বাংলাদেশ ফটো গ্যালারী

বাংলাদেশ ফটো গ্যালারী বাংলাদেশ ফটো গ্যালারী
Bangladesh Photo Gallary

চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল রাণীমহল-মতিমহল ‘এ-ই রাণীমহল, চিটাগাং রোড, রাণীমহল...।’যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে পরবর্তী গন্তব্যের...
25/12/2024

চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল রাণীমহল-মতিমহল

‘এ-ই রাণীমহল, চিটাগাং রোড, রাণীমহল...।’
যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে পরবর্তী গন্তব্যের নাম হাঁকছে লেগুনার চালকের সহকারী। ১০ জনের জায়গায় ১৫ যাত্রী নিয়ে ছুটল লেগুনা। ৩০ মিনিটে এবড়োখেবড়ো রাস্তা আর ধুলার রাজ্য পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছেই বিস্ময়—এত বিশাল স্থাপনা রাণীমহল! এক ভবনে দুই প্রতিষ্ঠান—রাণীমহল, মতিমহল। সামনে খোদাই করে লেখা, ১৯৬৮।
কাগজে-কলমে এই এলাকার নাম সারুলিয়া। তবে ঠিক যে জায়গাটিতে রাণীমহল সিনেমা হল, গণমানুষের কাছে তা রাণীমহল নামে পরিচিত। এখানে যে স্থানীয় যানবাহনগুলো দাঁড়ায় কিংবা চলে, প্রায় সবগুলোর গায়ে স্টেশন হিসেবে রাণীমহল লেখা। এই পরিচিতি অর্জন করতে প্রতিষ্ঠানটির লেগে গেছে প্রায় অর্ধশত বছর। এখন রাণীমহল স্টেশনটি সরগরম থাকলেও হলটি নির্জীব; যেন নিজের ভার বইতে পারছে না।
এলাকার একাধিক প্রজন্মের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্মৃতির একটা বড় অংশে উজ্জ্বল রাণীমহল। ‘আমাদের কৈশোর তারুণ্যে বিনোদনকেন্দ্র বলতে এটিই ছিল প্রধান’—বললেন বাংলাদেশ থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ আলম। তিনি থাকেন এই এলাকাতেই। ‘মনে পড়ে এক ঈদের সন্ধ্যায় শাবানা-আলমগীরের মনিহার ছবিটা দেখতে গিয়েছিলাম। বাড়ি ফিরে মিলল বাবার বেতের বাড়ি। সেই দুঃখের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি স্মৃতিতে এখনো স্পষ্ট; গরুর গাড়ি নিয়ে ছুটতে ছুটতে শাবানার মুখে সেই গান, ‘বিক্রমপুরে বাপের বাড়ি ছিল একদিন পদ্মার পাড়/ মামার বাড়ি মধুপুরে, নিজের বাড়ি নাই আমার।’ শাহ আলম আরও জানালেন, এই ছবিতেই ছিল ওরে সাম্পানওয়ালা... গানটি।
শুক্রবার দুপুরে রাণীমহলে গিয়ে মিলল ঝকঝকে এক স্থাপনা। এমন ধুলাবালুর রাজ্যে এ প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কী করে এতটা পরিচ্ছন্ন! দেয়ালগুলোও সুন্দর, নানা রঙের। দোতলায় সিঁড়িতে উঠতে নানা রকমের ম্যুরাল, হরিণের পাল তাড়া করছে বেঙ্গল টাইগার। তিন পাশে নানান কারুকাজে ষাটের দশকের চিহ্ন। মিলনায়তনের বাইরে বারান্দাটি বেশ বড়। কয়েকজন কিশোর কাছাকাছি এলাকা থেকে সিনেমা দেখতে এসেছে। শো শুরু হতে দেরি আছে; তাই বল নিয়ে দুষ্টুমিতে মেতেছে।
এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম রাণীমহলের প্রথম দিককার স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘এলাকায় এমন একটি বড় ভবন দেখে আমরা অবাক হতাম। কী সুন্দর নকশা। ১৯৬৮ সালের আগে আমি এখানে যাত্রাও দেখেছি। হল চালুর পর আমি প্রথম পরিচালক রহিম নেওয়াজের সুয়োরানি দুয়োরানি ছবিটি দেখি। সুচন্দা, রাজ্জাককে প্রথম দেখেছিলাম পর্দায়। প্রতি শুক্রবার দেখতাম উর্দু ছবি।’
হলের ব্যবস্থাপক আবদুর রাজ্জাক এলেন দুপুরের বেশ খানিকটা পরে। সহকর্মীদের কাছ থেকে হলের চারপাশে ভাড়া দেওয়া দোকানপাটের ভাড়া বুঝে নিলেন। সে কাজ সেরে হলের প্রসঙ্গে কথা শুরু করতেই হতাশা, ‘কী লাভ হলের কথা বলে, এসব দিয়ে কী হবে। হলের ব্যবসা শেষ!’
প্রায় দুই দশক ধরে এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন তিনি। আলাপচারিতায় স্পষ্ট, একসময় এলাকার একমাত্র বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়া রাণীমহল নিয়ে এখন তিনি পুরোপুরিই হতাশ। মালিকপক্ষও চাইছে হল বন্ধ করে দিতে। কিন্তু এটি মূলত শিল্প এলাকা। মার্কেট বানালে এখানে সেই অর্থে জমবে না।
দুই হলে বর্তমানে কটি আসন আছে—প্রশ্ন শুনে কিছুটা অপ্রস্তুত মনে হলো ব্যবস্থাপককে। শেষমেশ জানালেন, রাণীমহলে ৫৬৭টি, মতিমহলে ৫৫০টি আসন আছে। সব মিলিয়ে ১ হাজার ১১৭ আসন।
ঝকঝকে হলের ভেতরের অংশ। প্রদর্শনী শুরুর আগে সময় পার করছেন তরুণ দর্শকেরা
