Salahuddin

Salahuddin They divided us by borders, languages and sects. but we share one Qur'an, one Prophet, one Ummah. Forget not your roots! O Ummah!

unity is your power and history is your proof.

আপা আসবে, তেল ছাড়া কুক হবে 😀
10/08/2026

আপা আসবে, তেল ছাড়া কুক হবে 😀

এখানে শুধুমাত্র বাঙালিরাই আদিবাসী। সমকাল আসলে কী চায়? সমকাল কি চায় পার্বত্য চট্টগ্রাম স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে যাক?
09/08/2026

এখানে শুধুমাত্র বাঙালিরাই আদিবাসী। সমকাল আসলে কী চায়? সমকাল কি চায় পার্বত্য চট্টগ্রাম স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে যাক?

দুধ টুথপেস্টের মতো ঘন ও আঠালো। এজন্য পানির সঙ্গে মিশে না।এতে চর্বির পরিমাণ প্রায় ৩৫% থেকে ৫০% পর্যন্ত হতে পারে।এই উচ্চ ...
09/08/2026

দুধ টুথপেস্টের মতো ঘন ও আঠালো। এজন্য পানির সঙ্গে মিশে না।

এতে চর্বির পরিমাণ প্রায় ৩৫% থেকে ৫০% পর্যন্ত হতে পারে।

এই উচ্চ চর্বির কারণে দুধের ঘনত্ব ও আঠালোভাব অনেক বেশি হয় এবং মাখনের মতো ঘন হয়।

ফলে লবণাক্ত পানিতে এটি সহজে ছড়িয়ে পড়েনা বা সঙ্গে সঙ্গে মিশে যায় না।

তিমির স্তনবৃন্তগুলো দেখা যায় না। সাঁতার কাটার সময় শরীরকে আরও মসৃণ ও গতিশীল রাখার জন্য স্তনবৃন্তগুলো ত্বকের ভাঁজের ভেতরে লুকানো থাকে।

এগুলোকে ম্যামারি স্লিট (Mammary Slits) বলা হয়।

বাচ্চা দুধ খাওয়ার সময় মায়ের এই স্তন-ছিদ্রের কাছে মুখ লাগায়।

এরপর মা তিমি স্তনগ্রন্থির চারপাশের শক্তিশালী পেশি সংকুচিত করে ঘন দুধ সরাসরি বাচ্চার মুখে ছেড়ে দেয়।

বাচ্চা তিমির জিহ্বাও বিশেষভাবে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন।

এটি ফ্লেক্সিবল হওয়ায় বাচ্চা জিহ্বাকে অনেকটা নল বা ফানেলের মতো করে মায়ের স্তন-ছিদ্রের চারপাশে আঁটসাঁটভাবে ধরে রাখে।

এর ফলে বাচ্চা চর্বিসমৃদ্ধ ঘন দুধ সরাসরি গিলে ফেলতে পারে এবং পানিতে দুধের অপচয় কম হয়।

এই উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন দুধ বাচ্চা তিমিকে অত্যন্ত দ্রুত বড় হতে ও ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

উদাহরণস্বরূপ, একটি নীল তিমির বাচ্চা প্রথম কয়েক মাসে প্রতিদিন প্রায় ৯০ কেজি পর্যন্ত ওজন বাড়াতে পারে।

সমুদ্রের ঠান্ডা পরিবেশে দ্রুত বেড়ে ওঠার জন্য এই উচ্চ-ক্যালরিযুক্ত দুধ‌ই উপযুক্ত।

এই সুশৃঙ্খল প্রকৃতি এমনি এমনি বা কোটি কোটি বছরের ইভোলিউশন দ্বারা সৃষ্টি হতে পারে?

আমার কাছে সেটা অবান্তর-অযৌক্তিক একটি বিষয় মনে হয়।

একজন মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া এটা কীভাবে সম্ভব?

#নীলতিমি

তিন পাশে হিন্দু-বৌদ্ধের আধিপত্যের মাঝখানে বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলো কীভাবে?পূর্ববঙ্গ বা বর্তমান বাংলাদেশ মুসল...
08/08/2026

তিন পাশে হিন্দু-বৌদ্ধের আধিপত্যের মাঝখানে বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলো কীভাবে?

