Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র

  • Home
  • Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র

Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র Superstitious people should avoid this page. Maybe the discussions here aren't for you. I keep these for myself.

If your beliefs and feelings are too touchy, send thise-mail to the recipient Avoid. Where knowledge is limited, logic is tight,release is impossible ... Nipun Chandra

06/06/2026
06/06/2026

শূন্য রেখার মানুষ আছে, মানবতা নেই
-------------
সীমান্তের শূন্য রেখায় আজ মানুষ দাঁড়িয়ে নেই,
দাঁড়িয়ে আছে অপেক্ষা।
দাঁড়িয়ে আছে নামহীন কিছু দীর্ঘশ্বাস,
কিছু ভাঙা পরিচয়পত্রের চেয়েও বেশি সত্য জীবন।

একদিকে কাঁটাতার,
অন্যদিকে নিয়মের দেয়াল,
মাঝখানে আটকে আছে শিশুদের কান্না,
মায়েদের শুকিয়ে যাওয়া বুকের দুধ,
বৃদ্ধদের কাঁপা হাত আর নিঃশব্দ প্রার্থনা।

বৃষ্টি নামে—
কেউ ছাতা ধরিয়ে দেয় না।
রোদ ওঠে—
কেউ ছায়া হয়ে দাঁড়ায় না।
রাত নামে—
আকাশ ছাড়া তাদের আর কোনো ছাদ থাকে না।

সাতক্ষীরা থেকে ছুটে এসেছে এক ছেলে,
বৃদ্ধ বাবাকে ঘরে ফিরিয়ে নিতে।
কিন্তু কাগজের অভাবে
রক্তের সম্পর্কও আজ যেন প্রমাণহীন।
বাবা দাঁড়িয়ে আছেন ওপারে,
ছেলে দাঁড়িয়ে এপারে,
মাঝখানে কয়েক হাত মাটি,
তবু সে দূরত্ব হাজার মাইলের চেয়েও দীর্ঘ।

এক নারী বলছে—
“আমার বাড়ি খুলনার কয়রায়,
আমার উঠোনে এখনও হয়তো শুকোচ্ছে ধান,
আমার ঘরের দরজায় হয়তো ঝুলছে তালা,
আমি শুধু ফিরতে চাই।”
কিন্তু তার কণ্ঠের চেয়েও জোরে কথা বলে নিয়ম,
তার চোখের জলের চেয়েও ভারী হয়ে ওঠে সন্দেহ।

শিশুরা ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
তাদের হাতে থাকা পুটলিতে
কতটুকুই বা খাবার আছে?
এক মুঠো চিঁড়া?
দু'মুঠো শুকনো ভাত?
আর কতদিন টিকবে ক্ষুধার বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ?

কাঁটাতার কি ক্ষুধা বোঝে?
সীমান্ত কি তৃষ্ণা বোঝে?
আইন কি কোনো শিশুর জ্বর মাপতে পারে?
রাষ্ট্র কি কোনো বৃদ্ধার চোখের জল গুনে রাখে?

মানুষের পরিচয় যাচাইয়ের আগে
তার মানবিক অস্তিত্ব কি যাচাই করা যায় না?
তার ক্ষুধা কি সত্য নয়?
তার কান্না কি মিথ্যা?

পৃথিবীর সব মানচিত্রে দেশ আছে,
সীমানা আছে,
পাহারা আছে,
কিন্তু শূন্য রেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষগুলোর জন্য
একটুকরো মানবতা কি কোথাও নেই?

যারা মানবতার কথা বলে,
যারা সভা-সেমিনারে মানুষের অধিকারের ভাষণ দেয়,
তাদের কাছে আজ সীমান্তের বাতাস প্রশ্ন রাখে—
একটি শিশুর কান্নার চেয়ে বড় আর কোন নথি আছে?
একজন বৃদ্ধের ক্লান্ত শরীরের চেয়ে বড় আর কোন সাক্ষ্য আছে?
একজন মায়ের ঘরে ফেরার আকুতির চেয়ে বড় আর কোন পরিচয় আছে?

