Time pass 45

Time pass 45 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Time pass 45, Cumilla.

গল্পটি সবাই পেড়েন এটি একটি শিক্ষণীয়গল্পঃভাই: আপু, ও আপুবোন: বলভাই: তোর জন্য আমি স্কুল যেতে পারিনা।বোন: কেন, আমি কি করলাম...
10/05/2023

গল্পটি সবাই পেড়েন এটি একটি শিক্ষণীয়
গল্পঃ
ভাই: আপু, ও আপু
বোন: বল
ভাই: তোর জন্য আমি স্কুল যেতে পারিনা।
বোন: কেন, আমি কি করলাম?
ভাই: তুই আবার কি করবি?
বোন: তাহলে?
ভাই: তোর একটা চোখ নেই এই নিয়ে স্কুলের
ছেলেরা আমাকে খুব খেপায়। সমস্ত
ছেলেমেয়ে আমাকে কানীর ভাই, কানীর
ভাই বলে ডাকে। আমি আর স্কুলে যাবোনা।
বোন: শোন ভাই, একদম মন খারাপ করবিনা। ওদের
বলবি অসুখে আমার একটা চোখ নষ্ট হয়ে
গেছে। আমিও আগে খুব ভালো দেখতে
পেতাম।
ভাই: তোর জন্য সবাই আমাকে অপমান করে আর
তুই বলছিস মন খারাপ করতেনা। আমি আর
কখনোই স্কুল যাবোনা,,,
বোন: ভাই, তুই আমার কথা শোন। ওরা কিছুদিন
খেপিয়ে আপনা আপনিই ঠিক হয়ে যাবে তুই
একদম চিন্তা করিস না।
ভাই: না, আমি স্কুল যাবোনা।
বোন: আচ্ছা আজ আমি তোকে স্কুল নিয়ে
যাবো,,,ওদের কে সব বুঝিয়ে,,,,,,
ভাই: খবরদার তুই কখনো আমার স্কুলের সামনেও
যাবিনা। তাহলে আমি জীবনেও তোর সাথে
কথা বলবোনা,,, এটা বলেই শুভ হনহন করে
বেরিয়ে গেলো। শুভ ফিরলো বিকেলে। এসে
দেখে ওর মা দাঁড়িয়ে আছে। শুভ গাল ফুলিয়ে
ঘরে ঢুকলো।
মা: শুভ,
ভাই: হুম মা: আজ সারাদিন ভাত খাইছিস?
ভাই: না
মা: মন খারাপ?
ভাই: হুম।
মা: ভাত খেয়ে তোর আব্বুর সাথে দেখা করে
আয়। উনি তোকে ডাকছিলো,,,
ভাই: ভাত খাবোনা
মা: তাহলে যা তোর আব্বুর সাথে দেখা করে
আয়। শুভ উঠে গেলো।
ভাই: বাবা ডেকেছো?
বাবা: আয় ব্যাটা আয়, তুই নাকি আজ সারাদিন
ভাত খাসনি,
ভাই: হুম
বাবা: কেন, মন খারাপ?
ভাই: হুম, অনেকটা।
বাবা: মন খারাপ হলেও ভাত খাওয়া জায়েজ
আছে। যা ভাত খেয়ে আয়
ভাই: না খাবোনা
বাবা: সত্যি খাবিনা?
ভাই: উহু
বাবা: আচ্ছা থাক খাওয়া লাগবেনা। আজ সন্ধ্যায়
আমরা সবাই বাইরে খাবো, ঠিক আছে?
ভাই: না আমি যাবোনা।
বাবা: কেন যাবিনা, তোর আপু যাবে বলে?
ভাই: হুম
বাবা: আচ্ছা ওকে, তোর আপুকে নিবোনা। এবার
খুশিতো?
ভাই: হুম
বাবা: যা, তোর মাকে বল রেডি হতে। তুই ও রেডি
হয়ে নে,
ভাই: সন্ধ্যা হতে তো এখনো অনেক দেরি।
বাবা: তাও ঠিক, আচ্ছা এক কাজ কর। এখানটায় বস
তোকে একটা গল্প বলি। গল্প শুনবিতো?
ভাই: হুম শুনবো
বাবা: শোন তাহলে,, অনেক বছর আগের কথা। প্রায়
২৪-২৫ বছর আগের, এক দম্পতীর কোনো সন্তান
হচ্ছিলোনা। তারা সন্তানের আশায় অনেক
কিছু করলো, শত সাধনার পর এক চাঁদনী রাতে
বিধাতা তাদের কথা শুনলেন, তাদের কোল
জুড়ে তিনি অপরুপ সুন্দর এক কন্যা সন্তান
দিলেন। মেয়েকে দেখে সবাই অবাক, এতো
সুন্দর কোনো মানুষ হয়? এই মেয়েটা মানুষ
নাকি অন্যকিছু? অই দম্পতীর ছোট্ট ঘর
ক্ষনিকেই আলোতে ভরে গেলো, চাঁদনী
রাতে জন্ম বলে অই মেয়েটির নাম রাখা
হলো, চাঁদনী। ধীরেধীরে মেয়েটি বড় হতে
লাগলো। শরীরের সাথে সাথে মেয়েটির রুপ
ও পাল্লা দিয়ে বাড়তে লাগলো। অই দম্পতীর
আর কিছুই চাওয়ার ছিলোনা। এত সুন্দর মেয়ে
যাদের থাকে তাদের আর কিচ্ছু লাগেনা।
মেয়েটির যখন ৫ বছর বয়স তখন সবাই বুঝে
ফেললো এই মেয়েটির মত শান্ত আর ভদ্র
মেয়ে খুব একটা হয়না। এই মেয়েই বংশের
মান রাখবে। মেয়েটি বড় হতে লাগলো।
মেয়েটির যখন দশ বছর বয়স তখন অই দম্পতীর
ঘর আলো করে একটা পুত্র সন্তান এলো। পুত্র
সন্তানটিও ছিলো তাদের নয়নের মনি। আর
বোনটি তার ভাইকে এতোটা পছন্দ করতো যে
তা দেখে মা বাবারই মাঝেমাঝে হিংসে
হতো। এভাবেই চলছিলো অই দম্পতীর জীবন।
ছেলেটির বয়স যখন ৫ বছর তখন একদিন হঠাত
করে খাট থেকে পড়ে গিয়ে ভীষন ব্যথা পায়
ছেলেটি। ব্যাপারটিকে খুব গুরুত্ব দেয়নি
কেউই। ধীরেধীরে সমস্যা টা গাঢ় হয়ে
দাঁড়ায়। ছেলেটি চোখে ঝাপসা দেখতে শুরু
করে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে নিলে
ডাক্তার জানায় দুদিনের ভেতর আই
ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে হবে তানাহলে
চিরদিনের মত একটা চোখ অন্ধ হয়ে যাবে।
পাগলের মত হয়ে যায় ছেলেটির বাবা,
দুদিনের ভেতর চোখ কোথা থেকে জোগাড়
করবে? কোনো উপায় না দেখে মাথা নিচু
করে বসে থাকে হাসপাতালের করিডোরে
তখন কেউ একজন কাধে হাত দিয়ে বললো,
বোন: বাবা, আমি দুচোখ দিয়ে যা যা দেখার সব
দেখে নিয়েছি। বাকিটা জীবন এক চোখ
দিয়েই দেখতে পারবো। আমার ভাইটা এখনো
কিছুই দেখেনি,,,,,,,,"এটুক বলেই ধরনীর
সবচেয়ে সুন্দর চোখের মেয়েটি হাউমাউ করে
কেঁদে দিলো,,,,,,,
ভাই:বাবা,
বাবা: হুম
ভাই: অই ছেলেটাকি আমি?
বাবা: নাহ, তুই হবি কেন?
ভাই: বাবা তুমি একদম মিথ্যে বলোনা। আমি যখন
তোমাদের জিজ্ঞেস করতাম আমার বাম
চোখটা এত সুন্দর কেন তোমরা কোনোদিনই
আমাকে বলনি,,,,, বাবা, তুমি কাদছো কেন?
বাবা: এমনিতেই, তুই যা রেডি হয়ে নে।
ভাই: আচ্ছা। শুভ উঠে গেলো। চুপিচুপি তার
বোনের রুমে গিয়ে ঢুকলো।
ভাই: আপু
বোন: হুম
ভাই: কি করিস?
বোন: কিছুনা
ভাই: আপু তোকে একটা গল্প বলবো শুনবি?
বোন: কিসের গল্প?
ভাই: ধরনীর সবচেয়ে খারাপ ভাইয়ের গল্প, শুনবি?
বোন: না, শুনবোনা
ভাই: আপু একটা অনুরোধ করি?
বোন: কর
ভাই: রাখবি?
বোন: হুম
ভাই: তোর পা দুটো এদিক দে আমি ধরে বসে
থাকি। আপু তুই কখনো আমাকে মাফ করিস না,,, তোর দোহাই লাগে তুই কখনো আমাকে মাফ করিস না,,,,, এটুক বলেই শুভ আকাশ বাতাস কাপিয়ে কেঁদে উঠলো। চাদনী জড়িয়ে ধরলো তার ভাইকে। এক দেহের দুটি চোখ একই সাথে দুই স্থানে কেঁদে উঠলো। একই সাথে ঝরাতে লাগলো।

