কাঠগোলাপের মোহ

কাঠগোলাপের মোহ যদি প্রশ্ন করো 'আমি কে তোমার'?
উত্তরে বলব 'আমার কাঠগোলাপের মোহ'।

16/01/2022

'ফ্যাচফ্যাচ করে কোর্টের সামনে বসে কাদছিস কেনো?যা বাসায় যা।মানুষ কত অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে চোখে পড়েনা তোর?'

কারোর গলার স্বর শুনে চোখ তুলে তাকালাম।সামনে সাদিফ দাড়ানো।দেখেই রাগে শরীর জ্বলে উঠলো।যার জন্য চোখের পানি সেই এসে বলে কাদছি কেনো!আমি ওর দিকে না তাকিয়ে চারদিকটায় নজর বুলালাম।সত্যিই মানুষ অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে।আজ আমার আর সাদিফের ডিভোর্সের ব্যাপারে কথা বলতে কোর্টে আসা।উকিল ডেকেছিলেন দুজনকেই।দুজনের মতামত জানলেন উকিল সাহেব।এরপর কোর্টে সব কাগজপত্র পেশ করা হবে।আমার কাদতে ইচ্ছে করেনা।কিন্তু এই মানুষটাকে দেখলে আমার আপনা-আপনি চোখে পানি এসে যায়।উকিল সাহেবে সাথে কথা বলা শেষ করে বাসায় যাবো কিন্তু নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না বলে কোর্টের বাইরে একটা বন্ধ চায়ের দোকানের সামনে রাখা বেঞ্চে বসে কাদছিলাম আর সাদিফ এসে কথাটা বলে আমাকে।আমি চারদিকে নজর বুলানো বাদ দিয়ে ওর দিকে তাকালাম।একা একা আগ বাড়িয়ে কেনো আসলাম ধুর।ভাইয়া আসলে এতক্ষণে বাসায় নিয়ে চলে যেতো।বদমাইশটা এখনও দাড়িয়ে আছে সামনে।আমি তাকাতেই ভ্রু কুচকে তাকালো।তারপর আবারও বলে উঠলো,

'তোরে জিন্স টপর স্কার্ফ গলায় ঝুলাতে মানা করছিলাম।পড়ছিস কেনো আবার?'

'চুপ করবি তুই?কথা বলতে ইচ্ছে করছেনা বুঝতে পারছিস না?কাদিয়ে জিগাসা করিস কাদছি কেনো?আর আমার লাইফ আমি যা খুশি পড়বো তোর কি?কে তুই আমার?কিছু হস না তুই আমার? একদম অধিকার দেখাতে আসবিনা তুই।সর চোখের সামনে থেকে।'

কথাটা বলেই আমি ওখান থেকে উঠে হাটা ধরলাম।উদ্দেশ্য সিএনজি ধরে বাসায় যাবো।কিন্তু সাদিফ পিছন পিছন তাশফি তাশফি করে চিল্লাচ্ছে আর আসছে।আমি পিছন ফিরে তাকালাম। কোমড়ে হাত দিয়ে দাড়িয়ে বললাম,

'রাস্তার মধ্যে সীন ক্রিয়েট করার শখ জাগছে তোর?জুতার বারি খাওয়াবো কি তোরে?এমন ষাড়ের মতো চিল্লাচ্ছিস কেনো?মানুষ তাকিয়ে এখন কি দেখছেনা?আমি কাদছিলাম সেটাই দেখছে তোর চিল্লাচিল্লি কি দেখেনা তারা?'

আমার কথার কোনো দাম দিলোনা সাদিফ।হাত ধরে একটা রিকশা থামিয়ে রিকশায় টেনে তুললো।চারদিকে মানুষ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে বলে চুপচাপ উঠলাম। নতুন করে তামাশা দেখতে ইচ্ছে করছেনা।রিকশায় উঠে ও রিকশাওয়ালার সাথে বগুড়া শহর ঘুরে দেখাতে কথা মিটমাট করলো।আমি জিগাসা করে বসলাম,

'সম্পর্কটা বিচ্ছেদের পর্যায়ে। এমন মায়ার জন্ম দেওয়ার চেষ্টা কেনো করছিস?'

'প্রথমত আমি তোর আটবছরের বড়, তাই তুই নয় আগের মতো তুমি বলে ডাক।দ্বিতীয়ত আমাদের সম্পর্কটা শুরু বিচ্ছেদ দিয়ে তাই বিচ্ছেদই হয়তো এর পরিণতি।'

'মানে?'

