Zafar iqbal

Zafar iqbal I am Zafar iqbal. I am Businessman. I love listening to music.

08/08/2025

আজকের ভৌতিক গল্প - শেষ স্টেশন...

গল্পের নাম: আয়নার মানুষটা…রিনার নেশা ছিল পুরনো জিনিস সংগ্রহ করার। একদিন পুরান ঢাকা থেকে সে একটা অদ্ভুত আয়না কিনে আনে—একট...
06/08/2025

গল্পের নাম:

আয়নার মানুষটা…

রিনার নেশা ছিল পুরনো জিনিস সংগ্রহ করার। একদিন পুরান ঢাকা থেকে সে একটা অদ্ভুত আয়না কিনে আনে—একটু ধূসর, পেছনের কাঠে অজানা সব খোদাই করা।

দোকানদার শুধু একটাই কথা বলেছিল,
�"রাতে আয়নার সামনে বেশিক্ষণ দাঁড়াইয়েন না।"

রিনা এসব বিশ্বাস করে না। আয়নাটা সে নিজের ঘরে লাগিয়ে রাখে। রাতের বেলা ঘুমোতে যাওয়ার আগে একবার চুল ঠিক করতে করতে আয়নার সামনে দাঁড়ায়। হঠাৎ সে দেখতে পায়—আয়নায় তার পিছনে আরেকটা ছায়া দাঁড়িয়ে! সে দ্রুত পিছনে ঘুরে দেখে, কেউ নেই।

রিনা ভাবে, চোখের ভুল।
�কিন্তু পরের দিন রাতে, ঠিক একই সময়ে আবার সে ছায়াটা দেখে—এইবার আরও স্পষ্ট। এক লম্বা লোক, মুখে ছায়া, শুধু একজোড়া জ্বলজ্বলে চোখ দেখা যায়।

রিনা ঘাবড়ে গিয়ে আয়নার ওপর কাপড় ঢেকে দেয়।
পরের দিন সকালে কাপড়টা খুঁজে পায় না। আয়না আবার খোলা। এবার সে খুব ভয় পেয়ে যায়। ফোনে বন্ধুকে ডাকে।
বন্ধু এসে বলে,
�"আয়নাটা খুব অদ্ভুত, এইটা সরাও এখান থেকে।"
রিনা বলে,
�"আজ রাতে একবার দেখতে চাই ওটা আসলে কী।"
রাতে, রিনা মোবাইল ক্যামেরা অন করে আয়নার সামনে বসে। ধীরে ধীরে সময় কাটে। হঠাৎ সে দেখতে পায়—আয়নায় সেই লোকটা আবার এসেছে, এবার তার এক হাত আয়নার কাঁচ ভেদ করে বের হচ্ছে… ধীরে ধীরে...
রিনা চিৎকার করতে না করতেই ক্যামেরা অফ। লাইট নিভে যায়।

পরদিন সকালে, পুলিশ এসে দেখে ঘর ভেতর থেকে বন্ধ। দরজা ভেঙে ঢুকে দেখে—ঘরে কেউ নেই।
শুধু আয়নার ভেতরে একটা মুখ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
আর সেই মুখটা... রিনার!

06/08/2025

শুধু ভয় আর ভয়

06/08/2025

নদীর বুকে মায়াবী ডাক Shamim Hossain

অধ্যায় ১: নতুন ভাড়াটিয়ারাফি শহরে নতুন এসেছে। সদ্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছে, আর অফিসের কাছাকাছি থাকার জন্য ...
05/08/2025

