Against the Clock - where reflects inner you

Against the Clock - where reflects inner you life is so unpredictable, be grateful for every moment...

03/03/2026

এখন বলে বলুক লোকে মন্দ....💤

ধূসর কুয়াশা মুখ ঢেকে দেয়            ধুলো মোছে পদচিহ্ন আমরা জমাই হিসেবের খাতা                   কার ক্ষত কত ভিন্ন....☺️
02/03/2026

ধূসর কুয়াশা মুখ ঢেকে দেয়
ধুলো মোছে পদচিহ্ন
আমরা জমাই হিসেবের খাতা
কার ক্ষত কত ভিন্ন....☺️

অনেকেই কথায় কথায় বলে, “আজীবন থেকে যেও”, এই আজীবন মানে কতখানি? কতদিন? কত মাস? কত বছর? এই আজীবন কিন্তু কখনই ‘সারাজীবন’ নয়।...
29/12/2025

অনেকেই কথায় কথায় বলে, “আজীবন থেকে যেও”, এই আজীবন মানে কতখানি? কতদিন? কত মাস? কত বছর?
এই আজীবন কিন্তু কখনই ‘সারাজীবন’ নয়। কনসেপ্ট-টাই ভুল।

ছলছল চোখ কিংবা সমুদ্রসমান খুশি নিয়ে কারও জন্য একটা বিকেল অপেক্ষা করার পরও যদি সে না আসে তাহলে মারাত্মক অভিমান হয় না?
কারন ওই মুহূর্তটায় আপনি সেই মানুষটাকে ছাড়া আর কিচ্ছুটি চাইছেন না,
অতএব আমাদের কাছে ওই মুহূর্তটা কিংবা ওই বিকেলটা গোটা একটা জীবনের সমান,,
মানুষ এভাবেই মুহূর্তে বাঁচে। মুহূর্ত-কেই ‘আজীবন’ নাম দিয়ে দেয়।

লতা-জি তাঁর গানে বলেছেন,
“Do pal ke jeevan se ek umar churaani hai,

Zindagi aur kuch bhi nahin Teri meri kahaani hai”

কতটা প্রাসঙ্গিক বুঝতে পারছেন! আসলেই তো কারও কাছে সারাটা জীবন নেই, ‘কাল’ আমরা কেউ দেখিনি,, শুধুমাত্র আজ কিছু মুহূর্ত দিয়েই আপনাকে কাউকে সারাজীবনের জন্য রেখে দিতে হতে পারে, এবং কাল সে না থাকলেও......

Ayan Mukherjee Nil

🌻🖤
29/12/2025

🌻🖤

winter season 💐
29/12/2025

winter season 💐

It may feel like you are stuck, like nothing is moving forward, but never forget that Allah can change everything in an ...
29/12/2025

It may feel like you are stuck, like nothing is moving forward, but never forget that Allah can change everything in an instant. What seems impossible today can become reality tomorrow if He wills it. Keep trusting Him, keep holding on, and stay patient. Your situation is never beyond His control, and His timing is always perfect....💝

যখন কেউ কাউকে গালি দেয়, সে আসলে চিৎকার করে বলে, ‘আমি দুর্বল। আমার কাছে তোমাকে পরাজিত করার কোনো যুক্তি নেই। তাই আমি তোমা...
18/12/2025

যখন কেউ কাউকে গালি দেয়, সে আসলে চিৎকার করে বলে, ‘আমি দুর্বল। আমার কাছে তোমাকে পরাজিত করার কোনো যুক্তি নেই। তাই আমি তোমাকে শব্দ দিয়ে আঘাত করতে চাইছি।’

তাই গালি শুনে কখনো মন খারাপ করবেন না। বুঝবেন সে আসলে নিজের পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। তার কাছে আপনার বিরুদ্ধে কোনো যুক্তি নেই। তার ভেতরটা ফাঁকা, এবং সেই ফাঁকা জায়গা থেকে অসহায় আর্তনাদ বেরোচ্ছে৷ সেই আর্তনাদই গালির মতো শোনাচ্ছে।

