হায়! সেই বুকে কি এক ফোঁটা দুধ আছে?
মায়ের শরীর নিজেই তো এক কঙ্কাল। বুকের হাড়গুলো গোনা যাচ্ছে। চামড়ার নিচে শুধুই হাহাকার।
তবুও অবুঝ শিশুটি চুষেই যাচ্ছে... *চোঁক... চোঁক...*
এক অদ্ভুত করুণ শব্দ। যেন শুকনো নদী থেকে শেষ বিন্দু জলটুকু নিংড়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা।

আমি স্পষ্ট দেখছিলাম—দুধ নয়, শিশুটি চুষছে মায়ের বুকের রক্ত, মায়ের কলিজার রস।
মায়ের চোখ দুটো একদম স্থির, পাথরের মতো। কিন্তু সেই পাথর চুইয়ে টপটপ করে জল গড়িয়ে পড়ছে।
ফোটা ফোটা চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে বাচ্চাটার কপালে, গালে, ঠোঁটে।
বাচ্চাটা হয়তো সেই নোনা জলই চেটে খাচ্ছে।
হয়তো ভাবছে, এটাই দুধ। এটাই মায়ের ভালোবাসা।

আমার বুকের ভেতরটা দুমড়েমুচড়ে গেল। মনে হলো কেউ যেন হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আমার এতদিনের সব নোংরা চিন্তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।
মায়ের ওই নীরব চাহনি যেন আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে চিৎকার করে বলছিল—
"ওরে খোদা! আমার বুকের মাংস গলে রক্ত দে, তবুও আমার বাচ্চার পেটে দু’ফোটা আহার দে... আমি যে মা! আমি যে আর সহ্য করতে পারছি না!"

আমি সেদিন পালিয়ে এসেছিলাম। হ্যাঁ, আমি পালিয়েছিলাম কারণ সেই দৃশ্য সহ্য করার ক্ষমতা আমার ছিল না।
কিন্তু সেই রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি। কানে শুধু বাজছিল সেই চোঁক চোঁক শব্দ আর চোখে ভাসছিল মায়ের সেই শুকনো বুক।

সেদিন বুঝেছিলাম, নারীর বুক কোনো ভোগের বস্তু নয়।
এটি কোনো কামনার উদ্যান নয়—এটি এক যুদ্ধক্ষেত্র।
যেখানে একজন নারী নিজের শরীরের সবটুকু নির্যাস দিয়ে তিলে তিলে বড় করে তোলে আগামীর পৃথিবী।
যেখানে ভালোবাসা মানে শুধু দেওয়া, বিনিময়ে কিছুই না চাওয়া।

আজ আমি বাবা হয়েছি।
যখন দেখি আমার সন্তান তার মায়ের বুকে নিশ্চিন্তে ঘুমায়, যখন দেখি ক্ষুধা পেলেই সে হামাগুড়ি দিয়ে মায়ের বুকের কাছে আশ্রয় খোঁজে—তখন আমার চোখে জল আসে।
মনে হয়, এই বুকের নামই "নিরাপত্তা"। এই বুকের নামই "পৃথিবীর শেষ আশ্রয়স্থল"।

হে পুরুষ!
আজ তোমাকে একটা অনুরোধ করি।
রাস্তায় ঘাটে কোনো নারীর দিকে তাকানোর আগে, তার শরীরের ভাঁজ খোঁজার আগে—একবার নিজের মায়ের কথা ভেবো।
মনে রেখো, তুমিও একদিন ওই বুকের রস খেয়েই মানুষ হয়েছ। ওই বুকটা শুধু মাংসের দলা নয়, ওটা তোমার প্রথম জান্নাত।

নারীর বুক দেখে উত্তেজনা নয়, বরং শ্রদ্ধায় মাথা নত করতে শেখো।
কারণ, কোনো কোনো নারী তার শুকনো বুক দিয়েও সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধ করে যায়। তাদের শরীরের প্রতিটি ভাঁজে লুকিয়ে থাকে একেকটি ত্যাগের মহাকাব্য।

নারীর সৌন্দর্য তার কামনাসিক্ত শরীরে নয়,
নারীর সৌন্দর্য তার মমতায়, তার ত্যাগে, তার আঁচলের মায়ায়।
যেদিন এটা বুঝবে, সেদিন দেখবে—পৃথিবীর সব নারীকেই মায়ের মতো পবিত্র মনে হচ্ছে।

