Beautiful Mosque in BD

Beautiful Mosque in BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Beautiful Mosque in BD, Photographer, Senbag, Noakhali.

মসজিদের নাম: বাবা আদম মসজিদবাংলাদেশে মসজিদের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মত। দেশের  আয়তনের কথা চিন্তা করলে বাংলাদেশেই মসজিদে...
27/09/2020

মসজিদের নাম: বাবা আদম মসজিদ
বাংলাদেশে মসজিদের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মত। দেশের আয়তনের কথা চিন্তা করলে বাংলাদেশেই মসজিদের ঘনত্ব গোটা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। আর শহরের হিসেবে বাংলাদেশের ঢাকা শহরে পৃথিবীর যেকোন শহরের তুলনায় বেশি মসজিদ রয়েছে। ঢাকা শহরের পার্শ্ববর্তি একটি জেলা হল মুন্সীগঞ্জ। এই মুন্সীগঞ্জেই অবস্থিত বাবা আদম শাহ মসজিদটি। মসজিদটি অত্যন্ত প্রাচীন একটি মসজিদ। ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের দিক থেকে শীর্ষস্থানীয় এক মসজিদ এইটি। আজ আমরা এই মসজিদটিরই বিভিন্ন বিষয় সম্বন্ধে জানবো।
অবস্থান এবং সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

বাবা আদম শাহ মসজিদ মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার দরগাবাড়ি গ্রামে অবস্থিত। এটি একটি অত্যন্ত সুপ্রাচীন মসজিদ। এ মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৪৮৩ সালে, অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছর আগে। এ মসজিদে এখনও নিয়মিত জামায়াতের সহিত নামায আদায় করা হয়। এ মসজিদের চত্বরেই রইয়েছে বাবা আদম (রহঃ) এর মাজার। ১৯৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগ এ মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে।
বাবা আদম (রহঃ)
১০৯৯ সালে বাবা আদম (রহঃ) সৌদি আরবের মক্কা নগর থেকে কিছুটা দূরের শহর তায়েফে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কিশোর বয়স থেকেই আধ্যাত্মিক জ্ঞান সাধনার দিকে ঝুঁকে পড়েন। এ লক্ষ্যে তিনি বড় পীর আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর কাছে দীক্ষা নিতে বর্তমান ইরাকের বাগদাদে চলে আসেন। এরপর তিনি আরব থেকে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে উপমহাদেশে আসেন।
তখন বাংলায় সেন শাসন আমল চলছিল। সেরকম সময়ে ১১৭৮ সালে বর্তমান বাংলাদেশের ধলেশ্বরীর তীরে মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমে আসেন আধ্যাত্মিক সাধক বাবা আদম। তখন এ এলাকাটি ছিল বল্লাল সেনের অধীনে।
জনশ্রুতি আছে যে, বল্লাল সেন ছিলেন অত্যন্ত অত্যাচারি এক শাসক। তিনি তার এলাকায় মসজিদে আযান দেয়া এবং গরু জবাই করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। কিন্তু বাবা আদম এসে সেই এলাকায় আবার গরু-মহিষ জবাই দিতে শুরু করলেন এবং মসজিদে আযান দিয়ে নামায পড়া শুরু করলেন। ফলে বল্লাল সেন আর বাবা আদমের মাঝে যুদ্ধ অবধারিত হয়ে দেখা দিল। সেই যুদ্ধে বল্লাল সেনের হাতে শহীদ হন বাবা আদম। যুদ্ধে পরাজিত হলেও ভাগ্যক্রমে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায় যার কারণে এলাকাটিতে মুসলিমদের কর্তৃত্ত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে এই জনশ্রুতিগুলোর অধিকাংশই ঐতিহাসিকভাবেই মিথ্যা প্রমাণিত। কারণ বল্লাল সেনের পরও তার কয়েক প্রজন্মের হাতে সেই এলাকার শাসনভার অর্পিত ছিল যা ঐতিহাসিক ভাবেই সত্য।

বাবা আদমের বিভিন্ন অবদানের জন্য তার মৃত্যুর প্রায় ৩০০ বছর পরে তার কবরের পাশে হিজরী ৮৮৮ বা, ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করা হয় বাবা আদম মসজিদ। এ মসজিদটি নির্মাণ করতে প্রায় ৪ বছর সময় লেগেছিল। সুলতান ফতেহ শাহর শাসন আমলে মালিক কাফুর এ মসজিদটি নির্মাণ করেন। যদিও বাবা আদম নামে সত্যিই কেউ ছিলেন কিনা তা নিয়ে অনেক ঐতিহাসিকই সন্দেহ প্রকাশ করেন। এর কারণ মসজিদটির শিলালিপিগুলোতে সেই আমলের অনেকের নাম থাকলেও বাবা আদমের নাম নেই। এমনকি কোন মাজারেরও উল্লেখ নেই সেইসব শিলালিপিতে। সেখানে মসজিদটির নাম লেখা রয়েছে ‘জামি মসজিদ’ হিসেবে।


