Let's Know Something

Let's Know Something "Where Curiosity Meets Knowledge. So, fuel your curiosity and know more. Think More. Be More."
'sknowsomething
(1)

প্রতিদিন কিছু জানুন, প্রতিদিন কিছু ভাবুন।

“Let's Know Something” হলো একটি জ্ঞানভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিজ্ঞান, ইতিহাস, মনোবিজ্ঞান, সমাজ ও পৃথিবীর চমকপ্রদ তথ্য প্রতিদিন রিলস ও পোস্টে তুলে ধরা হয়।

আমাদের লক্ষ্য—তথ্য দিয়ে নয়, কৌতূহল দিয়ে মনে জায়গা করে নেওয়া।

👉 নতুন কিছু জানতে ও ভাবতে ফলো করুন — Let's Know Something!

ফলাফল হয়েছে, সুপারিশ হয়েছে, তবে নিয়োগপত্র কোথায়? অবশেষে দীর্ঘসূত্রিতার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত যোগদানের দাবিতে চূড়ান্ত সুপারি...
21/04/2026

ফলাফল হয়েছে, সুপারিশ হয়েছে, তবে নিয়োগপত্র কোথায়? অবশেষে দীর্ঘসূত্রিতার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত যোগদানের দাবিতে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলনের ডাক।

​📍 স্থান: সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
🕒 সময়: ২১ এপ্রিল, বিকাল ৩:০০ টা।

​সুপারিশপ্রাপ্ত সকল সহযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই। আপনাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আপনারা লড়াই করে যান।

Each season has its own Unique Beauty.
07/04/2026

Each season has its own Unique Beauty.

আমরা ডিগ্রি অর্জন করি, বড় বড় সার্টিফিকেট পকেটে পুরি—কিন্তু দিনশেষে আমরা কি প্রকৃত 'মানুষ' হয়ে উঠতে পারছি?​যে শিক্ষা আমাদ...
16/03/2026

আমরা ডিগ্রি অর্জন করি, বড় বড় সার্টিফিকেট পকেটে পুরি—কিন্তু দিনশেষে আমরা কি প্রকৃত 'মানুষ' হয়ে উঠতে পারছি?
​যে শিক্ষা আমাদের হৃদয়ে দয়া, মায়া আর সহমর্মিতার জন্ম দেয় না; যে শিক্ষা আমাদের নিজের শেকড়কে, নিজের মা আর মাটিকে ভালোবাসতে শেখায় না—সেই পুঁথিগত বিদ্যা কেবল মস্তিষ্ক ভারী করে, জীবনকে নয়।
​আসুন, এমন শিক্ষার পেছনে ছুটি যা আমাদের ভেতরকার অন্ধকার দূর করে প্রকৃত মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটাবে। কারণ মা-মাটির প্রতি দায়বদ্ধতাহীন শিক্ষা মূল্যহীন।

মনে রাখবেন- "যে শিক্ষা মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটাতে পারে না, যে শিক্ষা মা-মাটির মানুষ বানাতে পারে না- সে শিক্ষা শিক্ষাই না।" 🇧🇩🌿

​ #মনুষ্যত্ব #প্রকৃতশিক্ষা #শিক্ষা #মা_মাটি_মানুষ

👣 রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের ত'লায় তেল মালিশ করার জাদুকরী উপকারিতা! 🌿​আমাদের পায়ের পাতায় লুকিয়ে আছে পুরো শরীরের সুস্থতার চাব...
10/03/2026

👣 রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের ত'লায় তেল মালিশ করার জাদুকরী উপকারিতা! 🌿
​আমাদের পায়ের পাতায় লুকিয়ে আছে পুরো শরীরের সুস্থতার চাবিকাঠি! রিফ্লেক্সোলজি অনুযায়ী, পায়ের তা'লুর বিভিন্ন পয়েন্টের সাথে আমাদের শরীরের ভেতরের অ'ঙ্গ-প্রত্যঙ্গে:র সরাসরি যো'গসূত্র রয়েছে। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট পায়ের তলা'য় হালকা গর'ম তেল মা'লিশ করলে শরীরের কোন অ'ঙ্গের কী উপকার হয়, চলুন ছবির সাথে মিলিয়ে জেনে নিই:

