Foysal Duke

Foysal Duke Nothing important...
Just symple.

11/02/2026

যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়েন, কিন্তু গণভোটে "হ্যাঁ" ভোট দিবেন।
যাতে আগামীতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবেন সেটা এমপি হোক , মন্ত্রী হোক বা প্রধানমন্ত্রী হোক তারা যেন কিছুটা হলেও জবাবদিহিতার আওতায় থাকে।
শুধুমাত্র একটা জিনিস বিবেচনা করে দেখেন - দুদকের চেয়ারম্যানকে যদি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেয় তাহলে সেই লোক কখনো প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির তদন্ত করতে পারবে?
সেটা কি সম্ভব?
অতীতে কেউ পেরেছে?
সুতরাং দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ হওয়া উচিৎ একটা স্বাধীন কমিটি বা কমিশনের মাধ্যমে যেখানে সব দলের প্রতিনিধিরা থাকবে।
এরকম কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাব পাশ করার জন্য এই গনভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
সংক্ষেপে বলা যায় - গনভোটে "হা" জিতলে প্রধানমন্ত্রীর পাওয়ার হাসিনার মতো আনলিমিটেড হবে না , প্রধানমন্ত্রী বা সরকারি দল যা খুশি তাই করতে পারবে না , তারা কিছুটা হলেও জবাবদিহিতার আওতায় থাকবে।
সুতরাং যদি দেশের ভালো চান তাহলে "হ্যাঁ" ভোট দিয়েন আর যদি শুধুমাত্র নিজের রাজনৈতিক দলের ভালো চান তাহলে "না" ভোট দিয়েন।
বিবেচনা আপনার। :)

30/03/2025

সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

ঈদ মোবারক।

বন্যার্তদের অবস্থা যে কতটা খারাপ সেটা নিজ চোখে না দেখে বুঝবেন না।গরীব - ধনী সবাই চরম ভয়াবহ দিন পার করছে।পকেটে টাকা আছে ক...
24/08/2024

বন্যার্তদের অবস্থা যে কতটা খারাপ সেটা নিজ চোখে না দেখে বুঝবেন না।
গরীব - ধনী সবাই চরম ভয়াবহ দিন পার করছে।
পকেটে টাকা আছে কিন্তু স্থানীয় বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেই আবার বাজার থেকে কেনাকাটা করে বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার উপায় নেই!
বিশুদ্ধ খাবার পানি পাওয়ার উপায় নেই - পুকুর - জলাশয় - ঘরবাড়ি ডুবে একাকার।
একতলা ঘরের চাল / ছাদ পর্যন্ত পানি উঠে গেছে
টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায় না।
বিদ্যুৎ না থাকায় সাব মারসেবল মোটর দিয়ে পানি তোলা যায় না।
মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগ করার উপায় নেই - কিছু যায়গায় নেটওয়ার্ক থাকলেও মোবাইলে চার্জ দেওয়ার উপায় নেই।
প্রচুর পরিমাণে ত্রান আসছে -- কিন্তু ত্রান বিতরণ করার জন্য হাইওয়ে থেকে খুব বেশি ভেতরে যাওয়ার উপায় নেই।
ঢাকা - চট্টগ্রামে হাইওয়েতে ফেনী অংশে বুক সমান পানি সেই সাথে ৪৫ কিলোমিটার ট্রাফিক জ্যাম।
ত্রান নিয়ে দ্রুত পৌছানোর উপায় নেই।
অবস্থা সত্যিই খুব ভয়াবহ।

03/06/2023

TIN Certificate যাদের আছে তারা বছরে নুন্যতম ২০০০ টাকা Income Tax দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন।
নিচের তালিকা থেকে যেকোনো সেবা নিতে গেলে রিটার্ন স্লিপ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বর্তমানে যে ৩৮ ধরনের সেবা নেওয়ার জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয় :

১. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাঁচ লাখ টাকা বা তার বেশি অঙ্কের ঋণের আবেদন করলে;
২. কোম্পানির পরিচালক বা উদ্যোক্তা পরিচালক হলে;
৩. আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র পেতে;
৪. সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার অধীনে ট্রেড লাইসেন্স লাভ বা নবায়ন, সমবায় সমিতির নিবন্ধন লাভ;
৫. সমবায় সমিতির নিবন্ধন লাভের ক্ষেত্রে;
৬. সাধারণ বিমা কোম্পানির সার্ভেয়ার হিসেবে লাইসেন্স পেতে বা তালিকাভুক্ত হতে;
৭. নিবন্ধন, স্থানান্তর চুক্তি, বায়নানামা, আমমোক্তারনামা, জমি বিক্রয়, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা সদরে অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ, যেখানে চুক্তিমূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি;
৮. ক্রেডিট কার্ড নেওয়া বা ধারাবাহিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে (শিক্ষার্থীদের জন্য দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড়);
৯. চিকিৎসক, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার বা অন্যান্য সমজাতীয় পেশাদারদের পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ লাভ বা টিকিয়ে রাখতে;
১০. মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইনের অধীনে লাইসেন্স লাভ ও টিকিয়ে রাখতে;
১১. বাণিজ্য ও পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ লাভ ও টিকিয়ে রাখতে;
১২. ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স পাওয়া ও টিকিয়ে রাখা, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশগত ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ক্লিয়ারেন্স পেতে;
১৩. যেকোনো এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্যাসের আবাসিক সংযোগ;
১৪. ভাড়ায় চালিত লঞ্চ, স্টিমার, ফিশিং ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, ডাম্ব বার্জ ইত্যাদিসহ যেকোনো জলযানের জরিপ সার্টিফিকেট লাভ বা তার মেয়াদ অব্যাহত রাখার চালিয়ে যাওয়া;
১৫. জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বা পরিবেশ অধিদপ্তরের দ্বারা ইট তৈরির অনুমতি প্রাপ্তি বা অনুমতি নবায়ন করা, যেখানে যেটা প্রযোজ্য;
১৬. সিটি করপোরেশন, জেলা সদর দপ্তর ও পৌরসভা এলাকায় আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রম বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের ইংরেজি সংস্করণের অধীনে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ে সন্তান বা পোষ্যের ভর্তির ক্ষেত্রে;
১৭. সিটি করপোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ–সংযোগ পাওয়া;
১৮. কোম্পানির এজেন্সি বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ পাওয়া ও অব্যাহত রাখা;
১৯. অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়া বা অব্যাহত রাখা;
২০. আমদানির উদ্দেশ্যে একটি ঋণপত্র খোলা;
২১. পাঁচ লাখ টাকার বেশি অঙ্কের পোস্টাল সঞ্চয়ী হিসাব খোলা;
২২. ১০ লাখ টাকার বেশি ক্রেডিট ব্যালান্সসহ যেকোনো ধরনের ব্যাংক হিসাব খোলা ও অব্যাহত রাখা;
২৩. পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র ক্রয়;
২৪. যেকোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা যেমন, উপজেলা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন বা জাতীয় সংসদ;
২৫. মোটর গাড়ি, স্থান, বাসস্থান বা অন্য কোনো সম্পদ দিয়ে অভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা;
২৬. ব্যবস্থাপক বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিযুক্ত বা উৎপাদন কার্যক্রমের তত্ত্বাবধায়ক পদে নিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তির ‘বেতন’ হিসেবে অর্থ গ্রহণ;
২৭. বছরের যেকোনো সময় ১৬ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল বেতন গ্রহণ করলে, সরকারি বা কর্তৃপক্ষের, করপোরেশনের, আইন দ্বারা সৃষ্ট সরকারি সংস্থার কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য;
২৮. মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর বা মোবাইল ফোন অ্যাকাউন্টের রিচার্জের ক্ষেত্রে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোনো কমিশন, ফি বা অন্য ন্যূনতম প্রাপ্তির ক্ষেত্রে;
২৯. কোনো উপদেষ্টা বা পরামর্শ পরিষেবা, ক্যাটারিং পরিষেবা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট পরিষেবা, জনবল সরবরাহ বা নিরাপত্তা পরিষেবা প্রদানের জন্য কোনো সংস্থার কাছ থেকে কোনো নিবাসীর অর্থ গ্রহণ;
৩০. মাসিক পেমেন্ট অর্ডারের (এমপিও) অধীনে সরকারের কাছ থেকে কোনো পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করা, যদি তার পরিমাণ প্রতি মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হয়;
৩১. বিমা কোম্পানির এজেন্সি প্রত্যয়নপত্রের নিবন্ধন বা নবায়ন;
৩২. দুই-তিন চাকার গাড়ি ব্যতীত যেকোনো ধরনের মোটর গাড়ির ফিটনেস নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা নবায়নের ক্ষেত্রে;
৩৩. এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোতে নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থাকে বা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির লাইসেন্সধারী ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী সংস্থার বিদেশি অনুদান দেওয়া;
৩৪. বাংলাদেশের ভোক্তাদের কাছে যেকোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রি করা;
৩৫. কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) ও সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ (১৮৬০ সালের আইন নং XXI) এর অধীনে নিবন্ধিত ক্লাবের সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে;
৩৬. পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে একজন নির্বাহীর দরপত্র নথি জমা দেওয়া;
৩৭. আমদানি বা রপ্তানির জন্য বিল অব এন্ট্রি জমা দেওয়া;
৩৮. রাজউক, সিডিএ, কেডিএ, আরডিএ বা সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় যেকোনো ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা জমা দেওয়া

