Ashraf's Mirror

Ashraf's Mirror Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ashraf's Mirror, Photography Videography, Cox's Bazar.

কোটি কোটি মানুষ পেছনে, মানুষ দেখতে সমুদ্র আসছে! 😂
10/12/2025

কোটি কোটি মানুষ পেছনে, মানুষ দেখতে সমুদ্র আসছে! 😂

জীবন যেখানে সবুজ, যান্ত্রিকতা থেকে বহু দূরে। 💚
17/11/2025

জীবন যেখানে সবুজ, যান্ত্রিকতা থেকে বহু দূরে। 💚

শেষেরও একটা রঙ থাকে,শেষেরও একটা সৌন্দর্য থাকে, বিকেলের শেষ এখানেই।। 🌅
02/11/2025

শেষেরও একটা রঙ থাকে,
শেষেরও একটা সৌন্দর্য থাকে,
বিকেলের শেষ এখানেই।। 🌅


ফ্রেম নিজেই ঠিক করেছি, ক্যামেরা সেট করেছি নিজের মতো করে। পকেটে ছিল ব্লুটুথ রিমোট শাটার— মুহূর্তটা থেমে গেছে আমার এক ক্লি...
29/10/2025

ফ্রেম নিজেই ঠিক করেছি, ক্যামেরা সেট করেছি নিজের মতো করে। পকেটে ছিল ব্লুটুথ রিমোট শাটার— মুহূর্তটা থেমে গেছে আমার এক ক্লিকে। 📸



গল্প: ভয়ংকর প্রতিফলন। ঢাকা শহরের হৃৎপিণ্ড, শাহবাগ মোড়ে, কালের নীরব সাক্ষী হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে জাতীয় জাদুঘর। দি...
28/10/2025

গল্প: ভয়ংকর প্রতিফলন।

ঢাকা শহরের হৃৎপিণ্ড, শাহবাগ মোড়ে, কালের নীরব সাক্ষী হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে জাতীয় জাদুঘর। দিনের বেলায় অসংখ্য মানুষের পদচারণায় মুখরিত এই প্রতিষ্ঠান, যেখানে ইতিহাস কথা বলে নিচু স্বরে; কিন্তু রাত নামলে, সব আলো নিভে গেলে, এর বিশাল কাঠামো শুধু চুপ করে তাকিয়ে থাকে, যেন এক গভীর রহস্যের অতলান্তিক।

​আমি - তানভীর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন গবেষক। আমার থিসিসের বিষয় "মোগল আমলের গৃহস্থালি সামগ্রী ও প্রতিফলন সংস্কৃতি"। প্রতিফলন মানে শুধু আয়না নয়, মসৃণ পালিশ করা ধাতু, বা এমন যেকোনো বস্তু, যা মানুষের মুখচ্ছবি ধারণ করতে পারে।
এই গবেষণার জন্য আমি বিশেষ অনুমতি নিয়ে সপ্তাহখানেক ধরে কাজ করছি জাতীয় জাদুঘরের ইসলামিক আর্ট গ্যালারির একটি সংরক্ষিত অংশে।
​সেখানেই সদ্য সংরক্ষণের জন্য এসেছে একটি প্রাচীন আয়না। এটি এখন আমার গবেষণার কেন্দ্রে। জাদুঘরের রক্ষণাবেক্ষণ রেকর্ডে এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় লেখা হয়েছে এভাবে:
​“ফয়জউল্লাহ খাঁ’র গৃহস্থালি সামগ্রী, ১৭৩২ খ্রিষ্টাব্দ। ধাতব পালিশকৃত আয়না।”