​🧠 মস্তিষ্ক (পায়ের বুড়ো আঙুলের ডগায়): সারাদিনের মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমে যায়। এটি স্নায়ুকে শান্ত করে, ফলে রাতে খুব গ'ভীর ও প্রশান্তির ঘুম হয়।

​👁️ 👂 চোখ এবং কান (আঙুলের নিচের অংশে): যারা সারাদিন মোবাইল বা কম্পিউটারে কাজ করেন, তাদের চোখের ক্লান্তি দূর করতে এটি দারুণ কাজ করে। পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণের সুস্থতা বজায় রাখে।

​🫁 🫀 ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ড (পায়ের পাতার উপরের অংশে): বু'কে র'ক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের উন্নতি ঘটায় এবং হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

​🍲 পাকস্থলী ও অন্ত্র (পায়ের মাঝখানের ও নিচের অংশে): হজমশক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যাদের গ্যাস, ব'দহজম বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এই পয়েন্টে মালিশ করা খুবই উপকারী।

​🩸 কিডনি বা বৃ'ক্ক (পায়ের ঠিক মাঝখানে): কিডনির পয়েন্টে মালিশ করলে শরীরের ক্ষ"তিকর ট"ক্সিন বা ব'র্জ্য পদা'র্থ সহজে বের হয়ে যেতে সাহায্য করে।

​🦋 থাইর'য়েড ও অ'গ্ন্যাশয়: হরমো'নের সঠিক ভারসাম্য রক্ষায় এবং শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

​🦴 হাড় ও জয়েন্ট: পায়ের বাইরের দিকের অংশে মালিশ করলে মেরুদণ্ড ও জয়েন্টের ব্যথা উপশম হয়।

​💡 কোন তেল মালিশ করবেন?
​সরিষার তেল: সবচেয়ে বেশি উপকারী! ২-৩ চামচ সরিষার তেলের সাথে এক বা দুই কোয়া রসুন ও সামান্য মেথি দিয়ে হালকা গরম করে নিন। এই তেল পায়ের তলায় মালিশ করলে শরীরের যেকোনো ব্যথা ও ক্লান্তি দ্রুত দূর হয়।
​নারকেল তেল বা তিলের তেল: গরমকালে বা ত্বক বেশি শুষ্ক থাকলে খাঁটি নারকেল তেল বা তিলের তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

​✅ নিয়ম: রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে পা ভালো করে ধুয়ে মুছে শুকিয়ে নিন। এরপর তেল নিয়ে প্রতি পায়ে ২-৩ মিনিট হালকা হাতে আঙুলের ড'গা দিয়ে চা'প দিয়ে দিয়ে মালি'শ করুন।
​আজকের রাত থেকেই শুরু করুন আর সকালে উঠে ফ্রেশ অনুভব করুন! পোস্টটি শেয়ার করে আপনার কাছের মানুষদেরও এই সহজ স্বাস্থ্য টিপসটি জানার সুযোগ করে দিন। 👇

পৃথিবীর কেন্দ্রে ভ্রমণ: কল্পবিজ্ঞান থেকে বিজ্ঞানীদের অজানা রহস্য 🌍🔍প্রায় ১৬০ বছর আগে জার্মান ভূতত্ত্ববিদ অট্টো লিডেনব্র...
10/03/2026