collected

🥰🥰🥰🥰পাপ🥰🥰🥰(প্রথম পর্ব)রাশেদ আর নীলিমার বিয়ের দুই বছর হল। রাশেদের দ্বিতীয় স্ত্রী নীলিমা। নীলিমার সাথে রাশেদের পরিচয় হয...
09/12/2022

🥰🥰🥰🥰পাপ🥰🥰🥰

(প্রথম পর্ব)

রাশেদ আর নীলিমার বিয়ের দুই বছর হল। রাশেদের দ্বিতীয় স্ত্রী নীলিমা। নীলিমার সাথে রাশেদের পরিচয় হয় নীলিমার কাউন্সিলিং সেশনের মাধ্যমে।
নীলিমার সাইকায়াট্রিস্ট ছিল রাশেদ।
এরপর কিভাবে কিভাবে যেন ভাল লেগে যায়, ভাল লাগা থেকে ভালবাসা, আর ভালবাসা থেকে বিয়ে। রাশেদের আগের ঘরে একটা ছেলে আছে। ক্লাস সিক্সে পড়ে। রিফাত নাম। রিফাত নীলিমাকে খুব একটা পছন্দ করে বলে মনে হয়না।
দূরে দূরে থাকে। নীলিমা চেষ্টা করে সব দিক দিয়ে রিফাতের খেয়াল রাখার কিন্তু নীলিমা আশেপাশে থাকলেই ছেলেটা কোন একটা বাহানা করে দূরে সরে যায়।
নীলিমা নিজেও ডাক্তার। সে একজন সার্জন। অসম্ভব রূপবতী মেয়েদের উদাহরণ দিতে বললে জনসাধারণের চোখের মাঝে যেমন ছবি ভেসে ওঠে তার থেকেও অনেক বেশি সুন্দর নীলিমা। বিধাতা কিছু কিছু মানুষকে বোধহয় পরম যত্নে এই জগৎ এর সৌন্দর্যের সবটুকু দিয়ে সৃষ্টি করেন।
তবে বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুল টার যেমন সবথেকে বেশি আঘাত পেতে হয় নীলিমার জীবনটাও তার ব্যতিক্রম না। এ কারণেই সব দিক থেকে পরিপূর্ন হয়েও প্রায় একটা বছর পাগল হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা হয়ে গিয়েছিল তার আর শেষপর্যন্ত সাইকায়াটৃষ্ট এর সরণাপন্ন হতে হয়েছিল তাকে।
যাক সেসব কথা। অতীতের স্মৃতি নীলিমা আর ভাবতে চায়না। ঘুম থেকে উঠে সকালে সবার জন্য নাস্তা রেডি করা, এরপর সারাদিন হসপিটালে কাজে ব্যস্ত থাকা আর রাতে এসে খাবার খেয়ে রাশেদের সাথে হালকা গল্পগুজব করে শুয়ে পড়া। বলতে গেলে এটাই তার ডেইলি রুটিন। আর রিফাতের খেয়াল রাখে রহিমা আপা। রাশেদের আগের স্ত্রী হিমিকা মারা যাবার পর থেকে ইনিই রিফাতের খেয়াল রেখে আসছেন। রহিমা রাশেদ এর দুর সম্পর্কের আত্মীয় হয়। রাশেদ তার গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসে হিমিকার মৃত্যুর পর। রান্না বান্নাও বেশিরভাগ সময় তিনিই করেন।

