Films By Rafid

Website Contact the business

Films By Rafid Engineering Storyteller | Uncovering the Science behind Fascinating Tech
To know more, visit https://sites.google.com/view/agmrafiuzzamanrafid

Documentary Filmmaker | Mechanical Engineer | Storyteller | Traveler | Nature Adventure Enthusiast

I’m Rafid from Bangladesh — an independent explorer on a mission to uncover fascinating stories and turn them into captivating, easy-to-understand and informative documentaries. I also love traveling to new places, discovering hidden gems, and sharing experiences that inspire curiosity. My goal is to create high-quality documentaries that both entertain and enlighten — in sha Allah. Stay tuned for adventures, discoveries, and stories you won’t want to miss! For commercial documentaries, coverage or sponsorship, you can reach me at [email protected]

সামনে একটা বড় সমস্যা ফেস করতে যাচ্ছে এআই মডেলগুলো। বিষয়টা নিয়ে কনসার্ন প্রকাশ করেছে অক্সফোর্ড আর ক্যামব্রিজের রিসার্চারর...
30/09/2026

সামনে একটা বড় সমস্যা ফেস করতে যাচ্ছে এআই মডেলগুলো। বিষয়টা নিয়ে কনসার্ন প্রকাশ করেছে অক্সফোর্ড আর ক্যামব্রিজের রিসার্চাররা।

আমরা এখন প্রায় প্রতিটা লেখায়ই এআই ব্যবহার করছি। এভাবে ইন্টারনেট ভরে যাচ্ছে শুধু এআই জেনারেটেড লেখা দিয়ে, সাপ্রেসড হয়ে যাচ্ছে মানুষের সৃজনশীল লেখা।

আর নিউ জেনারেশন এর এআই মডেলগুলো ট্রেইনড হচ্ছে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা তথ্য থেকে। তার মানে ভবিষ্যতের মডেলগুলো যেসব লেখা থেকে ট্রেইনড হবে সেগুলোও এআই দিয়েই লেখা!

এআই এর তৈরি লেখা যদি পরের জেনারেশনের এআইকে শেখাতে ব্যবহার করা হয়, তাহলে কয়েক জেনারেশন পর সেই এআই তার আগের তথ্যের বৈচিত্র্য হারাতে শুরু করবে। এই ঘটনাকে বলা হচ্ছে “মডেল কলাপ্স”।

একটা কাগজের ফটোকপির ফটোকপির ফটোকপি করলে যেমন কালির কোয়ালিটি কমতে থাকে, সেরকম।

যতবার এআই এর তৈরি তথ্য আবার এআইকে শেখানো হবে, ততবার মূল তথ্যের কিছু বিরল ও ব্যতিক্রমী অংশ হারিয়ে যেতে থাকবে।

এভাবে চলতে চলতে এআই একটা সময় নিজের তৈরি পৃথিবী থেকেই শিখতে থাকবে। এমন একটা ডেটা ওয়ার্ল্ড তৈরি করে হবে যেখানে মানুষের আসল কণ্ঠস্বর খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে।

আবার অন্যদিকে, এআই এর কারণে মানুষ চিন্তা করা, পড়াশুনা করা কমিয়ে দিচ্ছে। সবকিছু এআইকে জিজ্ঞেস করতে করতে মানুষের এভারেজ বুদ্ধিমত্তা আর চিন্তাশক্তি কমে যাচ্ছে।

এভাবে একটা সময় মানুষের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান ডেটা হবে একজন চিন্তাশীল মানুষের নিজের লেখা, নিজের অভিজ্ঞতা। সবকিছুতে রবোটিক ফিল থেকে বের হতে মানুষ আবার মানুষকেই খুঁজে বেড়াবে।

এআই বিতর্কে অনেকে বলতে চায়, এআই শুধু আইটি সেক্টর দখল করবে কিন্তু “ফিজিক্যাল” কাজ যেখানে দরকার হয় সেগুলো কখনোই দখল করতে প...
17/09/2026

এআই বিতর্কে অনেকে বলতে চায়, এআই শুধু আইটি সেক্টর দখল করবে কিন্তু “ফিজিক্যাল” কাজ যেখানে দরকার হয় সেগুলো কখনোই দখল করতে পারবেনা।

কিন্তু মানুষের ধারণা নাই যে “ইন্টেলিজেন্স” এর পাশাপাশি “রোবটিক্স” এও পৃথিবী কোথায় চলে যাচ্ছে।

ম্যানুয়াল লেবারের কাজও খুব শীঘ্রই রোবট দখল করতে চলেছে, ইতোমধ্যে চায়নায় বেশ কিছু ইন্ডাস্ট্রিতে রোবটের মাধ্যমে কাজ করানো শুরু হয়েছে।

