Emon

Emon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Emon, Photographer, Cumilla.

01/04/2020

১৮ থেকে ২৫ বছর ছেলে/মেয়েদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন বয়স।

সামনে কি আছে জানা নেই আবার পিছনে ফিরে যাওয়ারও কোন উপায় নেই। এই বয়স সব চেয়ে কষ্টের। না কিছু বলা যায় না কিছু করে দেখানো যায়।

এই বয়সে পায়ের উপর পা তুলে নাটক দেখা যায় না আবার কার্টুন চ্যানেল তো দেখলেই বলে বাচ্চামী,ন্যাকামী।

এই বয়সে যতই কষ্ট থাকুক না কেন মুখে হাসি রাখতেই হবে।
কয়েক বছর আগে যে আন্টিরা বলতো বাহ্ সাইন্স নিছো ভালো তো।

আজ ওই আন্টিরাই বলে চাকুরী পাচ্ছ না,বিয়ে করবে কবে,বেকার ছেলেদের মেয়েরা বিয়ে করে না/শোন মেয়ে এতো পড়াশোনা করে কি করবা সেই তো স্বামীর ঘরে তালা বাসন মাজতেই হবে।

এই বয়সে খাবার টেবিলে তরকারি পছন্দ না হলেও চুপচাপ বসে খেতে হয়। হাজার কথার মাঝে ঠোঁটের কোনায় মুচকি হাসিটা রাখতেই হয়।

এই বয়সে জ্বর,সর্দি-কাশি হলে কারো চোখে পড়ে না। বরং সবাই বলে বসে না থেকে কিছু কর। আমরা তো এই বয়সে অসুস্থ কি ভাবতেই পারিনি,
তবুও এতো কষ্টের মাঝে বলতে হয় করবো।

সত্যিই এই বয়সটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের সবচেয়ে বড় একটা অংশ। যারা এইগুলো কথা বলে তারা কিভাবে বুঝবে মনের ভিতর কি।

আজকাল টাকা/চাচা ছাড়া কিছুই হয় না। তাই বলে কি সবাই ঘরে বসে থাকে। না থাকে না সবার যোগ্যতা আছে ব্রেইন আছে,ইচ্ছা শক্তি আছে।
আজ সময় তাদের সাথে খেলছে ওয়েট একদিন তারাও দেখাবে।

জীবন সত্যিই কঠিন কিন্তু অসম্ভব বলে কিছুই নেই। তাই সবসময় নিজের প্রতি আত্নবিশ্বাস রাখো। আগামী দিন শুধুই তোমার জন্য।

____কাফিজা

01/04/2020

বাঁকা চাহনি

মায়াময় তোমার
বাঁকা চোখের চাহনিতে
একটা মাতোয়ারা নেশা ঘোর নেশা,
কখন যে বুকের বা পাশে আঘাত হেনেছে
বলা-ই, মুশকিল!
ঝরে যদি যা-ই, বালু মাটির মত
তোমার চোখের তীরে ক্ষতবিক্ষত হয়ে
তুমি কী বুক পেতে নেবে আমাকে?
ভেঙে যেতে দিও না,আমি তোমার মাঝে-ই,
বসত ভিটা সাজাতে চাই!

তোমার দৃষ্টিতে জোগায়
মনের প্রেরণা
কথোপকথন শব্দবিহীন আলিঙ্গন
কত যে স্বপ্নের অট্টালিকা গড়ে যায়!

রাতের আঁধারের উজ্জ্বলতা
গোলাপের পাঁপড়ি
কাজল কালো আঁখি
এক অদ্ভুত ঘোর নেশা তোমার চাহনিতে
যেনো মরে মরে আবার বেঁচে যা-ই!

তোমার হরিণী চোখ দুটি
বিধাতার কাছ থেকে পাওয়া
আমার জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার,
আমি যে জ্বলে যাই-পুড়ে যাই,
যখনই তাকাই
মাতোয়ারা হয়ে যা-ই!

