E.motion.tv

E.motion.tv Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from E.motion.tv, Mirpur.

ডিভোর্সের আগে শ্বশুর বাড়ি জেলখানা মনে হতো,ডিভোর্সের পরে এখন নিজের বাড়িই দোজখের মত লাগছে।( বাণীতে ডিভোর্সি নারী)  পরিস্থি...
01/08/2022

ডিভোর্সের আগে শ্বশুর বাড়ি জেলখানা মনে হতো,
ডিভোর্সের পরে এখন নিজের বাড়িই দোজখের মত লাগছে।( বাণীতে ডিভোর্সি নারী)

পরিস্থিতি যেমনই হোক, ডিভোর্স কখনো সুখ দেয়না!!
কমপক্ষে কোন মেয়ে সুখী হতে পারে না।

এক ডিভোর্সি নারীর বাস্তব জীবনী😭

জানিনা, আমি কেন লিখছি। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই আর কেউ আমার মতো ভুল না করুক। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই ঠুনকো কারণে সংসারগুলো ভেঙে না পড়ুক।
আমি ঊনিশ বছর বয়সী একজন নারী। আমাদের বিয়ে হয়েছিল আমার পছন্দে। সংসারও টিকে ছিল দের বছর। আমাদের একটা ছেলেও আছে, ওর বয়স এখন এক বছর।
আমার স্বামীর স্বভাব-চরিত্র সবই বেশ ভালোই ছিল। শুধু একটু জেদি । অবশ্য তাও সবসময় না, মাঝেমধ্যে। মানুষ ভাবে ওর বদ জেদের জন্যই বুঝি আজ এই অবস্থা, কিন্তু আমি জানি, আমাদের সমস্যার শুরুটা ওর দিক থেকে হয় নি।

সব সংসারেই তো টুকটাক কিছু সমস্যা থাকে। ওরকম আমাদের মধ্যেও মাঝেসাঝে ঝগড়া-ঝাটি হতো। কিন্তু ঝগড়া বাধলেই আমি তল্পিতল্পা গুছিয়ে বাপের বাড়ির দিকে হাঁটা দিতাম। বাপের বাড়িতে বোনরাও আসতো, আর ভাইরা তো ছিলই। ওদের কাছে কেদেকেটে সব বলতাম। তখন সবাই ওকে ফোন করে কথা শোনাত। আমার ছোট বোন তো রীতিমত অপমান করত!
আমার কাছেও মনে হতো, ঠিকই আছে। কত বড় সাহস, আমার সাথে লাগতে আসে। আমাকে নিজের মতো চালাতে চায়। আমার মধ্যে কেমন একটা জেদ কাজ করতো। ওর কাছে ছোট হব, ওর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করব, মাফ চাইব, এটা ভাবতেই পারতাম না। উল্টো বড় গলা করে বলতাম, “ডিভোর্স দাও! তোমার মতো লোকের সাথে কে সংসার করে?”
নাহ, ডিভোর্স আমি কখনোই মন থেকে চাই নি। ওটা ছিল মুখের কথা।
ওর সামনে ছোট হওয়ার চাইতে ডিভোর্স চাওয়াই আমার কাছে সঠিক মনে হতো।