27/05/2023

সম্ভবত আজ থেকে নতুন ফেসবুক/মেটা এর নিয়ম শুরু হচ্ছে। যেখানে তারা আমার আপনার ছবি ব্যবহার করতে পারবে। এবং তাদের ইচ্ছে মত কনটেন্ট তৈরি করতে পারবে।

বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ মোতাবেক আমি আমার অধিকার সংরক্ষণ আরোপ করে ঘোষণা করছি যে, আমি ফেসবুক/মেটা অথবা তাদের সাথে সম্পর্কিত কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আমার ব্যক্তিগত আইডি এবং এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সকল Page আর Group এ শেয়ারকৃত ছবি, ভিডিও, তথ্য এবং তথ্য-বার্তা ব্যবহার করার অনুমতি দিচ্ছি না। এই শর্ত আমার অতীত এবং ভবিষ্যতের সকল কনটেন্ট এর জন্য প্রযোজ্য হবে।

আমি এই মর্মে আরও ঘোষণা করছি যে আমার লিংকে ব্যবহৃত কোনও তথ্য, জনসংখ্যা, ব্যক্তিগত কনটেন্ট বা পোস্ট... আমার লিখিত অনুমতি ছাড়া অন্যরূপে, ভিন্ন ভাবে এমনকি কোন রূপেই পূণঃ ব্যবহার করা যাবে না।

বিঃদ্রঃ এই পোস্টটি কপি করে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সংহত এবং ভবিষ্যতের যে কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রান্তি দমনে আপনিও আপনার ওয়ালে পোস্ট করে রাখতে পারেন।


27/12/2018

বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তার স্বামী খন্দকার মাশরুর হোসেন মিতু বর্তমান সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রী ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে।

ফলে শেখ হাসিনা ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ সম্পর্কে বেয়াই-বেয়াইন। আবার পুতুলের দাদা শ্বশুর খন্দকার নুরুল হোসেন ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ফুফাতো ভাই। খন্দকার মোশাররফের ছোট ভাই খন্দকার মোহতাশিম হোসেন হলেন ফরিদপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান।

শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ননদের স্বামী হলেন সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না।

আবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. ওয়াজেদ মিয়ার বড় বোনের নাতনি হলেন আওয়ামী লীগ সরকারের হুইপ গাইবান্ধা-২ আসনের এমপি মাহবুব আরা গিনি।

বঙ্গবন্ধু পরিবারের আরেক আত্মীয় হলেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান। জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমান হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানার খালা শাশুড়ি। সে হিসেবে জিল্লুর রহমান হলেন শেখ হাসিনার তালই।

আবার জিল্লুর রহমান ও আইভী রহমানের সন্তান হলেন ভৈরব-কুলিয়ারচর আসনের আওয়ামী লীগদলীয় এমপি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

বঙ্গবন্ধুর বোন আছিয়া বেগমের দুই ছেলে হলেন শেখ ফজলুল হক মণি ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সম্পর্কে তারা শেখ হাসিনার আপন ফুফাতো ভাই।

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ঘাতকদের হাতে শহীদ হন। তার ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস ঢাকা-১০ আসন-এর এমপি। বঙ্গবন্ধুর আরেক ভাগনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিম হলেন সাবেক মন্ত্রী ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের এমপি।

শেখ সেলিমের বোনের স্বামী হলেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও এরশাদ সরকারের সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুর। যিনি পরে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে যোগ দেন।

মঞ্জুর সম্পর্কে শেখ হাসিনার ফুফাতো বোনের স্বামী। আবার মঞ্জুর দুই ছেলে বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ও ড. আশিকুর রহমান শান্ত। বর্তমানে তারা বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয়। শেখ হাসিনা সম্পর্কে তাদের খালা।

বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসের। তার ছেলে হলেন বাগেরহাট-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি শেখ হেলাল। তার মেয়ের জামাই হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