ঝকঝকে হলের ভেতরের অংশ। প্রদর্শনী শুরুর আগে সময় পার করছেন তরুণ দর্শকেরা
এই আসনগুলো প্রতিদিন অপেক্ষায় থাকে পাশের শিল্পকারখানার কর্মীদের জন্য। কাছাকাছি করিম জুট মিল, লতিফ বাওয়ানী জুট মিলের মতো নামকরা প্রতিষ্ঠান। যদিও শুক্রবার বিকেল আর সন্ধ্যা ছাড়া খুব বেশি দর্শনার্থী মেলে না।
‘কেমনে আসবে মানুষ! বাহির হইয়া দেখেন আশে পাশে চা-দোকান, হোটেল-রেস্টুরেন্টে টিভি বসাইয়া থুইসে। সারা দিন গান, ছবি চলে। পাবলিক সেইখানে ডুইব্বা থায়ে’!—বললেন হলের পুরোনো কর্মী আবদুল ওয়াহাব। হলের মূল প্রবেশপথে দায়িত্বে ছিলেন তিনি। জানালেন, একসময় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক নারী দর্শক আসতেন। দর্শকদের পদচারণায় মুখরিত থাকত রাণীমহল।
১৯৬৮ সালে হলটির উদ্বোধনের কথা মনে আছে বাদশা মিয়ার। শুরু থেকে এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি। জীবিকা আর আবেগও এক হয়ে গেছে। তিনি জানালেন, মালিক এম এ সাত্তার সাহেব তাঁর মেয়ে রাণীর নামে হলের নাম রেখেছেন রাণীমহল। ১৯৬৮ সালে খান আতা পরিচালিত, কবরী-আজিম অভিনীত অরুণ বরুণ কিরণমালা দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল রাণীমহলের।
তখন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। অসুস্থতার কারণে কথা বলতে পারেননি। তাঁর মেয়ে শিরীন শবনম বলেন, ‘আমরা হলের ওপরে একটি বাসায় থাকতাম। হলে জোরে গান বাজলে আমাদের বাসায় শোনা যেত।’ তিনি বলেন, ‘বাবার কাছে শুনেছি, ওই সময় নতুন ছবি পাওয়াটা খুব কঠিন ছিল। বাংলার পাশাপাশি উর্দু ছবি চলত। অরুণ বরুণ কিরণমালার পর বেশ কিছুদিন উর্দু ছবি চলেছে। কিছুদিন পর ১৯৬৯ সালের মার্চে এসে এখানে মুক্তি পায় মমতাজ আলী পরিচালিত নতুন নামে ডাকো ছবিটি। ওই ছবির গানটি এখনো মনে আছে ‘নতুন নামে ডাকো আমায়, এই তো ছিল কামনা; রঙের পরশে রাঙিয়ে দিলে, মনের যত বাসনা...।’ একাত্তর সালের পর রাণীমহলের চাকরি ছেড়ে আসেন প্রথম ব্যবস্থাপক শহিদুল্লাহ।
শুরু থেকে বেশ সাড়া ফেলেছিল রাণীমহল। বিশেষ করে এলাকার শিল্পকারখানার কর্মীদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল এই হল। এলাকার নারী দর্শকদেরও আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল। কারণ, নদী পার হয়ে নারায়ণগঞ্জে যাওয়া কিংবা পথঘাট মাড়িয়ে ঢাকায় যাওয়াটা কঠিন এবং সময়সাধ্য ছিল তখন। দিনে দিনে দর্শকের চাহিদা বাড়তে থাকায় মতিমহল নামে আরেকটি হল চালুর উদ্যোগ নেন মালিক।
প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা জানালেন ১৯৮৯ সালে বেদের মেয়ে জোসনা ছবিটি দিয়ে মতিমহল হলটি চালু হয়। ওই সময় থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ৬০ জন কর্মী ছিলেন। বর্তমানে আছেন ৩৫ জন।
রাণীমহলের প্রতিষ্ঠাতা এম এ সাত্তারের মৃত্যুর পর এখন হলটি চালাচ্ছেন তাঁর দুই ছেলে এম এ লতিফ এবং এম এ বশির। আগের মতো রমরমা ব্যবসা না থাকলেও মূলত বাবার স্মৃতি রক্ষার্থে হলটি চালু রেখেছেন তাঁরা।
হলের ভেতরে সব জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা। মহিলাদের আলাদা টিকিট কাউন্টার এবং মূল হলের বাইরে বসার জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে।
এমনিতে নতুন ছবির সংখ্যা দিনে দিনে কমছে। তার ওপর দর্শক কম। বর্তমানে দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো চলছে বলো দুগ্গা মাঈ কি... এবং বসগিরি।
হলের সামনে ছোট-বড় বেশ কিছু খাবারের দোকানসহ নানা প্রতিষ্ঠান। সামনেই একটা দোকানের কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কী ছবি দেখুম হলে গিয়া। এখন আর মালিকেরা ঈদ-চান ছাড়া নতুন ছবি আনে না।’
হল থেকে বের হয়ে রাস্তায় দাঁড়াতেই মিলে গেল লেগুনা। চালকের পাশের আসনটি খালি পেয়ে বসে পড়ি। যাত্রাবাড়ী ফেরার পথে দেখি চালকের মোবাইলটি স্টিয়ারিংয়ের সামনে। বাংলা, হিন্দি ছবির গানের একটার পর একটা ভিডিও বাজছে তাতে। হলের কর্মী আবদুল ওয়াহাবের কথাটি মনে পড়ে গেল, দোকানে, রেস্টুরেন্টে সব জায়গায় টিভি লাগানো। আর মোবাইল তো হাতে হাতে। কেন মানুষ টিকিট কেটে হলে যাবে!