সেদিন রাতে খাবারের পর নীলিমা রিফাতের রুমের দিকে যাচ্ছিল। আসার সময় আজকে একটা বড় চকলেট বার নিয়ে এসেছে রিফাতের জন্য। সেটাই দিতে যাচ্ছিল রিফাতকে। রিফাত এর রুমের সামনে দাঁড়াতেই কেমন একটা আর্তনাদ শুনতে পেল মনে হচ্ছে। মানুষের বাচ্চার কান্নার মত আওয়াজ। কেমন যেন বুকের ভেতর ধাক্কা দিয়ে উঠল নীলিমার। বাচ্চার কান্না কেন আসছে রিফাতের রুম থেকে। দরজা টা হালকা ভেজানো ছিল।
হালকা একটু উকি দিল নীলিমা। যা দেখল তা দেখার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলনা নীলিমা।

রিফাত এর পড়ার টেবিলের নিচে, টেবিলের পায়ার সাথে একটা বিড়াল কে বেঁধে রেখেছে রিফাত। বিড়ালটার সমস্ত শরীরে অজস্র কাটা, ক্ষতের চিহ্ন। দেখে মনে হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে একটু একটু করে রক্তপাত হতে হতে বিড়ালটা প্রায় নিস্তেজ হয়ে এসেছে। রিফাত বিড়ালটার সামনে বসে আছে আর মুচকি হাসছে, হাতে ব্লেড ধরে রেখেছে। সেটা দিয়ে একটু একটু করে বিড়ালটার কান কাটছে সে।
আর নিতে পারলনা নীলিমা, চিৎকার দিয়ে রুমে ঢুকতে যাবে ঠিক এই মূহুর্তে কি একটা ভেবে থেমে গেল নীলিমা।
আর ঢুকল না ঘরে। দৌড়ে নিজের ঘরে চলে এল।
রাশেদ আধ শোয়া হয়ে টিভি দেখছে।
- কি হল, হাপাচ্ছ কেন এভাবে। মনে হচ্ছে ভুত দেখেছ। আর ইউ ওকে নীলিমা?
কয়েক মুহুর্ত চুপ করে থাকল নীলিমা। কি করবে কিছু বুঝে উঠতে পারছেনা। কিছু একটা ঠিক নেই। একদম ঠিক নেই। এই মুহুর্তে রাশেদকে সব বলা হয়তো ঠিক হবেনা। আরেকটু ভেবে দেখতে হবে। এতকিছু একসাথে হজম হচ্ছেনা নীলিমার। কোনমতে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল,
- না কিছুনা। হসপিটাল থেকে ফোন এসেছিল। একজন সিরিয়াস পেশেন্ট এসেছে। না গেলেই না। ইমার্জেনসি অপারেট করতে হতে পারে। আজকে রাতে বাসায় নাও ফিরতে পারি। সরি রাশেদ।

- ঠিকাছে। চল আমি দিয়ে আসি তোমাকে।
- না না। তুমি ঘুমাও। তোমার তো সকালে মিটিং আছে। আমি নিজেই ড্রাইভ করে চলে যেতে পারব।

বলে আর উত্তরের অপেক্ষা না করে কোনমতে বের হয়ে আসল বাসা থেকে। হসপিটালে নিজের চেম্বারে গিয়ে বসল নীলিমা। চোখে মুখে পানি দিল আগে। এসি টা অন করে রুমটা একদম ঠান্ডা করে চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে রইল কিছুক্ষণ।
সব কিছু শুরু থেকে ভাবতে হবে। সুতো জোড়া লাগাতে হবে। চোখ বন্ধ করেই একটার পর একটা হিসেব যেন জোড়া লাগাতে লাগল নীলিমা।

*
প্রথম কথা হচ্ছে একটা বিড়াল কে এভাবে নির্মম ভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে সেটা অনেকটা খোলামেলা ভাবেই রিফাতের ঘরেই করা হচ্ছে।
রহিমা আপা সর্বক্ষণ রিফাতের সাথেই থাকে। সুতরাং তার এ ঘটনা না জানার কোন কারণ নেই।

রাশেদ সবসময় রিফাতের রুমে না গেলেও আজকে রাতে অফিস থেকে এসেই গিয়েছিল। ওর অজানা থাকার কথা না। কিন্তু হতে পারে এমন যে তখন হয়তো কোথাও লুকিয়ে রেখেছিল। রাশেদ অফিস থেকে ফিরে ঠিক ৭:৩০ টায়। আর ফ্রেশ হয়ে ৮ টা নাগাদ রিফাতের ঘরে যায়। সময় মেনে চলা রাশেদের পুরোনো অভ্যাস। কয়েকদিন ওর সাথে থাকলে এটা সবাই জেনে যাবে। হতে পারে সেই সময় বুঝে তখন লুকিয়ে রেখেছিল।

আর নীলিমা রিফাতের রুমে কখনোই খুব একটা যায়না। কারণ নীলিমা রিফাতের রুমে গেলে রিফাত খুব বাজে রকমের চিল্লা চিল্লি শুরু করে। তাই রাশেদ বুঝিয়ে বলেছিল, রিফাতকে সময় দিতে আসতে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। তাই নিলিমাও যেত না।

