Salahuddin

Salahuddin They divided us by borders, languages and sects. but we share one Qur'an, one Prophet, one Ummah. Forget not your roots! O Ummah!

unity is your power and history is your proof.

১৯৪৬ সালে ভারতবর্ষ ব্যাপী দাঙ্গার জনকের কথা আগে বলেছি। এবার ইন্দিরার বায়োডাটাটা একটু দেখে নিন।১৯৬৯ সালে আহমেদাবাদে ভয়া...
08/06/2026

১৯৪৬ সালে ভারতবর্ষ ব্যাপী দাঙ্গার জনকের কথা আগে বলেছি। এবার ইন্দিরার বায়োডাটাটা একটু দেখে নিন।

১৯৬৯ সালে আহমেদাবাদে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগায় সে।

পূর্ব পরিকল্পিত সে দাঙ্গায় ১ হাজারের মতো মুসলিম নিহত হন।

সে প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত রেখেছিল। পরে নির্বিচারে মুসলিমদের গ্রেফতার করা হয়েছিল।

১৯৭৬ সালে সে মুসলিমদের মাঝে জোরপূর্বক নির্বীজন কর্মসূচি চালায়।

এতে লক্ষ লক্ষ মুসলিম পুরুষকে নির্বীজন (স্টেরিলাইজেশন) করানো হয়।

এমনকি নিম্নবর্ণের হিন্দু, শিখসহ বিভিন্ন উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষকেও এটি করানো হয়।

১৯৭৯ সালের জামশেদপুরে আবারও দাঙ্গা লাগায় সে। তার ক্ষমতাকালীন সময়টা ছিল দাঙ্গা আর দাঙ্গা।

মুদি এখন যা করছে আর কী। এর রাজনৈতিক ভিত্তি অনেক আগেই তৈরি করেছিল এই গ|ন্ধির|।

হেদুদের ভোট পাওয়ার এই খেলা গ|ন্ধি আর এই বেটি শুরু করে গিয়েছিল।

সেদিন প্রায় দেড়শো জনের মতো মুসলিমের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল তারা।

এক বছর পর ১৯৮০ সালে মোরাদাবাদে আবারও দাঙ্গা লাগায় সে।

ঈদের নামাজের সময় হেদুরা এসে বিশৃঙ্খলা ও উত্তেজনা সৃষ্টি করলে দাঙ্গা শুরু হয়।

ঈদের দিন ২ হাজারেরও বেশি মুসলিমের প্রাণ নিয়েছিল তারা।

এই ২০২৬ সালে যেমন অনেক মানুষ ঈদের নামাযে যায়নি বা কুরবানী দেয়নি দাঙ্গার ভয়ে, ঠিক তেমনি আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল তখনও।

এর তিন বছর পর ১৯৮৩ সালে ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্ট গণহত্যাগুলোর একটি করে সে।

যা নেলি গণহত্যা (Nellie Massacre) নামে পরিচিত।

আসামের এই গণহত্যার প্রচুর ডকুমেন্টারি ও ভিডিও ইউটিউবে পাওয়া যায়।

মাত্র কয়েক ঘণ্টার এই ম্যাসাকারে প্রায় ৫-৫০ হাজার মুসলিম নিহত হয়েছিলেন। অনেককে অ|গুনে পু-ড়ি,য়ে হত্যা করা হয়েছিল।

তখনও কেন্দ্রীয় সরকারে ছিল এই বেটি।

সেই গণহত্যায় সরকারি বাহিনী সিভিল পোশাকে অংশগ্রহণ করেছিল বলেও অভিযোগ করেছেন অনেক প্রত্যক্ষদর্শী।

এই হলো সেক্যুলার মহাত্মাদের মানবাধিকারের ইতিহাস।

গোবর থেকে ভালো আছে। এগুলো দেবির প্রসাদ। ছেড়ে দাও।
08/06/2026

গোবর থেকে ভালো আছে। এগুলো দেবির প্রসাদ। ছেড়ে দাও।

ভাড়ত কর্তৃক বাংলাদেশ দখলের প্রধান টুল হলো ই.স.ক.ন.।ওপারের কমান্ড মোতাবেক ই.স.ক.ন এখানে সব নীল নকশা আঁকছে। সাজিয়ে যাচ্ছ...
08/06/2026