যার যুক্তি আছে, তার গালির দরকার নেই। যার সত্য আছে, তার চিৎকারের প্রয়োজন নেই। এবং যার আত্মমর্যাদা আছে, সে কখনো নিজেকে নোংরা ভাষার স্তরে নামিয়ে আনে না।
দিনশেষে, সত্যের শক্তি গালির চেয়ে হাজারগুণ বেশি।

কথাতেই সুখ কথাতেই কষ্ট!কথাতেই শব্দ, কথাতেই বিচ্ছেদও ☘️
15/12/2025

কথাতেই সুখ কথাতেই কষ্ট!
কথাতেই শব্দ, কথাতেই বিচ্ছেদও ☘️

আল্লাহ কাউকে নিরাশ করেন না। হয়তো খারাপের মাঝেও ভালোকিছু থাকে🏵️এবার মেডিকেলে প্রথম হওয়া শান্তর ৩টি কথা আমার খুব ভালো লেগে...
15/12/2025

আল্লাহ কাউকে নিরাশ করেন না। হয়তো খারাপের মাঝেও ভালোকিছু থাকে🏵️

এবার মেডিকেলে প্রথম হওয়া শান্তর ৩টি কথা আমার খুব ভালো লেগেছে। ©
১.
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় অক্টোবরে সে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১০-১২ দিন পড়াশোনার বাইরে ছিলো। প্রথমে কিছুটা হতাশ হলেও সে দ্রুতই মানসিক শক্তি ফিরে পান।
এ বিষয়ে শান্ত বলে, প্রথম দিক দিয়ে একটু ডিপ্রেসড হলেও পরে ভাবলাম, আল্লাহ যেহেতু দিছে তাইলে হয়তো আমার এটার মধ্যে কোনো কল্যাণ নিহিত আছে। আমি চিন্তা করলাম, এই ১০ দিন আমি যা পড়বো তা তো মেডিকেলে নাও আসতে পারে।
২.
সে সকালে পড়া স্টুডেন্ট। সে ভোর ৫টা থেকে ৮টা-৯টা পর্যন্ত বেশি পড়তো।
৩.
মোবাইল আসক্তি নিয়ন্ত্রণে সে তার ফোনটি বাসার এক আন্টির কাছে জমা রেখেছিলো এবং কেবল জরুরি ক্লাসের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করতো।

স্বপ্ন দেখেছিলেন স্ত্রী...মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের দুইদিন পর ১৮ই ডিসেম্বর  রায়েরবাজার  বধ্যভূমিতে অজস্র লাশের ভিড়ে  পাওয়া গিয়...
14/12/2025

স্বপ্ন দেখেছিলেন স্ত্রী...

মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের দুইদিন পর ১৮ই ডিসেম্বর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে অজস্র লাশের ভিড়ে পাওয়া গিয়েছিলো একটি লাশ।
লাশটির দুই চোখ উপড়ানো। সমগ্র শরীরে জুড়ে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আঘাতের চিহ্ন। দু হাত পিছনে গামছা দিয়ে বাঁধা। লুঙ্গিটা উরুর উপরে আটকানো। হৃদপিন্ড আর কলিজাটা ছিঁড়ে ফেলেছে হানাদার ও নিকৃষ্ট আলবদরেরা।
লাশটি ছিলো ছবির এই ভদ্রলোকের। বিশ্বখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট শহীদ অধ্যাপক ডাঃ ফজলে রাব্বি।
এই ফজলে রাব্বি তিনি, সমগ্র পাকিস্তানকে সাত বার আটি দরে বিক্রি করলেও তাঁর মস্তিষ্কের দাম উঠবে না৷ সেই ফজলে রাব্বি তিনি যিনি হতে পারতেন বাংলাদেশের প্রথম নোবেলজয়ী চিকিৎসা বিজ্ঞানী।
তিনি ছিলেন ঢাকা মেডিকেলের এমবিবিএস চূড়ান্ত পরীক্ষায় সমগ্র পাকিস্তানে শীর্ষস্থান অধিকারী ছাত্র।
১৯৬২ সালে মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে লন্ডনের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানের অধীনে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমআরসিপি ডিগ্রি নিয়েছিলেন ডাঃ ফজলে রাব্বি। তাও আবার একটি বিষয়ে নয়, বরং দুটিতে। যথাক্রমে ইন্টারনাল মেডিসিন এবং কার্ডিওলজিতে। দেশে ফিরে যোগ দিয়েছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে।
মাত্র ৩২ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে মেডিসিনের উপর তাঁর বিখ্যাত কেস স্টাডি 'A case of congenital hyperbilirubinaemia ( DUBIN-JOHNSON SYNDROME) in Pakistan' প্রকাশিত হয়েছিলে বিশ্বখ্যাত গবেষণা জার্নাল 'জার্নাল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন হাইজিন' এ।
মাত্র ৩৮ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে তাঁর বিশ্বখ্যাত গবেষণা Spirometry in tropical pulmonary eosinophilia প্রকাশিত হয়েছিলো ব্রিটিশ জার্নাল অফ দা ডিসিস অফ চেস্ট ও ল্যান্সেট এ।
১৯৭০ সালে মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই ডাঃ ফজলে রাব্বি মনোনীত হয়েছিলেন পাকিস্তানের সেরা অধ্যাপক পুরস্কারের জন্য। কিন্তু তাঁর আত্মায় ছিলো বাংলার অসহায়র্ত মানুষ। ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছিলেন তিনি সেই পুরুষ্কার।
মাত্র ৩৯ বছর বয়সী ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রফেসর অব ক্লিনিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড কার্ডিওলজিস্ট। আজকের দিনে কল্পনা করা যায়?
মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় তিনি আহত মানুষদের সেবা দিয়েছেন মেডিকেলে বসে। বেশ কয়েকদফা নিজের সাধ্যের চেয়ে বেশী ঔষধ আর অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য। আহত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয় গোপন রেখে দিয়েছিলেন চিকিৎসাও।
মুক্তিযুদ্ধের ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর ডাঃ ফজলে রাব্বির স্ত্রী জাহানারা রাব্বী একই স্বপ্ন দুবার দেখলেন। স্বপ্নটা এমন একটা সাদা সুতির চাদর গায়ে তিনি তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে জিয়ারত করছেন এমন একটা জায়গায়, যেখানে চারটা কালো থামের মাঝখানে সাদা চাদরে ঘেরা কী যেন।
১৫ই ডিসেম্বর সকালে ঘুম থেকে জাহানারা রাব্বি স্বামীকে এই স্বপ্নের কথা খুলে বললেন। জবাবে ফজলে রাব্বি মৃদু হেসে বললেন, ‘তুমি বোধ হয় আমার কবর দেখেছ’। শুনে ভয় পেলেন জাহানারা রাব্বি।
