Ek Mutho Swopno

Ek Mutho Swopno Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ek Mutho Swopno, Mymensingh.

10/04/2026

কখনো কখনো আমার মনে হয়, যদি তোমার ভালোবাসা পেতাম, তাহলে আমার জীবন সুন্দর হতে পারত।
কিন্তু এখন দুঃখ আর কষ্ট এত বেশি যে, তোমার চোখের আশ্রয়েও হয়তো তা কমত না।
তুমি আর নেই, তাই তোমার দুঃখও নেই, তোমাকে খোঁজার ইচ্ছাও নেই—শুধু জীবনটা কোনোভাবে চলে যাচ্ছে।
এমন একটা অবস্থা— না কোনো পথ আছে,
না কোনো গন্তব্য,
না কোনো আলোর দিশা…
আমি অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছি।
জানি, একদিন হয়তো পুরোপুরি হারিয়ে যাব…
তবুও মাঝে মাঝে তোমার কথা মনে পড়ে।

07/04/2026

বড় হয়ে উঠাই যেন সমস্ত কষ্টের কারণ।
অগাধ আত্মসম্মান বোধের দেয়ালে জমা হতে থাকে ভারি ভারি সব চাপা আর্তনাদ।

বড় হওয়ার সাথে সাথে এমন আরো অনেক অপারগতায় আটকে যাওয়াই যেন, জীবন।
আমি সেই মানুষটা আর নেই...

03/04/2026

কাওরানবাজার মেট্রো স্টেশন থেকে দক্ষিণ বনশ্রী যাব। উবারে একটা মোটরসাইকেল বুক করলাম। যে ছেলেটা বাইক নিয়ে এলো আমার চেয়ে বয়সে বেশ ছোট হবে।

খুব অল্প কথা বলে। যতোটুকু না বললেই না, ততোটুকুই বলে। কিছু জিজ্ঞেস করলে কেবল মাথা নেড়ে জবাব দেয়, কিছু বললে চুপ থাকে। বোঝা যাচ্ছে তার কথা বলার আগ্রহ নেই। বেশ কয়েকটা সিগন্যালে জ্যামের মধ্যে মাথা নীচু করে বসে রইলো।

এর মধ্যে কয়েকজন উল্টো-পাল্টা গাড়ি চালিয়ে তার বাইকে লাগিয়ে দিতে নিয়েছিলো। সে ভ্রুক্ষেপ না করে, গালিগালাজ না করে, ফিরেও না তাকিয়ে বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলো। এক মোড়ে তো সিনজিওয়ালা হর্ন না দিয়েই জোরে তার বাইকে লাগিয়ে দিতে নিয়েছিলো। সে শুধু জোরে বাইকটা ব্রেক করে আবার চালানো শুরু করে দিলো। বাংলাদেশে যেখানে রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে জ্যাম লাগিয়ে ঝগড়া করা আমাদের ঐতিহ্যের অংশ, সেখানে ছেলেটাকে একদম আলাদা লাগছিলো।

এক ঘণ্টা লাগল বনশ্রী যেতে। নামার কিছুক্ষণ আগে তার বাইকের একটা মিরর গ্লাস হুট করে রাস্তায় পড়ে গেলো। সে বাইক থেকে নেমে সে গ্লাস রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিলো। নামার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলাম, বিলটা যেন কত?

সে অন্যদিকে ফিরে কোনো কথা না বলে মোবাইলের স্ক্রিনে বিল দেখালো। আমি কিছু টাকা বাড়িয়ে দিলাম। সে কিছু না বলে টাকাটা নিলো। আমার বিল আরেকটু বাড়িয়ে না দেয়ার জন্যে মন খারাপ ছিলো কিছুক্ষণ।

কতো অল্পবয়সী একটা ছেলে! দেখতেও ভালো। অথচ মনে হলো জীবনের প্রতি যেন তার সকল আগ্রহ হারিয়ে গেছে। চেহারা কেমন যেন নিষ্প্রভ হয়ে গেছে!

আল্লাহ তা'আলা জগতের সকল দুঃখী জীবের দুঃখ আসান করুন।

26/03/2026

মানুষের ইনসিকিউরিটি আসলে খুব অদ্ভুতভাবে কাজ করে। বাইরে থেকে বোঝা যায় না—ভেতরে ভেতরে সেটা চরিত্র, আচরণ, এমনকি সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে।

ছোটবেলা থেকে যে মানুষটা আদরের অভাবে বড় হয়—যার কাঁধে কেউ হাত রাখেনি, যার সাফল্যে কেউ চোখ ভিজায়নি—সে মানুষটা ভেতরে ভেতরে একটা শূন্যতা নিয়েই বড় হয়।