একদিনের কথা এখনও মনে পড়ে। সেদিন ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে তর্ক করতে করতে দুজনেই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছি। রাগে আমার শরীর কাঁপছে। যা মুখে আসছে তাই বলছি। তুই-তোকারি, গালিগালাজ, অপমান কিচ্ছু বাদ যায় নি। এক পর্যায়ে সহ্যের বাধ ভেঙে ও আমার গায়ে হাত তুললো!
এর আগে কিংবা পরে কখনোই ও আমার গায়ে হাত তুলে নি। কিন্তু ঐ একটা থাপ্পড়, ওটাই যথেষ্ট ছিল।
আমি বাপের বাড়ি চলে গেলাম। আর হ্যাঁ বরাবরের মতো এবারও নিজের দিকটা না বলে খালি ওর দিকটাই বলে গেলাম। মানুষের দোষ দিয়ে আর কী লাভ! সবাইকে যা বলেছি, সেটার উপর ভিত্তি করেই তারা বিচার করেছে। পরিবারের সবাই বললো, এমন ছেলের সাথে সংসার করার কোনো দরকার নাই। মামলা ঠুকে দাও।
আমি সবার পরামর্শে মামলা করলাম।
ওর নামে নারী নির্যাতনের কেইস করা হল। খুব দ্রুতই ওকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। ওর পরিবার থেকে মুরুব্বিরা এসে বার বার অনুরোধ করল, আমি যেন এই কেইস তুলে নিই।
ভেতরে ভেতরে আমিও চিন্তা করতাম, আচ্ছা, আমার স্বামী কি আসলেই জালেম? ও কি কোনদিন নিজে থেকে আমার গায়ে হাত তুলেছে? আমি যদি ওকে এত কথা না শোনাতাম, তাহলে কি ও আমার গায়ে সেদিন হাত তুলতো?
আমার বাবা মা আমাকে বুঝিয়েছিল, আমি যদি এতকিছুর পর ফিরে যাই, তাহলে ও ভাববে, আমি বুঝি অসহায়। আমাকে আরো পেয়ে বসবে। আমার উপর ইচ্ছামত ছড়ি ঘুরাবে। একবার গায়ে হাত তুলেছে মানে বার বার একই কাজ করবে। কাজেই নিজে থেকে ফিরে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।
কিন্তু আমার মনের ভেতর কে যেন চিৎকার করে বলতো, ও তো এমন লোক না। ও যেদিন আমার গায়ে হাত তুলেছিল, সেদিনই হাটু জোর হয়ে আমার কাছে মাফ চেয়েছে। এসব ভেবে ভেবে আমি মামলা তুলে নিলাম। তবে ওর কাছে ফেরত গেলাম না।
কিছুদিন পর দুই পরিবার থেকে বিচার-সালিশ হল। সবার কাছে ও দোষী প্রমাণিত হল। সবাই ওকে নানা কথা বোঝাল, উপদেশ দিল। তারপর আবার সংসার শুরু করলাম।
এর পরের কয়েক মাস ভালোই চলছিল, কিন্তু হুট করে আবার কী একটা নিয়ে আমাদের ঝগড়া বেধে গেল। ব্যস, কাপড়চোপড় গুছিয়ে আবার আমি বাপের বাড়ি গিয়ে উঠলাম। এর মধ্যে শুনলাম ও নাকি খুব অসুস্থ ! আমি বাসায় ফিরতে চাইলে আমার পরিবার বললো, এভাবে একটা ঝগড়ার পর একা একা ফিরলে সেটা ভালো দেখায় না। আর আমার বোনদের কথা ছিল, ওসব অসুস্থ-টসুস্থ কিছু না, সব বাহানা!

