ফুর্তি সারাবেলা

ফুর্তি সারাবেলা Love itself is a universal experience. Yet, every individual occurrence - while perhaps bound by a c

স্যালুট...
03/08/2024

স্যালুট...

08/06/2020

কবিতাঃ- কিন্তু- তুমি চাওনি....
𝑾𝒓𝒊𝒕𝒊𝒏𝒈 𝒂𝒏𝒅 𝒓𝒆𝒄𝒊𝒕𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏:- 𝒋𝒂𝒉𝒊𝒅 𝒉𝒂𝒔𝒂𝒏 𝒂𝒌𝒂𝒔𝒉

তুমি চাইলে- রংধনু এনে দিতাম বকুল ফুলের মালা তোমার গলায় শোভা পেত,
কালো গোলাপের সুভাষ তোমার বারান্দায় ছড়াতো।
কিন্তু তুমি চাওনি!....

তুমি চাইলে- কাজল পরিয়ে দিতাম,
তোমার এলোমেলো চুলগুলো খোপা করে-
কপালে কালো টিপ পরিয়ে দিতাম।
কিন্তু তুমি চাওনি!...

তুমি চাইলে- পায়ে আলতা পরিয়ে
শাড়ির কুচি গুলো ভাজ করে
কানের নিচের চুলগুলো আলতো করে সরিয়ে-
অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম।
কিন্তু তুমি চাওনি!...

তুমি চাইলে- আকাশে মেঘ করতো,
বৃষ্টি নামতো,
দুজনে প্রাণভরে ভিজতাম।
জ্বর আসলে আসতো! তোমার মাথায় জলপট্টি দিয়ে
চুলে হাত বুলিয়ে রাতভর পাশে জেগে থাকতাম।
কিন্তু তুমি চাওনি!....

তুমি চাইলে- ঝিঁঝিঁপোকা ডাকতো
জোনাকির আলোয় আলোকিত হতো তোমার বারান্দা,
মিটিমিটি আলোয় তোমার মায়া মুখ দেখতে-দেখতে
বিলিন হয়ে যেতাম তোমার মাঝে।
কিন্তু তুমি চাওনি!...

তুমি চাইলে প্রবল জোছনায়
একলা বারান্দায় তোমার এক কাপ চায়ের সঙ্গী হতাম,
তোমার চুলের ঘ্রাণ নিতে-নিতে
কবিতা লিখতাম।
কিন্তু তুমি চাওনি!...
তুমি চাওনি....
‌ তুমি চাওনি..

25/05/2020

চার বেহারার পাওকি কইরা,
যখন গেলা সামনে দিয়া💔💔

10/11/2019

কেউ বিষ্টিতে ভেজে ভালবেসে-
কেউবা অশ্রু লুকাতে।

ভালবাসা এক আধ্যাত্মিক ব্যাপার,
এক জীবনে সে ঘোর কাটানোর চেষ্টা করাটাই বোকামি।

30/04/2018
দুই মিনিট সময় থাকলে পড়ার অনুরোধ রইল। একদা দুই জমজ শিশু মাতৃগর্ভে গল্প করিতেছিলো।একে অপরকে সুধাইলো, " তুমি কি প্রসবের পরব...
16/07/2016

