Hafaz Imran Hossain Ovi

Hafaz Imran Hossain Ovi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hafaz Imran Hossain Ovi, Barishal.
(1)

এটা আমার পার্সোনাল Assalamu Alaikum, this is my personal account, here you will find Islamic teaching videos, inshallah Videos, Official, Imran, # # Imran Hussain Abhi, stay tuned for support.

09/11/2025

হে আমার মুমিন বান্দাগণ!
নিশ্চয় আমার জমিন প্রশস্ত সুতরাং আমারই ইবাদত কর। প্রতিটি প্রান মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করিতে হবে, অতঃপর আমার কাছে তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।
সূরা: আল আনকাবুত,
আয়াত: ৫৬-৫৭

খাওয়ার পর প্লেট ধুয়ে পানি পান করা কি সুন্নত ?প্রশ্ন:আসসালামু আলাইকুম! মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, কেউ কেউ মনে করেন য...
23/07/2025

খাওয়ার পর প্লেট ধুয়ে পানি পান করা কি সুন্নত ?

প্রশ্ন:
আসসালামু আলাইকুম! মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, কেউ কেউ মনে করেন যে, খাওয়ার পর প্লেট ধুয়ে পানি পান করা সুন্নত। এই ধারণা কি সঠিক ? দলিলসহ জানালে খুশি হবো।
উত্তর:
وَعَلَيْكُمُ السَّلاَمْ وَ رَحْمَةُ اللّٰهِ وَ بَرَكَاتُهْ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
حَامِدًا وَّمُصَلِّيََا وَّمُسَلِّمًا أمّٰا بَعَدْ

খাবার খাওয়ার পর প্লেটে হাত ধুয়ে সেই পানি পান করা সুন্নত এই ধারণা সঠিক নয়। কারণ রাসূল (ﷺ) অথবা সাহাবায়ে কেরাম কারও থেকেই এটি প্রমাণিত নয়। বরং সুন্নত হলো খাওয়ার পর হাতের আঙ্গুল চেটে খাওয়া এবং প্লেট ভালোভাবে মুছে খাওয়া। কিন্তু কেউ যদি সুন্নত মনে না করে খাবারের পর প্লেট ধুয়ে সেই পানি পান করে। তাহলে এতে কোনো অসুবিধা নেই।
খাওয়ার শেষে আঙ্গুল চেঁটে খাওয়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতেও উত্তম। কারণ আঙ্গুলের মাথা হতে এক প্রকার পদার্থ নির্গত হয় যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। আর এ কারণেই তরকারিতে আঙ্গুল ডোবালে তরকারি খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।

عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِلَعْقِ الأَصَابِعِ وَالصَّحْفَةِ وَقَالَ " إِنَّكُمْ لاَ تَدْرُونَ فِي أَيِّهِ الْبَرَكَةُ " .

১.অর্থ: জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত যে নবী (ﷺ) আঙ্গুল ও প্লেট চেটে খেতে আদেশ করেছেন। আর তিনি বলেছেনঃ তোমরা জানো না (খাদ্যের) কোন অংশে বরকত রয়েছে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২০৩৩ মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং ৪১৬৫ হাদীসের মান: সহীহ)

ﺇﻧﻜﻢ ﻻ ﺗﺪﺭﻭﻥ ﻓﻲ اﻳﻪ اﻟﺒﺮﻛﺔ ﻗﺎﻝ اﻟﻨﻮﻭﻱ ﻣﻌﻨﺎﻩ ﺃﻥ اﻟﻄﻌﺎﻡ اﻟﺬﻱ ﻳﺤﻀﺮ اﻹﻧﺴﺎﻥ ﻓﻴﻪ ﺑﺮﻛﺔ ﻭﻻ ﻳﺪﺭﻱ ﻫﻞ ﻫﻲ ﻓﻴﻤﺎ ﺃﻛﻞ ﺃﻭ ﻣﺎ ﺑﻘﻲ ﻋﻠﻰ اﻷﺻﺎﺑﻊ ﺃﻭ ﻓﻲ ﺃﺳﻔﻞ اﻟﺼﺤﻔﺔ ﺃﻭ ﻓﻲ اﻟﻠﻘﻤﺔ اﻟﺴﺎﻗﻄﺔ ﻓﻴﻨﺒﻐﻲ ﺃﻥ ﻳﺤﺎﻓﻆ ﻋﻠﻰ ﻫﺬا ﻛﻠﻪ ﻟﺘﺤﺼﻞ اﻟﺒﺮﻛﺔ

