Heritage of Bangladesh

Heritage of Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Heritage of Bangladesh, Photographer, Khulna.

ধ্বংসাবশেষ বড় কামারকুন্ডু জমিদার বাড়ি,ঝিনাইদহলোকমুখে শোনা যায়, জমিদার সলিমুল্লাহ বিশ্বাস ছিলেন হীরাডাঙ্গার একজন প্রভাবশা...
14/01/2026

ধ্বংসাবশেষ বড় কামারকুন্ডু জমিদার বাড়ি,ঝিনাইদহ

লোকমুখে শোনা যায়, জমিদার সলিমুল্লাহ বিশ্বাস ছিলেন হীরাডাঙ্গার একজন প্রভাবশালী জমিদার। তাঁর প্রথম স্ত্রী নিঃসন্তান হওয়ায় তিনি কামারকুন্ডু গ্রামে দ্বিতীয় বিবাহ করেন। বর্তমানে এই বাড়িটিতে তাঁর বংশধরেরা বসবাস করছেন। বাড়িটির সামনের অংশটি এখনো যত্নে সংরক্ষিত রয়েছে, তবে বাকি অংশ প্রায় ধ্বংসপ্রায়।

12/01/2026

দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স,খুলনা

06/01/2026

রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাধ,মাগুরা

04/01/2026

পিরোজপুর জেলার বলেশ্বর নদীর তীরে অবস্থিত পাড়েরহাট জমিদার বাড়ি এই অঞ্চলের এক সমৃদ্ধ ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। উনিশ শতকের দিকে প্রভাবশালী হিন্দু জমিদারদের হাত ধরে এই রাজকীয় স্থাপত্যের গোড়াপত্তন ঘটে। ইউরোপীয় এবং মোগল স্থাপত্যশৈলীর সংমিশ্রণে তৈরি এই বাড়ির বিশাল কারুকার্যখচিত দেয়াল, সুউচ্চ ফটক এবং সুপ্রশস্ত অন্দরমহল এককালে আভিজাত্যের চরম শিখরে ছিল। নদীর পাড়ে অবস্থিত হওয়ায় ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক উভয় ক্ষেত্রেই এই জমিদার বাড়ির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। তবে সময়ের বিবর্তনে এবং যথাযথ সংস্কারের অভাবে আজ সেই জৌলুস বিলীন প্রায়। আগাছা আর জঙ্গলে ঢাকা পড়ে যাওয়া ভাঙা দেয়ালগুলো এখন কেবল অতীতের রাজকীয় দিনগুলোর স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে। বর্তমানে এটি ধ্বংসাবশেষ কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে।

#পাড়েরহাট

03/01/2026

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (পি. সি. রায়) ছিলেন আধুনিক খুলনার এক অনন্য রূপকার, যার মেধা ও কর্মতৎপরতার উজ্জ্বল স্বাক্ষর আজও পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলি গ্রামে দৃশ্যমান। ১৮৬১ সালে রাড়ুলির এক বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করা এই বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী কেবল রসায়ন চর্চায় সীমাবদ্ধ না থেকে নিজ এলাকাকে একটি আদর্শ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে আজীবন কাজ করেছেন। তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে 'রাড়ুলি ভূবনমোহিনী বালিকা বিদ্যালয়' এবং উচ্চশিক্ষার জন্য 'আর. কে. বি. কে. হরিশ্চন্দ্র কলেজ'সহ বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পৃষ্ঠপোষকতা করেন।খুলনার বাহিরেও তিনি শিক্ষার প্রসার করেছেন। শিক্ষার পাশাপাশি এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে তিনি সমবায় ব্যাংক ও কুটির শিল্পের প্রসার ঘটান এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য রাস্তাঘাট ও ডাকঘর নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কপোতাক্ষ নদের তীরের এই নিভৃত গ্রামটিকে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পের কেন্দ্রে পরিণত করার মাধ্যমেই মূলত তিনি আধুনিক খুলনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