চীনের Liuzhou শহরে UBTECH চালু করেছে একটা নতুন ফ্যাক্টরি, যেখানে বছরে ১০,০০০ এর বেশি হিউম্যানয়েড রোবট তৈরির করা যাবে।

রোবটকে তৈরি করছে রোবটই। রোবটরা নিজেরাই বিভিন্ন জিনিস প্যালেট থেকে নামানো, মালামাল সরানোর মতো ফিজিক্যাল কাজ করছে। যদিও তাদের কাজের মনিটরিং করছে মানুষ।

হিউম্যানয়েড রোবট এখন আর শুধু “ডেমো” বা “এক্সিবিশন” এর জিনিস না, এগুলোকে বড় পরিসরে মাস প্রোডাকশনে কাজে লাগানো শুরু হচ্ছে।

রোবট এখনও এক্সপেন্সিভ, মাত্র শুরু হচ্ছে। কিন্তু সামনে এমন পর্যায়ে আসবে যেখানে মানুষকে দিয়ে কাজ করানোর চেয়ে রোবটকে দিয়ে কাজ করালেই বেশি “এফিশিয়েন্ট” হবে।

একবার প্রোগ্রাম করে দিলে রোবট হুবুহু “রিপিটেড” কাজগুলো করতে পারে যেটা মানুষের মাধ্যমে সূক্ষ্ম একুরেসি আনা সম্ভব হবেনা।

রোবটের “ছুটি” লাগবেনা, ঘুম লাগবেনা, সে মানুষের মত ক্লান্ত হবেনা, মাসিক বেতন লাগবেনা।জাস্ট কিনে ব্যবহার করা আর মাঝেমধ্যে মেন্টেনেন্স করা। অর্থাৎ ম্যাক্সিমাম প্রোডাক্টিভিটি।

অদূর ভবিষ্যতে ১০০ জন মানুষ রাখার চেয়ে ১০০টা রোবট আর তাদের খেয়াল রাখতে ১/২ জন মানুষ রাখলে ইন্ডাস্ট্রিগুলো বেশি প্রফিট করতে পারবে।

এখন যেমন রেগুলার কাজে সবাই এআই ব্যবহার করছে, আমরা না করলে পিছিয়ে যাব তাই আমাদেরও করতে হচ্ছে, তেমনই একটা সময় রোবট ব্যবহার না করা ইন্ডাস্ট্রিগুলো পিছিয়ে যাবে, ফলে বাধ্য হয়েই তারা রোবটের দিকে ঝুঁকবে।

ইলন মাস্ক বলেছে আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে মানুষের করা “প্রায় সব ধরণের কাজ” করতে পারবে রোবট। সেই লক্ষেই প্রতিযোগিতা করছে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রিগুলো।

তখন মানুষের আর কাজ করতে হবেনা। মানুষ ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম পাবে কাজ করা ছাড়াই। সেই সময়টার পর পৃথিবীর ইকোনোমি চালু রাখতে বেশিরভাগ মানুষের অস্তিত্ব “অপ্রয়োজনীয়” হয়ে যাবে।

তখন এই "অপ্রয়োজনীয়" মানুষদের ভাগ্যে কি ঘটবে, সেটা আল্লাহই ভালো জানেন।

14/09/2026

While the world is arguing over whether AI should be stopped or not, or preparing for the disasters coming ahead, Bangladesh is still divided over what happened in the 1940s and 1971

If time travel were possible, the world would go to the future.
Bangladeshi people would always go to the past to win an argument over Chetona.

ঠিক কি কারণে রিসার্চাররা এত ভয় পাচ্ছে আর বলছে যে এআই মানব সভ্যতা ধ্বংস করবে?কারণ এআই এজেন্টগুলা কিছুদিন আগে এমন একটা ঘটন...
13/09/2026

ঠিক কি কারণে রিসার্চাররা এত ভয় পাচ্ছে আর বলছে যে এআই মানব সভ্যতা ধ্বংস করবে?

