30/04/2026
রূপপুরে "৫০০ কোটি ডলার আত্মসাৎ": একটি অপপ্রচারের অন্তরালে যা লুকিয়ে আছে
——
অভিযোগ উঠেছিল একটি অপরিচিত ওয়েবসাইট থেকে — আর প্রত্যাখ্যান করেছে স্বয়ং রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ও রোসাটম।
অভিযোগের জন্ম যেভাবে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর মাত্র ১২ দিনের মাথায়, ১৭ আগস্ট "গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প" নামে একটি অনলাইন পোর্টালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক মালয়েশিয়ার ব্যাংকের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছেন।
এই একটি প্রতিবেদনকে ভিত্তি ধরে দেশের একাধিক পত্রিকা শিরোনাম করল, হাইকোর্টে রিট দায়ের হলো, দুদক তদন্তে নামল। ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রাজনৈতিক উত্তাপে পুরো বিষয়টি দাবানলের মতো জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
কিন্তু প্রশ্ন একটাই — এই অভিযোগের ভিত্তি কতটা শক্ত?
উৎস যখন প্রশ্নবিদ্ধ
গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প নামের পোর্টালটি ২০১৮ সালে চালু হয়। বিভিন্ন দেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে দুর্নীতির অনুসন্ধান করে থাকে বলে দাবি করে তারা।
কিন্তু এই পোর্টালের বিশ্বাসযোগ্যতা, সম্পাদকীয় মান বা উৎস যাচাইয়ের কোনো স্বীকৃত ইতিহাস নেই। আন্তর্জাতিক মূলধারার কোনো মিডিয়া এই প্রতিবেদন নিজস্ব অনুসন্ধান হিসেবে প্রকাশ করেনি — কেবল "বরাত দিয়ে" উল্লেখ করেছে।
তুলনায় দেখুন: রয়টার্স, বিবিসি বা আল জাজিরার মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা এই অভিযোগকে স্বাধীনভাবে যাচাই করে প্রতিবেদন করেনি।
রোসাটম যা বলল: সরাসরি প্রত্যাখ্যান
অভিযোগ প্রকাশের মাত্র দুই দিনের মধ্যে, ১৯ আগস্ট ২০২৪, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জবাব দিল।
রোসাটম জানায়, গণমাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত প্রকাশিত উসকানিমূলক সংবাদ প্রত্যাখ্যান করছে সংস্থাটি। রোসাটম তার সব প্রকল্পে উন্মুক্ত কর্মপন্থা, দুর্নীতি প্রতিরোধ নীতি এবং ক্রয় পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
📎 সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন — https://www.channelionline.com/rosatom-rejects-allegations-of-embezzlement-of-5-billion-dollars-by-sheikh-hasina/
রোসাটম স্টেট কর্পোরেশন রয়টার্সকে ইমেইল বার্তায় জানায়, "আমরা আমাদের স্বার্থ এবং