২. "তোমরা জানো না যে , তোমাদের খাবারের কোন অংশে বরকত রয়েছে" আল্লামা নববী (রহ.) বলেন, মানুষের সামনে যে খাবার উপস্থিত হয়, তাতে অবশ্যই বরকত থাকে। কিন্তু মানুষ জানে না, সেই বরকত সে যা খেয়েছে বা আঙ্গুলে রয়েছে তাতে নাকি যা প্লেটের নিচে রয়েছে এবং যে খাবারটি পড়ে গিয়েছে তাতে? অতএব, বরকত অর্জনের জন্য সব খাবারই ভালোভাবে খাওয়া উচিত। (শরহুস সুয়ূতী আলা মুসলিম হাদীস নং ২০৩৩)

حاشية ابن عابدين: كتاب الحظر والاباحة، ٩/٥٦٢
ومن السنة ... ل*ق القصعة وكذا الاصابع قبل مسحها بالمنديل.

৩. খাবারের সুন্নত হলো, প্লেট এবং আঙ্গুল-সমূহ রুমাল দিয়ে মুছার আগে চেটে খাওয়া। (হাশিয়ায়ে ইবনে আবেদীন: খন্ড ৯ পৃষ্ঠা ৫৬২)

وَاللّٰهُ أعْلَمُ باِلصَّوَابْ

বদ নজর থেকে বাঁচানোর জন্য বাচ্চাদের কপালে টিপ দেওয়া যাবে কি ?প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম! মুফতী সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন হ...
17/07/2025

বদ নজর থেকে বাঁচানোর জন্য বাচ্চাদের কপালে টিপ দেওয়া যাবে কি ?
প্রশ্ন:
আসসালামু আলাইকুম! মুফতী সাহেবের কাছে আমার প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশে অনেকেই বদনজর থেকে বাঁচার জন্য শিশু বাচ্চাদের কপালে কাজল বা পাতিলের কালি দিয়ে থাকে এটা কি জায়েয আছে ? এর দ্বারা কি সত্যিই বদনজর থেকে বাঁচা যায় ?
উত্তর:

وَعَلَيْكُمُ السَّلاَمْ وَ رَحْمَةُ اللّٰهِ وَ بَرَكَاتُهْ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
حَامِدًا وَّمُصَلِّيََا وَّمُسَلِّمًا أمّٰا بَعَدْ.
বদনজর থেকে বাঁচার জন্য বাচ্চাদের কপালে টিপ দেওয়া অথবা পাতিলের কালি গোলাকার করে দেওয়া
কুসংস্কার। কেউ যদি মনে করে কালো টিপ বদনজর থেকে রক্ষা করে তাহলে সে গোনাহগার হবে। তবে বদনজর বা কুদৃষ্টি লাগা সত্য। কিন্তু কপালে টিপ দেওয়া বদনজর রোধ করে না। বদনজর থেকে বাচ্চাদের কিভাবে রক্ষা করতে হবে সে সম্পর্কে বিভিন্ন হাদীসে আমল পাওয়া যায়। যেমন: আয়াতুল কুরসী, তিন কুল (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) এবং হাদীসে বর্ণিত বিভিন্ন দু'আ পড়ে শরীরে ফুঁ দেওয়া। সুতরাং বদনজর থেকে বাঁচতে টিপ না দিয়ে হাদীসে বর্ণিত আমলগুলো করা উচিত।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «العَيْنُ حَقٌّ» وَنَهَى عَنِ الوَشْمِ

১.অর্থ: আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ চোখলাগা (বদনযর) বাস্তব সত্য এবং তিনি উল্কি উৎকীর্ণ করা থেকে নিষেধ করেছেন। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৪৪, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৮৭৯ হাদীসের মান: সহীহ)

عَنْ مُعَاذِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خُبَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ: خَرَجْنَا فِي لَيْلَةِ مَطَرٍ، وَظُلْمَةٍ شَدِيدَةٍ، نَطْلُبُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِيُصَلِّيَ لَنَا، فَأَدْرَكْنَاهُ، فَقَالَ: أَصَلَّيْتُمْ؟ فَلَمْ أَقُلْ شَيْئًا، فَقَالَ: قُلْ فَلَمْ أَقُلْ شَيْئًا، ثُمَّ قَالَ: قُلْ فَلَمْ أَقُلْ شَيْئًا، ثُمَّ قَالَ: قُلْ فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا أَقُولُ؟ قَالَ: قُلْ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ وَالْمُعَوِّذَتَيْنِ حِينَ تُمْسِي، وَحِينَ تُصْبِحُ، ثَلَاثَ مَرَّاتٍ تَكْفِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ

২.অর্থ: মু’আয ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনু খুবাইব (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বর্ষণমুখর খুবই অন্ধকার কালো রাতে আমাদের নামায পড়ার জন্য আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে খুঁজছিলাম। আমরা তাঁকে পেয়ে গেলাম। তিনি বললেনঃ বলো। আমি কিছুই বললাম না। পুনরায় তিনি বললেন, বলো। আমি কিছুই বললাম না। তিনি আবার বললেনঃ বলো। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কি বলবো? তিনি বললেনঃ তুমি সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে তিনবার সূরা কুল হুয়াল্লাহু (সূরা ইখলাস), সূরা নাস ও ফালাক পড়বে; এতে তুমি যাবতীয় অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাবে। (সুনান আবু দাউদ হাদীস নং ৫০৮২ সুনানে তিরমিযী হাদীস নং ৩৫৭৫ হাদীসের মান: হাসান)

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُعَوِّذُ الْحَسَنَ وَالْحُسَيْنَ يَقُولُ ‏"‏ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ ‏"‏

৩.অর্থ: ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর ঝাড়ফুঁক দিতেন, বলতেনঃ আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কল্যাণময় বাক্যাবলির ওয়াসীলায় প্রতিটি শয়তান, প্রাণনাশী বিষাক্ত জীব ও অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ৩৫২৫
হাদীসের মান: সহীহ)

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَتَعَوَّذُ مِنْ عَيْنِ الْجَانِّ وَأَعْيُنِ الإِنْسِ فَلَمَّا نَزَلَتِ الْمُعَوِّذَتَانِ أَخَذَهُمَا وَتَرَكَ مَا سِوَى ذَلِكَ ‏.‏

৪.অর্থ: আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রথমে জ্বিনের বদ-নযর ওপরে মানুষের বদ-নযর থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় চাইতেন। অতঃপর যখন মুআওওয়াযাতায়ন সূরাদ্বয় (সূরা ফালাক ও নাস) নাযিল হলো, তখন তিনি এ দু'টো গ্রহণ করলেন এবং অন্য সব ছেড়ে দিলেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ৩৫১১ সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ২০৫৮ হাদীসের মান: সহীহ)

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْعَيْنُ حَقٌّ وَلَوْ كَانَ شَىْءٌ سَابَقَ الْقَدَرَ سَبَقَتْهُ الْعَيْنُ

৫.অর্থ: ইবনে আব্বাস (রা.) সূত্রে রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ‘বদ নযর (এর প্রতিক্রিয়া) বাস্তব। তাকদীরকে অতিক্রমকারী কোন কিছু যদি থাকত, তাহল ’বদ নযর’ অবশ্যই তাকে অতিক্রম করতে পারত। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২১৮৮
হাদীসের মান: সহীহ)

عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ رُقْيَةَ إِلاَّ مِنْ عَيْنٍ أَوْ حُمَةٍ

৬.অর্থ: ইমরান ইবনে হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ ঝাড়- ফুঁক তো কেবল বদ-নজর এবং বিষাক্ত জীবের (বিষ নষ্ট করার) জন্য। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৮৪৪ হাদীসের মান: সহীহ)

وَاللّٰهُ أعْلَمُ باِلصَّوَابْ

কোন মানুষ পশুর সাথে সহবাস করলে তার বিধান কী ?প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম! কোন মানুষরূপী অমানুষ যদি পশুর সাথে সহবাস করে তাহল...
12/07/2025

কোন মানুষ পশুর সাথে সহবাস করলে তার বিধান কী ?

প্রশ্ন:

আসসালামু আলাইকুম! কোন মানুষরূপী অমানুষ
যদি পশুর সাথে সহবাস করে তাহলে তার বিধান কী ? তাকে কি হত্যা করা হবে নাকি দেশী আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে ?

উত্তরঃ

وَعَلَيْكُمُ السَّلاَمْ وَ رَحْمَةُ اللّٰهِ وَ بَرَكَاتُهْ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
حَامِدًا وَّمُصَلِّيََا وَّمُسَلِّمًا أمّٰا بَعَدْ

ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে পশুর সাথে সহবাস করা
একটি জঘন্য ও নিকৃষ্ট মহাপাপ। যা ইসলামের দৃষ্টিতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে
এর শাস্তি নিয়ে ইসলামী বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। কারো কারো মতে পশুকামের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। ফিকহে হানাফীর দৃষ্টিতে এ ধরনের অপরাধীকে হত্যা করা হবে না বরং শাস্তি দেওয়া হবে।
কিন্তু আমাদের দেশে যেহেতু ইসলামী আইন চালু নেই সেজন্য দেশের আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে। আর এই পশু দ্বারা জীবিত বা মৃত অবস্থায় কোন উপকার নেয়া মাকরূহ। বরং উক্ত পশুকে জবাই করে মাটি চাপা দিবে।

وَلَا تَقْرَبُوا ٱلزِّنَىٰٓ إِنَّهُۥ كَانَ فَـٰحِشَةًۭ وَسَآءَ سَبِيلًا.