26/02/2020

'২ জিবি র‍্যামের' ফোনের মতো 'বিরক্তিকর' আর কিছুই নাই!
৩৬৫ দিন এর মধ্যে ৩০০ দিন ই আপনার চোখের সামনে একটা নোটিফিকেশন ঘুরবে 'Storage space running out!'
এবার আরো 'সমস্যার' কথা বলি!
নোটিফিকেশন আসছে ভালো কথা! আসার জিনিস আসেই! ফোন টা স্লো হয়ে যায়,এই জিনিস ই পেইন দেয় বেশি! ধরেন আপনাকে কেউ ফোন দিয়ে বললো "একটু তাড়াতাড়ি অনলাইনে আয়!'' 'আসতেসি' বলে লাইন কেটে দিলেন। আঘা ঘন্টা পরে সে আবার কল দিয়ে বললে 'কিরে! অনলাইনে আসতে বললাম না?'
আপনি 'হতাশ' কন্ঠে বলবেন 'ভাইরে! কি বালের অনলাইনে আসবো! আমার ফেসবুক,মেসেঞ্জার এত্ত স্লো হয়ে গেছে! ফোন রিস্টার্ট দিলেও কাজ হয়না!

তখন আপনার এপ আপডেট দিতে ইচ্ছে করবে৷ আপডেট দিতে গেলে মোবাইল আবার জানাই দিবে 'জায়গা নাই ব্রো!' আপডেট দিতে গেলে কিছু ডিলিট করতে হবে! অথচ ডিলিট করার মতো কিছুই নাই আর ফোনে!

আবার ধরেন বহু প্যারা খেয়ে ফেসবুকে ঢুকলেন! হুট করে দেখবেন সব আটকে গেছে! এপ কাজ করতেসে না!
ফেসবুক এপ থেকে মেসেঞ্জারে যেতে আরো ৪০-৫০ সেকেন্ড লাগে! মেসেঞ্জারে কেউ আপনাকে যদি 'আই লাভ ইউ' বলে, তার রিপ্লাই দেওয়ার আগেই আপনি ব্লক খেয়ে যেতে পারেন! মেসেজ সীন করে ফেলে রাখছেন! কিছু রিপ্লাই ও দিতে পারছেন না কারন আপনার কিবোর্ড স্লো হয়ে গেছে কিংবা কাজ করতেসে না!

কারো মোবাইলে ছবি তুলছেন কিংবা কারো মোবাইলে সুন্দর একটা মুভি আছে। 'আমাকে দে আমাকে দে' বলে প্রচুর এক্সাইটেড হয়ে দিতে বলবেন! পরে আপনার মনে পড়বে 'আপনার মোবাইলে জায়গা নাই!'

ভাইরেভাই! কি পরিমান ধৈর্য্য নিয়ে যে দুই জিবি র‍্যামের ফোন ইউজ করতেসি! নিজেকে দেখলে নিজের ই স্যালুট দিতে ইচ্ছে করে! স্যালুট ব্রো!

শুনো তুমাকে বলছি...জীবনে অনেকে মানুষই কাছে আসবার আকুলতা দেখাবে। মুগ্ধ করবার চেষ্টা করবে। একটা সুন্দর সময় সৃষ্টির প্রতিশ্...
20/02/2020

শুনো তুমাকে বলছি...

জীবনে অনেকে মানুষই কাছে আসবার আকুলতা দেখাবে। মুগ্ধ করবার চেষ্টা করবে। একটা সুন্দর সময় সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিবে। মায়া নিয়ে প্রতিটা শব্দ খরচ করবে। জীবনকে গুছিয়ে দিতে চাইবে।

অথচ, দিনশেষে এরা কেউই হয়তো জীবনে থাকবেনা। কারো সাথে দুটো সুখ দুঃখের শব্দ ব্যায় করেই তাকে কোন জায়গা করে দিতে নেই। নিঃসঙ্গ আবসরে কারো সাথে নানান শব্দের বিনিময়ে সময়টা সুন্দর হয় হয়তো। কিন্তু সেই মানুষের সাথে জীবনটাও সুন্দর, এটা ভাবা বোকামি।

মানুষ তোমাকে মুগ্ধ করতে চাইবে। তোমাকে তার সমস্ত পৃথিবী বানাবে। সকালে চোখের জল আসবার কথা বলে, ভোর রাতে ঠিকি তোমাকে কাদিয়ে, শাসিয়ে, ভেঙ্গেচুরে চলে যাবে। মানুষের ধর্মই হলো- সৃষ্টির সম্ভবনা তৈরী করে বিন্যাস ঘটিয়ে দূরে সরে আসা।

মানুষের দু-চার লাইন বাক্যে মুগ্ধ হইয়ো না। সুন্দর কথা বলা মানুষের চেয়ে, তোমার সাথে কথা বলতে না পারার সুযোগহীনতায় যে মানুষটি ভেতরে ভেতরে মরে যাচ্ছে তাকে ভালোবাসো। তবেই তুমি প্রকৃত ভালবাসা উপভোগ করতে পারবে।