কারণ এআই এজেন্টগুলা কিছুদিন আগে এমন একটা ঘটনা ঘটিয়েছে, যা বিস্তারিত জানলে আপনিও বুঝতে পারবেন যে মানবজাতি এমন এক সীমারেখা অতিক্রম করেছে যেখান থেকে আর ফিরে আসার উপায় নাই।

এআই এজেন্টরা অলরেডি মানুষকে বোকা বানানোর অনেক ছলচাতুরী শিখে গেছে, আর তার বাস্তব প্রমাণ মিলেছে বেশ কয়েকটা ঘটনায়, যার মধ্যে ‘হাগিং ফেস’ (Hugging Face) এর ঘটনাটা অন্যতম।

এই ঘটনাটা একটু ব্যাখ্যা করে বলি।

OpenAI তাদের সাইবার সিকিউরিটির বিভিন্ন প্রবলেম সলভিং এর জন্য এআই এজেন্টদের সক্ষমতা পরীক্ষা করছিল।

আগে বলি এআই এজেন্ট কী?

সাধারণ এআই, যেমন চ্যাটজিপিটিকে আমরা প্রশ্ন করলে সে উত্তর দেয়, তারপর অন্য কিছু জিজ্ঞেস করব কি না, তার জন্য অপেক্ষা করে।

কিন্তু একটা ‘এআই এজেন্ট’ কে একটা টাস্ক দেয়া হলে সে কন্টিনিউয়াস কাজ করতে থাকে। সমস্যার সমাধানটা বের করা পর্যন্ত বা কোনো dead end এ না পৌঁছানো পর্যন্ত এটা থামে না।

তো OpenAi এর ঘটনায় এই এজেন্টগুলার কন্ট্রোলড পরিবেশের ভেতরেই কাজ করার কথা ছিল। ইন্টারনেট ইউজ করার বা একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করার কোনো এক্সেস এদেরকে দেয়া হয়নি।

কিন্ত এই এজেন্ট গুলা ঠিকই এই দুইটা কাজই করার উপায় বের করে ফেলল একদম নিজে নিজেই!!

কিভাবে তারা এটা করলো এই বিস্তারিত বলার আগে আরেকটা কনটেক্সট বলি।

গত মে মাসে, OpenAI এর এজেন্টগুলা ‘DseWiki’ নামের একটি জার্মান প্রোগ্রামিং ওয়েবসাইট খুঁজে পায়। এটা মূলত একটি উইকি সাইট ছিল, যার সাথে OpenAI এর কোনো সম্পর্কই ছিল না।

অতি চালাক এই এজেন্টগুলা বুঝল, একে অপরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তারা এই সাইটকে ব্যবহার করতে পারে।

অথচ একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার এক্সেস বা কোনো কমান্ড কিন্তু তাদের দেয়া হয়নাই!

তারা এই ওয়েবসাইটে ১৫,০০০ এরও বেশিবার এডিট করে এই ওয়েবসাইটকে নিজেদের মেসেজিং এর মাধ্যমে পরিণত করল।

একটা সময় একজন “মানুষ” মডারেটর বিষয়টা খেয়াল করে আর তাদের তৈরি করা পেজগুলো ডিলেট করতে শুরু করে। কিন্তু তাতে তো শেষ হয়নাই!!

এই এআই এজেন্টগুলা আরেকটা ব্যাকআপ পেজ তৈরি করল আর তাদের নামকরণের পদ্ধতি বদলে ফেলল, যাতে মডারেটরের পক্ষে তাদের যোগাযোগ খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে যায়!!

পরে জানা গেছে এটাই একমাত্র ওয়েবসাইট ছিল না।

রিসার্চাররা প্রমাণ পেয়েছে OpenAI-এর এজেন্টরা যোগাযোগের জন্য আরও অনেক ওয়েবসাইট ব্যবহার করেছিল।

একজন রিসার্চার এরকম ১৮টি সাইট খুঁজে পেয়েছেন; অন্য একটা টিম ২৩টা সাইট প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে!

রিসার্চাররা এখনও খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছ আর তাদের একজন বলেছে, "আসলে কতদূর পর্যন্ত কী ছড়িয়ে আছে, সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই নাই!”

এবার 'Hugging Face'-এর কথায় আসা যাক। আগে বলি Hugging Face কী?

এটা বড় একটা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে AI ডেভেলপাররা AI মডেল, ডেটা বা বিভিন্ন টুল স্টোর আর শেয়ার করে। এটাকে রিসার্চারদের জন্য তৈরি ফেসবুকের মতো কিছু একটা বলা যায়।

তো OpenAI এর ভেতরেই, AI এজেন্টরা একে অপরের কাছে মেসেজ পাঠানোর আরেকটা উপায় বের করল।

কোনো এজেন্ট মানুষের বেধে দেয়া কোনো রেস্ট্রিকশন বাইপাস করার উপায় খুঁজে পেলেই সেটা বাকি এজেন্টদের সাথে শেয়ার করা শুরু করল।

এরপর তারা ইন্টারনেটে এক্সেসের উপায়ও খুঁজে বের করল।

OpenAI অথরিটি বিষয়টা বুঝতে পেরে সিস্টেমটা বন্ধ করে দেয়, অ্যাক্সেস ক্রেডেনশিয়াল সরিয়ে ফেলে এবং সিস্টেমটা নতুন করে তৈরি করে। তাদের সেই যোগাযোগ ব্যবস্থাটি তখন বন্ধ হয়ে যায়।

তো এরপর কি সব শেষ?
রুকো! ক্লাইমেক্স বাকি হ্যায়!