সে আমার দিকে তাকালো এবার।একটু চুপ থেকে উত্তর দিলো,

'বিষয়টা সাধারণ,তুই যদি তোর বেস্টির সাথে আমায় মিলিয়ে দিতি আমি ভালোবাসা হারানোর যন্ত্রণা ভোগ করতাম না।ইভেন আমি এখনও ভুলতে পারিনা তারে।সে সাথে নেই অথচ মনের মধ্যে জ্বলে যায় তার কথা ভেবে।এখন বুঝছিস তো কেমন লাগে?'

আমি নিরবে দুফোটা অশ্রু ঝড়ালাম।অন্যদিকে তাকিয়ে বলে উঠলাম,

'বেস্টি যারে ভালোবাসছে তার সাথে মিলিয়ে দিয়েছি।তার প্রতিশোধটা এভাবে না নিলেও পারতি।তোরে ভালোবাসলে তোর সাথেও মিলাতাম।কিন্তু আমার জীবনটা নষ্ট করে কি শান্তি পেলি?'

'আবারও তুই বলছিস যে!তোর বেস্টি তোরে কখনও বলছিলো সে যার সাথে বিয়ে দিলি তারে ভালোবাসে।ছেলেটা তো পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেছিলো তারে।তোর বেস্টির মা উনি তো রাজী ছিলোনা। তুই রাজী করিয়েছিলি।তুই রাজী না করালে আমি তারে বিয়ে করতে পারতাম পারিবারিক ভাবে।'

'তোরে দেখলে তুই ছাড়া আর কোনো।ডাক আসেনা।আমার বেস্টি আমি জানতাম ওর কার প্রতি অনুভূতি আছে।ওরে পাইলিনা, তুই আমার ভাইয়ের হাত ধরে আমায় চেয়েছিলি।যেদিন কাবিন নামায় সই করেছিলাম এক আকাশ স্বপ্ন নিয়ে করেছিলাম সই।হাত ধরে বলেছিলি আমার পড়া শেষ হলে ঘরে নিয়ে যাবি তোর ঘরে।টোনাটুনির সংসার হবে আমাদের।এরমাঝে এবরোডে জব করতে চলে গেলি রেখে।সেখানে গিয়েও সুন্দরমতো অন্য কাউকে জুটিয়ে নিয়ে আমায় আজ ছুড়ে ফেললি।এই তোর ভালোবাসা!'

ও হাসলো আমার কথায়।আমি কিছু বললাম না আর।চুপচাপ রাস্তার দিকে তাকিয়ে আছি।নিরবতা ভেঙে ও বলে উঠলো,

'কিছু চোখে যা দেখা হয় তার সত্যি হয় না রে। আই ইউশ যদি বলতে পারতাম।'

'কি সত্যি বল শুনি!এরপর তোর মুখোমুখি বেচে থাকতে হবোনা।কাগজ পাঠিয়ে দিস সাইন করে দিবো।'

'বলতে পারলে আগেই বলতাম।যাই হোক তুই আর কখনও এসব পড়বিনা।নিষেধ করছিলাম সাহস হয় কি করে পড়ার?'

'কথা কাটাচ্ছিস!আচ্ছা যা না বললি।কিন্তু তোর আর অধিকার নেই আমায় এসব বলার।'

'আইনত এখনও তুই আমার কাবিন করা বউ।'

'বউ! হাসাচ্ছিস।আচ্ছা বিচ্ছেদে এত যন্ত্রণা কেনো রে?'

'বিচ্ছেদে সুখ থাকলে পৃথিবীতে একটা কাপলও খুজে পেতিনা।বিচ্ছেদে যন্ত্রণা বলেই মানুষ ভালোবেসে একে-অপরের পাশে থাকে।'

'আমায় তবে ভালো কেন বাসলি না? আমি এতই খারাপ?দুইটা বছর আগে তুই কাবিন করে এক আকাশ স্বপ্ন দেখালি।আজ দুইবছর পর সেগুলো দুঃস্বপ্নে পরিণত করলি।এক সাইনে বাচার আশা আরেক সাইনে ঝর বয়ে আনলি লাইফে।'

'ঝড়ের পরেও নতুন একটা সূর্য উকি দেয়।সেই সূর্যের আলো তোর জীবনে আসুক। তাই এই বিচ্ছেদ বিরহ। '

আমার আর কথা বলতে ইচ্ছে করলোনা।মানুষটা আমায় পিষে মারার চেষ্টায়।খানিকক্ষণ পর সে রিকশাওয়ালাকে সাতমাথার চত্বরে থামিয়ে ভাড়া মিটালো।সিএনজি স্ট্যান্ডে এনে একটা সিএনজি ধরে বসিয়ে দিয়ে সিএনজি ওয়ালে বললো ঠিকমতো বাসায় পৌছে দিতে।ভাড়াটাও মিটিয়ে দিলো।আমি চেচিয়ে বলে উঠলাম,