অধ্যায় ১: নতুন ভাড়াটিয়া
রাফি শহরে নতুন এসেছে। সদ্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছে, আর অফিসের কাছাকাছি থাকার জন্য মরিয়া হয়ে খুঁজছিল ভাড়া ফ্ল্যাট। কিন্তু শহরের ভাড়ার হার তার বাজেটের বাইরে।
হঠাৎ একদিন একটি পুরোনো বিল্ডিংয়ের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে—“দুই রুমের ফ্ল্যাট, খুব সস্তায়।”�সে অবাক হয়ে ফোন করে। মালিক, এক বৃদ্ধ, খুব কম কথা বললেন। শুধু বললেন,�“ভাড়া কম কারণ ফ্ল্যাটটা অনেকদিন খালি। তুমি চাইলে আজই দেখে যেতে পারো।”
ফ্ল্যাটে গিয়ে রাফি প্রথমেই অদ্ভুত এক ধরনের ঠান্ডা অনুভব করল। দেয়ালগুলো বিবর্ণ, কিন্তু ঘর পরিষ্কার। আলো কিছুটা ম্লান, যেন ঠিকভাবে ছড়াচ্ছে না।�মালিক এসে বললেন,�“এই ফ্ল্যাটে একটা নিয়ম আছে—রাতে বেশি আওয়াজ কোরো না।”�রাফি হেসে উড়িয়ে দিল।�“আমি একা থাকব, বেশি আওয়াজের প্রশ্নই নেই।”
সেদিনই চুক্তি সেরে ফেলল। ভাড়া ছিল অবিশ্বাস্যরকম কম, তাই দ্বিতীয়বার ভাবল না।
রাতের বেলা যখন সবকিছু গুছিয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, হঠাৎ খেয়াল করল—বিল্ডিংয়ের আশেপাশে যেন খুব কম শব্দ হয়। এমনকি দূরের গাড়ির আওয়াজও প্রায় শোনা যায় না।�“দারুণ তো,” নিজেকে বলল সে।�কিন্তু ঘুমোতে যাওয়ার আগে অদ্ভুত একটা বিষয় খেয়াল করল—�লাইট বন্ধ করার পর মনে হলো কেউ যেন রান্নাঘরের দিক থেকে ধীরে ধীরে হেঁটে আসছে।
সে উঠে দেখল—কেউ নেই।�প্রথম রাত বলে হয়তো মনের ভুল মনে করল।

অধ্যায় ২: প্রথম কণ্ঠ
দ্বিতীয় দিনটা স্বাভাবিকভাবেই কেটেছিল। অফিস থেকে ফিরে রাফি বাজার করল, রান্না করল, আর কিছুক্ষণ নেটফ্লিক্স দেখে ঘুমোনোর প্রস্তুতি নিল। প্রথম রাতের সেই অদ্ভুত অনুভূতিটা সে ভুলে গিয়েছিল।
রাত তখন প্রায় বারোটা। হঠাৎ রান্নাঘর থেকে একটা শব্দ ভেসে এলো—টং করে ধাতব কিছুর ঠোকাঠুকি।�রাফি প্রথমে ভাবল হয়তো থালাবাটি সরে গিয়ে মাটিতে পড়েছে।�কিন্তু গিয়ে দেখে সব ঠিকঠাক। এমনকি চুলাও বন্ধ।
সে কিছুটা বিরক্ত হয়ে নিজের ঘরে ফিরে এল। লাইট বন্ধ করে শুয়ে পড়ল।�মিনিট পাঁচেক যেতে না যেতেই হঠাৎ পিছন থেকে মৃদু একটা কণ্ঠ শোনা গেল—�“তুই আমার ঘরে কেন?”
রাফি চমকে উঠে বসল। প্রথমে ভেবেছিল হয়তো পাশের ফ্ল্যাট থেকে এসেছে।�কিন্তু সে জানে পাশের ফ্ল্যাট এখনো খালি। মালিকই বলেছিলেন।
নিজেকে বোঝাল—“সম্ভবত হ্যালুসিনেশন। ক্লান্তি থেকে হতে পারে।”�কিন্তু যতই বোঝাক, শরীরের শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা একটা স্রোত নেমে যাচ্ছিল।
ঘুম আসছিল না। সে লাইট জ্বালিয়ে ল্যাপটপে কাজ শুরু করল।�তারপর আবার সেই কণ্ঠ—এবার আরও কাছে, আরও স্পষ্ট:�“বল, আমার ঘরে কেন?”
রাফি লাফিয়ে উঠে দরজার দিকে দৌড় দিল। দরজা সাধারণত খোলা থাকে, কিন্তু এবার যেন কেউ ভেতর থেকে আটকে রেখেছে। যতই টানে, দরজা নড়ে না।
তখনই রান্নাঘর থেকে হালকা পায়ের আওয়াজ শোনা গেল—ধীরে ধীরে ঘরের দিকে এগিয়ে আসছে।

