প্রিয়তমাツ

প্রিয়তমাツ ফুলপ্রেমী লেখিকা🌼
হরর,মার্ডার মিস্ট্রি ও থ্রিলার গল্প পেতে লাইক বাটনে ক্লিক করে পাশে থাকুন।
ধন্যবাদ।

25/02/2024

কেউ আঘাত করলে কাঁদতে নেই।কারন মানুষ আঘাত করে কাঁদানোর জন্যই।আর যখন উদ্দেশ্য সফল হয় তখন তারা শান্তি পায়।যে আঘাত করল তাকে কেন শান্তি দিবি।শক্ত থাকবি।বুঝিয়ে দিবি তুই এতো দুর্বল না।যারে তারে পাত্তা দিসনা।হাজার কষ্টেও কাঁদবিনা।কান্না সাময়িক সময়ের জন্য মন হালকা করে।পুরোপুরি নয়।যে তোকে আঘাত দিবে তাকে তুই তোর চালচলন দিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দিবি।তখন তার মুখটা দেখে তোর যে শান্তিটা হবে সেটা কান্না করার পর হবেনা।এই শান্তি স্থায়ী।

12/01/2024

ইদানিং মানুষ আত্মসম্মানের নামে ইগো বাড়িয়ে নিচ্ছে! সহজ থেকে কঠিন হচ্ছে , আবেগ লোকাতে গিয়ে প্রিয় মানুষ হারাচ্ছে, কষ্ট পাচ্ছে কিন্তু কাঁদতে পারছে না..!

ব্যাক্তিত্ব দেখাতে গিয়ে অহংকারী হচ্ছে, স্মার্ট হতে গিয়ে অশ্লীল হচ্ছে, স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড সাজতে গিয়ে অভদ্র হচ্ছে, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে নিজেকে শিক্ষিত দাবী করছে।

কিন্তু সবাই কেনো জানি ❝মানুষ❞ হতে ভুলে যাচ্ছে----

08/10/2023

আড়াই বছর সংসার করে যা বুঝলাম - বউ পালার জন্য শুধু ইনকাম করতে জানলেই হয় না, চুলে তেল দিয়ে দিতে জানতে হয়, মাথা আচড়ায় দিতে জানতে হয়, বেনী করে দিতে জানতে হয়, হাত পায়ের নখ কেটে দিতে জানতে হয়, হেয়ার এন্ড ফেসপ্যাক লাগায় দিতে জানতে হয়, হাতে মেহেদী লাগায় দিতে জানতে হয়, জামা কাপড় আয়রন করে দিতে জানতে হয়। আর এগুলো না জানলে প্ল্যান "বি" ও আছে - রাগ ভাঙ্গানো। তবে সেটা থেকে উপরের কাজগুলো একত্রে বেশী সহজ বাবাগো

06/10/2023

তীব্র সর্দি লাগছে!
সর্দি লাগলে আমি নস্টালজিক হয়ে যাই। ছোট বেলার কথা মনে পড়ে যায়।

আমি তখন ক্লাস ফাইভের নিয়মিত ছাত্র, প্রতিদিন স্কুলে যাই। রোদ-ঝড়-বৃষ্টি, জ্বর-সর্দি- কাশি কিছুই আমাকে আটকাতে পারেনা। এক অজনা কারণে স্কুলের প্রতি আমার তীব্র টান তৈরী হয়েছে।

"পরিবেশ পরিচিতি সমাজ" বিষয়ের উপর পাঠদান চলছে। সর্দিহেতু আমি পিছনের বেঞ্চে বসে স্যারের অগোচরে আমার নাসিকারন্ধ্রের অনিয়ন্ত্রিত জল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি কিন্তু পারছিনা কেবলই উঁকিঝুঁকি মারছে।
তৎপ্রেক্ষিতে জল মুছার কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে সুকৌশলে পাশের বেঞ্চে বসা সহপাঠী বালিকার ওড়নায় নাক ঝেঁড়ে ফেললাম।

ক্লাসে মনোযোগী বালিকা প্রথমে বুঝতে না পাড়লেও কিয়ৎক্ষন বাদে বুঝে যায়। ফলশ্রুতিতে প্রচন্ড শুচিবায়ুগ্রস্ত সেই বালিকা স্বীয় বক্ষাবরণী ভূমিতে নিক্ষেপ পূর্বক ক্রোধ ও কান্নার সমন্বয়ে এক অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি আরম্ভ করিলো।
বালিকার এহেন কাণ্ড প্রত্যক্ষ করিয়া শ্রদ্ধেয় সমাজ স্যার পাঠদান স্থগিত পূর্বক বালিকাকে সুধালেন,
- হে বালিকা তুমি এমন নৃত্য করিতেছো কেনো? কী হইয়াছে তোমার?
বালিকা তাহার বক্ষাবরণী তাচ্ছিল্যের সহিত ঊর্ধ্বে তুলিয়া আমাকে দেখাইয়া কহিলো,
- স্যার, এই পোংটা বালক আমার বক্ষাবরণী দিয়া তাহার নাসিকা নিঃসৃত জল মুছিয়াছে!