আর শেষকথা হচ্ছে রিফাত যে কাজটা করছে টা দেখে মনে হয়নি সে এটা প্রথম করেছে। যে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিল সেটা তার কাছে থাকার কথা নয়। সে এটা জোগাড় করেছে। পাশে একটা ক্লোরোফর্ম এর বোতল ও ছিল। তার মানে হচ্ছে সে যখন থাকেনা বিড়ালটাকে অজ্ঞান করে রেখে যায়। প্রাণীদের প্রতি অত্যাচার করে আনন্দ পাওয়ার এই জঘন্য স্বভাবটাকে জুওসেডিজম (zoosadism) বলে। সাইকোপ্যাথ ট্রেইট প্রকাশের অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে বাচ্চাদের ভেতর এই জুওসেডিজম প্রকাশ পাওয়া। এটা যদি এখনই চিকিৎসা করা না হয় তাহলে অনেক ভয়ানক রূপ নিতে পারে। বিড়াল টা হয়ত চাইলেও নীলিমা বাঁচাতে পারবে না।

কিন্তু যে জিনিসটা খচখচ করছে তা হচ্ছে রহিমা আপা কেন গোপন করছে! কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে তার। এই হিসেব টাই মিলছে না।

*******************************************************

একটা সেমিনারে এটেন্ড করার জন্য ফরেন ট্রিপ দিতে হবে। এই কথা বলে নীলিমা অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে চলে গেল রহিমা আপার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার দৌলতপুরে। খুঁজে পাওয়া টা মোটেও সহজ ছিল না। রাশেদের আড়াল হয়ে এগুলো করতে অনেক কাঠ কয়লা পোড়াতে হয়েছে নীলিমাকে। অবশেষে প্রায় দুইদিন হন্যে হয়ে খোঁজার পর খুঁজে পায় রহিমা আপার বাড়ি।
নিতান্তই জীর্ন শীর্ন একটি ছনের বাড়ি। সেখানে কেও এখন আর থাকেনা। আশেপাশের ঘর গুলোতে কড়া নেড়েছে নীলিমা, প্রথমে হাসিমুখে বরণ করলেও রাশেদের স্ত্রী শোনার পর প্রায় সবারই চেহারার রং পাল্টে যায় এবং অনেকটা দুর দুর করেই বের করে দেয় তাকে।
কিছুই বুঝতে পারছিল না নীলিমা। রাশেদের ওপর সবাই এত ক্ষিপ্ত কেন। মনে হচ্ছেনা আর কোন কুল কিনারা পাবে সে। কেউই কিছু বলছে না।
দুপুরের তপ্ত রোদে হতাশার দীর্ঘঃশ্বাস টা যেন বড্ড বেশি লাগছে নীলিমার। কি করবে সে। এভাবে এখান থেকে কোন সুরাহা না করে ফেরত গিয়ে অভিনয় করে সংসার করা সম্ভব না তার পক্ষে। কিন্তু যদি সংসার নাও করতে চায় কি কারণ বলবে সে। কোন প্রমাণ তো তার কাছে নেই।
এসব ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত পায়ে হেঁটে যাচ্ছিল নীলিমা। এই সময় একটা ১৫-১৬ বছরের মেয়ে হঠাৎ তার পথ আটকালো।
- আপনি রাশেদ ভাই এর বউ?
- হ্যা। আমার নাম নীলিমা। তোমার নাম কি? তুমি চেন রাশেদ কে?
- আমার নাম শেফালী। রাশেদ কাকারে চিনি। আমি ছোট থাকতে বেড়াইতে আইত। কাকলি বুবুজান দের বাড়িত।
- কাকলি কে?
- রহিমা খালার মাইয়া। একটাই মাইয়া ছিল। কি সুন্দর আছিল। আপনের মতন ই সুন্দর আছিল।
- ছিল মানে? এখন নেই?

চুপ করে আছে শেফালী।

- শেফালী আমি তোমার পায়ে ধরছি। তুমিও চুপ করে থেকোনা। আমাকে বল। খুলে বল আমাকে। আমি অনেক নিরুপায় হয়ে এসেছি। আমাকে একটু সাহায্য কর প্লিজ শেফালী। প্লিজ।
বলে শেফালির হাত ধরে কেঁদে ফেলল নীলিমা।

- আপনে এদিকে আসেন। এখানে কিছু কওন যাইব না।

হাত ধরে শেফালী একটু নীরব বাঁশ ঝাড়ে ঘেরা একটা জায়গায় নিয়ে যায়।
- আমি এই গল্প আমার মার কাছ থেইকা শুনছি। আমি তখন ছোট আমার খুব একটা সরণ আসে না।
রাশেদ কাকা প্রায়ই রহিমা খালাগো বাড়িত বেড়াইতে আইত। কাকলি বুবুর সাথে রাশেদ কাকার নাকি ভাব আছিল। কেও কিছু জানত না। কিন্তু একদিন হঠাৎ কইরা বুবুর শরীর খারাপ করলে ডাক্তর দেখায়। তখন সবাই জানবার পারে যে কাকলি বুবুর বাচ্চা হইব। সবাই নাকি অনেক মারছিল বুবু রে। পরে বুবু কইছিল বাচ্চার বাপ রাশেদ কাকা।
রহিমা খালা রাশেদ কাকার হাতে পায়ে ধরছিল। কি কান্দন কানছিল। কিন্তু কাকা অস্বীকার গেছিল। বুবু অনেক ভালা আছিল আপা, বুবু এই অপবাদ সহ্য করবার পারে নাই।
ঐ রাত্রেই বিষ খাইয়া পেটের বাচ্চা সহ মইরা গেছিল। এক মাত্র মাইয়ার শোক সইতে না পাইরা কয়দিন পর খালুও মইরা যায়।
কিছুদিনের মাইঝেই হাসিখুশি একটা সংসার ভাইঙ্গা তছনছ হয়া যায় রাশেদ কাকার লাইগা।

