※বিদ্যা অনন্ত, জীবন সংক্ষিপ্ত ※

※বিদ্যা অনন্ত, জীবন সংক্ষিপ্ত ※ নিজে ভালো থাকি,
অন্যকে ভালো রাখি ৷

01/03/2026

মানুষ চিরকাল পৃথিবীর মর্গে দাঁড়িয়ে থাকে,
তার নিজের লাশের অপেক্ষায়।
- মির্জা গালিব 🌟

📢📢📢✨✨✨🔰〰️〰️〰️ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা 〰️〰️〰️🔰অনেকেই আমাকে আ'ই'ডি বা ফোনে পাচ্ছেন না, এর কারণ হলো—✔️ আমার দ্বিতীয় আ'ই'ডি এখনো ...
01/10/2025

📢📢📢
✨✨✨

🔰〰️〰️〰️ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা 〰️〰️〰️🔰

অনেকেই আমাকে আ'ই'ডি বা ফোনে পাচ্ছেন না, এর কারণ হলো—
✔️ আমার দ্বিতীয় আ'ই'ডি এখনো খোলা হয়নি।
✔️ নতুন আইডি খোলার পর আপনাদের এই পেইজ থেকেই জানানো হবে।

🚫 এর বাইরে যদি কোনো নতুন আইডি আমার ছবি ব্যবহার করে বা সন্দেহজনক মনে হয়—
👉 অনুগ্রহ করে আমার WhatsApp নাম্বার বা এই পেইজের Messages জানাবেন।

📌 নাম্বার বন্ধ থাকার কারণ:
🔸 আমার আ'ই'ডি চলে যাওয়ার কারণে মন ভালো থাকে না।
🔸 তাই মাঝে মাঝে নাম্বার ব*ন্ধ রাখি।
🔸 এভাবেই থাকবে, নতুন নাম্বার না নেওয়া পর্যন্ত।

📞 তবে খুব বিশেষ প্রয়োজন হলে
👉 আমার WhatsApp নাম্বারে কল বা SMS করবেন।

🤝 আপনাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।

✨✨✨
📢📢📢
✍️ এ.এস.কে সুলাইমান কবির
ফুলপুর হেল্পলাইন - Phulpur Helpline

এ্যামিন পোষ্ট...

19/08/2025

ডাকসু যদি প্রতিবছর অনুষ্ঠিত না হয় তাহলে যতো ভালো ক্যান্ডিডেটই ভিপি থেকে শুরু করে সদস্য হোক
শিক্ষার্থীদের কোনো লাভ নাই। লাভ শুধু যে ভোটে দাড়ালো আর যে জিতলো তাদের।

কেন?

নিয়মিতভাবে যখন এই গণতান্ত্রিক চর্চা হবে না তখন পোলাপাইন 'তেল তুল' দিয়ে 'সহমত ভাই' টাইপ জিনিস চর্চা করবে বেশি যাতে নেতা হওয়া যায়।

অনেকেই নেতা হতে চায়। অনেকের মধ্যে অন্যতম হতে চায়। যখন গণতান্ত্রিক ভোটের মাধ্যমে নেতা ইলেকশন হবে না তখন সেসব ছেলেমেয়ে নেতা হওয়ার জন্য 'তেল' আর 'সহমত ভাই' চর্চাতে লিপ্ত হবে।

কিন্তু প্রত্যেক বছর একই সময়ে যদি নিয়ম অনুযায়ী ডাকসু ইলেকশন হয় তখন স্টুডেন্ট রা 'সহমত ভাই' চর্চা থেকে বের হয়ে সাধারণ স্টুডেন্টদের সামনে ভালো কাজ করে নিজের ক্রিয়েটিভিটির মাধ্যমে জনপ্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। ভালো কাজের প্রতিযোগিতা শুরু হবে। ক্যাম্পাস একটা ভালো পরিবেশ পাবে।