পূর্ববঙ্গ বা বর্তমান বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে পরিণত হ‌ওয়ার পেছনে যে দীর্ঘ ঐতিহাসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া ছিল,

এতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখেন আরব ও পারস্যের মুসলিম বণিক ও সুফিরা।

বঙ্গোপসাগরীয় সমুদ্রপথে বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রাচীনকালেই বাংলায় ইসলাম নিয়ে আসেন তাঁরা।

তবে ইসলামের ব্যাপক বিস্তার মূলত সুফি সাধক দাঈদের মাধ্যমে হয়েছে।

তারা খানকাহ ও মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন, স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং শিক্ষা, দাওয়াত ও সামাজিক সেবার মাধ্যমে ইসলাম প্রচার করতে থাকেন।

বাংলা সালতানাত এবং পরে মুঘল আমলে পূর্ববঙ্গে, বিশেষ করে বদ্বীপ অঞ্চলে, ব্যাপকভাবে নতুন কৃষিজমি আবাদ করেন এই সুফি সাধকরা।

সুফি সাধক ও স্থানীয় নেতারা মসজিদকেন্দ্রিক নতুন গ্রাম ও বসতি গড়ে তুলেন।

ফলে ইসলামের বিস্তার ও ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা নগরকেন্দ্রিক না হয়ে কৃষিভিত্তিক নতুন জনপদের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে হিন্দু সমাজের বর্ণবৈষম্য উচ্চ শ্রেণিকে বিশেষ সুবিধা দিলেও নিম্ন বর্ণের জনগোষ্ঠীকে সামাজিকভাবে বঞ্চিত করেছিল।

ইসলামী দর্শনে যেহেতু সমতার বিধানসহ অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকভাবে সাধারণ মানুষের ফায়দা ছিল তাই অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণে উৎসাহী হয়ে ওঠে।

বাংলা সালতানাত এবং পরবর্তীতে মুঘল সাম্রাজ্য কয়েক শতাব্দী ধরে এ অঞ্চল শাসন করে।

এ সময় ইসলামী শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য ও সংস্কৃতির বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

অধিকাংশ ইতিহাসবিদের মতে, বাংলায় ইসলামের প্রসার ছিল ধীর ও পর্যায়ক্রমিক; এখানে বলপ্রয়োগ করে ধর্মান্তরের কোনো সুযোগ ই ছিল না।

পূর্ববঙ্গ ছিল হিন্দু ধর্মের মূল কেন্দ্রগুলো থেকে দূরে। হিন্দু ধর্মের মূল কেন্দ্রগুলো ছিল পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রিক।

তাই পূর্ববঙ্গে নতুন কৃষি সম্প্রসারণের সাথে সাথে ইসলাম‌ও দ্রুত বিকশিত হচ্ছিল।

ফলে সেখানে ইসলামের বিস্তার পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় দ্রুত ঘটে।

এভাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পূর্ববঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে ওঠে, আর পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় থাকে।

তাছাড়া ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বাংলায় কেউ এলে ব্রাহ্মণদের ধর্ম নষ্ট হয়ে যাবে বা জাত যাবে, এই ভয়ে তারা বাংলার মানুষদের সাথে মিশতো না।

বাংলার মানুষদের নিম্ন বর্ণের মানুষ মনে করতো তারা।

১৯৪৭ সালে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় পূর্ববঙ্গ পূর্ব-পাকিস্তান নামে পাকিস্তানের অংশ হয়।

পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলিম।

মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ভারতের পর চতুর্থ বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ।

আল্লাহ আমাদের এই দেশকে সবধরনের ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করুন। আমীন

#বাংলাদেশ #পূর্ববঙ্গ #মুসলিম

07/08/2026

আদম (আ.) একটিমাত্র ফল খাওয়ার দায়ে জান্নাত থেকে বের হলেন। আর আমাদের নেতারা পুরো দেশটাই খেয়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেন।

জামাল উদ্দিন দীর্ঘ ১২ বছর সৌদিপ্রবাসী ছিলেন। সব টাকা-পয়সা স্ত্রীর হাতে দিয়েছেন।এমনকি পিতার বসতবাড়ি বিক্রি করে শ্বশুড়...
06/08/2026

জামাল উদ্দিন দীর্ঘ ১২ বছর সৌদিপ্রবাসী ছিলেন। সব টাকা-পয়সা স্ত্রীর হাতে দিয়েছেন।

এমনকি পিতার বসতবাড়ি বিক্রি করে শ্বশুড়বাড়িতে নিজের ঠিকানা বানিয়ে নিয়েছেন।

কিডনি রোগে অসুস্থ হয়ে তিনমাস আগে দেশে আসেন। কিন্তু স্ত্রী সন্তানরা তার চিকিৎসা করবে দূরের কথা

বাড়িতেও জায়গা দেয়নি বরং গভীর রাতে গ্রামের রাস্তায় ফেলে যায়।

এখন স্থানীয়রা চাঁদা তুলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে এগিয়ে এসেছেন।

জামালের স্ত্রী রিনা আক্তারের দাবি, প্রায় আড়াই মাস আগে তিনি জামালকে তালাক দিয়েছেন।

বর্তমানে জামাল তার স্বামী নন।

তাই তাকে গাড়িতে করে সখীপুরে তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

রাস্তায় সারারাত বৃষ্টিতে ভেজার পর জামাল উদ্দিনকে ভাতিজি ইসমত আরা তার বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছেন।

তিনি রাস্তা থেকে চাচাকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।

এই হলো মাইয়া মানুষ।

এখন বলুন, জামাল উদ্দিনের সাথে কি অন্যায় হয়েছে? না কি এটাই তার প্রাপ্য ছিল?