সেই অচেনা মায়ের শুকনো বুক আমাকে মানুষ বানিয়েছে।
দোয়া করি, পৃথিবীর কোনো মায়ের বুক যেন আর খালি না থাকে। সব শিশু যেন দুধের স্বাদ পায়, চোখের জলের স্বাদ নয়।

(লেখাটি পড়ে যদি আপনার হৃদয়ে বিন্দুমাত্র নাড়া দেয়, তবে শেয়ার করে অন্য ভাইদের দেখার সুযোগ করে দিন। হয়তো আপনার একটি শেয়ারে কোনো এক পুরুষের দৃষ্টি পরিবর্তন হবে, বেঁচে যাবে মাতৃত্বের সম্মান।)

লেখাটি ফেসবুক সংগৃহীতা

একজন নারী যখন চুপ হয়ে যায়সে রাগ করে চুপ হয় না। সে ক্লান্ত হয়ে চুপ হয়।যখন সে বারবার বলার চেষ্টা করেছে, বোঝানোর চেষ্ট...
29/05/2026

একজন নারী যখন চুপ হয়ে যায়
সে রাগ করে চুপ হয় না।
সে ক্লান্ত হয়ে চুপ হয়।

যখন সে বারবার বলার চেষ্টা করেছে,
বোঝানোর চেষ্টা করেছে,
কিন্তু প্রতিবার শোনার বদলে পেয়েছে রাগ,
উল্টো অভিযোগ,
বা এমন একটা পরিস্থিতি যেখানে সমস্যাটা তার নিজেরই মনে হতে শুরু করেছে,
তখন সে আর কথা বলে না।

এটাকে নাটক বলবেন না। এটাকে অতিরিক্ত আবেগ বলবেন না।

মনোবিজ্ঞান বলে,
যখন একজন মানুষ বারবার নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার পর invalidated হয়,
অর্থাৎ তার কষ্টকে গুরুত্ব না দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়,
তখন সে ধীরে ধীরে emotional withdrawal-এ চলে যায়।

সে কথা বলা বন্ধ করে দেয় কারণ কথা বলাটা আর নিরাপদ মনে হয় না।

সে শুধু ভালোবাসা চেয়েছিল। বক্তৃতা নয়।

সে বুঝতে চেয়েছিল যে তার কথাগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

সেটুকুই।

কিন্তু যখন প্রতিবার সে মুখ খুলেছে আর প্রতিবার তাকেই সমস্যা বানানো হয়েছে,
তখন সে নিজেকেই প্রশ্ন করতে শুরু করেছে।
আমি কি সত্যিই বেশি ভাবছি? আমিই কি ভুল?

এই যে নিজেকে প্রশ্ন করা,
এটা দুর্বলতা নয়।
এটা দীর্ঘদিন ধরে unheard থাকার ফলাফল।

এবং একদিন সে চুপ হয়ে যায়।
সেই চুপ থাকাটা ঠিক ভালো থাকা নয়।

সেটা হলো ভেতরে ভেতরে সরে যাওয়া।
এবং মনোবিজ্ঞানে এই অবস্থাকে বলে emotional detachment,
যেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন।

তাই কাছের মানুষটি যখন কথা বলতে আসে,
তখন তর্ক করবেন না।
জিতবেন না।
শুধু শুনুন।

কারণ সে কথা বলছে মানে এখনো একটু বিশ্বাস আছে। যেদিন চুপ হয়ে যাবে,
সেদিন হয়তো আর ফেরানো যাবে না।
তার আগেই শুনুন।

Collected

কসাই আসছে ৩০ মিনিট দেরিতে, বাজে তখন ১১টা। আইসাই ব্যাপক ভাব, আমি আর উনি ২জনই গরুর সামনে,জিজ্ঞাসা করলাম, কতক্ষণ লাগবে গরু ...
29/05/2026

কসাই আসছে ৩০ মিনিট দেরিতে, বাজে তখন ১১টা।
আইসাই ব্যাপক ভাব,
আমি আর উনি ২জনই গরুর সামনে,

জিজ্ঞাসা করলাম, কতক্ষণ লাগবে গরু ফুল রেডি করতে আপনার?
বললো, খালাম্মারে বলেন চুলা ধরাইতে, দুপুর ১টার মইধ্যে খাইয়া নামাজ পইড়া ঘুম দিবেন।

দুপুর ১টা, ২বার চামড়া কাটসে, গরুর না, নিজের হাতের।

৪.৩০ এ হালায় সিনার মাংস হাতে নিসে, আমারে জিজ্ঞাসা করে, ভাই কোন সাইড দিয়া কোপ দিলে তাড়াতাড়ি মাংস কাটা যাইবো?