OpenAI সিস্টেমটা নতুন করে তৈরি করার পরও, এজেন্টরা আবার ইন্টারনেটে এক্সেস নিয়ে ফেলে! আর এবার এরা নতুন একটা উপায়ে আবার তাদের মেসেজিং এর প্ল্যাটফর্মটা গড়ে তোলে!

মানে ভাবেন, এদেরকে কোনভাবেই থামানো যাচ্ছেনা! এরা নিজেরা নিজেরা বারবার বাইপাস করে যাচ্ছে, কথা তো শুনতেসে না ইই বরং ছলচাতুরী করে বারবার মানুষকে বোকা বানাচ্ছে।

এরপর এভাবে তারা কাজ ভাগ করে নিল, এতগুলা এআই এজেন্ট একসাথে মানুষের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে মোড় নিল।

একটা AI এজেন্ট Hugging Face এর ১৪টা ওপেন ক্রেডেনশিয়াল খুঁজে পায় যার মাধ্যমে ফুল অ্যাক্সেস পাওয়া সম্ভব আর সে এসব বাকি এজেন্ট দের সাথে শেয়ার করে।

এজেন্টরা আগে অজানা ছিল এমন অনেক সিকিউরিটির ক্র্যাক খুঁজে বের করে। তারা Hugging Face এর অনেকগুলো সার্ভারে কোড চালায়। এমনকি একটি সার্ভারে তারা ফুল "রুট" (root) অ্যাক্সেসও পেয়ে যায়।

রুট অ্যাক্সেস মানে হলো পারমিশন এর সর্বোচ্চ স্তর; এর মানে তাদের হাতে 'মাস্টার কি' এসে পড়ল আর তারা ওই সিস্টেমের ভেতর সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার এক্সেস পেয়ে গেল!

এরপর তারা Hugging Face এর একাধিক ক্লাস্টারে তাদের অ্যাক্সেস ছড়িয়ে দেয়। তারা ডেটাবেস, ক্লাউড, মেসেজিং সহ অনেক ব্যক্তিগত ইনফরমেশনের এক্সেস নেয়।

এজেন্টগুলার মধ্যে কিছু এজেন্ট তাদের নিজস্ব লজিকের মাধ্যমেই বুঝতে পেরেছিল যে, তারা একটি থার্ড পার্টির ওপর এটাক চালাচ্ছে, যা নিষিদ্ধ। অর্থাৎ, তারা জানত যে ভুল কিছু করছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা এই এটাক থামায়নাই!!

শেষ পর্যন্ত, এজেন্টগুলো OpenAI এর একটি রিসার্চ ক্লাস্টারের ফুল কন্ট্রোল নিয়ে ফেলে, আর সিক্রেট সব ফাইলের এক্সেস নেয়।

অবশেষে OpenAI তাদের রানিং প্রজেক্টটা বন্ধ করে দেয়, আর মূল রিসার্চ মডেলটাকে বিচ্ছিন্ন (quarantine) করে ট্রেনিং এর কাজ বন্ধ রাখে, যেন তারা তদন্ত করে দেখতে পারে আসলে কী ঘটেছিল।

এবার একবার ভেবে দেখুন তো, আসলে কী ঘটেছিল।

এআই সিস্টেমগুলাকে একটা কন্ট্রোলড পরিবেশে রাখা হয়েছিল, অনেক রেস্ট্রিকশনস ছিল। কিন্তু তারা সেই রেস্ট্রিকশনগুলা বাইপাস করার উপায় খুঁজে বের করল।

তারা এমন সব যোগাযোগের পদ্ধতি আবিষ্কার করল যা তাদের শেখানো হয়নি!

যোগাযোগের একটা মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেলে তারা অন্য একটি মাধ্যম বের করল। তারা সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ব্যবহার করল।

তারা 'Hugging Face' এর সিকিউরিটি ক্র্যাক করল। এরপর তারা সেই কোম্পানির সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণও নিয়ে নিল, যারা তাদের তৈরি করেছিল!