শেখ সেলিম ব্যারিস্টার পার্থের মামা ও শেখ হেলাল পার্থের শ্বশুর। আবার শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ মণি ও শেখ সেলিমের আরেক ছোট বোনের জামাই হলেন যুবলীগের বর্তমান সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। আর শেখ সেলিমের ভায়রা হলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী জামালপুর-১ আসনের এমপি আবুল কালাম আজাদ।

আবার শেখ সেলিমের ছেলে বিয়ে করেছেন বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মেয়েকে।

ইকবাল হাসান টুকু ছাত্র জীবনে বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্য পুত্র শেখ কামালের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহপাঠি ছিলেন।
শেখ সেলিমের আরেক ছেলে বিয়ে করেছেন আলোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের মেয়েকে। এই মুসা বিন শমসেরের ছেলে ববি হাজ্জাজ হলেন এরশাদের সাবেক মুখপাত্র ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা।

বঙ্গবন্ধুর বড় বোনের জামাই হলেন আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম আবদুর রব সেরনিয়াবাত। সেরনিয়াবাতের ছেলে হলেন জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগদলীয় এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।

শেখ হাসিনা ও হাসানাত আবদুল্লাহ পরস্পরের মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন। আবার হাসানাত আবদুল্লাহর ছোট বোনের দেবর হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। তিনি সম্পর্কে শেখ হাসিনার বেয়াই।

আবার হাসানাত আবদুল্লাহর সম্পর্কে চাচাতো ভাই হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

শেখ হাসিনার আরেক ফুফাতো ভাই হলেন মাদারীপুরের সাবেক এমপি প্রয়াত ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী। ইলিয়াস চৌধুরীর বড় ছেলে নূর-ই-আলম চৌধুরী (লিটন চৌধুরী) আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক হুইপ ও মাদারীপুর-১ আসনের এমপি।

ইলিয়াস চৌধুরীর ছোট ছেলে মজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন চৌধুরী) ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র এমপি। সে হিসেবে লিটন ও নিক্সন চৌধুরী সম্পর্কে শেখ হাসিনার ভাতিজা।

শেখ হাসিনার সম্পর্কে আরেক ফুফাতো ভাই হলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি বাহাউদ্দিন নাছিম।

শেখ হাসিনার চাচা সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লি. এর চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেনের বেয়াই হলেন বিএনপির দীর্ঘ সময়ের মহাসচিব এবং ওয়ান ইলেভেনের সংস্কারপন্থি শীর্ষ নেতা প্রয়াত আবদুল মান্নান ভূঁইয়া। মান্নান ভূঁইয়ার ছেলের সঙ্গে পারিবারিকভাবেই বিয়ে হয়েছে শেখ কবিরের মেয়ের। সে হিসেবে শেখ হাসিনার সম্পর্কে তালই হলেন মান্নান ভূঁইয়া।

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে ফরিদপুরের বিখ্যাত লাল মিয়া-মোহন মিয়া পরিবারের। ফরিদপুরের আবাদ আল্লা জহিরউদ্দিন লাল মিয়ার পরিবারের সঙ্গে আত্মীয়তার বন্ধন ছিল বঙ্গবন্ধু পরিবারের। বঙ্গবন্ধুর ফুফাতো বোন মোসাম্মাৎ বেগমের মেয়ে বিয়ে করেছেন লাল মিয়ার বড় ছেলে চৌধুরী মমতাজ হোসেন রাজা মিয়া। বঙ্গবন্ধুর ফুফাতো ভগ্নিপতি গোলাম গফুর চৌধুরী ছিলেন ফরিদপুরের খ্যাতিমান আইনজীবী।

সেই সঙ্গে শেখ হাসিনার বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের সঙ্গে দ্বিমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে এ লাল মিয়া-মোহন মিয়া পরিবারের। পুতুলের শ্বশুর খন্দকার মোশাররফ হোসেনের আপন বোন বিয়ে করেছেন পাকিস্তান আমলের ডাকসাইটে নেতা মন্ত্রী মরহুম ইউসুফ আলী চৌধুরী মোহন মিয়ার ছেলে।

এছাড়া শেখ হাসিনার সম্পর্কে ফুফা হলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এমপি আমির হোসেন আমু। তার স্ত্রী প্রয়াত ফিরোজা হোসেন সম্পর্কে শেখ হাসিনার ফুফু।