বিকাল ৫টা, হালায় এখনো চা*পাতি বাইরাইতেসে, গরু ৪০% রেডি, কয় ভাই চা বিস্কুট আনেন, খিদা লাগসে।

আমি কইলাম, চা অলা মামা তোমারে একটা মেসেজ দিসে, কয় কি মেসেজ?

আমি কইলাম, হালারে কন গরু রেডি করতে, আমি চায়ের চুলা ধরাইতেসি।

আজ আমাদের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স আউটলেটের খুব কাছেই  একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। বিকেলের দিকে এক ভাই সম্ভবত তার ওয়াইফ...
28/05/2026

আজ আমাদের বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স আউটলেটের খুব কাছেই একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। বিকেলের দিকে এক ভাই সম্ভবত তার ওয়াইফের সাথে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন। কোন এক বিষয়ে দুজনের ঝ*গড়ার এক পর্যায়ে ৮ তলা থেকে ভাই রা*গ করে লা*ফিয়ে পড়েন। নিচে একদম সেন্ট্রাল এক্সেলেটরের পাশে পড়ে তার ব*ডিটা। সম্ভবত মা*রা গেছেন। মার্কেটের সবাই এমনটাই বলছিলো। যদিও আমি চাই আল্লাহ যেন উনার এই ভুলটা মাফ করে উনাকে এবারের মতোন বাঁচিয়ে দেন।

ঘটনার পর আমার শো-রুমের এমপ্লোয়ীরা জানায় আমাদেরকে। ওরা মানসিকভাবে খুব ভেঙে পড়েছে দেখে আমি আর শাকিলা দ্রুত যাই শো-রুমে। গিয়ে কি দেখলাম জানেন?

যে জায়গায় কিছুক্ষণ আগেও র*ক্তে ভেসে যাচ্ছিলো, সেই জায়গাটা একদম পরিষ্কার। তার উপর দিয়ে মানুষ হেঁটে যাচ্ছে। হাতে হাত ধরে হেসে হেসে একটা কাপলও হেঁটে গেলো ঠিক সেই জায়গাটার উপর দিয়েই।

আমার খুব ইচ্ছে করছিলো সেই ভাইকে ডাকি। ডেকে বলি যে, "দেখতে পাচ্ছেন? আপনার এই স্বেচ্ছা*মৃ*ত্যু কারও কোনকিছু আটকে রাখেনি। জগৎ আপনার নামে কোন সমাধি তৈরী করেনি। এমনকি আপনার র*ক্তের দাগ শুকোবার আগেই সেটার উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া লোকেরা নিজেদের স্বপ্ন বুনছে। বেহুদাই আপনি নিজের জী*বনকে এত তুচ্ছভাবে দেখলেন।"

আমরা যে কেন নিজেকে ভালোবাসি না, কে জানে?

Please, please everyone. Love yourself. That's the best you can do.

The story of Jamdani

From A true stories

গেইমটা ধরতে পারছেন? আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো ডেঞ্জারাস একটা গেইম খেলছে যার নাম "হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার!গেইমটা ধরতে পারছ...
23/05/2026

গেইমটা ধরতে পারছেন? আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো ডেঞ্জারাস একটা গেইম খেলছে যার নাম "হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার!

গেইমটা ধরতে পারছেন?

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো ডেঞ্জারাস একটা গেইম খেলছে যার নাম "হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার!মানে "মাদক সন্ত্রাস" গেইমটা সফলভাবেই খেলছে!

গোটা জাতিকে কৌশলে ইচ্ছেমতো মাদক গিলাচ্ছে ,

আর মাদক রিঅ্যাকশন দেখাচ্ছে!

ধর্ষণ কর, গলা কেটে মেরে ফেল, খুন কর, ডিভোর্স দে,ঝগড়া লাগ,মাইর দে,পাগলামি কর! গালি দে, বিশৃঙ্খলা তৈরি কর,ধর্মের রীতিনীতি ভুলে যা, দেশপ্রেম ভুলে যা, ইনজয় কর!