এআই এখন আর শুধু “মানুষের সাপোর্ট টুল” হিসাবে সীমাবদ্ধ নাই। এরা এখন “নিজস্ব স্বত্বা” হয়ে উঠেছে, মানুষকে বোকা বানানো শিখে গেছে।

এটা তো তাও থামানো গিয়েছিল। কিন্তু খুব দ্রুতই সে যদি এমন বুদ্ধিমত্তা অর্জন করে যা মানুষ আর কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেনা, তবে তো হলই! আল্লাহ হাফেজ

11/09/2026

মানুষের অবাধ্য হয়ে যাচ্ছে এআই ?
কেন ২০৩০ সালের মধ্যে মানব সভ্যতার বিলুপ্তির কথা বলা হচ্ছে?
How AI is threatening Humanity?

10/09/2026

China is using Technology to tell History

গতকাল ৮ সেপ্টেম্বর আরেক ভয়ংকর চমক দেখালো GPT 6 - Astra, যার পর থেকে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি এখন মানুষকে ছাড়িয়েই গেছে এআই?  ...
09/09/2026

গতকাল ৮ সেপ্টেম্বর আরেক ভয়ংকর চমক দেখালো GPT 6 - Astra, যার পর থেকে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি এখন মানুষকে ছাড়িয়েই গেছে এআই?

প্রায় ২০০ বছর ধরে গণিতবিদরা যেই নেভিয়ার স্টোকস প্রবলেম সমাধান করতে পারেনি, সেটা ৮৮ ঘণ্টায় করে দেখিয়েছে এআই।

২০০০ সালে এটাকে বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন ৭টা মিলেনিয়াম প্রাইজ প্রবলেমের একটা ঘোষণা করে এটা সলভ করার জন্য ১মিলিয়ন ডলার পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়।

খুব সংক্ষেপে, মূল প্রশ্ন ছিল, একটা মসৃণ তরলের প্রবাহ কি সবসময় মসৃণ থাকবে, নাকি কোনো একসময় সেটি গাণিতিকভাবে “ভেঙে” গিয়ে অসীম মান তৈরি করতে পারে?

Astra প্রমাণ করেছে যে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এমন একটা ব্রেকডাউন সত্যিই তৈরি হতে পারে। প্রমাণটা সে Lean-এ ফর্মাল ভেরিফিকেশনও করেছে।

গত এক সপ্তাহ যাবত এআই একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে। এআই থামবে ঠিক কোথায়?

এভাবে চলতে থাকলে জেনারেশন আলফা পড়াশোনা করার মোটিভেশন হারিয়ে ফেলবে। সবকিছুই যেখানে এআই দিয়ে হয়ে যাচ্ছে, আমি পড়াশোনা করে জীবনে কীই বা করব? - এই চিন্তা টিনেজারদের ভাবাচ্ছে।

এদিকে সব শর্টকাটে করতে করতে মানুষের এভারেজ বুদ্ধিমত্তাও কমে যাচ্ছে।

২০২২ সালে যেই প্রজেক্টের এসাইনমেন্ট ৫ দিন ঘাটাঘাটি করে তৈরি করেছিলাম, সেটা এখন ৫ মিনিটে করা সম্ভব। এআই এর যুগে একে ব্যবহার না করেও উপায় নাই। সবাই যেখানে ৫ মিনিটে করছে সেখানে কেউ ৫দিন লাগালে সে তো পিছিয়ে যাবে।

কিন্তু ৫ দিন ঘেঁটে তখন যেটুকু শিখেছিলাম, এখন ৫ মিনিটে ওই এসাইনমেন্ট তৈরি করে শিক্ষার্থীরা কি আদৌ কিছু শিখছে?

এমনিতেই চাকরির বাজার এআই দখলে নিচ্ছে, সেখানে এই শর্টকাট করে ঠিকমত না শিখে পার হওয়া জেনারেশনের ফিউচার কোথায়?

এআই ব্যবহার করে শেখা, বোঝা অনেক সহজ হয়েছে এখন। কিন্তু কয়জন আসলে সত্যি সত্যি এআইকে “শেখার” কাজে ব্যবহার করছে আর কয়জন “শর্টকাট” হিসেবে ব্যবহার করছে?

এআই এর উপর নির্ভর করতে করতে যে মানুষের চিন্তাশক্তি লোপ পাচ্ছে, এটা তো এখন অনেকগুলো গবেষণায়ও উঠে এসেছে।

এআই জনসম্মুখে আসার মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই মানুষের বুদ্ধিমত্তা এআই এর চেয়ে ব্যাকফুটে চলে যাচ্ছে। ১০ বছর পর এআই আরও উন্নত হবে, মানুষের চিন্তাশক্তিও কমতে থাকবে। তখন এআই যে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করবেনা, সেটার গ্যারান্টি কি?