নীলিমা নিজের কান বিশ্বাস করতে পারছিল না। কি বলছে মেয়েটা এগুলো। সে নিজেও এবিউজের শিকার ছিল। একটা টক্সিক রিলেশন এ থেকে মানসিক ভেবে এতটাই ভেঙ্গে পড়েছিল যে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিল বহুবার। সেই মানসিক অবস্থা থেকে রাশেদ তাকে একটু একটু করে বের করে নিয়ে এসেছিল। এই মানুষটার এই রূপ থাকবে এত জঘন্য একটা অতীত থাকবে কখনো স্বপ্নেও ভাবেনি নীলিমা।
কি করে সম্ভব রাশেদের পক্ষে এরকম কাজ করা। মেনে নিতে পারছে না যেন নীলিমা। হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে আসছে তার। নিজের শরীরের ভার আর ধরে রাখতে পারছেনা। বসে পড়ল মাটিতে।
- আপা। কি হইল। কি হইল।
কোনমতে ক্লান্ত কন্ঠে মাথা তুলে তাকাল শেফালির দিকে নীলিমা।
- শেফালী, তোমরা সবাই আমাকে এই কথাটা জানাতে চাচ্ছিলে না কেন?
শেফালী এবার চুপ করে আছে।
- বল শেফালী। আমিও তো এই অন্যায় এর শিকার।
- আপনেরে কেও কিছু কইতে চায়নাই কারণ রহিমা খালা। রহিমা খালা আমগোরে দিয়া কসম কাটাইছে আমরা যেন এই কথা কাউরে না কই। উনি কাকলি বুবু, খালুর মরণের প্রতিশোধ নিবার লাইগা ঢাকা গেছে।

কথাটা শুনে পিলে চমকে উঠল নীলিমার। এবার দুয়ে দুয়ে চার হিসেবটা মিলে গেছে।

(চলবে......

শিক্ষণীয় পোস্ট  🌿🥀🌿এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব। স্বর্ণকারে...
05/10/2022

শিক্ষণীয় পোস্ট 🌿🥀🌿

এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব।

স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বলল, 'এটা তোমার কাকার দোকানে নিয়ে যাও সে যেন এটা বেচে কিছু টাকার ব্যবস্থা করে দেয়'।

ছেলেটা হারটি নিয়ে কাকার কাছে গেল। কাকা হারটা ভালো করে পরীক্ষা করে বলল, 'বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে'। কাকা কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন, 'আপাতত এটা নিয়ে যাও আর কাল থেকে তুমি প্রতিদিন দোকানে আসবে আমি কোন ১দিন ভাল খদ্দর পেলেই যেন তুমি দৌড়ে হার নিয়ে আসতে পার তাই সারাদিন থাকবে।'

পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগল। সময়ের সাথে সাথে সেখানে সোনা-রুপা-হীরে কাজ শিখতে আরম্ভ করল। ভালো শিক্ষার ফলে অল্প দিনেই খুব নামি জহুরত বনে গেল। দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনাদানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে আসত। খুবই প্রশংসিত হচ্ছিল তাঁর কাজ।

একদিন ছেলেটির কাকা বলল, 'তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন। এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে।'

ছেলেটি ঘরে গিয়ে মায়ের কাছ থেকে হারটি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখল যে এটা একটা নকল হীরের হার। তাই সে হারটা আর কাকার কাছে না নিয়ে বাড়িতেই রেখে দিল।

কাকা জিজ্ঞেস করল, 'হারটি এনেছ?' ছেলেটি বলল, 'না কাকা, পরীক্ষা করে দেখলাম এটা একটা নকল হার'।

তখন কাকা বলল, 'তুমি যেদিন আমার কাছে হারটি প্রথম নিয়ে এসেছিলে সেদিন আমি দেখেই বুঝে নিয়েছিলাম যে এটা নকল, কিন্তু তখন যদি আমি তোমাকে এই কথাটা বলে দিতাম, তাহলে তোমরা হয়তো ভাবতে যে আজ আমাদের মন্দা সময় বলেই কাকা আমাদের আসল জিনিষকে নকল বলছে'।

আজ যখন এ ব্যাপারে তোমার পুরো জ্ঞান হয়ে গেছে, তখন তুমি নিজেই বলছ এটা নকল হার।
এই দুনিয়াতে প্রকৃত জ্ঞান ছাড়া তুমি যা কিছু দেখছ যা কিছু ভাবছ সবটাই এই হারের মতই নকল, মিথ্যে।

জ্ঞান ছাড়া কোনো জিনিসের বিচার সম্ভব নয়। আর এই ভ্রমের শিকার হয়েই অনেক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। তোমাদের সাথে আমার সেই সম্পর্কটা নষ্ট হোক আমি তা চাইনি।

 #বাবাবিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েটির সাথে বাবা দেখা কঔরতে এসেছেন। দোকানে নিয়ে গিয়ে বাবা বললেন,কী খাবি অর্ডার দে।মেয়েটি বললো,...
03/10/2022

#বাবা

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েটির সাথে বাবা দেখা কঔরতে এসেছেন। দোকানে নিয়ে গিয়ে বাবা বললেন,
কী খাবি অর্ডার দে।

