স্বপ্নের জলছবি

স্বপ্নের জলছবি Welcome to the family of স্বপ্নের জলছবি...

This page is to showcase a vast field of talents.. Share your work with a large mass...
Feel free to join us...

18/12/2021

আপনারা স্বপ্নের জলছবি কে মনে রেখেছেন কি?

12/11/2020

সবাইকে জানাচ্ছি আমরা আন্তরিকভাবে খুবই দুঃখিত বেশ কিছু কারণবশত আমরা পেজের কাজ স্থগিত রাখলাম।
© পেজ এডমিন

19/10/2020

#গান - #মা
#শিল্পী - #সুজন
🖤🔥🤘

03/10/2020

🖤🤘

Vocal -

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,•পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অথিতি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।        অসংখ্য ধন্য...
26/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,
•পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অথিতি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ •পঞ্চপ্রদীপ•।
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি

#কনকাঞ্জলি
নাম-দেবব্রত মন্ডল
অথিতি পেজ-পঞ্চপ্রদীপ

মেয়ে : মা,কাল তো পূজো, আমার এবারেও কি একটাও জামা হবেনা? আগেরবারেও যে বললে " এবার নতুন জামা হবেনা রে মা, ঐ যে ওই হলুদ রঙের জামাটা, তোলা আছে ওটা, ওটাই ভালো করে কেচে দেবো।"
মা : এবারেও দেবো তো
ওই যে তোর মাসি কিছুদিন আগে একটা জামা দিলো,যেটা তুই ভাইয়ের জন্মদিনে পড়লি ওটাই কেচে দেবো।
মেয়ে : আচ্ছা মা।
মা : দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে ভাবে মেয়ে আমার বড়ো হয়ে গেছে। মায়ের কষ্ট টা বুঝতে শিখেছে। আমি আর কতদিন। তিনজনের এই সংসারে অভাব এর যন্ত্রণা টা ঠিক কতটা সেটা ও বোঝে। ওদের বাবা তো সেই কবে মারা গেছে তার পর থেকেই তো এই অভাবের সংসার।
মেয়ে : মা , তুমি তো সেই কবে থেকে এই একটাই শাড়ি পড়ছো
এবারে তুমিই একটা শাড়ি কিনে নিও।
মা : চোখে জল এসে যায় মেয়ের কথা শুনে।কি বলবে সে আর ভেবে পায়না। সস্নেহে বুকে জড়িয়ে ধরে।
মেয়ে : মা , ওই যে বড়োলোক গুলো যে পুজোয় ঘুরতে বেরোয় ওদের ওই ছোটো জামাগুলোর কত দাম ?
মা : জানিনা সোনা। ভাবে, হয়তো সারামাসে যতো টাকা লাগে এই সংসার চালাতে তার থেকেও বেশি।
কিন্তু এই মেয়েকে কে বোঝাবে সেটা
মেয়ে : আমার এই হলুদ জামাটা ওর থেকে অনেক ভালো
লাগবেনা ওই ছোটো জামাগুলো।
মা : মনে মনে ভাবে এভাবেই মেয়েটার আর নিজের কত স্বপ্ন এভাবেই নিঃশব্দে বুকের গভীরে কবর হয়ে গেছে তার খোঁজ কেউ রাখেনা। কেউ জানতেও চায়না অন্যের কষ্ট। শুধু পারে তার মজা নিতে। তবুও এভাবেই তাদের পুজোগুলো কাটবে।পার হবে আরো কত বছর। খুন হবে আরো অনেক স্বপ্ন, অনেক ইচ্ছে। তবু তাকে বড়ো করে তুলতেই হবে মেয়েকে। যাতে ওর কোনো কষ্ট না হয়।
এভাবেই চেনা শহরের বুকে অনেক স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। শুধু একটু সাহায্যের অপেক্ষায়।

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,  •পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।         অসংখ্য ধ...
26/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,
•পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ •পঞ্চপ্রদীপ•
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি

#কনকাঞ্জলি
নাম-সুতপা শেঠ
অতিথি পেজ-পঞ্চপ্রদীপ

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,   •পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।        অসংখ্য ধ...
26/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,
•পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ •পঞ্চপ্রদীপ•
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি

#কনকাঞ্জলি
নাম-তাপস খাঁ
অথিতি পেজ-পঞ্চপ্রদীপ

৷ "পূজার দিন"।

পূজা আনে ভালোবাসা, ঘটায় জীবনের উন্মোচন,
বছর বছর সতেজ হয় পেয়ে পূজোর আলোড়ন।
রাস্তাঘাট বাজার পত্র বেশ ভিড়ে ছড়াছড়ি,
পূজো ছাড়া এসব আমরা বাঙালিরা মানতে কি পারি।

জমজমাট হয় পূজোর বাজার ব্যবসার হয় ধুম,
পূজোর সাজি হাতে নিয়ে মহিলারাও ভুলে যায় তাদের ঘুম।
এসেছে মেয়ে এসেছে জামাই আসবে আরো অনেকে,
এই ছুটি বৃথা যায় না, কর্তব্যের প্রেম নিয়ে আসে সবাইকে।

অষ্টমী পূজার ধুনুচি নাচ, বাজি হাতে সবার উৎপাত,
খুশিতে নেচে ওঠে গুরুজন, রঙে মেতে হয় উন্মাদ।
পূজোর এই চারটে দিন সবার মনে ভাবনা রঙিন,
সারা বছর অপেক্ষার পর ফিরে আসে উল্লাস আনন্দের দিন।

ছোট-বড় যেমনই হোক দেবী দুর্গা মাতার মূর্তি,
বাঙালি আমরা বাদ দিই না করতে উৎসবের ফুর্তি।
দশোভূজা দুর্গতিনাশিনী তার বিশাল লীলা এই ভুবনে,
হাজার দুঃখের মাঝেও যেন আমরা ভরসা পায় গোপনে।

পূজোর দিন গুলো এতই ভালো লাগে সবার মনে,
বছরের সব দিনই যেন কাটে বন্ধুত্ব আর ভালোবাসার টানে।
পূজোর প্রস্তুতির প্রাক্কালে বেশ ভালো লাগে মন,
ঠিক তেমনই খারাপ লাগে বিজয়া দশমীতে মায়ের গমন।

দুর্গাপূজা আমাদের প্রতি হৃদয়ের গভীরে সঞ্চিত,
দুর্গাপূজা চিরাচরিত তাই বাঙালি হয়ে আমরা গর্বিত।

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,  •পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।         অসংখ্য ধ...
26/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,
•পঞ্চপ্রদীপ•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ •পঞ্চপ্রদীপ•
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি

#কনকাঞ্জলি
নাম-সৌভন
অতিথি পেজ-পঞ্চপ্রদীপ
-(মায়ের অপেক্ষায়)-

দেশ জুড়ে চাপা ভীতির মাঝে,
পুজোর ঢাক বাজছে তুমি দেখো।
মাগো তুমি সব বিপদের দুর্গতিনাশিনী,
সন্তানদের আগলে তুমি সদা রেখো।

কখনো আম্ফান আবার কখনো লকডাউন,
কাজ হারিয়েছে আজ অনেক মানুষ;
মহামারীর সংকটে স্বার্থ খোঁজে যারা,
তাদের এইসবে নেই কোনো হুঁশ।

জীবনে চলার পথের হাজারো যুদ্ধে,
আজ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি তারা;
তাদের সব দুঃখের মোচন করো,
তোমার উপর ভরসা রাখে যারা।

বাঁচার লড়াইয়ের সাথে পেটের জ্বালায়,
ক্লান্তি তাদের দুটি চোখের পাতায়।
লড়াইয়ের সব ক্লান্তি দূর হোক,
মায়ের এই শুভ আগমনী বার্তায়।

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,  •ফেরিওয়ালা•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।।      অসংখ্য ধন্য...
25/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি´পুজোর বিশেষ পর্বে,
•ফেরিওয়ালা•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।।
অসংখ্য ধন্যবাদ •ফেরিওয়ালা•।।
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি

#কনকাঞ্জলি
গল্পের নাম- এক অন্যরকম পূজো
কলমে- সায়ন্তন মান্না
অতিথি পেজ- *ফেরিওয়ালা*

-দিদি কোথা থেকে ঢাকের আওয়াজ আসছে রে।
-- ওই রাজ বাড়িতে ঠাকুর আসছে তাই বোধহয় শোনা যাচ্ছে।
-- চল চল দেখে আসি।
একটা ছোট্ট টানা ভ্যানে করে দেখা যায়, নদীর ওপারে ধানখেত ধরে সোজা ঢাকের আওয়াজ সহ মায়ের প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দুর্গা আর অপু এক নিশ্বাসে কাঠের পুল পেরিয়ে ধানখেতের মাঝ দিয়ে ছুটতে ছুটতে পৌছে যায় ঠাকুরের কাছে সাথে সাথে তারাও হাঁটতে থাকে একধার বরাবর। বেয়ারা লাগিয়ে রাজবাড়ির মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা হল দূর্গাপ্রতিমা, করজোড়ে একমনে দু ভাই বোন প্রনাম করে প্রস্থান করল বাড়ির দিকে।
অপুদের ঘরের অবস্থা খুবই শোচনীয়, ঘরে উপার্জন এ সক্ষম মানুষ বলতে ওদের দুজনের ঠাকুর দাই আছেন তার অল্প চাষের সব্জি বেচে তাদের বাড়িতে পুরো সংসারের দায়ভার বলা যায় একপ্রকার নির্ভরশীল । অপু দুর্গার বাবা কলেরায় মারা গিয়েছেন বহুদিন আগেই। বাড়িতে সদস্য বলতে অপু দুর্গা তার মা আর বুড়ো ঠাকুর দা।

-- দিদি তোর গা খুব গরম গরম লাগছে বুঝলি?
-- কিচ্ছু হয় নি রে ভাই , ঠিক আছি আমি চিন্তা করিস না এতো
-- আচ্ছা দিদি মানুষ কি করে বোঝে দুর্গা পুজো আসছে?
-- শরৎ কালের নীলাকাশ দেখলেই বুঝতে পারা যায়, ঢাঁকের আওয়াজ কাশফুলের গন্ধ আরও কত কি!
-- দিদি কাশফুল কিরকমের হয়?
-- দেখতে যাবি?
-- হ্যাঁ চল!

সেদিন নদী থেকে অনেকটা পেরিয়ে গেলাম কাঠের পুল অব্দি যাওয়ার অনুমতি ছিল আমার দিদির সব জায়গায় যাওয়ার অধিকার আছে কিন্তু আমার নেই আমি তখন ছোটো বলে বেশিদূর যাওয়া মানা। সেদিন অনেকটা হেঁটে ঘাটের ধারে কাশফুল দেখে এলাম অনেকটা পথ হাঁটা হয়ে গেল। সাদা রঙের ফুল আমি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য তুললাম কিন্তু দিদি বারন করল পাছে বাড়ির লোক বুঝতে না পারে। ফিরতে ফিরতে দিদি বলল আর সাতদিন পর মহালয়া তারপর পুজো। কৌতূহলের বসেই জিজ্ঞেস করে ফেললাম দিদিকে মহালয়া কি? " দিদি বলল দেবীপক্ষের শুভারম্ভ হয় আজ থেকে আজ মা পৃথিবীতে নিজের বাপের বাড়ি আসেন স্বামী কে ছেড়ে বুঝলি?"। দুদিন পর দিদির খুব শরীর খারাপ হল বাড়তে লাগলো দিদির কথা বলতে ও সমস্যা হচ্ছিল ডাক্তার বলে গেলেন কলেরা হয়েছে। আমি কাছে গিয়ে দিদিকে কানে কানে বললাম, " দিদি তোর শরীর ঠিক হলে কাশফুল দেখতে যাব" কিন্তু দিদির কাছ থেকে কোনো উওর পেলাম না। পরের দিন দিদি শান্ত শরীর টা আগুনের আঁচে ভস্ম হয়ে গেল আর দিদির সাথে কাশফুলের মাঠ দেখতে যাওয়া হল না। রাজবাড়িতে সারি সারি আলো জ্বলে উঠল গেলাম পুজো দেখতে আজ প্রায় বারো বছর পর সবাই বলল দুর্গা কোথায় চোখ টা শুধু মায়ের প্রতিমার মুখের দিকেই গেল। চোখের চশমাটাও আবছা লাগছিল, কিন্তু সবটাই আগের মত আছে আমার বেঁড়াচাঁপা গ্ৰাম আমার কাঠের পুল অব্দি সীমাবদ্ধতা আর আমার কাশ ফুলের মাঠ।

