A. Sunmoon

Directions

A. Sunmoon লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সাঃ)

20/08/2026
19/06/2026

emotion❤️

26/04/2026

নদী দেখিয়া প্রাণ' উড়িয়া যায়..এ হেন সোনার নৌকা জলে ভেসে যায়!

উপন্যাসের নাম: মায়া-নগরের শেষ প্রদীপদ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: দেয়ালের ওপারেবাক্সটা টেবিলের ওপর রেখে অঞ্জন সারা রাত ঘুমাতে পারল ন...
13/04/2026

উপন্যাসের নাম: মায়া-নগরের শেষ প্রদীপ

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: দেয়ালের ওপারে

বাক্সটা টেবিলের ওপর রেখে অঞ্জন সারা রাত ঘুমাতে পারল না। মানচিত্রটা দেখে মনে হচ্ছে ওটা এই শিলং শহরেরই কোনো একটা বিশেষ এলাকার, কিন্তু জায়গাগুলো যেন বর্তমানের মানচিত্রের সাথে পুরোপুরি মিলছে না। লাল কালির দাগটা গিয়ে থেমেছে 'ক্যাসেল হিল' নামক একটা পাহাড়ের চূড়ায়, যেখানে গত তিরিশ বছর ধরে কেউ পা রাখেনি।

পরদিন ভোর হতেই অঞ্জন বেরিয়ে পড়ল। কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ের বাঁকগুলো আজ যেন ফিসফিস করে কথা বলছে। মানচিত্র অনুসরণ করে সে যখন ক্যাসেল হিলের পাদদেশে পৌঁছাল, দেখল সেখানে এক বিশাল লোহার গেট—মরচে ধরে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

গেট ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই অঞ্জন দেখল এক পরিত্যক্ত লাইব্রেরি। ধুলোর আস্তরণে ঢাকা বইগুলোর গন্ধ নাকে আসতেই তার মাথায় ঝিমঝিম করে উঠল। ঠিক তখনই সে খেয়াল করল, লাইব্রেরির মেঝের এক জায়গায় ধুলো একটু কম। যেন কেউ সম্প্রতি সেখান দিয়ে কিছু টেনে নিয়ে গেছে।
অঞ্জন সেদিকে এগোতেই দেখল একটা বুকশেলফ সামান্য সরে আছে। তার পেছনে একটা সরু সুড়ঙ্গ পথ। টর্চের আলো ফেলতেই সে দেখল সুড়ঙ্গের দেয়ালে অদ্ভুত সব চিহ্ন খোদাই করা। হঠাৎ সুড়ঙ্গের গভীর থেকে একটা ভারী আওয়াজ ভেসে এল—কারো পায়ের শব্দ নয়, যেন কোনো ধাতব কিছু ঘষার শব্দ।

অঞ্জন সাহসে ভর করে ভেতরে ঢুকল। কিছুদূর যেতেই একটা ছোট ঘরে গিয়ে পথ শেষ হলো। সেখানে রাখা একটা টেবিলের ওপর জ্বলছে একটি সদ্য নেভানো প্রদীপ, যা থেকে এখনো সরু ধোঁয়া বের হচ্ছে। অথচ এই ঘরে অন্য কোনো প্রবেশপথ নেই।
টেবিলের ওপর একটা ডায়েরি খোলা ছিল। পাতাগুলো ওল্টাতেই অঞ্জনের চোখ আটকে গেল একটা পাতায়। সেখানে তারই বাবার হাতের লেখায় লেখা আছে:

"অঞ্জন আসবে জানি। কিন্তু ও যদি এই ডায়েরির শেষ পাতাটা পড়ার আগে আমায় খুঁজে না পায়, তবে মায়ানগরের দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।"

অঞ্জন চমকে উঠে পেছনে ফিরল। মনে হলো কেউ একজন অন্ধকারের আড়াল থেকে তাকে লক্ষ্য করছে। একটা ছায়া দ্রুত দেয়ালের ওপাশে সরে গেল। "বাবা? আপনি কি এখানে?" অঞ্জন চিৎকার করে উঠল। কিন্তু উত্তরের বদলে কেবল ফিরে এল নিজের গলার প্রতিধ্বনি। ঠিক তখনই ঘরের ভারী দরজাটা সশব্দে বন্ধ হয়ে গেল। অঞ্জন আটকা পড়ল এক রহস্যময় অতীতে, যার চাবিকাঠি সম্ভবত তার হাতের ওই ভাঙা কম্পাসটাতেই লুকিয়ে আছে।