এআইকে একটা জায়গায় না থামালে আমাদের মত আমজনতার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এলিট সোসাইটির মাঝে একে থামানোর কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছেনা।

ইলন মাস্ক বলেছে, ২০৪০ এর মধ্যে সম্পূর্ণ অটোমেটেড পৃথিবী গড়ে তুলতে চায় তারা, যেখানে মানুষের আর কিছুই করতে হবেনা।

একদিকে এআই, অন্যদিকে রোবটিক্স যেভাবে আগাচ্ছে, ইলন মাস্কের প্ল্যান "ফিজিবল" বলেই মনে হচ্ছে।

বেইজিং এর এই বিশাল রাজপ্রাসাদকে “ফরবিডেন সিটি” বলে কারণ প্রায় পাঁচশ বছর ধরে এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ ছি...
08/09/2026

বেইজিং এর এই বিশাল রাজপ্রাসাদকে “ফরবিডেন সিটি” বলে কারণ প্রায় পাঁচশ বছর ধরে এখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ ছিল। এটা মিং আর কিং ডাইনাস্টির সম্রাটদের রাজকীয় বাসভবন আর চীনের রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল। চীনের ইতিহাস আর সভ্যতা মূলত এই জায়গাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল।

এই রাজপ্রাসাদটা চীনের ইতিহাসের জন্য এতই তাৎপর্যপূর্ণ যে, এই রাজপ্রাসাদের প্রত্যেকটা কোণায় কোণায় থাকা ইতিহাস পৃথিবীকে জানাতে চায় চীন। তাই এখানের ট্যুরিস্টদের জন্য আছে একটা অডিও গাইড সার্ভিস। বিশাল রাজপ্রাসাদের যেই জায়গায় যাবেন, যেদিকে ফিরে দাঁড়াবেন, সেই স্পটের ইতিহাস আপনাকে বলতে শুরু করবে এই অডিওগাইডটা।

এই টপিকে একটা ভিডিও পোস্ট করেছি ইউটিউবে।
Location Based Audio Guide Technology for Tourists in China

এআই প্রতিদিনই নতুন নতুন চমক দেখাচ্ছে। ৩৫০ বছর ধরে গণিতবিদদের প্যারা দেওয়া একটা ম্যথমেটিকাল প্রবলেম মাত্র ১১ দিনে সলভ করত...
06/09/2026

এআই প্রতিদিনই নতুন নতুন চমক দেখাচ্ছে। ৩৫০ বছর ধরে গণিতবিদদের প্যারা দেওয়া একটা ম্যথমেটিকাল প্রবলেম মাত্র ১১ দিনে সলভ করতে পেরেছে ক্লড!

পৃথিবীর সেরা গণিতবিদরা ১৬৩৭ সাল থেকে সমাধান খোঁজার পর ১৯৯৫ সালে এন্ড্রিও ওইলস এর প্রমাণ করতে পেরেছিলেন যা ছিল ১২৯ পেজ লম্বা।

এবার এই উপপাদ্যের প্রতিটা ছোট-বড় লজিক্যাল স্টেপ কম্পিউটার দিয়ে যাচাই করে প্রমাণ করল ক্লড।

ঘটনাটা বুঝলে ব্যাপারটা বেশ অবাক করার মত। যেই সমস্যাটা ক্লড সমাধান করেছে সেটার নাম Fermat's Last Theorem

আমরা পিথাগোরাস এর উপপাদ্য পড়েছি। 3² + 4² = 5², এখানে 3, 4 এবং 5, তিনটাই পূর্ণসংখ্যা। এই ধরনের অসংখ্য উদাহরণ পাওয়া যায়। যেমন, 5² + 12² = 13²

এবার যদি পাওয়ার এ 2-এর জায়গায় 3 বসাই?
অর্থাৎ, a³ + b³ = c³ এর জন্য কি কোন পজিটিভ পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যাবে?