শূন্য লাইনে মানুষগুলো এখনও দাঁড়িয়ে আছে।
তারা রাষ্ট্র বদলাতে চায় না,
তারা ইতিহাস লিখতে চায় না,
তারা শুধু বাঁচতে চায়।

আর পৃথিবী নীরবে দেখে—
কীভাবে কাঁটাতারের দুই পাশে
মানচিত্র বেঁচে থাকে,
আর মাঝখানে
মানবতা ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়।

কবিতা:
নিপুণ চন্দ্র, মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক বর্তমান বাংলা, [email protected]

আঙ্কারার আকাশে বৃষ্টির অদ্ভুত গোলাকার ফাঁকা চাকতিআজ আঙ্কারার আকাশ যেন এক অলৌকিক শিল্পকর্মের ক্যানভাস হয়ে উঠেছে। চারদিকে ...
06/06/2026

আঙ্কারার আকাশে বৃষ্টির অদ্ভুত গোলাকার ফাঁকা চাকতি

আজ আঙ্কারার আকাশ যেন এক অলৌকিক শিল্পকর্মের ক্যানভাস হয়ে উঠেছে। চারদিকে ঘন নীল মেঘের সমুদ্র, বজ্রপাতের আলোকচ্ছটা আর অবিরাম বৃষ্টির ধারা—কিন্তু ঠিক শহরের মাঝখানে একটি নিখুঁত গোলাকার ফাঁকা জোন! যেন কোনো অদৃশ্য শিল্পী বিশাল একটি কম্পাস নিয়ে আকাশে ঘুরিয়ে দিয়ে বলেছেন, “এই বৃত্তের ভিতরে বৃষ্টি নিষিদ্ধ!” এই দৃশ্য দেখে মনটা অবাক হয়ে যায়, শ্বাস আটকে আসে। প্রকৃতি কি আমাদের সঙ্গে খেলছে, নাকি কোনো গভীর রহস্যের ইশারা দিচ্ছে?

চারপাশে যেখানে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি ঝরছে, সেখানে আঙ্কারার হৃদয়টা শুকনো, উজ্জ্বল ও নীরব। যেন এক বিশাল নীল ডোনাটের মাঝখানে ফাঁকা ছিদ্র—বা আকাশের বুকে একটি উজ্জ্বল চাঁদের মতো পরিষ্কার গোল জায়গা। এই “রেইন হোল” দেখতে এতটাই নিখুঁত যে মনে হয় কোনো অদৃশ্য ঢাল বা স্বচ্ছ গম্বুজ শহরটাকে ঢেকে রেখেছে। শহরের কংক্রিটের জঙ্গল যেন প্রকৃতির সঙ্গে এক অদ্ভুত খেলায় মেতেছে। গরম বাতাস উপরে উঠে মেঘগুলোকে সরিয়ে দিচ্ছে, ঠিক যেমন একজন রাজা তার রাজধানীকে বৃষ্টির আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য অদৃশ্য প্রাচীর তুলে দেন।

এই দৃশ্যের সৌন্দর্যে মিশে আছে এক অদ্ভুত ভয়ও। মানুষ যখন প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তখন প্রকৃতি নিজেই এমন অপূর্ব কৌশলে তার সীমানা দেখিয়ে দেয়। আঙ্কারার এই গোলাকার ফাঁকা জোন যেন বলছে—শহরের হৃদয় এখনও পুরোপুরি আমার নিয়ন্ত্রণে নয়। চারপাশের গ্রামাঞ্চল যেখানে ভিজে একাকার, সেখানে রাজধানীর ছাদগুলো শুকনো চকচক করছে। এটা শুধু আবহাওয়ার খেলা নয়, এ যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব উপমা—শহুরে মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি। চারদিকে সমস্যার বৃষ্টি, কিন্তু নিজের ছোট্ট জগতে একটু শুকনো, নিরাপদ আশ্রয়।

