আসক্ত মন

আসক্ত মন " অনুভূতিশূণ্য মানুষের বুকেও
অন্যের জন্য ভালোবাসা থাকে
পূর্ণতা কেবল অন্যের ভাগ্যে জোটে
আমার বেলায় সে শূন্য
- মাহজুবা আক্তার শাম্মী

ডার্ক রোমান্টিক ১৮+ ❌❌ #শূন্যতার_কারিগর  #নিশাত_কায়নাত (কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ) পর্ব: ১"আপনাদের স্যার কোথায় আছেন?"​রোশ...
07/08/2026

ডার্ক রোমান্টিক ১৮+ ❌❌
#শূন্যতার_কারিগর

#নিশাত_কায়নাত

(কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)

পর্ব: ১

"আপনাদের স্যার কোথায় আছেন?"

​রোশনির শান্ত অথচ তীক্ষ্ণ কণ্ঠে অফিসের কর্মীরা চমকে মুখ তুলে তাকাল। ছিমছাম গড়ন, চওড়া কপালে টিপ, খোলা চুলে শাড়িতে মোড়ানো এক তরুণী হন্তদন্ত হয়ে অফিসে ঢুকল। অফিস স্টাফদের চিনতে এক মুহূর্তও ভুল হলো না—তিনি স্বয়ং স্পর্শ স্যারের স্ত্রী, রোশনি। এর আগেও সে কয়েকবার এই অফিসে এসেছে। ​একজন নারী কর্মী দ্রুত সম্মান জানিয়ে বলে উঠল,

"ম্যাম, স্যার নিজের কেবিনের ডেস্কে কাজ করছেন। আমি একটু ডেকে দিচ্ছি?"

​"না না, আমি নিজেই যাচ্ছি। আপনার কষ্ট করতে হবে না," বলেই রোশনি আর দাঁড়াল না।

​স্পর্শের কেবিনের দরজার কাছাকাছি আসতেই ভেতর থেকে ভেসে এল চাপা গোঙানির শব্দ। অচেনা এক সুখের আবেশ মিশ্রিত সেই শব্দ বুঝতে রোশনির এতটুকু অসুবিধা হলো না। বুকটা এক মুহূর্তে কেঁপে উঠল—যে মানুষটা তার স্বামী, সে যদি অন্য কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে, তবে তার গোটা দুনিয়াটা বুঝি চিরতরে অন্ধকার হয়ে গেল। এই আশঙ্কায় তার হাত-পা অবশ হয়ে আসছে, শিরদাঁড়া দিয়ে নামছে বরফঠান্ডা স্রোত। দরজার হাতলে হাত রাখার শক্তিটুকুরও যেন সে খুঁজে পাচ্ছে না। মন আকুল হয়ে বলছিল, 'না, হয়তো আমার ভাবনা ভুল! অন্য কেউ তো হতে পারে!'
​কিন্তু নিজের সব সংশয় ধূলিসাৎ করে দিয়ে দরজা ঠেলে সে যখন ভেতরে প্রবেশ করল, তখন তার চোখের সামনে যে দৃশ্য ভেসে উঠল, তাতে জীবন্ত এক লাশে পরিণত হলো রোশনি।
​কেবিনের দুটি চেয়ার একসাথে জোড়া লাগিয়ে তার ওপর শুয়ে আছে একটি মেয়ে। মেয়েটির পা দুটি ছড়ানো স্পর্শের কাঁধে। শরীরে এক সুতাও কাপড় নেই। স্পর্শ অন্ধের মতো নিজের কাজে মত্ত, আর মেয়েটি যন্ত্রণায় ও আবেশে চিৎকার করে উঠছে। রোশনির আগমন টের পেয়েও স্পর্শের মধ্যে কোনো হেলদোল নেই। সে নিজের স্ত্রীর সামনে অন্য এক রমণীকে নিয়ে উন্মাদ!
​রোশনির বিয়ের বয়স সবেমাত্র আট মাস চলছে। আজ সে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। স্বামীর মুখে হাসি ফোটাতে, তাকে একরাশ ভালোলাগার সারপ্রাইজ দিতে সে অফিসে ছুটে এসেছিল; অথচ নিয়তির কি নিষ্ঠুর পরিহাস—সে নিজেই আজ চরম এক সত্যের মুখোমুখি হয়ে বাকরুদ্ধ! তার হাত থেকে খসে পড়ে গেল প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটটি। মেঝেতে কিটটি পড়ার শব্দ হলেও স্পর্শের ভ্রুক্ষেপ নেই। বহু কষ্টে গলা চিড়ে রোশনির মুখ থেকে শুধু বের হলো—

​"স্পর্শ... আপনি এগুলো কী করছেন?"