পৃথিবীর কেন্দ্রে ভ্রমণ: কল্পবিজ্ঞান থেকে বিজ্ঞানীদের অজানা রহস্য 🌍🔍

প্রায় ১৬০ বছর আগে জার্মান ভূতত্ত্ববিদ অট্টো লিডেনব্রক এবং তার ভাইপো অ্যাক্সেল ফরাসি লেখক জুল ভার্নের কাল্পনিক "জার্নি টু দ্য সেন্টার অব দ্য আর্থ" বা 'পৃথিবীর কেন্দ্রে যাত্রা' বইয়ে এক রোমাঞ্চকর অভিযানের সূচনা করেছিলেন। সেই গল্পে, তারা আইসল্যান্ডের একটি গুহা মুখ থেকে যাত্রা করে পৃথিবীর কেন্দ্রে একটি বিলুপ্ত আগ্নেয়গিরি, সূর্যহীন সমুদ্র, আলোকিত শিলা, প্রাগৈতিহাসিক বন ও সামুদ্রিক জীবনের সন্ধান পেয়েছিলেন। কিন্তু আজকের বিজ্ঞানের জ্ঞান অনুযায়ী, আমাদের পায়ের নিচে প্রায় ৬,৩৭১ কিলোমিটার নিচে আসলে কী আছে? চলুন, পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে এক বৈজ্ঞানিক যাত্রায় বেরিয়ে পড়ি।

গুপ্ত গুহাশ্রয়: পৃথিবীর ভূ-ত্বক (Crust)

আমাদের পৃথিবী পেঁয়াজের মতো অনেকগুলো স্তর দিয়ে গঠিত, এবং আমরা যতদূর জানি, শুধুমাত্র প্রথম স্তরেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে, যাকে বলা হয় ক্রাস্ট বা ভূ-ত্বক। এই স্তরে ছুঁচা বা গন্ধমূষিক এবং ব্যাজার বা গর্তবাসী ভোঁদড়ের মতো ছোট আকারের নিশাচর প্রাণীরা গুহা বা গর্তে বাস করে। এর চেয়ে গভীরে গেলে নাইল ক্রোকোডাইল নামে এক ধরণের কুমির পাওয়া যায়, যারা মাটির নিচে ১২ মিটার পর্যন্ত গভীর গর্ত বা গুহায় থাকতে পারে। এই প্রথম স্তরে রয়েছে বেশ কিছু প্রাচীন ভূগর্ভস্থ শহর, যেমন তুরস্কের এলেনগুবু, যা বর্তমানে ডেরিনকুয়ু নামে পরিচিত। এটি ভূ-ত্বক থেকে ৮৫ মিটারের বেশি গভীরে অবস্থিত এবং ১৮ স্তরের টানেল দিয়ে নির্মিত গোলকধাঁধাঁর মতো বিস্তৃত এই শহরটিতে ২০ হাজারের বেশি মানুষ ধারণের ক্ষমতা ছিল বলে ধারণা করা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম খনি প্রায় চার কিলোমিটার পর্যন্ত গভীর। দক্ষিণ আফ্রিকার স্বর্ণখনির শ্রমিকরা মাটির দুই কিলোমিটার গভীরে জীবন্ত কীট খুঁজে পেয়েছেন, কিন্তু তিন কিলোমিটার গভীরতার পর আর কোনো প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। এছাড়াও রয়েছে রাশিয়ার খনন করা বিশ্বের গভীরতম কূপ, কোলা সুপারডিপ বোরহোল, যাকে অনেকে নরকের দ্বার বলে মনে করে এবং স্থানীয়রা দাবি করে যে তারা নির্যাতিত আত্মার চিৎকার শুনতে পায়।

ক্যালিডোস্কোপ: ম্যান্টল বা বিচ্ছুরিত স্তর (Mantle)

৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গভীরতায় গিয়ে আমরা পৃথিবীর দ্বিতীয় স্তরের দেখা পাই, যাকে বলা হয় ম্যান্টল বা বিচ্ছুরিত স্তর। এটি আমাদের গ্রহের সবচেয়ে বড় অঞ্চল, যা পৃথিবীর আয়তনের ৮২ শতাংশ এবং ভরের ৬৫ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত। এটি উত্তপ্ত শিলা দিয়ে গঠিত, যা আমাদের কাছে কঠিন মনে হলেও এটি আসলে খুব ধীরে ধীরে প্রবাহিত হয়, বছরে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার স্থান পরিবর্তন করে। মাটির নিচের এই খুব ছোট পরিবর্তনও পৃথিবীর উপরিভাগ বা ভূত্বকে ভূমিকম্পের সৃষ্টি করতে পারে। এই স্তরে একটি বিশাল সাগরও রয়েছে, যা পুরো পৃথিবীর সব সাগরের পানি ধারণ করার সক্ষমতা রাখে। তবে এতে এক ফোঁটাও তরল নেই; বরং এটি খনিজ অলিভাইনে জমে থাকা পানির সমন্বয়ে গঠিত, যা ম্যান্টল বা বিচ্ছুরিত স্তরের উপরিভাগের ৫০ শতাংশই তৈরি করে। আরও গভীরে গেলে এটি আকাশী নীল রঙের রিংউডাইট ক্রিস্টাল বা আকাশী নীল রঙের ম্যাগনেসিয়াম সিলিকেটের স্ফটিকে পরিণত হয়। আরও নীচে নামলে চাপ আরও বাড়তে থাকার মানে হচ্ছে, অ্যাটম বা পরমাণুর গঠনে পরিবর্তন হয়, যার কারণে সবচেয়ে পরিচিত পদার্থও খুবই অদ্ভুত আচরণ করতে থাকে। এটি একটি ঘূর্ণায়মান জায়গা যেখানে ক্যালিডোস্কোপের স্ফটিকের মতো বস্তু রয়েছে। এটি এমন এক জায়গা যেখানে শিলা প্লাস্টিকের মতো নমনীয় এবং খনিজগুলো এতোটাই বিরল যে সেগুলো পৃথিবীর উপরিভাগে সেগুলোর অস্তিত্বই নেই। বাস্তবিক পক্ষে সেখানে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় থাকা ব্রিজম্যানাইট এবং ডেভমাওইট নামে খনিজগুলো গঠিত হওয়ার জন্য ভূ-অভ্যন্তরের অতি উচ্চ চাপের দরকার হয় এবং এগুলো পৃথিবীর উপরিভাগে উঠিয়ে নিয়ে আসা হলে সেগুলো ভেঙ্গে পড়বে। ২৯০০ কিলোমিটার গভীরে পৌঁছানোর পর আমরা ম্যান্টল বা বিচ্ছুরিত স্তরের শেষ প্রান্তে উপনীত হব।

রহস্যময় কাঠামো: লার্জ লো শিয়ার ভেলোসিটি প্রভিন্স (LLSVP)

ম্যান্টলের গভীরে দুটি বিশালাকার কাঠামো রয়েছে, যা হাজার হাজার কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত এবং পৃথিবীর আয়তনের ছয় শতাংশ এগুলো দিয়ে গঠিত। এদের বলা হয় “লার্জ লো শিয়ার ভেলোসিটি প্রভিন্স” বা সংক্ষেপে এলএলএসভিপি (Large Low Shear Velocity Provinces)। এগুলোর অবশ্য আরও নাম রয়েছে: 'টুজো' (Tuzo)—এটি আফ্রিকা অঞ্চলের নিচে অবস্থিত এবং 'জেসন' (Jason)—এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিচে অবস্থিত। এগুলোর উচ্চতা নিয়ে আলাদা ধারণা প্রচলিত থাকলেও, টুজো ৮০০ কিলোমিটার উঁচু বলে মনে করা হয়, যা ৯০টি হিমালয় পর্বতকে পরস্পরের উপরে বসালে যে উচ্চতা হবে তার সমান। জেসনের উচ্চতা ১৮০০ কিলোমিটার, যা প্রায় ২০৩টি এভারেস্ট পর্বতের মিলিত উচ্চতার সমান। তবে এগুলোর আয়তন কত বড় সে সম্পর্কিত তথ্য ছাড়া এগুলো নিয়ে আর তেমন কোনো নিশ্চিত তথ্য জানা যায় না; যেমন সেগুলো কীভাবে গঠিত হয়েছে, এগুলো কী দিয়ে তৈরি বা কীভাবে আমাদের গ্রহকে প্রভাবিত করে ইত্যাদি।

স্ফটিকাকার হৃদয়: আউটার কোর ও ইনার কোর (Outer Core & Inner Core)