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব প্রয়াত শেখ শহীদুল ইসলাম আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার খালাতো ভাই। শেখ শহীদুল ইসলাম ছিলেন এরশাদ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী। শেখ হাসিনার দূরসম্পর্কের ফুফা হলেন লে. জেনারেল (অব.) মোস্তাফিজুর রহমান বীরবিক্রম।
প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পারিবারিক সম্পর্ক পুরানো। দুজনের নানাবাড়িই জলপাইগুড়ি এলাকায়। পুরানো সম্পর্কে তারা পরস্পরের দূরসম্পর্কীয় খালাতো ভাই-বোন।

জিয়া পরিবারের দুই সন্তান তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো।
তারেক রহমানের শ্বশুর হলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান মাহবুব আলী খান। জিয়াউর রহমানের বড় ভাই রেজাউর রহমান নৌবাহিনীতে মাহবুব আলী খানের সহকর্মী ছিলেন। সে সুবাদে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে মাহবুব আলী খানের সম্পর্ক ছিল। তারেক রহমানের শ্বশুর মাহবুব আলী খান ছিলেন ‘জাগদল’ সদস্য ও জিয়া সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী।

১৯৮২ সালে দেশে সামরিক আইন জারিকালে অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন এবং পরে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন। তারেক রহমানের জেঠা শ্বশুর হলেন মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক ও পরে জনতা পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের খালু হলেন ফরিদপুরের বিখ্যাত খন্দকার পরিবারের সন্তান হিরু মিয়া। আর হিরু মিয়া হলেন বঙ্গবন্ধুর ফুফাতো ভাই এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের চাচাতো দাদা শ্বশুর।

আবার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক মহাসচিব আইরিন খান হলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের আপন জেঠাতো বোন।

খালেদা জিয়ার বড় বোন প্রয়াত খুরশিদ জাহান হক ছিলেন বিএনপি সরকারের মন্ত্রী।
খালেদা জিয়ার দুই ভাগনে ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন নীলফামারী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি।

আরেক ভাগনে সাইফুল ইসলাম ডিউক সাবেক সামরিক কর্মকর্তা। খালেদা জিয়ার ভাই প্রয়াত মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দার ফেনী-১ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।
ওয়ান ইলেভেনের ফখরুদ্দিন সরকারের সময়ে আলোচিত সেনাকর্মকর্তা লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী সম্পর্কে সাঈদ এস্কান্দার ভায়রা ভাই।

আবার সাঈদ এস্কান্দারের বেয়াই হলেন আওয়ামী লীগ নেতা ও হোটেল রাজমণি ঈশা খাঁর মালিক আহসান উল্লাহ মণি। সাঈদ এস্কান্দারের ছেলের কাছে মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন মণি।

বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার স্ত্রী সিগমা হুদার বড় ভাই দারা কবির বিয়ে করেছেন জিয়াউর রহমানের খালাতো বোন আতিকা শিরিনকে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘ সময়ের প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান লে. জেনারেল (অব.) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার আপন ভাই গোলাম মোহাম্মদ কাদের জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী।

এরশাদের আরেক ভাই প্রয়াত মোজাম্মেল হোসেন লালু ছিলেন জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি।
এরশাদের ভাতিজা হলেন রংপুর-১ আসনের এমপি হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ।
এরশাদের বোন মেরিনা রহমান সাবেক এমপি এবং ভগ্নিপতি প্রয়াত ড. আসাদুর রহমান রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

আবার এরশাদের সম্পর্কে মামা ছিলেন বঙ্গবন্ধু, জিয়া ও এরশাদ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রিয়াজউদ্দিন আহমেদ ভোলা মিয়া।

সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের সহধর্মিণী রওশন এরশাদ ও সাবেক ফার্স্ট লেডি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১০ম সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী।

এরশাদের শ্যালক হলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি কূটনীতিক মহিউদ্দিন আহমেদ। তার শ্বশুর হলেন বিএনপির প্রথমদিকের অন্যতম শীর্ষ নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়া। যাদু মিয়ার মেয়ে মুক্তি রহমান রহমানকে বিয়ে করেছেন এরশাদের শ্যালক মহিউদ্দিন আহমেদ। সে হিসেবে এরশাদ এবং ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের সভাপতি জেবেল রহমান গানি পরস্পরের আত্মীয়।

আবার রওশন এরশাদের বড় বোন মমতা ওয়াহাব ছিলেন এরশাদ সরকারের মন্ত্রী।
বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিকল্পধারার সভাপতি প্রফেসর ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। বিএনপির প্রথম মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করেন প্রফেসর ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
বি. চৌধুরীর ছেলে হলেন বিএনপি সরকারের সাবেক এমপি ও বর্তমানে বিকল্পধারার সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী।

