07/06/2026
আগামী মাস থেকে আমি আলবেনিয়ায় করা আমার ভ্লগগুলো পোস্ট করা শুরু করব।
কিন্তু ভিডিওগুলো এডিট করতে করতে আর সেখানে কাটানো সময়গুলোর কথা মনে করতে গিয়ে একটা বিষয় বারবার মাথায় আসছিল। স্থানীয়রা বলছিল, তাদের পর্যটন খাত এখনও কিছু পুরোনো ধারণা থেকে বের হতে হিমশিম খাচ্ছে যেমন অনেকেই এখনো মনে করে আলবেনিয়া ভ্রমণকারীদের জন্য নিরাপদ নয়, কিংবা এটা এখনও যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশ, যেখানে রাজধানীর চারপাশে শুধু বাঙ্কার আর দেশের বিভিন্ন জায়গায় সামরিক ঘাঁটি ছড়িয়ে আছে।
এখন, আমি একটা বিষয় বুঝি নিজের দেশকে এগিয়ে যেতে দেখতে চাওয়া, বিশ্বমানচিত্রে তার অবস্থান আরও শক্ত করতে চাওয়া এবং অর্থনীতিকে চাঙা করার চেষ্টা করা এক জিনিস।
কিন্তু মুদ্রার অন্য পিঠও আছে। সেটা হলো, নিজের দেশের একটা অংশ বিক্রি করে দেওয়া শুধু ট্রাম্প পরিবারকে (পশ্চিমা প্রভাবের চূড়ান্ত উদাহরণ হিসেবে) নয়, বরং রথসচাইল্ডদের কাছেও। আর ইতিহাস বলে, যখন রথসচাইল্ড পরিবার আর পশ্চিমা শক্তিগুলো একসাথে কাজ করে, তখন তার ফল খুব কম ক্ষেত্রেই স্থানীয় মানুষের পক্ষে যায়।
আলবেনিয়ানরা যে একরোখা আর দৃঢ়চেতা, সেটা মোটেও অবাক হওয়ার মতো কিছু না। তবে তাদের লড়াইয়ে, আর সত্যি বলতে আমাদের সবার লড়াইয়ে, সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো ধারাবাহিকতা।
এই ছবিটা শুধু প্রকৃতির দিক থেকে দেশটা কী অফার করতে পারে তার এক ঝলক মাত্র। আশা করি, এই প্রকৃতিই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় আশঙ্কার দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে না।