05/01/2026
জন্মগ্রহণ!💞
শব্দটা যেন নতুন কিছু বুঝায়, যা একেবারে কচি, সতেজ, অবুঝ, অসহায়, সম্পূর্ণ নির্ভরশীল কোনো প্রাণের অস্তিত্ব। 🤗
ক্ষেত্র বিশেষে প্রত্যেক শব্দের অর্থ ভিন্ন রুপ ধারণ করতে পারে, করেও। কিন্তু জন্মগ্রহণ যেন সবক্ষেত্রেই সববিষয়েই তার এই অর্থ বজায় রাখে।শুধুমাত্র একটা জায়গা বা একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা যেন অদ্ভুত রুপ ধারণ করে বসে।আর তা হচ্ছে একজন মায়ের ক্ষেত্রে😷। একটা মেয়ে যখন একজন মা হয়ে জন্ম নেয় তখন তাকে হতে হয় সবচেয়ে পরিপূর্ণ মা। তাকে জানতে হয় কিভাবে সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতকের খেয়াল রাখতে হয় ত্রুটিহীনভাবে।কিভাবে তাকে খাওয়াতে হয়, নাওয়াতে হয়, কিভাবে তাকে সর্বদা ভরাপেটে শান্ত রাখতে হয়।একজন সদ্য জন্ম নবজাতক যেমন পৃথিবীর বুকে মাকে ছাড়া অসহায়, একজন মা ও তাকে খেয়াল রাখতে রাখতে অসহায় হয়ে ওঠে।এই অসহায়ত্ব আশেপাশে কেউ নেই তা নয়, এই অসহায়ত্ব এই কারণে যে আশেপাশের সবাই বারেবারে তাকে শুনিয়ে যায় কি এমন খেয়াল রাখো বাচ্চা কাঁদে। সামান্য পেটপুরে খাওয়ালেই তো বাচ্চা কাঁদে না, এতটুকু করতে কষ্ট হয় নাকি।এটা এভাবে না, ওটা ওভাবে না, এই করো, সেই করো।অথচ সেই সদ্য নবতাকের মা ও যে নতুন, তার শরীর ভাগ করেই যে এই নবজাতক গড়েছে, গড়ে উঠবে, সেই মায়ের শরীরের যত্ন কজন বা রাখে। যার শরীর থেকে এই নতুন প্রাণের যাত্রা শুরু তার চেয়ে কে ই বা বেশি খেয়াল রাখতে জানে। তার জীবন ই এই নবজাতকের জন্য যায় যায় পরপারের পথ থেকে ফিরে আসে সে কি কখনও অবহেলায় রাখতে পারে তাকে! কখনও না। তাইতো সামান্য ত্রুটিতেই তাকে দোষের বোঝা বইতে হয়। হয়তবা কখনও ত্রুটিহীন হয়েও শুনতে হয় কেমন মা তুমি এতটুকু বাচ্চা সামাল দিতে পারো না।😏
কিন্তু এই মায়ের শরীরের সাথে মনেরও যত্নের দরকার।সবাই সবার মনের যত্ন নিতে পারবে না, পারে না, দরকার পড়েও না এটাই স্বাভাবিক কিন্তু মনের ওপর আঘাত করতে সবাই এগিয়ে আসে।আশেপাশের মানুষের সংখ্যা যতই বাড়বে এই আঘাতের পরিমাণ ততই বেশি হতে থাকবে।হয়ত গুটিকয়েট মানুষ আপনাকে বুঝে ফেলবে, আপনার কষ্ট হচ্ছে ভেবে দুটো শান্ত্বনার কথা বলবে।🥰
বিশ্বাস হোক বা না হোক এই গুটিকয়েক মানুষের জন্য এই নতুন মা সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পায়।সব ব্যথা ভুলে থেকে একজন পরিপূর্ণ মা হওয়ার সংগ্রাম চালিয়ে যায়। কিন্তু সে কখনও ঐ সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষের চোখে পরিপূর্ণ মা হয়ে ওঠে না, কোনোদিন তারা স্বীকৃতি দিবেও না।😶