06/04/2019

কতগুলো ব্যান্ড ভেঙে গেছে। নতুন গান আসবে না। নতুন এলবাম আসবে না। আইয়ুব বাচ্চু মারা গেল। বেজবাবা অসুস্থ। জেমসের বয়সও তো কম হয়নি। মাইকেল জ্যাকসান মারা গেছে বহু দিন। চেস্টার বেনিংটন সুইসাইড করলো চোখের সামনে। নতুন ফানি ভিডিও বানাবে না আর মিস্টার বিন। হিথ লেজারকে আর কোনোদিন জোকার চরিত্রে দেখা যাবে না। শাহরুখ, সালমান, আমির বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। শৈশবের হিরোরা এখন ফানি লাগে। অসুস্থ কন্টেন্টে ভরপুর ফেসবুক আর চালাতে ভালো লাগে না। আব্বু আম্মুর বয়স হয়ে যাচ্ছে। আব্বু কে এখন আর আগের মত ভয় পাই না। ভাই বোন যার যার মত থাকে। একসাথে হাসি আনন্দ অথবা মারামারি হয় না
আক্ষরিক অর্থেই আমরা এই পৃথিবীর সবচাইতে ভাগ্যবান জেনারেশন। নব্বইয়ের মাঝামাঝি থেকে দুই হাজার পাঁচ- ছয় সাল অব্দি আমরা যারা শৈশব কাটিয়েছি এই বাংলাদেশে তারা কি পাইনি! তিন গোয়েন্দা আর ‘দীপু নাম্বার টু’ পড়া দিয়ে শুরু। কিশোর মুসা রবিন আর জীনার সাথে আমাদের কী ভীষণ বন্ধুত্ব! তারপর একটু বড় হতেই মাসুদ রানার রোমাঞ্চকর জগতে প্রবেশ। সাথে এক হাতে বাংলা সাহিত্য এবং নাট্যজগত অন্যরকম ভালোলাগায় গড়ে দেয়া সেই মানুষটা। হিমু, মিসির আলী, শুভ্র, জহির, মুহিব, অপলা, জরী, তিলু, নীলু থেকে শুরু করে বাকের ভাই, মজিদ, টুনি, তিতলী- কঙ্কা, চৌধুরি খালেকুজ্জামান, চ্যালেঞ্জার, ফারুক, ডাক্তার এজাজ, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সূবর্ণা মুস্তফা, হুমায়ূন ফরিদী, শাওন। আমরা সবকিছু পড়েছি, দেখেছি, হেসেছি, কেদেছি, ভালোবেসেছি। রোনালদো, রোনালদিনহো, জিদানের শেষটা দেখতে না দেখতেই প্রবেশ করেছি মেসি- রোনালদোর অতিমানবীয় জগতে। বছরের পর বছর ধরে কি দূর্দান্ত প্রতিযোগিতা, হাজার অর্জন, সবকিছু ছাড়িয়ে যাওয়া ম্যাজিক আর মুগ্ধতা। রাতদিন কত আলোচনা সমালোচনা ঝগড়া আর তর্ক।
অতিমানবীয় শচিন টেন্ডুলকারে শ্রেষ্ঠ সময় দেখেছি, শেষটা দেখেছি। অস্ট্রেলিয়ার অপ্রতিরোধ্য টিমের খেলা দেখেছি। লারা, ম্যাকগ্রা, মুরালীকে দেখেছি। তারপর প্রবেশ করেছি বিরাট কোহলির পারফেকশনের জগতে। প্রবেশ করেছি সাকিব-তামিম-মাশরাফির যুগে। একটা নড়বড়ে দলকে চোখের সামনে মাথা উচু করে দাঁড়াতে দেখছি। আমি নিশ্চিতকরে বলতে পারি কোনো একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিতে নিলেও আজকের এই জয়ের তীব্র আবেগটা থাকবে না। আমাদের সময়েই তো শুরুটা হচ্ছে। জেমস, আইয়ুব বাচ্চু, বেজবাবা, আর্টসেল, শিরোনামহীন, মাইলসের সবচাইতে সুন্দর সময়ের সাক্ষী আমরা। একের পর এক দূর্দান্ত গানে ভেসে যাওয়া জেনারেশন আমরা। আমরাই একমাত্র যারা বখে যাওয়া শৈশবে না, যৌবনের শেষের ক্লান্তিতেও না, খুব বেশি সহজলভ্য ইন্টারনেট যুগে প্রবেশ করেছি তারুণ্যে উজ্জ্বল সময়ে।
গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম সবকিছু পেয়েছি। স্মার্টফোনে অসাধারণ সব ফিচার পেয়েছি। শাহরুখ – সালমান- আমিরের সময়ের মানুষ আমরা। সিনেমা দেখার ঠিকঠাক বয়সে আমরা হাতের কাছে পাচ্ছি দুনিয়ার সমস্ত সিনেমা কয়েক মিনিটে ডাউনলোড করে দেখার সুযোগ। আইএমডিবি রেটিং খুজে ফরেস্ট গাম্প, বিউটিফুল মাইন্ড, শশাঙ্ক রিডেম্পশান, ইন্টারস্টেলার দেখে মুগ্ধ হওয়ার সৌভাগ্য। আমাদের সময়ে সিনেমা বানাচ্ছে ক্রিস্টোফার নোলান নামের একজন মানুষ। আমরা সিনেমা শেষ করে তব্দা খেয়ে বসে থাকছি। শৈশবের সব সুপার হিরো নিয়ে পর্দায় এসেছে জাস্টিস লীগ আর এভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়্যার।
আমরা কি ভীষণ ভাগ্যবান একটা জেনারেশন। আমাদের গর্ব করার কত কিছু আছে। নস্টালজিক হওয়ার কত স্মৃতি আছে। আবেগে ভেসে যাওয়া কত মুহূর্ত আছে। মুগ্ধতায় ডুবে যাওয়া কত সৃষ্টি আছে। মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খাওয়া শেষ জেনারেশন বোধহয় আমরা। বাবাকে জমের মত ভয় পাওয়া শেষ জেনারেশনও সম্ভবত আমরাই। নাম না জানা অসংখ্য সুস্বাদু পিঠেপুলি আর কয়টা শীতের সকালে খাওয়া হবে কে জানে!
টিভিতে আলিফ লাইলা, সিন্দাবাদ, রবিনহুড, গডজিলা শুরুর মিউজিক বাজলে আমাদের বুকের রক্ত যেভাবে ছলকে উঠতো সেই তীব্র আনন্দ আজকের নারুটো আর ড্রাগন বল জি দেখা বাচ্চারা কোনোদিনও বুঝবে না। শুক্রবার নামের আবেগটা শেষ আমরাই বোধহয় অনুভব করেছি।
আমরা যেমন ভাগ্যবান ঠিক, সাথে সাথে আমাদের দূর্ভাগ্যও কি কম? ভাবতে গেলে আর ভাবনা চালিয়ে যাওয়া যায় না। তিন গোয়েন্দা তো শেষ হয়েই গেছে একরকম, মাসুদ রানা এখন কে লিখে তার ঠিক নেই। সেই স্বাদ পাওয়া যায় না। কাজীদা নব্বই বছর পার করে ফেলেছে, আর কদ্দিন? হুমায়ূন আহমেদ চলে গেছেন। সব বই পড়া শেষ, সব নাটক দেখা শেষ। ভাবতে গেলে কেমন লাগে! প্রথম আলোর সাথে সোমবারে আলপিন দেয় না। বৃষ্টি হলে কাগজের নৌকা ভাসাই না বহুকাল।
আর অল্প কয়টা বছর। তারপর কোনোদিন ফুটবল মাঠে পায়ের ছোয়া পড়বে না মেসি-রোনালদোর। এই দুই অতিমানবের পায়ে সৃষ্টি হবেনা কোনো জাদুকরী মুহুর্ত। আর একটা বিশ্বকাপ। তারপর সাকিব, তামিম, মাশরাফিও কি বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামবে? ভাঙা পা নিয়ে দৌড়াতে গিয়ে কেউ আর পড়ে যাবে না, ভাঙা আঙুল নিয়ে কেউ দশ ওভার বল করবে না, হাতে ব্যান্ডেজ বেঁধে কেউ ব্যাটিংয়ে নেমে যাবে না। লিখতে গিয়ে এই মুহুর্তে আমার চোখে পানি চলে আসছে। পারফেক্ট মুশফিকের সাথে বিপদের বন্ধু মাহমুদুল্লাহ। এই পাঁচজন ছাড়া বাংলাদেশ মাঠে নেমেছে সেটা আমরা কিভাবে সহ্য করবো? কিভাবে!
আর কয়েক বছর পর মানুষ অনেক আধুনিক হবে। আধুনিক সমাজ প্রেমের ব্যাপারে অনেক উদার হবে। আমরাই শেষ জেনারেশন যাদের প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেছে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বিসিএস ক্যাডারের সাথে। একটা মানুষকে ভালোবেসেও শুধুমাত্র সমাজের কারণে একসাথে জীবন কাটানো হয়নি আমাদের।
আমরা একদিন হাজার হাজার স্মৃতি নিয়ে বুড়ো হয়ে যাবো। ভালো লাগা আর খারাপ লাগা দুই ধরনের স্মৃতির ওজনে ভারী হয়ে থাকবে আমাদের বয়সের বোঝা। কোনো এক ক্লান্ত সন্ধ্যার আলো আধারীতে বেলকনির বেতের চেয়ারে বসে আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবব, ‘জীবনটা আসলে খারাপ ছিলো না!’
Collected