Next…

নদীর পাড়ের আতঙ্ক...গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে এক গভীর নদী। দিনের বেলায় সেখানে মাছ ধরা, নৌকা বাওয়া—সবই হয় স্বাভাবিক। কিন্ত...
05/08/2025

নদীর পাড়ের আতঙ্ক...

গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে এক গভীর নদী। দিনের বেলায় সেখানে মাছ ধরা, নৌকা বাওয়া—সবই হয় স্বাভাবিক। কিন্তু রাত নামলেই নদীর পাড় ফাঁকা হয়ে যায়। কারণ, সবাই জানে, সে জায়গায় কিছু একটা আছে।

একদিন গ্রামের ছেলে রহিম রাতে বাড়ি ফিরছিলো। শর্টকাট নিতে নদীর ধারে হাঁটতে শুরু করলো। হঠাৎ সে শুনতে পেলো—নৌকার বৈঠার ছপছপ শব্দ। কিন্তু নদীতে কোনো নৌকা নেই।
সে থেমে গেল। হঠাৎ কানে ভেসে এলো এক নারীকণ্ঠ, খুব করুণ স্বরে বলছে—
�“আমাকে কি পার করে দেবে?”

রহিম ভয় পেলেও সাহস করে বলল,
# # #“তুমি কে?”

নারীটি ধীরে ধীরে নদীর কুয়াশা থেকে বেরিয়ে এলো। তার সাদা শাড়ি ভিজে গেছে, চুল ঝুলে আছে কাঁধে, আর তার পা… পা দুটি উল্টো।
রহিম দৌড় দিলো প্রাণ বাঁচাতে। পিছন থেকে নারীর হাসি ভেসে এলো,�“আজ তুমি বেঁচে গেলে, কিন্তু আমি আবার আসব…”
সেদিনের পর থেকে কেউ আর রাতে নদীর পাড়ে যায় না।

শেষ ট্রেনের দেখারাতের শেষ ট্রেনে চড়ে ফিরছিল আরিয়ান। হঠাৎ দেখে বিপরীত সিটে বসা মেয়ে কাঁদছে। জিজ্ঞেস করতেই জানল, মেয়েটার ন...
05/08/2025

শেষ ট্রেনের দেখা

রাতের শেষ ট্রেনে চড়ে ফিরছিল আরিয়ান। হঠাৎ দেখে বিপরীত সিটে বসা মেয়ে কাঁদছে। জিজ্ঞেস করতেই জানল, মেয়েটার নাম মেহরিন, আর সে শহর ছেড়ে নতুন জীবনে পা দিতে যাচ্ছে।

আরিয়ান বলল,
�"কখনও কখনও নতুন পথে হাঁটার সময় একজন অচেনা মানুষই সাহস দেয়।"
�দীর্ঘ আলাপের পর নামার আগে মেহরিন বলল,
�"হয়তো আর কখনও দেখা হবে না, কিন্তু আজ তুমি আমার রাতটাকে সুন্দর করলে।"
�এক বছর পর তারা আবার দেখা পেল একই ট্রেনে—এবার তারা নামেনি আলাদা হয়ে।

05/08/2025
04/08/2025

বর্ষার এক রাতে.... ভৌতিক গল্প পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Address

Walia, Lalpur
Natore
6420

Opening Hours

Monday 08:00 - 13:00
16:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 13:00
16:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 13:00
16:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 13:00
16:00 - 22:00
Friday 08:00 - 12:33
Saturday 08:00 - 13:00
16:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 13:00
16:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zafar iqbal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category