#অসুস্থ #জামাল‌উদ্দিন #রিনাআক্তার

গির্জা নারীদের পবিত্র রাখতে লোহার এই বেল্ট পরিয়ে রাখত।  ইউরোপের মধ্যযুগে (১১–১৫ শতক) এই ছিল নারীদের অবস্থা। যে ইতিহাস আম...
06/08/2026

গির্জা নারীদের পবিত্র রাখতে লোহার এই বেল্ট পরিয়ে রাখত।

ইউরোপের মধ্যযুগে (১১–১৫ শতক) এই ছিল নারীদের অবস্থা। যে ইতিহাস আমাদেরকে জানতে দেওয়া হয়না।

এটির নাম পবিত্রতার (Chastity Belt) বেল্ট। যা আজও ইউরোপজুড়ে জাদুঘরে সংরক্ষিত।


ভারী লোহা বা ইস্পাতের তৈরি এসব বেল্টে তালা-চাবি থাকতো।

কিন্তু চাবি কখনোই নারীর হাতে থাকত না।

চাবি থাকতো স্বামী, পিতা, বা যাজকের কাছে। কারণ ইউরোপীয়রা নারীর স্বাধীন স্বত্তায় বিশ্বাসী ছিলনা।

মাসের পর মাস, বছরের পর বছর লোহার বেল্টের ঘর্ষণে শরীরে অপরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি গভীর ক্ষত, সংক্রমণ, দুর্গন্ধ, এমনকি অনেকের মৃত্যু হয়ে যেত।


এসব করা হতো নারীদের পবিত্রতা নিশ্চিত করার জন্য।

তাদের ধর্মে নারীকে পবিত্রতার শত্রু, পাপের উৎস ও পাপের কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

যেমন বলা হয়েছে, “নারী থেকেই পাপের শুরু” (সিরাখ ২৫:৩৩)।

আদম প্রতারিত হয়নি বরং নারী প্রতারিত হয়েছিল। তাই নারীর ওপর চিরস্থায়ী দোষ চাপানো হয়।

এজন্য পশুপাখির মত নারীকে সম্পত্তি হিসেবে দেখা হতো এবং লোহার শৃঙ্খলে বন্দি করে মালিকানা প্রকাশ করা হয়েছে।

ইউরোপীয়রা নারীর জন্য যখন লোহার বেল্ট তৈরি করছিল, ইসলাম তারও বহু আগে নারীকে বলে দিয়েছি,

তুমি শয়তানের দরজা নও বরং নবী ﷺ বলেছেন,

“নারীদের সম্মান করে কেবল মহৎ ব্যক্তি, আর অপমান করে কেবল নীচ ব্যক্তি।”

তুমি পাপের মূল নও, বরং তোমার পদতলে জান্নাত রাখা হয়েছে মা হিসেবে।

তুমি অজ্ঞ নও, বরং তুমি সেই আয়েশা (রাঃ), যার কাছে পুরুষ-নারী সবাই জ্ঞান অর্জন করেছে।

তুমি খদিজা, আয়েশা, সুমাইয়া, নুসাইবার উত্তরসূরি।

তুমি সেই মুক্তা, যা রক্ষার জন্য কখনো লোহার বেল্টের প্রয়োজন পড়েনি, কারণ আল্লাহভীতি সবসময় তোমার রক্ষক।

#বেল্ট #গীর্জা #নারী

এই মাহফুজই বাংলাদেশের মানুষের সীমাহীন আশাকে ভস্মে পরিণত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে।ইসলামপন্থীদের কোনঠাস...
06/08/2026

এই মাহফুজই বাংলাদেশের মানুষের সীমাহীন আশাকে ভস্মে পরিণত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে।

ইসলামপন্থীদের কোনঠাসা করার জন্য সর্বোচ্চ অপচেষ্টা করেছে।

ধীরে ধীরে সে নিজেকে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী ভাবতে শুরু করেছিল।

আর ইউনূস যখন তাকে 'মাস্টারমাইন্ড' হিসেবে প্রচার করল, তখন যেন তার পা আর মাটিতেই ছিল না।