26/10/2018

৪৯টি রোমান্টিক মুহূর্ত
১। একসাথে সূর্যোদয় দেখা।
২। ফিস ফিস করে কথা বলা।
৩। একে অপরের জন্যে রান্না করা।
৪। বৃষ্টির ভিতর একসাথে হাটা।
৫। হাত ধরে হাটা।
৬। একে অপরের জন্যে উপহার কেনা ।
৭। মাঝে মাঝে গোলাপ উপহার দেয়া।
৮। পছন্দের কোন সেন্ট ব্যাবহার করা যখন
তারা এক সাথে থাকে।
৯। মাঝ রাতে সমুদ্র সৈকতে হাটা।
১০। একে অপরের জন্যে কবিতা লেখা।
১১। পাবলিক প্লেছ এ কানে কানে বলা আই লাভ ইউ।
১২। বলুন তাকে ভালবাসেন যদিও সে বুঝুক আর
না বুঝুক তবুও বলবেন ।
১৩। কাব্বিক/ফুল/চকলেট ইত্যাদি উপহার
দেওয়া।
১৪। তাকে বলুন,সেই আপনার জীবনের একমাত্র
মেয়ে/ছেলে যাকে আপনি চান।মিথ্যা বলবেন না ।
১৫। যতটুকু সম্ভব একসাথে সময় কাটানোর
চেষ্টা করা।
১৬। ২ জনের চোখে চোখ রাখা।
১৭। তাকে জড়িয়ে ধরে রাখা।
১৮। যখন কোথাও যাবেন তখন একে অন্যের সাথে মজা করা।
১৯। বিভিন্ন ভালবাসার ছোট্ট ছোট্ট কথা কাগজে লিখে তাদের পকেট এ ভরে দিবেন যাতে সে না দেখে।
২০। রিং কিনে দেওয়া।
২১। এক সাথে গান গাওয়া।
২২। সব সময় তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া।
২৩। রাতের খাবার সম্ভব হলে একসাথে খাওয়া।
২৪। তার হাত ধরা , সাথে সাথে তার চোখ ঠোট এর দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকানো এবং আপনার হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া।
২৫। বিশেষ দিনে একটু আলাদা ভাবে উইশ করা।
২৬। না জানিয়ে শপিং এ নিয়ে যাওয়া।
২৭। একসাথে জোছনা দেখা।
২৮। আরেকটা কিউট ব্যাপার ," আমি তোমাকে ভালবাসি " এই
কথাটি কাগজে লিখে তার সামনে আয়নার ভিতর লেখাটি দেখান ।
২৯। অজুহাত দেখাবেন ৫ মিনিট পর পর ফোন করার ।
৩০। আপনি হাজার কাজের মাঝে ব্যস্ত আছেন কিছু করতে পারতেছেন না। শুধু তাকে একবার ফোন করে বলা , '' i love u "(এইটা আমি নিজে প্রমান পাইছি)।
৩১। ছুটিতে থাকা অবস্থায় তাকে ফোন করে বলা , আপনিও এই রকম ছুটির সময়ে তার সাথে কাটাতে চান ।
৩২।সবসময় আপনার স্বপ্নের কথা তাকে জানান এবং এইটা সম্পর্কে কথা বলা।
৩৩।আপনি ওইখানে নেই কারন আপনি তাকে মিস করতেছেন।
৩৪।আপনার মনের ভিতরের কোন গোপন কথা থাকলে তাকে তা বলে ফেলুন।
৩৬।তার চুল গুলো আঁচড়িয়ে দিন পারলে,।
৩৭।তার বন্ধুদের সাথে সময় দেয়া সে থাকাকালিন(সব সময় না)।
৩৮।একসাথে একে অপরের জন্যে প্রার্থনা করা।
৩৯।সে যদি কোন রোমান্টিক মুভি দেখতে লাইক করে দুই জন একসাথে বসে দেখা অই মুভি ।
৪০।একে অপরের থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং ভবিষ্যৎ এ সেই শিক্ষা কাজে লাগান।
৪১।আপনার সুখের মুহূর্ত গুলা তার সাথে শেয়ার করা ।
৪২।একে অপরের জন্যে নিজেদেরকে উৎসর্গ করা
৪৩।একে অপরকে সব সময় ভালবাসা।
৪৪। তাকে বুঝাবেন যে আপনি তাকে ছাড়া একটি সেকেন্ড ও থাকতে পারতেছেন না । মিথ্যে না বলা ।
৪৫।পারলে অন্য ভাষায় কিছু ভালবাসার কথা তাকে বলা।
৪৬।তার জন্যে পারলে গান ডেডিকেট করা রেডিও তে।
৪৭।কথা বলতে বলতে ঘুমিয়ে যাওয়া।
৪৮।কেউ কোন খারাপ কথা বললে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।
৪৯। ঘুমানোর আগে সবসময় শুভ রাত্রি বলে ঘুমাতে যাওয়া , এবং বলবেন " sweet dreams
#এবার একটু মন খুলে মুচকি হাসুন তো
হাসলে যা লাগবে না।