মেয়েটি বললো,
তুমি বল তুমি কী খাবা?
বাবাটি হেসে বললো,
আমি তো জানিনা এখানে কী ভালো পাওয়া যায়?
তুই যা খাবি আমিও তাই খাব।
মেয়েটি দুই গ্লাস জুস নিয়ে আসলো।
ক্লান্ত বাবাটির খুব ভালো লাগলো ঠান্ডা জুস খেতে।
সে বললো, বাহ খুব মজাতো।
এবার তোর মাকে আনলেও এই জুস খাওয়াব।
মেয়েটি হাসলো।
বাবা মেয়েটিকে কিছুক্ষণ লক্ষ্য করে বললো,
খাওয়া দাওয়া ঠিক মতো করিস তো?
- হুমম করি।
- তাহলে এমন শুকিয়ে গেছিস কেন?
মেয়েটি হাসলো।বাবা এবার চাপা গলায় বললেন,
তোকে যে টাকা দেই,তোর ঠিকমতো চলেতো?
- হুমম চলে।
- কোন অসুবিধা হলে আমাকে বলিস।
- হুমম বলবো।
মেয়েটির আজ খুব ভালো লাগছে।
বাবাকে ছোটবেলা থেকে ও খুব ভয় আর সমিহ করে চলেছে।
বাবা কোনদিন সরাসরি ওর কোন খোঁজ খবর নেননি। মার সাথেই মন খুলে কথা বলা যেত।
বাবার সাথে ছিল সবসময় এক অদৃশ্য দুরত্ব।
অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর এই নিয়ে দুই বার বাবা এসে দেখা করে গেলেন।
আর কেমন করে যেন দুরত্বটা কমিয়ে দিলেন।
কেমন মায়া করে কতো রকম কথা বলেন বাবা এখন। মেয়েটির খুব ভালোলাগে।
আজ যাওয়ার সময় বাবাকে খুব জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করছে।
কিন্তু কেমন জানি লজ্জাও লাগছে মেয়েটির।
বাবাকে বলতে ইচ্ছা করছে,
তোমাকে অনেক ভালোবাসি বাবা।😘😍🥰
সংগ্রীহিত

অবশেষে অ্যামেরিকার ভিসা পেলেন পূজা চেরি৷ সেখানে শাকিব খানের সাথে নতুন মুভির শ্যুটিং জন্যে যাবেন৷এর আগে শাকিব অপুকে বিদেশ...
01/10/2022

অবশেষে অ্যামেরিকার ভিসা পেলেন পূজা চেরি৷ সেখানে শাকিব খানের সাথে নতুন মুভির শ্যুটিং জন্যে যাবেন৷

এর আগে শাকিব অপুকে বিদেশ নিয়ে প্রেগনেন্ট করছিল৷ মা হোন অপু আর বাচ্চার জন্ম হয় কোলকাতায়৷ বাচ্চার নাম আব্রাহাম খান জয়৷

এরপর বুবলিকে নিয়ে অ্যামেরিকা যান৷ সেখানেও লারেলাপ্পা ঘটান তিনি৷ ফলাফল বুবলি হন মা আর বাচ্চার নাম শেহজাদ খান বীর৷

তাহলে আমি মিথ্যা বলিনি, নেক্সট তিন আড়াই বছর খবর পাব মা হলেন পূজা চেরি৷ বাচ্চার বাবা শাকিব খান৷ বাচ্চার নাম সুলতান খান গলুই :-)

 #প্লটঃ ভালোবাসার অপরাধে একটানা ২৫ বছর গৃহবন্দি করে রাখেন নিজের মেয়েকে...এক ধনী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক...
29/09/2022

#প্লটঃ ভালোবাসার অপরাধে একটানা ২৫ বছর গৃহবন্দি করে রাখেন নিজের মেয়েকে...

এক ধনী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক মেয়ে। পরিবারের পদবী অনুসারে মেয়ের নাম রাখা হয় ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের। ১৮৪৯ সালের ১লা মার্চ। ফরাসী ম্যাডাম মনিয়েরের দানশীলতার জন্য এলাকায় বেশ নাম-ডাক ছিল মনিয়ের পরিবারের। এমনকি তার উদারতার জন্য সে একটি কম্যিউনিটি অ্যাওয়ার্ড পর্যন্ত পেয়েছিল স্বীকৃতিস্বরুপ। মেয়ে ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের ছাড়াও এক ছেলে ছিল তার। নাম- মারসেল মনিয়ের, পেশায় একজন স্বনামধন্য উকিল। এক ছেলে-এক মেয়ে নিয়ে সুখের পরিবার মনিয়েরদের।

ছোটবেলায় যত না সুন্দর ছিল ব্ল্যাঞ্চ, বড় হবার সঙ্গে রুপ যেন সমানুপাতিক হারে বাড়তে থাকে তার। মেয়ের রুপ নিয়ে অহংকারের শেষ নেই মায়ের। মেয়ে তখন পূর্ণ যুবতী। ২৫ বছর বয়স। মা তার পছন্দ করা অভিজাত পরিবারের এক পাত্রের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করলো ব্ল্যাঞ্চের। কিন্তু ততদিনে ব্ল্যাঞ্চ মন দিয়ে বসে আছে অন্য একজনকে। পেশায় সে সাধারণ একজন উকিল। পরিবারও সাদামাটা একদম।

ব্ল্যাঞ্চ তার পছন্দের মানুষটিকে মায়ের সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু পারিবারিকভাবে অভিজাত ও স্বনামধন্য না হওয়ায় তার সঙ্গে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায় মা। তার পছন্দ করা পাত্রকেই বিয়ে কর‍তে হবে ব্ল্যাঞ্চকে- এ কথা জানিয়ে দেয় সে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মানতে রাজি না হলে ব্ল্যাঞ্চকে একটি ছোট রুমে আটকে রাখে তার মা। কড়াভাবে তাকে জানিয়ে দেয়া হয়- সেদিনই এ ঘর থেকে মুক্তি পাবে ব্ল্যাঞ্চ, যেদিন তার মায়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিবে সে। কিন্তু মায়ের মতো মেয়েও তার সিদ্ধান্তে অটল। বিয়ে যদি করতেই হয়, ভালোবাসার মানুষটিকেই করবে সে, অন্য কাউকে নয়।

বছরের পর বছর চলে যায়, ব্ল্যাঞ্চ তার সিদ্ধান্তে থাকে অনড়। মায়ের অহংকারী-জেদী মনও গলে না। ফলে মুক্তিও আর মেলে না। ১৮৮৫ সালে, ব্ল্যাঞ্চের ভালোবাসার মানুষটি মারা যাওয়ার পরও তাকে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়! এদিকে ব্ল্যাঞ্চের মা আর ভাই সমাজে এমন ভান করে থাকে যে ব্ল্যাঞ্চকে হারিয়ে তারা শোকে কাতর! বাড়ির কাজের লোকেরা এই ব্যাপারে জানলেও কাউকে জানাতে ভয় পেত মনিয়েরদের সামাজিক প্রভাবের কারণে। এইভাবে কেটে যায় পঁচিশটি বছর!