১.অর্থ: তোমরা যেনা-ব্যভিচারের নিকটবর্তীও হয়ো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল ও অতি জঘন্য পথ। (সূরা বনী ইসরাঈল: আয়াত নং ৩২)

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَتَى بَهِيمَةً فَاقْتُلُوهُ وَاقْتُلُوهَا مَعَهُ " . قَالَ قُلْتُ لَهُ مَا شَأْنُ الْبَهِيمَةِ قَالَ مَا أُرَاهُ إِلاَّ قَالَ ذَلِكَ أَنَّهُ كَرِهَ أَنْ يُؤْكَلَ لَحْمُهَا وَقَدْ عُمِلَ بِهَا ذَلِكَ الْعَمَلُ

২.অর্থ: ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি কেউ কোন পশুর সাথে সঙ্গম করে, তবে তাকে হত্যা করবে এবং সে পশুকেও তার সাথে হত্যা করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ইবনে আব্বাস (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করিঃ পশুর অপরাধ কি? তিনি বলেনঃ আমার মনে হয়, তিনি সে পশুর গোশত খাওয়া ভাল মনে করেননি, যার সাথে কেউ এরূপ কুকর্ম করে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৪৬৪
সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ১৪৫৫ হাদীসের মান: হাসান)

ব্যাখ্যা: উক্ত হাদীসে অপরাধীকে হত্যার কথা বলা হয়েছে তার দ্বারা অধিকাংশের মতে উদ্দেশ্য হলো কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَيْسَ عَلَى الَّذِي يَأْتِي الْبَهِيمَةَ حَدٌّ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ كَذَا قَالَ عَطَاءٌ وَقَالَ الْحَكَمُ أَرَى أَنْ يُجْلَدَ وَلاَ يَبْلُغَ بِهِ الْحَدَّ . وَقَالَ الْحَسَنُ هُوَ بِمَنْزِلَةِ الزَّانِي

৩.অর্থ: ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ পশুর সাথে সঙ্গমকারীর কোন (হত্যার) শাস্তি নেই। ইমাম আবু দাউদ (রহ.) বলেনঃ আতা (রহ.)ও এরূপ বর্ণনা করেছেন। আর হাকাম (রহ.) বলেনঃ আমার মতে তাকে চাবুক মারতে হবে, তবে সমকামীদের চাইতে তার বেত্রাদণ্ডের সাজা কিছু কম হতে হবে।
রাবী হাসান বসরী (রহ.) বলেনঃ সে ব্যক্তির শাস্তি যিনাকারীর ন্যায়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৪৬৫ মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং ৩৫৮৬ হাদীসের মান: হাসান)

لَعَنَ اللهُ مَنْ وَقَعَ عَلَى بَهِيْمَةٍ.

৪.অর্থ: আল্লাহর অভিশাপ সেই ব্যক্তির উপর যে কোন পশুর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয়। (ইবনে হিববান, হাদীস নং
৪৪১৭ মুসনাদে হাকীম, হাদীস নং ৮০৫২ হাদীসের মান: সহীহ)
وَاللّٰهُ أعْلَمُ باِلصَّوَابْ

ফ্যাশন করে শরীরে ট্যাটু আঁকা কি জায়েয আছে ? প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম! ইদানিং কিছু মানুষ ফ্যাশন করে শরীরে ট্যাটু আঁকে এই...
10/07/2025

ফ্যাশন করে শরীরে ট্যাটু আঁকা কি জায়েয আছে ?

প্রশ্ন:

আসসালামু আলাইকুম! ইদানিং কিছু মানুষ ফ্যাশন করে শরীরে ট্যাটু আঁকে এই বিষয়ে ইসলামের বিধান কী ? দলিলসহ জানালে উপকৃত হবো।

উত্তরঃ

وَعَلَيْكُمُ السَّلاَمْ وَ رَحْمَةُ اللّٰهِ وَ بَرَكَاتُهْ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
حَامِدًا وَّمُصَلِّيََا وَّمُسَلِّمًا أمّٰا بَعَدْ

ইদানিং আমাদের দেশে কিছু মানুষ পশ্চিমা বিশ্বের দেখাদেখি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ট্যাটু আঁকছে।
যা ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম এবং নিন্দনীয় কাজ। এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টির বিকৃতি ঘটে এবং মানুষের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
ট্যাটু আঁকার কারণে যদি শরীরে পানি পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হয় তাহলে অযু গোসল সহীহ হবে না। আর যদি পানি পৌঁছতে সমস্যা না হয় তাহলে অযু গোসল
হয়ে যাবে। কিন্তু ট্যাটু আঁকার কারণে গোনাহগার হবে।

لَقَدۡ خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ فِیۡۤ اَحۡسَنِ تَقۡوِیۡمٍ ۫

১.অর্থ: আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সুন্দরতম অবয়বে। (সূরা তীন: আয়াত নং ৪)

فَلَیُغَیِّرُنَّ خَلۡقَ اللّٰہِ.