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা জাতি কখনোই অস্বীকার করবে না।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের অনেক কর্মকাণ্ডই এতটা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে যে, আন্দোলনের সর্বোচ্চ অর্জনকে পুঁজি করে তারা নিজেদের অন্য সবার ঊর্ধ্বে ভাবতে শুরু করে।

আর সেই মানসিকতায় নেতৃত্ব দিচ্ছিল মূলত সে নিজেই।

ক্ষমতার প্রতি তার আকর্ষণ এতটাই প্রবল ছিল যে,

তার ভূমিকার কারণেই পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতি জনগণের আস্থা ক্রমশ ক্ষয় হতে থাকে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐতিহ্য আমরা সবাই জানি।

একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছিল রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারের।

কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগানোর পরিবর্তে তারা নিজেরাই ক্ষমতার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।

নিজেদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয়, আর সর্বশেষ নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের ফলে বিভক্ত এনসিপি আরও বেশি একা হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে যখন এনসিপির নারী নেত্রীরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে।

সামনের সময়গুলো তাদের জন্য আরও চ্যালেঞ্জিং হবে।

নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী তো এখন হেফাজত ও চরমোনাইদের সাহায্য চেয়ে বক্তব্য দিয়েছে।

আজ হোক বা কাল, যদি কোনোদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসে এবং তৎকালীন সংবিধান অনুযায়ী জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের বিচার করার উদ্যোগ নেয়, তাহলে আমি অবাক হব না।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐতিহ্য বদলে দেওয়ার মতো একটি বিরল সুযোগ সৃষ্টি করেও

সেটিকে বাস্তবে রূপ দিতে না পারার দায় থেকে এনসিপি ও মাহফুজদের কোনোদিনই মুক্তি মিলবে না।

#এনসিপি #জুলাই #মাহফুজ

আমরা কি কখনও কল্পনা করেছি যে, একটা নীল তিমির হার্ট বা হৃদপিণ্ড এতটা বিশাল হতে পারে?ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে, এটি প্লাস্টিকের...
05/08/2026

আমরা কি কখনও কল্পনা করেছি যে, একটা নীল তিমির হার্ট বা হৃদপিণ্ড এতটা বিশাল হতে পারে?

ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে, এটি প্লাস্টিকের কৃত্রিম কোনো মডেল বা কাল্পনিক কোনো প্রদর্শনী নয়।

এটি একটি আসল নীল তিমির সংরক্ষিত হৃদপিণ্ড। পৃথিবীর যেকোনো জীবিত প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে বড় হৃদপিণ্ড এটি।

এর ওজন প্রায় ২০০ কেজি। যা একটি ছোট গাড়ি বা Suzuki v বাইকের ওজনের কাছাকাছি।

দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৫ মিটার এবং প্রস্থ ১.২ মিটার।

প্রতিটি স্পন্দনে এই হৃদপিণ্ড প্রায় ২০০-২২০ লিটার রক্ত পাম্প করে!

এই হৃদপিণ্ডটি একটি মৃত স্ত্রী নীল তিমির। ২০১৪ সালে কানাডার উপকূলে ঢেউয়ের তোড়ে তার মৃতদেহটি ভেসে আসে।

সাধারণত নীল তিমি মারা গেলে তাদের দেহ সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে যায়। তাই বিজ্ঞানীদের জন্য এটি ছিল এক সুবর্ণ সুযোগ।

তারা হৃদপিণ্ডটি সংগ্রহ করে এর ভেতরে ৭০০ গ্যালনেরও বেশি ফরমালিন প্রবেশ করিয়ে স্ফীত করেন।

এরপর এটি জার্মানিতে পাঠিয়ে দেন প্লাস্টিনেশন (Plastination) প্রক্রিয়ার জন্য।

প্লাস্টিনেশনের ফলে হৃদপিণ্ডের পানি ও চর্বির পরিবর্তে তরল সিলিকনজাতীয় যৌগ ব্যবহার করা হয়, যাতে এটি পচে না যায় বা শক্ত হয়ে নষ্ট না হয়।

এতে করে এটি শত শত বছর ধরে বৈজ্ঞানিক নিদর্শন হিসেবে অক্ষত থাকবে।

বর্তমানে এই বিশাল হৃদপিণ্ডটি কানাডার Royal Ontario Museum-এ প্রদর্শনীর জন্য রাখা আছে।

আমাদের সৃষ্টিকর্তার মহিমা এবং তাঁর সৃষ্টির বিস্ময়কর বৈচিত্র্যের কথা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।

সুবহানাল্লাহ!

#তিমি #নীলতিমি #হার্ট

04/08/2026

কেউ হাহা দিবেন না। হাহা দেওয়া নিষেধ 😀

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Salahuddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share