আর অনিয়মিত ভাবে ডাকসু হইলে কাজের কাজ কিছুই না। যারা ভিপি জিএস হবে এনাদের নিয়ে নিউজে বিরাট চমকপ্রদ হেডলাইন হবে শুধু।
তারা হাটছেন, বলছেন, আসলেন ,গেলেন, ধাওয়া খেলেন এসব নিউজই হবে। আস্তে আস্তে জাতীয় নেতা হবেন। এই আর কী

তাই,প্রতিবছর ডাকসু নির্বাচন চাই।

যেসব প্রার্থীরা এটাই চান আমার ভোটটাও তার
© @ফারহান সাদিক

ধোঁকার" বাজার-  ঢুকলাম হঠাৎ 'ধোঁকা' খেয়ে— জিজ্ঞেসার হাসি ভেসে আসে: খুঁজছো কি? মরীচিকা, নাকি অন্ধকারের ছায়া? আমি, মায়ের ভ...
04/08/2025

ধোঁকার" বাজার- ঢুকলাম হঠাৎ 'ধোঁকা' খেয়ে—
জিজ্ঞেসার হাসি ভেসে আসে:
খুঁজছো কি? মরীচিকা, নাকি অন্ধকারের ছায়া?

আমি, মায়ের ভালোবাসা- বলতেই,
'গুপ্ত বিক্রেতা বলে উঠে,
"এতো দামি জিনিস এইখানে পাবে কয়? বাকি সব আছে।
চাও যদি সৎ মায়ের ভালোবাসা দিতে পারি।

ওই যে, ঐদিকে আছে, ঘুরে দেখো 'প্রেমের দোকান', হৃদয়-আকাঙ্ক্ষার নিলাম;
ওদিকে আছে 'বন্ধুত্বের স্টল',বারুদ ঠাসা!
মডার্ন প্রেম ডিসপ্লেতে আছে - শর্তাদির পাতায় আবেগ ভাসা।"
কোনো দোকানে 'সম্মান' সাজানো শেলফে বাঁধা দামে,
কিছুক্ষন পরপর.. ফেসবুক ফেসিয়ালও পাবে।
'ভালোবাসি' বলার পরেও প্রেমিক/প্রেমিকার,
এই শব্দটিও বিক্রি হয় এইখানে "দুই, এক টাকা দামে।"

বিক্রেতাকে বললাম,
এইখানে প্রকৃত শব্দটা কি কোথাও নেই?
বিক্রেতা হেসে বলে, 'মা' শব্দটার দাম কে দিতে পারবে?
ওটা তো খাঁটি ফসল, বাজারের ফসলি জমিতে হয় না সে।"

চোখে একটু বিষাদ মিশে বলি ,
'ভাই, ওই প্রকৃত জিনিসটার মালিকানা এইখানে কেউ নেই না?.সম্ভব না, তার জন্য , ভাঙতে হবে বাজারদারি সব নিয়ম-কানুন।
'এই বাজার বন্ধ হয়ে যাবে চিরতরে।
মার ভালোবাসার মূল্য এতো বেশি-
এই বাজারের সব কিছু বেচে দিলেও তার এক চিলতে হাসির দাম হবে না।

বললাম, 'কেন? এত রকম ভালোবাসা, শুধু ওটাই নেই কেন?'
'গুপ্ত বিক্রেতা হেসে বলে, 'ওই ঋণ বোঝার নয়, শোধ হয় না কোনো মূল্যে।"

"বিক্রেতা কাঁদো কাঁদো মুখে ভেসে আসে,
'যার আছে সেই জানে, ওই ভালোবাসার দোকান শুধু মায়ের হৃদয় মধ্যখানে।"

তবুও 'ধোঁকার বাজার থেকে "কিনলাম এক মুঠো 'ভালোবাসা,
ফুরিয়ে গেলো হাতে নিবার আগে,।

বিক্রেতা শেষে বলল,
'শোনো একটি কথা, যে ভালোবাসা বেচা-কেনা যায়, তা কখনোই 'মা' হতে পারে না।'"

————
"ধোঁকার" বাজার।
সাজিদুল্লাহ ফরহাদ।

01/08/2025

ডারউইনের ডায়েরিতে লেখা— 'মানুষের পিঠে বানরের ছায়া ছিল;
রমণীর চোখের কোণে ভাসে যখন স্নিগ্ধ শিশির...
আমার স্তব্ধ দৃষ্টিতে জেগে উঠা বিস্মিত প্রশ্ন?
'তুমি কি সেই মহান শিল্পীর ছোঁয়ায় গড়া,
"রূপকথার গল্প"?

