Basket of stories by shahinblb গল্পের ঝুড়ি

Basket of stories by shahinblb গল্পের ঝুড়ি enjoy.com.bd

নারীকে চুল ধরে মেরোনা.....লোকে মন্দ কইবে.....😊😊😊নারীকে গালে মেরোনা... তাহার সৌন্দর্য নষ্ট হইবে...🤗🤗🤗নারীকে কারো সামনে লজ...
26/05/2020

নারীকে চুল ধরে মেরোনা.....
লোকে মন্দ কইবে.....😊😊😊

নারীকে গালে মেরোনা...
তাহার সৌন্দর্য নষ্ট হইবে...🤗🤗🤗

নারীকে কারো সামনে লজ্জা দিওনা....
তোমার আত্মসম্মান কমে যাইবে.. 😚😚😙

নারীকে হাত মুচড় দিওনা
তোমায় পিপাসার জল কিভাবে দিবে?😥😥😥

নারীকে পায়ে আঘাত করোনা!
তোমার সাথে পথ কিভাবে চলবে🙄🙄🙄

নারীকে স্বতিত্বের দাগ দিওনা!
সে অস্বতী হয়ে যাবে.....😏😏😏

নারীকে কোমরে আঘাত করোনা!
তোমার তৃপ্তি কমে যাবে....😌😌😌

নারীকে বুকে আঘাত করোনা!
তোমার সন্তান কষ্ট পাবে..😐😐😐

নারীকে ঘৃনা করোনা!
তুমি ঘৃনিত হবে....😐😐😐

নারীকে একটু ভালোবাসা দেও সে
তোমাকে স্বর্গের ভালোবাসা এনে দিবে।😍😍😘😘😘
গল্পের ঝুড়ি by shahinblb

নারী 🥰🥰নারীকে চুল ধরে মেরোনা.....লোকে মন্দ কইবে.....😊😊😊নারীকে গালে মেরোনা... তাহার সৌন্দর্য নষ্ট হইবে...🤗🤗🤗নারীকে কারো স...
25/05/2020

নারী 🥰🥰
নারীকে চুল ধরে মেরোনা.....
লোকে মন্দ কইবে.....😊😊😊

নারীকে গালে মেরোনা...
তাহার সৌন্দর্য নষ্ট হইবে...🤗🤗🤗

নারীকে কারো সামনে লজ্জা দিওনা....
তোমার আত্মসম্মান কমে যাইবে.. 😚😚😙

নারীকে হাত মুচড় দিওনা
তোমায় পিপাসার জল কিভাবে দিবে?😥😥😥

নারীকে পায়ে আঘাত করোনা!
তোমার সাথে পথ কিভাবে চলবে🙄🙄🙄

নারীকে স্বতিত্বের দাগ দিওনা!
সে অস্বতী হয়ে যাবে.....😏😏😏

নারীকে কোমরে আঘাত করোনা!
তোমার তৃপ্তি কমে যাবে....😌😌😌

নারীকে বুকে আঘাত করোনা!
তোমার সন্তান কষ্ট পাবে..😐😐😐

নারীকে ঘৃনা করোনা!
তুমি ঘৃনিত হবে....😐😐😐

নারীকে একটু ভালোবাসা দেও সে
তোমাকে স্বর্গের ভালোবাসা এনে দিবে।😍😍😘😘😘
গল্পের ঝুড়ি by shahinblb

বিশ্বাস রাখুন নিজের উপরপাড়ার সবচেয়ে কালো ছেলেটি, যে কি না মাঝে মাঝেই নিজের ঘরে মুখ লুকিয়ে কাঁদতো, তাকে আজ একটি সুন্দর ফু...
23/05/2020

বিশ্বাস রাখুন নিজের উপর

পাড়ার সবচেয়ে কালো ছেলেটি, যে কি না মাঝে মাঝেই নিজের ঘরে মুখ লুকিয়ে কাঁদতো, তাকে আজ একটি সুন্দর ফুটফুটে আপুর পাশে দেখা যায় ।তারা আজ বিয়ে করেছেন ।

ক্লাসের শেষ রোলের ছেলেটি— যে কি না প্রায়ই বিরক্ত হয়ে বই ছিঁড়ে পুড়িয়ে ফেলতো, তাকেই আজ দেখা যায় পাজেরোতে চেপে অফিস যেতে।
হ্যাঁ, সে আজ দেশের বিখ্যাত একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ।