২.অর্থ: আর তারা আল্লাহর সৃষ্টির বিকৃতি করবেই। (সুরা নিসা: আয়াত নং ১১৯)

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَعَنَ اللَّهُ الْوَاصِلَةَ وَالْمُسْتَوْصِلَةَ، وَالْوَاشِمَةَ وَالْمُسْتَوْشِمَةَ "

৩.অর্থঃ আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ তা'আলা অভিশাপ করেন সেসব সংযোজনকারিণীকে, যারা নিজেরা পরচুলা ব্যবহার করে এবং যারা অপরকে পরচুলা লাগিয়ে দেয়। আর যারা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ট্যাটু উৎকীর্ণ করে এবং অন্যকে তা করিয়ে দেয়। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৩২ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২১২৪ হাদীসের মান: সহীহ)

وَاللّٰهُ أعْلَمُ باِلصَّوَابْ

ছাত্রদের জন্য বাসে হাফ ভাড়া দেওয়া কি জায়েয আছে ? প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম! জানতে চাই স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা যে, ...
09/07/2025

ছাত্রদের জন্য বাসে হাফ ভাড়া দেওয়া কি জায়েয আছে ?

প্রশ্ন:

আসসালামু আলাইকুম!

জানতে চাই স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা যে, বাসে উঠলে হাফ ভাড়া দিয়ে থাকে এ বিষয়ে ইসলামী শরীয়তের বিধান কী ? দলিলসহ জানালে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।

উত্তরঃ

وَعَلَيْكُمُ السَّلاَمْ وَ رَحْمَةُ اللّٰهِ وَ بَرَكَاتُهْ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
حَامِدًا وَّمُصَلِّيََا وَّمُسَلِّمًا أمّٰا بَعَدْ

বাস বা অন্য যে কোনো যানবাহন হলো উক্ত যানবাহন মালিকের একটি ব্যবসা। যেখানে তাদের অনেক অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। অতএব সেই সমস্ত যানবাহনে যাতায়াত করলে নির্ধারিত সঠিক ভাড়াটা দেওয়াই আবশ্যক। জোর করে ভাড়া কম দিলে বা হাফ ভাড়া দিলে তা হবে অর্থ আত্মসাতের শামিল। যা ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম এবং কবীরা গোনাহ। তবে যানবাহন মালিক যদি সরকারি রায় বা ছাত্রদের দাবি সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নেয়। তাহলে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করা জায়েয আছে। কিন্তু যানবাহন মালিকদের উপর চাপ সৃষ্টি করে হাফ ভাড়া দেওয়া শরীয়ত সম্মত নয়। এতে করে হাফ ভাড়া প্রদানকারীরা অন্যের হক নষ্ট করার অপরাধে অভিযুক্ত হবে। (আদ-দুররুল মুখতার মা'আ রদ্দিল মুহতার: ২৯১/৯)

وَلَا تَاۡکُلُوۡۤا اَمۡوَالَکُمۡ بَیۡنَکُمۡ بِالۡبَاطِلِ

১.অর্থ: তোমরা পরস্পরে একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না। (সূরা বাকারা: আয়াত নং ১৮৮)

لا تَظۡلِمُوۡنَ وَلَا تُظۡلَمُوۡنَ

২. অর্থ: তোমরা (কারও প্রতি) জুলুম করবে না এবং তোমাদের প্রতিও জুলুম করা হবে না। (সূরা বাকারা: আয়াত নং ২৭৯)

عَن أبي حرَّة الرقاشِي عَن عَمه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «أَلا تَظْلِمُوا أَلَا لَا يَحِلُّ مَالُ امْرِئٍ إِلَّا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ»

৩.অর্থ: আবু হুররা আর্ রক্কাশী (রহ.) তাঁর চাচা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সাবধান! কারো উপর জুলুম করবে না। সাবধান! কারো সম্পদ তার সন্তুষ্টি ছাড়া গ্রহণ করা হালাল নয়।
(মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং ২৯৪৬ হাদীসের মান: সহীহ)