ভাড়ত কর্তৃক বাংলাদেশ দখলের প্রধান টুল হলো ই.স.ক.ন.।

ওপারের কমান্ড মোতাবেক ই.স.ক.ন এখানে সব নীল নকশা আঁকছে। সাজিয়ে যাচ্ছে। দল ভারী করছে।

এমনকি বাংলাদেশের ৯৯% হেদুরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভাড়তের নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে।

সাথে আছি সুশীল সমাজের কিছু মানুষ।

তারা বুঝেশুনে দেশ ও স্বাধীনতা বিরোধী এই কর্মকাণ্ড করছে।

প্রীতিস দেবনাথের মতো হেদুরা এদেশের মাটি ও আলো-বাতাসে বেড়ে উঠলেও এদেশকে তারা ঘৃণা করে।

গাযযায় ই**দিরা যেমন জমি কিনে সংখ্যা ভারী করেছিল, তেমনি রংপুরে হেদুরাও তাদের ফাদারল্যান্ডের বুদ্ধি কাজে লাগাচ্ছে।

এজন্য দেখবেন তারা বাংলাদেশকে দ্বিতীয় গাযযা বানানোর হুমকি দেয়।

এর ফলাফল হচ্ছে, বর্তমানে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ৬টি হিন্দু জেলার ৫টিই সীমান্তের কাছে।

আর এটাই ভাড়তের মাস্টারপ্ল্যান।

কারণ বর্ডারে যত বেশি হেদু, বাংলাদেশ দখলে ততবেশি ভাড়তের সুবিধা।

দেশ বাঁচাতে এখন কী করতে হবে একটু ভেবে দেখবেন।

ভাড়ত তার পরিকল্পনা অনুযায়ী এগুচ্ছে। ভাড়তকে সাহায্য করছে বাংলাদেশের হেদুরা।

এখন আবার মির্জা ফখরুল সাহেবের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ভাড়তের সহযোগিতায় সবচেয়ে বড় মন্দির তৈরির কাজ হচ্ছে।

অথচ আমরা আছি কে রাজাকার, কে মুক্তিযুদ্ধা এই বিতর্ক নিয়ে ব্যস্ত। দলীয় স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। দেশ‌ই যদি না থাকে তাহলে এগুলো দিয়ে কী করবেন?

স্বাধীনতা রক্ষা করতে চাইলে আর গোলামীর জীবন না চাইলে দয়া করে চেতনা ব্যবসা বন্ধ করে দেশ রক্ষায় মনযোগ দিন।

না হয় একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখবেন বাংলাদেশ বলতে আর কিছু নাই। গরুর গোয়াল ঘর হয়ে গেছে।

পলাশবাড়ীতে ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শিবমূর্তি নির্মাণ করা, ধর্মান্তরিত তাওহীদ ইসলাম ওরফে হরিদাস কি ভারতীয় এজেন্ট হিসেবে বাংলাদ...
07/06/2026

পলাশবাড়ীতে ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শিবমূর্তি নির্মাণ করা, ধর্মান্তরিত তাওহীদ ইসলাম ওরফে হরিদাস কি ভারতীয় এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে?

হরিদাস ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় অবৈধ উপায়ে ভারতে আত্মীয়ের বাসায় চলে যান।
সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে থেকে এতিম সার্টিফিকেট নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন ও ইলেক্ট্রনিক বিষয়ে দুই বছরের বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

২০১০ সালে দেশে ফিরে রাজধানীর উত্তরায় পুরাতন এসি মেকানিকের কাজ শুরু করেন। ২০১৮ সালে সবজি বিক্রেতার সাথে সাবলেট বাসা ভাড়া নেন।
সেখানেই বিয়ে ও ২০১৯ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে তাওহীদ ইসলাম নাম ধারণ করেন।