রাগের কারণে যে ছেলেটি ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, পাড়ার যেকোন গন্ডগোলে যেই ছেলেটিকে ছুঁড়ি হাতে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে দেখা যেত, সেই আজ মাথা ঠান্ডা রেখে পরিচালনা করে পুরো একটি ব্রিগেড ফোর্স । কাঁধভর্তি চকচকে স্টার আর জাতীয় প্রতীক শাপলা ।
সে আজ সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা ।

যে ছেলেটি এক ফোঁটা রক্ত দেখলেই মাথা ঘুরে পড়ে যেত, সেই আজ অপারেশন থিয়েটারে রক্ত নিয়ে হাত মাখামাখি করে ফেলে ।
হ্যাঁ, সে আজ দেশের নামকরা একজন ডাক্তার ।

সবকিছুই বদলে যায় । বদলে যায় সমাজ, মানুষ আর মানুষের জীবন । শুধু দরকার একটু ধৈর্যের ।

স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে বা ছেলেটার কাছে ছ্যাঁকা খেয়ে আজ আপনি আত্মহত্যা করতে দৌঁড়াচ্ছেন, অথচ আপনি জানেনই না সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্য ক্লাসের নয়, পুরো স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী এবং স্মার্ট মানুষটাকে সৃষ্টি করে রেখেছেন ।

ক্লাস টেস্টে ফেল করে আপনি পড়ালেখাই বাদ দিতে চাইলেন, অথচ ভবিষ্যতে মেডিকেলের গেটটি আপনার পদধূলির জন্য উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছে ।

ছোটখাটো ব্যর্থতা সবার জীবনেই থাকে, থাকবে । এই ব্যর্থতায় হতাশ হলে চলবে না । তাহলে দুঃখী মুখটাতে কখনোই হাসির ঝিলিক দেখা যাবে না ।

সবকিছুই একসময় বদলে যাবে । আপনার হতাশাও একসময় রুপ নেবে প্রাণোচ্ছ্বল হাসিতে ।

কিন্তু দরকার একটু ধৈর্য । হতাশার সময়টিতে শুধু এই একটি জিনিসই বদলে দিতে পারে আপনার পুরো জীবনকে । তাই মানসিকভাবে ভেঙ্গে না পড়ে একটু ধৈর্য ধরুন ।

সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন, বিশ্বাস রাখুন নিজের উপর । বিশ্বাস রাখুন এই কথাটির উপর—
হ্যাঁ, আমি পারবই।
গল্পের ঝুড়ি by shahinblb

গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোড় করে স্ত্রীর ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে ব্রা খুলতে শিখ...
19/05/2020

গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোড় করে স্ত্রীর ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে ব্রা খুলতে শিখেছি। 😌🌸

কিন্তু কখনো কি স্ত্রীকে বলেছি, আজ তোমার শরীরটা কেমন? সারা দিন প্রচুর খাটাখাটনি হয়েছে তাই না? আজ তোমার শরীরটা একটু টিপে দেই? শরীর ব্যথাটা কমে যাবে!🌸🔥

যখনই যৌন উত্তেজনা উঠে, তখনই মনে পড়ে, আমার তো একটা স্ত্রী আছে! এর আগে কখনো স্ত্রী নামক মানুষটা কথা মনে পড়েছে?

অফিসে কাজের নামে অন্যের স্ত্রী সাথে কর্পোরেট ঘষাঘষি করি। কখনো কি মনে পড়ে কেউ একজন দিন শেষে বেলকুনির গ্রিল ধরে পথ চেয়ে আছে আমার অপেক্ষায়। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরলে, মেজাজ গরমে স্ত্রীকে বলি দুধ চিনি ভাল করে দিয়ে, তারাতারি এক কাপ চা দাও!😌

তখন একবারের জন্য কি মনে হয় না, এই মানুষটাও তো সারাদিন আমার মতো কাজ বাড়ি তে দিয়েছে, তার আমার মধ্যে পার্থক্য হলো, সে ঘরে দিয়েছে আর আপনি বাহিরে দিয়েছেন!🔥

বাকি রইলো বিয়ে! বিয়ে করলেই স্বামী হওয়া যায় না। স্বামী একটি অন্ধ বিশ্বাস, ভরসাময় অাস্থা।😙 🔥