মসজিদের বিবরণ
মসজিদটির ছাদে একই আকৃতির অনতিউচ্চ ৬ টি গম্বুজ রয়েছে। এর ভিত্তি এলাকার দৈর্ঘ্য ৪৩ ফুট এবং প্রস্থ ৩৬ ফুট। এর দেয়াল পুরটাই ইট এবং সুরকি দ্বারা নির্মিত। দেয়ালগুলো ৪ ফুট প্রশস্থ। ইটের আকার ৫ ইঞ্চি থেকে শুরু করে ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত। ইটগুলো লাল পোড়ামাটির তৈরি। এর সম্মুখে তিনটি খিলানের মত প্রবেশ করার পথ আছে। খিলানগুলোর শীর্ষদেশে মনোরম কারুকাজ আছে। এখানে ঝুলন্ত শিকল ও ঘন্টার অলংকরণ দেখা যায়। এ তিনটি পথের মাঝের পথটি এখন ব্যবহৃত হয়। মসজিদটিতে কোন বারান্দা নেই। মসজিদটিতে মোট ছয়টি কাতারের ব্যবস্থা আছে। মসজিদটিতে নিয়মিত জামায়াতে নামায হয়ে থাকে বলে স্থান সঙ্কুলান হয় না। তাই সামনের প্রাঙ্গনে কংক্রিট ঢালাই করে আরো সাতটি কাতারের জন্য প্রয়োজনীয় স্থান তৈরি করা হয়েছে।


মসজিদের দু’পাশে জানালা নেই। ফলে রৌদ্রজ্জ্বল দিনেও বেশ অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে মসজিদটি। মসজিদটি দেখতে অনেকটাই সুরক্ষিত দুর্গের মত। এর কারণ সম্ভবত যাতে ইবাদতে মশগুল থাকা অবস্থায় মুসলমাররা যাতে কারো হামলা বা, আক্রমণের শিকার না হন। মসজিদটি থেকে কয়েক গজ পূর্বেই বাবা আদমের মাজার। মাজারটি পঁচিশ ফুট বাহুবিশিষ্ট বর্গাকার আয়তনের। মাজারটির মঞ্ছ ইটের তৈরি।


মসজিদটির ভেতরের পশ্চিম দেয়ালের দিকে তিনটি অর্ধবৃত্তাকার অবতল মেহরাব আছে। মসজিদের চার কোণায় চারটি মিনার আছে। এ মিনারগুলোতে অলঙ্করণের কাজ আছে। পূর্ব দেয়ালে আরবি লিপির একটি শিলাফলকও চোখে পড়ে। এছাড়াও মসজিদটির দেয়ালে লতাপাতা, জ্যামিতিক নকশা, ঝুলন্ত প্রদীপ, শিকল, গোলাপ ফুল ইত্যাদির অত্যন্ত সুন্দর পোড়ামাটির নকশা আছে।
মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণ

বাংলাদেশ সরকারের ৬ টাকার ডাকটিকেটে বাবা আদম মসজিদ;
ভারতবর্ষের প্রত্নতত্ত্ব জরিপ বিভাগ ১৯০৯ সালে একবার মসজিদটি সংস্কার করে রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু পরবর্তিতে তা সেই কাজ আর তেমন আগায়নি। ১৯৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগ এ মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মসজিদটিতে লোহার তৈরি সীমানা বেড়া দেয়। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে এই বাবা আদম মসজিদের ছবি সংবলিত একটি ডাকটিকেট প্রকাশ করেছিল।
তথ্যসূত্র ও ছবি : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

Mosque Location: Mirpur, Dhaka.
02/11/2019

Mosque
Location: Mirpur, Dhaka.

লোকেশন: সোনারগাঁ, নারায়ণগন্জ
31/10/2019

লোকেশন: সোনারগাঁ, নারায়ণগন্জ

Bangladesh Korea Technical Training Centre Jame Masjid
25/09/2019

Bangladesh Korea Technical Training Centre Jame Masjid

শাহ আলী জামে মসজিদ, মিরপুর, ঢাকা।
02/01/2019

শাহ আলী জামে মসজিদ, মিরপুর, ঢাকা।

মুসা খানের মসজিদ বা মুসা খাঁর মসজিদ বাংলাদেশের ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর শহীদু...
09/09/2017