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি ´পুজোর বিশেষ পর্বে,  •ফেরিওয়ালা•পরিবারকে অথিতি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।।       অসংখ্য ধন...
25/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি ´পুজোর বিশেষ পর্বে,
•ফেরিওয়ালা•পরিবারকে অথিতি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।।
অসংখ্য ধন্যবাদ•ফেরিওয়ালা•।।
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি

#কনকাঞ্জলি
গল্প- প্রবাসী বাঙালির দূর্গাপূজো
কলমে- রিয়া সিং
অতিথি পেজ- *ফেরিওয়ালা*

শরতের নীলাকাশ,কাশবনের সমারোহ কি মনোরম আবহাওয়া ।
কিন্তু এখন বসে বসে এইসব উপভোগ করার সময় আমার নেই।রেডি হয়ে অফিসে যেতে হবে ।ব‍্যস্ত জীবন আমার এখন।বস কে এতো করে বললাম তাও ছুটি দিলনা।কি আর করা যাবে ,বেরোই।এইসময় কে আবার ফোন করল ?দেখি একবার অনেক বার করেছে দেখছি।আবার করছে তুলি ফোন টা।

-:হ‍্যালো বাবু ,আমি তোর মা বলছি ।এটা তোর ভাইয়ের ফোনের নাম্বার।

-:হ‍্যালো মা , বলো কি বলবে ?সরি মা ব‍্যস্ত ছিলাম গো, কাজে তাই ফোন ধরিনি।

-:মাকে কেউ সরি বলে পাগল ছেলে একটা । কিন্তু তোর কাজ টা আমাদের থেকেও কি বেশি জরুরী বাবু?

-:সেটা নয় মা।

-:তাহলে কত ব‍্যস্ত তুই? যে মার ফোন ধরতে পারিস না।

-:কি করব বলো জানোই তো সব তবুও।

-:আচ্ছা সেসব কথা এখন বাদ দে। বাবু তুই আসবি কবে সেটা বল?তুই এলে তবেই তো কেনাকাটা করব সবাই মিলে।

-:আমি যেতে পারবো না মা। এবারেও ছুটি পাইনি ব‍্যাংকে টাকা পাঠিয়েছি তোমাদের জন্য । পূজোর কেনাকাটা করে নিও তোমরা ভাই আর বোনের জন্য এক্সট্রা টাকা পাঠিয়েছি ওদের যা লাগবে কিনে দিও।

-:আর তুই কি করবি পূজোতে? কাজ তাইতো। থাক তুই তোর কাজ নিয়ে । তোর সাথে কি আমাদের শুধু টাকার সম্পর্ক বাবু বল আগে?আমাদের ও তো শখ হয় সারা বছর পর ছেলে ফিরলে পূজোর কটা দিন তার সাথে আনন্দ করে কাটাতে ।

-:মা রেগে যেওনা প্লিজ। কাজের এতো প্রেসার তাই ছুটি পাইনি।পরের বছর ঠিক ছুটি ম‍্যানেজ করে যাব।

-:আগের বছরও ঠিক একই কথা বলেছিস তুই, আর কবে আসবি তুই আমরা মরে গেলে।

-:এইরকম বলো না চেষ্টা করছি তো, বলো ছুটি পাওয়ার ।না পেলে কি করব।

-:তোকে ভালো চাকরি করতে বলেছিলাম বলে ,তুই এইভাবে আমাদের শাস্তি দিবি বল?