শ্রদ্ধেয় সমাজ স্যার তাহার উপবিষ্ট আসন পরিত্যাগ পূর্বক সরেজমিন উপস্থিত হইয়া বালিকার বক্ষাবরণী অনুসন্ধান করিয়া তাহাতে আমার নাসিকারন্ধ্রের ঘন জল লাগিয়া থাকার প্রমাণ পাইলেন এবং ক্ষণকাল বিলম্ব না করিয়া তাহার হস্তে থাকা সন্ধি বেত দ্বারা আমার পশ্চাৎদেশে উত্তমরূপে প্রহার করিতে লাগিলেন।

সন্ধি বেতের প্রহার আমার জন্য তেমন ধর্তব্য কিছুনা, ইহাতে আমি অভ্যস্ত। কিন্তু স্যার অত্যন্ত অবিবেচকভাবে তাহার নির্বাহী ক্ষমতাবলে আদেশ করিয়া বলিলেন,
- যা পুষ্করিণী হইতে ওড়নাটা ধৌত করে নিয়ে আয়।

স্যারের আদেশ শিরোধার্য!
আমি জীবনের প্রথম কোনো মেয়ের বক্ষাবরণী নিজ হস্তে ধৌত করিয়া আনিলাম।
এবার স্যার বলিলেন,
- যা মাঝ মাঠে ওড়না নিয়ে রোদে দাঁড়িয়ে থাক।

অতঃপর
আমি বালিকার ভেজা লাল ওড়না দু'হাতে নিয়ে মাঝ মাঠে দাঁড়িয়ে রইলাম। পুবাল হাওয়ায় বালিকার ওড়না প্রেমের পতাকার মতো উড়ছে। বিদ্যালয়ের অন্যান্য বালিকাগণ আমার দিকে তীর্যক দৃষ্টি নিক্ষেপ করিয়া ব্যাঙ্গ করিতে লাগিলো।
সে এক দারুণ লজ্জামিশ্রিত আনন্দময় অনুভূতি।

06/10/2023
06/10/2023

06/10/2023

একটা মেয়ে ফেসবুকে কালো চুরির পিক পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখে দিয়েছিলো "আজ কেউ নাই বলে চুরি গিফট করে না!!😪

আমি তার পোষ্টে কমেন্ট করেছিলাম "আজ কেউ নাই বলে চুরি গিফট করতে পারি না" 😪

সেই মেয়েটি এখন আমার বউ ❤️ প্রথম যেদিন দেখা করেছিলাম , কালো চুরি তার হাতে পরিয়ে দিয়ে ছবি তুলছিলাম 😊