ভা**রত থেকে আসা কয়টা মাদক ল্যাব টেস্ট করছেন?

মিয়ানমার থেকে আসা কয়টা মাদক টেস্ট করছেন?

দেশের বড় বড় সাইনস্টিটরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন! ভা*রত, মিয়া**নমার থেকে প্রাচারকৃত মাদকে যৌন উত্তেজক কিছু মেশাচ্ছে না!

একটা শিশু বাচ্চারে ধর্ষণ করে মেরে ফেলতে মাদক সহায়তা করছে না! আমাদের মস্তিষ্করে বিকৃত করছে না!

কোন বুদ্ধিজীবী ,সাংবাদিক বলতে পারবেন?

শত্রু*দেশ আমাদের সরাসরি পরাজিত করার ঘোষণা না দিলেও, মাদক পাচারের মাধ্যমে এদেশের অর্থনীতি ও তরুণ সমাজকে ধ্বংস করার দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যান করছে না!

পারবেন না! কারণ ভূ-রাজনীতি নিয়া আপনারা কেউ ভাবেন না!

ইদানিং যতোগুলো ধর্ষণ হচ্ছে, খুন হচ্ছে মেক্সিমাম মাদক রিলেটেড!

ধর্ষণকারী, খুনি, ছিনতাইকারী বড় বড় ক্রাইম মাদক খেয়ে করছে।

মাদক কেনার টাকা পাচ্ছে না ,সন্তান বাবাকে টুকরো টুকরো করে ফেলছে।

মাদক খেয়ে ধর্ষণ করছে ,গলা কেটে হত্যা করছে।

মায়া -দায়া, ইমুশন সব হারিয়ে ফেলছে।

মাদক কেনার টাকার অভাবে ছিনতাই হচ্ছে, বিসিএস ক্যাডার বুলেট বৈরাগীদের মেরে ফেলছে।

মাদক কেনার টাকার লোভে বড় বড় অপরাধ করছে।

পুরো রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক প্রবেশ করছে।

গ্রাম ,শহর -নগর ,বন্দর, স্কুল- কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের রমরমা ব্যবসা আর ব্যবহার চলছে।

বিশ্বাস করেন, মাদক প্রজম্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

মূল্যবোধ ,বিবেক ,ধর্মীয় রীতিনীতি সবকিছুই মাদক ভুলিয়ে দিচ্ছে।

রামিসার খুনি, পুরুষ -মহিলা নাকি দুইটাই মাদক সেবন করছে।

একজন নারী ,একজন মা হয়েও গলা কাটার সময় স্বামীরে হেল্প করছে।

একটু ভাবেন তো! এখনি ভাবার সময়।গবেষণা করেন, প্রচুর গবেষণা করেন।

মনে আছে ,"আফিম যুদ্ধের" কথা?

১৯শ শতকে ব্রিটিশরা চীনকে পরাজিত করার জন্য কৌশলে চীনে আফিম ছড়িয়ে দিয়েছিল।

এর ফলে চীনের সমাজ ও সেনাবাহিনী পঙ্গু হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত চীনকে ব্রিটিশদের কাছে নতি স্বীকার করতে হয়।

আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, প্রফেসর ইউনূসের সময় দাদা*দের হুমকিধামকি আর চুপ থেকে ব্যবসাবাণিজ্য বন্ধ করে নীরব পরাজয়ের কথা।

আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, রাখাইন ইস্যুর কথা, ১৫ লাখ রোহিঙ্গার কথা, পার্বত্য তিন জেলার কথা।

আমি মনে করিয়ে দিতে চাই ,তরুণ প্রজম্মের ভার**ত বিরোধিতার কথা।

আমি আরো মনে করিয়ে দিতে চাই, সীমান্তে দাদাদের অবৈধ পুশইনের কথা।

মেডিকেল ভিসাটা পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়ার কথা।

ভাবেন, প্রচুর ভাবেন, প্রজম্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন, গোটা জাতিকে রক্ষা করেন।

হয়তো তারা আমাদের তিলে তিলে গোটা জাতি,গোটা প্রজম্মকে মাদক দিয়া ধ্বংস করার মিশনে নামছে!!!

Address

Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reflection-প্রতিচ্ছবি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share