02/01/2026

পিরোজপুর জেলা শহর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি ও মঠ, যা মোগল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। ১৬৫৮ সালে রাজা রুদ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী এই মঠ ও মন্দির কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠা করেন। লোকগাথা অনুযায়ী, এই অঞ্চলের গভীর জঙ্গল বা 'কাষ্ঠ' (কাঠি) পরিষ্কার করে বসতি গড়া হয়েছিল বলে এর নামকরণ হয় রায়েরকাঠী। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো বিশাল আকৃতির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিব বিগ্রহ হিসেবে পরিচিত। একসময় এখানে শতাধিক অট্টালিকা ও অসংখ্য মন্দির থাকলেও বর্তমানে কালের বিবর্তনে টিকে আছে কয়েকটি মঠ।

02/01/2026

রায়েরকাঠি মঠ,পিরোজপুর

পিরোজপুর জেলা শহর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি ও মঠ, যা মোগল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। ১৬৫৮ সালে রাজা রুদ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী এই মঠ ও মন্দির কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠা করেন। লোকগাথা অনুযায়ী, এই অঞ্চলের গভীর জঙ্গল বা 'কাষ্ঠ' (কাঠি) পরিষ্কার করে বসতি গড়া হয়েছিল বলে এর নামকরণ হয় রায়েরকাঠী। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো বিশাল আকৃতির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিব বিগ্রহ হিসেবে পরিচিত। একসময় এখানে শতাধিক অট্টালিকা ও অসংখ্য মন্দির থাকলেও বর্তমানে কালের বিবর্তনে টিকে আছে ছোট-বড় কয়েকটি মঠ।

#মঠ #রায়রেকাঠি

উজানী জমিদার বাড়ি,গোপালগঞ্জগোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত উজানী জমিদার বাড়ি বাংলার এক গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী।...
01/01/2026

উজানী জমিদার বাড়ি,গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত উজানী জমিদার বাড়ি বাংলার এক গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী। প্রায় চারশ বছর আগে মোগল আমলের শেষভাগে জমিদার শ্রী হরিশচন্দ্র রায় চৌধুরী এই রাজকীয় প্রাসাদের ভিত্তি স্থাপন করেন বলে জানা যায়। একসময় এই জমিদার বাড়িটি ছিল অত্র অঞ্চলের ক্ষমতা এবং আভিজাত্যের কেন্দ্রবিন্দু। বিশাল আয়তনের এই প্রাসাদে নজরকাড়া কারুকার্যখচিত দেয়াল, সুউচ্চ তোরণ এবং প্রায় তিনটি প্রধান ভবন ছিল, যা জমিদারদের শৌখিন জীবনযাত্রার পরিচয় বহন করত।কালের বিবর্তনে এবং যথাযথ সংস্কারের অভাবে আজ উজানী জমিদার বাড়ির সেই জৌলুস বিলীন হয়ে গেছে। প্রাসাদের অনেক অংশ ধসে পড়েছে এবং দেয়ালগুলো লতাপাতায় ঢেকে গিয়ে একটি বিমর্ষ রূপ ধারণ করেছে।

#উজানীজমিদারবাড়ি

31/12/2025

কবি কাজী কাদের নেওয়াজের বাড়ি,মাগুরা

"শিক্ষাগুরু মর্যাদা" খ্যাত কবি কাজী কাদের নেওয়াজ তাঁর কর্মজীবনের এক বিশাল অংশ এবং জীবনের শেষ দিনগুলো মাগুরা জেলায় অতিবাহিত করেছেন, যা এই জেলার ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশভাগের পর ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসার পর তিনি মাগুরা জেলার শ্রীপুর মহেশচন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষকতা পেশায় তাঁর এই দীর্ঘ পথচলাই তাঁকে শিশুদের জন্য নীতিমূলক সাহিত্য রচনায় অনুপ্রেরণা জোগায়। ১৯৬৬ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মুজদিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। গ্রামবাংলার শান্ত ও নিবিড় পরিবেশে কবির সেই দ্বিতল ভবনটি বর্তমানে 'কবি ভবন' হিসেবে পরিচিত। এই বাড়িতে বসেই তিনি তাঁর অনেক কালজয়ী সাহিত্য রচনা করেছেন এবং স্থানীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারে অবদান রেখেছেন। ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি এই মুজদিয়া গ্রামেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এবং সেখানেই তাঁর সমাধি অবস্থিত। বর্তমানে মাগুরার সেই স্মৃতিবিজড়িত কবি ভবনটি অবহেলিত অবস্থায় থাকলেও, এটি আজও এই অঞ্চলের মানুষের কাছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।