বিজ্ঞান বলছে এটা আর্বান হিট আইল্যান্ড ইফেক্টের ফল। কিন্তু মন চায় না এটাকে শুধু বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করতে। এই গোল চাকতি দেখে মনে হয় যেন আকাশ থেকে কোনো দৈবী আলো নেমে এসেছে, শহরকে আলিঙ্গন করছে। বজ্রপাতের হলুদ আলো চারপাশে ঝলমল করছে, আর মাঝখানে নিস্তব্ধ শান্তি। এই বৈপরীত্য হৃদয়কে নাড়িয়ে দেয়। আমরা যারা প্রতিদিন ছোট ছোট বৃত্তের মধ্যে বেঁচে থাকি, এই দৃশ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি এখনও অপ্রতিরোধ্য, এখনও রহস্যময়।

এমন ঘটনা পৃথিবীর নানা শহরে ঘটে, কিন্তু আজ আঙ্কারায় এত স্পষ্ট ও নাটকীয়ভাবে দেখা দেওয়ায় এটা বিশেষ হয়ে উঠেছে। যেন পুরো বিশ্বকে একটা চমক দেওয়ার জন্য প্রকৃতি তার সেরা প্যালেট ব্যবহার করেছে। এই গোলাকার রেইন হোল আমাদের শেখায়—কখনো কখনো ফাঁকা জায়গাটাই সবচেয়ে সুন্দর। যেখানে বৃষ্টি নেই, সেখানেই হয়তো নতুন কোনো আশার আলো জ্বলে ওঠে।

ঘটনাটি আজ বাংলাদেশ সময় ১৭:৩৮ থেকে ১৮:০৪ টা পর্যন্ত চলমান ছিলো। এর পূর্বে প্রায় ১৩ মিনিট বৃষ্টি হয় ওই স্থানে।

লেখক: নিপুণ চন্দ্র, মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক বর্তমান বাংলা,
[email protected]

আঙ্কারার আকাশে বৃষ্টির অদ্ভুত গোলাকার ফাঁকা চাকতি[ঘটনাটি আজ বাংলাদেশ সময় ১৭:৩৮ থেকে ১৮:০৪ টা পর্যন্ত চলমান ছিলো। এর পূর্...
06/06/2026

আঙ্কারার আকাশে বৃষ্টির অদ্ভুত গোলাকার ফাঁকা চাকতি

[ঘটনাটি আজ বাংলাদেশ সময় ১৭:৩৮ থেকে ১৮:০৪ টা পর্যন্ত চলমান ছিলো। এর পূর্বে প্রায় ১৩ মিনিট বৃষ্টি হয় ওই স্থানে। ]

আজ আঙ্কারার আকাশ যেন এক অলৌকিক শিল্পকর্মের ক্যানভাস হয়ে উঠেছে। চারদিকে ঘন নীল মেঘের সমুদ্র, বজ্রপাতের আলোকচ্ছটা আর অবিরাম বৃষ্টির ধারা—কিন্তু ঠিক শহরের মাঝখানে একটি নিখুঁত গোলাকার ফাঁকা জোন! যেন কোনো অদৃশ্য শিল্পী বিশাল একটি কম্পাস নিয়ে আকাশে ঘুরিয়ে দিয়ে বলেছেন, “এই বৃত্তের ভিতরে বৃষ্টি নিষিদ্ধ!” এই দৃশ্য দেখে মনটা অবাক হয়ে যায়, শ্বাস আটকে আসে। প্রকৃতি কি আমাদের সঙ্গে খেলছে, নাকি কোনো গভীর রহস্যের ইশারা দিচ্ছে?

