Hasnat Zone

Hasnat Zone Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hasnat Zone, Photography Videography, Rajshahi.

📸 Hasnat Zone
🎥 Cinematographer | 🎬 Content Creator | ✂️ Editor
🌐 Founder of Onusthan Bari
🎨 Crafting stories through visuals and editing
📍 Based in Bangladesh
📩 DM for collaborations and inquiries

19/05/2026

একজন মুসলিম ভাইয়ের প্রতি আরেকজন মুসলিম ভাইয়ের আন্তরিকতা—এটাই তো ঈমানের সৌন্দর্য।
সরল মন, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর হৃদয়ভরা আপ্যায়ন মানুষকে সত্যিকারের আপন করে তোলে।
দুনিয়া যতই কঠিন হোক, ভালো মনের মানুষগুলোই প্রমাণ করে—মানবিকতা এখনো বেঁচে আছে। 🤍

#ভ্রাতৃত্ব #আন্তরিকতা #সরলমন #ভালোমানুষ #মানবিকতা #ইসলামিকভালোবাসা

📖 গল্প : কেরানি কাকার চা আড্ডাপার্ট : ৩ (শেষ পর্ব)✍️ [লেখক : —]পর্দাটা আবার নড়ল।এইবার আর হালকা না।স্পষ্ট।ভেতর থেকে কেউ য...
07/05/2026

📖 গল্প : কেরানি কাকার চা আড্ডা

পার্ট : ৩ (শেষ পর্ব)

✍️ [লেখক : —]

পর্দাটা আবার নড়ল।

এইবার আর হালকা না।

স্পষ্ট।

ভেতর থেকে কেউ যেন ধীরে ধীরে হাত রাখছে কাপড়টার ওপরে।

কেরানি কাকার বুকের ভেতর ধকধক শব্দ হচ্ছে।

রাজু প্রায় কাঁদছে।

আর সুমন—

সে দাঁড়িয়ে আছে একদম শান্তভাবে।

যেন সবকিছু তার নিয়ন্ত্রণে।

কমল এবার নিচু গলায় বলল—

— “খেলা অনেক হলো সুমন… এবার শেষ কর।”

সুমন হালকা হাসল।

— “শেষ?”

একটু থামল।

— “আসল খেলা তো এখন শুরু।”

কেরানি কাকা এবার রাগে গলা কাঁপিয়ে বললেন—

— “পর্দার ওপাশে কে আছে?!”

দোকান নিস্তব্ধ।

শুধু বাল্বটার কাঁপা আলো।

তারপর—

সুমন ধীরে ধীরে পর্দার দিকে হাঁটতে লাগল।

প্রতিটা পদক্ষেপ খুব হিসাব করে।

পর্দার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে
একবার সবার দিকে তাকাল।

তারপর—

এক টানে পর্দাটা সরিয়ে দিল।

কেরানি কাকার চোখ বড় হয়ে গেল।

ভেতরে একটা ছোট কাঠের চেয়ার।

চেয়ারে বসে আছে একজন মানুষ।

হাত বাঁধা না।

মুখেও কোনো আঘাত নেই।

শুধু—

অচেতন।

কেরানি কাকা কাঁপা গলায় বললেন—

— “এ তো… মিলন মাস্টার!”

পুরো বাজারে সম্মানী মানুষ।

দুই দিন ধরে নিখোঁজ।

রাজু হঠাৎ কেঁদে ফেলল।

— “আমি… আমি ওই রাতেই দেখছিলাম…”

কেরানি কাকা তাকালেন ছেলের দিকে।

রাজু কাঁপতে কাঁপতে বলল—

— “রাতে দোকানের সামনে দিয়ে যাইতেছিলাম… তখন দেখি সুমন ভাই আর মিলন মাস্টার ভেতরে কথা বলতেছিল…”

কমল চুপচাপ শুনছে।

রাজু আবার বলল—

— “পরে ঝগড়া শুরু হয়…”

সুমনের চোখ স্থির।

একটুও ভয় নেই।

রাজু নিচু গলায় বলল—

— “মাস্টার সাহেব বারবার একটা কথাই বলতেছিল…”

কেরানি কাকা এগিয়ে এলেন—

— “কি কথা?”

