Ayesha Akhtar

Ayesha Akhtar ভালবাসলে নিজেকে বাসো যাতে অন্য কেউ ঠকাতে না পারে
(5)

11/06/2026

☪️দোয়া করার ফল☪️

💝স্বামী বাজারে গিযে স্ত্রীকে ফোন করছে, কিন্তু নাম্বার ওযেটিং, স্বামী বাসায় এসে দরজার ওপাশ থেকে স্ত্রীকে সালাম দিলেন, তারপর জিজ্ঞাসা করলেনঃ

কেমন আছো??

স্ত্রী বলল ভাল,

স্বামী বলল, তোমায় ফোন করেছিলাম, কিন্তু নাম্বার ওয়েটিং ছিলো,

কোথায় কথা বলছিলে?

স্ত্রী বলল আমার বান্ধবীর সাথে,

স্বামী বলল, আমার আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আদেশ করেছেন সত্য বলার জন্য, যদিও তোমার জীবন বিপন্ন হয়ে যায়, আর বান্দা যখন মিথ্যা কথা বলে, তখন তাহার মিথ্যা কথার দুর্গন্ধে ফেরেশতা ১ মাইল দূরে চলে যায়। আর আল্লাহর রাসূল বলেছেন, আমার উম্মত কখনো মিথ্যাবাদী হতে পারেনা।

স্ত্রী কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বলল, আমার এক বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম, স্বামী বলল দেখ আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা, স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হালাল, আর তুমি যে ছেলের সাথে কথা বললে, এমন ছেলেদের সাথে কথা বলা হারাম, তুমি কি জানো জান্নাত কোথায়।

স্ত্রী বলল না,

স্বামী বলল, হুজুর পাক (সাঃ) বলেছেন, জান্নাত তোমার দু উরু ও দু চোয়ালের মধ্যেখানে, যে ব্যক্তি এই দুটি জিনিসের হেফাজত করবে, সে জান্নাতি।

স্বামী নামাজে দাঁড়ালেন, নামাজ শেষে স্ত্রীর জন্য দোয়া করলেন,

ইয়া আল্লাহ! তুমি যদি হযরত ওয়াশী (রাঃ) মতো কঠিন হৃদয়ের মানুষকে, দ্বীনের বুঝ দিতে পারো,

হযরত উমার ফারুক (রাঃ) মতো কঠিন মানুষকে দ্বীনের বুঝ দিতে পারো, তাহলে আমার স্ত্রীকে ও তুমি হেদায়েত দাও, তার মাধ্যমে আমাকে নেককার সন্তান দাও।
স্ত্রী স্বামীর মোনাজাত শুনে, চিন্তা করলো আমি যার সাথে কথা বলি সে তো, এই মানুষের জুতা টানার যোগ্যতা নাই, সব কিছু জেনেও আমাকে এতোটা ভালবাসে। আর নয়, আজই তওবা করবো, আর স্বামীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাইবো। গভীর রাতে স্ত্রী তার স্বামীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাইছে, স্বামী বলছে, আমি জানি তুমি অবুঝ, তাই ভুল করেছো, আল্লাহ তোমায় হেফাজত করুন, স্বামী তাহার স্ত্রীকে বুকে টেনে নিয়ে চোখের পানি ছেড়ে, আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করলো।

আমাদের সমাজে আজকাল এমন ছেলে পাওয়াই কষ্টকর, আপনার স্ত্রী তো আর ফেরেশতা নয়, তাহলে তার ভুল গুলো কেন সুধরে নিতে পারেন না।

আল্লাহ্ সবার ভাগ্যে এমন নেককার স্বামী-স্ত্রী নসিব করে দিও, আমিন।
➖➖➖🌺➖➖➖

08/06/2026

💝বিবাহিত বোনদের জন্য কিছু হৃদয়স্পর্শী পরামর্শ💝

🟥বিয়ে একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি। নতুন পরিবার, নতুন পরিবেশ, নতুন দায়িত্ব সবকিছু একসাথে সামলাতে গিয়ে অনেক সময় একজন বোন আনন্দের পাশাপাশি কিছু দুশ্চিন্তা, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা মানসিক চাপেরও সম্মুখীন হন।

এই পথচলাকে সহজ, সুন্দর ও বরকতময় করার জন্য শুধু পার্থিব দক্ষতাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন আল্লাহর সাহায্য, ধৈর্য, প্রজ্ঞা এবং সঠিক মানসিকতা।

আজকের এই লেখাটি সেইসব বোনদের জন্য, যারা নিজেদের সংসারকে ভালোবাসা, দ্বীনদারিতা ও প্রশান্তির ভিত্তির ওপর গড়ে তুলতে চান।

🔘আল্লাহর সাথে সম্পর্ককে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিনঃ
সংসার সুখের হোক বা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাক, কখনো আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দুর্বল হতে দেবেন না।

যে নারী নিজের রবের সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখেন, আল্লাহ তাঁর জন্য মানুষের হৃদয়েও ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেন।

