Shanawaz

Shanawaz I'm not perfect, but I hope you see my worth

সাদা স্রাব | লিউকোরি‎সাদা স্রাব | লিউকোরিয়ার কারণ রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা কী?‎‎মেয়েদের এমন অনেক কথাই আছে, যা অনেক সময় অন...
14/06/2026

সাদা স্রাব | লিউকোরি

‎সাদা স্রাব | লিউকোরিয়ার কারণ রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা কী?

‎মেয়েদের এমন অনেক কথাই আছে, যা অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলেও ডাক্তারকে দেখাতে হবে ভেবে লুকিয়েই রাখা হয়। সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া তেমনি একটি বিষয়। মেয়েদের জীবনের কোনো না কোনো সময় তাদেরকে এই সমস্যায় পড়তেই হয়। তাই কিছুটা জেনে রাখুন এখনি। বলা যায় না কখন আপনার জীবনে, আপনার বোন, মেয়ে অথবা বান্ধবী কিংবা আত্মীয় স্বজনের কাজে লেগে যায়। আগে জানতে হবে
‎স্বাভাবিক সাদা স্রাব দেখতে কেমন হয়।

‎সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া কি?
‎সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া হলুদ, সাদা পিচ্ছিল ও আঠালো রঙের নিঃসরণ, যা শুকালে হালকা বাদামি-হলুদ রঙের বর্ণ ধারণ করে। যে সব মেয়েরা বয়ঃসন্ধিকালের শুরুতে, তাদের জন্য বলছি নিজের অজান্তে যদি কাপড়ে এমন দাগ পড়ে তবে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। এটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার জন্য হতে পারে। নারীর রিপ্রোডাক্টিভ এইজে (১৪-৫০) যোনি দেয়াল পুরু থাকে।

‎যোনিতে এক ধরনের জীবাণু থাকে, যা যোনির জন্য স্বাভাবিক। সেটি যোনি থেকে নিয়মিত খসে পড়া কোষের গ্লাইকোজেন কে ল্যাকটিক এসিডে পরিণত করে। এটি যোনিতে পিচ্ছিল ভাব আনে। পাশাপাশি এর অম্লতাও ঠিক রাখে। ক্ষতিকারক জীবাণু থেকে প্রজনন অঙ্গকে নিরাপদ রাখে।

‎সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া হওয়ার কারণসমূহ কী?
‎০১. স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয়
‎- বয়সন্ধিকালে রক্ত চলাচল বেড়ে যায় ফলে নিঃসরণ-ও বেশি হয়।
‎- যৌন মিলনকালে।
‎- যৌন আবেগে।
‎-গর্ভবস্থায়।
‎- শরীরের রাসায়নিক সমতা বজায় রাখতে এবং যোনির কোষগুলোকে সচল রাখতে oestrogen হরমোনের প্রভাবে এটি নিঃসৃত হতে পারে।
‎- মেয়ে শিশুর জন্মের প্রথম ৭-১০ দিনের মধ্যে এটি হতে পারে। মায়ের শরীরে যদি অত্যধিক হরমোন থাকে তবেও এটি হতে পারে।
‎- সন্তান ডেলিভারির প্রথম কয়েকদিন-ও সাদা স্রাব বেশি হতে পারে।
‎- হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন।
‎- অভুলেশন ( ডিম্বাণু নিঃসরণ কালে ) জন্ম বিরতিকরণ পিল ব্যবহার করলে। কাজেই প্রথমে ভয় না পেয়ে দেখুন ও বুঝে নিন আপনার সাদা স্রাব কি অত্যধিক কিনা বা স্বাভাবিক কিনা। তারপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

‎০২. রোগ সম্বন্ধীয়
‎- মানসিক অশান্তি
‎- পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুষ্টির অভাব
‎- বিভিন্ন ধরনের ক্রিমির সংক্রমণ
‎- অপরিচ্ছন্নতা এবং কাপড় সঠিক ভাবে না শুকিয়ে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে রাখলে
‎- ইনফেকশন - যক্ষা, ছত্রাক (candida)
‎- জন্ম বিরতিকরণ পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রণ খাবার বড়ি খাওয়া
‎- ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ
‎- পেটের নিম্নভাগের প্রদাহ
‎- STD (sexually transmitted disease)