​আয়নাটি আকারে বেশ ছোট, লম্বায় এক ফুটের কাছাকাছি, কিন্তু হাতে তুললে এর অপ্রত্যাশিত ভার অবাক করে। এটি সম্পূর্ণই পালিশ করা ধাতু দিয়ে তৈরি। এর পেছনের দিকে সূক্ষ্ম নকশার মাঝে খোদাই করা একটি বাক্য -ইংরেজিতে যার ভাবার্থ দাঁড়ায়, “মুখের প্রতিফলনে হৃদয়ের ছায়া দেখা যায়।”

​প্রথম দিনেই আমি খেয়াল করেছিলাম, আয়নাটা অন্য যেকোনো পুরনো জিনিসের চেয়ে অদ্ভুত। সাধারণত প্রায় তিনশো বছরের পুরনো ধাতব বস্তুতে গভীর অন্ধকার দাগ, মরিচার স্তর বা কালের ধুলো লেগে থাকে। কিন্তু এই আয়নাটি যেন প্রতিদিন যত্ন করে মুছে রাখা হয়, কোথাও কোনো মলিনতার চিহ্ন নেই। এর প্রতিফলনের তীক্ষ্ণতা এবং ধাতুর মসৃণতা দেখে মনে হয় যেন এটি গতকালই তৈরি হয়েছে।
​দিনের বেলায় কাজ করার সুযোগ সীমিত। তাই, কোলাহল এড়াতে এবং নির্জনে গভীর মনোযোগের জন্য আমি রাতের শিফটে কাজের অভ্যাস করেছি।

জাদুঘরের নাইট গার্ড, হোসেন ভাই, প্রথম রাতে হালকা রসিকতার সুরে বলেছিলেন, “স্যার, বারোটা পেরোলে ওই আয়নার ঘরে বেশি থাকবেন না। ওটার কাছে গেলে নাকি আলো নিভে যায়।” আমি বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ। হেসে উড়িয়ে দিয়ে বলেছিলাম, “পুরনো জিনিসে আর্দ্রতার পরিবর্তন হলে আলোর প্রতিফলনে বিকৃতি দেখা যায়, হোসেন ভাই। আর হয়তো ইলেকট্রিকের তারগুলো পুরনো।”