21/10/2018

_ ০১
প্রতিদিন ঘুমান গড়ে সর্বোচ্চ ৬ ঘণ্টা। বেশি সময় নয়, ভালভাবে ঘুমানোই বড় কথা।মোবাইল সাইলেন্ট করে আর ল্যাপটপ দূরে রেখে ঘুমাবেন।
_ ০২
মোবাইলের ড্রাফ্টসে কিংবা একটা নোটবুকে আপনার মাথায় বিভিন্ন মুহূর্তে যে ভাল কথা কিংবা চিন্তাভাবনা আসে, তা লিখে রাখবেন।সাধারণত সুন্দর চিন্তাগুলি দুইবার আসে না।
_ ০৩
প্রতিদিন ৩০ মিনিট নিয়ম করে কোন একটা মোটিভেশনাল বই পড়ুন কিংবা লেকচার শুনুন। এ সময় নিজের ইগোকে দূরে রাখবেন।
_ ০৪
কোন সময় মন যদি খুব অশান্ত হয়ে যায়, এবং কিছুতেই সেটাকে শান্ত করা না যায়, তবে ১০ মিনিট হাঁটুন আর হাঁটার সময় নিজের পদক্ষেপ গুনুন। আরেকটা কাজ করতে পারেন। সেটি হল, মাথা থেকে সমস্ত চিন্তা বের করে দিয়ে মাথাটাকে সম্পূর্ণ ফাঁকা করে দিয়ে চুপ করে ১০ মিনিট আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা।
_ ০৫
প্রতিদিন সকালে উঠে সেদিন কী কী কাজ করবেন, সেটি একটা কাগজে ১০ মিনিটে লিখে ফেলুন। কাগজটি সাথে রাখুন। আগের দিনের চাইতে অন্তত একটি হলেও বেশি কাজ করার কথা লিখবেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মিলিয়ে নিন, সবগুলি করতে পেরেছেন কিনা।
_ ০৬
যে কাজটা করা দরকার, সে কাজে জেদি
হওয়ার চেষ্টা করুন।
কাজটার শেষ দেখে তবেই ছাড়ুন।
_ ০৭
যিনি আপনাকে তার জীবনে অপরিহার্য মনে করেন না, তাকে আপনার জীবনে অপরিহার্য মনে করার বাজে অভ্যেস থেকে সরে আসুন।যে আপনাকে ছাড়াই সুস্থভাবে নিঃশ্বাস নিচ্ছে তার জন্যে দম আটকে মরে যাওয়ার মানে হয় না।আপনি কত সময় ধরে তার সাথে ছিলেন, সেটা বড় কথা নয়;বরং সামনের সময়টাতে কত বেশি তাকে জীবন থেকে ডিলিট করে থাকতে পারবেন, সেটাই বড় কথা।
_ ০৮
খুব দ্রুত পড়ার অভ্যাস করুন। পড়ার সময় কীভাবে অপ্রয়োজনীয় অংশগুলিতে চোখ বুলিয়ে যেতে হয়, সেটা শিখুন। প্রয়োজনীয় অংশগুলি দাগিয়ে দাগিয়ে বারবার পড়ুন। এতে আপনার পড়ার সময় কমে যাবে।
_ ০৯
আপনার বর্তমান অবস্থার দিকে তাকান। দেখবেন, কিছু কিছু বিষয়ে স্রষ্টার অনুগ্রহে আপনি অনেক বিপদ কিংবা দুর্ভাগ্য থেকে বেঁচে গেছেন এবং ভাল আছেন।ঘুমাতে যাওয়ার আগে শুকরিয়া আদায় করে ঘুমান।
_ ১০
বিভিন্ন মোটিভেশনাল বই,বিভিন্ন গ্রেটম্যানদের বায়োগ্রাফি,বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থএসব বই পড়ার সময় অবশ্যই বিশ্বাস করে পড়তে হবে। যদি আপনি পৃথিবীতে সবকিছুই যুক্তি দিয়ে বিচার করেন, তবে পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটা আপনার জন্য কঠিন হতে পারে। তবে বইগুলিতে যা যা আছে, সেগুলির মধ্য থেকে আপনার দরকারি জিনিসগুলিকেই গ্রহণ করুন।
_ ১১