জুল ভার্নের ক্লাসিক উপন্যাসে অধ্যাপক লিডেনব্রক পুরো একটি আলাদা ভূগর্ভস্থ দুনিয়ার সন্ধান পেয়েছিলেন, যার মধ্যে ছিল প্রাগৈতিহাসিক সময়ের প্রাণী এবং ভূগর্ভস্থ মহাসাগর। যদিও ডাইনোসর থাকার বিষয়টি একটু অতিরঞ্জিতই ছিল, কিন্তু তারপরও সেখানে গলিত ধাতুর সাগর, যার গরম লাল স্রোত ধীরে ধীরে বয়ে চলেছে, ছড় এবং গলিত ধাতুর সাইক্লোন—সবই ছিল। এই চলাচল একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে, যা ছাড়া পৃথিবীর উপরিভাগে জীবনের অস্তিত্ব সম্ভব নয়; এই চৌম্বকীয় স্তর সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর বিকিরণ এবং অন্যান্য উপাদান থেকে রক্ষা করে। এটি না হলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ধ্বংস হয়ে যেতো। এরপর আমরা চূড়ান্ত স্তরে পৌঁছে যাব, যেটি ইনার কোর বা আন্তঃকেন্দ্র বলে পরিচিত। এটি এখনো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্যের বিষয়। এটি কঠিন লোহা ও নিকেলের তৈরি অতিঘন একটি উত্তপ্ত বল, যার উত্তাপ সূর্যের উপরিভাগের তাপের মতোই বলে ধরা হয় এবং এটি আকারে চাঁদের চেয়ে কিছুটা ছোট। এখানকার চাপ এতোই বেশি যে এর কারণে ধাতু স্ফটিকে পরিণত হয়ে পৃথিবীর কেন্দ্রে একটি নিরেট স্তর তৈরি করেছে। এটি এমন একটি স্তর যেখানে আমরা কখনোই পৌঁছাতে পারব না। এখানকার পরিবেশ এতো বেশি রুক্ষ (৬০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং চাপ ৩.৫ মিলিয়ন অ্যাটমোস্ফিয়ার) যে সেখানে কোনো কিছুই টিকতে পারবে না। ধাতব সাগরে আটকে থাকা সেই স্ফটিক জগত সব সময়ই রহস্যময় ছিল এবং সম্ভবত সব সময় রহস্যই থাকবে। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বিজ্ঞানীরা এটি নিয়ে গবেষণা করছেন এবং মাঝে মাঝেই মনে হয় যে আরও বেশি তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে, কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, এগুলো এখনো খুব একটা বোঝা সম্ভব হয়নি। অবশ্য বিজ্ঞান আর কল্পনার তো আসলে কোনো সীমা রেখা নেই।

শিক্ষণীয় বার্তা: পৃথিবীর কেন্দ্রের এই যাত্রা আমাদের দেখায় যে, আমাদের পায়ের নিচেও মহাবিশ্বের মতোই বিশাল এবং রহস্যময় এক জগৎ লুকিয়ে আছে। বিজ্ঞান যতদূরই পৌঁছাক না কেন, অজানার রহস্য চিরকালই আমাদের কৌতূহলী করে রাখবে।

কমেন্ট প্রমোট: পৃথিবীর কেন্দ্রের এই বৈজ্ঞানিক যাত্রা সম্পর্কে আপনার কী মনে হয়? মহাবিশ্বের কোন রহস্য আপনাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে?

👉তথ্যসূত্র:

Jules Verne: Journey to the Center of the Earth (উপন্যাস)
National Geographic: Journey to the Earth's Core - https://www.nationalgeographic.com/science/article/earths-core
Live Science: What Is Earth's Core Made Of? - https://www.livescience.com/33368-what-is-earths-core-made-of.html
Smithsonian Magazine: What's at the Center of the Earth? - https://www.smithsonianmag.com/science-nature/whats-at-the-center-of-the-earth-180979407/
Wikipedia: Structure of the Earth - https://en.wikipedia.org/wiki/Structure_of_the_Earth

#পৃথিবীরকেন্দ্র #জুলভার্ন #ভূ-বিজ্ঞান #রহস্য #মহাবিশ্ব #বিজ্ঞান #গবেষণা #পৃথিবীরস্তর

24/02/2026

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let's Know Something posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share