রাজসিক বিহার (রাজসিক নামেও পরিচিত) মৃণাল হক নির্মিত একটি ঘোড়ার গাড়ির ভাস্কর্য। এটি ঢাকার পরিবাগে কাজী নজরুল ইসলাম এভিন...
18/12/2024

রাজসিক বিহার (রাজসিক নামেও পরিচিত) মৃণাল হক নির্মিত একটি ঘোড়ার গাড়ির ভাস্কর্য। এটি ঢাকার পরিবাগে কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ ও মিন্টু রোডের সংযোগস্থলের সড়কদ্বীপে শেরাটন হোটেলের সামনে স্থাপন করা হয়। এটির মূল পটভূমি নবাব-জমিদারদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকা শহরের রাজসিক ভ্রমণ। ঢাকা নগরীর ৪০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নগর কর্তৃপক্ষের সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০০৮ সালের ১৯ জানুয়ারিতে ভাস্কর্যটি উম্মুক্ত করা হয়।

পটভূমি ও বর্ণনা
ঢাকার নবাব-জমিদাররা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যখন ভ্রমণে বের হতেন তখন তাদের গাড়িতে দ্রুতগতিসম্পন্ন দুটি ঘোড়া থাকত। তাদের গাড়ির নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে পথচারী ও অন্যান্য ঘোড়াগাড়ি ও বাহন একপাশে সরে দাঁড়াত। এ পটভূমিতে ঢাকা ভ্রমণের ঐতিহ্যকে প্রাধাণ্য ধরে মৃণাল হক ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন। ভাস্কর্যে নবাব সলিমুল্লাহ স্ত্রী, ছেলে এবং পেয়াদাসহ এমনই এক বিহারে বেরিয়েছেন শহর দেখতে।
সম্পূর্ণ ভাস্কর্যটি সোনালী রঙে আবৃত। চার চাকার গাড়ির সম্মুখভাগ পরিবাগের দিকে এবং পিছনের দিকটি মিন্টু রোডের অভিমুখে। ভাস্কর্যে একজন কোচোয়ান বসে আছেন সামনে দুটি ঘোড়া নিয়ন্ত্রণ করছেন, গাড়ির ভিতরে নবার তার পরিবারের সাথে উপবিষ্ট এবং গাড়ির পেছেনে একজন দেহরক্ষী বন্দুক হাতে বসে আছেন। ভাস্কর্যের যাত্রিবাহী কেবিনের ডানপাশে একটি লন্ঠন দণ্ডায়মান আছে।