আমরা চাচ্ছিলাম ঐ পক্ষ থেকে কিছু আত্মীয়-স্বজন এসে ওর ভুল স্বীকার করে আমাকে হাতেপায়ে ধরে নিয়ে যাক। কিন্তু এবার কেউই আসলো না।
এরও কিছুদিন পর ও আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিল। ডিভোর্স লেটার দেখে আমাদের পরিবারের সবাই খুব খেপে গেল। কতবড় সাহস, মেয়েকে এত কষ্টে রেখেছে, তার উপর ডিভোর্স লেটার পাঠায়। সবার কথায় আমার কাছেও মনে হলো, ঠিকই তো, কত বড় সাহস! আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়? ওর সব ভুলগুলো চোখের উপর ভাসতে লাগলো।মা বাবা মনে করিয়ে দিলো, ও হলো সেই ছেলে যে কিনা আমার গায়েও হাত তুলেছে।
প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে জ্বলতে আমিও ঠিক করলাম, এবার ডিভোর্সই দেব। কে চায় এমন ফালতু লোকের সংসার করতে? কোর্টে গিয়েও ওকে হেনস্থা করার চেষ্টা করলাম। আমার মাসিক খরচ বাড়িয়ে একটা আকাশছোঁয়া অংক দাবি করলাম! আমি চাচ্ছিলাম ওর যেন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। যেন নিজে থেকে আমার কাছে এসে আবার সংসার করতে চায়। আসলে ডিভোর্স হোক আমি কখনোই চাই নি৷ কিন্তু জিদ আমাকে খেয়ে নিচ্ছিল। আগ বাড়িয়ে ওকে ডিভোর্স তুলে নিতে বলা আমার পক্ষে অসম্ভব! ওর কাছে ছোট হওয়া আমি মানতেই পারি নি।
কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার, ও আমার আকাশছোঁয়া সমস্ত দাবি মেনে নিলো। আমাদের ছেলেকে আমি পেয়ে গেলাম। ভরণপোষণ, মাসিক খরচ, ওর সম্পত্তি সব! বিনিময়ে ও পেলো শুধু ডিভোর্স।
আমাদের ডিভোর্স হয়েছে আজ সাড়ে তিন বছর।
ও আবারও বিয়ে করেছে। সুখেই আছে বোঝা যায়। আসলে ওর মতো নির্ঝঞ্ঝাট স্বামীকে নিয়ে মেয়েরা হয়তো সুখেই থাকবে।
এখন আমার নিজের কথা ভেবে আফসোস হয়। মানুষের মুখের কথা কখনো কখনো ছুরির চেয়েও ধারালো হতে পারে। ও আমাকে একবার থাপ্পড় মেরেছিল ঠিকই, কিন্তু আমি কথার তীরে ওকে ছিন্নবিছিন্ন করে ফেলতাম। শারীরিক নির্যাতন করি নি সত্যি, কিন্তু মানসিকভাবে কষ্ট দিতাম। এসব কথা আমার মা বাবাকে কখনোই বলা হয় নি। নিজের দোষের কথা মানুষ কতটাই বা বলে!
মাঝে মাঝে ভাবি, ইশ, আমার পরিবার যদি একটু নিজে থেকে বুঝে আমাকে সংসার করার উপদেশ দিতো। যখন আমি ওর কাছে ফিরে যেতে চাইতাম, তখন ওর খারাপটা না বলে যদি একটু ভালো দিকগুলোর কথা মনে করাতো! আমি যদি নিজের জিদ নিয়ে পড়ে না থেকে, একটু ওর কাছে নত হতাম! তাহলে হয়তো আজ আমাকে এই দিন দেখা লাগতো না।ডিভোর্সের আগে শ্বশুর বাড়ি জেলখানা মনে হতো,
ডিভোর্সের পরে এখন নিজের বাড়িই দোজখের মত লাগছে।

আজ আমার ভাইবোন বন্ধুবান্ধব সবার নিজেদের সংসার আছ কিন্তু ছোট্ট ভুলে সব শেষ হয়ে গেছে তাই দোয়া করি আর কারো সাথে যেন এমন না হয়।

ইংরেজিতে কিভাবে আপনার মতামত প্রকাশ করবেন✪ I'd suggest that – আমি পরামর্শ দেব যে।✪ In my point of view– আমার দৃষ্টিকোণ থে...
16/05/2022

ইংরেজিতে কিভাবে আপনার মতামত প্রকাশ করবেন
✪ I'd suggest that – আমি পরামর্শ দেব যে।
✪ In my point of view– আমার দৃষ্টিকোণ থেকে
✪ From my point of view – আমার দেখা মতে।
✪ I'd like to point out that – আমি উল্লেখ করতে চাই যে।
✪ As far as I'm concerned – আমার মনে হচ্ছে যে।
✪ I believe that – আমি বিশ্বাস করি যে।
✪ I strongly believe that – আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে।
✪ In my experience – আমার অভিজ্ঞতায় বলে যে।
✪ Personally, I think – ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি।
✪ What do you think? – তুমি কি মনে কর?
✪ What's your view? – তোমার দৃষ্টিভঙ্গি কি?
✪ How do you see the situation? – তুমি পরিস্থিতি কেমন দেখছো?
✪ What's your opinion? – তোমার মতামত কি?
✪ I'd say that – আমি বলব যে।
✪ What I mean is – আমি যেটা বোঝাতে চাচ্ছি যে।
✪ I'm sure that – আমি নিশ্চিত যে।
✪ I have no doubt that – আমার কোন সন্দেহ নেই যে।
✪ There's no doubt in my mind that – আমার মনে কোন সন্দেহ নেই যে।