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ ضَرَرَ وَلاَ ضِرَارَ

৪.অর্থ: ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ যেন কারো ক্ষতি না করে এবং পরষ্পর পরষ্পরের ক্ষতি করবে না। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ২৩৪১ মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ২৮৬৫ হাদীসের মান: সহীহ)

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " اتَّقُوا الظُّلْمَ فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَاتَّقُوا الشُّحَّ فَإِنَّ الشُّحَّ أَهْلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ حَمَلَهُمْ عَلَى أَنْ سَفَكُوا دِمَاءَهُمْ وَاسْتَحَلُّوا مَحَارِمَهُمْ

৫.অর্থ: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা যুলুমকে ভয় করো। কেননা কিয়ামত দিবসে যুলুম অন্ধকারে পরিণত হবে। তোমরা লোভ-লালসা থেকে সাবধান থেকো। কেননা এই লোভ-লালসাই তোমাদের পুর্ববর্তীদের ধ্বংস করেছে। তাই তাদের খুন-খারাবী ও রক্তপাতে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং হারাম বস্তুসমূহ হালাল জ্ঞান করতে প্রলুব্ধ করেছে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫৭৮ হাদীসের মান: সহীহ)

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا اللَّهَ وَأَجْمِلُوا فِي الطَّلَبِ فَإِنَّ نَفْسًا لَنْ تَمُوتَ حَتَّى تَسْتَوْفِيَ رِزْقَهَا وَإِنْ أَبْطَأَ عَنْهَا فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَجْمِلُوا فِي الطَّلَبِ خُذُوا مَا حَلَّ وَدَعُوا مَا حَرُمَ ‏"‏ ‏.‏

৬.অর্থ: জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে লোকসকল! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং উত্তম পন্থায় জীবিকা অন্বেষণ করো। কেননা কোন ব্যক্তিই তার জন্য নির্ধারিত রিযিক পূর্ণরূপে না পাওয়া পর্যন্ত মরবে না, যদিও তার রিযিক প্রাপ্তিতে কিছু বিলম্ব হয়। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং উত্তম পন্থায় জীবিকা অন্বেষণ করো, যা হালাল তাই গ্রহণ করো এবং যা হারাম তা বর্জন করো। (সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস নং ২১৪৪ হাদীসের মান: সহীহ)

وَاللّٰهُ أعْلَمُ باِلصَّوَابْ

*তাসবীহ পড়ুন ইখলাসের সাথে❤!*সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা...
09/07/2025

*তাসবীহ পড়ুন ইখলাসের সাথে❤!*

সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

🕋🌻 ডান কাত হয়ে ঘুমানোর বৈজ্ঞানিক গবেষণা ⏳ আপনি মাত্র ৬০ সেকেন্ডেই জেনে নিন চলুন একসাথে জেনে নিই...💐 ১. কেউ কেউ পেটের উপ...
08/07/2025

🕋🌻 ডান কাত হয়ে
ঘুমানোর বৈজ্ঞানিক গবেষণা

⏳ আপনি মাত্র ৬০ সেকেন্ডেই জেনে
নিন চলুন একসাথে জেনে নিই...

💐 ১. কেউ কেউ পেটের উপর
ভর করে ঘুমান।
💐 ২. কেউ কেউ পিঠের উপর শুয়ে ঘুমান।
💐 ৩. কেউ কেউ বাম কাত হয়ে ঘুমান।
💐 ৪. কেউ কেউ ডান কাত হয়ে ঘুমান।

১. পেটের উপর ঘুমানো:

এই অবস্থায় ঘুমালে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কারণ দেহের ওজন এবং হাড়ের কাঠামো ফুসফুসের উপর চাপ ফেলে।
👈 তাই, পেটের উপর ঘুমানো স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

৩. বাম কাত হয়ে ঘুমানো:

সাধারণভাবে খাবার হজম হতে ২
থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগে। কিন্তু বাম কাত হয়ে ঘুমালে হজম হতে লাগে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা, কারণ ডান ফুসফুস বড় হওয়ায় তা হৃদয় এবং যকৃৎকে চাপ দেয়। ফলে যকৃৎ, যা শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ, সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না এবং অস্বস্তি তৈরি হয়।
👈 অতএব, বাম কাত হয়ে ঘুমানোও স্বাস্থ্য সম্মত নয়।

৪. ডান কাত হয়ে ঘুমানো:

ডান কাত হলে, বাম ফুসফুস যেহেতু ছোট ও হালকা, তাই চাপ কম পড়ে।
আর যকৃৎ শরীরের নিচে স্থির হয়ে থাকে, ফলে হজম দ্রুত হয়।
💐 তাই, এটাই ঘুমানোর সবচেয়ে উত্তম উপায়—স্বস্তিদায়ক এবং ঘুম হবে উপকারী।