​স্ত্রীর গলায় এই প্রশ্ন শুনে স্প

25/07/2026

follow page

 #চাঁদের_আলো_তুমি #মাহজুবা_আক্তার_শাম্মী (কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ) পর্ব:৯ রাতের খাবার শেষ করে সবাই একটু বিশ্রাম নিল। এর...
21/07/2026

#চাঁদের_আলো_তুমি

#মাহজুবা_আক্তার_শাম্মী

(কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)

পর্ব:৯
রাতের খাবার শেষ করে সবাই একটু বিশ্রাম নিল। এরপর নোভা, নিধি, নিহান ও নিভান—এই চার ভাই-বোন মিলে গল্প করতে করতে তিন তলার দিকে উঠতে লাগল। সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে নোভা কোমর ধরে ক্লান্ত গলায় বলে উঠল,

: বাবা গো এতগুলো সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠতে উঠতে তো আমার পেটের সব খাবার এখনই হজম হয়ে গেল।

​নোভার কথা শুনে সবাই হেসে ফেলল, শুধু নিভান ছাড়া। নিভান আগের মতোই গম্ভীর রইল। নিহান নোভার কথায় খোঁচা দিয়ে বলল,

: তোর যদি এতই কষ্ট হয়, তবে তুই নিচে রান্নাঘরের পাশে শিফট হয়ে যা। তারপর পাতিলের সামনে শুধু বসে থাকবি, আর যখনই খিদে পাবে গপাগপ গিলবি।

​নিধি নোভার পক্ষ নিয়ে মুখ কুঁচকে বলল,

: ও নিচে যাবে কেন শুনি? দরকার হলে আমি ওর জন্য নিচ থেকে আবার খাবার নিয়ে আসব। ও নিচে চলে গেলে তো আমার পড়াশোনাই হবে না। তখন আমার নিজেরই নিচে-উপরে করতে করতে খিদে লেগে যাবে।

​নিধির ওকালতি দেখে আবারও সবার মাঝে হাসাহাসি শুরু হয়ে গেল। নিহান হেসে বলল,

: তাহলে তোরা দুই বোনই নিচে চলে যা।

​ঠিক তখনই নিভান বেশ শক্ত একটা ধমক দিয়ে উঠল। নিহান নিভানের ধমক খেয়ে হেসে ফেলে নিধিকে জিজ্ঞেস করল,

: আচ্ছা নিধি, এই বাড়ির সবার বড় কে? আমি নাকি নিভান?

নিধি অবাক হয়ে বলল,

: কেন, তুমিই তো বড়। ভুলে গেলে নাকি?

নিহান তখন নিভানের দিকে ইশারা করে বলল,

: তাহলে এই ধমকটা কাকে দিল নিভান? আমাকে?

​নিভান এবার রাগে চোয়াল শক্ত করে দাঁতে দাঁত চেপে বলল,

: হ্যাঁ হ্যাঁ, তোমাকেই দিলাম। এখন ফালতু কথা না বাড়িয়ে চলো তো।

​[পরের দিন সকাল]

​পরের দিন সকালবেলা নোভা যথারীতি ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়ে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করল। পড়া শেষ করে সে নিজের পড়ার টেবিলে বই নিয়ে বসল। পরীক্ষা যত কাছে আসছে, নোভার মনের ভেতরের টেনশন তত বাড়ছে। আজ স্কুলে ওদের শেষ ক্লাস, বিদায় বেলা। তাই আজ একটু সকাল সকালই যেতে হবে। নোভার মনটা ভীষণ খারাপ; আর কখনো ক্লাসের বন্ধুদের এভাবে একসাথে দেখতে পারবে না সে। তার কেবলই মনে হচ্ছে, এই তো সেদিনের কথা—কখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হলো আর কখন যে দশম শ্রেণীর পাঠ চুকিয়ে বিদায়ের সময় চলে এলো, সে টেরই পেল না।

​নোভা পড়া শেষ করে দ্রুত তৈরি হয়ে নিচে নেমে এলো। রেনু শেখ ওকে তাড়াহুড়ো করতে দেখে বললেন,

: কিছু খেয়ে যাবি না রে মা? সারাদিন না খেয়ে থাকবি কী করে?