নিয়মিত সালাত, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির ও দুআকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানিয়ে নিন।

🔘দুআকে নিজের সবচেয়ে বড় শক্তি বানানঃ
প্রত্যেক সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা, চাওয়া-পাওয়ার কথা আল্লাহর কাছে বলুন।

স্বামী, সংসার, সন্তান, শ্বশুরবাড়ি সবকিছুর জন্য দুআ করুন।

মনে রাখবেন, যে সমস্যার সমাধান মানুষ দিতে পারে না, অনেক সময় আল্লাহ সেটার সমাধান এমনভাবে করে দেন যা কল্পনাও করা যায় না।

🔘নতুন পরিবারকে আপন করে নেওয়ার চেষ্টা করুনঃ
বিয়ের পর নতুন পরিবারে কিছু ভিন্নতা থাকবেই।

সবকিছু নিজের পরিবারের সাথে তুলনা না করে ধীরে ধীরে তাদের বুঝার চেষ্টা করুন।

মানুষের ভালো দিকগুলো দেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে সম্পর্ক সুন্দর হয় এবং অপ্রয়োজনীয় মনোমালিন্য কমে যায়।

🔘ছোট বিষয় নিয়ে বড় ঝগড়া তৈরি করবেন নাঃ
সংসারে মতের অমিল হবেই।

তাই প্রতিটি কথার জবাব দেওয়া বা প্রতিটি বিষয়ে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করাই বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

অনেক সময় একটি নরম কথা, একটি হাসি কিংবা সামান্য নীরবতা বড় একটি ঝগড়া থামিয়ে দিতে পারে।

🔘স্বামীকে সম্মান দিন এবং সম্মান পাওয়ার যোগ্য হনঃ
ভালোবাসার অন্যতম ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান।

স্বামীর ভালো কাজের প্রশংসা করুন। তাঁর কষ্ট ও পরিশ্রমকে মূল্যায়ন করুন।

একইসঙ্গে নিজের আত্মমর্যাদাও বজায় রাখুন। সম্মান দিলে সাধারণত সম্মান ফিরে আসে।

🔘গোপন বিষয় গোপন রাখুনঃ

দাম্পত্য জীবনের অনেক বিষয় শুধুমাত্র স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই থাকা উচিত।

সামান্য মনোমালিন্য, ব্যক্তিগত কথা কিংবা ঘরের গোপন বিষয় অন্যদের কাছে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকুন।

এতে সম্পর্কের সৌন্দর্য ও বিশ্বাস অটুট থাকে।

🔘পরিচ্ছন্নতা ও পরিপাটিতার প্রতি যত্নশীল হোনঃ

ইসলাম পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অংশ হিসেবে শিক্ষা দিয়েছে।

নিজেকে পরিচ্ছন্ন, পরিপাটি ও আকর্ষণীয় রাখুন।

সুন্দর পোশাক, সুগন্ধি, পরিচ্ছন্নতা ও হাসিমুখ এসব অনেক সময় দাম্পত্য জীবনে গভীর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

🔘 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে শিখুনঃ
মানুষের একটি বড় দুর্বলতা হলো প্রাপ্ত নিয়ামতের চেয়ে অপূর্ণতাগুলো বেশি দেখা।

স্বামী বা পরিবারের সদস্যদের ভালো কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান।

কৃতজ্ঞতা ভালোবাসা বৃদ্ধি করে এবং সম্পর্ককে দৃঢ় করে।

🔘পর্দা ও শালীনতার ব্যাপারে দৃঢ় থাকুনঃ
বিয়ের পর অনেক পরিবেশ পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু দ্বীনের মৌলিক বিধান পরিবর্তিত হয় না।

পর্দা, শালীনতা ও আল্লাহভীতি ধরে রাখুন।

আপনার এই দৃঢ়তা একসময় অন্যদের কাছেও সম্মানিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

🔘কষ্ট পেলে মানুষের আগে আল্লাহর কাছে যানঃ
কখনো মন খারাপ হলে, কষ্ট পেলে কিংবা অন্যায়ের শিকার হলে সিজদায় মাথা রাখুন।

নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে সবকিছু খুলে বলুন।

পৃথিবীর সবাই না বুঝলেও, আল্লাহ আপনার অন্তরের অবস্থা জানেন।

🔘সংসারকে ইবাদতের মাঠ মনে করুনঃ
স্বামীর খেদমত, সন্তানদের লালন-পালন, পরিবারের যত্ন নেওয়া এসব কাজও ইবাদতে পরিণত হতে পারে যদি তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়।

প্রতিদিনের সাধারণ কাজগুলোতেও নেকির নিয়ত রাখুন।

🔘ভালোবাসা প্রকাশে কার্পণ্য করবেন নাঃ
ভালোবাসা শুধু অনুভব করলেই হয় না, প্রকাশও করতে হয়।

একটি সুন্দর বার্তা, একটি আন্তরিক দুআ, একটি হাসিমুখ কিংবা একটি ছোট উপহারও সম্পর্ককে অনেক গভীর করতে পারে।