হাদীস দ্বারা প্রমাণ:

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যখন তুমি শোবার যায়, তখন নামাযের ওযু করো, তারপর ডান কাত হয়ে শুয়ে পড়ো এবং বলো:
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ...”
📖 সহীহ বুখারী ও মুসলিম (মত:আলাইহি)

প্রাচীন বাণী:

পিঠের উপর ঘুমানো: রাজাদের ঘুম

পেটের উপর ঘুমানো: শয়তানের ঘুম

বাম কাত হয়ে ঘুমানো: ধনীদের ঘুম (অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে)

ডান কাত হয়ে ঘুমানো: পরহেযগার
ও আলেম উলামাদের ঘুম

🌟 আর এটি-ই ছিল রাসূলুল্লাহ ﷺ -
এর ঘুমানোর ভঙ্গিতে।

📚 এই কল্যাণকর জ্ঞান ছড়িয়ে দিন,
কারণ কল্যাণের দিকনির্দেশক তার কার্যসম্পাদনকারীর মতোই পুরস্কার পাবেন।

🕋🤲 আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বারিক ‘আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মদ ﷺ

08/07/2025

“নেককারদের সাথে চলাফেরা করলে মানসিকভাবে প্রশান্তিতে থাকা যায়। এমনকি একজন নেক সঙ্গী পাওয়া মানে কল্যাণের আধার পাওয়া। তুমি যদি কখনো গাফেল হয়ে পড়ো, তারা তোমাকে আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। আর তোমার যদি আখিরাতের কথা মনে থাকে, তারা তোমাকে আমল করতে সহায়তা করবে।”
যুন-নূন আল-মিসরি (রহ.)
[সূত্র : সিফাতুস সাফওয়া, ২/৩৮৭]

একা একা পশু পাখি জবাই করা জায়েয আছে কি ?প্রশ্ন:  ,একা একা পশু পাখি জবাই করা জায়েয আছে কি? কেউ কেউ বলেন একাধিক ব্যক্তি ...
08/07/2025

একা একা পশু পাখি জবাই করা জায়েয আছে কি ?
প্রশ্ন:
,একা একা পশু পাখি জবাই করা জায়েয আছে কি? কেউ কেউ বলেন একাধিক ব্যক্তি মিলে জবাই করতে হয় এই কথা কি ঠিক ?

উত্তর:
وَعَلَيْكُمُ السَّلاَمْ وَ رَحْمَةُ اللّٰهِ وَ بَرَكَاتُهْ
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
حَامِدًا وَّمُصَلِّيََا وَّمُسَلِّمًا أمّٰا بَعَدْ

পশু পাখি জবাই করার জন্য একাধিক ব্যক্তি হওয়া জরুরী নয়, একজনও জবাই করতে পারবে। জবাই সহীহ হওয়ার জন্য শর্ত হলো, জবাইকারী সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন মুসলমান হওয়া। জবাইয়ের সময় আল্লাহ তা'আলার নাম উচ্চারণ করে জবাই করা এবং পশুর রগগুলো কাটা। সুতরাং একজন ব্যক্তি যদি জবাইয়ের উক্ত শর্তগুলো পূরণ করতে পারে। তাহলে তার জবাই করা পশু পাখি খাওয়া হালাল হয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তি হওয়া আবশ্যক নয়। উল্লেখ্য ভুলবশত বিসমিল্লাহ না পড়ে জবাই করলে জবাইকৃত পশু পাখি খাওয়া হারাম হয়ে যায় না। কিন্তু ইচ্ছাকৃত বিসমিল্লাহ ছেড়ে দিলে সেই পশু পাখি খাওয়া হারাম হয়ে যায়।
(বাদায়েয়ুস সানায়ে খ. ৪ পৃ. ১৮৯, যাকারিয়া বুক ডিপো দেওবন্দ, ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া খ. ৫ পৃ. ৩৩২, মাকতাবায়ে আশ্রাফিয়া দেওবন্দ)

فَكُلُوا مِمَّا ذُكِرَ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ إِن كُنتُم بِآيَاتِهِ مُؤْمِنِينَ

১. অতঃপর যে জন্তুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারিত হয়, তা থেকে ভক্ষণ কর যদি তোমরা তাঁর বিধানসমূহে বিশ্বাসী হয়ে থাকো। (সূরা আনআম: আয়াত নং ১১৮)

وَلَا تَاۡکُلُوۡا مِمَّا لَمۡ یُذۡکَرِ اسۡمُ اللّٰہِ عَلَیۡہِ وَاِنَّہٗ لَفِسۡقٌ

২. অর্থ: যে জন্তুর উপর আল্লাহর নাম নেওয়া হয়নি, তা থেকে খেও না। এরূপ করা কঠিন গোনাহ। (সূরা আনআম: আয়াত নং ১২১)

عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: ضَحَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ أَقْرَنَيْنِ، ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ، وَسَمَّى وَكَبَّرَ، وَوَضَعَ رِجْلَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا

৩.অর্থ: আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) দু’টি সাদা-কালো বর্ণের শিং বিশিষ্ট ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বদেশে তার কদম মুবারক স্থাপন করে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে নিজ হাতেই সেই দু’টিকে যবেহ করেন।
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৫৬৫ সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ১৯৬৬ হাদীসের মান: সহীহ)

(ﺫﺑﺤﻬﻤﺎ ﺑﻴﺪﻩ) ﻓﻴﻪ ﺃﻧﻪ ﻳﺴﺘﺤﺐ ﺃﻥ ﻳﺘﻮﻟﻰ اﻻﻧﺴﺎﻥ ﺫﺑﺢ ﺃﺿﺤﻴﺘﻪ ﺑﻨﻔﺴﻪ ﻭﻻﻳﻮﻛﻞ ﻓﻰ ﺫﺑﺤﻬﺎ اﻻﻟﻌﺬﺭ ﻭﺣﻴﻨﺌﺬ ﻳﺴﺘﺤﺐ ﺃﻥ
৪. অর্থ: আল্লামা নবভী (রহ.) বলেন: নবী (ﷺ) নিজ হাতে মেষ দু'টিকে জবাই করেছেন" এর দ্বারা বুঝা যায় যে, ব্যক্তি তার পশু কোনো অপরাগতা না থাকলে অন্য কারো সাহায্য গ্ৰহণ করা ব্যতীত একাকী জবাই করাটাই উত্তম ও মুস্তাহাব। (শারহুন নবভী আলা মুসলিম হাদীস নং ১৯৬৬, খ. ১৩ পৃ. ১২০)

عَنْ رَجُلٍ، مِنَ الأَنْصَارِ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ سَعْدٍ أَوْ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ، أَخْبَرَهُ: أَنَّ جَارِيَةً لِكَعْبِ بْنِ مَالِكٍ كَانَتْ تَرْعَى غَنَمًا بِسَلْعٍ، فَأُصِيبَتْ شَاةٌ مِنْهَا، فَأَدْرَكَتْهَا فَذَبَحَتْهَا بِحَجَرٍ، فَسُئِلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «كُلُوهَا»

৫.অর্থ: জনৈক আনসারী থেকে তিনি মু‘আয ইবনে সা‘দ কিংবা সা‘দ ইবনে মু‘আয (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, কা‘ব ইবনে মালিক (রা.)-এর একটি দাসী ‘সালা’ পাহাড়ে বকরি চরাতো। বকরিগুলোর মধ্যে একটিকে মরে যাচ্ছে দেখে সে একটি পাথর দিয়ে সেটিকে যবেহ করল। এই ব্যাপারে নবী করীম (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হল। তিনি বললেনঃ সেটি খাও। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৫০৫ হাদীসের মান: সহীহ)

ﻋﻦ اﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺯاﺩ اﺑﻦ ﻋﻴﺴﻰ ﻭﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﻗﺎﻻ ﻧﻬﻰ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻋﻦ ﺷﺮﻳﻄﺔ اﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﺯاﺩ اﺑﻦ ﻋﻴﺴﻰ ﻓﻲ ﺣﺪﻳﺜﻪ ﻭﻫﻲ اﻟﺘﻲ ﺗﺬﺑﺢ ﻓﻴﻘﻄﻊ اﻟﺠﻠﺪ ﻭﻻ ﺗﻔﺮﻯ اﻷﻭﺩاﺝ ﺛﻢ ﺗﺘﺮﻙ ﺣﺘﻰ ﺗﻤﻮﺕ.

৬.অর্থ: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ও আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তারা বলেন: রসূলুল্লাহ (ﷺ) কোনো পশু পাখিকে শয়তানের শর্তাধীনে জবাই করতে নিষেধ করেছেন। আর তা হলো, কোনো পশু পাখিকে এমনভাবে জবাই করা হয় যে, শুধু গলার চামড়া কাটা হবে কিন্তু কোনো রগ কাটা হবে না। এমতাবস্থায় ছটফট করতে করতে মারা যাবে। (মায়ালিমুস সুনান খ. ৪ পৃ. ২৮১ হাদীসের মান: সহীহ)

وَاللّٰهُ أعْلَمُ باِلصَّوَاب

Address

Barishal

Telephone

+8801765177170

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hafaz Imran Hossain Ovi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hafaz Imran Hossain Ovi:

Share