মুসা খানের মসজিদ বা মুসা খাঁর মসজিদ বাংলাদেশের ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর শহীদুল্লাহ হল ছাত্রাবাসের নিকটে ও কার্জন হলের পিছনে অবস্থিত। ধারণা করা হয় যে, এই মসজিদটি ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খান নির্মাণ করেন। ঢাকা শহরে বিনত বিবির মসজিদ এর পাশাপাশি এটি প্রাক-মুঘল স্থাপত্যের একটি নিদর্শন।
ইতিহাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল প্রাঙ্গণে শহীদুল্লাহ হলের উত্তর-পশ্চিম কোণে মুসা খাঁর মসজিদ নির্মিত হয় আনুমানিক ১৬৭৯ সালে।

মসজিদের পিছনে লেখা এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
নির্মাণ কৌশল
একটি উঁচু প্লাটফর্মের উপর নির্মিত মসজিদটির নিচতলায় কয়েকটি কক্ষ রয়েছে। এগুলোতে আগে মসজিদ সংশ্লিষ্টরা বাস করলেও এর সবগুলোই এখন পরিত্যক্ত। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির একটি গম্বুজে বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ঐ ফাটল দিয়ে গত বর্ষায় বৃষ্টির পানি মসজিদের ভিতরে পড়েছে বলে জানিয়েছেন মুসল্লিরা। মসজিদের পশ্চিম ও পূর্ব প্রাচীর প্রায় ৬ ফুট পুরু। উত্তর ও দক্ষিণ প্রাচীর ৪ ফুট পুরু। চার দেয়াল, ছাদ এবং গম্বুজ— সবকিছুতেই দীর্ঘদিন ধরে শেওলা জমে কালচে হয়ে গেছে। মসজিদের দুই মূল স্তম্ভে বড় ধরনের ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ইতিহাসবিদ আহমদ হাসান দানীর ‘ঢাকা:অ্যা রেকর্ড অব ইটস চেঞ্জিং ফরচুনস’ গ্রন্থে উল্লেখিত বর্ণনামতে, মসজিদটি মুসা খাঁর নামে হলেও স্থাপত্যশৈলী অনুযায়ী এটি শায়েস্তা খাঁর আমলে বা তারপরে নির্মিত হয়েছিল।

সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ। এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে ...
28/08/2017

সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ। এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'। এটি মোঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন। ১৬৮০ সালে মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ এর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করান। মসজিদটি লালবাগ দুর্গ মসজিদ এবং খাজা আম্বর মসজিদ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
অবস্থান
ঢাকার মোহাম্মদপুরে কাটাসুর থেকে শিয়া মসজিদের দিকে একটা রাস্তা চলে গেছে বাঁশবাড়ী হয়ে। এই রাস্তাতে যাওয়ার পথে পড়ে সাত গম্বুজ মসজিদ।
অভ্যন্তরভাগ
এর ছাদে রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ এবং চার কোণের প্রতি কোনায় একটি করে অনু গম্বুজ থাকায় একে সাত গম্বুজ মসজিদ বলা হয়। এর আয়তাকার নামাজকোঠার বাইরের দিকের পরিমাণ দৈর্ঘ্যে ১৭.৬৮ এবং প্রস্থে ৮.২৩ মিটার। এর পূর্বদিকের গায়ে ভাঁজবিশিষ্ট তিনটি খিলান এটিকে বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মিহরাব রয়েছে। দূর থেকে শুভ্র মসজিদটি অত্যন্ত সুন্দর দেখায়। মসজিদের ভিতরে ৪টি কাতারে প্রায় ৯০ জনের নামাজ পড়ার মত স্থান রয়েছে।
মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছে একটি সমাধি। কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি ‘বিবির মাজার’ বলেও খ্যাত। এ কবর কোঠাটি ভেতর থেকে অষ্টকোনাকৃতি এবং বাইরের দিকে চতুষ্কোনাকৃতির। বেশ কিছুদিন আগে সমাধিক্ষেত্রটি পরিত্যক্ত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। বর্তমানে এটি সংস্কার করা হয়েছে। মসজিদের সামনে একটি বড় উদ্যানও রয়েছে। মসজিদের পশ্চিম পাশে বাংলাদেশের বিখ্যাত মাদরাসা জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া অবস্থিত। একসময় মসজিদের পাশ দিয়ে বয়ে যেত বুড়িগঙ্গা। মসজিদের ঘাটেই ভেড়ানো হতো লঞ্চ ও নৌকা। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তা কল্পনা করাও কষ্টকর। বড় দালানকোঠায় ভরে উঠেছে মসজিদের চারপাশ।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর দেখাশোনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
even Dome Mosque is a mosque built in the Mughal period at Mohammadpur, Dhaka. The mosque has been named as 'Satgumbad Mosque' due to seven dome, including four minarets. This is one of the signs of the Mughal period. In 1680, during Mughal Subbaad Shaista Khan, his son Umed Khan built the mosque. The mosque is similar to Lalbagh Fort Mosque and Khwaja Ambar Mosque.
Location
A road has been moved from Katasur to Shia mosque in Mohammedpur, Dhaka, after being bamboo. The seven-domed mosque on its way to this road.
Interior
The roof has three big domes and one angle of every angle in the four corners is called the seven domes mosque. The outer side of its rectangular prayer is 17.68 in length and 8.23 ​​meters in width. The three arched folds on the east side make it quite attractive. There are three mihrabs on the west wall. The White Mosque from the distance looks very beautiful. There are about 90 people praying places in 4 quarters inside the mosque.
The mosque has an integral part in the east and it is a tomb. It is said, this is Shayesta's daughter's grave. The tomb is also known as 'Bibi Mazar'. The cemetery is octagonal and outer square cube from inside. The cemetery was abandoned and destroyed some days ago. Currently it has been reformed. There is also a large garden in front of the mosque. The famous Madrasa Jamia Rahmania Arabia is located on the western side of the mosque. Buriganga was once passed by the side of the mosque. Launch and boats were taken out of the mosque. But in the present situation it is difficult to imagine it. Around the mosque surrounded by big buildings
The Department of Archeology took responsibility for the care of.