🔘উপসংহারঃ

একটি সুখী সংসার কেবল অর্থ, সৌন্দর্য বা বাহ্যিক সুযোগ-সুবিধার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় না।

বরং আল্লাহভীতি, পারস্পরিক সম্মান, ধৈর্য, ক্ষমাশীলতা এবং দুআর মাধ্যমে একটি পরিবার সত্যিকার অর্থে প্রশান্তির নীড়ে পরিণত হয়।

আসুন, আমরা নিজেদের সংসারগুলোকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করি। আল্লাহ যেন আমাদের দাম্পত্য জীবনকে বরকত দান করেন, পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি করেন এবং আমাদের পরিবারগুলোকে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের মাধ্যম বানিয়ে দেন।
আল্লাহুম্মা আমীন।
➖➖➖🔴➖➖➖

05/06/2026

অধিকার ছেড়ে দেয়ার অসহায়ত্ব, অভিমানে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেয়ার আক্ষেপ তুমি বুঝবে না। কথা বলার তীব্র তৃষ্ণায় গলা শুকিয়ে এলেও, কিচ্ছু বলতে না পারার হাহাকার তুমি কোনোদিনও বুঝবে না, আমার খুব জোরে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে, কেন তোমাকে পাওয়ার ভাগ্য নিয়া আমি জন্মালাম না।🤍

31/05/2026

ফলো দিন ফলো ব্যাক বুঝে নিন

☪️ কুরবানীর ঈদ মানে *ঈদুল আযহা*। এটা হজ্বের সাথে যুক্ত, আর যারা হজ্বে না, তাদের জন্যও অনেক বরকতের আমল আছে। 🔘*ঈদের আগে ও ...
30/05/2026

☪️ কুরবানীর ঈদ মানে *ঈদুল আযহা*। এটা হজ্বের সাথে যুক্ত, আর যারা হজ্বে না, তাদের জন্যও অনেক বরকতের আমল আছে।

🔘*ঈদের আগে ও ঈদের দিনের করণীয় আমল*

🔳*১. জিলহজের প্রথম ১০ দিনের আমল*
ঈদের আগের ১০ দিন বছরের সবচেয়ে ফজিলতের দিন। রাসূল সা. বলেছেন, "আল্লাহর কাছে এই ১০ দিনের আমলের চেয়ে প্রিয় আর কোনো আমল নেই" — বুখারী ৯৬৯।
- বেশি জিকির: তাকবির, তাহলিল, তাহমিদ
- রোজা রাখা, বিশেষ করে ৯ জিলহজ আরাফার রোজা
- কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা

🔳*২. ৯ জিলহজ ফজর থেকে তাকবিরে তাশরিক শুরু করা*
৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পড়া ওয়াজিব:
*"আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ"*

🔳*৩. ঈদের দিনের সুন্নাহ আমল*
- *গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরা, আতর লাগানো*
- *ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে কিছু না খাওয়া*। কুরবানীর গোশত দিয়ে প্রথম খাওয়া সুন্নাহ — তিরমিজি ৫৪২
- *এক রাস্তায় যাওয়া, আরেক রাস্তায় ফেরা*
- *বেশি তাকবির বলা*: "আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ"

🔳*৪. কুরবানী করা*
যার সামর্থ্য আছে তার জন্য কুরবানী ওয়াজিব। সময়: ঈদের নামাজের পর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
নিয়ত হবে শুধু আল্লাহর জন্য। গোশত ৩ ভাগ করা উত্তম: ১ ভাগ নিজে, ১ ভাগ আত্মীয়-স্বজন, ১ ভাগ গরিব-মিসকিন।

*৫. কুরবানী না দিলেও যা করতে পারো*
যারা কুরবানী দেবে না, তারা ১ জিলহজ থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত নখ-চুল না কাটা মুস্তাহাব — মুসলিম ১৯৭।
এটা ইব্রাহিম আ.-এর সুন্নাহর সাথে সাদৃশ্য রাখার জন্য।

*৬. আত্মীয়তা রক্ষা ও খুশি ভাগ করা*
ঈদ মানে আনন্দ। গরিব-প্রতিবেশীকে দাওয়াত দাও, গোশত পাঠাও। ঝগড়া-মনে রাখা থাকলে মাফ করে দাও।

🔘 *যা করা উচিত না*
- লোক দেখানোর জন্য কুরবানী করা
- গোশত নিয়ে অহংকার করা
- ঈদের দিন গুনাহে লিপ্ত হওয়া

সংক্ষেপে: *তাকবির, নামাজ, কুরবানী, দান, আত্মীয়তা রক্ষা* এগুলোই ঈদুল আযহার মূল আমল।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কুরবানীর ঈদের এই আমলগুলো করার তৌফিক দান করুন। আমীন।
➖➖➖☪️➖➖➖

29/05/2026

ফলো টু ফলো
ব্যাক টু ব্যাক

28/05/2026

Eid Mubarak 🌙

26/05/2026

ব্যাক টু ব্যাক

21/05/2026

Address

Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayesha Akhtar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category