Front Line

Front Line "Having a hand (support) on your shoulder during difficult times is much better/valuable than clappin

"আমার চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছে। কারণ আমার বহু বন্ধুর মুখ ভেসে উঠছে, যারা শহীদ হয়েছে।" - ব্লাড টেলিগ্রাম"  ----------আর্চার ...
06/08/2026

"আমার চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছে। কারণ আমার বহু বন্ধুর মুখ ভেসে উঠছে, যারা শহীদ হয়েছে।" - ব্লাড টেলিগ্রাম"
----------
আর্চার কেন্ট ব্লাড (১৯২৩-২০০৪), বাংলাদেশে নিযুক্ত একজন আমেরিকান কূটনীতিক। ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কনসাল জেনারেল নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান নৃশংসতা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় কঠোর ভাষায় একটি টেলিগ্রাম বার্তা পাঠানোর জন্য বিখ্যাত। তার সেই বিখ্যাত টেলিগ্রাম বার্তা ব্লাড টেলিগ্রাম নামে পরিচিত। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আর্চার ব্লাড তার অভিজ্ঞতার বর্ণনা করে লেখা দ্য ক্রুয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ – মেমোয়ারস অব অ্যান অ্যামেরিকান ডিপ্লোম্যাট বইয়ের সূচনায় বলেন, ‘একাত্তর নিয়ে লিখতে বসে আমার চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছে। কারণ আমার বহু বন্ধুর মুখ ভেসে উঠছে, যারা শহীদ হয়েছে।’

২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকা শহরে গণহত্যা শুরু করে। ৬ এপ্রিল ১৯৭১ মার্কিন দূতাবাস থেকে ঐতিহাসিক একটি তারবার্তা পাঠানো হয়েছিল ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে। ঢাকায় কর্মরত মার্কিন কর্মকর্তারা ২৫ শে মার্চের ‘কলঙ্কিত রাতের’ গণহত্যা এবং সে বিষয়ে নিক্সন-কিসিঞ্জারের অন্ধ ইয়াহিয়া-ঘেঁষা নীতির প্রতিবাদ জানাতে সংকল্পবদ্ধ হয়েছিলেন। তারা খুব ভেবেচিন্তে একটি তারবার্তা লিখেছিলেন যাতে স্বাক্ষর করেছিলেন ব্লাড ও তার ২০ জন সমর্থক সহকর্মী। তারা তাতে ঢাকায় ইয়াহিয়ার গণহত্যার প্রতি ওয়াশিংটনের অব্যাহত নীরবতার নিন্দা করেছিলেন। ব্লাড তাতে কেবল স্বাক্ষরই দেন নি, বাড়তি এক ব্যক্তিগত নোটও লিখেছিলেন। এতে তিনি লিখেছিলেন, “আমি বিশ্বাস করি, পূর্ব পাকিস্তানে এখন যে সংগ্রাম চলছে, তার সম্ভাব্য যৌক্তিক পরিণতি হলো বাঙালিদের বিজয় এবং এর পরিণতিতে একটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা।“ এই ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ বস্তুত তখনকার নিক্সন-কিসিঞ্জারের দুর্গে বোমা ফেলেছিল। ‘’দ্য ট্রায়াল অব হেনরি কিসিঞ্জার’’ নামীয় গ্রন্থের লেখক ক্রিস্টোফার হিচিনসের মতে ‘মার্কিন ইতিহাসে ব্লাড টেলিগ্রামের কোনো তুলনা নেই।’ কিসিঞ্জার এ জন্য ব্লাডকে নির্বাসন দণ্ড দিয়েছিলেন।

ব্লাড টেলিগ্রাম (এপ্রিল ৬, ১৯৭১)—কে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অধীন পররাস্ট্র কর্মকমিশনের কর্মকর্তা কর্তৃক রচিত সর্বকালের সবচেয়ে শক্তিশালী শাব্দিক ভিন্নমত পোষণের গতিপথ (Dissent Channel) বার্তাসমূহের একটি হিসেবে দেখা হয়েছে। ২৯জন আমেরিকান এতে স্বাক্ষর করেছিলো। টেলিগ্রাম থেকে অনূদিত:

