Porijayi dana

Porijayi dana personal blog

ভালোবাসা পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর অনুভূতি, কে না চাই ভালবাসতে এবং ভালোবাসা পেতে ,সবাই জীবনের সমস্ত কিছুতে তোমাকে চাই গানের ...
23/05/2026

ভালোবাসা পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর অনুভূতি, কে না চাই ভালবাসতে এবং ভালোবাসা পেতে ,
সবাই জীবনের সমস্ত কিছুতে তোমাকে চাই গানের মতো , সমস্ত ব্যার্থতায়, ভেঙ্গে যাওয়ায় ,হেরে যাওয়াই , ক্লান্তিতে আগলে রাখার বুক খোঁজে যেখানে কোনো কথা ছাড়াই নিঃস্বার্থভাবে আত্মসমর্পণ করা যায়
হৃদয়হীন নিষ্ঠুর পৃথিবীর কাছে সবাই একটা নিরাপদ আশ্রয় চায়

ভালোবাসা বলতে এই মূহুর্তে যা মনে হয়, জীবনের ওটা পড়ায় একে ওপরের পাশে থাকে , তার প্রতি এক অদ্ভুত অন্যরকমের ভালো লাগা থাকে , যা খুব সহজেই পরিবর্তন হয় না , একে ওপরের সাথে এক তীব্রতা ভীষণ রকম পেতে চাওয়ার তাগিদ থাকে। এ এক প্রগাঢ় অনুভূতি।

একটা সময় পরে বিয়ে কর , বিয়ে করছিস না কেনো ?
কতদিন একা থাকবি , বয়স হলে কে দেখবে ? এসবের উওর দিতে ক্লান্তি লাগে , আমরা যে মানসিক অবস্থায় থাকি , যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যায় তা কেউ জানে না , আর ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এসবের উত্তর হয়না আর প্রয়োজন হয় না নেই এগুলো উত্তর দেওয়ার , পরিবার আর কাছের মানুষ ছাড়া , আর এগুলো কোনো প্রভাব ও ফেলে না।
জীবনে কারোর প্রতি, মানে ,একে অপরের প্রতি সেই ভালোবাসা না থাকলে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যায় না ।

এগুলো কখনোই জোর করে হয় না খুব স্বাভাবিকভাবে সবকিছু হয় , আর জীবনে এই স্বাভাবিকতা দরকার।

এই সময়েই দাঁড়িয়ে কেউ কারোর জন্য বিন্দুমাত্র অপেক্ষা করে না, সেই ভীষণভাবে চাওয়ার তাগিদ থাকে না , খুব তাড়াতাড়ি রাত থেকে দিন হতে দেয় না অনেক মুহূর্তে বিকল্প খুঁজে নেয়
জীবনের নিশ্চয়তা খুব দরকার তবে একটা মানুষের পরিপূরক কেউ হয় না ,
অর্থ ছাড়া কোনো সম্পর্ক হয় না , না ভালোবাসা, ভালোবাসা থাকলেও অর্থ ছাড়া সে সম্পর্ক দীর্ঘ মেয়াদী হয়না বর্তমান সময়ে যা কিছু করো তার জন্য অর্থের প্রয়োজন, আর আমাদের সমাজ সে সব প্রয়োজন পুরুষের ওপর চাপিয়ে দেয় , অনেকই যে নারীরাও নারীবাদের কথা বলে সেও পুরুষের অর্থ দেখেই জীবনের নিশ্চয়তা দেখেই আসে তার সমাজজীবনের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখে আসে , অথচ সম্পর্কে হওয়া উচিত উভয়ের যৌথ দায় দায়িত্বে ।
খেতে না পেলে ভালোবাসা কোথায় চলে যায় দিনশেষে মানুষ নিজেকে ভালোবাসে

এটাও ঠিক অনেক কিছু বলার থাকে একে ওপরের সাথে
আদান প্রদানের থাকে , দিনশেষে আনন্দ বিষাদে একটা কাঁধ চাই, কিছু না বলেও তার সাথে অনেক কিছু বলা যায়, যতই বই পড়ি ,অনেক মানুষের সাথে মিশি , ঘুরতে যাই একটা মানুষের বিকল্প হয় না সেটা ঠিক।
আবার কেউ কেউ জীবনকে বৃহত্তর অর্থে জীবনকে আত্মত্যাগ করেছে , সবাই ত সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে না ।