কুতুব মসজিদ বা কুতুব শাহ মসজিদ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও বাংলাদেশের একটি...
28/08/2017

কুতুব মসজিদ বা কুতুব শাহ মসজিদ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটি সুলতানী আমলে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়।
ইতিহাস
কুতুব মসজিদটি আবিষ্কারের সময় এটিতে কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি বলে এর সঠিক নির্মাণকাল সম্পর্কে তেমন ধারণা পাওয়া যায় না। তবে স্থাপত্য রীতি ও আন্যান্য দিক বিবেচনা করে প্রত্নতত্ত্ববিদগণ ধারণা করেন এটি ১৬শ শতকে সুলতানী আমলে নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদটির পাশেই একটি কবর রয়েছে যা কুতুব শাহ-এর বলে ধরণা করা হয়ে থাকে। তার নামানুসারে মসজিদটিকে কুতুব মসজিদ বা কুতুব শাহ মসজিদ বলে ডাকা হয়। ১৯০৯ সালে তৎকালীন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে সংরক্ষিত হিসেবে নথিভুক্ত করে।
আবকাঠামো
চারকোণা কুতুব মসজিদের ৪টি কোণেই রয়েছে ৪টি বুরুজ যা অষ্টভূজাকৃতি। এটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে প্রশস্ত। অষ্টভূজাকৃতি বুরুজের উপর রয়েছে ৪টি মিনার। এছাড়াও মসজিদটিতে রয়েছৈ মোট ৫টি গম্বুজ। পশ্চিম দেয়াল ব্যতীত এর তিনটি দেয়ালেই প্রবেশপথ রয়েছে মোট ৫টি যার মধ্যে পূর্বে রয়েছ ৩টি।
কুতুব মসজিদের বাইরের দেয়ালে বিভিন্ন নকশা করা রয়েছে। সুলতানী আমলের এ মসজিদটির ছাদের কার্নিশ বক্রাকার। তৎকালীন ময়মনসিং অঞ্চলের এটিই টিকে থাকা সুলতানী আমলের সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ বলে ধারণা করা হয়।

Kutub Mosque or Kutub Shah Mosque is an archaeological site located in Ashtagram Upazila of Kishoreganj district and an ancient mosque of Bangladesh. The mosque is believed to be built during the Sultanate period.
History
There is no connotation about the exact construction of the Qutb mosque, when no inscription was found at the time of its discovery. But considering the architectural style and other aspects, archaeologists believe that it was built during the Sultanate period in the 16th century. There is a grave beside the mosque, which is believed to be of Qutb Shah. According to him, the mosque is called the Qutb Mosque or Qutb Shah Mosque. In 1909, the Department of Archeology registered it as a reserve.
Framework
The four-cornered kutub mosque has four towers in the four corners which are octagonal. It is wide on the north-south side and wide in the east-west. The octagonal tower has four minarets. There are also five domes in the mosque. Apart from the western walls, there are three main entrances on the three walls, three of them already.
The wall outside the Qutb Mosque has various designs. Curtain curtain on this mosque of the Sultanate period It is believed that this is the oldest mosque of the Sultanate period of the lasting period of Mymensingh region.

গুঠিয়া জামে মসজিদ, বরিশাল।
28/08/2017

গুঠিয়া জামে মসজিদ, বরিশাল।

বায়তুল মোনায়েম জামে মসজিদ, বনানী, ঢাকা, বাংলাদেশ।
28/08/2017

বায়তুল মোনায়েম জামে মসজিদ, বনানী, ঢাকা, বাংলাদেশ।

Address

Senbag
Noakhali
3862

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beautiful Mosque in BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category