নোভা জুতো পরতে পরতে বলল,

: বড় আম্মু, আমি স্কুলেই কিছু একটা খেয়ে নিব, তুমি চিন্তা কোরো না।

এই বলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল।
​সকাল তখন ৯টা বাজে। একে একে পরিবারের সবাই এসে খাবার টেবিলে উপস্থিত হলো। সবাই যার যার নির্দিষ্ট চেয়ারে বসে পড়লেও নোভার চেয়ারটা আজ খালি পড়ে রইল। নিভান টেবিলে এসেই নোভার খালি চেয়ারটার দিকে তাকিয়ে একটু ভ্রু কুঁচকাল। সে নিহানের দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকাতেই নিহান মায়ের উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করল,

: আম্মু, নোভা কোথায়? নোভাকে তো টেবিলে দেখছি না।

রেনু শেখ খাবার বেড়ে দিতে দিতে বললেন,

: ও তো সকালেই স্কুলে চলে গেছে। আজকে ওদের লাস্ট ক্লাস, তাই স্যার ফোন দিয়ে একটু আগেই ডেকেছিলেন। মেয়েটা তাড়াহুড়োয় সকাল থেকে কিছু মুখেও দিয়ে যায়নি।

​'কিছু খেয়ে যায়নি'—কথাটা শুনতেই নিভানের মেজাজটা এক নিমেষে বিগড়ে গেল। অথচ আজ কলেজে তার প্রথম জয়েনিংয়ের দিন, মনটা ভালো থাকার কথা ছিল। সে কোনোমতে খাওয়ার কাজটা শেষ করল। তারপর টেবিলের সবাইকে বিদায় জানিয়ে নিভান কলেজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেল। নিহানও নিজের অফিসের দিকে রওনা হলো এবং বাড়ির বাকি কর্তারাও যার যার কর্মস্থলের দিকে চলে গেলেন।
​ওদিকে ছোট চাচা রফিকুল শেখ আজ সকাল থেকে ওনার স্ত্রী রুপা শেখের সাথে একটা টু শব্দও করেননি। ওনার আত্মসম্মান আর রুচিতে বাঁধছে এমন এক কুটিল মহিলার সাথে কথা বলতে। তবে ওনার মনটা ভালো হয়ে গেল নিজের মেয়ে নিধিকে দেখে। যাক বাবা, মেয়েটা মায়ের অন্যায়ের কষ্ট নিজের মনে চেপে রেখে মুখ কালো করে রাখেনি, এটাই অনেক।
রফিকুল শেখ অফিস যাওয়ার আগে মেয়ে নিধির দিকে তাকিয়ে হেসে জিজ্ঞেস করলেন,

: তা আম্মুজান, আজকে কি তুমি আমাদের সাথে গাড়িতে যাবে নাকি?

নিধিও বাবার কথায় তাল মিলিয়ে হেসে বলল,

: গাড়িতে যদি আমার বসার মতো একটু জায়গা হয়, তাহলে অবশ্যই যাব।

​ঠিক তখনই নোভার আব্বু রফিক শেখ নিজের গলাটা একটু পরিষ্কার করে রসিকতা করে বললেন,

: উঁহু, গাড়িতে কোনো জায়গা হবে না। আমরা সবাই মাশাল্লাহ বেশ মোটা-সোটা মানুষ, একটুও জায়গা খালি থাকবে না।

নিধি দমে না গিয়ে চটপট জবাব দিল,

: জায়গা না হলেও সমস্যা নেই, আমি তোমাদের গা ঘেঁষেই চলে যাব।

​নিধির এমন জবাব শুনে বাড়ির সবাই হো হো করে হেসে ফেলল। মনে মনে সবাই হাফ ছেড়ে বাঁচল যে, যাক বাবা, কাল রাতের অপ্রীতিকর ঘটনাটা কেউ মনের ভেতর চেপে ধরে রাখেনি সবাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে, এটাই অনেক বড় পাওয়া। এরপর বাড়ির পুরুষেরা সবাই যে যার কর্মক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন।

​[দুপুরবেলা, নোভার স্কুল]

​দুপুরের দিকে ক্লাসের ফাঁকে নোভা আর তার বান্ধবী মুন্নি একসাথে ক্যান্টিনের দিকে বের হলো। মুন্নির মা বেশ অসুস্থ, তাই সে ক্যান্টিনে দ্রুত খাওয়া শেষ করে বাড়ি চলে যাবে। আর ক্লাসের প্রয়োজনীয় নোটগুলো কোচিংয়ের সময় শেষ হলে মুন্নির ভাই এসে নোভার কাছ থেকে নিয়ে যাবে।
​নোভার আজ সকাল থেকেই মনটা ভালো নেই, তাই সে কিছুই খাবে না বলে ঠিক করেছে। মুন্নি কেবল নিজের জন্য খাবারের অর্ডার দিল, ঠিক তখনই কোথা থেকে একটা অপরিচিত ছেলে হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে এসে নোভার সামনে দাঁড়াল। ছেলেটি নোভার হাতে একটা খাবারের প্যাকেট বাড়িয়ে দিয়ে বলল,

: ভাবি, এটা ভাইয়া পাঠিয়েছেন। আপনি নাকি সকালে না খেয়েই চলে এসেছেন, তাই এটা ওনার স্পেশাল অর্ডার।

​কথাটা শোনামাত্রই নোভা আর মুন্নি দুজনেই চরম চমকে উঠল। নোভা সকালে কিছু খেয়ে আসেনি—এই খবর স্কুলের বাইরের একটা ছেলে কী করে জানল? নোভা কপালে ভাঁজ ফেলে বেশ কড়া গলায় ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করল,

: আচ্ছা, তো আপনার সেই মহান ভাইয়ের নামটা কী শুনি? আর ওনার মাথায় কি কোনো বড়সড় সমস্যা আছে নাকি?