উপন্যাসের নাম: মায়া-নগরের শেষ প্রদীপপ্রথম পরিচ্ছেদ: কুয়াশার পদধ্বনিপাহাড়ি শহর শিলং-এ তখন সন্ধ্যা নামছে। পাইন গাছের ফাঁক ...
10/04/2026

উপন্যাসের নাম: মায়া-নগরের শেষ প্রদীপ

প্রথম পরিচ্ছেদ: কুয়াশার পদধ্বনি

পাহাড়ি শহর শিলং-এ তখন সন্ধ্যা নামছে। পাইন গাছের ফাঁক দিয়ে চুইয়ে পড়া আলোটা ক্রমেই ম্লান হয়ে আসছে। অঞ্জন জানলার ধারে বসে ধোঁয়া ওঠা কফির কাপে চুমুক দিচ্ছিল। ঠিক তিন বছর আগে এই দিনেই সে তার পৈতৃক বাড়িটা ছেড়ে কলকাতায় চলে গিয়েছিল। আজ আবার ফিরে আসা, কিন্তু পরিবেশটা যেন আগের চেয়ে অনেক বেশি থমথমে।

শহরের এই প্রান্তে মানুষের আনাগোনা কম। জনশ্রুতি আছে, এই পাহাড়ি ঢালের পুরনো বাংলোগুলোতে নাকি এখনো অতীতের অতৃপ্ত আত্মারা ঘুরে বেড়ায়। অঞ্জন এসব বিশ্বাস করে না, কিন্তু আজ তার নিজের ঘরের কোণগুলোকেও কেন যেন অচেনা মনে হচ্ছে। হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল। তিনবার। ছোট ছোট, পরিমিত আঘাত।

অঞ্জন ঘড়ির দিকে তাকাল—রাত আটটা। এই নির্জন জায়গায় এই সময়ে কেউ আসার কথা নয়। সে উঠে গিয়ে দরজা খুলতেই দেখল সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক বৃদ্ধ। পরনে জীর্ণ ওভারকোট, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। বৃদ্ধের হাতে একটা ছোট কাঠের বাক্স। "আপনি কি মিস্টার রায়?" বৃদ্ধের কণ্ঠস্বর যেন মাটির গভীর থেকে উঠে আসছে। অঞ্জন অবাক হয়ে মাথা নাড়ল। "হ্যাঁ, আমিই। কিন্তু আপনি কে?" বৃদ্ধ কোনো উত্তর না দিয়ে হাত বাড়িয়ে বাক্সটা অঞ্জনের দিকে এগিয়ে দিলেন। "আপনার বাবা এটা দিয়ে গিয়েছিলেন। বলেছিলেন, যেদিন আপনি এই শহরে ফিরে আসবেন, সেদিন যেন এটা আপনার হাতে পৌঁছায়।"

কথাটা বলেই বৃদ্ধ অন্ধকারের মধ্যে মিলিয়ে গেলেন। অঞ্জন তাকে ডাকার সুযোগটুকুও পেল না। ঘরে ফিরে এসে সে যখন কাঁপাকাঁপা হাতে বাক্সটা খুলল, দেখল ভেতরে কোনো দামি গয়না বা টাকা নেই। আছে কেবল একটা পুরনো হলদে হয়ে যাওয়া মানচিত্র আর একটা ভাঙা কম্পাস। মানচিত্রের এক কোণে লাল কালিতে লেখা— "যেখানে মায়া শেষ হয়, সেখান থেকেই সত্যের শুরু।" অঞ্জনের মেরুদণ্ড দিয়ে একটা হিমশীতল স্রোত বয়ে গেল। তার বাবা একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক ছিলেন বলেই সে জানত। কিন্তু এই রহস্যময় বাক্স আর মানচিত্র কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে? অঞ্জন বুঝল, এই ফেরাটা কেবল নিজের শিকড়ে ফেরা নয়, বরং এমন এক রহস্যের মুখোমুখি হওয়া যা তার জীবনের মোড় চিরতরে ঘুরিয়ে দেবে।

11/02/2026

অনেক অভিযোগ।😢💔

Address

201 Hasen Uddin Road
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A. Sunmoon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share