চাই বলে থাকতে হবে বলে একটা মানুষের সাথে সারাজীবন থাকা যায় না , যেখানে স্বতঃস্ফূর্তা নেই।
অনেক কেই বলতে শুনি একটা সময় পরে তো একটা দেখার লোক ত লাগবে - তাহলে ত কাজের লোক রাখলেই হয় , এই সময়ে দেখভাল করতে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে শুধু টাকা লাগে, এটাও বলছিনা সবসময় টাকা দিয়ে সবকিছু পূরণ হয় , একজন মানুষের একটা লেখা পড়েছিলাম কার ঠিক মনে নেয় - এই পৃথিবীতে সবকিছু টাকা দিয়ে কেনা গেলো বৃষ্টি হাওয়া নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আনন্দ টাকা দিয়ে কেনা যায় না,
একদিন সবাই সবাইয়ের মতো গুছিয়ে নেবে তুমি একা পরে থাকবে , সবাই তাদের নিজেদের মতোই থাকবে সবসময় সঙ্গ দিতে পারে না আর সম্ভব নয় , তাতে কিছু করার আছে কি ?
একটা সময় ছেলেমেয়ে বাইরে চলে যায় অনেকে দেখে না , তার সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় বা মারা যায় জীবন অনিশ্চিত অনেক কিছুই হতে পারে , থাকতে হবে বলে একটা বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দুটো জীবন তার সাথে জড়িয়ে থাকা মানুষগুলো কে চাওয়া পাওয়া নিজে দগ্ধদে তাদের অনুভূতিগুলোর সাথে খেলা যায় কি ?

খাওয়া দাওয়া, জল , বিশ্রাম, ঘুমের মতোই যৌনতা মানুষের জৈবিক চাহিদার একটা , এটাও অনেক ক্ষেত্রে হয় শরীর ছুঁয়েই অনেকেই ভালোবেসে ফেলে , কিন্তু যৌনতা মানেই ভালোবাসা নয় দুটো অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত হলেও পৃথক বিষয় , সেসব টাকা দিয়েও কিনতে পাওয়া যায় ‌। কিন্তু সেই ভালোবাসার কাছে পৌঁছাতে যারা মন ছুঁয়ে শরীরের কাছে আসে সে তৃপ্তি পৃথিবীর সবচেয়ে আরামদায়ক অনুভূতি। আর সে বন্ধন অনেক বেশি দৃঢ় ।

তারপর একদিন থাকতে হবে বলে একটা সম্পর্ককে রাখা এ এক চরমতম বেদনাকে আজীবন বয়ে বেড়ানো , যারা নিঃশব্দে কথা না বলেও গভীরে ভালোবাসতে জানে তারা মানে ভালোবাসা যেকোনো বয়সে , জাত ধর্ম নির্বিশেষে হয় , আমরা পৃথিবীতে জাত ধর্ম নিয়ে আসিনি মানুষ আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে , আমার মনে হয় না আমাদের নামের পাশে নিজের পদবি তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায়, শাঁখা সিঁদুর বয়ে বেড়ানোর দরকার নেই , প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব সত্ত্বা আছে চিন্তা ভাবনার পরিসর আছে , সেসব কিছুকেই সম্মান করতে হয়, তুমি তাকে খোলা আকাশ দেবে সে নিজে থেকে তোমাকে সাথে নিয়ে উচ্ছাসে উড়তে চাইবে , ভালোবাসা হল মুক্তি।

এখন যেটা মনে হচ্ছে একটা বয়সের পরে তা মনে নাও হতে পারে , জীবন বদলায় চিন্তা ভাবনা বদলায় দেখার আঙ্গিক বদলায় , যা প্রত্যেকে করে এসেছে , পৃথিবীতে যে নিয়ম একদল মানুষ সমাজে প্রতিস্থাপন করেছে তা বয়ে নিয়ে চলতে হবে তার কি মানে আছে, জীবনের সবকিছু চাওয়া পাওয়া অনুযায়ী হয়না , জীবনে একসাথে থেকেও একসাথে থাকতে পারে না ,ওরকম ই বা থাকার কি মানে ?
অনেকটা সময় বা আজীবন একা চলতে হবে , মনের কাছে জীবনের কাছে, অসুস্থতায় , একাকীত্বে , হেরে যাওয়ায়, ভেঙ্গে পড়ায় ,অসম্পূর্ণতায় , জীবন সঙ্কটে কেউ থাকবে না তাতে কি কিছু করার আছে , ভালোবাসাহীনতা নিয়ে থাকা যায় না ,জীবনে সবকিছু ত্যাগ করে চলা যায় কিন্তু এই জেয়গায় চলা যায় না। একা থাকাও এক মস্ত বড়ো স্বাধীনতা।