শুধু যৌনতায়ই স্ত্রী সুখ না, ভালবাসায়ই স্ত্রী অফুরন্ত সুখ, শান্তি।😙

অতৃপ্তির কারনে কনডমবিহীন সঙ্গম করেন। কখন কি বলেছেন আচ্ছা তোমার প্রতিদিন একই ট্যাবলেট খেতে ভাল লাগে? আজ থেকে বেশ কিছু দিন সঙ্গম বন্ধ রাখবো, তুমি আর এই ট্যাবলেট খেয়েওনা প্লিজ! তোমার কষ্ট আমার সহ্য হয় না!😌

🔥স্ত্রী মানেই রোবট না, স্ত্রীও আপনার মতো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তাকে বুঝু ন, বোঝার চেষ্ঠা করুন, বোঝা উচিৎ। স্ত্রী আপনার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের পাশাপাশি তাকে ভালবাসাটাও আপনার মহা দায়িত্ব!😌

আমরা স্ত্রীর যৌন উত্তেজনা বাড়াতে শিখেছি! কখনো কি তাকে জিজ্ঞাস করেছি, মাসের প্রথমে ধস শেষে তার শরীর থেকে যেই বিষাক্ত রক্তপাত হয়, তা কতটা কষ্টের ও যন্ত্রনাদায়ক? যৌনতায় ভালবাসা থাকেনা, ভালবাসা থাকে গভীর রাতে যৌন মিলন না করে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে নিজের হৃদপিন্ডে ঢুকেয়ে তার কষ্টের কথা গুলো শুনার মাঝে, তাকে শান্তনা দেয়ার মাঝে।😌🌸🔥

😙ঠোটে চুম্বন করে যৌন উত্তেজনা করতে শিখেছি! কখন কি বাসার থেকে বাহির হওয়ার বা ফেরার পর স্ত্রী কপালে চুম্বন করে বলেছি এই নেও তোমার সারাদিনে ভালোবাসা ❣️

স্ত্রী যোনীতে দুই ফোঁটা বীর্য দিলেই সন্তান আপনার দাবী করা যায় না। সন্তান প্রস্রব চলাকালীন ঘন্টার পর ঘন্টা যন্ত্রনাদায়ক সেটা উপলব্ধি করতে মাত্র দুই মিনিট মরিচের গুড়া আপনার লিঙ্গে লাগিয়ে দেখুন সন্তান প্রস্রব করা কতটা কষ্টদায়ক।😌

দশমাস নয়, মাত্র দশদিন, দশ কেজি ওজনের একটি পাথর আপনার পেটে বেধে দেওয়া হবে। তা নিয়ে এই দশদিন আপনি সমস্ত কাজ করতে পারলেই আপনার সন্ত্রান সেটা স্বীকৃতি পাবেন 🌸🔥
🙏যদি খারাপ মনে হয়... ক্ষমাপ্রাথী❤

 #গর্ভবতী_হলেও_কিন্তু_গর্ভে_বাতি_মেলেনামেয়েটি প্রেগন্যান্ট হয়ে দিনে ২০-৩০ বার বমি আর নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছে।খেতে...
21/03/2020

#গর্ভবতী_হলেও_কিন্তু_গর্ভে_বাতি_মেলেনা

মেয়েটি প্রেগন্যান্ট হয়ে দিনে ২০-৩০ বার বমি আর নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছে।

খেতে বসলে পেটে বাচ্চা লাথি মারে, খেতে পারেনা। রাতে ঘুমাতে গেলে যন্ত্রনায় ছটফট করে,ঘুম আসেনা। সারা দিন শরীরটা কেমন যেন করে।বসতে গেলে,শুতে গেলে,হাটতে গেলে মাথাটা কেমন যেন ঝিমঝিম করে।

আবার মনের ভেতর ভয়ও করে। কি হবে? পারবো তো সব সামলে উঠতে ?

এভাবে নয় মাস কেটে যায়। হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠে। চারদিকে বিষাদের ছায়া,বাঁচবে তো মেয়েটি, আর অনাগত শিশুটি ?