ঢাকা ১১৩৮
০৬০৭ ৩০ এপ্রিল
প্রেরক: আমেরিকান কনস্যুলেট ঢাকা
গোপনীয়
সীমিত প্রকাশ
বিষয়: পূর্ব পাকিস্তান বরাবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিরোধিতা
যৌথ স্টেট/এআইডি/ইউএসআইএস বার্তা:

১- পূর্ব পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে অবস্থান তা বৃহত্তর অর্থে দেশটির নৈতিক স্বার্থ কিংবা ক্ষুদ্রতর অর্থে জাতীয় স্বার্থ দু'টোর কোনোটিই পূরণ না করায় - মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরকে স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত টাস্ক ফোর্সের প্রস্তাবিত নীতির আলোকে -ঢাকাস্থ আমেরিকান কনসুলেট জেনারেল ইউএসআইএস এবং ইউএসএইড এর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের অণুসৃত নীতির মূল ধারার সাথে ভিন্নমত পোষণ করাকে কর্তব্য মনে করেন। আমাদের সরকার গণতন্ত্রের নিপীড়ন এবং নৃশংসতার বিরুদ্ধে নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের সরকার তার নাগরিকদের রক্ষার জন্য জোরদার ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে বরং উলটো তারা পশ্চিম পাকিস্তান শাসিত সরকারকে শান্ত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য এবং সঙ্গত নেতিবাচক আন্তর্জাতিক জনসংযোগের চাপ হ্রাস করতে নমনীয়তা প্রদর্শন করছে। আমাদের সরকার এমন এক সময়ে তার নৈতিক দেউলিয়াত্ব প্রদর্শন করছে যখন কিনা গণতন্ত্র রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক উপায়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে নির্বাচিত দলের (ঘটনাক্রমে যারা পশ্চিমপন্থী) নেতাকে গ্রেফতারের নিন্দা এবং দমনমূলক ব্যবস্থা ও রক্তপাত বন্ধের আহবান জানিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন বার্তা প্রদান করেছে। আমাদের অতি সাম্প্রতিককালের পাকিস্তানকেন্দ্রিক নীতিতে আমাদের স্বার্থকে মূলত মানবিক বলে বিবেচনা করা হয়েছে। আমরা আওয়ামীলীগের সাথে সংঘাত যাকে কিনা দুর্ভাগ্যজনকভাবে বহুলব্যবহৃত শব্দ 'গণহত্যা' দিয়েও প্রকাশ করা যায়, সেটিকে সার্বভৌম রাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ অভ্যন্তরীণ ব্যাপার হিসাবে দেখে এই ব্যাপারে কোনধরনের নৈতিক এমনকি মানবিক হস্তক্ষেপও না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাধারণ আমেরিকানরা এ নীতিতে তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেছে। আমরা, পেশাদার সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে এই বর্তমান নীতির সাথে আমাদের মতের ভিন্নতা প্রকাশ করছি এবং আশা করছি যে আমাদের সত্যিকার এবং দীর্ঘস্থায়ী স্বার্থ এখানে রক্ষিত হবে এবং মুক্ত বিশ্বের নৈতিক পথপ্রদর্শক হিসাবে আমাদের জাতির অবস্থান উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

২- আমাদের ভিন্নমতের সুনির্দিষ্ট অংশ এবং সাথে সেগুলো সম্পর্কে আমাদের নীতিগত প্রস্তাবসমূহ একটি আলাদা টেলিগ্রামে প্রেরণ করা হবে।
৩- স্বাক্ষর করেছেন: ব্রায়ান বেল, রবার্ট এল. বারকোয়েন, ডব্লিউ স্কট বুচার, এরিক গ্রিফেল, য্যাকারি এম. হান, জেইক হার্সবারজার, লরেন্স কোয়েজেল, জোসেফ এ. মালপেলি, উইলার্ড ডি. ম্যাকলেরি, ডিস্যাক্স ম্যায়ার্স, জন এল. নেসভিগ, উইলিয়াম গ্রাট পার, রবার্ট কার্স, রিচার্ড এল. সিম্পসন, রবার্ট সি. সিম্পসন, রিচার্ড ই. সাট্টর, ওয়েন এ. সুয়েডেনগার্গ, রিচার্ড এল. উইলসন, শ্যানন এল. উইলসন।