প্রাণীজগতের সমস্ত প্রাণীর পুরুষরা নানারকম ভাবে নারীকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে বা প্রেমের প্রস্তাব দেয় , বাঘ মাইলকে মাইল দৌড়ে যায় সঙ্গীনিকে খোঁজার জন্য , পুরুষ শিম্পাঞ্জি শক্তি বা প্রভাব দেখিয়ে আকৃষ্ট করা চেষ্টা করে , কোনো কোনো মাছ অনেক শাঁখ জোগাড় করে , পাখি বিভিন্ন রকমভাবে শীষ দিয়ে , বিভিন্ন রকম নেচে মহিলা সঙ্গীনীকে আকৃষ্ট করে বা প্রেম নিবেদন করে , মানুষ ও তাই , কিন্তু সময় এগিয়েছে চিন্তাভাবনা বদলাচ্ছে যদিও আদিমতম প্রকৃতি রয়েগেছে, মানুষ আমরা যখন একে অপরের মনের কাছাকাছি আসি তখন একসাথে থাকার সিদ্ধান্ত নিয় , বিশ্বাস করি এসব অনুভূতি দুদিক থেকেই হোক, অনেক মহিলা সাজতে গয়নাগাটি পছন্দ করেন, কিন্তু আমার কাছে তাকেই সুন্দর লাগে যার পরিধান হল জ্ঞান, সুন্দর ব্যবহার ,দয়া ,মায়া ,স্নেহ , পাশে থাকার হাত তার পরিচয়।

সম্পর্ক ভালোবাসা বিভিন্ন রকম মানুষের কাছে বিভিন্ন রকম হতে পারে , কারোর কাছে কেনা বেচার মতো ও হতে পারে,
একসাথে থাকতে হলে বিয়ে করতে হবে তার ও কোনো‌ মানে নেই, আমরা মানুষ যেভাবে আদিম মানুষ ঘর খুঁজে নিয়েছিল, আমরা সবসময় নিশ্চয়তা খুঁজে নিতে চায় ,
বিবাহ হল বিশেষ ভাবে বন্ধন , জীবনের প্রয়োজনে থাকতে হবে বলে একটা বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারিনা ।

ফুলে ফুলে ভরা গাছকে দেখতে ভালো লাগে , এমনকি সময়ের নিয়মে আসতে আসতে ঝরে পড়ে যায় সেও সুন্দর, কিন্তু তাকে তুলে নিয়ে নিজের করে পেতে চাইলে তার সমস্ত সুন্দর্য মুগ্ধতা নষ্ট হয়ে যায়।
পৃথিবীর অনেক বড়ো দেখার অনেক কিছু আছে জানার অনেক কিছু আছে

নিঃশব্দে যে কত কিছুই বলা যায়
ভালোবাসা সুন্দর পৃথিবীর অন্যতম অনুভূতি।
চোখে চোখের নিস্তব্ধতায় ডুবে যাওয়া যায়।

Photo ta Ai diye create kora

অত্যাশ্চর্য মায়াময়ী সুন্দর যেনো প্রথম বৈশাখী ঝড়ের সমস্ত উচ্ছাস এখানে সুন্দর আর যাপনের বিস্তর ফারাক পথিক তার ব্যাস্ত ন...
23/05/2026

অত্যাশ্চর্য মায়াময়ী সুন্দর
যেনো প্রথম বৈশাখী ঝড়ের সমস্ত উচ্ছাস এখানে

সুন্দর আর যাপনের বিস্তর ফারাক

পথিক তার ব্যাস্ত নাগরিক জীবন ছেড়ে এখানে আস্তে চেয়েছে
দগ্ধ ছায়াহীন শহরে জারুল ফুল যেনো ‌
সিন্ধু সভ্যতার গুপ্তধন
ইতিহাস আগলে রেখেছে যক্ষের মতো