চারপাশে যেখানে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি ঝরছে, সেখানে আঙ্কারার হৃদয়টা শুকনো, উজ্জ্বল ও নীরব। যেন এক বিশাল নীল ডোনাটের মাঝখানে ফাঁকা ছিদ্র—বা আকাশের বুকে একটি উজ্জ্বল চাঁদের মতো পরিষ্কার গোল জায়গা। এই “রেইন হোল” দেখতে এতটাই নিখুঁত যে মনে হয় কোনো অদৃশ্য ঢাল বা স্বচ্ছ গম্বুজ শহরটাকে ঢেকে রেখেছে। শহরের কংক্রিটের জঙ্গল যেন প্রকৃতির সঙ্গে এক অদ্ভুত খেলায় মেতেছে। গরম বাতাস উপরে উঠে মেঘগুলোকে সরিয়ে দিচ্ছে, ঠিক যেমন একজন রাজা তার রাজধানীকে বৃষ্টির আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য অদৃশ্য প্রাচীর তুলে দেন।

এই দৃশ্যের সৌন্দর্যে মিশে আছে এক অদ্ভুত ভয়ও। মানুষ যখন প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তখন প্রকৃতি নিজেই এমন অপূর্ব কৌশলে তার সীমানা দেখিয়ে দেয়। আঙ্কারার এই গোলাকার ফাঁকা জোন যেন বলছে—শহরের হৃদয় এখনও পুরোপুরি আমার নিয়ন্ত্রণে নয়। চারপাশের গ্রামাঞ্চল যেখানে ভিজে একাকার, সেখানে রাজধানীর ছাদগুলো শুকনো চকচক করছে। এটা শুধু আবহাওয়ার খেলা নয়, এ যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব উপমা—শহুরে মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি। চারদিকে সমস্যার বৃষ্টি, কিন্তু নিজের ছোট্ট জগতে একটু শুকনো, নিরাপদ আশ্রয়।

বিজ্ঞান বলছে এটা আর্বান হিট আইল্যান্ড ইফেক্টের ফল। কিন্তু মন চায় না এটাকে শুধু বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করতে। এই গোল চাকতি দেখে মনে হয় যেন আকাশ থেকে কোনো দৈবী আলো নেমে এসেছে, শহরকে আলিঙ্গন করছে। বজ্রপাতের হলুদ আলো চারপাশে ঝলমল করছে, আর মাঝখানে নিস্তব্ধ শান্তি। এই বৈপরীত্য হৃদয়কে নাড়িয়ে দেয়। আমরা যারা প্রতিদিন ছোট ছোট বৃত্তের মধ্যে বেঁচে থাকি, এই দৃশ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি এখনও অপ্রতিরোধ্য, এখনও রহস্যময়।

এমন ঘটনা পৃথিবীর নানা শহরে ঘটে, কিন্তু আজ আঙ্কারায় এত স্পষ্ট ও নাটকীয়ভাবে দেখা দেওয়ায় এটা বিশেষ হয়ে উঠেছে। যেন পুরো বিশ্বকে একটা চমক দেওয়ার জন্য প্রকৃতি তার সেরা প্যালেট ব্যবহার করেছে। এই গোলাকার রেইন হোল আমাদের শেখায়—কখনো কখনো ফাঁকা জায়গাটাই সবচেয়ে সুন্দর। যেখানে বৃষ্টি নেই, সেখানেই হয়তো নতুন কোনো আশার আলো জ্বলে ওঠে।

লেখক: নিপুণ চন্দ্র, মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক বর্তমান বাংলা,
[email protected]

05/06/2026

সিনেমা প্রদর্শনীর পক্ষে মানববন্ধন, অংশগ্রহণকারীদের ‘তালাক হয়ে গেছে’ মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক: ইসলামী শরিয়ত কী বলে?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহবাজপুরে একটি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন এবং পরে একজন ধর্মীয় বক্তা Abdus Samad আইডির ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্য নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের সম্পর্কে ওই বক্তা দাবি করেন যে, “হারাম কাজের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তাদের স্ত্রীরা তাদের জন্য তালাক হয়ে গেছে।” বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ধর্মীয় ও আইনগত উভয় দিক থেকেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি চলচ্চিত্রের প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে। প্রদর্শনী বন্ধের প্রতিবাদে স্থানীয়ভাবে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরবর্তীতে এ কর্মসূচির বিরোধিতা করে কিছু ধর্মীয় সংগঠন প্রতিবাদ জানায়। এরই ধারাবাহিকতায় এক ধর্মীয় বক্তা লাইভে এসে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেন এবং দাবি করেন, তারা একটি “হারাম কাজের” সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় তাদের বৈবাহিক সম্পর্কও ভেঙে গেছে।

