09/11/2017
১. দিনে অন্তত ২০ মিনিট হাঁটুন
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ২০ মিনিট
হাঁটার অভ্যাস করলে স্ট্রোকের আশঙ্কা প্রায় ৩০
শতাংশ কমে যায়। আর যদি জোরে হাঁটতে পারেন,
তাহলে তো কথাই নেই। কারণ সেক্ষেত্রে
মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো অঘটন ঘটার সম্ভাবনা
প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায় বলে মনে করেন
বিশেষজ্ঞরা। আসলে হাঁটার সময় আমাদের সারা
শরীরে রক্তের প্রবাহে উন্নতি ঘটে। ফলে
স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা যেমন
বৃদ্ধি পায়, তেমনি স্ট্রোকের আশঙ্কাও কমে।
২. মানসিক অবসাদ থেকে সাবধান
সম্প্রতি প্রায় ৮০ হাজার মানুষের ওপর হওয়া একটা
গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক অবসাদের সঙ্গে
স্ট্রোকের সরাসরি যোগ রয়েছে। আসলে এমনটা
দেখা গেছে যারা ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হন, তাদের
নানা কারণে উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের
মতো রোগে হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর এই
দুটি রোগ কোনো না কোনো সময় স্ট্রেককে
ডেকে আনে। তাই যখনই বুঝবেন মনটা হাতের বাইরে
চলে যাচ্ছে, তখনই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ
করবেন। প্রয়োজনে সাইকিয়াট্রিস্টের সাহায্য
নিতে ভুলবেন না যেন!
৩. সাত ঘণ্টার ঘুম খুবই জরুরি
হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণায় দেখা
গেছে যারা সাত ঘণ্টার কম সময় ঘুমাতে অভ্যস্ত
তাদের স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা সাধারণ মানুষদের
তুলনায় প্রায় ৬৩ শতাংশ বেশি থাকে। আসলে
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হলে ব্রেন আরাম করার
সুযোগ পায় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মস্তিষ্কের
ভেতরে গোলযোগ হতে শুরু করে, যা ব্রেন
স্ট্রোকের পথকে প্রশস্ত করে।
৪. মাইগ্রেন থেকে সাবধান
একেবারে ঠিক শুনেছেন! মাইগ্রেনের মতো মাথা
যন্ত্রণার সঙ্গেও স্ট্রোকের যোগ রয়েছে। কেমন
সেই যোগ? বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে
মাইগ্রেন পেইনের সময় যদি চোখের সামনে
আলোর বিচ্ছুরণ বা কালো কালো স্পটের মতো
দেখা যায়, তাহলে বেশি সাবধান হতে হবে। কারণ
এমন ধরনের লক্ষণ দেখা গেলে স্ট্রোকের আশঙ্কা
থাকে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
৫. রাঙা আলু খাওয়া শুরু করুন
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পটাশিয়াম সমৃদ্ধ
খাবার বেশি করে খেলে স্ট্রোকের আশঙ্কা প্রায়
২০ শতাংশ কমে যায়। সেই কারণেই প্রতিদিনের
ডায়েটে রাঙা আলুর পাশাপাশি কলা খাওয়ারও
পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। কারণ এই দুটি
খাবারেই প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম মজুদ থাকে,
যা মস্তিষ্ককে নানাবিধ ক্ষতির হাত থেকে
বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৬. রাগ কমান
কথায় কথায় যারা খুব রেগে যান, তাদের ব্রেন
স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই আপনি
যদি গরম মস্তিষ্কের হন, তাহলে সাবধান হওয়ার সময়
এসে গেছে বন্ধু। কারণ এখনই যদি নিজের রাগের ওপর
লাগাম পরাতে না পারেন, তাহলে কিন্তু বেজায়
বিপদ!সেয়ার করে সবাইকে জানানোর সুযোগ করে দিবেন,,,,