মানুষ জটিল মনের কাছে
হেঁটে হেঁটে তুমিও হারিয়ে যেতে পারো লালসার কাছে

চাষী
নগরের কাছে ভিক্ষা চেয়েছে ফসলের ঘাম
তখন বেচে দিয়েছো সোনালী ধান‌ ক্ষেত

কৃষ্ণচূড়ার ফুলের সিথানে পূর্ণিমার চাঁদ
যুক্তিবোধহীন আবেগ থেমে থাকেনা
হাঁসগুলো চরতে জলাশয়ের দিকে যায়

সর্ষের মাঠ জীবনানন্দের বাংলার নদী বয়ে যায়
নীল শাড়ির একা মেয়ে দাঁড়িয়ে
চুলে তার কাঠগোলাপ জুঁইয়ের সুগন্ধি
তার আঁচল ছুঁয়ে থাকে সূর্যমূখীর মাঠ

এক একা হেঁটে যায় দেখবে বলে
নিঝুম রাতের খসে যাওয়া নক্ষত্র কাছে

মন আমাদের বুনো ঘ্রাণ শুঁকে শুঁকে যায়
নির্ঝর ধারার উৎসের কাছে

রাধার কৃষ্ণের দোল কখনই যেন ভালোবাসার নিদর্শন হিসাবে বেঁচে না থাকে যারা কখনোই নিজেদের ভালোবাসার জন্য লড়তে পারেনা অনন্ত ত...
15/03/2026

রাধার কৃষ্ণের দোল কখনই যেন ভালোবাসার নিদর্শন হিসাবে বেঁচে না থাকে যারা কখনোই নিজেদের ভালোবাসার জন্য লড়তে পারেনা অনন্ত তারা আর যাই করুক ভালোবাসে না

ফাল্গুনী পূর্ণিমা দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির বা গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কারনে উদযাপন করা হয় বর্তমানে ধর্মীয় উদযাপনের বাইরে গিয়ে এটা একটা সম্প্রীতির উৎসব ।

রাধা কৃষ্ণের দোলের উৎসব বাস্তবে প্রেমের উৎসবের নিদর্শন হিসেবে আর না বেঁচে থাকুক ।
সামাজিক পরিণতিই একমাত্র সম্পর্কের মাপকাঠি বলে মনে করি না (মানে যাকে so called বিবাহ বলে)। দুটো মনের মিলনই সবকিছু, আর মনের মিলন হয় বলেই শরীরের মিলন হয় , মন শরীর একটা সম্পর্ককে আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরে সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয় তার জন্য বিবাহের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই । ( মনের সাথে শরীর ভালোবাসাকে আরো বেশি কাছে টানে , ক্রম বিবর্তনের যে যাত্রা পথ তাতে বিজ্ঞান তা দেখিয়েছে) বিবাহ হল একটা সামাজিক প্রতিষ্ঠান যেখানে আর পাঁচটা লোক দুটো মানুষকে একসাথে থাকার (licence) অনুমতি দেয় ।

দুজনে একসাথে থাকবে এটা শুধু মাত্র তাদের ব্যাক্তিগত পছন্দ এর জন্য বিবাহের ও প্রয়োজনও হয় না কারোর অনুমতির ও না এবং কোনো নারীকে তার পুরুষের সিঁদুর বা বোরকা বা নামের পাশে বেগম বয়ে বেড়ানোর প্রয়োজন পরে না অন্তত উন্নত সমাজ তাই মনে করে ।

রাধা কৃষ্ণে যখন একে অপরকে ভালোবাসত সবকিছুর উর্ধ্বে গিয়ে একসাথে থাকতে পারত এর জন্য কোনো সামাজিক পরিণতির ও দরকার ছিল না কিন্তু তারা সেটা না করে দুজনেই দুটা আলাদা মানুষের সাথে সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ হল এর ফলে কি হল ওরা আরো দুটো মানুষের সাথে প্রতারণা করলো, একসাথে চারটে মানুষকে মানসিক যন্ত্রনার অগ্নিকুন্ডে ফেলে দিলো আর তাতে আমৃত্যু পর্যন্ত ঘৃতাহুতির যোগান দিল ।