-:সেটা কখন বললাম ,সত্যিই কাজের খুব চাপ একটু বোঝার চেষ্টা করো।

-:তোর খুশির জন্য আমাদের থে দূরে যাওয়াতে বাধা দিইনি তোকে কারণ, তুই ভালো করে জানিস ছোট থেকে এখনো পর্যন্ত তোর উপর আমাদের কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিইনি ।শুধু মাত্র ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বারন করেছি।

-:মা প্লিজ কেদো না।রাখছি আমি বাই।

-:হ‍্যা রাখ, আমাদের জন্য তোর এখন সময় নেই জানি আমি ।বড় হয়েছিস টাকা রোজগার করছিস নিজের মর্জি মতো চলবি ;অবশ্য এটাই স্বাভাবিক ।ভালো থাকিস নিজের খেয়াল রাখিস।আর সময় হলে বুড়ো বাপমাকে একটু ফোন করিস।দূরে থাকিস চিন্তা হয় তোর জন্য ।

-:বেকার চিন্তা করছ তোমরা ,আমি ঠিক আছি। শরীর টা খারাপ করবে কিন্তু,বেশি চিন্তা করলে।

-:বাবা মা হলে বুঝতে পারবি, ছেলে দূরে থাকলে কতটা চিন্তা হয়।
-:আচ্ছা রাখছি ,এখন নিজেদের খেয়াল রাখবে ।ভালো করে পূজো কাটাও।

আমি শঙ্কর, একটু আগে যার সাথে কথা বলছিলাম। উনি হলেন আমার মা , পূজোতে ছুটি পাইনি। সেই কথা শুনে গঙ্গা, যমুনা ইত্যাদি নদীর জল কেদে ভাসিয়ে দিলেন।

তবে মা ছাড়া আর একজন আছে যার জন্য আমার মনটা খারাপ আমার আশায় বসে আছে পথ চেয়ে এবারের পূজোতে ও যেতে পারলাম না কি জানি পাগলীটা কি ভাবছে মনে করছে তাকে হয়তো ভুলে গেছি ইচ্ছে করে ছুটি নিইনি ,সেতো আর জানে না আমার কতটা কষ্ট হচ্ছে তাকে ছেড়ে থাকতে ।

কি সৌভাগ্য আমার মনে করতে না করতেই পাগলীর ফোন।

-:হ‍্যালো পাগলী।

-:কে পাগলী?আমি কারোর পাগলী নয়।আমার একটা নাম আছে সেটা ধরে ডাকলে ই খুশি হবো।

-:জানি তো আমি।আমার পাগলীটা র একটা মিষ্টি নাম আছে।

-:তাহলে নাম ধরে ডাকুন।

:-আমি তো পাগলী বলেই ডাকব।আমার পাগলীটা বড্ড বেশি রেগে আছে আজ আমার উপর ।সরি পাগলী প্লিজ মাফ করে দাও রেগে থেকো না।

-:রাগ করবো না তো, কি করব? এই পূজো তেও তুমি এলেনা ।এইবছরেও আমায় একা একা পূজো কাটাতে হবে ।প্লিজ চলে এসো ,তুমি ভালো লাগে না তোমাকে ছাড়া।

-:জানিতকিন্তু কী করব বলো? ছুটি না পেলে। আর এটার জন্যে ই তোমার বাবা আমাদের বিয়েতে রাজি হয়েছে।এটাই তো আমাদের প্রেমের সম্পর্কের ছাড়পত্র।একটু অপেক্ষা করো প্রমোশন টা পেয়ে গেলেই তোমাকে বিয়ে করে নেব , সোনা।সবই তো জানো, এইটুকু না হয় সহ‍্য করে নাও।

-:জানিতো ,বড্ড বেশি ভালোবাসো তুমি আমায় নাহলে কি পরিবার প্রিয়জনের থেকে দূরে যায়; কেউ শুধু মাত্র নিজের প্রেম কে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য।আমিও নাহয় একটু বিরহের কষ্ট সহ‍্য করি।