টেলিফোন টেনে পরিচিত অধ্যাপকদের কারো কারো বাড়িতে ফোন করতে বললেন। দেশের কি অবস্থা জানার জন্য। ডাঃ ফজলে রাব্বিও ফোন করলেন। কিন্তু কারো বাড়িতেই সংযোগ পাওয়া যাচ্ছিলো না। একসঙ্গে কাউকেই পাওয়া যাচ্ছেনা খানিকটা অবাক হলেন জাহানারা রাব্বি।
নাস্তা করে তাঁরা খেয়াল করলেন আকাশে ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান উড়ছে। কাছেই কোথাও বিমান থেকে বোমা হামলা চালাতেই বিকট শব্দের আওয়াজ। চমকে উঠলেন জাহারারা রাব্বী।
সকাল ১০টার দিকে জানা গেল দুই ঘণ্টার জন্য কারফিউ উঠেছে। এমন সময়ে ডাঃ ফজলে রাব্বি তাড়ার গলায় স্ত্রীকে বললেন, 'পুরান ঢাকায় যেতে হবে একবার। এক অবাঙালি রোগীকে দেখতে যাবো। দেখেই ফিরে আসবো।'
শুনেই জাহারানা রাব্বি বললেন, 'ওখানে যাওয়ার কাজ নেই। দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। ওরাই তো পাকিস্তানীদের সঙ্গ দিচ্ছে।'
জবাবে ফজলে রাব্বি হালকা হেসে বললেন, '‘ভুলে যেও না, সে মানুষ।’ জাহানারা রাব্বি বললেন, 'তুমি যে বল আজই আত্মসমর্পণ করবে। তো মিরপুর মোহাম্মদপুরের লোকদের আমরা ক্ষমা করতে পারব?' গাড়ি থেকে মুখ বাড়িয়ে ডাঃ ফজলে রাব্বি বললেন, 'আহা ওরাও তো মানুষ। তাছাড়া ওদের দেশ নেই।' জাহানারা রাব্বি বললেন, কিন্তু এতসবের পর ওদেরকে ক্ষমা আমরা কেমন করে করবো?' জবাবে ফজলে রাব্বী বললেন, হ্যাঁ ক্ষমাও করবে এবং এবং আমাদের স্বাধীন দেশে থাকতেও দেবে।'
সেদিব ডাঃ ফজলে রাব্বি বাসায় ফিরে এসেছিলেন ফের কারফিউ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই। দুপুরের খাবার ছিলো আগের দিনের বাসি তরকারি। কিন্তু ডাঃ ফজলে রাব্বী উল্টো বলেছিলেন, ‘আজকের দিনে এত ভালো খাবার খেলাম।’ জাহানারা রাব্বি এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। দেশের এই অবস্থায় এখানে থাকাটা বিপজ্জনক। জাহানারা রাব্বি স্বামীকে বললেন, 'চলো এখনই চলে যাই।' ডাঃ ফজলে রাব্বি বলেছিলেন 'আচ্ছা, দুপুরটা একটু গড়িয়ে নিই। বিকেলের দিকে না হয় বেরোনো যাবে।'
কিছুক্ষণ পর বাবুর্চি এসে বললো ‘সাহেব, বাড়ি ঘিরে ফেলেছে ওরা।’ সিদ্ধেশ্বরীর বাসার বাইরে তখন কাদালেপা মাইক্রোবাস ও একটি জীপ দাঁড়িয়ে। মাইক্রোবাসের সামনে বেশ কয়েক জন তরুণ। পাশেই জীপে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানী সৈন্য দাঁড়িয়ে। যে আশংকা করছিলেন জাহানারা রাব্বি, ঠিক যেন তাই হলো।
খুব হালকা স্বরে ফজলে রাব্বি জাহানারা রাব্বির দিকে না তাকিয়েই বললেন, ‘টিঙ্কুর আম্মা ওরা আমাকে নিতে এসেছে।’ এরপর দারোয়ানকে গেট খুলে দিতে বলেছিলেন তিনি। যখন মাইক্রোবাসে তিনি উঠলেন তখন সময় ঘড়িতে বিকেল চারটা।
১৮ই ডিসেম্বর ডাঃ ফজলে রাব্বির লাশটি পাওয়া গিয়েছিলো রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে। দুই চোখ উপড়ানো। সমগ্র শরীরে জুড়ে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আঘাতের চিহ্ন। দু হাত পিছনে গামছা দিয়ে বাঁধা। লুঙ্গিটা উরুর উপরে আটকানো। তাঁর হৃদপিন্ড আর কলিজাটা ছিঁড়ে ফেলেছে হানাদার ও নিকৃষ্ট আলবদরেরা।
এই সেই ডাঃ ফজলে রাব্বি, যাঁর গোটা হৃদয় জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ আর অসহায়র্ত মানুষ। যার হৃদয় জুড়ে ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন। হানাদার ও আল বদরের ঘৃণ্য নরপিশাচেরা সেই হৃদয়কে ছিঁড়ে ফেললেই কি সমগ্র বাংলার মানুষের হৃদয় থেকে কি তাঁকে বিছিন্ন করা যায়। যায়না।
হাজার বছর পরেও ডাঃ ফজলে রাব্বি থাকবেন আমাদের প্রাণে, হৃদয়ের গহীনে। বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি এই কিংবদন্তি শহীদ বুদ্ধিজীবীকে।

লেখা - আহমাদ ইশতিয়াক

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Against the Clock - where reflects inner you posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share