ভালোবাসালে লড়াই আরো জোরালো হোক সে সমাজের সাথে হোক বা পরিবারের সাথে লড়াই মানেই যুদ্ধ নয় , লড়াই হোক উন্নত চিন্তাভাবনা গড়ে তোলা

"এক জনায় ছবি আঁকে এক মনে, ও রে মন
আরেক জনায় বসে বসে রংমাখে"

ওর থেকে ভালো যে যার ছবি আঁকে তারাই রঙ মাখুক আর যার ছবি মনে মনে আঁকে তার রং যদি না মাখতে পারে তাহলে তার রং বা অন্য কারোর রঙ মাখার দরকার নেই , রঙ নিয়ে ছেলেখেলা করলে রঙের ও অপচয় ছবিখান ও নষ্ট হয় , তার চেয়ে জীবনে একা থাকুক

এরকম ও কোনো মানে নেই কাউকে ভালবাসলে সে আর অন্য কাউকে ভালবাসতে পারবে না সময়ের সাথে চাহিদার ও পরিবর্তন হয় ভালোবাসার ও হ্যাঁ তবে একটা সম্পর্কে থেকে সঙ্গীর অমতে অন্য সম্পর্কে জড়ানো কখনও নেই ঠিক নয় , যদি কাউকে ভালো লাগে তবে একটা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে ভালবাসুক । এটা পাহাড় নয় সমুদ্র নয় যে দুটো একসাথে ভালোবাসবে।

ওরকম রাধা কৃষ্ণের রঙ লাগার থেকে অঙ্গে রঙ লাগুক , মর্মে লাগুক বা অলিন্দে লাগুক আজীবন কাল একটা জীবন শেষ করে দেওয়ার থেকে রঙ আকাশে লাগুক ।

 #মানুষ_বুঝুক_প্রেয়সী_তুমিও_বোঝোচলো হই নৈরাশ্যের ভাঙ্গা হাটে আকাঙ্খার ফেরিওলাচলো হই শ্রমজীবী মানুষের গান চলো হই নৈরাজ্যে...
15/03/2026

#মানুষ_বুঝুক_প্রেয়সী_তুমিও_বোঝো

চলো হই নৈরাশ্যের ভাঙ্গা হাটে আকাঙ্খার ফেরিওলা
চলো হই শ্রমজীবী মানুষের গান
চলো হই নৈরাজ্যের বুকে বিবেকের দংশনে চেতনার সুর
চলো হই কুঁড়ে ঘড়ে ভালোবাসার মেঠো খাটে সুরক্ষার ছাদ

জাতীয়তাবাদের সীমায় পড়ুক আন্তর্জাতিক বোমা
সৈন্যরা লিখুক ,সন্ত্রাস পড়ুক কবিতা
বনভূমি বাঁচুক ছেড়ে কালো ধোঁয়া
বই এর ভীড়ে অবাধ্যদের ইচ্ছেরা পাখা মেলুক কল্পনার আলপনায়
শুনুক তারা যারা জীবনের গন্ডী খেটেছিল

তুমি আসার আগে কত রক্তের মিছিল বয়ে গেছে
যুবকেরা প্রতিদিনই মরে, ঘুমের মধ্যে ও মরে , শুনতে পাই কী তারা যারা ভালোবাসে !
ভবিতব্যের সমাবেশে তোমাকে নিয়ে বসেছিলাম নৌকায়
যারা ভালোবাসার দাবি রেখেছিল মৃত গোলাপের পৃষ্ঠায়
ফিরেআসুক ভালোবাসার দাবি নিয়ে ভালোবাসার উৎসবে

Lekha ta 5/6 bochor age likhechilam, muloto jara jibone chena choker baire bnachate chai
din sesh pak ba na pak , chesta kore jak