-:এই কাদছো নাকি প্লিজ তুমি কান্না করোনা ।তুমি কষ্ট পেলে আমি যে দূর্বল হয়ে পড়ব সোনা।তুমিই তো আমার শক্তি ।তুমি ভেঙে পড়লে কিকরে চলবে বলোতো।তবে রেগে গেলে আমার পাগলীটা কে অনেক সুন্দর লাগে।

-:হম ,আর কাদবো না আমি তাহলে হবে তো,সুন্দর লাগে না ছাই! পেতনি লাগে পেতনি।নিজের খেয়াল রাখবে তুমি ঠিক সময়ে খাওয়া দাওয়া করো।রাখছি বাই লাভ ইউ।

-:মোটেও না একদম ই ওইরকম লাগে না অনেক সুন্দর লাগে বুঝলে।হম তুমিও,রাখছি পরে কথা হবে লাভ ইউ টু সোনা।

ইনি হলেন আমার একমাত্র প্রেমিকা মিস উমা দত্ত ,বেশ মিল আছে আমাদের নামে তাই বন্ধুরা মজা করে একসাথে উমাশঙ্কর বলে ডাকত।

আমারও কষ্ট হয় কিন্তু, কি করব যখনই কোনো কাপল দেখি;পাগলীটার সাথে কাটানো মুহুর্তগুলো মনে পড়ে যায়।চাইলে ও পাগলীটা কে কাছে পাইনা।এখনো চোখ বন্ধ করলেই মনে পড়ে, আমাদের প্রথম কিস করার মুহুর্তটা !কতটা নার্ভাস ছিলাম দুজনে ওটা করার পর দুদিন দেখা করেনি পাগলিটা লজ্জায়।পূজোতে হাতে হাত ধরে ঘুরতে যাওয়া।এইসব মনে করে কাটাতে হবে এখন আর কোন উপায় নেই।

ষষ্ঠীর দিনে কতো মজা হতো।মা বাড়িতে লুচি আলুর দম পায়েস নানারকম খাবার বানাতো ।সেই নিয়ে ভাইবোনের সাথে কত খুনসুটি করেছি।তারপর কার কটা জামাকাপড় হবে ,সেই নিয়ে মারামারি আমার কেন কম হবে? ভাইবোনের কেন বেশি হবে? শেষে বাবাকে নালিশ। তখন বাবা বলত, তুমি তো বড় বাবূ ওরাতো ছোট আর ছোট দের কে মারতে নেই ভালো ছেলেরা মারামারি করে না।সত্যিই খুব মিস করি, সেইদিন গুলো এখন বুঝতে পারছি ;বাবা কেন বলতো ওইসব।দূরে থাকি ভাইবোন দুটো কে দেখা তো দূরের কথা ঠিক করে কথাও বলতে পারি না।
আমাদের সময় তো মহালয়া থেকে ই পূজো শুরু হতো।পাড়ার প‍্যান্ডেল বসে থাকতাম, তার পর পূজো কটাদিন জমিয়ে আনন্দ উপভোগ করতাম ।পড়াশোনা থেকে ছুটি; পূজো কটাদিন বড়দের বকুনি থেকে ও মুক্তি কি যে সুন্দর মুহুর্ত বলে বোঝানো যাবে না।এইসব মুহূর্তগুলো মনে করেই এবারের পূজো নাহয় কাটিয়ে দেব।

এখন সেসব অতীত যতদিন যাচ্ছে সেই খুশির মুহুর্তগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।যতই আধুনিক হইনা কেন মনে প্রাণে বাঙালি তো আমরা।আসলে মূল্যবোধ অনুভূতি সব ছেড়ে আমরা যান্ত্রিক হয়ে উঠেছি তাই হয়তো এইসব হচ্ছে।