সেই সময় জিজ্ঞাসাবাদে হরিদাস র‍্যাবকে জানান, তার শ্বশুরের পরিচয়ে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকায় কিছু জমি ক্রয় করেন।
শ্বশুড়ের মাধ্যমে এলাকার লোকের সাথে নিজেকে একজন বিত্তশালী লোক হিসেবে পরিচিত হন।

পাশাপাশি প্রচার করতে থাকেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার।
দামি গাড়ি হাঁকিয়ে এবং পোশাক পরিধান করে স্থানীয় রাজনীতিবিদ, গণ্যমান্য বিত্তশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় ও সখ্যতা গড়ে তোলেন।

প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়ের সহায়তায় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রজেক্টে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখান।
এ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে অর্থ এবং উন্নয়ন মূলক কাজ করতে তাদেরকে আশ্বস্ত করতেন।

তার মিষ্টি আচরণে প্রলুব্ধ হয়ে অনেকেই চাকরি, বদলি, টেন্ডারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদবির নিয়ে তার কাছে আসা শুরু করেন।
তিনি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চাকরি প্রত্যাশী, পছন্দমত জায়গায় বদলি, সরকারি চাকরি, বিভিন্ন ক্রয়-বিক্রয় ও উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে কাজ বাগিয়ে এনে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত শুরু করেন।

এ সময় র‍্যাব আরো জানায়, হরিদাসের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া ইমরান মেহেদী হাসান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কর্মরত তার বিভিন্ন সহযোগীসহ অন্যান্য ক্লায়েন্ট সংগ্রহ করে হরিদাসের নিকট নিয়ে আসতেন।

এ সময় হরিদাস স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিভিন্ন পদে চাকরি, পদোন্নতি এবং দলীর বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাত করেন।

মজার ব্যাপার হলো- কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেফতারকৃত হরিদাস অত্যন্ত বচনপটু।
একবার তার সাথে কেউ পরিচিত হলে তার প্রতারণার খপ্পর হতে বের হতে পারতো না।

তিনি প্রতারণার মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ২০১৯ সালে ফুলবাড়িয়া এলাকায় প্রায় এক বিঘা জমি ক্রয় করে প্যারিস সুইমিংপুল এন্টারটেইনমেন্ট পার্ক নামে রিসোর্টের কাজ শুরু করেন।
সেখানে তার প্রলোভনে পড়ে অনেকেই টাকা লেনদেনের রসিদ ছাড়া তাকে লাখ লাখ টাকা লগ্নি করেন।

২০২০ সালে প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে রিসোর্টের কাজ শেষে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেন।
রিসোর্টে প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা, সুইমিংপুলে গোসল ১০০ টাকা এবং রিসোর্টের ভিতরে ঘোরাঘুরির জন্য ৫০ টাকা করে টিকেট বিক্রি করা শুরু করেন।

অনেকে বিবাহ, জন্মদিনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য তার রিসোর্ট ভাড়া নিতে থাকে।
শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরনীদাস বিভিন্ন বিত্তশালী ব্যক্তিদের তার রিসোর্টে আমন্ত্রণ জানাতেন।

এসময় তাদেরকে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে তার এডিট করা ছবি প্রদর্শন করে তার প্রজেক্টসহ অন্যান্য প্রজেক্টে বিনিয়োগ করার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেন।

প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে র‍্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, তার মোবাইলে বিভিন্ন নম্বর প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের এবং তাদের নিকটাত্মীয়ের বিভিন্ন সদস্যদের নামে সেইভ করে ও কল দিয়ে দেখাতেন।

নিজেকে প্রভাবশালী বলে জাহির করতেন।
যদিও প্রকৃতপক্ষে তার কোন রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীর সাথে পরিচয় নেই।
তার কোন দলীয় পরিচয় নেই।
প্রতারণা করে অর্থ উপার্জনই তার মূল লক্ষ ও পেশা।

সুতরাং উল্লেখিত প্রতারক শ্রী হরিদাস চন্দ্র যেহেতু র্যাবের হাতে আটক হয়ে, পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে গাইবান্ধা জেলা ও পলাশবাড়ি উপজেলার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সহ সকল মহলকে ম্যানেজ করে পলাশবাড়ির কোমরপুরে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ দাবি করে রাধা গোবিন্দের মন্দির স্থাপন করেন।
তাই তার টাকার উৎস খুঁজতে, তাঁকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।