অতঃপর, ২৫ বছর পর, ১৯০১ সালে, প্যারিসের এটর্নি জেনারেলের কাছে বেনামে একটি চিঠি পৌছে। কে বা কারা চিঠিটি পাঠিয়েছে, কখনোই তা জানা যায়নি। সেখানে লেখা থাকে- মনিয়ের পরিবার বহু বছর ধরে তাদের বাড়িতে আটকে রেখেছে এক ব্যক্তিকে। মনিয়ের পরিবারের সামাজিক অবস্থানের কথা চিন্তা করে প্রথমে না চাইলেও পরে তদন্ত চালাতে নির্দেশ দেন জেনারেল। বাড়িতে তল্লাসি চালিয়ে কিছুই খুঁজে না পেয়ে যখন ফিরে যাবে সৈন্যরা, তখনই একজন সেনার নাকে আসে বোটকা এক পঁচা গন্ধ।

সেই গন্ধ অনুসরণ করে চিলেকোঠায় পৌঁছালে সেখানে একটি অন্ধকার তালাবদ্ধ রুম দেখতে পায় তারা। রুমটিতে কেবলমাত্র একটি বন্ধ ছোট জানালা ছিল, তাও মোটা পর্দা দেয়া। কিছুই দেখা যাচ্ছিলো না বাইরে থেকে। সন্দেহ হওয়ায় জানালার কাচ ভেঙে ফেলে এক সেনা। ভাঙা কাচের ভেতর দিয়ে তারা দেখতে পায় রুমের এক কোনায় শেকলাবদ্ধ এক নারী! তাকে দেখে সেনারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখতে পায় বিভৎস এক দৃশ্য।

ছোট একটি বিছানায় পঁচা খাবার আর কোটি কোটি কীটের মধ্যে শুয়ে আছে মনিয়ের ব্ল্যাঞ্চ। এই ২৫ বছরে বাইরের আলো-বাতাস থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিল সে। চেহারাও বিদঘুটে হয়ে গেছে। তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সে সময় তার ওজন ছিল মাত্র ২২ কেজি! কিন্তু বিগত ২৫বছরের ভয়াবহ স্মৃতি মাথা থেকে কিছুতেই মুছে ফেলতে পারেনি মনিয়ের ব্ল্যাঞ্চ। ফলে, গুরুতর মানসিক সমস্যা দেখা দেয় তার। তাকে ভর্তি করা হয় ফ্রান্সের এক সাইকিয়াট্রিক হাসপাতালে। ১৯১৩ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, জীবনের বাকিটা সময় এখানেই কাটায় সে। ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে চাওয়ার ‘অপরাধে’ এই শাস্তি পেতে হলো তাকে।

আর ব্ল্যাঞ্চের মা আর তার ভাই-এর পরিণাম? ব্ল্যাঞ্চকে উদ্ধারের পর এরেস্ট করা হয় তার মা ও ভাইকে। মা অসুস্থ হয়ে গেলে জামিন পেয়ে বাসায় যায়। কিন্তু ততদিনে সবাই কাহিনী জেনে গেছে। ব্ল্যাঞ্চ উদ্ধার হওয়ার ১৫দিনের মাথায় বিক্ষুব্ধ জনতা ভিড় করে তাদের বাসার সামনে। আতঙ্কিত হয়ে হার্ট এটাক করে সেদিনই মারা যায় মিসেস মনিয়ের। অতিরিক্ত অহংকার আর ইগো এভাবেই শেষ করে দেয় একটি সাজানো গোছানো সংসারকে।

মেয়েরা প্রথম প্রথম প্রেমে পড়লে যা হয় আর কি,,,😂😂😂😂😄😄😄
29/09/2022

মেয়েরা প্রথম প্রথম প্রেমে পড়লে যা হয় আর কি,,,😂😂😂😂😄😄😄

সব মেয়েদের পড়া উচিতঃ১. সবার আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন।এই জিনিসে কোন কম্প্রোমাইজ করবেন না। মইরা গেলেও না।২. আত্মসম্মান,...
29/09/2022

সব মেয়েদের পড়া উচিতঃ
১. সবার আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন।এই জিনিসে কোন কম্প্রোমাইজ করবেন না। মইরা গেলেও না।

২. আত্মসম্মান, আত্মমর্যাদা কক্ষনো বিসর্জন দিবেন না। তাতে মরে যেতে হলে, যাবেন।

৩. চোখ বন্ধ করে পুরুষকে বিশ্বাস করবেন না। (গনহারে trust এর কথা বলছি, trustworthy man অবশ্যই আছে) পুরা ফেরেশতা মার্কা স্যার, আব্বুর বন্ধু, মামার ফ্রেন্ড, বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম ফ্যামিলি পারসন, এরকম-এমন কারো সাথে একা কোথাও থাকবেন না।
Be careful who you trust, the devil was once an angel.

৪. বান্ধবীর বাসায় যেতে হলে পরিবারকে জানান। ফোন নাম্বার আম্মু, আব্বু, বড় ভাই, আপুকে দিয়ে যান। সবসময় নিরাপদে যত দ্রুত সম্ভব বাসায় ফিরবেন। রাতে চেষ্টা করবেন না থাকার। থাকলেও বাসার পরিবেশ দেখে নিয়েন।

৫. নিজের gut feelings -কে সব সময় প্রাধান্য দিবেন। দেখে কিছুই মনে হয় না, খুব ভাল মানুষ, কিন্তু মন কেন যেন ব্যাক্তিটাকে পছন্দ করে না। এমন হলে সেই ব্যাক্তি থেকে ১০০ হাত দূরে থাকেন।
trusting your 'Gut Feeling' is often the best strategy to save yourself.