15/03/2026

#মৃত্যুর_কাছে_হৃদয়_রেখে_তারা_শুধু_দিন_গোনে

যেখানে খরস্রোতা দুভাগে ভাগ হয়েছে

নীল সমুদ্রে যাও
সূর্যের সমস্ত রঙ শুষে নিয়ে
সমস্ত আহ্বানের নীলকেই ফিরিয়ে দেয়

কল্পনা প্রসূত আলো আসবে ঘরে

সবুজেরা মাথা নাড়া দেয় উদ্যানে
বিশ্বাসের দরজায় ঈশ্বরকে প্রতিস্থাপন করো
বেলা বয়ে যায়
শুধু
অতীন্দ্রিয় ভাবনা যুক্তি খোঁজে
লুকানো জগতের নীল মৌমাছি

সহজ কথার প্রেম
হৃদয়ের আপোষহীন অপশাসনে
ধ্বস্ত ফাগুনের মুখোমুখি
ইতস্তত শিমূলের ব্যাকুলতা বিছিয়ে থাকে
চেনা মানুষের ঘ্রাণে
কেউ কাউকেই জড়িয়ে ধরা যায় না

উজাড় করে নিঃশব্দে আলিঙ্গন
সমস্ত নেশার শরীর জুড়ে মাদকতা
কাউকেই ছোঁয়া যায় না
সহনশীলতার সংকট এসে দাঁড়ায়

জলজ জীবন ছেড়ে উঠে আসে
আবরণ ছাড়া ফড়িং
পৃথিবী তাকে সমস্ত পরিসর দিয়েছে ওড়ার
কাউকেই ধরে রাখতে নেই
বোধ অনেক বেশি সচ্ছল

ব্যার্থ মথ ক্লান্ত মৌমাছি
উপশমের
ঈশ্বর হীন পৃথিবী
সর্বহারা মানুষের দল
জানেনা কোথায় গেলে আশ্রয় পাবে
কোথায় গেলে আশ্বস্ত হবে

ভাসা ডিঙ্গি ঘিরে ধরে গাংচিল
ঝরে পড়া কুয়াশায় ক্লান্তি
গন্তব্য খোঁজা দুঃসময়ের ট্রেন
ভালোবাসা হীন স্টেশন

বর্হিবিশ্বে নিরুত্তাপ
দিনে দিনে বেড়ে ওঠে না বলা কথা
হন্য হওয়া কবিতা
সহজ অনুভূতির খুব কাছে আসা যায় না

সবাই বোঝে দূরে যাওয়ার মানে‌
অপচয়ে অপচয়ে সর্বশান্ত হয়ে
ভালোবাসার মতো সহজতম দান ও
দিতে ক্ষেঁপে ওঠে
মেপে দিতে হয় সবকিছু
সেই একি কথা বলার কোনো মানে নেই আজ

নীতি আদর্শহীন হয়ে যায়, ধারণা পাল্টায়,
মানসিকতা বদলায় , বিচ্ছেদ হয়

স্লোগানে সোচ্চার
সমস্ত অবসাদে বিচ্ছেদে ভেঙ্গে পড়ায়
মানসিকতা দৃঢ়তা বজায় রেখে
আদর্শের কাছে অবিচল থাকা

ছুঁতে চাওয়া
নিঃশব্দে আলিঙ্গন
শুধু জানি এ ভেঙ্গে যাওয়ার মানে

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা
মৃত্যুর কাছে হৃদয় রেখে
তারা শুধু দিন গোনে

জানালায় যখন তারা আসে শীতের সকালে মিঠে রোদের উত্তাপ নিয়ে  সমস্ত কিছু নিয়ে ছিনিমিনি খেলার পরঝরা ফুল নিয়ে সমবেত হয়কথা ...
21/02/2026

জানালায় যখন তারা আসে
শীতের সকালে
মিঠে রোদের উত্তাপ নিয়ে

সমস্ত কিছু নিয়ে ছিনিমিনি খেলার পর
ঝরা ফুল নিয়ে সমবেত হয়

কথা বলার অনেক কথা থাকে
সেসব আর হয়ে ওঠে না
অবকাশ থাকলেও কোনো বাঁধা না থাকলেও থাকে
আসলে নিজের বলে কেউ হয়না
ক্লান্তির পথে কেউ এসে দাঁড়ায় না