দুই মিনিট সময় থাকলে পড়ার অনুরোধ রইল।

একদা দুই জমজ শিশু মাতৃগর্ভে গল্প করিতেছিলো।
একে অপরকে সুধাইলো, " তুমি কি প্রসবের পরবর্তী জীবনে বিশ্বাস কর?"
অপরজন উত্তর দিলো, "অবশ্যই করি। নিশ্চই প্রসবের পরবর্তীকাল বলিয়া কিছুরহিয়াছে এবং সেই পরবর্তীকালের প্রস্তুতিকরণের উদ্দেশ্যেই আজ আমরা এইখানে।"
প্রথম জন কহিলেন "আহারে বেয়াকুফ, প্রসব- পরবর্তী জীবন বলিয়া কিছু নাই। তোমার সেই প্রসব-পরবর্তী কাল্পনিক জীবন কিরুপে সম্ভব???"
দ্বিতীয় জন উত্তর দিলেন, "আমি ঠিক জানি না। তবে সেথায় এখান হইতে আলোক অনেক বেশি হইবে। হয়তো সেথায় আমরা নিজ পায়ে হাটিয়া বেড়াইবো, মুখ দিয়া আহার করিবো। হয়তো সেখানে আমাদের ইন্দ্রিয়গুলো, অনুভুতিগুলো এখানকার চাইতে ভিন্ন হইবে যাহা এখন আমরা বুঝিতে পারিতেছিনা।"
প্রথম জন, "ইহা কল্পনাবিলাস ব্যতীত কিছুই নহে। নিজের পায়ে চলাচল? অসম্ভব। আর মুখ দিয়ে খাদ্য গ্রহন? অলিক কল্পনা আর কাহাকে বলে। আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির সরবরাহ আসে এই নাড়ির মাধ্যমে। কিন্তু নাড়ির এই স্বল্প-দৈর্ঘ্য আমাদের প্রসব-পরবর্তী জীবনের জন্য কোনো যুক্তিতেই যথেষ্ট হইতে পারে না।
সুতরাং প্রসব-পরবর্তী জীবন এক কথায় অসম্ভব।"
দ্বিতীয় জন, "আমি মনে করি জীবন এখানেই শেষ নহে। হয়তোবা প্রসব-পরবর্তী জীবন অন্যরকম। হয়তো সেখানে আমাদের এই নাড়ির প্রয়োজনই হইবে না।"
প্রথম জন, "ফালতু চিন্তারও তো একটা সীমা থাকে। আর যদি এমন হতোই, তাহলে কেন কেউ কখনো সেখান হইতে ফিরিয়া আসেনি? প্রসব হইল জীবনের শেষ এবং তাহার পর কেবলই অন্ধকার, নিরবতা আর শূন্যতা।"
দ্বিতীয় জন, "আমি ঠিক বলিতে পারি না। কিন্তু তখন আমরা আমাদের মায়ের কাছে থাকিব আর সেই আমাদের দেখাশোনা করিবে।"
প্রথম জন, "মা ? ? ? ! ! ! তুমি সত্যিই মা বিশ্বাস কর??? মা যদি সত্যিই থাকিয়া থাকে, তাহলে সে এখন কোথায়???"
দ্বিতীয় জন, "সে আমাদের চারদিকেই বিরাজমান। সে আমাদের ঘিরিয়া রহিয়াছে। আমরা তাহার মাঝেই বাঁচিয়া আছি। তাহাকে ছাড়া এই পৃথিবী অসম্ভব। তাহাকে ছাড়া আমরা অসম্ভব।"
প্রথম জন, " তাহলে আমরা তাহাকে দেখিনা কেন? কেন তাহাকে অনুভব করি না? এর একমাত্র যুক্তিসংগত কারন হইল, মা বলে কিছু নাই।"
দ্বিতীয় জন উত্তর দিলো, " মাঝে মাঝে, যদি তুমি নিরব থাকিয়া মনোযোগ সহকারে খেয়াল করিয়া থাক, তুমি তাহার অস্তিত্ব অনুভব করিবে, তুমি তাহাকে শুনিতে পাইবে....
যে তাহার মায়াভরা কন্ঠে আমাদের উপর হইতে ডাকিতেছে..।

...

অভিমান  !কি অদ্ভুদ তুমি।ব্যাথা দিয়ে বলো__ব্যাথা পেয়েছো. ? কাদিয়ে বলো__কাদছো কেন ... ?হাসিয়ে বলো__হাসছো কেন   .. ?___...
16/07/2016

অভিমান !

কি অদ্ভুদ তুমি।
ব্যাথা দিয়ে বলো__ব্যাথা পেয়েছো. ?
কাদিয়ে বলো__কাদছো কেন ... ?
হাসিয়ে বলো__হাসছো কেন .. ?
______আমি কিছুই বলিনা |
শুধু তোমার চোখে চোখে রেখে বলি ও কিছু না |

কি উন্মাদ তুমি।
_ ___কাছে টেনে বলো__কাছে এসো না |
প্রশ্ন করে বলো__কথা বলবে না ..?
_ _হাসতে হাসতে বলো__কি বিশ্রী তুমি ।
__পাশে বসে বলো__দূরে যাও না ।
_ _হাতে হাত ছুয়ে__বলো এসব কি...?
আমি কিছুই বলিনা |__ ___
শুধু তোমার চোখে চোখে রেখে বলি ও কিছু না |