কিছু পাওয়া আর না পাওয়াই হল প্রবাস জীবন আর এটাকে মেনে নিয়ে ই জীবনের পথে এগিয়ে যারা তারাই হল প্রবাসী।
বি:দ্র:আমারা অনেকেই মনে করি প্রবাসজীবন সুন্দর। বিদেশে থাকার মজাই আলাদা ।তবে যারা থাকে তারাই জানে, নিজের দেশ অথবা পরিবার প্রিয়জনের থেকে দূরে থাকাটা কতটা কষ্টের ।সবকিছুরই ভালো খারাপ দিক আছে ,তবে নিজের আপনজন দের থেকে দূরে থাকাটা সত‍্যি ই কষ্টের।

*সমাপ্ত*।।

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি ´পুজোর বিশেষ পর্বে,     •ফেরিওয়ালা•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।     অসংখ্য ধন...
25/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি ´পুজোর বিশেষ পর্বে,
•ফেরিওয়ালা•পরিবারকে অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ •ফেরিওয়ালা•।।
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি

#কনকাঞ্জলি
কবিতার নাম- মেঘের ভেলা
কলমে- মৃগাঙ্ক ঘোষ
অতিথি পেজ- *ফেরিওয়ালা*

বিষদকালো মেঘের শেষে,
বর্ষা বিদায় পালা।
পেঁজা তুলোর নীল আকাশে,
শরৎ মেঘের ভেলা।

মৃদু হাওয়ায় কাশবনেতে,
পুজোর আভাস জাগে।
ভোরের বেলায় ধানের শীষে,
শিশির পরশ লাগে!

শিউলি ফুলের গন্ধে পাগল,
আলোর বেনুর মাঝে।
ভুবন খানা উঠবে মেতে,
দুর্গা পূজার সাজে!

শরৎ বড়োই খামখেয়ালী!
খুশির সুরেই ডাকে।
দুঃখ ভুলে সন্তানদের,
মায়ের কাছেই রাখে!

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি ´পুজোর বিশেষ পর্বে, •ফেরিওয়ালা•পরিবারকে আমাদের অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।    অসংখ্য ...
25/09/2020

স্বপ্নের জলছবি আয়োজিত `কনকাঞ্জলি ´পুজোর বিশেষ পর্বে, •ফেরিওয়ালা•পরিবারকে আমাদের অতিথি পেজ হিসেবে পাশে পেয়েছি।
অসংখ্য ধন্যবাদ •ফেরিওয়ালা•।।
ধন্যবাদান্তে #স্বপ্নেরজলছবি
#কনকাঞ্জলি
গল্পের নাম- দুর্গতিনাশিনী
কলমে- সায়রীনা চক্রবর্তী
অতিথি পেজ- *ফেরিওয়ালা*