তবে ইসলামী শরিয়তের মূলনীতির আলোকে বিষয়টি এতটা সরল নয় বলে মত দেন অধিকাংশ ফিকহবিদ ও ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞ। ইসলামে তালাক একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার বিষয়। স্বামী কর্তৃক তালাকের ঘোষণা, আদালতের রায়, অথবা শরিয়তসম্মত নির্দিষ্ট কারণ ব্যতীত শুধুমাত্র কোনো কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ সংঘটিত হয়—এমন বক্তব্যের পক্ষে কোরআন বা সহিহ হাদিসে সুস্পষ্ট কোনো দলিল পাওয়া যায় না।

পবিত্র কোরআনে বিবাহ ও তালাক সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে। Quran-এর সূরা আল-বাকারাহ ও সূরা আত-তালাকে তালাকের পদ্ধতি, অপেক্ষাকাল (ইদ্দত) এবং পারিবারিক বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। সেখানে কোনো ব্যক্তি কোনো পাপ বা বিতর্কিত কাজে জড়িয়ে পড়লেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার বিবাহ বাতিল হয়ে যাবে—এমন বিধান উল্লেখ নেই।

হাদিসেও দেখা যায়, কোনো মুসলমান গুনাহে লিপ্ত হলে তাকে তওবার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে প্রত্যেক গুনাহ মানুষকে ইসলামের গণ্ডির বাইরে নিয়ে যায় না। ইসলামী আকিদার মূলনীতিতে সাধারণভাবে বলা হয়, কোনো কাজকে গুনাহ মনে করলেও সেটি কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাফির বানিয়ে দেয় না। আর কাউকে কাফির ঘোষণা না করা পর্যন্ত তার বিবাহ সম্পর্কও বহাল থাকে। এ কারণেই ইসলামী আইনশাস্ত্রে “তাকফির” বা কাউকে ইসলামচ্যুত ঘোষণা করার বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

একটি বহুল উদ্ধৃত হাদিসে Muhammad বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার ভাইকে ‘কাফির’ বলে, তাদের একজনের ওপর তা ফিরে আসে।” এই হাদিসের আলোকে বহু আলেম সতর্ক করেছেন যে, কাউকে সহজে ইসলামচ্যুত বা বিবাহ বিচ্ছিন্ন বলে ঘোষণা করা গুরুতর বিষয়।

ধর্মীয় গবেষকদের মতে, যদি কেউ মনে করেন সিনেমা দেখা বা সিনেমা হল সমর্থন করা ইসলামী দৃষ্টিতে বৈধ নয়, তবুও সেই মতভেদের ভিত্তিতে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিবাহ বাতিল হয়ে গেছে বলে ঘোষণা করার জন্য শক্ত শরিয়তসম্মত দলিল প্রয়োজন। কেবল ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা বা আবেগের ভিত্তিতে এমন ফতোয়া দেওয়া ইসলামী আইনের স্বীকৃত পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনেও বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে। মুসলিম পারিবারিক আইনে তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ ও আইনি বিধান অনুসরণ করতে হয়। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কোনো ব্যক্তিগত মন্তব্যের মাধ্যমে কারও বিবাহ সম্পর্ক আইনগতভাবে ভেঙে যায় না।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। ধর্মীয় মতবিরোধ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক কিংবা রাজনৈতিক অবস্থানের প্রশ্নে ভিন্নমত থাকতেই পারে। কিন্তু কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালাকপ্রাপ্ত, ইসলামচ্যুত বা ধর্মবহির্ভূত ঘোষণা করা অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়, যা ইসলামী শরিয়তেও কঠোর শর্তের অধীন।

