02/08/2025
এক সময় তিনি ছিলেন খান গ্রুপ অব কোম্পানির ডিরেক্টর, কোটি কোটি টাকার মালিক। স্ত্রী ছিলেন মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষক, দুই কন্যাসন্তানের জনক তিনি। অথচ নিজের বাবা-মা, ভাই-বোনের প্রতি কোনো দায়িত্বশীলতা ছিল না—সব প্রিয় ছিল শুধু স্ত্রী আর শ্বশুরবাড়ি।
অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হারালেন সব—বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, এমনকি প্রিয়তমা স্ত্রীও। ব্রেন স্ট্রোকে প্যারালাইসড হওয়ার পর দেড় বছর আগে স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দেন। মেয়েরা বাবার কাছে আসতে অস্বীকার করে, কারণ এতে নাকি তাদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভাইবোনেরা বিদেশে, তাদের কোনো খোঁজ নেই।
আজ তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুয়ে আছেন, শরীরের একপাশে পচন ধরেছে। সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সুস্থ হলে হয়তো বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই হবে তার।
জীবন সত্যিই অদ্ভুত—যার জন্য গড়েছো স্বপ্নের প্রাসাদ, শেষে হয়তো সেই-ই ভেঙে দেয় সব। আজ তিনি একা, নিঃস্ব, নিরঞ্জন।
এই দুনিয়াতে কেউ কারো নয়,
স্বার্থ ফুরিয়ে ফেলে সবাই দূরে রয়।