৪- আমি উপরোল্লিখিত কর্মকর্তাদের ভিন্নমত পোষণের অধিকারকে সমর্থন করি। যেহেতু তারা জরুরিভিত্তিতে তাদের ভিন্নমত প্রেরণ করতে চাইছিলেন এবং যেহেতু আমাদের টেলিগ্রাফ ছাড়া যোগাযোগের ভিন্ন কোন মাধ্যম নেই তাই আমি তাদের এ উদ্দেশ্যে একটি টেলিগ্রাম করার অণুমতি প্রদান করি।

৫- আমি বিশ্বাস করি পূর্বপাকিস্তানে কর্মরত সেরা মার্কিন কর্মকর্তা হিসাবে তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি মার্কিন সম্প্রদায়ের অধিকাংশের (সরকারি ও বেসরকারি) মতামত রূপে প্রতিধ্বনিত হয়। আমিও তাদের এই বক্তব্য সমর্থন করি কিন্তু আমি মনে করি না যে এখানকার প্রধান কর্মকর্তা রূপে বহাল থাকা অবস্থায় তাদের এই বিবৃতিতে আমার স্বাক্ষর করা উচিত হবে।

৬- তাদের অবস্থানের পিছে আমার যে সমর্থন তার অন্য একটি মাত্রা রয়েছে। যেহেতু পরবর্তীকালেও আরো প্রতিবেদন প্রেরণের আশা রাখি, তাই আমি বিশ্বাস করি পূর্বপাকিস্তানে যে সংগ্রাম চলছে তার সম্ভাব্য ফলাফল বাঙ্গালীদের বিজয় এবং এর ফলশ্রুতিতে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। এই মুহূর্ত আওয়ামী লীগের কাছে আমাদের সুনাম রয়েছে, অনমনীয় নীতির মাধ্যমে সম্ভাব্য পরাজিতের পৃষ্ঠপোষকতা করে এই সম্পদ স্বেচ্ছায় খোয়ানো বোকামি হবে। এ.ব্লাড।

02/08/2026
23/07/2026

তাকসিম স্কয়ারে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বিরুদ্ধে তিনবার বিক্ষোভ হয়। তিনবারই তিনি সেটা রাজনৈতিকভাবে দমন করেন। ওইসব বিক্ষোভে যারা সংহতি জানিয়ে যুক্ত হয়েছিলো তারা সবাই ইউরো-মার্কিন লবির মানুষ, এনজিওবাদী, পরিবেশবাদী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সুশীল, লিবসেকু, এলজিবি এবং জেনজি। ওইসব বিক্ষোভ থেকে যদি এরদোয়ান সরকারের পতন ঘটতো তবে আজকের তুরস্ক আবারও 'ইউরোপের রুগ্ন পুরুষ' হিসেবে খ্যাতি পেতো। কিন্তু আপাতত তুরস্ক রুগ্ন নয়, তরুণ তুর্কি।

নেপালে জেনজিদের বিক্ষোভ হলো। এবং সে বিক্ষোভেও সেই এনজিওবাদী, পরিবেশবাদী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সুশীল, এলজিবি, লিবসেকু এবং জেনজি যুক্ত ছিলো। ওই বিক্ষোভে নেপাল সরকার টিকলো না। পতন হলো। তার বহুকিছুর পর নেপালে একজন বালেন ক্ষমতায় এসেছে। তিনি দূর্বল। কেননা তিনি ক্ষমতায় এসেছেন এক বিশেষ ডিজাইনে। এবং নেপাল আবারও কয়েক দশক পিছিয়ে গেছে।

বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলন ঘটেছিলো সেই একই ডিজাইনে। এনজিওবাদী, পরিবেশবাদী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সুশীল, এলজিবি, লিবসেকু এবং জেনজি। এই আন্দোলনে কেবল সরকার পতন ঘটে নাই, ঘটে গেছে বাংলাদেশের অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলাদেশ হাঁটছে তার জন্ম পরিচয়ের বিপরীতে। এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি দিন দিন সংকুচিত হতে হতে উগান্ডার পেছনে পড়ে গেছে।