হরিদাস একদিকে ভারতীয় নাগরিক, অন্যদিকে ধর্মান্তরিত তাওহীদ ইসলাম।
এখন তিনি আবার হিন্দু ধর্মের ত্রাণকর্তা।

বাংলাদেশের সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে আমাদের খোঁজা দরকার হরিদাসের ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে মন্দির নির্মাণ ও ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা শিবমূর্তি স্থাপনের পেছনের উদ্দেশ্য কি?

এছাড়া হরিদাস আরও কিছু বৃহৎ আকৃতির মূর্তি নির্মাণের কারণ কি?

হরিদাস কি ভারতীয় এজেন্ট হয়ে বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে?
নাকি হরিদাস মুসলমান সম্প্রদায়ের অধ্যুষিত এলাকায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশের সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে আমরা হরিদাসের এমন কর্মকাণ্ডে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আমরা চাই না ভারতীয় নাগরিক ও ধর্মান্তরিত হরিদাস বাংলাদেশের সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জীবন নিয়ে টানাটানি করুক।

প্রতারক হরিদাস সম্পর্কে জানতে চাইলে পলাশবাড়ীর হরিদাস লিখে গুগলে সার্চ দেন।
তারপর বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত তাঁর প্রতারণার খবর গুলিতে চোখ বুলিয়ে নিন।

তবে দুঃখ জনক বিষয় হলো বাংলাদেশের সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কি সত্যিই বোকা, নাকি এরা অতিরিক্ত ভারতপ্রেমী?

যার কারণে হরিদাসের মতো আন্তর্জাতিক মানের একজন প্রতারক আজ হিন্দু ধর্মের গুরু ঠাকুর হলেন?
প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে হিন্দু দাদার দিতে পারেন।

অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করলে নোটিশ ছাড়া ব্লক অপশন ব্যবহার করা হয়।

সনজীত কুমার দে।
বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

#পলাশবাড়ী #শিবমূর্তি #সনাতনি

১৯৭১  সালে ডিসেম্বর মাসে পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘে প্রস্তাব দেয় আমেরিকা।কিন্তু সোভিয়েত রাশিয়া সেই প্রস্তাবে...
07/06/2026

১৯৭১ সালে ডিসেম্বর মাসে পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘে প্রস্তাব দেয় আমেরিকা।

কিন্তু সোভিয়েত রাশিয়া সেই প্রস্তাবে ভেটো দেওয়ার কারনে যুদ্ধ আর থামেনি ফলস্বরুপ পাকিস্তান হেরে যায়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হয় এবং একটি পতাকার মালিক হয়।

পাকিস্তানীরা চলে যায় আর ভারত এসে সেই স্থান দখলে নেয়।

যা আজও তাদের দখলে রয়ে গেছে।

অর্থাৎ এক নদী রক্তের বিনিময়ে আমারা জাস্ট একটা পতাকার মালিক হলেও আমাদের সবকিছু আগের মতই পরাধীন রয়ে গেছে।

অনেকটা বৃষ্টি থেকে পালাতে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার মত।

এবার পাকিস্তান নিজেকে শক্তিশালী করার কাজে লেগে যায়। পারমানবিক অস্ত্রের জন্য সব কিছু করতে শুরু করে।

১৯৭৯ সালে সোভিয়েত রাশিয়া আফগানিস্তান আক্রমন করে বসে। উদ্দেশ্য আফগান-পাকিস্তান হয়ে সোজা মধ্যপ্রচ্যে প্রবেশ করা।

তখনই পাকিস্তান ১৯৭১ সালের প্রতিশোধের জন্য পাগল হয়ে ওঠে। সাথে যোগ দেয় আমেরিকাও।

আমেরিকা পাকিস্তানকে সবচেয়ে কম দামে F-16 যুদ্ধ বিমান সরবাহ করে এবং পাকিস্তানও সেগুলেো কাজে লাগায়।