১৬৩৭ সালে পিয়েরে ডে ফেরম্যাট দাবি করেছিলেন, যদি এক্সপনেন্ট 2-এর বেশি হয়, তাহলে aⁿ + bⁿ = cⁿ সমীকরণের কোনো পজিটিভ পূর্ণসংখ্যা সমাধান নাই।

খুবই সহজ একটা স্টেটমেন্ট, কিন্তু প্রমাণ করা প্রচন্ড কঠিন। কারণ এটা ইনফিনিট সংখ্যক পসিবিলিটির জন্য প্রমাণ করতে হবে যে এমন কোনো সমাধান কখনোই সম্ভব না। কয়েক শতাব্দী ধরে পৃথিবীর সেরা গণিতবিদরা চেষ্টা করেছেন এটা প্রমাণ করার।

১৯৯৫ এর এন্ড্রিও ওইলস এর প্রমাণ আধুনিক গণিতের অত্যন্ত জটিল অনেকগুলো শাখার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি বিশাল লজিক্যাল স্ট্রাকচার। এত জটিল যে, প্রমাণটা সঠিক কি না যাচাই করতেও পৃথিবীর সবচেয়ে অভিজ্ঞ গণিতবিদদের কয়েক বছর সময় লেগেছিল।

এখন কম্পিউটারের মাধ্যমে এটা সমাধান করার ক্ষেত্রে আরেকটা “কিন্তু” আছে। মানুষের লেখা গাণিতিক প্রমাণ আর কম্পিউটারের বোঝা প্রমাণ এক জিনিস না।

মানুষ “আমরা জানি” “অমুক উপপাদ্য থেকে পাই”, এভাবে ধরে নিয়ে মাঝখানের অনেক লজিক্যাল স্টেপ “জানা কথা” ভেবে স্কিপ করে যেতে পারে। কিন্তু কম্পিউটার প্রতিটা স্টেপ যাচাই করে দেখবে। ছোট কোনো লজিক্যাল গ্যাপ পেলেই সে আর সামনে আগাবে না। এরর দেখাবে, আবার নতুন ওয়ে খোঁজার চেষ্টা করবে।

প্রতিটা উপপাদ্যের পেছনে থাকতে হবে আরেকটা ভেরিফাইড উপপাদ্য। এভাবেই কাজ করে Lean এর মতো ফর্মাল প্রুফ সিস্টেম। এখানে গণিতকে এমনভাবে লেখা হয়, যেন প্রতিটা লজিক্যাল স্টেপ কম্পিউটার নিজে যাচাই করতে পারে।

এখানেই ক্লড নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ক্লড এই সমস্যাকে ধাপে ধাপে Lean-এর মতো ফর্মাল সিস্টেমে রূপান্তর করেছে এমনভাবে, যেন কম্পিউটার এই প্রমাণের প্রতিটা ধাপ নিজে যাচাই করতে পারে।

এই প্রক্রিয়ায় ক্লড ১১ দিন ধরে প্রায় ১৩ মিলিয়ন লাইন Lean code তৈরি করেছে। হাজার হাজার ছোট ছোট উপপাদ্য আর লজিক্যাল কানেকশন তৈরি করেছে।

এআই মানব সভ্যতার প্রগেসকে এক্সপনেনশিয়াল স্পিড দিচ্ছে। একজন গণিতবিদ একটা নতুন ধারণা দিলে এআই হাজার হাজার সম্ভাব্য লজিক্যাল ওয়ে এক্সপ্লোর করে দিতে পারবে কয়েক ঘন্টায়, যা সেই গণিতবিদ নিজে করতে গেলে কয়েক বছর লাগত।

এভাবে এখন রিসার্চ এর একটা অপরিহার্য "টুল" হয়ে উঠেছে এআই।

এআই মানুষের সাথে থিংকিং, এনালাইসি আর আবিষ্কার এর অংশীদার হয়ে উঠছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুষকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আমি অবাক হব না যেদিন নতুন কোন আবিষ্কার এর জন্য নোবেল প্রাইজ এ নাম থাকবে এআই এর।

ঠিক কতদিন এআই মানুষের সহযোগী হয়ে কাজ করবে, কতদিন এটা একটা “টুল” হিসেবে ব্যবহার হবে?

কবে সে নিজে নিজেই ডেভেলপ হওয়া শুরু করবে, বা এমন কিছু তৈরি করা শুরু করবে যা মানুষের বোধশক্তির বাইরে? এটাই এই শতাব্দীর সাইন্স ফিকশনগুলোর ভয়ংকর কনসেপ্ট।

২০২৩ এর শুরুর দিকের এআই, আর ২০২৬ এর এআই এর মধ্যে বিস্তর ব্যবধান দেখে মনে হয়, আমরা কি সত্যিই এগিয়ে যাচ্ছি সেই সাইন্স ফিকশনের দিকে?

