MD MUNIR KHAN MS

MD MUNIR KHAN MS MUNIR
SNIGDHA

08/09/2023

পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন সকল বাবা মায়ের জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ তায়ালা যেনো সবাই কে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন আমিন।

03/04/2023
26/01/2023

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

এক লোক কোন মাহিলাকে চুম্বন করে। তারপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে এ বিষয়টি বর্ণনা করল। রাবী বলেন, তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “সলাত প্রতিষ্ঠা করবে দিনের দু’ প্রান্তে এবং রাতের কিয়দংশে। নিশ্চয়ই সৎকর্ম গুনাহসমূহকে দূর করে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এটা তাদের জন্য এক উপদেশ”- (সূরাহ্‌ হূদ ১১ : ১১৪)। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! এ বিধান কি একমাত্র আমার জন্য? তিনি বললেন, আমার উম্মাতের যে কেউ এ ‘আমাল করবে তার জন্যও (এ বিধান)।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিম ৬৮৪৯

25/01/2023

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্ বিজয়ের দিবসে আবূ কুহাফাহ্ (রাঃ) কে নিয়ে আসা হলো; তাঁর চুল-দাড়ি ছিল ‘সাগামা’র ন্যায় শুভ্র। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, একে একটা কিছু দিয়ে পাল্টে দাও; তবে কালো রং থেকে বিরত থাকবে।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিম ৫৪০২

25/01/2023

ইবনু’ উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার লুঙ্গিটি একটু ঝুলানো অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! তোমার ইয়ারটি (লুঙ্গি বা পায়াজামা) উপরে উঠও। সে সময় আমি তা উপরে উঠালে তিনি আবার বললেনঃ আরো উপরে। আমি আরো উপরে তুললাম। তখন থেকেই সব সময় আমি এর ব্যাপারে সজাগ থাকি। উপবিষ্ট লোকদের একজন বলল, কত উপরে (তুলেছিলেন)? তিনি বললেন (নিস্‌ফ সাক) অর্ধ গোছা পর্যন্ত।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিম ৫৩৫৫

23/01/2023

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

এক ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাক্ষাতের জন্য অন্য এক গ্রামে গেল। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য পথিমধ্যে একজন ফেরেশ্তা নিযুক্ত করলেন। সে ব্যক্তি যখন ফেরেশ্তার কাছে পৌছল, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছো? সে বলল, আমি এ গ্রামে আমার এক ভাইয়ের সাথে দেখা করার জন্য যেতে চাই। ফেরেশ্তা বললেন, তার কাছে কি তোমার কোন অবদান আছে, যা তুমি আরো প্রবৃদ্ধি করতে চাও? সে বলল, না। আমি তো শুধু আল্লাহর জন্যই তাকে ভালবাসি। ফেরেশতা বললেন, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে (তাঁর দূত হয়ে) তোমার কাছে অবহিত করার জন্য এসেছি যে, আল্লাহ তোমাকে ভালবাসেন, যেমন তুমি তোমার ভাইকে তাঁরই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ভালবেসেছ।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিিম ৬৪৪৩

21/01/2023

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

যখন কেউ ব্যভিচার করতে থাকে তখন তার থেকে ঈমান বের হয়ে তার (মাথার) উপর ছায়ার ন্যায় অবস্থান করতে থাকে। অতঃপর যখন সে অবসর হয় তখন ঈমান তার নিকট ফিরে আসে।

রেফারেন্সঃ
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৯০

20/01/2023

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা স্বামী স্ত্রীর কয়টি জায়গায় চুমু দেওয়া যাবে কথায় কথায় চুমা দিতে হয় । এই আমলটি করলে স্বামী-স্ত্রীর আল্লাহ ভালোবাসা বাড়িয়ে দেন। দিনের খেদমত করে সবাইকে ভিডিওটি দেখার সুযোগ করে দিন।

20/01/2023

জুম্মা মোবারক,,,,,,,,,,,,,,,, আজকে আয়াত/ হাদিস ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

মাসজিদে জুমু’আহর সালাতে তিন ধরনের লোক এসে থাকে। এক শ্রেণীর লোক জুমু’আহয় উপস্থিত হয়ে অনর্থক কথা ও কাজে লিপ্ত হয়। সে তার ‘আমল অনুসারেই তার অংশ পাবে। আরেক শ্রেণীর লোক জুমু’আহুয় এসে দু‘আ করে, মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর নিকট প্রার্থণা করে। তিনি ইচ্ছে করলে তাদের দু‘আ কবুল করতে পারেন অথবা নাও করতে পারেন। আরেক শ্রেণীর লোক জুমু’আহয় উপস্থিত হয়ে চুপচাপ থাকে, কোন মুসলিমের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে যায় না এবং কাউকে কষ্ট দেয় না। এই কাজ গুলো ঐ ব্যাক্তির জন্য ঐ জুমু’আহ হতে পরবর্তী জুমু’আহ পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরো তিনদিন পর্যন্ত গুনাএর কাফফারা হবে কেননা মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেছেন, “যে ব্যাক্তি একটি নেকীর কাজ করবে বিনিময়ে তাকে তার দশ গুন সওয়াব দেয়া হবে” (সূরাহ আল-আনআমঃ ১৬০)।

রেফারেন্সঃ
সুনানে আবু দাউদ ১১১৩

19/01/2023

আজকে আয়াত/ হাদিস ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,

যে ব্যক্তি সওম পালন করে তার প্রতি দোষারোপ করো না এবং তার প্রতিও না যে সওম ছেড়ে দেয়। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের অবস্থায় (কখনো) সিয়াম পালন করেছেন (আবার কখনও) সওম ছেড়ে দিয়েছেন।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিম ২৪৯৯