আজকে ভারতেও সেইম ডিজাইনে আন্দোলন শুরু হয়েছে। ভারত সরকার পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পড়া না পড়া নির্ভর করবে সরকারের কূটকৌশল ও রাজনীতির উপর। তবে এই আন্দোলনে ভারত সরকার পড়ে গেলে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাজার এবং উদীয়মান 'আঞ্চলিক পরাশক্তি' হিসেবে ভারত বাঁধাগ্রস্থ হবে। এমনকি ভারত বিভক্ত ও বিচ্ছিন্নও হয়ে যেতে পারে।

এই যে 'বিশেষ তরিকায় সরকার' পতনের ঘটনা এটাকে 'মেটিউকুলাস ডিজাইন' বলা হয়। এটা পশ্চিমা ডিজাইন। এই ডিজাইনের মজার বিষয় হচ্ছে এটা কেউ ধরতে পারে না। কিন্তু ধরার পর আর কাফফারা দেয়ার সুযোগ থাকে না।

এই ডিজাইনার দ্বিতীয় মজায় বিষয় হচ্ছে, এই ডিজাইন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে চলে কিছু হিপোক্রেসি। এই যেমন এরদোয়ানের বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভকে ইসলামপন্থী, মোডারেট ইসলামপন্থী এমনকি কিছু বামপন্থীরাও 'মেটিউকুলাস ডিজাইন' বললেও তারা বাংলাদেশ এবং বর্তমান ভারত সরকারের বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভকে মেটিউকুলাস ডিজাইন বলতে নারাজ। তারা মনে করে এগুলো গণঅভ্যুত্থান। আবার এর বিপরীতটাও অন্য পক্ষ থেকে ঘটে৷

মেটিউকুলাস ডিজাইন কী?

মেটিউকুলাস ডিজাইন মূলত পশ্চিমা দুনিয়া তৃতীয় বিশ্বে তাদের তৈরি করা টুলস ও সফট পাওয়ারগুলোকে কাজে লাগিয়ে যে নাগরিক আন্দোলন ঘটানোর কাজ করে, সেটাই মেটিউকুলাস ডিজাইন।

মেটিউকুলাস ডিজাইন কেনো করা হয়?

সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম কিংবা চায়নার মতো দেশগুলো জনপ্রিয় একনায়কতান্ত্রিক কিংবা একদলীয় শাসনব্যবস্থায় যখন তরতর করে ধনী হয়ে ওঠে এবং সেগুলো পশ্চিমা দুনিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানায় তখন পশ্চিমা দুনিয়া তৃতীয় বিশ্বের বাকি দেশগুলোর উত্থান রুখতে 'বে-সামরিক-সফটপাওয়ার' কেন্দ্রীক নাগরিক আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পতন ঘটায় এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে বারবার প্রটেস্ট উসকিয়ে দেয়। ফলে একটি তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র সহজেই প্রথম বিশ্বের লেভেলে পৌঁছাতে পারে না।

মেটিউকুলাস ডিজাইনে কারা সহযোগী হয়?

আগেই বলা হয়েছে এনজিওবাদী, পরিবেশবাদী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সুশীল, লিবসেকু, এলজিবি, জেনজি এবং সাথে আরো যুক্ত করা হয় বাম-সোশালিস্ট, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট, হিউম্যান রাইটস এক্টিভিস্ট, উইমেন এক্টিভিস্ট, মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া, মোডারেট ইসলামপন্থী, মোডারেট বামপন্থী সহ যাদের ইংরেজি উচ্চারণ স্পষ্ট ও স্মার্ট এবং চেহারায় বাংলাদেশের প্রথম আলোর মতিউর রহমানের চেহারার মতো একটা ইনোসেন্ট ভাব রয়েছে সেসকল ব্যক্তিবর্গ।

মেটিউকুলাস ডিজাইনের ভবিষ্যৎ কী?