কি উন্মাদ তুমি।
___হাতে ঘড়ি নিয়ে বলো__ কয়টা বাজে...?
নাকে ফুল শুকে বলো__ ফুল ভালো না |
_ _ঘুম ঘুম চোখে বলো__ঘুম আসছে না_
_নির্বাক আমি কিছুই বলিনা _ __
শুধু তোমার
চোখে চোখে রেখে ফিসফিস করে
শিশিরের মত শব্দ করে বলি ভালোবাসি____

আজ দেখছি অনেক ধূসর হয়ে গেছো।
এখনও কি
আগের মতই আছো ?
জবাব দাও __

_______রাজকুমার (মৃতপ্রায়)

16/07/2016

~^~অদ্ভুদ প্রেম~^~

(আজব অভিমানী)
-কমনসেন্স বলে কিছু নেই আপনার?
-সরি ম্যাডাম!
পড়ে যাওয়া সানগ্লাস
আর পেপারগুলো তুলে নিচ্ছে আঁচল! আনানও হাটু গেড়ে বসলো, তুলে দেওয়ার নাম করে দেখছে আঁচলকে! অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তো আছেই, যেনো স্বপ্নের রাজকন্যা হাতে এসে ধরা দিয়েছে, এখন শুধু দেখার পালা!
-দেখে শুনে চলতে পারেন
না? (একটু জোরেই
বলে উঠলো আঁচল)
সম্বিৎ ফিরে পেলো আনান,
আমতা আমতা করে বলার চলে বললো সুদর্শন, স্মার্ট ছেলেটা...
-একটা পরীর দিকে তাকাতে গিয়েই.....
(মিটমিটি হাসি উঁকি দিচ্ছে আনানের চোখে)
অবাক হয়ে চারপাশে মাথা ঘুরিয়ে দেখলো আঁচল, আশেপাশে পরীতো দুরের কথা, ও ছাড়া আর কোন মেয়েই নেই!
-কই আপনার পরী? আপনিতো ভালো মানুষ
না, আমার পেপারগুলো ফেলে দিয়ে এখন ফান করছেন! (রাগী চেহারা আঁচলের)
-আরে আপনিইতো সেই..........
আবারো থেমে গেলো আনান, এবার আনানের
দিকে চোখ রাখলো আঁচল, আনান দুষ্টোমির
হাসি হাসছে! পরক্ষণে চোখ নামিয়ে নিল মেয়েটি! সামনাসামনি প্রশংসা বলে কথা!
-দুজনেই উঠলো, ঘুরে দাঁড়িয়ে চলে যাচ্ছে আঁচল, পিছন থেকে ডেকে
উঠলো আনান...
-হ্যালো ম্যাম!!
-বলুন!! (কপট রাগ আঁচলের চেহারায়)
-আপনার নামটা?
রাগী একটা অভিব্যক্তি নিয়ে আনানের দিকে তাকালো আঁচল! আনান হাসছে, কিছু না বলেই মুখটা ঘুরিয়ে চলে যাচ্ছে আঁচল. আনান অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখছে ভার্সিটির গেট পেরুনো অবধি আঁচলে চলে যাওয়া......
(দুজনেই হাসছে এখন)
প্রথম দেখাতেই আঁচলকে ভালো লাগে আনানের! আনানের পিছনে ঘুরে এরকম অনেক মেয়ে আছে, আর আঁচলের
পিছে ঘুরা ছেলের তো অভাবই নেই!যদিও এসবকে তেমন পাত্তা দেয়না ও! প্রথম দেখার পর আনানকেও ভালো লেগেছে আঁচলের,
যদিওতা বুঝতে দেয়নি!
এরপর থেকে আস্তে আস্তে কথাবার্তায় তাদের বন্ধুত্ব
গড়ে ওঠে! আনানতো আগেই প্রেমে মজে গেছে,
যা মোটামুটি প্রকাশ করারও চেষ্টা করে মাঝে মাঝে! কিন্তু আঁচল কখনোই ফ্রেন্ডের
চেয়ে বেশী কিছু ভাবে বলে মনে হয়না আনানের!
এদিকে আঁচল অনেক বন্ধুসুলভ মেয়ে! দেখতে অপ্সরীর মত হলেও অহংকার অথবা প্রেস্টিজ
দেখানো ওর পছন্দ না!
তাই ওর বন্ধুরও অভাব
নেই, কিন্তু বন্ধুরাতো অধিকাংশই অনেক
উল্টাপাল্টা ভেবে বসে থাকে আনানের মত, যদিও আঁচলের পছন্দের তালিকায় আনানের উপর কেউ নেই!
দিন কাটে রাত হয় মাস কাটে দেখতে দেখতে বছর কেটে যাওয়ার উপক্রম হয়, আনানের ধৈয্যচ্যুতি ঘটে,
আশা ছেড়ে দেয় আঁচলের!
নিজের পিছে ঘুরা একটা সুন্দরী মেয়েকে মিছিমিছি সময় দিতে শুরু করে, যদিও আঁচলের আশায় প্রহর গুনতে থাকে! আস্তে আস্তে আনান যোগাযোগ কমাতে থাকে আঁচলের সাথে!
এদিকে হঠাৎ আনানের যোগাযোগ কমিয়ে দেওয়াটা আঁচলের মনে অদ্ভুদ এক পরিবর্তন আনতে শুরু করলো! কেমন যেন একটা শুন্যতা অনুভব করলো ও! এতদিন
দুরত্ব বজায় রেখে এখন
মানুষটাকে গুরুত্বপূর্ণ
ভাবতে শুরু করলো! আনানের চিন্তা ওকে ঘিরে ধরলো। আনানের দুরে সরে যাওয়াটাকে মেনে নিতে পারছেনা আঁচল! কি করবে বুঝতে পারছেনা ও, ফোনেও পাচ্ছেনা। ছুটে গেলো আনানের কাছে একেবারে শশরীরে, সাথে কিছু অব্যক্ত অনুভুতি নিয়ে, সেও যে আনানকে ভালোবেসে ফেলেছে.যে ভালোবাসা তার তীব্রতা ছুয়ে ফেলছে. ধীরে ধীরে ক্ষণে ক্ষণে ফুটেছে এ ভালোবাসার চুড়ান্ত গোলাপ.
কিন্তু যা দেখলো সেটা হয়তো কখনোই ভাবেনি, তাই ধাক্কাটাও সইতে পারেনি হয়তো!! কিন্তু বুঝতেও চায়নি দূশ্যমান সত্যটা আসল সত্য ছিলনা, আনান ও মেয়েকে নয়, ওকেই ভালোবাসে!!!
কিছু ভালোবাসা ক্ষণিকে জন্ম নেয় আর মূত্যুটাও ক্ষণিকেই হয়, কিন্তু ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা আবেগ অনুভুতির পাহাড়গুলো যখন ভালোবাসায় রুপ নেয় তখন সে ভালোবাসা ভয়ঙ্কর রুপ নেয়। ভালো হলে ভয়ঙ্কর (অনেক) ভালো খারাপ হলে আঁচলের মত অবস্থায় রুপ নেয়।
অনেক বছর পার হয়ে গেলো, এখনো মনে মনে ভাবে আনান, যদি একবার সে ফিরে এসে দাড়াতো সেই না ফেরার দেশ থেকে, যদি একবার বলার সুযোগ পেতো......
!!!