17/01/2023

আজকের আয়াত হাদিস। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

এক ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাক্ষাতের জন্য অন্য এক গ্রামে গেল। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য পথিমধ্যে একজন ফেরেশ্তা নিযুক্ত করলেন। সে ব্যক্তি যখন ফেরেশ্তার কাছে পৌছল, তখন ফেরেশতা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছো? সে বলল, আমি এ গ্রামে আমার এক ভাইয়ের সাথে দেখা করার জন্য যেতে চাই। ফেরেশ্তা বললেন, তার কাছে কি তোমার কোন অবদান আছে, যা তুমি আরো প্রবৃদ্ধি করতে চাও? সে বলল, না। আমি তো শুধু আল্লাহর জন্যই তাকে ভালবাসি। ফেরেশতা বললেন, আমি আল্লাহর পক্ষ থেকে (তাঁর দূত হয়ে) তোমার কাছে অবহিত করার জন্য এসেছি যে, আল্লাহ তোমাকে ভালবাসেন, যেমন তুমি তোমার ভাইকে তাঁরই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ভালবেসেছ।

রেফারেন্সঃ
সহিহ মুসলিিম ৬৪৪৩

حَدَّثَنِي عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله ....

17/01/2023

মসজিদে জামাত শুরু হয়ে গেলে বা জামাতের সময় ঘনিয়ে আসলে প্রায়ই আমরা দৌঁড়ে গিয়ে জামাতে সামিল হই। ইমাম যদি রুকুতে থাকেন তাহলে আমাদের দৌঁড়ের গতি বেড়ে যায়। এতে দুর্ঘটনা ঘটার আশংকাও থাকে। জামাতে সামিল হতে এভাবে দৌঁড়ানো, সরাসরি আল্লাহর রাসূলের (সা) সুস্পষ্ট হাদীসের লংঘন! নিচে অনেকগুলো হাদীসের মধ্য থেকে দুইটি হাদীস উল্লেখ করা হলো।

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি যে,
‘‘যখন নামাযের জন্য ইক্বামত (তাকবীর) দেওয়া হয় তখন তোমরা তাতে দৌড়ে আসবে না, বরং তোমরা গাম্ভীর্য-সহকারে স্বাভাবিকরূপে হেঁটে আসবে। তারপর যতটা নামায (ইমামের সাথে) পাবে, পড়ে নেবে। আর যতটা ছুটে যাবে, ততটা (নিজে) পূরণ করে নেবে।’’
(সহীহুল বুখারী ৬৩৬, ৯০৮, মুসলিম ৬০২, তিরমিযী ৩২৭, নাসায়ী ৮৬১, আবূ দাউদ ৫৭২, ৫৭৩, ইবনু মাজাহ ৭৭৫, আহমাদ ৭১৮৯, ৭২০৯, ৭৬০৬, ৭৭৩৫, ২৭৪৪৫, ৮৭৪০, ১০৫১২, ১৩১৪৬, মুওয়াত্তা মালিক ১৫২, দারেমী ১২৮২)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ
সলাতের জন্য ইক্বামত দেয়া হয়ে গেলে তোমরা দৌড়াদৌড়ি বা তাড়াহুড়া করে সলাতে এসো না। বরং প্রশান্তি সহ গাম্ভীর্য রেখে সলাতে শারীক হও। অতঃপর ইমামের সাথে যতটা সলাত পাও তা আদায় করো। আর যতটা না পাবে তা পূরণ করে নাও। কেননা তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সলাত আদায়ের সংকল্প করে তখন সে সলাতরত থাকে বলেই গণ্য হয়। (সহীহ মুসলিম ই.ফা ১২৩৫, ই.সে. ১২৪৭)

মনে হতে পারে আমরা তো আল্লাহর দিকেই নেক উদ্দেশ্যে দৌঁড়ে যাচ্ছি। তাহলে তা খারাপ হবে কেন? কারণ হচ্ছে- রাসূল (সা) স্পষ্ট ভাষায় জামাত ধরার জন্য তাড়াহুড়া করে দৌঁড়ে যেতে নিষেধ করেছেন। আমরা যারা মুসলিম তাদের জন্য এই একটা কারণই যথেষ্ট। এরপর মনের বাড়তি প্রশান্তির জন্য যদি জানতে চাই এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য কী?

তাহলে বলা যায় মসজিদ আল্লাহর ঘর। আল্লাহ তো সারা বিশ্ব জাহানের রব। বিশ্ব জাহানের একক মালিক। তাঁর দরবারে কি আমরা দৌঁড়ে যেতে পারি? আমাদের অফিসের বসের মিটিংয়ে কি হন্তদন্ত হয়ে দৌঁড়ে গিয়ে উপস্থিত হই? কোনো গণ্যমান্য ব্যক্তির সাথে সাক্ষাত করতে গেলে কি আমরা নম্র ভাবে বিনয়ের সাথে, গাম্ভীর্যের সাথে যাই না? সেই একই কারণে দৌঁড়ে মসজিদে যাওয়া আল্লাহর রাসূলের (সা) একাধিক হাদীস দ্বারা নিষেধ। এছাড়াও দৌঁড়ে গেলে আমাদের হার্টবিট বেড়ে যায়, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে আসে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন আমিন

Address

Chittagong

Telephone

+8801790947368

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD MUNIR KHAN MS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MD MUNIR KHAN MS:

Share

Category