এর ভবিষ্যত ভয়াবহ। এবার যদি ভারতে এই ডিজাইন ফেইল করে তবে এই ডিজাইন আর কাজ করবে না। এই ডিজাইন বন্ধ করার ফর্মূলা হচ্ছে, এনজিও-র অর্থসংস্থান, সুশীল সমাজের মুভমেন্ট, মতিস্টার জাতীয় মিডিয়া গ্রুপ এবং মোডারেট বাম ও ইসলামপন্থীদেরকে রেস্ট্রিকশনের মধ্যে রাখা..

18/07/2026

একজন মা একজন নারী সন্তানকে ঘাতকের সামনে দেয় স্বাধীনতার জন্য,
স্বাধীন বেলুচিস্তানের জয় হোক,

10/07/2026

রাশিয়ার দুনিয়া ধ্বংস করার মত পারমাণবিক ক্ষেপনাস্ত্র আছে, যুদ্ধে তাদের এত সেনা নিহত হবার পরও তারা সেগুলোর একটাও ইউক্রেনে মেরেছে? মারেনি কারণ তারা সন্ত্রাসী রাষ্ট্র নয়, তারা নৈতিক ও সমানুপাতিক যুদ্ধ করছে। আওয়ামী লীগেরও ক্ষমতা আছে এই দেশের সরকার, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঘুম হারাম করে দেবার মত, মার্কিন দূতাবাস উড়িয়ে দেবার মত। কিন্তু তাদের উপর এত হত্যা ও এত অনাচারের পরেও তারা একটা পটকাও ফুটিয়েছে, একটাও হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে? ঘটায়নি, কারণ তারা এদেশের জামাত বিএনপি মোল্লা মিলিটারির মত সন্ত্রাসী দল নয়। তারা জানে তারা গণতান্ত্রিক এবং আইনসিদ্ধ রাজনৈতিক দল। তারা জানে জনগণ তাদের পক্ষে আছে। এবং তারা জানে তারা নির্বাচনে জিতেই ক্ষমতায় আসবে আইনসিদ্ধ পথে। তবে এর পর থেকে আর মার্কিন শয়তানবাদীদের প্ররোচনায়, পাকি বুদ্ধি পরামর্শে এদেশের জামাত বিএনপি মোল্লা মিলিটারির মিথ্যাচারের রাজনীতি চলেব না। ধর্মের নামে ভূয়া হাদিসের ইসলামের পাক মার্কিন দালালিগিরির রাজনীতির সামনে দুর্দিন।
ইন শা আল্লাহ

15/06/2026

১৯৯৩ সালে গুলিবিদ্ধ হয়ে উড়ার ক্ষমতা হারিয়েছিল মালেনা। তারপর ক্রোয়েশিয়ার এক ছোট্ট গ্রামের ছাদেই কেটে যায় তার জীবন। কিন্তু প্রতি বছর প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে তার কাছে ফিরে আসত ক্লেপেতান। টানা প্রায় দুই দশক ধরে চলা এই ঘটনাই আজ পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত প্রাণিজগতের গল্পগুলোর একটি। অথচ আমরা মানুষেরা মনে করি অন‍্যপ্রাণীদের অনুভূতি মানুষের মতো তীক্ষ্ণ, তীব্র না!
==================

১৯৯৩ সাল। ক্রোয়েশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ছোট্ট গ্রাম ব্রডস্কি ভারোশের আকাশে সেদিনও অন্য দিনের মতো উড়ছিল একটি সাদা সারস। হঠাৎ শিকারিদের গুলিতে তার একটি ডানা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। সেই মুহূর্তেই যেন বদলে যায় তার পুরো জীবন। সারসটির নাম মালেনা। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে সে আর কোনোদিন আকাশে ডানা মেলে উড়তে পারেনি। যেসব সারস জন্মগতভাবে আকাশকে নিজের ঘর মনে করে, তাদের মধ্যে একজনকে হঠাৎ মাটিতে থেমে যেতে হয়েছিল। সেই অসহায় সময়ে তাকে আশ্রয় দেন অবসরপ্রাপ্ত পরিচর্যাকারী স্টিয়েপান ভোকিচ। নদীর ধারে আহত অবস্থায় মালেনাকে খুঁজে পাওয়ার পর তিনি তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। শীতের কনকনে ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে বানিয়ে দেন আলাদা ঘর, নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং বছরের পর বছর তাকে নিজের পরিবারের সদস্যের মতো যত্নে রাখেন। অন্য সারসেরা যখন প্রতি বছর হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে আফ্রিকার পথে উড়ে যেত, মালেনা তখন ভোকিচের বাড়ির ছাদে বসে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকত।