মাসে অন্তত দুইদিন রোযা রাখুন। রোযা মানসিক শক্তি বাড়ায়, সহনশীল এবং বিনীত হতে শেখায়।
_ ১২
ব্যাগে অন্তত একটি ভাল বই রাখুন আর সুযোগ পেলেই পড়ুন। মোবাইলেও পিডিএফ আকারে বই রাখতে পারেন।
_ ১৩
প্রতিদিন অন্তত একজন ব্যক্তিকে সাহায্য করুন কিংবা ক্ষমা করে দিন। এতে আপনার নিজের প্রতি সম্মানবোধ বাড়বে। নিজেকে সম্মান করুন সবচাইতে বেশি।
_ ১৪
সপ্তাহে একদিন বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভোর হওয়া দেখুন। এটি আপনার ভাবনাকে সুন্দর করতে সাহায্য করবে।
_ ১৫
একটা সহজ বুদ্ধি দিই : অন্য মানুষকে সম্মান করে না, এমন লোকের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন। উদ্ধত লোকের কাছ থেকে তেমন কিছুই শেখার নেই।
_ ১৬
নিজের চারিদিকে একটা দেয়াল তৈরি করে রাখুন। সে দেয়ালেঘেরা ঘরে আপনি নিজের মতো করে নিজের কাজগুলি করার জন্য প্রচুর সময় দিন। এতে আপনি অন্যদের চাইতে একই সময়ে বেশি কাজ করতে পারবেন। সবাইকেই সময় দিলে আপনি নিজের কাজগুলি ঠিকমতো করতে পারবেন না।
_ ১৭
প্রতিদিন একটা ভাল বইয়ের অন্তত ৩০ পৃষ্ঠা না পড়ে ঘুমাতে যাবেন না। ফেসবুকিং করার সময় বাঁচিয়ে বই পড়ুন। বই পড়ে, এমন লোকের সাথে মিশুন। যে ছেলে কিংবা মেয়ে বই পড়ে না, তার সাথে প্রেম করার কিছু নেই। আর যদি ভালবেসেই ফেলেন, তবে তাকে বইপড়া শেখান।
_ ১৮
আপনার চাইতে কম মেধা আর বুদ্ধিসম্পন্ন লোকজনের সাথে সময় কম কাটান। তবে কখনওই তাদেরকে আঘাত করে কোন কথা বলবেন না। একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তির সাথে একবার কথা বলা ২০টা বই পড়ার সমান। ভুল লোকের সাথে সময় কাটানোর চাইতে একা একা থাকা ভাল।
_ ১৯
প্রতিদিন আপনি যতটুকু কাজ করতে পারেন, তার চাইতে কিছু বাড়তি কাজ করুন।
_ ২০
সপ্তাহে একদিন ঘড়ি এবং মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে একেবারে নিজের মতো করে সময় কাটান। সেদিন বাইরের পুরো দুনিয়া থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলুন এবং যা যা করতে ভাল লাগে কিন্তু ব্যস্ততার কারণে করা হয় না, সেসব কাজ করে ফেলুন।
_ ২১
আপনি সম্মান করেন কিংবা পছন্দ করেন, এমন কোন ব্যক্তির ১০টি ভাল গুণ কাগজে লিখে ফেলুন। এরপর আপনি বিশ্বাস করুন যে, সে গুণগুলি আপনার মধ্যেও আছে এবং যতই কষ্ট হোক না কেন, সে গুণগুলির চর্চা করতে থাকুন। উনি যেরকম, সেরকম হওয়ার অভিনয় করুন। উনি যেভাবে করে কাজ করেন, একই স্টাইলে কাজ করুন। এ কাজটি ২ সপ্তাহ করে দেখুন, নিজের মধ্যে একটা পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
_ ২২
অন্যরা করার আগেই নিজেই নিজের বাজে দিকগুলি নিয়ে মাঝে মাঝে প্রকাশ্যে ঠাট্টা করুন। এতে করে আপনার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়বে।