ফলে শাহবাজপুরের ঘটনায় মূল বিতর্ক এখন শুধু চলচ্চিত্র বা মানববন্ধনকে ঘিরে নয়; বরং সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ধর্মীয় ঘোষণার সীমা, দায়িত্ব এবং শরিয়তসম্মত ভিত্তি নিয়েও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে আবেগ নয়, বরং কোরআন, সহিহ হাদিস এবং স্বীকৃত ফিকহি নীতিমালার আলোকে সতর্ক মূল্যায়নই হওয়া উচিত।

05/06/2026

৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণিতে ইসলাম ধর্ম পড়া, জানার জন্য যতটুকু চর্চা ৭২ হুর পর্যন্ত। আজ ওয়াজে প্রচার হচ্ছে মাসে ১০০০ বিয়েও থাকবে। এজন্যই বলে জানান কোন শেষ নাই.......................

05/06/2026

সুদের বয়ান কি প্রাণ ফিরে পেয়েছে? ড. ইউনূস কি বলে শুনুন...

04/06/2026

খানিক বাদে দু’ঘন্টার বৃষ্টি পেতে অধীর আগ্রহে আছি...

তারেক রহমানের জীবন নাশের আশংকা : রাজনৈতিক ক্যু বাস্তবতা ও গুজব-----------------------বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বারবার স...
03/06/2026

তারেক রহমানের জীবন নাশের আশংকা : রাজনৈতিক ক্যু বাস্তবতা ও গুজব
-----------------------
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বারবার সহিংসতা, অভ্যুত্থান এবং নেতৃত্বের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সাক্ষী হয়েছে। ২০২৬ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের কপার ক্যাবল কাটা ও চুরির ঘটনা এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ব্লিটজ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীসহ কিছু মহল থেকে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ আন্তর্জাতিক শক্তি তারেক রহমানকে হত্যা করে দায় শেখ হাসিনার উপর চাপিয়ে “এক ঢিলে দুই পাখি” মারার ষড়যন্ত্র করছে। এই প্রতিবেদনে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি, অভিযোগের যাচাই এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
-----------------------
জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড: রাজনৈতিক সহিংসতার শিকড়
বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেতৃত্বের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা শুরু করলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতার নাম আসে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড। ভোররাতে সেনাবাহিনীর একদল বিদ্রোহী কর্মকর্তা (মেজর জেনারেল এম এ মঞ্জুরসহ) সার্কিট হাউজে হামলা চালিয়ে জিয়াউর রহমান, তার দুই সহকারী ও ছয় দেহরক্ষীকে হত্যা করেন। এটি একটি ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের অংশ ছিল। জিয়া চট্টগ্রামে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ মেটাতে গিয়েছিলেন।

এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। বিএনপির সমর্থকরা এটিকে ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা হিসেবে দেখেন। সামরিক আদালতে বিচার হয়, কয়েকজনের ফাঁসি কার্যকর হয়, কিন্তু উচ্চপর্যায়ের সম্পৃক্ততা নিয়ে এখনো বিতর্ক আছে। জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান এই ছায়া বহন করছেন। এ ঘটনা দেখায় যে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ ও সামরিক হুমকি কতটা বাস্তব।
-----------------------
খালেদা জিয়ার মৃত্যু: স্বাভাবিক না সন্দেহজনক?
খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান। দীর্ঘদিন লিভার সিরোসিস, কিডনি সমস্যা, হৃদরোগ ও অন্যান্য জটিলতায় ভুগছিলেন। হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের ব্রিফিং ও অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এটি স্বাভাবিক মৃত্যু। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা হয় এবং জিয়া উদ্যানে দাফন সম্পন্ন হয়।