মৃত্যুকে হাতে নিয়ে মেয়েটি শুয়ে পড়ে। জরায়ু ছিড়ে স্রোতের মত রক্ত ঝরে। চিৎকার করে উঠে মেয়েটি, যেন পৃথিবীটা তার অবস্থানে নেই। সে সূর্যের আলো যেন আজ ক্ষীণ দেখাচ্ছে।

প্রচন্ড আলোতেও সব কিছু কেমন যেন আবছা লাগছে। চারদিকে তাকায়। আপন মানুষগুলোকে খামচে ধরে। যেন মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানায়।

বাচ্চাটি পৃথীবির মুখ দেখে। সবাই বাচ্চাকে নিয়ে কত আনন্দ উল্লাস করে। নতুন নতুন জামা কিনে নিয়ে আসে। বাচ্চাকে নিয়ে হাজারো স্বপ্নের বীজ বপন হয়।

কে কি নামে ডাকবে তা ঠিক করতে হুলস্থুল অবস্থা শুরু হয়ে যায়। আত্মীয়় কুটুমরা বাচ্চার এ গালে, ও গালে চুমু খায়।

মেয়েটি বাচ্চার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। কে জানে সেই হাসির মাঝেও কত বেদনা লুকিয়ে আছে।

নবাগত অতিথিকে পেয়ে সবাই মেয়েটির কথা বেমালুম ভুলে যায়।

মেয়েটি সেই ময়লা বেডে শুয়ে থাকে। মুখ ফুটে তার শরীরের অবস্থার কথা বলতে পারেনা। কিছুটা ভয়ে, কিছুটা লজ্জায়।

সংসারের সব কিছুর জন্য সবার হাতে টাকা থাকে, শুধু মেয়েটির চিকিৎসার জন্য কারো পকেটে টাকা থাকেনা।

ঝরে যাওয়া রক্তের পরিপূর্ণতার জন্য প্যাকেটে প্যাকেটে দুধ আসেনা। বাচ্চা গর্ভে থাকাকালীনও মেয়েটি কারো কদর পায়নি। না মায়া–দরদ, না একটু পুষ্টিকর খাবার। তবু সবার আক্ষেপ বাচ্চাটা আরেকটু মোটা হলে ভাল হতো।

কেউ বাচ্চার মায়ের কথা ভাবলো না। কি দিয়েছে বাচ্চার মাকে ??

দুধ,কলা,মাখন,কি পেয়েছে মেয়েটি ?

তিন বেলার ভাত মাছ আর সবজি ছাড়া কতটুকু পেয়েছে ?

শাড়ি খানা মলিন, মুখখানা আরো মলিন। হাতে ফোসকা ধরে গেছে। আগের মত আর মোলায়েম হাতখানা নেই বলে স্বামীর কাছেও সে অনাদৃত।

সেই লাবণ্য নেই বলে, শ্বাশুড়ী মাঝে মাঝে লোকদের কাছে বুড়ি বউ বলে সম্বোধন করে। দূর থেকে মেয়েটিও শুনে। কিচ্ছু বলেনা। কাকে বলবে ??কে শুনবে তার কথা??কে বা আছে তার??

স্বামীকে !! সে এসব কথাতে এখন কান দেয়না। এসব নাকি ন্যাকামি। দু দিন হতেই শাশুড়ী আর ননদের আক্ষেপ,বউটা এখনো রান্না ঘরে আসছেনা কেন?

মেয়েটি হাটতে পারেনা।হাটতে গেলে মনে হয় এই বুঝি পরাণ পাখি হয়ে উড়ে গেল প্রাণটা। লজ্জাস্থান থেকে এখনো রক্ত ঝরছে। কাতরাতে কাতরাতে মেয়েটি রান্না ঘরে আসে।

ননদ আর শাশুড়ী হুংকার দিয়ে বলে, বাচ্চা কি আমরা জম্ম দিয়নি? শুধু কি তুমিই মা হয়েছো ?কাজ কি আমরা করিনি??