​কিন্তু তৃতীয় রাতের ঘটনা আমার সেই আত্মবিশ্বাসকে নাড়িয়ে দিল।
​আমি নোট নিচ্ছিলাম, গভীর মনোযোগে আয়নাটির আকার, নকশা এবং এর পেছনের খোদাই করা বাক্যটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করছিলাম। ঘড়িতে তখন প্রায় রাত ১২টা ৪৫ মিনিট। জাদুঘরের ভেতরে তখন শুধু আমার নোটপ্যাডের পাতার খসখস শব্দ আর এসি মেশিনের মৃদু গুঞ্জন। হঠাৎ মেরুদণ্ড দিয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত নেমে গেল। মনে হলো, কেউ আমার ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে আছে। নিঃশ্বাস ফেলছে।
​অনিচ্ছা সত্ত্বেও মাথা ঘুরিয়ে দেখলাম- কেউ নেই। কক্ষের ভেতরে আমি একাই।
​কিন্তু যখন আবার আয়নার দিকে তাকালাম, আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে এলো। আয়নায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে আমার ঠিক পেছনে একটি অস্পষ্ট ছায়া। একজন নারীর অবয়ব, মাথার উপর একটি ওড়নার মতো আবরণ, কিন্তু কোমর থেকে নিচের অংশটা একেবারেই ঝাপসা। যেন ছায়াটা শরীরের নয়, কেবল তার উপস্থিতি।
​আমি দ্রুত চোখ মুছলাম। নিজেকে বোঝালাম, আয়নাটা পুরনো ধাতুর, হয়তো ধাতব কণার অসঙ্গতি বা সামান্য মরিচার প্যাটার্নে এমন ছায়ার বিভ্রম তৈরি হয়েছে। এটা স্রেফ ‘প্যারেডোলিয়া’, কোনো পরিচিত অবয়ব দেখার মানসিক প্রবণতা।
l
​কিন্তু পরমুহূর্তে আমার সমস্ত যুক্তি ভেঙে পড়ল।
​আবার আয়নায় চোখ রাখতেই দেখলাম - আমার নিজের প্রতিফলন সামান্য হাসছে।
​আমি হাসিনি। আমার ঠোঁট স্থির, চোখে বিস্ময়। আমি নিশ্চিত, আমার মুখের পেশি সামান্যতম নড়েনি। তবুও আয়নার ভেতরের মানুষটা মৃদু হাসল, যেন একটি গোপন কৌতুক উপভোগ করছে। এরপর সে চোখ নামিয়ে আবার তাকাল আমার দিকেই। হাসিটা মিলিয়ে গেল না, বরং আরও গভীর হলো। এটি ছিল নিছক হাসি নয়, যেন এক নীরব আমন্ত্রণ অথবা উপহাস।
​আমি লাফ দিয়ে চেয়ার ছেড়ে উঠলাম। পুরো রুমের সবকটি ফ্লোরেসেন্ট আলো জ্বালিয়ে দিলাম। তীব্র সাদা আলোয় ঘরটা ঝলসে উঠল।
​তৎক্ষণাৎ সেই ছায়া মিলিয়ে গেল। আয়নাটা তখন নিস্তব্ধ, ঠান্ডা ধাতুর মতো নিশ্চল। তার প্রতিফলন একেবারেই স্বাভাবিক -আমার নিজের হতবিহ্বল মুখ।
​আমার হাত কাঁপছিল। দ্রুত নোটবুকে লিখলাম:
“প্রতিফলন অসঙ্গতি, অপটিক্যাল বিকৃতি, ক্লান্তির কারণে সম্ভাব্য হ্যালুসিনেশন।”
কিন্তু আমার মন কোনোভাবেই মানতে পারছিল না, এটা স্রেফ দৃষ্টিবিভ্রম।
​পরের দিন সকালে আমি একটি উচ্চ-রেজোলিউশনের ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে এলাম। জাদুঘর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ক্যামেরাটি এমনভাবে সেট করলাম যাতে শুধু আয়না এবং তার প্রতিফলনের ক্ষেত্রটি ফ্রেমের ভেতরে থাকে। উদ্দেশ্য তৃতীয় রাতের ঘটনাটির বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা খুঁজে বের করা।
​ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম।
​রেকর্ডিং শুরু হওয়ার পর, প্রথম মিনিটে যখন আমি রুমে প্রবেশ করি, সবকিছু স্বাভাবিক। আলো, আমার গতিবিধি সবই স্পষ্ট। কিন্তু এক মিনিট দশ সেকেন্ড পরে, ভিডিওর ফ্রেমে আয়নার আশেপাশে আমার পেছনে দেখা গেল একটি ঝাপসা, কালো প্রতিফলন। এটি ছায়া নয়, বরং কাঁচের ওপার থেকে কেউ যেন কালো একটি পর্দা দিয়ে তাকিয়ে আছে। এটা ছিল খুবই ক্ষীণ, কিন্তু স্পষ্টতই দৃশ্যমান।
​আমি বিষয়টি গোপন রাখতে চাইলাম। প্রশাসনকে জানালে আমার গবেষণা বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে, নয়তো মানসিক অসুস্থতার অভিযোগ আসতে পারে। নিজেকে বোঝানোর শেষ চেষ্টা করলাম: আলো-ছায়ার প্রতিফলন, ক্যামেরা সেন্সরের ত্রুটি, বা বাতাসের সামান্যতম কম্পন যা ক্যামেরার ফোকাস নষ্ট করেছে।
​কিন্তু সেদিন রাতে, হোসেন ভাই আমার টেবিলের কাছে এসে দাঁড়াল। তার চোখে এক গভীর ভয়।
​“স্যার,” সে ফিসফিস করে বলল, “ওই আয়নাটা আগে আমাদের গুদামে ছিল। ওটাকে কেউ রাখতে চাইতো না।”
​আমি কৌতূহলী হলাম। “কেন?”
​“কয়েক বছর আগে একটা মেয়ে এখানে ইন্টার্নশিপ করতে এসেছিল। সে রাতে কাজ করতে গিয়ে দেখেছিল ওর নিজের মুখে অন্য কারো চোখ। সেই চোখটা ছিল অনেক পুরনো, ক্লান্ত। মেয়েটা পরদিন থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। জ্বর, প্রলাপ... সে কেবলই বলতে থাকত -‘ওটা আমার চোখ নয়, অন্য কেউ দেখছে’।”
​আমি শুকনো হাসি হেসে উড়িয়ে দিলাম, “হোসেন ভাই, এসব জাদুঘরের পুরনো গুজব। এখানে শত বছরের পুরনো জিনিস আছে, গল্প তো থাকবেই।”