রাজু ঠোঁট শুকিয়ে বলল—

— “তিনি বলতেছিলেন—
‘আমি সব জানি সুমন।’”

নিস্তব্ধতা।

কেরানি কাকার গা শিউরে উঠল।

কমল এবার সুমনের দিকে তাকাল।

— “কি জানত?”

সুমন কিছুক্ষণ চুপ রইল।

তারপর ধীরে ধীরে দোকানের বেঞ্চে বসল।

একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

— “মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুল করে কাকে জানো?”

কেউ উত্তর দিল না।

সুমন নিজেই বলল—

— “যখন ভাবে সে খুব ভালো মানুষ।”

বাতাস ভারী হয়ে উঠছে।

সুমন এবার মিলন মাস্টারের দিকে তাকিয়ে বলল—

— “উনি সব বুঝে ফেলছিলেন।”

কেরানি কাকা কড়া গলায় বললেন—

— “কি বুঝছিলেন?”

সুমনের ঠোঁটে হালকা হাসি।

— “এই বাজারে যত চুরি… যত গায়েব হওয়া মাল… সব কার মাধ্যমে যেত।”

কমল ধীরে ধীরে মাথা তুলল।

সে যেন আগেই আন্দাজ করেছিল।

কেরানি কাকা হতবাক।

— “তুই?!”

সুমন শান্ত গলায় বলল—

— “চায়ের দোকান, সেলুন, বাজার…
মানুষ ভাবে এগুলো খুব সাধারণ জায়গা।”

একটু থামল।

— “সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাও এগুলাই।”

রাজুর চোখে ভয়।

— “আমি কাউরে কিছু বলি নাই ভাই…”

সুমন তাকাল রাজুর দিকে।

অদ্ভুত ঠান্ডা দৃষ্টি।

— “তুই বলিস নাই।
কিন্তু ভয় পেয়ে গেছিস।”

কমল এবার সামনে এসে দাঁড়াল।

— “তুই একটা জিনিস ভুল করেছিস সুমন।”

সুমন ভ্রু তুলল।

— “কি?”

কমল নিচু গলায় বলল—

— “তুই সব প্রমাণ মুছে ফেলতে পারিস…
কিন্তু মানুষের আচরণ পাল্টাতে পারিস না।”

নিস্তব্ধতা।

কমল আবার বলল—

— “রাজুর ভয়…
মিলন মাস্টারের নিখোঁজ হওয়া…
তোর অস্বাভাবিক শান্ত থাকা…”

একটু হেসে—

— “এই তিনটাই তোর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রমাণ।”

প্রথমবারের মতো—

সুমনের মুখের হাসিটা মিলিয়ে গেল।

বাইরে তখন বাজারে মানুষের শব্দ বাড়ছে।

ভোর পুরোপুরি হয়ে গেছে।

দূরে পুলিশের সাইরেন।

কেরানি কাকা অবাক হয়ে তাকালেন—

— “পুলিশ?”

কমল এবার পকেট থেকে মোবাইল বের করল।

— “আমি আসার আগেই খবর দিছি।”

সুমন চুপ।

একদম চুপ।

তারপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল।

দোকানের বাইরে তাকাল।

মুখে আবার সেই অদ্ভুত হাসি।

— “সবাই ভাবে গল্প শেষ হয়ে গেছে…”

কেরানি কাকা তাকিয়ে আছেন।

সুমন খুব আস্তে বলল—

— “আসলে… মানুষ ধরা পড়ে তার ভুলে না।”

একটু থামল।

— “ভরসার মানুষের জন্য।”

এই কথা বলেই সে রাজুর দিকে তাকাল।

রাজু মাথা নিচু করে ফেলল।

আর ঠিক তখন—

দোকানের সামনে পুলিশের গাড়ি থামল।

ভোরের আলো পুরো দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ল।

কেরানি কাকা ধীরে ধীরে বেঞ্চে বসে পড়লেন।

চায়ের কেটলিতে তখনও হালকা গরম আছে।

ফোঁস ফোঁস শব্দ উঠছে।

যেন—

সবকিছুর পরেও
চায়ের দোকানের সকাল থেমে থাকে না।

---

সমাপ্ত।

📖 গল্প : কেরানি কাকার চা আড্ডাপার্ট : ১ (চলমান…)শাটারটা পুরো ওপরে উঠতেইলোহার ঘষা শব্দটা অদ্ভুতভাবে কানে বাজল।কেরানি কাকা...
06/05/2026