ছেলেটি দাঁত বের করে হেসে বলল,

: না ভাবি, ভাইয়ের নাম বলা যাবে না। আর ভাইয়ের কোনো সমস্যা নেই, আলহামদুলিল্লাহ সব একদম ঠিকঠাক আছে। আপনি একদম চিন্তা করবেন না।

​'চিন্তা করবেন না' শুনে নোভার মেজাজ আরও চড়ে গেল। সে চোখ রাঙিয়ে বলল,

: এই যে শুনুন, আপনাকে কে বলল যে আমি ওনার জন্য চিন্তা করছি, হ্যাঁ? ফাজিল লোক একটা।
​নোভা একটু থেমে আবার গাল ফুলিয়ে বলল,

: আপনার সেই ভাইকে গিয়ে বলবেন, কোনো ভালো গরুর ডাক্তার দেখাতে। ওনার চোখে নির্ঘাত সমস্যা আছে, ওনাকে একটা গরুর চশমা দেওয়া দরকার। আর তা যদি না হয়, তবে মাথায় একটু সমস্যা আছে বলে গরুর ইনজেকশন দেওয়া উচিত।

​বান্ধবী নোভার মুখে এমন অদ্ভুত ও চরম হাসির কথা শুনে মুন্নি তো হেসেই খুন হাসতে হাসতে তার পেটে খিল ধরার জোগাড়—বলল তো বলল, কী না 'গরুর ডাক্তার'🤣
​ওদিকে নোভার এমন কড়া কড়া কথা শুনে ছেলেটির মুখটা আমসি হয়ে গেল। সে শুকনো মুখে বলল,

: ভাবি, খাবারটা অন্তত রাখুন। আমার এবার যাওয়ার সময় হয়েছে।

নোভা হাত গুটিয়ে গম্ভীর মুখে বলল,

: খাবার যেহেতু আমার জন্য এনেছেন, তাহলে আমি যা বলব, তা তো আপনাকে শুনতেই হবে, তাই না?

ছেলেটি নিরুপায় হয়ে মাথা নেড়ে বলল,

: হ্যাঁ, শুনব।

নোভা স্কুলের গেটের দিকে আঙুল উঁচিয়ে বলল,

: ওই যে গেটের সামনে একটা গরিব মহিলা ছোট বাচ্চা নিয়ে বসে আছে না? যান, খাবারটা উনাকে দিয়ে আসেন।

​ছেলেটি নোভার কথা শুনে বিস্ময়ে হাঁ করে নোভার দিকে তাকিয়ে রইল। তাই দেখে নোভা ধমকের সুরে বলল,

: হাঁ টা এবার বন্ধ করুন তো! বাতাসে অনেক মশা-মাছি উড়ছে, মুখে ঢুকে যেতে পারে। আমার পেট এমনিতেই ভরা, এই খাবার দিয়ে আমি নিজের পেট নষ্ট করতে চাই না। যান, খাবারটা উনাকে দিয়ে আসুন।

​নোভার এমন কড়া হুকুম শুনে ছেলেটি আর কোনো কথা না বাড়িয়ে সুড়সুড় করে গিয়ে গেটের সেই মহিলাকে খাবারের প্যাকেটটা দিয়ে চলে গেল। যাওয়ার সময় সে নিজের কপাল চাপড়ে মনে মনে বলতে লাগল—'আল্লাহ রে! এ আমি কার পাল্লায় পড়লাম? কোন খ্যাপাটে ভাবির চক্করে এসে ফেঁসে গেলাম।
​কিছুক্ষণ পর মুন্নি নিজের খাওয়া শেষ করে নোভার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেল। যাওয়ার আগে মনে করিয়ে দিয়ে গেল—'কোচিং শেষ হলে ভাইয়া আসবে কিন্তু, তুই নোটগুলো একটু কষ্ট করে ওর হাতে দিয়ে দিস।

চলবে --------------

ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন লাইক কমেন্ট শেয়ার করে পাশে থাকবেন ধন্যবাদ ​


পুরাই আগুন ✅😌😊
19/07/2026

পুরাই আগুন ✅😌😊


19/07/2026

খেলতাছে ওরা হাত পা কাঁপতাছে আমার 🥺

19/07/2026

আর্জেন্টিনা 😘

19/07/2026

আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন

Address

Netrakona
Jhenida

Telephone

+8801305464248

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসক্ত মন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আসক্ত মন:

Shortcuts

Share