পাকিস্তান F-16 বিমান দিয়ে কয়েকটি সোভিয়েত যুদ্ধ বিমান জয়বাংলা করে দেয়।

আমেরিকা-পাকিস্তান স্ট্রিংগার মিসাইল দেয় আফগানিস্তানে এবং মোজাহিদদের সব রকম প্রশিক্ষন দেয় পাকিস্তানে।

সেই মিসাইল দিয়ে মিনিমাম ৫০০+ রাশিয়ার হেলিকপ্টার ধংস করে মোজাহিদরা।

যুদ্ধে রাশিয়া হেরে যায় এবং সোভিয়েত ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।

পাকিস্তান শুধু আফগানিস্তানকে সাহায্য করেনি বরং চেচেন যোদ্ধাদের ও অস্ত্র দিয়েছিলো রাশিয়ার বিপক্ষে যুদ্ধ করার জন্য।

এর নামই হলো প্রতিশোধ।

আমাদের প্রতিবেশীরা আমাদের সাথে এক‌ই আচরণ করছে। তবে তারাও কি টুকরো টুকরো হতে চায়?

আমরাও হয়তো কোনোদিন সেই সুযোগ পাবো। ইন শা আল্লাহ্ ✊

#সোভিয়েত #ইউনিয়ন #রাশিয়া #আফগান #পাকিস্তান

07/06/2026

সে আসলেই একজন দেশপ্রেমিক।

06/06/2026

কোরআন পাঠ প্রতিযোগিতা। বয়স অনূর্ধ্ব ১১ । আমার ভাতিজি। مسابقة القرآن

#কোর‌আন #প্রতিযোগিতা #ভাতিজি

আমাদের দেশের হেদুদের বিরুদ্ধে সব প্রমান সহ কোনো যৌননির্যাতনের অভিযোগ এলে বা ধর্ষনের খবর সামনে এলে,দেখবেন হেদুরা সংঘবদ্ধ ...
06/06/2026

আমাদের দেশের হেদুদের বিরুদ্ধে সব প্রমান সহ কোনো যৌননির্যাতনের অভিযোগ এলে বা ধর্ষনের খবর সামনে এলে,

দেখবেন হেদুরা সংঘবদ্ধ ভাবে অনলাইনে ঝাপিয়ে পড়বে আর বলবে এটা ওদের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র।

হেদুরা এটা করতেই পারেনা। তারা পবিত্র। এগুলা মোল্লারা করে।

কমেন্টে কিছু নিউজ ফটোকার্ড দিলাম সবগুলি ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশের ভেরিফাইড পেইজের খবর।


এই ফটো কার্ডগুলো ভালো করে দেখুন। লোকগুলো সোনাতনী কি না?

আমাদের দেশে তো এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে।

এগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় আসলেও মেইনস্ট্রীম মিডিয়ায় কেন জানি আসেনা।

কোন অদৃশ্য কারনে তারা এগুলো স্কীপ করে বুঝিনা।

একটাও প্রকাশ বা প্রচার করেনা তারা। আর প্রচার করলেও দেখবেন হয় ছবি নাই অথবা নাম পুরোটা নাই।

এরা এতো পবিত্র যে, এই সাধুর খবর বের হলো দুধের সাথে মাদক মিশিয়ে তরুনীদের সাথে যৌন সম্পর্ক করতো।

তার BT TV নামক পেইজের কমেন্টগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন।

আসলে আমাদের দেশের সুশীল মনারা রাজনৈতিক দলের নেতারা এবং মিডিয়া মিলে এদেরকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গেছে যে,

এরা যেকোনো অপরাধ করে পার পেযে যায়।

এই সুযোগে এরা ভয়ংকর অনেক কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসনিক সাপোর্ট নিয়ে। কিন্তু কোনো বিচার হচ্ছেনা।

#বাবা #আশ্রম #মাদক #ধর্ষণ

বুকে আয় ভাই 😂রাগ করলা?
06/06/2026

বুকে আয় ভাই 😂

রাগ করলা?

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Salahuddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share