'আমার কাছে টাকা আছে।আমি দিতে জানি।এই চাচা আপনি ওর টাকা ফেরত দেন।'

সাদিফ সিএনজির ফাক গলিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে উত্তর দিলো,

'তুই মানুষটা এখনও আমার আর আমারই দায়িত্ব।মাফ করিস না আমায়।ঘৃণা পুষে রাখিস।লাইফে আগাতে পারবি।আমায় মায়ায় আটকে থাকিস না ঝড়ের বেগ বাড়তেই থাকবে।ভালো থাকিস তুই সবসময় দুয়া রইলো।'

কথাগুলো বলায় সময় চোখের কার্ণিসে জল দেখলাম।এ কেমন যন্ত্রণা আল্লাহ।এরমাঝেই শুনতে পেলাম,

'চাচা যা বললাম সেই অনুযায়ী পৌছে দিবেন।আর হ্যা একটা লোকও উঠানোর দরকার নেই।'

সিএনজিওয়ালা তার কথায় সিএনজিতে বসে সিএনজি ছেড়ে দিলো।আমি সিএনজির ফাকা দিয়ে মাথা গলিয়ে বাইরে তাকালাম।সে দাড়িয়ে আছে বুকে হাত ভাজ করে দাড়িয়ে আছে।যতদূর দেখা গেলো দেখলাম।তারপর সিএনজির সিটে গা এলিয়ে দিয়ে হাতে থাকা ফোনটায় তার ছবি বের করে বুকের সাথে চেপে ধরলাম।এত যন্ত্রণা কেনো।আনমনে ভেবে উঠলাম,"এ কেমন তিক্ত অনুভূতি!সহ্যও করা যায়না,দূরেঔ ঠ্যালা যায়না।

সমাপ্ত
অণুগল্প_তিক্ত_অনুভূতি
Hridi

16/01/2022

আমার জীবনের ১৫ তম খুন আমার ফুফাতো ভাইকে করে তাঁর লাশটা নদীতে ফেলে দিয়ে আসলাম। ব্রিজে এক কোনায় বসে বসে ভাবছি এবার পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করব। আমার কাজ শেষ, যার জন্য আমি এতোদিন অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু না, আরও ২ টা খুন করতে হলো। রাত তখন আড়াইটা কি তিনটা ব্রিজের এক পাশে বসে আছি, হঠাৎ একমেয়ের হালকা চিৎকার শুনে একটু এগিয়ে আসলাম৷ নদীর পাশে একটা পুরোনা ভাঙা ঘর রয়েছে, সেখান থেকে আরও কয়েকজন পুরুষের কথাও শুনা যাচ্ছিল। আমার আর বুঝতে বাকি নেই এখানে কি হচ্ছে। আমি আস্তে আস্তে সেদিকে এগিয়ে গেলাম, ভাঙা ঘরটার পাশে এসেই কোমড়ে গুজা ছুরিটা বের করে এগিয়ে গেলাম। প্রথমে যে লোকটা দরজার পাশে ছিল তার পিঠে ছুরি চালিয়ে দিলাম। লোকটা চিৎকার করতে করতে আমি আরও ২ বার ছুরি তার পিঠে ঢুকিয়ে দিলাম। এরইমধ্যে বাকি তিনজন লোক আমার দিকে এগিয়ে আসল, সাথে সাথেই আমি সেই ছুরিটা তাঁদের একজনের বুকে চালিয়ে দিলাম। দুইজন ভয় পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেল। লাশ দুইটা সেখানে রেখেই মেয়েটার কাছে গেলাম। ভয়ে কাঁপছে মেয়েটা। তাঁর হাত ধরে একটু সাহস দেয়ার চেষ্টা করে বললাম,

- এতো রাতে বাইরে বেরিয়েছ কেন?

মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে বলল,

- হঠাৎ করে বাবা অনেকটা অসুস্থ হয়ে পরেছিল। বাড়িতে আমি আর মা ছাড়া কেউ ছিলো না তাই বাধ্য হয়ে তাড়াতাড়ি বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হলো। বাবার কাছে মাকে রেখে ফার্মেসী থেকে কিছু ঔষধ আর ইনজেকশন নিতে বাইরে এসেছিলাম কিন্তু কোনো ফার্মেসিই খোলা ছিল না। রাস্তার পাশে একটু দূরে একটা ফার্মেসী খোলা দেখতে পেয়ে সেখান থেকে ঔষধ নিয়ে ফিরছিলাম এমন সময় একটা সিএনজি সামনে এসে দাঁড়ায়। কিছু বুঝে উঠার আগেই দুজন লোক আমার মুখে চেপে ধরে সিএনজিতে তুলে নেয়।
বলেই মেয়েটা আবারও কাঁদতে শুরু করল।

- আচ্ছা চল, তোমাকে হাসপাতালে পৌছে দিয়ে আসি।

মেয়েটাকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা দিলাম। রাস্তায় তাঁর হাত থেকে পরে যাওয়া ঔষধ গুলো কুড়িয়ে নিয়ে হাসপাতলে পৌঁছে দিলাম।
আসার সময় তাঁর কাছে গিয়ে বললাম,

-মেয়েরা কোনো দুর্বল প্রাণী নয়। যারা তাঁদের দুর্বলভাবে, যারা তাঁদের দুর্বলতার সুযোগ নেয়, সম্মান দিতে জানে না, সম্মান কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তাঁদের বাঁচার কোনো অধিকার নেই। আমাদের প্রত্যেক মূহুর্তে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হবে। কখন কোন সময় কেমন পরিস্থিতির শিকার হয় কেউ বলতে পারেনা, তবে আত্মরক্ষার জন্য সবসময় প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। মনে রেখো, সম্মানের থেকে বড় কিছুই নেই।

হাসপাতাল থেকে বের হয়ে রাস্তায় হাঁটছি আর ভাবছি আমার অতীতের কথা। একবছর আগে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনাগুলো।
আমার নাম হৃদি হাসান। আমরা ২ বোন ১ ভাই। আমি আর পাঁচটা সাধারণ মেয়ের মতোই ছিলাম। কখনো দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি আমি কোনোদিন খুনি হবো। যে আমি একটা ইনজেকশন নেওয়ার সময় ভয়ে কান্না করে দিতাম, কারো হাত কেটে সামান্য একটু রক্ত পরলেই সহ্য করতে পারতাম না সে আমি আজ ১৭ টা খুন করেছি। একদিন মায়ের হাত কেটে গিয়েছিল অনেকখানি। অনেক রক্ত পরেছিল। আমি ঔষধ লাগাতে গিয়ে সে কি হাত কাঁপুনি। মা রাগ করে সেদিন বলেছিল,

-এইটুকুতেই এতো ভয়? জীবনে এত ভয় নিয়ে চলা যায় না। কিছু সাহস রাখ।

আজ থেকে একবছর আগে বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। চারদিনের মাথায় আমার বান্ধবী নিতু ফোন করে জানালো, ইনকোর্স পরীক্ষার রুটিন দিয়েছে, তিনদিন পরেই পরীক্ষা। তাড়াতাড়ি টিকেট কাটতে গেলাম কাউন্টারে। ২ দিন পরের একটা টিকেট রয়েছে কিন্তু সেটা সন্ধ্যা সাতটায়, ঢাকা আসতে আসতে বারোটা বাজতে পারে। উপায় না পেয়ে টিকিট কিনে নিলাম। সেদিন ঢাকায় আসতে আসতে আমার সাড়ে বারোটা বেজেছিল। স্টেশনে এসে দেখলাম ২ টা সিএনজি আর কয়েকটা বাইক দাঁড়ানো। একটা সিএনজি নিয়ে বাসার দিকে রওনা দিলাম। তখনও জানতাম না আমার সাথে কি হতে চলেছে। রাস্তায় নীরবতা বিরাজ করছে, হঠাৎ সিএনজি থামিয়ে আরও তিনজন লোক উঠে পরল। কিছু বুঝে উঠার আগেই তাঁরা আমার হাত-পা ও মুখ বেঁধে দিলো। নিয়ে গেলো নতুন অর্ধেক করা একটা বিল্ডিং এর মধ্যে। সেখানে আমি দ্বিতীয়বারের মতো চারজনের কাছে ধর্ষিত হই। যাওয়ার আগে একজন বলেছিল,

- ভাই, একে মেরে ফেলি? নাহলে আবার কেস করতে পারে।

-আরে ধুর, যা করেছি তাতে ও নিজেই মরে যাবে। আমাদের আর কষ্ট করে মারতে হবে না। আর পুলিশের কাছে গিয়ে কি হবে, কিচ্ছু করতে পারবে না।