কিছু মহলে দাবি করা হয় যে, তাকে অসুস্থ অবস্থায় অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, চিকিৎসক টিমে জামায়াত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন এবং “আগেই মারা গেছেন” বলে লাশ লুকিয়ে রাখা হয়েছে। কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অফার প্রত্যাখ্যান এবং তারেক রহমানের স্ত্রীর সঙ্গে ছবিতে AI ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। তবে নিরপেক্ষ সূত্র, হাসপাতাল রেকর্ড ও গণমাধ্যম প্রতিবেদন এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেয় না। দীর্ঘ অসুস্থতাই মৃত্যুর কারণ বলে স্বীকৃত। এ ধরনের গুজব রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়ায় কিন্তু প্রমাণিত ষড়যন্ত্র নয়। ষড়যন্ত্র মতামতের দাবি মৃত্যুর কারণ তদন্তর দাবি রাখে।
-----------------------
ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড: টার্গেটেড সহিংসতার উদাহরণ
২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান বিন হাদিকে মোটরসাইকেল আরোহীরা মাথায় গুলি করে। তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মারা যান। ডিবি তদন্তে চার্জশিট দিয়েছে; মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী) এবং গুলিকারী ফয়সাল করিমসহ অন্যদের নাম উঠেছে। কয়েকজন ভারতে পালিয়ে আছে।

হাদির মাথায় গুলির ধরন, হাসপাতালে পরিবারকে সীমিত অ্যাক্সেস এবং জানাজায় কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে সন্দেহ আছে। অনেকে এটিকে রাজনৈতিক টার্গেটেড কিলিং বলে মনে করেন। এ ঘটনা প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য এখনো সহিংসতায় রূপ নিতে পারে। তদন্ত চলছে এবং বিচারের দাবি জোরালো।
-----------------------
লাল টেলিফোনের তার কাটা: নিরাপত্তা দুর্বলতার সতর্কবার্তা
১ জুন ২০২৬ সালে সচিবালয়ের পুরোনো ২ নম্বর ভবন থেকে নতুন ১ নম্বর ভবন পর্যন্ত কপার ক্যাবল কাটা ও চুরির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর লাল (রেড) টেলিফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ লাইন ৭-৮ ঘণ্টা অচল হয়। বিটিসিএল সংযোগ পুনরুদ্ধার করে। থানায় জিডি হয়েছে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ তদন্ত করছে।

রেড টেলিফোন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এ ঘটনা সচিবালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা তুলে ধরেছে। বহিরাগতদের অবাধ চলাচল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য স্পর্শকাতর সংকেত।
-----------------------
সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর অভিযোগ ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের দাবি
ব্লিটজ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী দাবি করেছেন যে, ড. ইউনূস ফ্রান্সে গিয়ে ওয়াগনার গ্রুপ, আইআরএ এবং আন্তর্জাতিক ভাড়াটে খুনিদের সঙ্গে মিটিং করেছেন। পিনাকি ভট্টাচার্যের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য: তারেক রহমানকে হত্যা করে দায় শেখ হাসিনার ওপর চাপিয়ে দেওয়া। তিনি বলেন, তার কাছে প্রমাণ আছে কিন্তু নিরাপত্তার কারণে প্রকাশ করবেন না। তারেক রহমান চাইলে সরাসরি দেখাতে পারেন।