অসহায় চাতক পাখিটির মত মেয়েটি ভাবে পাখির ও তো একটা জায়গা আছে। এখানে ভাল না লাগলে অন্যত্র উড়ে যায়। কিন্তু, আমার!! বাবা মাকে ছেড়ে আসলাম। ভাইটিও নেই, যাকে একটু মনের কথা বলবো। স্বামী এখন এসব বুঝে না। ও নাকি কারো সাথে তর্ক করতে পারবেনা। সকালে যায় আর রাতে ফিরে।

মেয়েটি রান্না শেষ করে খাটে গিয়ে বুকে বালিশ দিয়ে টপটপ করে চোখের জল ফেলে। ইচ্ছে করে স্বামীর কোলে শুয়ে একটু ঘুমাবে।

কিন্তু, সে তো এখন স্বামী না, বাচ্চার বাবা। তার অনেক দায়িত্ব। বাবা মাকে খুশি করতে হয়, অফিসকে খুশি করতে হয়,বন্ধু বান্ধবকে খুশি করতে হয়।

আর আমি? আমি তো স্ত্রী। আমাকে খুশি না করলেও চলবে। আমি তো আপন হয়েও আপন কেউ না।

সমাজের মানুষ বলে “পরের মেয়ে”।

ইচ্ছে করে চিৎকার করে কান্না করতে। পরক্ষণেই মেয়েটি ভাবে ওরা কি ভাববে? শরীরটা ভাল নেই। খেতে ইচ্ছে করেনা।

বুকে দুধ আসেনা। বাচ্চাটার শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে পাড়া প্রতিবেশি আলগা দরদ নিয়ে বলে “মায়ের কারনে বাচ্চাটাও শুকিয়ে যাচ্ছে”।

হায়রে মানুষ, হায়রে সমাজ। শাশুড়ী, ননদ, অমুকের বউ বা তমুকের মেয়ে, সবাই তো নারী। অথচ, কেউ এই মেয়েটির কষ্টের কথা বুঝলো না। কেউ চিন্তাও করলো না , “মা বাঁচলেই তো বাচ্চা বাঁচে”।

মেয়েটি অভিমান নিয়ে শুয়ে থাকে। রাতে খায় না। স্বামী বাসায় এসে চেঁচিয়ে বলে “তোমার কারনে যদি আমার বাচ্চার কিছু হয়, তাহলে তোমার খবর আছে” |

এবার মেয়েটি দাঁত-মুখ খিছিয়ে বলে “হুম,কি খবর করবে ?
খবর নিয়েছো একবারও আমার ??

এটা শুনেই পাশের লোকরা বলে “কত্ত বড় বেয়াদপ মেয়ে”।

সব লাঞ্ছনা-বঞ্চনার পরও মেয়েটি তার স্বামীকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারেনা। দিনের পর দিন অপেক্ষা করে, কবে তার স্বামীটি তাকে বুঝবে। কবে তাকে বুকে টেনে নিবে। দিন যায়, দিন আসে। হতভাগা মেয়েটির আর সুদিন ফেরেনা।

এভাবেই অনাদরে, অবহেলায় একটা মেয়ে তার জীবনকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।

আমরা মাঝে মাঝে তাদেরকে মায়ের জাতি,বোনের জাতি,বউয়ের জাতি বলে সান্ত্বনা দিই। কিন্তু সান্ত্বনায় আর কাজ হয়না। চল্লিশ বছরের মেয়েটিকে দেখতে এখন পয়ষট্রি বছরের বুড়ি লাগে। তাতেও সমাজের আক্ষেপ,কেন এত বুড়ি লাগে !

ভাবুন তো, আপনাকে যদি এভাবে অবহেলা করা হতো, তবে কেমন লাগতো?

ভালবাসার মানুষগুলোকে ভালবেসে কাছে রাখা যায় না কি?

নারীদের প্রতি সহমর্মিতা আর ভালবাসার মোড়কোম্মচন হোক আপনাকে দিয়ে,আমাকে দিয়ে। তবেই সমাজ বাঁচবে। বাঁচবে মানবতা

গল্পের ঝুড়ি by shahinblb

  🙂  😁টিউশনি করানো মেয়েগুলো সবচেয়ে বেশি লক্ষ্মী হয়।এরা নিজের শখের কোনো জিনিস কেনার জন্য বাবা মা কিংবা বয়ফ্রেন্ডের কাছে ঘ...
12/03/2020