Whom? = কাকে?Whomever = যাকেই হােকFrom whom? = কার কাছ থেকে?By whom? = কার দ্বারা?To whom? = কার কাছে?For whom? = কার জন...
14/05/2022

Whom? = কাকে?
Whomever = যাকেই হােক
From whom? = কার কাছ থেকে?
By whom? = কার দ্বারা?
To whom? = কার কাছে?
For whom? = কার জন্য?
With whom? = কার সাথে?
About whom? = কার সম্বন্ধে?
Before whom? = কার আগে?
After whom? = কার পরে?
Without whom? = কাকে ছাড়া?

পড়া শেষে done লিখতে ভুলবেনা কিন্তু!

কোপার্নিকাসকে আমরা চিনি তো— না? জ্যােতির্বিদ নিকোলাস কোপার্নিকাস?_____আমাদের অতি চেনা এই বিখ্যাত মানুষটা যেদিন দাবী করলে...
08/05/2022

কোপার্নিকাসকে আমরা চিনি তো— না? জ্যােতির্বিদ নিকোলাস কোপার্নিকাস?
_____আমাদের অতি চেনা এই বিখ্যাত মানুষটা যেদিন দাবী করলেন, "সূর্য নয়, বরং পৃথিবীই (এমনকি অন্যসব গ্রহও) সূর্যের চারদিকে ঘুরছে", সেদিন আমরা কী করলাম? আমরা তাঁকে ধর্মদ্রোহী বলে ঘোষণা করলাম; কারণ— আমরা বিশ্বাস করতাম, সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।... এবং স্রেফ ঘোষণা পর্যন্তই ক্ষান্ত হলাম না— আমরা তাঁর অবস্থা এমন করলাম যে, মৃত্যুর পরেও তিনি তাঁর নাম-পরিচয় নিয়ে সমাধীস্থ হতে পারলেন না! নাম-পরিচয়-মর্যাদা নিয়ে পুনরায় সমাহিত হতে তাঁর আরো ৫০০টা বছর লেগে গেল!
_____এবং কোপার্নিকাসের মতো একদিন আমাদের সামনে এলেন আজকের পৃথিবীর আরো একজন বিখ্যাত ব্যক্তি। গ্যালিলিও গ্যালিলি। একাধারে গণিতবিদ, পদার্থবিদ, জ্যোতির্বিদ ও দার্শনিক এই মানুষটা নিজের উদ্ভাবিত টেলিস্কোপ দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কোপার্নিকাসের সেই দাবীটাই উত্থাপন করে বসলেন। আর আমরাও আমাদের স্বভাবমতো তাঁকে ধর্মদ্রোহী ঘোষণা করলাম, তাঁকে বন্দী করলাম, বন্দিত্ব দিলাম আমৃত্যু, এমনকি বন্দী অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হবার পরেও ৩০০টা বছর ধরে তাঁকে অপরাধী বলে ঘৃণা করে গেলাম, তার সমস্ত বিদ্যাকে গুলি মেরে!
_____আর আজ?
_____সেই গ্যালিলিও গ্যালিলিকে নিয়ে, নিকোলাস কোপার্নিকাসকে নিয়ে বুক ফুলিয়ে, গলা উঁচিয়ে আমরা গর্ব করি! তাঁদের সে দাবী, সে আবিষ্কার দিব্যি মেনে নিয়ে তাঁদের বন্দনায় মুখর হয়ে উঠি! এবং সেইসব গর্বে গর্বিত হতে, সেইসব বন্দনায় মুখর হতে আমাদের আজ একটুকুও লজ্জা করে না।
।। ২ ।।
জিওর্দানো ব্রুনোকে তো আমরা চিনিই।