যার পুনর্থ কোনো বিবর্তনের খামখেয়ালি ধারণা বাঁধা গল্প নয়, বলে?!
তুমিই তো সেই;- আদি বাগানে ফোটা প্রথম গোলাপ!?
যার পাপড়িতে লেগে আছে এখনও বিবি 'হাওয়া'র নিঃশ্বাসের সুগন্ধ।

জীবনের আদিলিপির অক্ষরে একটু একটু জড়ো করে,,
সাজিয়ে দিলো কে তোমায় দৃষ্টির সোনালী পাণ্ডুলিপির গ্রন্থিতে?

বিবর্তনের সোপান গুনে বিজ্ঞান বলে—
'জলে-স্থলে রক্তের ইশারা',
কিন্তু অসিমের সৃষ্টি, প্রেমের খাতায় আমি লিখি — 'তোমার শরীরে নদী, পাহাড়, অরণ্যের ভাষা'।"
তোমার চোখের জলে ভেসে যায় কালের সব হিসাব-নিকাশ...
তুমি তো সেই নক্ষত্রঝরা রাতের অসমাপ্ত গল্প,
যার চোখের কোণে ভেসে, সাগর হয়ে উঠে "জন্মনীল"!

তোমার নিঃশ্বাসে ফোটে গ্রীষ্মের গোলাপ,
আন্টার্কটিকার বরফে নামে উষ্ণতা —
তুমিই কি সেই সন্ধ্যা যার শেষ রোদে গলেছে আকাশ নীলিমার রঙে?
নাকি সেই শিশিরের ঘামে ফোটা পদ্ম—
যার ফিল্ট্রামে জমে উঠে প্রাচীন সমুদ্রের মুক্তো-ঝরা শিশির।
তোমার রহস্য কোনো ভ্যান গগের ব্রাশের আঁচড়ে আঁকা নয়— যে..
সায়ানাইড নীল মেশে সূর্যাস্ত লাল গহবরে হারিয়ে যাবে ,
অথবা একটু ঝোড়ো-হাওয়াই— অন্ধকারে বিষাদ জমে, ক্রিসেন্ট-এ ক্ষয় হবে।

হে,, মহান চিত্রস্রষ্টা, তোমার তুলির এই বর্ণিল রঙে,,
কাব্যের কোন অলক্ষ্য ছন্দে রাঙায় নীরব ক্যানভাস?"

——————
রূপকথার গল্প।
সাজিদুল্লাহ ফরহাদ।

, বন্ধুত্বতের কোন তুলনা হয় না😅🫶মাইলস্টোনে দূর্ঘটনার পর বেঁচে যাওয়া একজন ছাত্র তার আ*হত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেকে ফিরিয়ে আনত...
22/07/2025

, বন্ধুত্বতের কোন তুলনা হয় না😅🫶

মাইলস্টোনে দূর্ঘটনার পর বেঁচে যাওয়া একজন ছাত্র তার আ*হত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেকে ফিরিয়ে আনতে গিয়েছিল।

ফায়ার ব্রিগেডের অফিসার বাধা দিয়ে বললেন, "এর কোনো লাভ নেই! তোমার বন্ধু অবশ্যই মা*রা যাবে"।

কিন্তু ছাত্র'টি তখনও গিয়ে তার বন্ধুকে একা একা ফিরিয়ে আনল।

মৃ*তদে*হ দেখে ফায়ার ব্রিগেডের অফিসার বলে, "আমি তোমাকে বলেছিলাম এর কোন মূল্য নেই। সে মা*রা গেছে"।

ছাত্র'টি উত্তর দেয়: 'না স্যার, এটা সত্যিই মূল্যবান ছিল। যখন আমি তার কাছে গেলাম, সে তখনও জীবিত ছিলো - আমার বন্ধু আমাকে দেখে, হাসল এবং তার শেষ কথাটা বলল:

"আমি জানতাম তুমি আসবে"!

