28/06/2025
পুরুষের দায়িত্ব অনেক, একথা সত্যি। তাই বলে তাকে অনুভূতিহীন যন্ত্র ভাবা বন্ধ করুন। এমনও অনেক পুরুষ আছেন যারা সারাদিন পর বাড়ি ফিরে মা কিংবা স্ত্রীর কাছে দুটো ভালো ভালো কথা, আশা-ভরসার কথা শোনার বদলে নালিশের পরে নালিশ শুনে যায়। বহু দীর্ঘ সংগ্রামের পর যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন শুরু হয় একে একে সবার আবদার-আহ্লাদ মেটানোর পালা। দিতে না পারলেই মুখ কালো, প্রশ্ন শুনতে হয়- কী করেছো আমাদের জন্য? এর-ওর-তার শখ পূরণ করতে গিয়ে নিজের দুইটা শখ পূরণের জন্য পুরুষটিকে হয়তো দশবার ভাবতে হয়।
কত পুরুষ আছেন যাদের বোন বিবাহযোগ্য হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, এরপর বোনের বিয়ে হলে তবেই নিজে বিয়ের মুখ দেখতে পান। ভাই-বোনের সমস্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না, স্ত্রীর মন রক্ষা করার জন্য মাকে বাড়িতে আসতে নিষেধ করতে হয়, মায়ের মন রক্ষা করার জন্য স্ত্রীকে বকাঝকা কখনোবা মা/র/ধো/র করতে হয়! ছেলের সংসারে অশান্তি হতে দেখে যে খুশি হয় সে কেমন মা? স্বামীর মাকে অসম্মানিত হতে দেখলে যে শান্তি পায় সে কেমন স্ত্রী?
মা নাকি বউ- এই দ্বন্দ্বের ভয়ে বিয়েকেই ভয় পান অনেক পুরুষ। অথচ একজন পুরুষের জীবনে এই দুইজন নারীর থেকে বেশি অবদান কারও হওয়ার কথা নয়। একজন যদি জান্নাত হয়, অপরজন তবে জান্নাতে যাওয়ার সার্টিফিকেট। কিন্তু কখনো কখনো এই দু’জনের দ্বন্দ্বেই পুরুষটির জীবন হয়তো জাহান্নাম হয়ে যায়!
__________________
, ,