ছেঁড়া তুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায়
তা দিয়ে পাখিরা বাসা বাঁধে
শব্দ জুড়ে ভাবনাগুলো বলতে যায়
আঁধার মধ্যে সে বিশাল মহাশূন্যো
এই বুঝি সব রহস্য উদঘাটন হলো
গোলকধাঁধায় স্তরে স্তরে মাকড়সার জাল বোনা
যন্ত্রের মতো জীবন
আনন্দ নেই উৎসব নেই
সুখ নেই দুঃখ নেই
দিবারাত্রি দৌড়াচ্ছি কিসের টানে কে জানে
ফুড়ুৎ করে উড়ে আসা বিপর্যয়
সযত্নে জড়িয়ে ধরি
দুচোখের পাতা
গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন করতে পারে না
মাটির গভীর থেকে আসা জলের ধারা
উদ্দেশ্যে হীন ভাবে বয়ে চলা
জীবনের গন্তব্যে কোথায় জানি না
নিশুতি রাতের কোকিল
বসন্তের শেষ ফুল
অনিশ্চয়তা কে আলোর পথে মেলেতে চাইছি
মেঘের মধ্যে বাড়ি তার

Chobita ai diye banano

অনিকেত প্রান্তর আর বিস্তৃর্ণ ধান জমি তুমি আল পথ ধরে হেঁটে এসোসমস্ত বস্তুগত চাহিদা ফেলে আকাঙ্ক্ষার ফেলা আসা পদচিহ্নে মিশি...
21/02/2026

অনিকেত প্রান্তর আর বিস্তৃর্ণ ধান জমি
তুমি আল পথ ধরে হেঁটে এসো
সমস্ত বস্তুগত চাহিদা ফেলে
আকাঙ্ক্ষার ফেলা আসা পদচিহ্নে
মিশিয়ে দিয়ো ধূলো

স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে শতাব্দী প্রাচীন মহিরুহ
মেলা ডালপালার বুকে জড়িয়ে ধরে মেঘ

দিগন্ত রেখার কাছে
নিঃশব্দে এসে দাঁড়াবে
বিঃমর্ষ হৃদয়ের তীরে

সহজ হবে তোমার চলাচল ডিঙি নৌকার মতো
সচ্ছ হবে বাতাসের মতো
যেখানে কোনো ভেদ ভাউ নেই
সমস্ত আয়োজন আর মুহূর্ত হবে নির্ভেজাল
পাখির মতো নির্মল হবে ওড়ার উচ্ছাস
ভিতরে যে গভীর অরণ্যের বাস এসো সে তীর্থে

মেঘের রৌদ্দুরে লেগে থাকে
মুক্ত ডানার ঘ্রাণ
বৃষ্টি ঝরে পড়ে সহজ স্নিগ্ধ আরশিনগরে
একদিন দূর থেকে ভেসে আসবে
সেই নিবিড় বৃষ্টি নদীর গান

ট্রেন তখন চিল্কার পাশেউপন্যাসের শ্রমিকরা বাড়ি ফেরে কবিতার মতন পলাশের পাপড়িরা ঝরে পড়ে গোধূলি মুখে চিল্কার  সবুজজলে ফ্ল‍্য...
05/02/2026

ট্রেন তখন চিল্কার পাশে
উপন্যাসের শ্রমিকরা বাড়ি ফেরে কবিতার মতন
পলাশের পাপড়িরা ঝরে পড়ে
গোধূলি মুখে
চিল্কার সবুজজলে ফ্ল‍্যমিঙ্গ‍্যর গোলাপী ডানায় কমলা আভা
পাহাড়ি রাস্তা যেখানে বাঁক নিয়েছে
দিপ্তীমান রঙিন সূর্য ঢলে পড়ে আঁধারের বুকে

জানালা বেয়ে আলো এলে
নিজের করে পেতে
আলোর টানে দরজা খোলেনি

পাহাড়ের গা বেয়ে তারারা নেমে এসেছে
খরস্রোতা বাঁক নিয়েছে

কি নিষ্ঠুর অথচ সুন্দর
কৃষ্ণচূড়া ভরা ডালে টিঁয়া চন্দনার ঝাঁক
শঙ্খচিলের থাবায় চন্দনার মাথা
সাদা বুকে ভোরের ধূসর আকাশে লাল আভা
বাদামি ডানায় রূপালী আলো

নিঃশব্দেই কত কিছু হয়ে যায়

I felt the earth beneath my feet
23/11/2024

I felt the earth beneath my feet

Address

Kolkata

Telephone

+918293336843

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Porijayi dana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share