📖 গল্প : কেরানি কাকার চা আড্ডা
পার্ট : ১ (চলমান…)
শাটারটা পুরো ওপরে উঠতেই
লোহার ঘষা শব্দটা অদ্ভুতভাবে কানে বাজল।
কেরানি কাকা ভেতরে ঢুকলেন।
ভেতরের বাতাসটা ভারী…
একটা অচেনা গন্ধ—লোহা আর ঘামের মিশ্রণ।
বাল্বটা দুলছে হালকা করে।
আলোটা একবার জ্বলে…
একবার নিভে যাওয়ার মতো কাঁপছে।
মেঝের দিকে তাকাতেই—
ওই জুতাটা।
ঠিক পাশে লাল দাগ।
এবার কেরানি কাকা ধীরে ধীরে সামনে এগোলেন।
— “সুমন…?”
কণ্ঠটা আগের চেয়ে অনেক নিচু।
কোনো উত্তর নেই।
হঠাৎ—
টুপ…
কিছু একটা পড়ার শব্দ।
কেরানি কাকা চমকে উঠে তাকালেন।
চেয়ারের পেছনে…
একটা ছায়া নড়ল।
এক সেকেন্ড।
দুই সেকেন্ড।
তারপর—
ধীরে ধীরে ছায়াটা বেরিয়ে এল।
সুমন।
কিন্তু—
ওর চোখ।
চোখ দুটো অদ্ভুত ফাঁকা…
যেন সারারাত ঘুমায়নি।
হাতে একটা ব্লেড।
কেরানি কাকার বুক ধক করে উঠল।
— “এই অবস্থা তোর…? এখানে কি হয়েছে?”
সুমন কিছু বলল না।
শুধু তাকিয়ে রইল।
তারপর খুব আস্তে বলল—
— “কাকা… আপনি আসছেন কেন?”
কণ্ঠটা ঠান্ডা।
অস্বাভাবিক ঠান্ডা।
কেরানি কাকা এক পা পিছিয়ে গেলেন।
— “এগুলো কি… রক্ত নাকি?”
সুমন নিচের দিকে তাকাল।
তারপর হালকা হেসে বলল—
— “সব কিছু রক্ত না কাকা…”
একটু থামল।
— “…কিছু দাগ মুছেও যায় না।”
বাতাসটা হঠাৎ ভারী হয়ে গেল।
পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা রাজু কাঁপা গলায় বলল—
— “আব্বা… চলেন…”
কেরানি কাকা এবার বুঝলেন—
এখানে কিছু একটা ভয়ংকর ভুল হচ্ছে।
ঠিক তখন—
দোকানের ভেতরের পর্দাটা
নিজে নিজে নড়ল।
কেউ যেন ভেতর থেকে ঠেলে ধরছে।
কেরানি কাকার চোখ বড় হয়ে গেল।
— “ভেতরে কে আছে?”
সুমন এবার মাথা তুলল।
চোখে এক অদ্ভুত হাসি।
— “আপনি তো ঢুকেই গেছেন কাকা…”
ধীরে ধীরে বলল—
— “…এখন আর বের হওয়া এত সহজ না।”
পর্দার ওপাশ থেকে আবার শব্দ—
খস… খস…
কেরানি কাকার গলা শুকিয়ে গেল।
একটা কথা মাথায় ঘুরছে—
👉 “ভুল জায়গায় ঢুকে পড়েছি…”
আর ঠিক তখন—
বাল্বটা হঠাৎ নিভে গেল।
পুরো অন্ধকার।
আর অন্ধকারের ভেতর—
কারও খুব কাছে থেকে শ্বাস নেওয়ার শব্দ…
(চলবে… 😈)

📖 গল্প : কেরানি কাকার চা আড্ডাপার্ট : ১✍️ [লেখক : হাসনাত জন ]ভোরটা আজ অদ্ভুত লাগছে।কেরানি কাকা চায়ের কেটলিটা হাতে নিয়ে চ...
06/05/2026

📖 গল্প : কেরানি কাকার চা আড্ডা
পার্ট : ১
✍️ [লেখক : হাসনাত জন ]