_____মাত্র ২৪ বছর বয়সী এই ছেলেটা ধর্মগৃহ কর্তৃক নিষিদ্ধ বই পড়তে গিয়ে আমাদের হাতে ধরা পড়ে। আর কী স্পর্ধা— এই ছেলেটাই একদিন আমাদের বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলে উঠল! কত কী আগড়ম-বাগড়ম দাবী করে বসল— এই মহাবিশ্বের মতো আরো মহাবিশ্ব আছে! পৃথিবী গোল! সূর্য এই মহাবিশ্বের কেন্দ্র না এবং এটা একটা নক্ষত্র ছাড়া কিছু নয়!...
_____আমরা তাকে জব্দ করে ধরলাম। বললাম, তুমি যা দাবী করেছ, তা অস্বীকার করো। নয়তো তোমাকে এর কঠিন পরিণাম ভোগ করতে হবে। এবং আরো কত বড় স্পর্ধা— সে তা অস্বীকারই করল না!
_____এত বাড়! দাঁড়াও, দেখাচ্ছি মজা। আমরা তার বিচার করলাম। দীর্ঘ বিচারকার্য শেষে তাকে খুঁটির সাথে বাঁধলাম শক্ত করে। তারপর আগুন ধরিয়ে দিলাম তার শরীরে। পুড়িয়ে পুড়িয়ে মারলাম।... করো, কত বাড়াবাড়ি করবা! করো!
_____আর আজ সেইসব দাবী মেনে নিয়েই আমরা গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিদ সেই জিওর্দানো ব্রুনোকেই ইতিহাস কাঁপানো বিজ্ঞানী বলে আখ্যা দিয়ে আনন্দিত হই! গর্বিত হই! এবং সেই আনন্দ, সেই গর্ব অনুভব করতে আমাদের বোধে আজ সামান্যতমও বাঁধে না।
।। ৩ ।।
আর সক্রেটিস?
_____সেই কুৎসিত ব্যাটাটা তো? টাকলু? চ্যাপ্টা নেকো? কুতকুতে চোখা? ইয়া ভুড়েল? চিনি চিনি। খুব চিনি।
_____আমরা কত জ্ঞানী-গুণী ছিলাম! কত কী জানতাম!... ঐ ব্যাটাই আমাদের সেসব জ্ঞান-গুণকে হেনস্থা করতে প্রশ্নের পর প্রশ্ন ছুড়ে দিত। আরে ব্যাটা, আমরা যে সব জানি, তোর তা মেনে নিতে কিসে বাঁধে রে? ঐ ব্যাটাই আমাদের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা তুলেছিল। শুধু কি তাই? আমাদের সামাজিকতা নিয়ে ব্যাটার নাক সিঁটকানো, আমাদের নৈতিকতা নিয়ে ব্যাটার ছি ছি, এমনকি আমাদের গণতন্ত্রও ব্যাটার না-পছন্দ!
_____আমাদের সবকিছুর ঘোর বিরোধী ঐ ব্যাটা নিজেই বলত— সে কিছুই জানে না। অথচ ডেলফির ওরাক্ল শয়তানটা ওকেই ঘোষণা করল সবচেয়ে প্রাজ্ঞ বলে!
_____আমরা কত জ্ঞানী-গুণী! আমরা সব বিষয়ে সব জানতাম। অথচ ওকেই...? আমরা সুতরাং আর কত ধৈর্যসহ্য করব? সব বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে। তুই ব্যাটা সবচেয়ে প্রাজ্ঞ হয়ে গেছিস— না? দাঁড়া।
_____দিলাম গাদাগুচ্ছের অভিযোগ ঠুকে ওর নামে। সব গুরুতর গুরুতর অভিযোগ। এবার? কই যাবি ব্যাটা এবার? ভোগে যাওয়া ছাড়া তোর আর কোনো গতি নেই।
_____শেষমেশ বিচারে ওর মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হল। তাও যে-সে মৃত্যু না— নিজের হাতে তুই নিজেই বিষ খাবি, খেয়ে তড়পাতে তড়পাতে মরবি... আমরা চোখ ভরে দেখব।
_____নিজের হাতে সে নিজে বিষ খেল। মরল। আমরা দেখলাম।... সেই আমরা আজ কী করি?
_____সেই তাকে বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিক হিসেবে আজ মহামান্য জ্ঞান করি! তার বলে যাওয়া কত কত কথাকে অমর বাণী হিসেবে গণ্য করি! জীবনে প্রতিফলিত করার চেষ্টা করি!... আমাদের লজ্জা করে না।
।। ৪ ।।