​হোসেন ভাই চুপ করে গেল। তারপর মৃদু, প্রায় ফিসফিস করে বলল, “গুজব কিনা জানি না, স্যার। কিন্তু আমি দূর থেকে মাঝে মাঝে দেখি, ওই রুমের আয়নাটা যেন নিজের মতো করে নিশ্বাস নেয়। প্রতিবার আলো যখন সামান্য কাঁপে, আমার মনে হয় আয়নার ভেতরে কিছু একটা খুব ধীরে ধীরে নিশ্বাস ছাড়ছে।”
​চতুর্থ রাতে আমি একাই ছিলাম। মনস্থির করলাম, এবার আমি কোনো ভুল করব না। আমি প্রস্তুত হয়ে গেলাম।
​রাত তখন প্রায় দুটো। জাদুঘরের সব আলো নিভে গিয়েছিল, কেবল সেই গবেষণার রুমটিতে হালকা সাদা টেবিল ল্যাম্পের আলো জ্বলছিল। আমি দরজা খুলতেই আমার ভেতরের টেম্পারেচার মিটারটি হঠাৎ অ্যালার্ম দিল। তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেছে! এই এসি-নিয়ন্ত্রিত ঘরে এমন আকস্মিক পরিবর্তন অসম্ভব। কোনো জানালা খোলা নেই, কোনো ভেন্টিলেশন চলছে না।
​টেবিলের ওপরে আমার নোটবুকের পাতাগুলো নড়ে উঠল, যেন একটা ঠান্ডা, নীরব বাতাস বইছে। আয়নাটা তখনো টেবিলের ওপর স্থিরভাবে শোয়ানো।
​আমি এবার আর পালালাম না। সাহস করে সরাসরি আয়নার সামনে দাঁড়ালাম।
​আমার নিজের প্রতিবিম্ব একদম পরিষ্কার। আমি তাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলাম। এক মিনিট, দুই মিনিট... কিছুই ঘটল না। সবকিছু স্বাভাবিক।
​কিন্তু তৃতীয় মিনিটে, সেই অস্বস্তি ফিরে এলো।
​প্রতিফলনের চোখ পলক ফেলল না। আমার চোখ ক্রমাগত ব্যথায় ভরে উঠল, শুষ্ক হয়ে গেল, কিন্তু আয়নার মানুষটা তাকিয়ে রইল স্থিরভাবে, যেন আমি একটা প্রদর্শনী। তার সেই দৃষ্টিতে কোনো আবেগ নেই, কেবল এক নিরাসক্ত পর্যবেক্ষণ। আমি জানি, আমি পলক ফেলছি, কিন্তু প্রতিফলনের চোখ অনড়।
​তারপর এলো আসল ভয়াবহতা।
​আমি ধীরে ধীরে মাথা ঘুরালাম। কারণ প্রতিফলনের কাঁধের পাশে একটি অতিরিক্ত ছায়া দেখা যাচ্ছিল। আগের রাতের মতো অস্পষ্ট নয়, বরং ঘন কালো, যেন কেউ ঘষা কালো রং দিয়ে এঁকে দিয়েছে।
​আমি দ্রুত পেছনে তাকালাম। আমার পিছনে দেয়াল, একটি শেলফ এবং একটি বন্ধ দরজা ছাড়া আর কিছুই নেই।
​কিন্তু আয়নায় দেখা গেল- একজন লম্বা, গাঢ় অবয়ব ঠিক আমার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। তার হাত ধীরে ধীরে আমার প্রতিফলনের কাঁধে উঠল। সেই হাতটি ছিল প্রাচীন, লম্বা নখ এবং শীর্ণ।
​আমি ঠান্ডা ঘামে ভিজে গেলাম। আমার সমস্ত শরীর অবশ হয়ে গেল। এই প্রথম আমি যুক্তির আশ্রয় ছাড়িয়ে বিশুদ্ধ ভয়ের মুখোমুখি হলাম।