এগুলো গুরুতর অভিযোগ। তবে নিরপেক্ষ সূত্রে ওয়াগনার গ্রুপ বা ভাড়াটে খুনিদের সঙ্গে ইউনূসের যোগাযোগের কোনো যাচাইকৃত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। শোয়েব চৌধুরী এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের জন্য পরিচিত। তার কিছু বক্তব্য সত্য প্রমান হওয়ার নজিরও রয়েছে, কিছু বক্তব্য এখনো আলোর মুখ দেখেনি তবে অসত্য হয়েছে এমন নজিরও পাওয়া যাচ্ছে না। এসব দাবি আতঙ্ক তৈরি করতে পারে কিন্তু প্রমাণ ছাড়া গ্রহণযোগ্য নয়।
-----------------------
“এক ঢিলে দুই পাখি” এবং জনগণের ক্লান্তি
শোয়েব চৌধুরীসহ কেউ কেউ বলছেন, তারেক রহমানকে সরিয়ে দিয়ে দায় শেখ হাসিনার ওপর চাপিয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হবে। জুলাই বিপ্লবের পর “মব সরকার” থেকে নতুন সরকারে আসার দীর্ঘ লড়াইয়ে পর জনগণ ক্লান্ত। এক অস্থিরতা থেকে আরেক অস্থিরতায় যাওয়ার মতো শক্তি ক্লান্ত জাতির নেই। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। অপ্রমাণিত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়ে অস্থিরতা বাড়ানো উচিত নয়।
-----------------------
তারেক রহমানের নিরাপত্তা: বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা
তারেক রহমান লন্ডন থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর SSFসহ উচ্চমানের নিরাপত্তা পেয়েছেন। বুলেটপ্রুফ বাস ব্যবহারসহ বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লাল টেলিফোন ঘটনা অভ্যন্তরীণ হুমকির ইঙ্গিত দেয়। জিয়া ও খালেদার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে তার নিরাপত্তা বলয় আরও জোরদার করা উচিত। সিসিটিভি, ইন্টেলিজেন্স শেয়ারিং এবং প্রোটোকল আধুনিকায়ন জরুরি।
-----------------------
জাইমা রহমানের নিরাপত্তা জোরদারকরণ
তারেক রহমানের একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান পরিবারের পরবর্তী উত্তরসূরি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। তার নিরাপত্তায় CSF-এর নারী সদস্যসহ বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা দরকার। জাইমা নিজেও নারী নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাস বিবেচনায় তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা অপরিহার্য।
-----------------------
সতর্কতা, সত্যতা ও স্থিতিশীলতা
তারেক রহমানের জীবন নাশের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। লাল টেলিফোনের মতো ঘটনা বাস্তব হুমকির ইঙ্গিত দেয়। তবে অপ্রমাণিত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব (ওয়াগনার গ্রুপ, পিনাকি-ইউনূস মিটিং ইত্যাদি) ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরি করা জাতীয় স্বার্থবিরোধী। সরকারের উচিত স্বচ্ছ তদন্ত, নিরাপত্তা আধুনিকায়ন এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা প্রচার করা। জনগণের উচিত প্রমাণভিত্তিক তথ্য অনুসরণ করা।

পরিশেষে বলা যায়, তারেক রহমান লন্ডন থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন ব্যক্তি নয়। জাতির ক্রান্তি লগ্নে হাল ধারার জন্য একজন আইকন দরকার ছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় মি. রহমানকে বিভিন্ন যদি কিন্ত দ্বারা জনগণ নিয়ে এসেছে। ঘন্টাধিক সময়ের মধ্যে ভোটার হিসেবে তালিভুক্ত করে নির্বাচন করিয়ে জনপ্রিয়তার চেয়েও বেশি কিছু জনগণ দেখিয়ে তাকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। তার জীবনের সাথে দেশের ১৮+ কোটি মানুষের ভাগ্য জড়িয়ে রয়েছে। কতিপয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিপদগামী মানুষের চিন্তা ভাবনার শিকার হয়ে দূর্ঘটনা জাতি নিতে পারবে না। আগের সরকারের ভিশন ২০৪১ এখন গোলামীর ২০৪১ এ পতিত হয়েছে। কিন্তু তারেক রহমানের অবর্তমানে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ত কালের অন্ধকার গহব্বরে নিয়ে যাবে জাতিকে, যেখান থেকে আর ফেরা হবেনা।

বাংলাদেশের রাজনীতি যেন আর রক্তাক্ত না হয় — এটাই সকলের কাম্য। এক মব সরকারের ক্লান্তি থেকে বেরিয়ে স্থিতিশীল গণতন্ত্র গড়ে তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারের স্থিতিশীলতার জন্য আইন মেনে চলি, অন্যকে আইন মেনে চলতে উদ্ভুদ্ধ করি। নিরাপত্তা জোরদারকরণের পাশাপাশি জাতীয় ঐক্য ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানাই।

লেখক:
নিপুণ চন্দ্র, মফস্বল সম্পাদক, দৈনিক বর্তমান বাংলা। [email protected]

Address

Bauphal

8620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nipun Chandra - নিপুণ চন্দ্র:

  • Want your business to be the top-listed Photography Service?

Share