06/08/2023
AI প্রযুক্তির প্রথম আঘাত...!
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশনে অনেক আগে থেকেই ব্যবহার হলেও; সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে গবেষণা নকল করা, সংবাদ পাঠ করা, বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানার মত সস্তা AI generated কাজ নিয়ে নেটিজেনরা খুব এক্সাইটেড। ছুরি যেমন ডাক্তারের হাতে পড়লে, অপারেশনের সাহায্যে মানুষের জীবন বাঁচায়। ডাকাতের হাতে পড়লে মানুষের জীবন নেয়। তেমনি AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে সস্তা এনগেজমেন্ট ও জনপ্রিয়তার জন্য বিভিন্ন দেশের নোংরা প্রযুক্তিবিদরা Dress Remover প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। যার সাহায্যে যেকোন নরমাল ছবি দিয়ে হুবহু N**e ছবি তৈরী করা সম্ভব। অশ্লীল ভিডিও তৈরী করা সম্ভব। সাধারণ চোখে যা ধরার সুযোগ কম। ইন্টারনেটে নারীদের এমন হাজার হাজার ছবি রয়েছে। স্বাভাবিক একটা ছবি দিয়েই AI প্রযুক্তির সাহায্যে নিখুদ নগ্ন ছবি তৈরী করা সম্ভব। যা মেয়েদের স্বাভাবিক জীবনকে অতিষ্ট করে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ভিডিও এবং ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এবং হচ্ছে। ছেলেদের সামাজিক সম্মানও ধসে দিতে পারে এই প্রযুক্তি। ইন্টারনেটে AI generated ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে; অনেকে ভয়ে-লজ্জায় আত্মহত্যাও করতে পারে। কারণ সমাজের মানুষ তাকেই দোষারোপ করবে। AI প্রযুক্তি সমাজ বুঝতে যাবে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় যার যত বেশি ছবি থাকবে; তার তত বেশি নগ্ন ছবি ভিডিও বানানো সম্ভব। এটা প্রযুক্তির অভিশাপ। খারাপ মানুষের হাতে প্রযুক্তির অপব্যবহার। তবে কিছুদিনের মধ্যে ইস্যুটি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। যখন সবাই এমন ঘটনার সম্মুখীন হবে। তখন এইসব AI generated নগ্ন ছবি-ভিডিওকে কেউ পাত্তা দিবে না। তবে ফেসবুকে ছবি শেয়ার না করলেও; অনেক মেয়ের ছবি নিকটজনের সংগ্রহে থাকেই। তারা চাইলেও হিংসা থেকে এমন কাজ করতে পারে। অতএব ভীত হওয়া যাবে না। ইহা প্রযুক্তির অভিশাপ। কিছুদিন পর স্বাভাবিক হয়ে যাবে। উল্টো কিছুদিন পরেই দেখবেন, যারা অশ্লীল কাজ করে। তারা ধরা পড়লেই দোষ দিবে AI কে। বলবে, এইসব AI প্রযুক্তির কাজ।
তাই রমনীরা AI প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়া পর্যন্ত; ফেসবুক-ইন্সটাতে ছবি শেয়ার থেকে বিরত থাকাই উত্তম। পূর্বের ছবি থাকলে; সেগুলো রিমুভ অথবা only me প্রাইভেসি দিয়ে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
বি দ্রঃ এমন ছবি শেয়ার করার জন্য দুঃখিত 🙏