‎বয়ঃসন্ধির আগে এবং স্থায়ী ভাবে মাসিক বন্ধ হবার পরে নিঃসরণ বেড়ে যেতে পারে। কারণ এ সময় সংক্রমণের আশংকা-ও বেশি থাকে। যদি স্রাবের সাথে রক্ত যায়, অথবা অতিরিক্ত নিঃসরণ হয় কিংবা অতি দুর্গন্ধ হয় তবে তা আশংকাজনক। বাচ্চা হওয়ার পর দুর্গন্ধ যুক্ত নিঃসরণ ( lochia ) এটাই নির্দেশ করে যে , জরায়ু তার গর্ভ ধারণের পূর্বাবস্থায় ফিরে যেতে পারেনি। ছত্রাকের সংক্রমণ হলে সাদা দুধের ছানার মত নিঃসরণ যেতে পারে। পাশাপাশি চুলকানো ভাব থাকলে এটি আরও বেশি ছত্রাকের প্রতি নির্দেশ করে।

‎সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া নির্ণয়

‎- ওয়েট স্মিয়ার
‎- গ্রাম স্টেইন
‎- কালচার
‎- প্যাপ স্মিয়ার
‎- বায়োপসি

‎সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া চিকিৎসা

‎- যোনি পথ এবং আশেপাশের পরিবেশ দুটোই পরিষ্কার রাখতে হবে যাতে সংক্রমণ না হয়।
‎- নিয়মিত শাক সবজি, ফল মূল ও পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে।
‎- পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং বিশ্রাম করতে হবে।
‎- জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ির কারণে হলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বন্ধ রাখতে হবে।
‎- যৌনাঙ্গের অভ্যন্তরীণ টিউমার থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে।
‎- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া জনিত হলে সে অনুযায়ী পথ্য সেবন করতে হবে এবং আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে।
‎- পিশারি চিকিৎসা ছত্রাকের জন্যে খুব উপকারী।
‎- কড়া রোদ অথবা ইস্ত্রির মাধ্যমে কাপড় শুকাতে হবে যাতে জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে না পারে।
‎- যদি যৌন বাহিত হয়ে থাকে তবে সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত মিলনে বিরত থাকতে হবে এবং যে কোনো ঔষধ-ই স্বামীকেও ব্যবহার করতে উৎসাহিত করতে হবে।
‎- রক্ত মিশ্রিত বা অতি দুর্গন্ধ যুক্ত হলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

07/06/2026

জ্বর কেন হয় জ্বর কি কোনো রোগ ?
আসুন একটু জানার চেষ্টা করি।

জ্বর আসলে কোনো রোগ নয়, বরং এটি শরীরে কোনো সংক্রমণ বা সমস্যার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার লড়াই করার একটি স্বাভাবিক লক্ষণ। যখন ক্ষতিকারক জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে, তখন শরীরকে রক্ষা করতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

‎১. শরীরের নিজস্ব থার্মোস্ট্যাট পরিবর্তনআমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস (Hypothalamus) অংশটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, যা আমাদের ভেতরের স্বাভাবিক থার্মোস্ট্যাট। শরীরে কোনো সমস্যা দেখা দিলে হাইপোথ্যালামাস তার স্বাভাবিক তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে শরীর গরম হয়ে যায় এবং জ্বর আসে।

‎২. মূল কারণসমূহনিচে জ্বর আসার প্রধান কারণগুলো দেওয়া হলো:ভাইরাস সংক্রমণ: সর্দি, কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ডেঙ্গুর মতো ভাইরাল ইনফেকশন।ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ: টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, টনসিল বা প্রস্রাবের ইনফেকশন।টিকা বা ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: শিশুদের টিকা দেওয়ার পর সাময়িক জ্বর আসা স্বাভাবিক।অতিরিক্ত গরম: দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে বা হিট স্ট্রোকের কারণে তাপমাত্রা বাড়তে পারে।প্রদাহজনিত রোগ: রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগ।

‎৩. জ্বর যেভাবে জীবাণু ধ্বংস করেউচ্চ তাপমাত্রা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও সক্রিয় করে তোলে। অনেক ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া বেশি তাপমাত্রায় বেঁচে থাকতে বা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। তাই জ্বর মূলত শরীরকে জীবাণুমুক্ত করার একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া।

Address

Khulna

Telephone

+8801916217723

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shanawaz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shanawaz:

Shortcuts

Share