৬. নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। মেয়েরা আবেগের কারনে ভিক্টীম হয়।

৭. ফ্যামিলিকে সব সময় পাশে রাখবেন। ফ্যামিলিকে, বিশেষ করে আম্মুকে বন্ধু বানান। তার সাথে সব যেন শেয়ার করা যায় এমন ভাবে সম্পর্ক করবেন আব্বু আম্মুর গোপনে কিছু কইরেন না। victim হলে আপনি হবেন। তখন আব্বু আম্মু স্রেফ এই ভাব্বে "মেয়েটা আমাদের বলল না কেন!!"

৮. কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাববেন।
You read it right. ১০০ বার।

৯. নিজেকে ভালবাসেন। এটা খুব দরকার। আপনি কালো, শর্ট, মুখে ব্রন --বিলিভ মি এগুলা কিচ্ছু না। আল্লাহ আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা, ব্যাক্তিত্ব দেখে যেন একটা ছেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে ঐভাবে তৈরি করেন।

১০. সব সময় সত্যকে পাশে রাখবেন। মিথ্যা অনেক সহজ। অন্যায় অনেক আনন্দ দেয়। কিন্তু তা সব সময় ক্ষণিকের জন্য। সত্য সব সময়ের জন্য। তা যত কষ্টের হোক।

১১. জীবন অস্বাভাবিক সুন্দর। হতাশা, unexpected crisis, unexpected incident এগুলা লাইফের পার্ট।
ও আচ্ছা, এমন হইল। ঠিকাছে। এরপর কি?-- লাইফের প্রতি এমন attitude রাখলে লাইফ আর সুবিধা করতে পারে না। পেইন দেবার আগে ভাবে এরে পেইন দিয়া লাভ নাই।

১২. মাটি এখন পায়ের নিচে। একদিন এটা আমার, আপনার সাড়ে তিন হাত পরিমান উপরে থাকবে। আমাদের জন্য একসময় অন্যরা প্রার্থনা করবে, তার আগেই নিজের প্রার্থনা নিজেই অন্তত যেন করি।

১৩. গাড়ির ড্রাইভার, এপার্টমেন্টের দারোয়ান এই দুই দলের সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। এই দুই দলের মানুষ বিপদে চরম সাহায্য করে।

(বুদ্ধিমানরা এইখানে কি বলি নাই তাও বুঝবে।)

১৪. অতীত নিয়ে একদম ভাব্বেন না। তবে অতীত থেকে শিক্ষা নিবেন। সুন্দর একটা স্মৃতি কি দ্বিতীয় বার একইভাবে আনন্দিত করবে আপনাকে? nope, never. প্রথমবারের থেকে কম আনন্দের অনুভূতি দিবে। তাহলে অতীতের দুঃখ কেন বারবার কাঁদাবে? সময় নাই, অতীত নিয়ে ভাবার- এভাবে ভাবেন। ইউ উইল বি হ্যাপিয়ার
পৃথিবীর সকল নারী সুরক্ষিত থাকুক 🙂♥©️

বিদ্যুৎ অফিসের সামনে চায়ের দোকানে কলা ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্যে!!বিদ্যুৎ অফিসের এক প্রকৌশলী চা খাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করলো...
28/09/2022

বিদ্যুৎ অফিসের সামনে চায়ের দোকানে কলা ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্যে!!বিদ্যুৎ অফিসের এক প্রকৌশলী চা খাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করলো কলার দাম কত???
দোকানদারঃ কি কাজে কলা ব্যবহার করবেন তার উপর নির্ভর করে কলার দাম!!

প্রকৌশলীঃ মানে কি ?!?

দোকানদারঃ যদি কোন মিলাদ বা ধর্মীয় কাজে নেন তাহলে দুই টাকা পিচ, যদি রুগির জন্যে নেন তাহলে ৩টাকা পিচ, আর যদি নিজে খাওয়ার জন্যে নেন তবে ৫ টাকা পিচ!!

প্রকৌশলীঃ ইয়ার্কি কর, একই কলার দাম বিভিন্ন হয়?!

দোকানদারঃ একই খুঁটি হতে বিদ্যুৎ বাসায় গেলে একদর, দোকানে গেলে আরেক দর, কারখানায় গেলে আরেক দর। তাহলে আমার কলা কি দোষ করলো?!?
(পোস্ট কালেক্ট)

সংগ্রহিত,,,,,,,অনেকে বলে নান্নুর ক্যারিয়ারে কোন ছক্কা নেই,  কিন্তু সঠিক ইতিহাস কয় জনে জানে,,,, আজ তোমাদের সঠিক ইতিহাস টা...
27/09/2022

সংগ্রহিত,,,,,,,

অনেকে বলে নান্নুর ক্যারিয়ারে কোন ছক্কা নেই, কিন্তু সঠিক ইতিহাস কয় জনে জানে,,,, আজ তোমাদের সঠিক ইতিহাস টা বলি তাহলে,,,, ৯০ দশকের শেষ দিকে নান্নু নামের বিষন প্রতিভাবান এক ক্রিকেটারের আবির্ভাব হয় বাংলার ক্রিকেটে। অভিষেক ম্যাচেই আনুমানিক ৩৬ টা বল মজ্ঞল গ্রহে এবং ২০ টি বল চাঁদে পাঠিয়েছিলেন এই হার্ড হিটার। পরবর্তীতে আইসিসি বল সংকটে পড়ে,, এবং প্রতিপক্ষ ব্যাটিং না করতে পারায় ম্যাচটি বাতিল হয়ে যায়। এখানেই শেষ নয়,, আইসিসি তখন নান্নুর উপর ছক্কা মারার নিষেধাজ্ঞা দেয়,,, যদি নান্নু ছক্কা মারে তাহলে তা আউট বলে গন্য হবে। তাই এরপর থেকে নান্নু কে আর ছক্কা মারতে দেখা যায় নি। 💔

ক্রিকেটের কলা গাছকে শুভ জম্মদিন🥱

Address

Cumilla

Telephone

+8801612173002

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Time pass 45 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share