18/06/2025

মনে রেখো.. 🧠✨
যে তোমাকে ভরসা করে 🤝💖
বিশ্বাস করে 🙏🕊️
তাকে ধোকা দেওয়া 😔⚠️🚫
ওটাই কুফরি ❌🛑🔥

দয়াকরে ২ মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন। চরম লেভেলের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে👇আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যা...
09/02/2024

দয়াকরে ২ মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন। চরম লেভেলের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে👇

আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যাক্টরি, শত কোটি টাকার উপর ব্যাংক লোন। এক মুহূর্তের জন্য শান্তি নেই। সারাদিন ব্যাস্ত দুনিয়ার পেছনে। একদিন তাঁর অফিসে বসে গল্প করছিলাম, এমন সময় তাঁর এক কর্মচারী আসল। তার কোন কারণে কিছু টাকার দরকার। সে ইনিয়ে বিনিয়ে বলল, সে অত্যন্ত অভাবী ব্যক্তি, তাঁকে সাহায্য করার জন্য।

আমার বন্ধু হেসে বলল ''যদি অভাবের কথাই বলতে হয়, এই পুরো অফিসে আমার চেয়ে অভাবি আর কেউ নেই। আমরা একটু থতমত হয়ে গেলাম। আমি বললাম 'আমাদের সবার মিলিয়ে যত সম্পদ আছে তোর একারই তার বেশি আছে।'

সে বলল তোদের একটা গল্প শুনাই। তাহলেই আমার অভাবের রহস্য বুঝবি।
এক বিশাল ব্যবসায়ি, তাঁর সবই আছে খালি শান্তি নেই। খালি হাহাকার আর টেনশান। চিন্তায় মাথার চুল একটাও বাকি নেই। সে একদিন দেখল তাঁর অফিসের পিয়ন টেবিল মুছছে আর গুনগুন করে গান গাচ্ছে।

সে পিয়নকে দেকে বলল এই যে তুমি মনে মনে গান গাও, তোমার কি অনেক সুখ, তোমার মনে কি কোন দুঃখ নেই, কোন হতাশা নেই?।

পিয়ন বলে না, হতাশা কেন থাকবে স্যার, আপনি যা বেতন দেন তাদিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমার ভালই চলে যায়। আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই।

ব্যবসায়ী তো আরো টেনশানে পড়ে গেলেন। ওনার ম্যানেজারকে ডেকে বললেন, আমার সব আছে কিন্তু শান্তি নেই, আর ওই লোককে আমি সামান্য কয়টা বেতন দেই, সে আছে মহা সুখে, এর রহ্স্যটা কি?

ম্যানেজার বলল , রহস্য বললে বুঝবেননা। সত্যই যদি বুঝতে চান তাহলে, ওই পিয়নকে প্রমোশান দিয়ে একটা বড় পোস্টে দিন। আর তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে দিন। এরপর দেখুন।

ব্যবসায়ি তাই করল। এতোগুলো টাকা, আর এতবড় চাকরি, পেয়ে পিয়ন আনন্দে আত্মহারা। বাসায়ও সবাই খুশি। যেহেতু এখন অফিসার হয়ে গেছে, এখন তো আর টিনের ঘরে থাকা যায়না। কলিগরা কি মনে করবে।

প্রথমেই বাসা পরিবর্তন করে আরেকটু অভিজাত এলাকায় এপার্টমেন্টে উঠলো। দেখল, বিল্ডিং এর সবাই সন্তানকে বড় স্কুলে পাঠায়, তাই বাচ্চার স্কুলও চেঞ্জ করতে হল। কিছুদিন পড় বউ ঘ্যনঘ্যন শুরু করলো সবার বাসায় কত দামি আসবাব, ফ্রিজ, টিভি, আর আমাদের বাসায় কিচ্ছু নেই। ওগুলোও কিনতে হোল। এরপর শুরু হোল বাচ্চার প্রাইভেট টিউশান, নানা রকম দাবি দাবা। আগে ঈদে একজোড়া জুতা পেয়েই সবাই কত খুশি হত, আর এখন প্রতি মাসে একজোড়া দিলেও তৃপ্তি নেই।