অনেক সুখেই কাটছে আমাদের সংসার !!!
১ টা বেবিও হয়েছে কিছুদিন হলো ।

-বাকি মিথ্যা কথা কাল বলবো এখন বায়🙄

23/09/2023

- হ্যালো তুই কই?
- দোস্ত আমি স্লিপিং পিল কিনে আনছি।
- কেন?
- আমি মারা যাব দোস্ত! আমি সুইসাইড করব!
- কেন সুইসাইড করবি কেন?
- আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।
- পাগলামি করিস না দোস্ত! তুই গ্রামে আয়! যত তাড়াতাড়ি পারিস গ্রামে আয়।
- না’রে আমি আর গ্রামে যাব না । আমি মারা গেলে আব্বা আম্মার সাথে তুই আসিস দোস্ত আমার লাশ নিতে!
- দোস্ত! এখন পাগলামি করার সময় না । আমি তোকে একটা কাজে ফোন দিয়েছি! একটা খারাপ খবর আছে!
- আমার আর খারাপ খবর! এত কষ্ট নিয়ে আমি বাঁচতে পারব না দোস্ত! আমি মরবো এখনই মরবো আমি ফোন রাখতেছি । মাফ করিস আমায়...
- দোস্ত শোন শোন! তোর মা কিছুক্ষণ আগে মারা গেছে
- কি?
- হ্যাঁ, বাড়ির সবাই অনেক কাঁন্নাকাটি করছে । আমি তোকে এই খবর জানাতেই কল দিয়েছি।
- কি বলিস তুই! এটা হতে পারে না আমার মা মরতে পারে না, আমি আসতেছি!
পাগলা ছেলেটা মেস থেকে দৌঁড়ে নেমে রিকশা নিল ।
রিকশাওয়ালা অবাক হয়ে বলল,
- কানতেছেন কেন মামা? কি হইছে? আল্লাহ্ রে ডাকেন মামা! কাইন্দেন না।
ছেলেটা শার্টের হাতা দিয়ে চোখ মুঁছল । গতকাল রাতেও মা কল দিয়েছিল । তখন গার্ল ফ্রেন্ড এর সাথে তুমুল ঝগড়া হচ্ছিল । মা ফোন দিয়ে বলল,
- বাবা খাইছিস? পড়া শোনা কেমন চলে?
- উফফ মা এত জ্বালাও কেন! এত কল দিও না তো!
বলে সে লাইনটা কেটে দিয়েছিল । ছেলেটা বাসে জানালার কাঁচে মাথা ঢেকিয়ে বসে রইল । ঢাকা যেদিন প্রথম এসেছিল সে । মা পাশে ছিল । মা’র মুখটা চোখে ভাসছে । চোখ থেকে টপটপ করে পানি পড়ছে!
গতমাসে বাড়ি গিয়েও মা’কে দেখেছে রান্না ঘরে রান্না
করছে । এবার আর মা নেই । মোবাইলটা ভুলে মেসে ফেলে রেখে এসেছে সে । বাসটা কখন গ্রামে পৌঁছাবে!
ছেলেটা বাস থেকে নেমে পাগলের মতন দৌঁড়াতে শুরু করল ।
একজনের সাথে ধাক্কা লেগে মাটিতে উপর হয়ে পড়ে গেল কাদার উপর । ময়লা কাদা শরীরে নিয়ে বাড়িতে গেল ।
বাড়িটা শুনশান মৃত নগরীর মতন হয়ে আছে । বাড়িতে কেউ নেই?
ছেলেটা ক্লান্ত পায়ে উঠোনে এসে দাঁড়াতেই ঘর থেকে তার মা বের হয়ে এল!
পাগল ছেলেটা “মা” বলে চিৎকার দিয়ে মাকে গিয়ে জড়িয়ে ধরল! মা অবাক হয়ে বলতে লাগল, আমার পাগলা বাবার কি হইল আবার? আমার বাবা কাঁন্দে কেন? ও বাবুর বাপ! আমার ছেলে কাঁন্দে কেন???

বন্ধুটি তারপর একদিন ছেলেটিকে বলেছিল,
গার্লফ্রেন্ড ছাড়া জীবন অচল? হা হা হা!🤣
জীবনে আর কিছুই নাই? ওকে মামা ঠিকাছে! এখন স্লিপিং পিল খাইয়া মইরা যাও!
আমি আর তোরে মিথ্যা কমু না.....!

23/09/2023

টিউশনে নাস্তা দেয়ার সময় রুমের ভিতর থেকে স্টুডেন্ট এর আম্মু তাকে ডেকে বলল, "তোমার স্যারের নাস্তা নিয়ে যাও"।

স্টুডেন্ট নাস্তা নিয়ে আসার সময় দেখল, স্যারের নাস্তা হিসেবে মিষ্টি দেয়া হয়েছে।

তো সে তার মায়ের কাছে বায়না ধরল, "মা আমিও মিষ্টি খাব"।

মা তাকে বুঝিয়ে বলল......

"শোন, উনি তো আর সব মিষ্টি খাবেন না, ভদ্রতা করে একটা দুটো রেখে দেবেন। তখন ঘরে এনে খেও।"

সে রাজি হল। মিষ্টি দেওয়া হল। আমিও খাচ্ছি না শোনার ভান করেই। স্টুডেন্ট দেখল আমি সব মিষ্টিই খেয়ে ফেলসি। সে তখন চেঁচিয়ে উঠল, ----- মা, মা, স্যার তো ভদ্রতাও খেয়ে ফেলল।

23/09/2023

বল্টু বাজারে আলু কিনতে গেল... 🥹🫰

•বল্টু::আলুর দাম কত!😊😊

দোকানদার :১০ টাকা কেজি।🫣🫣

•বল্টু :এতো দাম কেন! আগে না ৬ টাকা ছিল!😑😑

দোকানদার: আগে দিতাম এখন দেই না!🥲🥲

•বল্টু :দুই কেজি আলু দাও।☺️☺️

-আলু নিয়ে টাকা না দিয়ে বল্টু চলে জাচ্ছে...