টমাস আলভা এডিসনকেও কি আমরা চিনি না?
_____বে-শ চিনি! ভী-ষ-ণ চিনি! এটা সেই আবলুস্ মার্কা ছোড়াটা না, যে হাঁসের খুপরিতে ঢুকে হাঁসের ডিম ফোটানো দেখে বলেছিল, মানুষও পেটের তলায় ডিম রেখে বাচ্চা ফোটাতে পারবে? আমরা তো হাসতে হাসতে...! এই ছোড়াটাই না স্কুলে গিয়ে কিচ্ছু পড়া পারত না? প্রতি পরীক্ষায় ফেইল করত? এটাকেই না শেষমেশ এক পরীক্ষার রেজাল্ট-শেষে একটা চিঠি হাতে ধরিয়ে আমরা ওর মায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম, যেটাতে আসলে লেখা ছিল— "আপনার ছেলে স্থূলবুদ্ধিসম্পন্ন, সে এই স্কুলের উপযুক্ত নয়, আমরা কোনোভাবেই তাকে আর আমাদের স্কুলে আসতে দিতে পারি না", আর ওর মা সেটা ঠিকঠাক না পড়ে মিথ্যে কথা বানিয়ে চিঠির কথা হিসেবে শুনিয়েছিল।?
_____হ্যাঁ তো! এটাই তো, এটাই তো সেই গুবলেটটা। এবং ওর মাও আর ওকে স্কুলে পাঠায় নি বলে আমরা তো মহাখুশি! পরে জেনেছিলাম, ওর মা-ই ওকে পড়াতে শুরু করে। তা করুক। ওর জন্য ওটাই ঠিক, স্কুল-টিস্কুল না।
_____আর কী আশ্চর্য— বড় হয়ে সেই গুবলেটটাই হয়ে উঠল বিশাল বিজ্ঞানী! আজ আমরা তার আবিষ্কার করা বৈদ্যুতিক বাতিতেই ঘর আলো করি! তার আবিষ্কারের ক্যামেরা দিয়েই ভিডিও করি! আরো কত কী! এতকিছুর ভেতর দিয়ে তাকে স্মরণ করতে গিয়ে সেই চিঠিটাও আমাদের চোখে ভাসে! এমনকি তার মা যখন চিঠিটা মিথ্যে করে পড়ে শোনাচ্ছিল, সেই মিথ্যে কথাগুলোও আমাদের কানে বাজে— "আপনার পুত্র খুব মেধাবী, এই স্কুলটি তার জন্য অনেক ছোট এবং এখানে তাকে শেখানোর মতো যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নেই; দয়া করে আপনি নিজেই তার শিক্ষার ব্যবস্থা করুন।" এবং চিঠিটা পড়ার কালে মায়ের চোখ যে সজল হয়ে উঠেছিল, সেই চোখ দুটোও আমাদেরকে কাঁদিয়ে ছাড়ে!
_____সেই গুবলেট টমাস আলভা এডিসনের বৈদ্যুতিক বাতিতে আলোকিত হতে, তার ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করতে, এমনকি তার মায়ের সেই সজল চোখ মনে করে কাঁদতেও আমাদের আজ কিছুমাত্র লজ্জা করে না।
।। ৫ ।।