এই বলে সবাই হাসতে থাকল। আমার আর কিছু মনে নেই। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখি আমি হাসপাতালে৷ নার্সকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম সকালে কয়েকজন কর্মচারী কাজ করতে এসে আমাকে এভাবে পরে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেদিনরাতে আমি আত্মহত্যা করতে নদীতে যাওয়ার সময় দেখি তিনটা লোক গাড়ি থেকে একটা মেয়েকে নিয়ে নামছে। মেয়েটা প্রাণপণে বাঁচার চেষ্টা করছে। আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারিনি, আমার মতো অন্য একটা মেয়ের এমন অবস্থা হবে সেটা আমি হতে দিতে পারিনা। তাড়াতাড়ি আমি সিএনজির ভেতরে গেলাম, সেখানে বড় একটা লোহার রড পেয়ে গেলাম। সেটা দিয়েই আমি তিনজনকে মেরে ফেলি। আমার জীবনের প্রথম তিনটে খুন করি সেদিন। তখনই আমি ভেবে নেই এভাবে মরব না আমি, আমি আত্মহত্যা করব না, সবাইকে আমি নিজের হাতে মারব। তারপর পরিকল্পনা করে সেই চারজনকে খুন করি। একবছর আত্মগোপনে ছিলাম আমার ফুফাতো ভাইয়ের জন্য। যার হাতে আমি সর্বপ্রথম ধর্ষিত হই মাত্র ১২ বছর বয়সে। সেদিন তার হুমকি পেয়ে ভয়ে কাউকে কিছু বলিনি ঠিকই কিন্তু এখন সময় এসেছে প্রতিশোধ নেওয়ার। কিছুদিন আগে সে দেশে বিয়ে করতে আসে। সেদিন থেকে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। আজকে তার হবু বউয়ের সাথে দেখা করতে এসেছিল, তাঁকে তার বাসায় পৌছে দিয়ে সে তাঁর পুরোনো আড্ডায় যায়, সেখান থেকে নেশা করে রাতে বাসায় ফিরছিলো। তখনই আমি তাঁকে খুন করি। এই একবছরেই আমি সতেরোজন খুনি এবং ধর্ষককে হত্যা করি। হয়তো আদালতে আমার ফাঁসি হবে, কিন্তু আমি ভয় করিনা। মৃত্যুর ভয় আমার একবছর আগেই চলে গিয়েছে। এবার বাড়িতে গিয়ে মা আর ভাই-বোনদের আড়াল থেকে একবার দেখে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করব। পাড়ি দিলাম সেই চেনা-জানা জন্মস্থানে, যেখানে রয়েছে আমার রক্তের সম্পর্ক, আত্মার সম্পর্ক। জানি সেখানে কখনো আমার ঠাঁই হবে না, আর কখনো মায়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমাতে পারব না, কখনো ভাই-বোনদের সাথে এটা ওটা নিয়ে ঝগড়া করব না, বাবার কাছে গিয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব না, তবুও একটা নজর দেখতে পারব তাঁদের। জানিনা আমার হাতে আর কোনো খুন হবে কি না, আর কতোদিন বেঁচে থাকি, আর কি হতে চলেছে।

__________________

খুন

Hridi


সমাপ্ত

ছেলেটির শেষ কথা ছিলো.... তোমাকে ছাড়া ভালোই থাকবো..😓❤ছেলেটির লাশ টাও ভালো আছে হয়তো আজো....!😶💔মেয়েটি বলেছিলো আর রাত জাগবো ...
29/12/2021

ছেলেটির শেষ কথা ছিলো.... তোমাকে ছাড়া ভালোই থাকবো..😓❤
ছেলেটির লাশ টাও ভালো আছে হয়তো আজো....!😶💔

মেয়েটি বলেছিলো আর রাত জাগবো না কখনও তোমার জন্যে...।😞💑
এখনও মেয়েটি রোজ সকালে কনসিলার দিয়ে চোখের নিচের কালি লুকায়...।😪🥀

মেয়েটা বলেছিলো , ভুলতে পারবে আমায়.....?🤗🙂
ফিকে হাসিতে এলোমেলো চুলের ছেলেটি জবাব দিয়েছিলো, কোনো ব্যাপার না..🙂😄

ছেলেটি আজ মানসিক হাসপাতালে...। হয়তো ভুলার চেষ্টা সফল হয়নি তার..।💔🥀

বয়স ২২ কি ২৩, তখনিই বিয়ে দিয়ে দিলো বাড়ি থেকে....।😐
প্রেমিকের কথা বাসায় বলায় বাবা বলেছিলো,
আমার সম্মান আগে নাকি তোমার প্রেম...?😡🖤

বাবার সম্মান রাখতে মেয়েটা এখনও আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে, ক্ষমা করে দিয়ো ভালোবাসা....।😭❤

