15/08/2024
আপনি নিশ্চিত থাকুন —
ভারত কখনও যদি বাংলাদেশের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালায় তখন সর্বপ্রথম পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকেই পাশে পাবেন।
'৭১ এর বৈশ্বিক রাজনৈতিক পটভূমি এখন আর নেই।
পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এখন একক স্বার্থে আবদ্ধ। ভারতের আগ্রাসন থেকে বেঁচে থাকার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।
আমাদের তথা Gen-Z এর সমস্যা হলো আমরা পাকিস্তান সৃষ্টির পটভূমি, পাকিস্তানের তৎকালীন শাসকদের আদর্শ, রাজনৈতিক আকাঙ্খা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্ব ইতিহাস জানি না।
NCTB প্রকাশিত বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় পড়ে প্রকৃত ইতিহাস জানা সম্ভব না - এটা বোঝার জন্য অনেক আকলের প্রয়োজন নেই।
শেখ হাসিনার মিথ্যা বলার দক্ষতা থেকেই বোঝা উচিত ঐ বইগুলোতে কি পরিমান মিথ্যা, বিকৃত বা একপাক্ষিক কথা বলা আছে।
মনে রাইখেন –
আজকের বাংলাদেশ আসমান থেকে টুপ করে নাজিল হয়নি।
সেই সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ থেকে তীতুমীর, ঈসা খাঁ থেকে সিপাহী বিদ্রোহ, বঙ্গভঙ্গ থেকে দ্বিজাতীত্ত্ব আর সর্বশেষ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সূচনা প্রতিটি ঘটনা আজকের বাংলাদেশ পাওয়ার পথের অংশ ছিল।
শুধু ১৯৭১ কে মহিমান্বিত করলে সেইসব ঘটনার ফলে নিহত,আহত মানুষের প্রতি অবিচার হবে। অবিচার হবে আমাদের পূর্বপুরুষদের সাথে।
পাকিস্তানের শাসকরা ১৯৭১ এ ভিলেন কিন্তু তার আগেও পাকিস্তানের কেও ভিলেন ছিল না আর স্বাধীনতার পরেও পাকিস্তানের কেউ আর ভিলেন ছিল না।
বাংলাদেশের জন্য এখন এই মুহূর্তে কেউ যদি ভিলেন হয়ে থাকে সেটা - ভারত।
পাকিস্তানের প্রতি নেতিবাচক ধারণা হলো আওয়ামীলীগের ব্রেইনওয়াশিং প্রজেক্টের একটা অংশ। বছরের পর বছর নাটক, সিনেমা, সংবাদমাধ্যম আর পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে এই ব্রেইনওয়াশিং করা হয়েছে।
এখন সময় গোলামীর জিঞ্জির থেকে মুক্ত হবার। বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার জন্য পদযাত্রা শুরু করুন সত্য জানার মাধ্যমে।
আমি বলতেছিনা আপনি পাকিস্তানের সাথে পিরিত করেন।
আমি বলতেছি হুদাই পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের প্রতি ঘৃণা রাইখেন না।
পাকিস্তান আপনার কোনও ক্ষতি করবে না, ১৯৭১ এর খান আর ভুট্টো আর নাই। ওদের কেউ পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না।
এতটুকুই'