গণিতবিদ হাইপেশিয়াকে আমরা চিনেও না চেনার ভাণ করে থাকি। বিজ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধির চর্চাকরী বলেই, এবং আরো হয়তো নারী বলেই আমরা অতি ধার্মিকেরা তাকে রাস্তায় পেয়ে হঠাৎ তার চুলের মুঠি ধরে রথ থেকে নামিয়ে সহস্র জনতার মধ্য দিয়ে টানতে টানতে নিয়ে এসেছিলাম আমাদের উপাসনালয়ে। এনে উপাসনালয়ের মেঝেতে তাকে ছুঁড়ে ফেলেছিলাম। তার শরীরের পোশাক টেনে ছিঁড়ে ফেলে তাকে বিবস্ত্র করে আমাদের সে কী উল্লাস! অপমানে তারপর সে থরথর করে কাঁপতে থাকল। আমরা তার কম্পমান শরীর থেকে চামড়া ছাড়িয়ে নিলাম ধারালো পাথর ঘঁষে ঘঁষে! যন্ত্রণায় কাতর হাইপেশিয়ার আর্তনাদে তখন আমাদের আকাশ বাতাস যত ভারী হয়ে ওঠে, আমাদের উল্লাসও তত বাড়ে।
_____উল্লাসে উল্লাসে আমরা চারপাশ থেকে টেনে তার শরীরকে খণ্ড-বিখণ্ড করে করে আগুনে জ্বালিয়ে দিলাম। তারপর তার দেহভস্ম ছড়িয়ে দিলাম আকাশে বাতাসে।... বিজ্ঞানের চর্চাকারী, মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী একজন পুরুষ হলেও মানা যায়। অথচ একজন সামান্য মেয়েমানুষ হয়ে সে...! কী করে মানি?
_____আজও আমরা তাকে বিশেষ স্মরণ করি না। একটা মেয়েমানুষকে অত স্মরণ করার কী আছে? কিন্তু ইদানীং কখনো-সখনো স্মরণ করতেই হয়। সত্যকে অস্বীকার করবার ভাগ্য নিয়ে তো আসি নি।
_____আর যখন স্মরণ করতেই হয়?
_____সেই হাইপেশিয়াকে মানব ইতিহাসের প্রথম উল্লেখযোগ্য নারী গণিতবিদ জ্ঞান করে সেই আমরাই উজ্জ্বল হয়ে উঠি! সেই ঔজ্জ্বল্য ধারণ করতে আমাদের আজকাল এতটুকুনও লজ্জা করে না।
।। ৬ ।।
তারপর?
_____এই লিস্ট অনেক লম্বা, অনেক অনেক লম্বা। যাহোক মোদ্দাকথা, আমরা কী করেছি? বর্তমান বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করে, অবহেলা করে, কার্পণ্য করে আমাদের বিশ্বাসের দম্ভ নিয়ে আমরা হেঁটে গেছি ভবিষ্যতে। এবং তারপর?
_____আমরা যখন ভবিষ্যতে দাঁড়ানো, সেই বর্তমান বাস্তব তখন কত কত, কত শত বছরের অতীত! এবং সেই ভবিষ্যতে দাঁড়িয়ে আমরা সেই কত কত, কত শত বছরের অতীতকে যোগ্য মর্যাদা দিয়েছি! এবং তারও পর?
_____সেইসব অতীতকে মর্যাদা দিয়ে এবং মর্যাদাবানদেরকে মান্য করে নিজেদেরকে আধুনিক, প্রগতিশীল বলে পরিচয় দিয়ে আমরা অহংকার করে গেছি! এবং ভবিষ্যতে দাঁড়িয়ে কত কত বছরের, কত শত বছরের পুরনো অতীতকে, অতীতজনকে মর্যাদা দিতে গিয়ে, অতীতকে অতীতে দাঁড়িয়েই মর্যাদা না দিয়ে মাঝখানের সময়টাকে যে আমরা নষ্ট করেছি নির্মম... সেই ভেবে আমাদের তবু দুঃখ হয় নি!... সেই বোকামিতে আমাদের তবু লজ্জা হয় নি!...
_____আমরা আমাদের বিশ্বাসের দম্ভ নিয়ে আজও হেঁটে চলি ভবিষ্যতের পথে, বর্তমান বাস্তবতাকে দিব্যি উপেক্ষা করে!সংগ্রহিত