​দ্রুত আমি পকেটে রাখা ছোট হ্যান্ডি-ক্যামেরাটা চালু করলাম, আর অন্য হাতে টর্চ জ্বালালাম। টর্চের তীব্র আলো সরাসরি আয়নার ওপর পড়ল। আয়নার ভেতরের সেই অতিরিক্ত ছায়াটা আলোর ঝাপটায় কাঁপল একবার, তারপর নিভে গেল। পুরো রুমের সাদা আলোটা নিভে গেল সঙ্গে সঙ্গে। সব অন্ধকার।
​আমি অন্ধকারেই রুম থেকে বেরিয়ে এলাম, কোনোদিকে না তাকিয়ে, শুধু দরজাটা সজোরে বন্ধ করে দিয়ে।
​পরদিন সকালে আমি পাগলের মতো ছুটে গেলাম ভিডিও ফুটেজ দেখতে।
​ফাইলটা খুলতেই আমার শ্বাস রুদ্ধ হয়ে গেল। শেষ মুহূর্তের রেকর্ডিংয়ে দেখা যাচ্ছে -আমার ফ্রেমটা অদৃশ্য হয়ে গেছে, অর্থাৎ আমি রুম থেকে বেরিয়ে গেছি। কিন্তু আয়নার ভেতরের প্রতিবিম্বটি তখনো দাঁড়িয়ে আছে। আমার “প্রতিবিম্ব”টি সেই কক্ষের ভেতরে রয়ে গেছে। সে স্থিরভাবে দরজার দিকে তাকিয়েছিল, যেন অপেক্ষা করছিল আমি কখন আবার ফিরব।
​দুইদিন পর, সেই ধাতব আয়নাটি সিল করে রাখা হয় জাদুঘরের স্টোররুমে। রক্ষণাবেক্ষণ ফাইলে লেখা হলো: ““প্রতিফলনের অস্থিতিশীলতা, সরাসরি আলো এড়িয়ে চলুন, ঐতিহাসিক সংরক্ষণের ঝুঁকি।”
​আমি আমার রিপোর্ট জমা দিলাম। তাতে আমি লিখেছি: “ধাতব প্রতিফলনের এই বিকৃতি সম্ভবত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক প্রতিক্রিয়া বা গবেষকের দীর্ঘদিনের ক্লান্তিজনিত দৃষ্টিবিভ্রম।” আমি বিজ্ঞানের কাঠামোতেই সবকিছু আটকে রাখতে চেয়েছি।
​কিন্তু আমি জানি বিজ্ঞান সব কিছুর ব্যাখ্যা দিতে পারে না।
​কারণ গত রাতে, আমার নিজের অ্যাপার্টমেন্টের জানালার কাঁচের ভেতরে আমি দেখেছি-
​আমার প্রতিফলন আমার দিকেই তাকিয়ে ছিল।
​আর আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম স্থির, জানালার থেকে বেশ খানিকটা দূরে। আমি পলক ফেলছিলাম, শ্বাস নিচ্ছিলাম। কিন্তু কাঁচের ভেতরের মানুষটা ছিল নিশ্চল।
​তখন আলো নিভে গেল, কাঁচের ওপারে সেই একই ঠান্ডা, নিরাসক্ত চোখ আমার দিকে তাকিয়ে রইল, যেন চিরন্তন এক পর্যবেক্ষক।
​আমি জানি না ওটা কবে থেকে আমার ঘরে এসেছে। হয়তো সেদিন জাদুঘর থেকে বেরোনোর সময়, আয়নাটা শুধু প্রতিবিম্ব নয়, আমাকেও প্রতিফলিত করেছিল আমার আত্মার একটি অংশকে সে নিজের ভেতরে রেখে দিয়েছিল এবং তার পরিবর্তে অন্য কিছু একটা ছেড়ে দিয়েছিল।
​আজকাল আমি আমার সমস্ত আয়না, কাঁচ এবং মসৃণ ধাতব বস্তু ঢেকে রাখি।
​তবুও মাঝে মাঝে রাতে, দেয়ালে ঝুলে থাকা ছবির কাঁচের ফ্রেমে বা টেবিলের উপর রাখা ল্যাপটপের কালো স্ক্রিনে আমি দেখি -আমার চোখ নয়, অন্য কারো দৃষ্টি তাকিয়ে আছে।
​নিঃশব্দে। স্থিরভাবে। আর সেই দৃষ্টিতে গভীর এক হাসির আভাস -যা আমার হৃদয়ের গভীরে জমাট বাঁধতে থাকা ভয়টাকে উপহাস করে।
©MiskAlMaruf