বি. চৌধুরীর শ্যালিকা হলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি পান্না কায়সার।
বি. চৌধুরী হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের ভায়রা ভাই। শহীদুল্লাহ কায়সার ও জহির রায়হানের কাজিন হলেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব শাহরিয়ার কবির।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদের মেয়ের ভাসুর হলেন আওয়ামী লীগ সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রী ও অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর।

আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহমেদের আপন ভাতিজা হলেন কৌতুক অভিনেতা টেলিসামাদ। আর টেলিসামাদের শ্বশুরের পরিবার হচ্ছে মুন্সীগঞ্জ আওয়ামী লীগের প্রাণকেন্দ্র। টেলিসামাদের স্ত্রীর বড় ভাই হলেন মো. মহিউদ্দিন। যিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বডিগার্ড ও সাবেক এমপি। অন্যজন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুজ্জামান।

বিএনপি সরকারের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিএনপির স্বল্পকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি আবদুস সাত্তার। তার সম্পর্কে ভাগনে হলেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।

এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত জিল্লুর রহমানের সঙ্গে দূরসম্পর্কীয় আত্মীয় হলেন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী মে. জেনারেল (অব.) মীর শওকত আলী বীরউত্তম। মীর শওকতের আপন ফুফাতো ভাই হলেন ভোলার চরফ্যাশন আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক এমপি প্রয়াত জাফরউল্লাহ চৌধুরী।

আমার মাথা ঘুরছে তো ঘুরছেই!! আপাতত আমি মানসিকভাবে অসুস্থ!!! জীবনে এই প্রথমবার মনে হচ্ছে এমন কিছু পড়েছি যা না পড়লে জীবনটাই বৃথা!! একটা চরম অপূর্ণতা থেকে যেত। শোভন ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ পাবনা যাবার আগে মানব জমিনের প্রতিবেদনটি সংক্ষিপ্ত করে দেবার জন্য!! আমিও কাল পাবনা যাইতেছি, সবাই দোয়া করবেন।

আমার মনে হয় রাজনীতির ইতিহাসে পৃথিবীর আর কোন দেশের রাজনীতিতেই আত্মীয়তার এতো দীর্ঘ সূত্রতা নেই! সেই হিসেবে আমরা বাংলাদেশের জন্য নোবেল একটা দাবি করতেই পারি

03/08/2018

খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় আছে ৯ টি উপজেলা আর ৭৫ টি ইউনিয়ন।
নিচে উপজেলা অনুযায়ী ইউনিয়ন গুলো দেয়া হলঃ

বাগেরহাট সদর উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ১০ টি:
১) কাড়াপাড়া (Karapara)
(২) বেমরতা (Bamorta)
(৩) গোটাপাড়া (Gotapara)
(৪) বিষ্ণুপুর(Bishnapur)
(৫) বারুইপাড়া (Baruipara)
(৬) যাত্রাপুর (Jatharapur)
(৭) ষাটগুম্বজ (Shaitgomboj)
(৮) খানপুর (Khanpur)
(৯) রাখালগাছি (Rakhalgachi)
(১০) ডেমা(Dema)

ফকিরহাট উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ৮ টি:
(১) বেতাগা (Betaga)
(২) লখপুর (Lakhpur)
(৩) পিলজংগ (Piljanga)
(৪) ফকিরহাট (Fakirhat)
(৫) বাহিরদিয়া-মানসা(Bahirdia-mansa)
(৬) নলধা-মৌভোগ(Naldha-mauvhog)
(৭) মূলঘর(Mulghar)
(৮) শুভদিয়া(Suvhadia)

মোল্লাহাট, উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ৭ টি:
(১) উদয়পুর(Udoypur)
(২) চুনখোলা (Chunkhola)
(৩) গাংনী(Gangni)
(৪) কুলিয়া (Kulia)
(৫) গাওলা (Gaola)
(৬) কোদালিয়া (Kodalia)
(৭) আটজুড়ী (Atjuri)

কচুয়া, উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ৭ টি:
(১) গজালিয়া (Gojalia)
(২) ধোপাখালী (Dhopakhali)
(৩) মঘিয়া (Moghia)
(৪) কচুয়া(Kachua)
(৫) গোপালপুর (Gopalpur)
(৬) রাড়ীপাড়া (Raripara)
(৭) বাধাল (Badhal)