আর কখনো সিগারেট খাবো না বলে প্রমিজ করা ছেলেটির বুক ভরা নিকোটিনের ধোঁয়া, ক্যান্সার ধরা পরেছে বলে ডাক্তার খুব করে বারন করেছে সিগারেট খেতে....😏🚬

ছেলেটি বলে, সে কথা রাখেনি, অন্য কারো হয়ে গেছে, আমিও কথা রাখবো না...😅😶

কেউ ভালো থাকে না রে ভাই....😔😔

বিশ্বাস কর....
যারা মন থেকে সত্যিই ভালোবাসে তারা ভালোবাসা হারিয়ে কখনও ভালো থাকে না.😓💔

সব সামলে নেওয়া যায়,
বুকের বাম দিকের চিনচিনে ব্যাথা টা সামলানো যায় না কখনো... 😖😓

হারিয়ে যাওয়া মানুষ গুলো খুব করে চায় একটা সুযোগ ফিরে আসার, পাবে না জেনেও চায়, আর কষ্ট জমায়...😞😶

সবার সামলে নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না,
কেউ ধীরে ধীরে শেষ হয়,কেউ বা তারাতারি.... 😥😑

কিন্তু আত্মার মৃত্যু তো একসাথেই হয়.....💔🥀

27/12/2021
16/12/2021

কাঠগোলাপের মোহ পেজের সব সদস্যকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা😇😇😇😇

- যেই মানুষটাকে আমরা খুব করে চাই, সেই মানুষটাকেও আমরা বুঝাইতে পারি না 'আমি তোমারে খুব মিস করতেছি'.!- বেহায়ার মতো বলতেও প...
10/12/2021

- যেই মানুষটাকে আমরা খুব করে চাই, সেই মানুষটাকেও আমরা বুঝাইতে পারি না 'আমি তোমারে খুব মিস করতেছি'.!
- বেহায়ার মতো বলতেও পারি না 'প্লিজ আমাকে একটু মেসেজ দাও, আমার সাথে একটু কথা বলে আমার খারাপ মনটাকে ভালো করে দাও'.!
- তার কিছু যায় আসুক বা না আসুক। একা - একা, নিজে - নিজে, ভিতরে - ভিতরে খুব পুড়ে ছাই হয়ে যাই ; তবুও তাকে বলতে পারি না 'তুমি আমার অনুভবের সেই শূন্যতা, প্লিজ পূরণ করে দাও না'.!

10/12/2021

"আমি বড় হয়ে গিয়েছি তো বাবা পুরো ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি"
একমাত্র মেয়ের এমন কথাতে হেসে দিতাম সবসময়। তার প্রতুত্তরে বলতাম "এখনো তুমি ছোট আম্মা"
কিন্তু না সে নিজের মতো বলেই যেতো প্রতিবারে তার উচ্চতা বলা লাগবে। তা বলে বলে বলতো বড় হয়ে গিয়েছে সেই সাথে হাত দিয়ে ইশারায় বলতো
"এই যে বাবা এতখানি বড় আমি"।
বাবা মায়ের কাছে সন্তান যত বড়ই হোক না কেন তাদের কাছে ছোটই লাগে।
ছোট ছোট বলতে বলতে একদিন বুঝলাম
আমার ছোট্ট মা টা সত্যি বড় হয়ে গিয়েছে।
ধুমধাম করে তার বিয়ের আয়োজন করেছিলাম। বিয়ের সময় যতবার তার হাস্যউজ্জ্বল চেহারাটা দেখতাম একদিকে শান্তি পেতাম আরেকদিকে কষ্ট লাগতো
এইতো আর কয়েকঘন্টা পর আমার মা টা আমাকে ছেড়ে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে তার আসল বাড়িতে। তখন তার নিজের বাড়ি থেকে হয়ে যাবে বাবার বাড়ি। চলে যাবে অচেনা শহরের নতুন মানুষদের সাথে।
একজন বাবার কাছে তার মেয়েকে 'বিদায়' করা যে কতটা কষ্টের তা তখন বুঝেছিলাম।
আমি যখন ছোট ছিলাম বড় আপার বিয়েতে আব্বা অনেক কেদেছিলো আমার সেকি রাগ লেগেছিলো বিয়েতে কি কেউ কাদে নাকি পরিবেশটাই নষ্ট করে দিলো এমন কতশত কথা বলেছিলাম। তখন আব্বা বলেছিলো " যখন মাইয়ার বাপ হবি তখন বুঝবিরে রমিজ মাইয়ারে 'বিদায়' দেওয়া কতটা কষ্টের"