🙂

😁
টিউশনি করানো মেয়েগুলো সবচেয়ে বেশি লক্ষ্মী হয়।
এরা নিজের শখের কোনো জিনিস কেনার জন্য বাবা মা কিংবা বয়ফ্রেন্ডের কাছে ঘ্যানঘ্যান করে না। চুপচাপ অপেক্ষা করে মাসটা শেষ হবার। বেতনটা হাতে পেলেই তারা চুপিচুপি সেটা কিনে ফেলে।
এরা অনেক মায়াবতী হয়। শুধুমাত্র নিজের পছন্দের জিনিস কেনার জন্যই কেবল এরা এদের টাকা খরচ করে না। কখনো কখনো নিজের ছোট ভাই-বোনদের আবদারও তারা মেটায় তাদের এই টিউশনির টাকা থেকে।
এরা স্ট্রাগল করতে পারে। এরা নিজের পড়ালেখা ঠিক রেখে একই সাথে টিউশনি চালিয়ে যায়। টিউশনি করানোর জন্য যে ফ্যামিলি থেকে তাদের প্রচুর প্রেশার দেয়া হয়, তা কিন্তু না। তবু এরা করে। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য। নিজের সেল্ফ-স্যাটিসফ্যাকশনের জন্য। অন্তত নিজের হাতখরচ, পাশাপাশি টুকটাক পড়ালেখার খরচ চালিয়ে নেবার জন্য। বাবা মায়ের কাছে আর কতদিন/কতবারই বা চাওয়া যায়?
এদের অনেক সময় খাবারদাবারের ঠিক থাকে না। ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফিরেই প্রিপারেশন নিতে হয় টিউশনিতে যাওয়ার। রিকশা ভাড়ার ২০ টাকা বাঁচাতে এরা বেশিরভাগ সময়ই হেঁটে যাওয়া আসা করে। কী দরকার এই বাড়তি খরচটা করার। টিউশনির বেতনই বা আর কত!
এই মেয়েগুলা জানে টাকা কামাতে কতটা কষ্ট করতে হয়। কতটা স্ট্রাগল করতে হয়। কতটা সেক্রিফাইজ করতে হয়। তাই টাকার প্রকৃত মূল্যটা এরা বোঝে। নিজের কামানো টাকার মূল্য তাদের কাছে যেমন, কাছের মানুষদের কামানো টাকার দামও এদের কাছে তেমন। তাই এরা হয় হিসাবি। বাড়তি খরচ এরা নিজেরাও করে না, অন্যকেও করতে দেয় না।
এরা প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গেলেও খাবারদাবার, গাড়ি ভাড়া এসব খরচ একেবারে বয়ফ্রেন্ডের উপর চাপিয়ে দেয় না। নিজেরাও শেয়ার করে। কারণ ওই তো, টাকার প্রকৃত মূল্য এরা জানে। এরা ম্যাচিউর হয়। দায়িত্বশীল হয়। বাস্তবতা বোঝে। সবমিলিয়ে এরা হয় একেকজন পারফেক্ট ‘ওয়াইফ ম্যাটেরিয়াল’.♥

ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়ুন 👇সাইকোলজির টিচার ক্লাসে ঢুকেইবললেন :-আজ পড়াবো না।সবাই খুব খুশি।টিচার ক্লাসের মাঝে গিয়ে একটাবেঞ্চ...
10/03/2020

ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়ুন 👇

সাইকোলজির টিচার ক্লাসে ঢুকেই
বললেন :-
আজ পড়াবো না।
সবাই খুব খুশি।
টিচার ক্লাসের মাঝে গিয়ে একটা
বেঞ্চে বসলেন।
বাইরে বৃষ্টি পড়ছে, বেশ গল্পগুজব
করার মতো একটা পরিবেশ।
স্টুডেন্টদের মনেও পড়াশোনার
কোনো চাপ নেই। টিচার খুব
আন্তরিকতার সাথেই পাশের
মেয়েটিকে বললেন :- জননী, তোমার
কি বিয়ে হয়েছে ?
মেয়েটি একটু লজ্জা পেয়ে বললো :-
হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের
ছেলেও আছে।
টিচার চট করে উঠে দাঁড়ালেন।
খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন :-
আমরা আজ আমাদের একজন প্রিয়
মানুষের নাম জানবো।
এই কথা বলে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে
বললেন :-
মা আজকে তুমিই টিচার, এই নাও চক্-
ডাস্টার। যাও তোমার প্রিয় দশ জন
মানুষের নাম লেখো।
মেয়েটি বোর্ডে গিয়ে দশ জন
মানুষের নাম লিখলো।
টিচার বললেন :- এঁরা কারা ?
তাঁদের পরিচয় ডান পাশে লেখো।
মেয়েটি তাঁদের পরিচয় লিখলো।
সংসারে, পাশে ও দু একজন বন্ধু,
প্রতিবেশীর নামও আছে।
এবার টিচার বললেন :- লিস্ট থেকে
পাঁচজনকে মুছে দাও।
মেয়েটি তাঁর প্রতিবেশী আর
ক্লাসমেটদের নাম মুছে দিল৷
টিচার একটু মুচকি হেসে বললেন :-
আরো তিন জনের নাম মোছো।
মেয়েটি এবার একটু ভাবনায় পড়লো।
ক্লাসের অন্য স্টুডেন্টরা এবার
সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টিকে।
টিচার খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছেন
মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ
করছে।
মেয়েটির হাত কাঁপছে, সে ধীরে ধীরে
তার বেস্ট ফ্রেণ্ডের নাম মুছলো।
বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো।
এখন মেয়েটি রীতিমতো কাঁদছে।
যে মজা দিয়ে ক্লাস শুরু হয়েছিল, সে
মজা আর নেই।
ক্লাসের অন্যদের মধ্যেও টান টান
উত্তেজনা। লিষ্টে আর বাকি আছে
দুজন। মেয়েটির স্বামী আর সন্তান।
টিচার এবারে বললেন আর একজনের
নাম মোছো।
কিন্তু মেয়েটি ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো।
কারোর নাম সে মুছতে পারছে না,
টিচার বললেন :-
মা গো, এটা একটা খেলা।
সাইকোলজির খেলা। জাস্ট প্রিয়
মানুষদের নাম মুছে দিতে বলেছি।
মেরে ফেলতে তো বলিনি।
মেয়েটি কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে তার
সন্তানের নাম মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটির কাছে গেলেন,
পকেট থেকে একটা গিফ্ট বের করে
বললেন :- তোমার মনের উপর দিয়ে
যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি
দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা
গিফ্ট আছে। তোমার সব
প্রিয়জনদের জন্য।
এবারে বলো কেন তুমি অন্য
নামগুলো মুছলে। মেয়েটি বললো :-
প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম
মুছে দিলাম, তবুও আমার কাছে বেস্ট
ফ্রেণ্ড আর পরিবারের সবাই
রইলো।
পরে যখন আরও তিনজনের নাম
মুছতে বললেন, তখন বেস্ট ফ্রেণ্ড
আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম
ভাবলাম বাবা মা তো আর চিরদিন
থাকবে না। আমার বেস্ট ফ্রেণ্ড না
থাকলে কি হয়েছে ? আমার কাছে
আমার পুত্র আর তার বাবাই বেস্ট
ফ্রেণ্ড।
কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুজনের
মধ্যে একজনকে মুছতে বললেন
তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম
না পরে ভেবে দেখলাম, ছেলে তো বড়
হয়ে একদিন আমাকে ছেড়ে চলে
গেলেও যেতে পারে। কিন্তু ছেলের
বাবা তো কোনো দিনও আমাকে
ছেড়ে যাবে না।
…….তাই নিজের জীবনসঙ্গীকে প্রাণ
ভরে ভালোবাসুন। কারণ, তিনিই শেষ
পর্যন্ত আপনার সাথে, আপনার
পাশে থাকবেন।
ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়ার জন্য
অসংখ্য ধন্যবাদ 🙏

***সংগৃহীত পোষ্ট***

গল্পের ঝুড়ি by shahinblb

27/02/2020

স্কুলে থাকতে আপনার পাশের সিটে কে সব সময় বসত?

17/02/2020

পর পুরুষের সামনে মেয়েদের মাথার চুল ঢেঁকে না রাখার শাস্তি।

এক হাদিসে আল্লাহর রাসূল (সা.) এরশাদ ফরমান- আমি জাহান্নামে মহিলাদের অনেক রকমের আযাবে ভোগতে দেখেছি, তন্মধ্যে একজনকে চুলের সাথে উল্টা লটকিয়ে রাখা হয়েছে, যার মগজ খুলে খুলে ঝরছে। তার পাপ ছিলো সে পর পুরুষের সামনে মাথার চুল ঢেকে রাখতোনা।
(আল কাবায়ের, পৃষ্ঠা ১৭৭)

Address

Madaripur

Telephone

+8801745331825

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Basket of stories by shahinblb গল্পের ঝুড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share