২০০১ সালে সেই অপেক্ষার রং বদলে যায়। এক পুরুষ সারস এসে মালেনার পাশে বাসা বাঁধে। তার নাম দেওয়া হয় ক্লেপেতান। শীত এলেই সে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে উড়ে যেত, আর বসন্তের শুরুতেই আবার ফিরে আসত মালেনার কাছে। গবেষকদের হিসেবে এই যাত্রাপথের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার। আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল, ভূমধ্যসাগর এবং ইউরোপের নানা অংশ অতিক্রম করে সে প্রতি বছর একই বাড়ির একই ছাদে ফিরে আসত। এই ফিরে আসা একবার বা দুবার নয়, টানা প্রায় দুই দশক ধরে নথিবদ্ধ হয়েছে। ক্রোয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম প্রতি বছর ক্লেপেতানের আগমনের খবর প্রকাশ করত, আর হাজার হাজার মানুষ অপেক্ষা করত কবে আবার সেই সাদা সারসটি মালেনার পাশে এসে দাঁড়াবে।

মালেনা উড়তে না পারলেও তাদের সংসার থেমে থাকেনি। ভোকিচের সহায়তায় ক্লেপেতান ও মালেনা একসঙ্গে মোট ৬৬টি ছানার জন্ম দেয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। প্রতি বছর ছানারা বড় হলে ক্লেপেতান তাদের নিয়ে দক্ষিণে উড়ে যেত। মালেনা থেকে যেত নিজের বাসায়। একদিকে দীর্ঘ অপেক্ষা, অন্যদিকে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের যাত্রা—তারপরও প্রতি বসন্তে আকাশ যেন আবার তাদের মিলিয়ে দিত। এই দৃশ্য বহু মানুষের কাছে শুধু প্রাণিজগতের ঘটনা ছিল না, বরং এমন এক সম্পর্কের ছবি হয়ে উঠেছিল, যার ব্যাখ্যা হয়তো সবসময় বিজ্ঞানের ভাষায় মেলে না।

তবে তাদের জীবন সবসময় শান্ত ছিল না। ২০১৭ সালে ক্লেপেতান ফিরে এসে দেখতে পায়, মালেনার বাসায় আরেকটি পুরুষ সারস রয়েছে এবং একটি ডিমও রয়েছে সেখানে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্লেপেতান সেই প্রতিদ্বন্দ্বী সারসকে তাড়িয়ে দেয় এবং ডিমটিও নষ্ট করে ফেলে। ঘটনাটি ক্রোয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যমে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। এতে স্পষ্ট হয়, সারসদের জীবনেও এলাকা রক্ষা এবং সঙ্গীকে ঘিরে প্রতিযোগিতা কতটা প্রবল হতে পারে।

২০১৯ সালে ক্লেপেতান সময়মতো না ফেরায় অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন সে আর বেঁচে নেই। কিন্তু ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে সে আবার ফিরে আসে। ২০২১ সালেও সে মালেনার কাছে ফিরে এসেছিল। সেই বছরই, ৭ জুলাই, ২৮ বছর ধরে স্টিয়েপান ভোকিচের স্নেহে বেঁচে থাকার পর মালেনার মৃত্যু হয়। সে সময় তার বয়স ছিল প্রায় ২৮ বছর। পরবর্তীকালে ক্রোয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়, ক্লেপেতান এখনও জীবিত এবং তার নতুন সঙ্গীর নাম ম্লাদা। ভোকিচের বাড়ির কাছেই আপেল গাছের নিচে মালেনাকে সমাধিস্থ করা হয়েছে, আর মাঝে মাঝে ক্লেপেতান সেই জায়গার আশপাশে এসে দাঁড়ায় বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।



