06/08/2026
গির্জা নারীদের পবিত্র রাখতে লোহার এই বেল্ট পরিয়ে রাখত।
ইউরোপের মধ্যযুগে (১১–১৫ শতক) এই ছিল নারীদের অবস্থা। যে ইতিহাস আমাদেরকে জানতে দেওয়া হয়না।
এটির নাম পবিত্রতার (Chastity Belt) বেল্ট। যা আজও ইউরোপজুড়ে জাদুঘরে সংরক্ষিত।
ভারী লোহা বা ইস্পাতের তৈরি এসব বেল্টে তালা-চাবি থাকতো।
কিন্তু চাবি কখনোই নারীর হাতে থাকত না।
চাবি থাকতো স্বামী, পিতা, বা যাজকের কাছে। কারণ ইউরোপীয়রা নারীর স্বাধীন স্বত্তায় বিশ্বাসী ছিলনা।
মাসের পর মাস, বছরের পর বছর লোহার বেল্টের ঘর্ষণে শরীরে অপরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি গভীর ক্ষত, সংক্রমণ, দুর্গন্ধ, এমনকি অনেকের মৃত্যু হয়ে যেত।
এসব করা হতো নারীদের পবিত্রতা নিশ্চিত করার জন্য।
তাদের ধর্মে নারীকে পবিত্রতার শত্রু, পাপের উৎস ও পাপের কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
যেমন বলা হয়েছে, “নারী থেকেই পাপের শুরু” (সিরাখ ২৫:৩৩)।
আদম প্রতারিত হয়নি বরং নারী প্রতারিত হয়েছিল। তাই নারীর ওপর চিরস্থায়ী দোষ চাপানো হয়।
এজন্য পশুপাখির মত নারীকে সম্পত্তি হিসেবে দেখা হতো এবং লোহার শৃঙ্খলে বন্দি করে মালিকানা প্রকাশ করা হয়েছে।
ইউরোপীয়রা নারীর জন্য যখন লোহার বেল্ট তৈরি করছিল, ইসলাম তারও বহু আগে নারীকে বলে দিয়েছি,
তুমি শয়তানের দরজা নও বরং নবী ﷺ বলেছেন,
“নারীদের সম্মান করে কেবল মহৎ ব্যক্তি, আর অপমান করে কেবল নীচ ব্যক্তি।”
তুমি পাপের মূল নও, বরং তোমার পদতলে জান্নাত রাখা হয়েছে মা হিসেবে।
তুমি অজ্ঞ নও, বরং তুমি সেই আয়েশা (রাঃ), যার কাছে পুরুষ-নারী সবাই জ্ঞান অর্জন করেছে।
তুমি খদিজা, আয়েশা, সুমাইয়া, নুসাইবার উত্তরসূরি।
তুমি সেই মুক্তা, যা রক্ষার জন্য কখনো লোহার বেল্টের প্রয়োজন পড়েনি, কারণ আল্লাহভীতি সবসময় তোমার রক্ষক।
#বেল্ট #গীর্জা #নারী