দোকানদার :এই যে ভাই, টাকা না দিয়ে চলে জাচ্ছেন কেন!🫤🫤

•বল্টু :আগে দিতাম এখন দেই না!🥹🥹

21/09/2023

বল্টুর বউ মারা গেছে, তাকে ভিসন কাঁদতে দেখে এলাকার মুরুব্বিরা এসে কইলো..!🥹🫰

মুরুব্বিরা : কি বেপার বল্টু তোমার মা মারা গেলো, বোন মারা গেলো, এতোটা কাঁদোনি, আর বউ মারা যাওয়াতে এতো কান্না..!

বল্টু : আমিতো বউ এর জন্য কাদছি না...!!🙄🙄

মুরুব্বিরা : তাহলে কেনো কাদছো..!😕😕

বল্টু : যখন আমার মা মারা গেলো তখন এলাকার মহিলারা এসে বল্লো এতো কাদিস না!☺️☺️

-বল্টু তোর মা মারা গেলে কি হয়েছে আমরা আছি না আমারাই তোর মা।😊😊

মুরুব্বিরা : ঠিকিতো আছে তাতে কি হয়েছে..!🥲🥲

বল্টু : আমার বোন যখন মারা গেলো, এলাকার মেয়েরা এসে বল্লো আমরাই তোমার বোন।🫠🫠

মুরুব্বিরা : এটাতো ঠিক আসে তাহলে তোর কান্নার কারন কি..!🫣🫣

বল্টু : কিন্তু আমার বউ মরলো তিন দিন, এখনো কেউ এসে বল্লো না আমারাই তোর বউ...!🥹🥹

21/09/2023

গল্প : কাঁচা মরিচ
"চৌধুরী সাহেব আপনার মেয়ে তো প্রেম করে!"

কঠিন চোখে আসলামের দিকে তাকিয়ে চৌধুরী সাহেব বললেন, "হোয়াট! "

"জি, চৌধুরী সাহেব! আমি নিজের চোখে দেখছি। কামাল মাস্টারের ছেলে রায়হানের সাথে মিতার প্রেম। "

"ফ*কি*ন্নি*র পোলার এত বড় কলিজা! আমার মেয়ের সাথে প্রেম করে!"

চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে চৌধুরী সাহেব বললেন, "আসলাম, রবিনকে বলো গাড়ি বের করতে। আমি এক্ষুনি কামাল মাষ্টারের বাড়ি যাবো। ছোটো*লোককে আজ একটা কঠিন শিক্ষা দিতে হবে।"

দলবল নিয়ে চৌধুরী সাহেব রওয়ানা হলেন কামাল মাস্টারের বাড়ির দিকে। কামাল মাস্টার মা*রা গেছে বছর কয়েক আগে। বাড়িতে ওনার স্ত্রী আর একমাত্র ছেলে রায়হান থাকে। ছোটো একটা টিন*সেড ঘর।

বাড়ির উঠানে চৌধুরী সাহেবের গাড়ি থামল। গাড়ি থেকে নেমেই চৌধুরী সাহেব হুংকার দিলেন, "কে আছিস বাড়িতে বের হয়ে আয়।"

রায়াহানের মা আনোয়ারা বেগম ঘর থেকে বের হলেন। একটা হালকা হাসি দিয়ে বললেন, " আরে চৌধুরী সাহেব যে। গরীবের বাড়িতে কী মনে করে?"

"তোমার ছেলে কোথায়?"

"ও তো ঘরে নাই চৌধুরী সাহেব। "

"তোমার ছেলের এত বড় সাহস হয় কী করে!"

"কী হয়েছে বলেন তো চৌধুরী সাহেব? "

"কী হয়েছে তুমি জানো না! নাকি জেনেও না জানার ভান করছো! ছোটো*লোকদের স্বভাব আমি ভালো করেই জানি!"

"মুখ সামলে কথা বলবেন চৌধুরী সাহেব! আমরা গরীব হতে পারি কিন্তু ছোটলোক না! কী ভেবেছেন আপনি? আমার ঘরে এখনো এক কেজি কাঁচা মরিচ পড়ে আছে।"

চৌধুরী সাহেবের চেহারা কেমন পা*ল্টে গেলো! " ""না, মানে ভাবী আমি এসেছিলাম। আমার মেয়ের সাথে আপনার ছেলের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে!

Address

Muladi
Barishal
1740

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রিয়তমাツ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to প্রিয়তমাツ:

Share

Category