চিতলমারী উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ৭ টি:
(১) বড়বাড়িয়া (Barobaria)
(২) কলাতলা (Kalatala)
(৩) হিজলা (Hizla)
(৪) শিবপুর (Shibpur)
(৫) চিতলমারী (Chitalmari)
(৬) চরবানিয়ারী (Charbaniri)
(৭) সন্তোষপুর (Shantoshpur)

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ১৬ টি:
(১) তেলিগাতী (Teligati)
(২) পঞ্চকরণ (Panchakaran)
(৩) পুটিখালী (Putikhali)
(৪) দৈবজ্ঞহাটি (Daibagnyahati)
(৫) রামচন্দ্রপুর (Ramchandrapur)
(৬) চিংড়াখালী (Chingrakhali)
(৭) হোগলাপাশা (Hoglapasha)
(৮) বনগ্রাম (Banagram)
(৯) বলইবুনিয়া (Balaibunia)
(১০) হোগলাবুনিয়া (Hoglabunia)
(১১) বহরবুনিয়া (Baharbunia)
(১২) জিউধরা (Jiudhara)
(১৩) নিশানবাড়িয়া (Nishanbaria)
(১৪) বারইখালী (Baraikhali)
(১৫) মোড়েলগঞ্জ (Morrelganj)
(১৬) খাউলিয়া (Khaulia)

রামপাল উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ১০ টি:
(১) গৌরম্ভা (Gouramva)
(২) উজলকুড় (Uzzalkur)
(৩) বাইনতলা (Baintala)
(৪) রামপাল (Rampal)
(৫) রাজনগর (Rajnagar)
(৬) হড়কা (Hurka)
(৭) পেড়িখালী (Perikhali)
(৮) ভোজপাতিয়া (Vospatia)
(৯) মল্লিকেরবেড় (Mollikerbar)
(১০) বাঁশতলী (Bastoli)

মোংলা উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ৬ টি
(১) বুড়িরডাঙ্গা (Burrirdangga)
(২) মিঠাখালী (Mithakhali)
(৩) সোনাইলতলা(Sonailtala)
(৪) চাঁদপাই (Chadpai)
(৫) চিলা (Chila)
(৬) সুন্দরবন (Sundarban)

শরণখোলা উপজেলা, ইউনিয়ন সংখ্যা ৪ টি
(১) ধানসাগর (Dhanshagor)
(২) খোন্তাকাটা (Khontakata)
(৩) রায়েন্দা (Rayenda)
(৪) সাউথখালী (Southkhali)