13/07/2016

একটা বাচ্চা ছেলের সত্যিকারের ভালবাসার গল্প..........

৮ বছরের একটি ছেলে এবং ৯ বছরের একটি মেয়ে, দুজন একি সাথে ৩য় শ্রেনীতে পরে...।

ধরি ছেলেটির নাম আকাশ, আর মেয়েটির নাম মেঘ।

আকাশের থেকে মেঘ দেখতে এবং বয়সেও ১ বৎসর এর বড়।
আকাশের বাড়ি প্রায় স্কুল এর পাশেই মেইন রড এর সাথে, আর মেঘের বাড়ি আকাশের বাড়ি ছেরে আর-ও ৬/৭ মিনিটের পথ। তবে মেঘ কিন্তু প্রতিদিন আকাশের বাড়ি হয়ে-বাড়ির উপর দিয়ে তারপর স্কুল এ যায়..। এর অবশ্য বিশেষ একটা কারন আছে আর সেই বিশেষ কারনটা হচ্ছে আকাশের বাড়িতে একটা বড় জামরুল গাছ আছে,
আর মেঘের হয়ত জামরুল খুব পছন্দ, তাইত মেঘ প্রতিদিন খুব সকালে এসে স্কুল এ যাবার আগে আকাশের বাড়ি থেকে জামরুল কুড়িয়ে হাতে/ আচল এ নিয়ে আকাশ কে ডেকে জামরুল খেতে খেতে দুজন এক সাথে স্কুল এ যাবে, এ যেন মেঘের নিত্যদিনের অভ্যাস- এ যেন মেঘের প্রতিদিনের রুটিন এর একটি অংশ.....।