কথাটাকে তখন এত গুরুত্ব দেইনি কিন্ত এখন বুঝলাম একজন কন্যা সন্তানের বাবা তার কন্যাকে বাড়ি থেকে 'বিদায়' দেওয়ার সময় কেন কান্না আটকাতে পারেনা। আমিও পারিনি হাউমাউ করে কেদেছি আমার আম্মাকে ধরে। আমার মেয়ে একদম ওর দাদীর মতো তাইতো সব সময় আম্মা বলে ডাক দিতাম।
যখন আম্মা বলে ডাক দিতাম তখন সুন্দর করে জবাব দিতো "জ্বি"। আমার ছোট্ট মা টা কবে বড় হয়ে গেলো বুঝতেই পারলাম না।
আমার ঔষধ সময় মতো না খেলে শাসন করে করে আমার নিয়মিত ঔষধ দিতো।
যেদিন এই বাড়ি থেকে 'বিদায়' হয়েছিলো আমার আম্মা সেইদিন তার শূন্যতা অনুভব করেছিলাম। আমার আম্মা এইখানে আসতো তখন তো আর চিরজীবন থাকার জন্য আসতো না মেহমান হয়ে আসতো কিছুদিনের জন্য। এসেই শাসনের গলায় আমার খাবার দাবার ঔষধ নিয়ে কথা বলতো।

মাঝে মাঝে ফোন দিয়ে ইচ্ছে করতো যে বলি চলে আসোনা একেবারের জন্য আমার কাছে।
দেশ, জাতি,ধর্ম যতই আলাদা হোক না কেন বাবা-মেয়ের ভালোবাসার আর কন্যা বিদায়ের অনুভূতি যে সবার এক হয়।

সত্যি কন্যা সন্তানের বাবা হওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার। আর কন্যাকে বিদায় দেওয়ার অনুভূতি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

🦋সমাপ্ত🦋

কন্যা_বিদায়ের_অনুভূতি
অনুগল্প
লেখনীতে: Hridi

প্রিয় মানুষের থেকে পাওয়া অবহেলা সহ্য করার ক্ষমতা সৃষ্টিকর্তা কাউকে দেন নি.... ভীষণ ঝড় বুকের গভীরে বইতে পাওয়া মানুষটাও প্...
08/12/2021

প্রিয় মানুষের থেকে পাওয়া অবহেলা সহ্য করার ক্ষমতা সৃষ্টিকর্তা কাউকে দেন নি.... ভীষণ ঝড় বুকের গভীরে বইতে পাওয়া মানুষটাও প্রিয় মানুষের অবহেলার কাছে অসহায় হয়ে পরে.... বিশাল এক রাজ্য জয়েও এই অবহেলার ক্ষত শুকায় না......

বন্ধু মানে সব ভুলের পরেও পাশে থাকা❤️কোনো ভুলেই হারিয়ে যাওয়া না😒😒
08/12/2021

বন্ধু মানে সব ভুলের পরেও
পাশে থাকা❤️
কোনো ভুলেই হারিয়ে যাওয়া না😒😒

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনে ভালবাসার চাহিদা ও বদলে যায়... ১৮-১৯ বছর বয়সে যে রকম ভালবাসা চাইতাম.. ২৭- ২৮ পার করে আর সে রক...
07/12/2021

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনে ভালবাসার চাহিদা ও বদলে যায়... ১৮-১৯ বছর বয়সে যে রকম ভালবাসা চাইতাম.. ২৭- ২৮ পার করে আর সে রকমটা চাইবো না...

সারাদিন আমার সঙ্গে জুড়ে থাকতে হবে না।,, মাঝে মধ্যে দু একটা মেসেজ করলেই চলবে... দীর্ঘক্ষণ খোঁজ না পাওয়া গেলে, এই হারিয়ে গেলে নাকি লিখলেও বোঝা যায় ভালবাসা বেঁচে আছে...

খুব একটা যত্নের দরকার নেই,, ঠিক যেন পাহাড়ের গায়ে ফোটা কোনও বেনামি অর্কিড, অল্প জল-আলো-হাওয়া পেলেই যথেষ্ট। খানিক যত্নেই তা বেড়ে উঠবে...

মাথাটা খুব ব্যথা করলে একটু টিপে দিলেই চলবে... শরীরের চাহিদা যতটা না তীব্র, তার চেয়ে মনের চাহিদা অনেক বেশি জোরালো..
হাতে হাত থাকুক কখনও কখনও.. কিন্তু রোজ রাতে বুকে মাথাটা থাক,,, একটা গল্পের পাতা উল্টে কিছু শোনাক বা না শোনাক আলতো করে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেই চলবে।

ভালবাসা কখনও কমে না,, সেটার বহিঃপ্রকাশ বদলে যায়... দীর্ঘদিন ভালবাসতে না পারলে সেটা ভেতরে জমতে থাকে,, সুযোগ পেলে ঠিকই বেরিয়ে আসে...