আমাদের জকিগঞ্জের “তিন নদীর মোহনা” 💙বর্ষায় নেওয়া এই ছবি, যখন পানি প্রায় বেড়ি বাধের খুব নিকটে। 📸এখানে বরাক নদী ভারতের মণ...
28/10/2025

আমাদের জকিগঞ্জের “তিন নদীর মোহনা” 💙
বর্ষায় নেওয়া এই ছবি, যখন পানি প্রায় বেড়ি বাধের খুব নিকটে। 📸

এখানে বরাক নদী ভারতের মণিপুর ও মিজোরাম অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাদেশে এসে এটি দুই শাখায় ভাগ হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী গঠন করে।
সুরমা নদী সিলেট শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, আর কুশিয়ারা নদী সিলেট ও হবিগঞ্জ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বয়ে যায়।
পরবর্তীতে এই দুই নদী আবার মিলিত হয়ে মেঘনা নদী তৈরি করে, যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। 💙

26/10/2025

26/10/2025

ডলফিন মোড়, কক্সবাজার 💙


26/10/2025

SUNSET 💙

Every road teaches something the map never shows...💙💚
26/10/2025

Every road teaches something the map never shows...💙💚


সমুদ্রের নোনাজল পায়ের মৃত চামড়া পরিষ্কার করে দেয়, আর বালির উপর খালি পায়ে হাঁটা প্রাকৃতিকভাবে চামড়ার ঘষামাজা বা এক্সফোলিয়...
26/10/2025

সমুদ্রের নোনাজল পায়ের মৃত চামড়া পরিষ্কার করে দেয়, আর বালির উপর খালি পায়ে হাঁটা প্রাকৃতিকভাবে চামড়ার ঘষামাজা বা এক্সফোলিয়েশনের কাজ করে। এতে পায়ের ত্বক নরম ও মসৃণ হয়। 💙

আজই হাটতে বের হোন খালি পায়ে!! 🌊


রাত মানে শেষ নয়, নতুন শুরুর আগে একটুখানি বিরতি।
24/10/2025

রাত মানে শেষ নয়, নতুন শুরুর আগে একটুখানি বিরতি।


Address

Cox's Bazar
4750

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashraf's Mirror posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share