ভোরটা আজ অদ্ভুত লাগছে।

কেরানি কাকা চায়ের কেটলিটা হাতে নিয়ে চুলার ওপর বসিয়ে দিলেন… কিন্তু আগুন ধরাতে গিয়ে এক সেকেন্ড থেমে গেলেন।
কেন যেন মনে হচ্ছে— আজ কিছু একটা ঠিক হবে না।

চায়ের দোকানটা ছোট… টিনের চাল, সামনে দুটো বেঞ্চ, একপাশে কাচের বয়ামে বিস্কুট।
প্রতিদিনের মতোই সবকিছু ঠিকঠাক…
তবুও—

মনে অস্বস্তি।

— আব্বা, আগুন ধরাবো?”
পেছন থেকে রাজুর গলা।

কেরানি কাকা চমকে তাকালেন।
— হুম… ধরাও।”

রাজু নিচু হয়ে চুলায় আগুন ধরাতে লাগল।
কেরানি কাকা তাকিয়ে রইলেন ছেলের দিকে…
আজকে ওকে একটু অন্যরকম লাগছে।

— তোর কিছু হয়েছে?”
রাজু হাত থামাল না।
— “না তো।”

কিন্তু “না” বলার ভঙ্গিটা ঠিক স্বাভাবিক না।

কেরানি কাকা আর কিছু বললেন না।
চুপচাপ দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে রইলেন।

রাস্তাটা ধীরে ধীরে জেগে উঠছে।
রিকশা যাচ্ছে… মানুষ যাচ্ছে…
আর ঠিক বিপরীতে—

সুমনের সেলুন।

দোকানটা এখনও বন্ধ।
কিন্তু শাটারের নিচ দিয়ে ভেতরে হালকা আলো।

কেরানি কাকার ভ্রু কুঁচকে গেল।

— “এতো ভোরে আলো জ্বলে কেন?”
নিজের মনেই বললেন।

রাজু এবার পাশে এসে দাঁড়াল।
— “কে?”
— “সুমনের দোকান।”

রাজু একবার তাকাল… তারপর খুব তাড়াতাড়ি চোখ সরিয়ে নিল।
এই ছোট্ট ব্যাপারটাই কেরানি কাকার চোখ এড়াল না।

— “তুই কিছু জানিস?”
রাজু এবার একটু বিরক্তির মতো—
— “না তো আব্বা, আমি কি ওর দোকানে থাকি নাকি?”

কেরানি কাকা চুপ।

কথাটা ঠিক…
কিন্তু উত্তরটা ঠিক না।

চায়ের পানি ফুটতে শুরু করেছে।
ফোঁস ফোঁস শব্দটা অদ্ভুতভাবে জোরে শোনা যাচ্ছে আজ।

ঠিক তখন—

টিং!

সুমনের দোকানের শাটারটা একটু ওপরে উঠল…
আবার বন্ধ।

কেরানি কাকা একদম স্থির হয়ে গেলেন।

— “দেখলি?”
রাজু মাথা নিচু করে—
— “হুম।”

— “কেউ আছে ভেতরে।”

কণ্ঠটা এবার নিচু… কিন্তু ভারী।

রাজু কিছু বলল না।
শুধু দাঁড়িয়ে রইল।

কেরানি কাকা ধীরে ধীরে রাস্তা পার হতে লাগলেন।
প্রতিটা পা যেন হিসাব করে ফেলছেন।

পেছন থেকে রাজুর গলা—
— “আব্বা… যাওয়ার দরকার নেই।”

কেরানি কাকা থামলেন না।
শুধু বললেন—
— “দরকার আছে।”

সামনে গিয়ে শাটারের কাছে দাঁড়ালেন।
ভেতরে নিস্তব্ধতা।

— “সুমন!”
একবার ডাক দিলেন।

কোনো উত্তর নেই।

আরেকবার—
— “সুমন!”

এইবার ভেতর থেকে হালকা কিছু নড়াচড়ার শব্দ।

কেরানি কাকার বুকের ভেতর ধক করে উঠল।

হাত বাড়িয়ে শাটারটা ঠেলতেই—
খচ করে শব্দ করে একটু ওপরে উঠল।

ভেতরে অন্ধকার…
শুধু একটা বাল্ব জ্বলছে।

আর সেই আলোয়—

মেঝেতে কিছু একটা পড়ে আছে।

কেরানি কাকার চোখ স্থির হয়ে গেল।

ওটা…

একজোড়া জুতা।

কিন্তু—

জুতার পাশে লাল কিছু দাগ।

কেরানি কাকার গলা শুকিয়ে গেল।
— এটা… কি?