#কবিকাজীকাদেরনেওয়াজ #মাগুরা

রঘুনাথ বিগ্রহ মন্দির,যশোর
31/12/2025

রঘুনাথ বিগ্রহ মন্দির,যশোর

মহেড়া জমিদার বাড়ি,টাঙ্গাইল১৮৯০ সালের দিকে কালীচরণ সাহা ও আনন্দ মোহন সাহা নামে দুই ভাই এই বিশাল জমিদার বাড়ির পত্তন করেন, ...
29/12/2025

মহেড়া জমিদার বাড়ি,টাঙ্গাইল

১৮৯০ সালের দিকে কালীচরণ সাহা ও আনন্দ মোহন সাহা নামে দুই ভাই এই বিশাল জমিদার বাড়ির পত্তন করেন, যারা মূলত কলকাতায় লবণের ব্যবসা করে প্রচুর বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছিলেন। প্রায় ১১৭৪ শতাংশ জমির ওপর স্থাপিত এই রাজকীয় এস্টেটটি ইউরোপীয়, বিশেষ করে রোমান ও স্প্যানিশ স্থাপত্যশৈলীর এক অপূর্ব নিদর্শন। ১৯৭১ সালের ১৪ই মে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি বাহিনী এখানে ভয়াবহ গণহত্যা চালালে জমিদার পরিবারের সদস্যরা ভারতে চলে যান এবং জমিদারি প্রথার চিরসমাপ্তি ঘটে। বর্তমানে এটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (PTC) হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার ফলে এর প্রতিটি স্থাপনা অত্যন্ত সুসংরক্ষিত। এই কমপ্লেক্সের ভেতরে প্রধানত চারটি দৃষ্টিনন্দন ভবন বা লজ রয়েছে যার মধ্যে "চৌধুরী লজ" এর গোলাপি আভা ও সামনের বিশাল স্তম্ভগুলো পর্যটকদের মুগ্ধ করে, "মহারাজ লজ" তার কারুকার্যময় ছয়টি সুউচ্চ রোমান কলামের জন্য বিখ্যাত এবং "আনন্দ লজ" নীল-সাদা রঙের মিশেলে তার ঝুলন্ত বারান্দার জন্য সুপরিচিত। এছাড়া রানী পুকুর ও পাসরা পুকুর নামে দুটি পুকুর, সুন্দর বাগান এবং একটি ছোট চিড়িয়াখানা আছে।

29/12/2025

উলপুর জমিদার বাড়ি,গোপালগঞ্জ

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে (প্রায় ১৯০০ সালের দিকে) জমিদার প্রীতিশ চন্দ্র রায় চৌধুরী প্রায় ২০০ একর জমির ওপর বিশাল এই প্রাসাদ নির্মাণ করেন। লোকমুখে শোনা যায়, একসময় এখানে জমিদারের ‘একশত ঘর শরিক’ বাস করতেন, যার ফলে এলাকাটি ছোট ছোট অনেকগুলো শৈল্পিক দালানে পরিপূর্ণ ছিল।
স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে এই বাড়িগুলোতে ব্রিটিশ আমলের গ্রিকো-রোমান এবং ইতালীয় রেনেসাঁ রীতির প্রভাব স্পষ্ট। চুন-সুরকি ও ইটের নিখুঁত গাঁথুনি আর কারুকার্যময় স্তম্ভগুলো আজও পর্যটকদের বিমোহিত করে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর জমিদার পরিবার ভারতে চলে গেলে বিশাল এই ভূসম্পত্তি ও ভবনগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বর্তমানে প্রাসাদের মূল ভবনগুলো উলপুর ইউনিয়ন সাব-পোস্ট অফিস এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Heritage of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category