যেহেতু সে এখন বড় চাকরি করে , পরিবারের সবার তাঁর কাছে প্রত্যশাও অনেক। সাধ্যমত চেষ্টা করে, তাও সবার চাহিদা মেটাতে পারেনা। আত্মীয় স্বজন বন্ধু গন তাকে অহংকারি ভেবে দুরে সরে গেলো।

এদিকে অফিসের সবাই ফ্ল্যাট/ প্লট এ বুকিং দিচ্ছে। বৌ সারাদিন বাসায় খোটা দেয় , তোমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা। ছেলেমেয়র ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সে চাকরির ফাকে একটা দুইটা টিউশানি করা শুরু করলো। তাতেও কিছু হয়না। নানাবিধ টেনশান আর দুশ্চিন্তায় তারো মাথার চুল আসতে আসতে কমতে লাগলো।
ব্যবসায়ি লক্ষ করলেন ব্যপারটা। উনি বললেন কি ব্যপার , তোমাকে এতো বড় প্রমোশান দিলাম, এতো টাকা দিলাম, আর এখন দেখি তুমি আগের মত আর প্রাণবন্ত নেই। ঘটনা কি?

সে বলল স্যার , কিছু দুনিয়াবি সম্পদ দিয়েছেন, কিন্তু তাঁর সাথে যে এতো চাহিদা আর অভাব আসবে তাতো আর বুঝিনি। আগে আমার কিছুই ছিলনা, অভাবও ছিলনা। আর এখন যেদিকেই তাকাই , খালি নাই আর নাই। আগে আমার অভাব পড়লেও সেটা ছিল এক দুই হাজারের ব্যপার। কোন ভাবে মেটান যেত। আর এখন আমার অভাব লক্ষ কোটি টাকার। এটা কিভাবে মেটাবো সে চিন্তায় আমার এখন আর রাতে ঘুম আসেনা স্যার।

ব্যবসায়ি বলল, এতদিনে বুঝলাম, আমার মুল অসুখ। একটাকার সম্পদের সাথে ২ টাকার অভাব আসে। যতই দুনিয়ার পিছনে ছুটি ক/ বরের মাটি ছাড়া এই অভাব আর অন্য কিছু দিয়েই পূর্ণ হবেনা।
---------------------------------------------------

আদম সন্তানের যদি স্বর্ণে পরিপূর্ণ একটি উপত্যকা থাকে, তবে সে (তাতে সন্তুষ্ট হবে না, বরং) আরেকটি উপত্যকা কামনা করবে । তার মুখ তো (ক/ বরের) মাটি ছাড়া অন্য কিছু দ্বারা ভর্তি করা সম্ভব নয় । যে আল্লাহর দিকে রুজু করে আল্লাহ তার তওবা কবূল করেন - [বুখারী]

জাতির ভবিষ্যত
আজ মোবাইলের কারণে পরিবারের মধ্যে একে অপরের সাথে, ভালো সুসম্পর্ক নেই।

মোবাইলে ব্যস্ত থাকায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়না, কারো সাথে ভালোভাবে কথা বলার সময় নেই। ফলে সবার উপর থেকে সম্মান, স্নেহ, ভালবাসা, গুরুত্ব সবই কমে যাচ্ছে। তাই বলছি আসুন আমরা সবাই সচেতন হই। পরিবারকে ভালোবাসবো, ভালো রাখবো। ইনশাআল্লাহ

collected

09/02/2024

Address

Mymensingh
2250

Telephone

1615960726

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ※বিদ্যা অনন্ত, জীবন সংক্ষিপ্ত ※ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ※বিদ্যা অনন্ত, জীবন সংক্ষিপ্ত ※:

Share