ঠিক তখন পেছন থেকে রাজু দৌড়ে এসে হাতটা ধরে ফেলল—

— “আব্বা, ঢুকবেন না!”

কেরানি কাকা অবাক হয়ে তাকালেন।

— কেন?

রাজুর চোখে ভয়।
একদম খাঁটি ভয়।

— “ভিতরে যাওয়া ঠিক না…

কেরানি কাকার মাথার ভেতর তখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে—

“তাহলে… ভেতরে কি আছে?”

হালকা বাতাসে শাটারটা আবার কেঁপে উঠল…

ভেতর থেকে যেন কারও খুব আস্তে শ্বাস নেওয়ার শব্দ এল।

কেরানি কাকা আর এক সেকেন্ডও দাঁড়ালেন না।

শাটারটা আরও ওপরে তুললেন—

আর ভেতরে পা রাখলেন…

(চলবে…)

Advance Eid Mubarak
19/03/2026

Advance Eid Mubarak

04/03/2026

Tomar Ey Vabe Chole Jawa
lyric, Tune & Music Promot - Hasnat Zone
Music arrangement Suno Ai

26/02/2026

কখনও মানুষ সাহায্য করে দেখানোর জন্য,
কখনও আঘাত দেয় প্রমাণ করার জন্য।
তবু শেষ পর্যন্ত মানুষই মানুষকে বাঁচায়।
হয়তো আমরা সবাই নিজের শখ, নিজের স্বপ্ন, নিজের সরলতার কাছে একটু ছোটই থেকে যাই।
কিন্তু সেই ছোট্ট মনটাই এখনো বাঁচিয়ে রাখে মানবতা।

নোট:
তখনকার সময়ে আমি, আমার ছোট ভাইয়েরা আর বন্ধু-বান্ধব মিলে মজার ছলে এসব বানিয়েছিলাম। এখনকার ক্রিয়েশন আর তখনকার ক্রিয়েশনের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ। কিন্তু ইচ্ছেটা, পাগলামিটা—সেই লেভেলেরই ছিল।

কেউ কারো পিঞ্জর হতে পারে না—হৃদয় বন্দি রাখার অধিকার শুধু আল্লাহর।মানুষ যতই শিকল পরাতে চায়,রূহ তার ক্বদরের বাতাসে উড়েই যা...
17/12/2025

কেউ কারো পিঞ্জর হতে পারে না—
হৃদয় বন্দি রাখার অধিকার শুধু আল্লাহর।
মানুষ যতই শিকল পরাতে চায়,
রূহ তার ক্বদরের বাতাসে উড়েই যায়।
ভালোবাসা মানে দখল নয়—
বরং মুক্তির ইবাদত।
যার নিয়তি কাছে, সে তালা খুলে—
নিজেই ফিরে আসে।

আমি আর শব্দ দিয়ে নিজের ওজন প্রমাণ করি না।যা হারানোর ছিল, আল্লাহ জানতেন—তাই সরিয়েছেন।যা থাকার ছিল, তাকেও তিনি নীরবে স্থির...
15/12/2025

আমি আর শব্দ দিয়ে নিজের ওজন প্রমাণ করি না।
যা হারানোর ছিল, আল্লাহ জানতেন—তাই সরিয়েছেন।
যা থাকার ছিল, তাকেও তিনি নীরবে স্থির করে রাখেন।

বাদশাহি চিৎকারে হয় না,
হয় মাথা নিচু রেখে সব সহ্য করার শক্তিতে।
আর যে মন আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে শেখে,
সে আর কারো অস্থিরতায় কাঁপে না।

আমি আজও দোয়ার ভিতরেই থাকি—
কাউকে জিতাতে না, কাউকে হারাতে না।
শুধু নিজের নফসকে শাসনে রাখতে।

যে গেছে, তার জন্য বদদোয়া নেই।
যে আছে, তার জন্য দাবি নেই।
কারণ যে আল্লাহর হাতে নিজেকে তুলে দেয়,
সে আর মানুষের দরজায় দাঁড়ায় না।











Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasnat Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hasnat Zone:

Share