মেঘের সাথে চলতে-চলতে আকাশ যে কবে-কখন মেঘের প্রতি দর্বল আর পছন্দ করে ফেলেছে তা হয়ত আকাশ নিজেও জানেনা, আর জানবেই বা কি করে ৮ বৎসর এর একটা ছেলে কারো প্রতি দুর্বল বা পছন্দের-ই বা কি বোঝে?? তবে আকাশ কিন্তু সত্যি মেঘকে অনেক পছন্দ করত তাও আবার একটা বিশেষ কারনে,
বিশেষ কারনটা হল- মেঘ ছিল অন্ন্যদের থেকে একটু আলাদা, আলাদা বলতে মেঘ কঠিন কোন শব্দ বলতে গেলে অথবা কথা বলতে গেলে মাঝে মাঝে ওর কথা গুলা একটু বেধে যেত যাকে আমরা বলে থাকি তোতলা, যেমন আকা-আকা-আকাশ, সত্যি বলতে কি মেঘের এই যিনিসটাই আকাশের খুব বেশি ভাল লাগত।
অনেকেই মেঘের সাথে এই জন্ন্য দুষ্টামি করত আবার কেউ কেউ মেঘের কথা নিয়ে ব্যাঙ্গও করত আর মাঝে মাঝে মেঘের হয়ত এর জন্ন্য কষ্টও হত, মেঘের কষ্ট দেখে আকাশের ও কষ্ট হত, হয়ত এরই নাম মেঘের প্রতি আকাশের দুর্বলতা ,
অার মেঘের কথা নিয়ে যদি কেও ব্যাঙ্গ করত আকাশের যে কি রাগ হত তা শুধু একমাত্র আকাশ-ই জানে, অার এই রাগের নামিই হয়ত মেঘের প্রতি আকাশের ভালবাসা, আর সেই রাগের কারনে অনেক সময় আকাশ স্কুল ছেরে চলে এসে এলাকার বন্ধুদের নিয়ে রাস্তায় ঢিলা নিয়ে বসে থাকত কক্ষন স্কুল ছুটি হবে আর ঐ ছেলেকে বা বন্ধুকে মেঘকে ব্যাঙ্গ করার অপরাধে মারবে, এমন অনেক গল্প আছে যা হয়ত মেঘর অজানা, মেঘ হয়ত এরকম অনেক গল্পই যানেনা, যানে শুধুমাত্র আকাশের ডায়েরি....।

মেঘ আজ-ও আকাশের বাড়িতে
এসেছে জামরুল খুটতে কিন্তু দুর্ভাগ্য আজ অনেক দেরি করে ফেলেছে এখন আর ৮ টা বাজে না এখন বাজে ৯:৩০ মিনিট,
আকাশ অবশ্য মেঘের জন্ন্য প্রায় ৯ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে কিন্তু মায়ের হাতের মার খাবার ভয়ে বেশি ক্ষন আর থাকতে পারেনি, তাইত মেঘ আজ জামরুল এবং আকাশ কোনটার দেখাই না পেয়ে বিষণ্ণ মনে একাই স্কুল এর দিকে রউনা হল....... যাক এতক্ষনে হয়ত মেঘ হয়ত একটু সস্তি পেল কারন মেঘ আকাশের দেখা পেয়েছে, আর আকাশের দেখা পাওয়া মানে জামরুল এর ব্যবস্তা হতে পারে, সত্যি-সত্যি মেঘ আকাশের কাছে গিয়ে তার মিষ্টি তোতলা কন্ঠে বলল আকা-আকা-আকাশ আজ না জা-জা-জামরুল পাইনি তুই আমাকে এক্ষন জা-জা-জামরুল পেরে এনে দিবি আকাশ বলল ঠিক আছে কিন্তু এখন না স্কুল শেষ হক তার পর তুই আমাদের বাড়িতে যাবি, তুই গাছের নিচে থাকবি আমি গাছে উঠে পারব আর তুই খুটবি, যাক মেঘ মেনে নিল। এখন শুধু প্রতিক্ষা স্কুল শেষ হবার....।