এই সত্য ঘটনাটি ইন্টারনেট থেকে নেয়া

28/04/2026

আর্টিস্ট #শেখহাসিনার
সিরাজগঞ্জ ৬৮ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ পার্ক, অবস্থান: সয়দাবাদ/সৈ য়দপুর, যমুনা নদীর তীর, সিরাজগঞ্জ
Front Line

28/04/2026

এক নজরে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের উন্নয়নের তালিকা:-
১. পদ্মা সেতু ও রেল লাইন।
২. মেট্রোরেল।
৩. এলিভেটেড এক্সপ্রেস।
৪. থার্ড টার্মিনাল।
৫. হাতিরঝিল প্রকল্প।
৬. পূর্বাচল তিনশো ফিট।
৭. উড়াল সেতু নির্মাণ।
৮. যমুনা রেল সেতু।
৯. সমুদ্র সীমা বিজয়।
১০. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট।
১১. রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
১২. কর্নফুলি ট্যানেল।
১৩. কক্সবাজার রেল লাইন।
১৩. কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
১৪. ঢাকা ও চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে।
১৫. পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
১৬. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
১৭. মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
১৮. ১১৯ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন।
১৯. পায়রা সমুদ্র বন্দর।
২০. ১০০ টি ইকোনমিক জোন।
২১. ৫৬০ টি মডেল মসজিদ।
২২. ১৬৮১ টি মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ।
২৩. কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি।
২৪. উন্নয়নশীল দেশে উন্নীতকরণ।
২৫. রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান।
২৬. সমস্ত দেশকে রেলওয়ে আওতায় আনার উদ্যোগ।
২৭. ফ্লাইওভার নির্মাণ।
২৮. মহাসড়ক গুলো চার,ছয় ও আট লাইনে উন্নতি করন।
২৯. এশিয়ান হাইওয়ে রোড প্রকল্প।
৩০. ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ।
৩১. ফ্লাইওভার নির্মাণ।
৩২. নদী ভাঙ্গন রোদ প্রকল্প।
৩৩. শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি।
৩৪. বয়স্ক ভাতা।
৩৫. মাতৃত্বকালীন ভাতা।
৩৬. বিধবা ভাতা।
৩৭. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা।
৩৮. শিক্ষা ভাতা।
৩৯. প্রতিবন্ধী ভাতা।
৪০. স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা।
৪১. জেলেদের খাদ্য সহায়তা।
৪২. ঈমামদের ভাতা।
৪৩. বৈশাখী ভাতা।
৪৪. ডি জি ডি কার্ড।
৪৫. ভি জি এফ কার্ড।
৪৬. ও এম এস কর্মসূচি।
৪৭. ১০ টাকা মুল্যে চাল বিতরণ।
৪৮. বিনামূল্যে বই।
৪৯. কমিউনিটি ক্লিনিক এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা।
৫০. দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি।
৬০. মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি।
৬১. বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ।
৬২. আরবি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।
৬৩. শেখ হাসিনা বার্ন হাসপাতাল।
৬৪. প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল তথ্য সেবা।
৬৫. মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা বৃদ্ধি।
৬৬. কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
৬৭. কৃষিতে সফলতা।
৬৮. নারীর ক্ষমতায়ন।
৬৯. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি।
৭০. মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি।
৭১. ছিটমহল সমস্যার সমাধান।
৭২. দেশের বিভিন্ন স্থানে বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ।
৭৩. একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প।
৭৪. দেশ ব্যাপি বহুতল আদালত ভবন নির্মাণ।
৭৫. মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ।
৭৬. গ্রাম আদালত কার্যকর।
৭৭. ডিজিটাল পাসপোর্ট।
৭৮. কুলাউড়া -শাহবাজপুর,বড়লেখা নতুন রেললাইন

আহা অনন্তকালের শেষ ভালোবাসা 😭গোপালগঞ্জের নি'হত কাস্টমস অফিসার ও তার সহধর্মিণী।
27/04/2026

আহা অনন্তকালের শেষ ভালোবাসা 😭

গোপালগঞ্জের নি'হত কাস্টমস অফিসার ও তার সহধর্মিণী।

23/04/2026

সাপুড়িয়া যখন সর্পদংশনের স্বিকার!

Address

Dhaka
3708

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Front Line posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category