আবার এমনও আছে, যার দেখানোর মতো কোনো অর্জন নেই—না নিজের কাছে, না সমাজের কাছে। সে তখন নিজের ভেতরের সেই শূন্যতাকে সাময়িকভাবে ঢাকতে শেখে, কখনো নীরবতায়, কখনো ভান করা আত্মবিশ্বাসে।

তারপর হঠাৎ একদিন—হয়তো একটা চাকরি, একটা পদ, কিছু টাকা, বা সামান্য সামাজিক স্বীকৃতি—কিছু একটা সে পেয়ে যায়।

সেখান থেকেই শুরু হয় আসল নাটক।

সে আর অর্জনটাকে উপভোগ করে না—সে সেটাকে প্রদর্শন করতে থাকে। বারবার, প্রকাশ্যে, অপ্রকাশ্যে, কথায়, আচরণে। যেন নিজেকে বোঝাতে চায়—“দেখো, আমিও পারি… আমিও কিছু একটা।”

তার অবস্থা তখন অনেকটা সেই চড়ুই পাখির মতো, যে রাজার আধুলি চুরি করে এনে প্রতিদিন নিজের মনে জপে—
“রাজার আছে যেই ধন, আমারও আছে সেই ধন।”

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো—সে আসলে অন্য কাউকে না, নিজেকেই বোঝাতে চায়। কারণ ভেতরে ভেতরে সে এখনও বিশ্বাস করতে পারেনি যে সে সত্যিই ওই জায়গার যোগ্য।

এই ধরনের মানুষদের আপনি সহজেই চিনতে পারবেন— যে ছোট একটা সাফল্যকে বারবার গল্প বানায়, যে প্রতিটা কথায় নিজের অর্জনের প্রসঙ্গ টেনে আনে, যে সামান্য ক্ষমতা পেলেই সেটা প্রয়োগ করার সুযোগ খোঁজে।

কারণ তার জন্য অর্জনটা গন্তব্য না—ওটা একটা প্রমাণ; নিজেকে প্রমাণ করার ব্যর্থ, ক্লান্তিকর চেষ্টা।

অথচ যাদের ভেতরটা পূর্ণ, যাদের আত্মসম্মান ভেতর থেকেই তৈরি—তারা অর্জনকে খুব স্বাভাবিকভাবে নেয়। তারা দেখাতে চায় না, তারা হতে চায়।

শেষ পর্যন্ত পার্থক্যটা খুব সূক্ষ্ম—

একদল মানুষ অর্জনকে ব্যবহার করে নিজের শূন্যতা ঢাকতে, আরেকদল মানুষ অর্জন ছাড়াও পূর্ণ থাকে।

ইনসিকিউরিটি আসলে এখানেই—যেখানে আপনি যা পেয়েছেন, তার চেয়ে বেশি আপনি সেটা “দেখাতে” ব্যস্ত।

21/03/2026

**“সময়ের কাছে মানুষ ভীষণ অসহায়…
আর মানুষের জীবনেও থাকে কিছু প্রিয় মানুষ,
যাদের কাছে আমরা ঠিক সময়ের মতোই অসহায় হয়ে পড়ি।
পাওয়া-না পাওয়ার মাঝেই জীবন এগিয়ে চলে,
তবুও কিছু না-পাওয়া
মনের ভেতর আজীবন কাঁটার মতো বিঁধে থাকে।
সেই না-পাওয়া স্মৃতিগুলোই আমরা নিঃশব্দে যত্ন করে আগলে রাখি…”**

16/03/2026

বলা হয়েছে, গীবতকারীকে লাইলাতুল কদরেও ক্ষমা করা হবে না যতক্ষণ না সে তার (যার নামে গীবত করা হয়েছে) কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।

আমি একজন মানুষ, আমি হয়তো গীবত করেছি বা আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছি তাই আমি বিনীতভাবে আপনাদের সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।

আমি দুঃখিত, আপনাকে যে সমস্ত ব্যথা দিয়েছি তার জন্য এবং আপনি যদি কোনও দিন কাঁদেন অথবা আমার কারণে খারাপ অনুভব করে থাকেন তার জন্যও। আমাদের আত্মা পরিষ্কার করা ভাল যাতে আমাদের রোজা এবং দোয়া আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) কবুল করেন। আমি আপনার জন্য দোয়া করব, ইন শা আল্লাহ।

এক‌ইসাথে আমার সম্মুখে বা অজ্ঞাতে আমার সমালোচনা বা গীবত করেছেন.....আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম..

আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন।
রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে রহমত, বরকত, হিদায়াত, ঈমান, তাকওয়া ও সবর দান করুন।
আমীন।

25/02/2026
19/02/2026

জীবনের সব আশায়
হতাশার আলিঙ্গনে
ঘুণ ধরা স্বপ্নগুলো
সব যেন এলোমেলো...

17/02/2026

সব দুঃখ বলা যায় না, কিছু কষ্ট নীরবতাতেই বাঁচে...

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ek Mutho Swopno posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share