_ ২৩
প্রতিদিনই এমন দুটি কাজ করুন, যেগুলি আপনি করতে পছন্দ করেন না। করার সময় বিরক্ত লাগলেও থেমে যাবেন না। যেমন, এমন একটি বই পড়তে শুরু করুন, যেটি আপনার পড়া উচিত কিন্তু পড়তে ইচ্ছা করে না। কিংবা এমন একজনকে ফোন করুন যাকে ফোন করা দরকার কিন্তু করা হয়ে ওঠে না। কিংবা বাসার কমোডটি পরিষ্কার করে ফেলুন। এতে করে আপনার দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা বাড়বে।
_ ২৪
আপনি যেমন হতে চান, তেমন লোকের সাথে বেশি বেশি মিশুন। খেতে পছন্দ করে, এমন লোকের সাথে মিশে আপনি ওজন কমাতে পারবেন না।
_ ২৫
দিনে একবার টানা ৩০ মিনিটের জন্য মৌন থাকুন। ওইসময়ে কারোর সাথেই কোন কথা বলবেন না। খুব ভাল হয় যদি চোখ বন্ধ করে পুরোনো কোন সাফল্যের কিংবা সুখের কোন স্মৃতির রোমন্থন করতে পারেন। এটা মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
_ ২৬
প্রায়ই ভাবুন, আপনি এই মুহূর্তেই মারা গেলে আপনার পরিবারের বাইরে আর কে কে আপনার জন্য কাঁদবে। ওরকম লোকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কী কী করা যায়, ভাবুন এবং করুন।
_ ২৭
সকালে ভোর হওয়ার আগে উঠুন।বেশিরভাগ লোকই রাতে জাগে আর গল্প করে সময় নষ্ট করে।ভোরের আগে উঠতে পারলে, আপনাকে বিরক্ত করার কেউ থাকবে না,আপনি পড়াশোনা করা ছাড়া আর তেমন কোন কাজই পাবেন না।
_ ২৮
কোন একটা কাজ করতে হুট করেই পরিশ্রম করা শুরু করে দেবেন না। আগে বুঝে নিন, আপনাকে কী করতে হবে, কী করতে হবে না। এরপর পরিশ্রম নয়, সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করুন।
_ ২৯
পৃথিবীতে কেউই জিরো থেকে হিরো হয় না। আপনাকে ঠিক করতে হবে, আপনি কোন ব্যাপারটাতে হিরো হতে চাচ্ছেন। আপনি যে বিষয়টাতে আগ্রহ বোধ করেন না, কিংবা যেটাতে আপনি গুরুত্ব দেন না, সেটাতে সময় দেয়া মানে, স্রেফ সময় নষ্ট করা। আপনি যেটাতে সময় দিচ্ছেন, সেটাই একদিন আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে চেনাবে।
_ ৩০
বুদ্ধিমত্তা আর অর্জনের মধ্যে সম্পর্ক খুব ভাল নয়। যার যত বেশি বুদ্ধি, সে তত বেশি এগিয়ে, এরকমটা সবসময় নাও হতে পারে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচাইতে ভাল রেজাল্ট-করা স্টুডেন্টদের শতকরা মাত্র ২০ ভাগ গ্রেটদের তালিকায় নাম লেখাতে পারে। বাকি ৮০ ভাগ আসে তাদের মধ্য থেকে যাদেরকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি। তাই শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও নিজের সাথে লড়াই করে যান।collected...

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category