"এবার যেদিকে চোখ রাখবো, সপ্তমীর রাতে আরেক নারকীয় ঘটনা, ২২বছরের এক তরুণীর নগ্ন ক্ষতবিক্ষত দেহ পাওয়া গেল বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে, কে বা কারা এই ঘটনার পিছনে আছে খতিয়ে দেখছে পুলিশ, অত রাতে ওই তরুণী ওখানে কী..."
টিভি টা অফ্ করে দিলেন বিমলবাবু, নাহ্ ছেলেটার এই কুকীর্তির জন্য তাঁর ইলেকশনের টিকিট টা হাতছাড়া না হয়ে যায়। তাঁর ভাবনার মাঝে ছেদ ঘটিয়ে শিস দিতে দিতে ঘরে ঢুকলো রাহুল, বিমলবাবুর ছেলে।
— দিন দিন কাজগুলো একটু বেশীই দুঃসাহসিক হচ্ছেনা? প্রতিবার পুলিশকে টাকা খাইয়ে ধামাচাপা দেওয়া যাবেনা, আর তাছাড়া অত টাকা জোগাড় করতে গেলেও আমাকে ইলেকশন টা জিততে হবে, অন্তত সেই অব্দি নিজেকে সামলানো যায়না নাকি?
— উফ! পাপা একটু চিল করো তো। এটাই তো বয়েস মস্তি করার, এরপর তোমার মত বুড়ো হলে আমিও তোমার মত কাউচে বসে বাতেলা মারবো। জ্বালিও না তো! বেরোচ্ছি আমি!
চুপ করে গেলেন বিমলবাবু। একমাত্র ছেলে, বেশি কিছু বলতেও পারেন না, তাছাড়া ছেলের বন্ধুগুলো মাঝে সাঝেই কাজে লেগে যায় তাঁর, ওরাও অনেকটাই লুটে নেয় যদিও, যাকগে! আপাতত এই কেস টা তো থামলো!
তীব্র গতিতে গাড়ি ছোটাচ্ছে রাহুল। অভির কাছে খবর আছে, আজ সেরা মাল আসবে বারে; শুকনো নেশার মজাই আলাদা, মনে হয় যেন হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে! আর সাথে যদি রসালো মেয়ে পাওয়া যায়! আহা!
বারের সামনে গাড়ি থামালো রাহুল। ওই তো অভি, ঋতম, ঋজু, সবাই এসে গেছে। বারে ঢুকতেই অভি সাইডে টেনে নিয়ে গেল রাহুলকে
— মালটার খবর বেরিয়েছে, দেখেছিস?
— আরে ব্রো চিল মার, আমার বাবা আছে তো, তুই মাল জোগাড় করেছিস? আজ নবমী, আজ ভাই আলাদা লেভেলের মস্তি হবে!
— আছে আছে, এই তো সাইডের টেবিলে চল। ম্যানেজারকে বলা আছে সব। আর শোন, আজ একটা ভালো মেয়ে তুলেছি, তোর রাতের খাবার রেডি।
চোখ মেরে চলে যায় অভি। আহ্! সুখ সুখ। নেশায় দম দিয়ে ঝিম মেরে বসে থাকে রাহুল। খানিক বাদে, এক স্বল্পবসনা তনয়ার আবির্ভাব। আহা! এই তবে আজ রাতের সঙ্গিনী! জিভ দিয়ে একবার ঠোঁট চেটে নেয় রাহুল।
— হাই বেবি, আমি রাহুল, এসো না, কাছে বসো
— আপনাকে আমি চিনি তো, মহিলা মহলে আপনার খুব নামডাক।
— ওহ্ তাই নাকি? তাহলে নিশ্চই এটাও জানো, আমার কাছে স্বেচ্ছায় যেসব প্রজাপতিরা ধরা দেয়, তাদের আমি যত্নে সুখে রাখি!
এক ঝটকায় মেয়েটি কে কাছে টেনে নেয় রাহুল।
— তুমিও আমার হয়ে যাও ডার্লিং! তোমাকে আমি যা দেবো, তা কল্পনার বাইরে।
— আলিশার মত?
— হুম? কে আলিশা?
— ওই যাকে ছিঁড়ে খেয়ে ফেলে এলেন সপ্তমীর রাতে?
ছিটকে যায় রাহুল।
— এই ক..ক্কে তুমি, কী চাই? এসব কী বলছ!
— সরে যাচ্ছেন কেন, এই তো আসুন না, কাছে আসুন, ধরে দেখুন আমাকে, আলিশার হাত মুচড়ে ধরেছিলেন, ধরুন না–
একি! মেয়েটার এত গুলো হাত কেন? ওকি, অত আলো কেন? দুহাত দিয়ে গলা টিপে ধরছে মেয়েটা, নিজের যৌনাঙ্গে অসহনীয় ব্যথা অনুভব করলো রাহুল, মাথার চুলগুলো কেউ যেন টেনে ছিঁড়ে নিচ্ছে, পারছে না, আর পারছেনা দম নিতে– কষ্ট! কষ্ট!

অভি যতক্ষণে রাহুলের জন্যে নির্ধারিত মেয়েটিকে নিয়ে এসেছিল, ততক্ষণে রাহুলের দেহে প্রাণ নেই আর। নিথর দেহ পরীক্ষা করে ডাক্তার বলেছিলেন, "কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট, ড্রাগের মাত্রা অতিরিক্ত হওয়ার কারণেই এই অবস্থা"

কিন্তু, সত্যিই কি তাই?

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্নের জলছবি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to স্বপ্নের জলছবি:

Share