আমরা কেউই আসলে ভালোবাসা চাই না, একটা ভালো "বাসা" খুঁজি.. যেখানে একটা আশ্রয় পাওয়া যাবে,, ক্লান্ত মনটা দু'দণ্ড জিরিয়ে নিতে পারবে,, দু'টো মানুষ নিঃশর্তে শুধুই ভালো থাকতে পারবে... 💙

লেখাঃ হৃদি

আমারোনা একটি না হওয়া সংসার পরে আছে।খুব ইচ্ছে ছিলো সংসার করব,সেই সংসার টা হবে, আমাদের সংসার। একান্ত তোমার আর আমার।দু রাস্...
06/12/2021

আমারোনা একটি না হওয়া সংসার পরে আছে।
খুব ইচ্ছে ছিলো সংসার করব,সেই সংসার টা হবে, আমাদের সংসার। একান্ত তোমার আর আমার।
দু রাস্তার পাশ দিয়ে যখনই যাই, পা দুটি সেখানেই থেমে যায়।আজো চোখ ফিরিয়ে দেখি,এটা আমার না হওয়া সংসার।আর একটা মুচকি হাসি দেই।
এখন অন্য কেউ বলে বেড়ায় হয়তো,এই এটা আমার বাড়ি, আমার সংসার।
সংসার সংসার খেলার খুব ইচ্ছে ছিলো তো, তাই আর সংসার টাই করা হলোনা আমার।তোমার সাথে সংসার টা আমার আর কোনোদিনই করা হবে না।
ভাবছি,তুমি যেদিন ফিরে আসবে, সেদিন যদি মোড়ের মাথায় দেখা হয়ে যায়,তাহলে কি অচেনা সেজে হেটে যাব নাকি এক গাল হাসি নিয়ে জিজ্ঞেস করব,কি!!!সংসার কেমন করছো!!!
জানি সেদিন তুমি হয়তো চুপ করে আমার চোখের দিকেই তাকিয়ে থাকবে।
কিন্তু আমি হেসেই সামনে এগিয়ে যাব।তোমাকে পাওয়ার জন্য ভালোবাসিনি কখনো।আমার ভালোবাসায় কোনো স্বার্থ ছিলো না।তবে,খুব করে ইচ্ছে হতো,সংসার সংসার খেলার।অই যে হয় না,চারপাশে এতো সুখ দেখি,লোভ টা সামলাতেই পারিনি।
শ্রাবণ এর ২৫ তারিখ, আমার জন্য সারপ্রাইজ। অপেক্ষার তর সইছে না।
আলাপ করিয়ে দেই,আমার প্রেমিকা আর এই হলো আমার বন্ধু।
আমি হেসেই যাচ্ছিলাম,আমি তোমার বন্ধু??কখন ছিলাম বন্ধু??অভ্যাস ভালো নাকি খারাপ, তবে,অভ্যাস উপরে ফেলাই ভালো।সেদিন সৌজন্যবোধ দেখিয়েই বিদেয় হয়েছিলাম।আমিতো শুধুই বন্ধু,যুগলের মাঝে থেকে কি করবে।
আমি জানি তুমি বুঝে গিয়েছিলে,তুমি কি ছিলে আমার।কিন্তু আমি কি ছিলাম সেটা কেন বুঝলেনা।আমার জীবনের ভয়ংকর সুন্দর উপহার ছিলো ২৫ এ শ্রাবণ।
এখন হয়তো,শরীরের চামড়া খানিক কুচকে গিয়েছে,তবে আমার না হওয়া সংসারটা আজো সেখানেই পরে আছে।

"সংসার"
লেখা - Hridi

তুমি সেই কবিতা যা প্রতিদিন ভাবি লিখতে পারি না।তুমি সেই ছবি যা কল্পনা করি আকঁতে পারি না।তোমি সেই ভালবাসা যা প্রতিদিন চাই ...
06/12/2021

তুমি সেই কবিতা যা প্রতিদিন ভাবি লিখতে পারি না।
তুমি সেই ছবি যা কল্পনা করি আকঁতে পারি না।
তোমি সেই ভালবাসা যা প্রতিদিন চাই কিন্তূ কখনই পাই না।

নিরব_অনুভূতি ফ্যাক্ট

Address

Savar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাঠগোলাপের মোহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share