জননী ও গর্বিত বর্ণমালা মৃণাল হক নির্মিত একটি ভাস্কর্য। বাংলাদেশ রাজধানীর পরীবাগের মাথায় বিটিসিএলের প্রধান কার্যালয়ের স...
17/12/2024

জননী ও গর্বিত বর্ণমালা মৃণাল হক নির্মিত একটি ভাস্কর্য। বাংলাদেশ রাজধানীর পরীবাগের মাথায় বিটিসিএলের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থিত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ভাস্কর্যটির মূল উপজীব্য।

পটভূমি ও বর্ণনা
ভাস্কর্যেটিতে গুলিবিদ্ধ সন্তানের মৃতদেহ কোলে নিয়ে একজন মা তার হাসিমুখে প্রতিবাদ প্রতীকী ফুটে উঠেছে। ভাস্কর্যটি মা ও ছেলেকে ঘিরে আছে লাল ও সবুজ রঙের দুটি বৃত্ত। এর মাধ্যমে লাল-সবুজের বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার বিজীব্যষয়টি প্রতীকী অর্থে বোঝানো হয়েছে। ভাস্কর্যটির প্রতীকী ব্যঞ্জনায় মা ও সন্তানের ত্যাগ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। লাল রঙটি ত্যাগ ও রক্তের প্রতীক আর সবুজ রঙটি শান্তি ও জীবনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ভাস্কর্যটি সামনে সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ। পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’। ভাস্কর্যটি ১৬ ফুট উচ্চতার ও বাংলা বর্ণমালা এবং সংখ্যা রয়েছে। একুশ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মানুষ অহংকার, গৌরবের বাংলার ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিবস। ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাস্কর্যটি একুশের চেতনা জাগ্রত করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে দিনটির তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতন করতে নির্মাণ করা হয়। ভাস্কর্যটি নকশা করেছেন শিল্পী মৃণাল হক। ২০১৬ সালে ২০ ফেব্রুয়ারি ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়। ভাস্কর্যটি মৃণাল হকের স্বঅর্থায়নে নির্মিত হয়েছিল।

জামে ইস্কাটন মসজিদ, বাংলামটর, ঢাকা
07/12/2024

জামে ইস্কাটন মসজিদ, বাংলামটর, ঢাকা

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি মেডিকেল স্কুল। ২০০৮ সালে এটি ঢাকার বড় মগবাজারের ওয়্যারলেস গেটে...
28/11/2024

ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি মেডিকেল স্কুল। ২০০৮ সালে এটি ঢাকার বড় মগবাজারের ওয়্যারলেস গেটে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত একটি কলেজ। ২০১৩-১৪ সেশন থেকে কলেজটিতে বিডিএস কোর্সও পড়ানো হয়।

কলেজটি পাঁচ বছর মেয়াদী কোর্স শেষে এমবিবিএস এবং বিডিএস ডিগ্রি প্রদান করে। স্নাতক পরবর্তী এক বছরের ইন্টার্নশিপ সমস্ত স্নাতকদের জন্য বাধ্যতামূলক। ডিগ্রীটি বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল স্বীকৃত।

ক্যাম্পাস
ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসটি ঢাকা শহরের মাঝে ১৯০/১১, বড় মগবাজার, ওয়্যারলেস রেল গেট -এ অবস্থিত। বর্তমানে, প্রাক ক্লিনিকাল, প্যারা ক্লিনিকাল এবং ক্লিনিকাল একাডেমিক কার্যক্রম ১২ তলা (নির্মাণাধীন) ভবনে চলছে। ক্লিনিকাল পরিষেবা, শিক্ষাদান এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সংলগ্ন ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১৪ তলা ভবন (নির্মাণাধীন)। বর্তমানে হাসপাতাল ভবন ১২ তলা বিশিষ্ট। কলেজটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় শহুরে এবং পল্লী স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলিতে প্রবেশাধিকার পেয়েছে।

অবকাঠামো
কলেজটির সাথে সংযুক্ত ৫০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে।

Address

বাংলাদেশ-ফটো-গ্যালারী
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ ফটো গ্যালারী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category