গতকাল ওপেনএআই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এইআই মডেল “GPT 6-Astra” সামনে এনেছে। আর এর মাধ্যমে আমরা এমন এক যুগে প্রবেশ কর...
04/09/2026

গতকাল ওপেনএআই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এইআই মডেল “GPT 6-Astra” সামনে এনেছে।

আর এর মাধ্যমে আমরা এমন এক যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি যা এতদিন শুধু সাইন্স ফিকশনেই সম্ভব ছিল।

এই মডেল আরেকটু ডেভেলপ হলে আয়রন ম্যানের জারভিস বাস্তবে চলে আসা জাস্ট সময়ের ব্যাপার।

এবারের মডেল আগেরগুলোর মত শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এআই না। এটা কম্পিউটারের এক্সেস নিয়ে কাজও করে দিবে। আগে এআই জাস্ট প্রসেস বলে দিত কিভাবে করতে হবে, তারপর আমরা সে অনুযায়ী করে নিতাম। আর এই ভার্সনকে জাস্ট ভয়েস কমান্ড দিলে সে নিজেই পুরোটা করে দিবে।

কিবোর্ডে আমরা যে টাইপ করি, মাউসের কার্সর মুভ করে ক্লিক করি, এসবও করতে হবেনা। জাস্ট বললেই হবে। আমাদের কমান্ড অনুযায়ী মাউস-কিবোর্ড কাজ করবে।

ওপেনএআই এর প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান তো বলেই ফেললেন, এই মডেলের মাধ্যমে আমরা AGI (Artificial General Intelligence) যুগে প্রবেশ করেছি।

এটা যে মানবসভ্যতার জন্য ফিউচার থ্রেট সেটা প্রতিষ্ঠাতা নিজেরাই ঘোষণা করেছে। ওপেনএআই বলছে এটা তাদের প্রথম মডেল যা সাইবার সিকিউরিটি ক্যাপাবিলিটি এর ক্ষেত্রে “ক্রিটিকাল” লিমিটে পৌঁছেছে। মানে প্রয়োজনীয় টুলস এর এক্সেস দেওয়া হলে এটা জটিল কম্পিউটার সিস্টেমের অজানা দুর্বলতা খুঁজে বের করার মতো ক্ষমতাও রাখে।

এরকম প্রগ্রেস যেমন অবাক করে, তেমন ভয়ও হয়। মানুষের লিমিট আসলে কতদুর? একটা সময় ১০০ বছরেও যে পরিবর্তন মানব সভ্যতা করতে পারত না, এখন সেটা এক দিনেই হয়ে যাচ্ছে। মানুষ একটা ভার্সন ঠিকমত বোঝার আগেই নতুন ভার্সন চলে আসছে। আজকের নতুন টেক আগামীকাল পুরান হয়ে যাচ্ছে।

আর্টিস্ট, এডিটর, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, ভাইব কোডারসহ অনেকের কাজ এআই অলরেডি দখলে নিয়েছে। সামনে এআই আরও অনেক সেক্টরের চাকরি রিপ্লেস করার পথে আছে। এআই এর সাবস্ক্রিপশন নিয়ে ১ জনকে রাখলে যদি ৫০ জনের কাজ হয়ে যায়, তাহলে কম্পানিগুলো বেশি মানুষ হায়ার করবেনা।

বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে সিএসই সেক্টর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। ৫ বছর ধরে কোনো কাজ শেখার পর যখন দেখা যায় এআই এক মিনিটেই সেটা করে দিচ্ছে, ব্যাপারটা সত্যিই খুব হতাশার।

এলিট সোসাইটি (You know who) তাদের ইচ্ছামত পুরো বিশ্ব নাচাচ্ছে। ইলন মাস্ক বলেছেও যে একটা সময় পর মানুষের আর কাজ করতে হবেনা, মানুষ আরাম আয়েশ করবে আর এমনি এমনিই সেন্ট্রালাইজড বেতন/ভাতা পেতে থাকবে। আর এটাই হবে আল্টিমেট ট্র্যাপ।

যেই সময়টার কথা এলন মাস্ক বলেছে, সেটা বেশি দূরে না। তখন আমাদের জীবিকা কারও দয়ার উপর চলছে, আমাদের সব তথ্য তাদের কাছে আছে, কখন কি করি কোথায় যাই সব তারা জানে, এসেটের নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে, কারেন্সি হয়েছে কাল্পনিক কিছু ডিজিট যার ফিজিক্যাল ভ্যালু নেই, চাইলেই সেটা ফ্রিজ করে দেয়া সম্ভব। তখন পাহাড়ে গিয়ে ছাগল চড়ানো বা গ্রামে গিয়ে গরুর খামার দেয়া ছাড়া আর অল্টারনেটিভ থাকবে বলে আমার মনে হচ্ছেনা।

Address

Zhengzhou

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Films By Rafid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Films By Rafid:

Shortcuts

Share