28/07/2018

খুলনার জনপ্রিয় খাবার স্থান সমূহঃ

১) মেগার কাচ্চি,বিফ ও চিকেন বিরিয়ানী খালিশপুর মেগার মোড় বললেই চিনবে সবাই। খুলনার শ্রেষ্ঠ বিরিয়ানী।
২) চুকনগরের খাসি, সাতক্ষীরার বাসে উঠে বলবেন চুকনগর, নেমেই সামনে দেখবেন আব্বাসের হোটেল।
৩) জিরো পয়েন্টের গরু ও খাসি, চুকনগরের খাসির ছোট ভাই।
৪) পিটিআই মোড়ের মিনি চাইনিজ, চাইনিজ প্যালেস।
৫) নিউমার্কেটের মালাই চা।
৬) নিরালা ১ নং রোডের মাথায় পরাটা আর গরুর (ভুড়ি) রোল।
৭) খুলনা জজ কোর্টের ভিতরে দত্তের হোটেল, বাংলা কুইজিনের জন্যে এখনও পর্যন্ত বেষ্ট।
৮) সিটি ইন এর ফালুদা।
৯) নিউমার্কেটের ছোট দোকানের ফুচকা।
১০) নেভি গেটের তৃপ্তি হোটেলে ছানার জীলাপী।
১১) শিল্প ব্যাংক ভবনের পেছনে ফারুক ভাইয়ের হোটেল, ঝাল সমৃদ্ধ রান্না।
১২) পিকচার প্যালেস মোড়ে আপ্যায়নের হালিম ও মোগলাই।
১৩) কাচ্চি ঘরের কাচ্চি বিরায়ানি।
১৪) ক্যাসল সালামের ফালুদা, আইস্ক্রিম সমৃদ্ধ।
১৫) মিনা বাজারের পাশে গোলামের পুরি।
১৬) মান্নানের চটপটি ও ফুচকা।
১৭) কুয়েট এর পিছনে বাবার দোয়ার
মোরগ পোলাও ও মুড়ি মিক্সার
১৮) ফ্রেন্ডস কর্নার(জেলা স্কুলের পাশে) স্ন্যাক্সের জন্যে অসাধারন।
১৯) দৌলতপুর হারুন হোটেলের খাসীর মাংস।
২০) সিটি ইনের চিকেন কর্ণ স্যুপ।
২১) খুলনা ভার্সিটির ফলের জুস।
২২) খুলনা মেডিকেলের সামনে চাচার
পুরি।
২৩) সেফ এন্ড সেভের কোল্ড কফি।
২৪) ট্র্যাক স্ট্যান্ডের ইলিশ-গোশত।
২৫) ৭ক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারির রসমালাই(করনশন স্কুলের পাশে)।
২৬) ময়লাপতা মোড়ের চিকেন গ্রিল।
২৭) সাত রাস্তা মোড়ের দুলাভাইয়ের তেহারি।
২৮) সাত রাস্তা মোড়ের বিফ।
২৯) গরিব নেওয়াজের পাশে আলুপুরি।
৩০) সাতরাস্তা মোড় থেকে ভিতরে নিরামিষ শিঙ্গাড়া
৩১) ময়লাপতা মোড়ের ফারুকের চপ।
৩২) বি এল কলেজের ঝাল মুড়ি
৩৩) বি এল কলেজের সামিম হোটেলের
শিঙ্গাড়া।
৩৪) কান্ট্রি লাউঞ্জের কিং বার্গার আর American Chopsuey।
৩৫) ক্যাফে গুনগুনের চিকেন শর্মা ও ব্ল্যাক ফরেস্ট।
৩৬) জেস্কোর কাবাব, হালিম, পরোটা, মোগলাই, পরোটা
৩৭) বড়বাজারের ইন্দ্র মোহনের মিষ্টি।
৩৮) ফেরিঘাট মোড়ের লাল চা ।
৩৯) Burger King এর Mutton Pizza।
৪০) সাহেব এর কবর খানার দুধ চা ওরফে ফান্টু চা
৪১) খুলনা মেডিকেল এর সামনে সিদ্দিকের লেবু চা।
৪২) KU এর ভেতরে তপন এর চা আর সিদ্দিক ভাই এর জুস ।
৪৩) সাত রাস্তার মোড়ের মিষ্টি পান ।
৪৪) Cornation এর Opposite এ Hot Heart কাবাব এর সিঙ্গারা ও সামুচা ।
৪৫)দৌলতপুর এর সাধন মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এর গরম জিলাপি।
৪৬)খালিশপুরের চিত্রালির, লতিফ ভাইয়ের চটপটি।.
৪৭) দৌলতপুর মোর্তোজা ম্যানসন এর নিচে সন্ধার পরে চুন্নু ভাইয়ের ঝাল মুড়ি,কাচা ছোলা মাখা।
৪৮)নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি এর ২ নং বিল্ডিংয়ের পিছনে সিঙাড়া, পুরি ও তেঁতুলের জুস।
৪৯)রুপসা ব্রীজের ওপারের মালাই চা। ই.এফ.সি এর পিজ্জা। বিস্ট্রো সির শর্মা,ব্লাক ফরেস্ট কেক।
৫০)মিষ্টি মহলের দই,কাঁচাগোল্লা।
৫১)খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ময়ূরী হোটেলের রুই মাছের মাথা, কোয়েল পাখি ভুনা।
৫২)১. আড়ংঘাটার জামিলের ফিস BBQ।
৫৩)ময়লাপোতা ও ডাকবাংলার হাজী বিরায়ানি হাউজের তেহেরি ও কাচ্চি অসাধারন।
৫৪) নিউজপ্রিন্ট মোড় খালিশপুর বাবুল ভাই এর লাল চা।
৫৫) বায়তুলফালাহ মোড় খালিশপুর বাবু ভাই এর পান
৫৬) হাউজিং বাজার খালিশপুর ওয়াহিদের চা।
৫৭) হাউজিং বাজার খালিশপুর জাহাংগীর ভাই এর শাহী বিরিয়ানি।
৫৮) নতুন কোলনী খালিশপুর তোরাব মোড় ভুড়ী ভুনা ও পুড়ি।
৫৯)সাত রাস্তা মোড়ের বেলাল ভাইর ছাচি পান
৬০)জাতিসংঘ পার্কের পাশের রং চা
Collected.

জিয়া পার্ক। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।কালুরঘাট, চট্টগ্রাম।
20/12/2016

জিয়া পার্ক।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।
কালুরঘাট, চট্টগ্রাম।

29/08/2016

Address

59 & 60 , Hazi Bahar Uddin Road
Mongla
9350

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Foysal Duke posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category