🌹 ইংরেজিতে কিভাবে উৎসাহিত করবেন……….✪ Good job – সাবাশ!✪ Keep going - চলতে থাকো✪ Don’t be afraid - ভয় পেয়ো না✪ Never Give...
08/05/2022

🌹 ইংরেজিতে কিভাবে উৎসাহিত করবেন……….

✪ Good job – সাবাশ!
✪ Keep going - চলতে থাকো
✪ Don’t be afraid - ভয় পেয়ো না
✪ Never Give up - হাল ছেড়ো না
✪ That’s a good effort - এটা একটা ভালো প্রচেষ্টা
✪ There is nothing to fear - ভয়ের কোন কারন নেই
✪ I’m so proud of you - আমি তোমার জন্য গর্বিত
✪ Believe in yourself - নিজের ওপর বিশ্বাস রাখ
✪ Nothing is impossible – কোন কিছুই অসম্ভব নয়।
✪ Don’t get nervous - ঘাবড়াবে না
✪ Stay strong - শক্ত হও
✪ I’m behind you absolutely - আমি তোমার পেছনে সম্পূর্ণভাবে আছি
✪ Rest assured - নিশ্চিন্তে থাকুন
✪ Don’t hesitate - সংকোচ করবে না
✪ Do your best - সাধ্যমতো চেষ্টা করো
✪ Don’t worry - চিন্তা করো না
✪ It doesn’t matter - এটা কোন ব্যাপার না
✪ That’s a real improvement - এটা বাস্তবে উন্নতি হচ্ছে

1.There is no difficulty in Talking-কথা বলায় কোন সমস্যা নেই2.There is no difficulty in searching-খোজায় কোন সমস্যা নেই3...
07/05/2022

1.There is no difficulty in Talking
-কথা বলায় কোন সমস্যা নেই
2.There is no difficulty in searching
-খোজায় কোন সমস্যা নেই
3.There is no difficulty in reserving
-সংরক্ষণ করায় কোন সমস্যা নেই
4.There is no difficulty in flowering
- ফুল তোলায় কোন সমস্যা নেই
5.There is no difficulty in saving
-রক্ষা করায় কোন সমস্যা নেই
6.There is no difficulty in cooking
-রান্না করায় কোন সমস্যা নেই
7.There is no difficulty in describing
-বর্ননা করায় কোন সমস্যা নেই
8.There is no difficulty in checking
-পরিক্ষা করায় কোন সমস্যা নেই
☞It's Your Turn

🎼তুমি মিথ্যা বলছ। =You're lying.🎼এটা কোন ব্যাপার না। =It doesn't matter.🎼তুমি সবসময় ঠিক। = You're always right.🎼একদমই ন...
07/05/2022

🎼তুমি মিথ্যা বলছ। =You're lying.
🎼এটা কোন ব্যাপার না। =It doesn't matter.
🎼তুমি সবসময় ঠিক। = You're always right.
🎼একদমই না। Absolutely not.
🎼তুমি কি এটা চাও?=Do you want it?
🎼তুমি কি বললে?=What did you say?
🎼দিনটি ভালো হোক।=Have a nice day.
🎼আমি তাই মনে করি।=I think so.
🎼এটা আলাদা।=It's different.
🎼এটি সম্পর্কে চিন্তা করুন।=Think about it.
🎼ডান দিকে এগিয়ে যান।=Go right ahead.
🎼আমি লক্ষ্য করেছি।=I noticed that.
🎼এটা কিছুই না। =It's nothing.
🎼এটা মানে কি?=Do you mean it?
🎼আমি কাউকে চিনি না।=I don't know anybody.
🎼এটা অবিশ্বাস্য!=It's incredible!
🎼তিনি খুব স্মার্ট। = He is so smart
💥

Address

Mirpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when E.motion.tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share