ছুটির ঘন্টা পরল কিন্তু প্রাইমারি স্কুল ছুটি হলে ত বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা মৌমাছির মত সব রুম থেকে বের হয়,
আজো সবাই মৌমাছির মত ছুটি-ছুটি বলতে বলতে বের হল,
এখন এই ২০০-৩০০ ছেলে- মেয়ের মধ্য মেঘকে কিভাবে খুজে পাই??? আকাশ এই একটি কথা ভাবতেছে আর মেঘকে খুজতেছে হঠাত মেঘ পিছন থেকে আকাশ কে টুকা দিল, অবশেষে আকাশ সস্তি পেল তারপর দুজন একসাথে আকাশ দের বাড়িতে আসল, আকাশ বাড়িতে এসেই বইটা রুম এ রেখেই জামরুল গাছে উঠল আর মেঘ গাছের নিচে, আকাশ অনেকগুলা জামরুল পারল আর মেঘ সেই জামরুল গুলা কুড়িয়ে তার আচল এ রাখল, আপাতত জামরুল পারা শেষ, আকাশ জামরুল গাছ থেকে নেমে আসল, নেমে এসে যা করল তা প্রায় অবিশাস্য.......

কি ভেবে যেন আকাশ জামরুল গাছ থেকে নেবে এসেই মেঘ এর হাত ধরে টানতে লাগল, মেঘ বলল কি হয়েছে? আকাশ বলল এদিকে আয়...... তারপর হাত ধরে টানতে-টানতে আকাশ মেঘ কে, আকাশের মা এবং ২ কাকি যেখানে বসে গল্প করতেছিল সেখানে নিয়ে হাজির করল, তারপর....... আকাশ তার মাকে বলল মা আমি ওকে বিয়ে করব, এই কথা বলেই আকাশ লজ্জায় তার মায়ের কোলে মুখ লুকোল..। সবাই তো অবাক...!!!!! ছেলের মুখে মা এই কথা শুনে আকাশের মা মেঘকে প্রশ্ন করল তুমি কি আমার ছেলের বউ হবে???
মেঘ লজ্জা পেয়ে বলল আমার বাবা-মা যার সাথে আমার বিয়ে দেবে আমি তার বউ হব.... আকাশের মা আবার মেঘকে প্রশ্ন করল- তোমার বাবা-মা যদি হাত-পা ভাঙা (খুড়া) ছেলে তোমার জন্ন্য ঠিক করে তবুও কি তুমি তার বউ হবে???
মেঘ বলল হুমম...।
এই কথা শোনার পর আর কি-বা বলার থাকে, এই কথা শুনে আকাশের মা মেঘকে বলল ঠিক আছে মা তুমি বাসায় যাউ আমি তাহলে তোমার বাবা-মায়ের সাথেই কথা বলব...।।

সেদিন আকাশ এতটাই লজ্জা পেয়েছিল যে আজো মেঘের সামনে যায়নি। সেদিনের পর থেকে আর দুজন এক সাথে স্কুল এ জায়নি, স্কুল এ গিয়ে দুজন একি সাথে এক ব্রাঞ্চ-এ বই রাখেনি,
আর মেঘ-ও আকাশের বাসায় আর লজ্জায় জামরুল কুরাতে আসেনি, সত্যি বলতে কি মেঘ অল্পতেই অনেক লজ্জা পেত আর আকাশ-ত...........
আকাশের বাড়ির লোক মেঘকে স্কুল এ যেতে দেখলেই বৌমা-বৌমা করে ডাকত, মেঘত লজ্জায় আকাশের বাড়ির পাশ দিয়ে স্কুল এ না গিয়ে অন্ন্য পাশ দিয়ে যেত....। আর আকাশের বাড়ির সবাই আজো আকাশের সেই ঘটনা নিয়ে মজা করে..।

আকাশ লজ্জা পেলেও মেঘকে কিন্তু আজো প্রচন্ড ভালবাসে, এক ব্রাঞ্চ এ-তে না বসলেও পিছনের ব্রাঞ্চ এ বসে আকাশ কিন্তু শুধু মেঘকেই দেখত..। ভালবাসে যে তাই.....।।।

মেঘকি জানে এসব গল্প, মেঘের কি মনে আছে এসব কথা????? হয়ত-বা মনে আছে, হয়ত-বা মনে নেই, হয়ত এতদিনে মেঘের জিবনে কোন রাজপুত্র চলেও এসেছে, কিন্তু আকাশ??? আকাশের জিবনে??? আকাশ যে আজো মেঘকে ভালবাসে, আকাশ যে আজো মেঘকে নিয়ে সপ্ন দেখে, আকাশের সপ্ন কি শুধু সপ্নই থেকে যাবে নাকি-নাকি মেঘ আসবে আকাশের সপ্ন পুরন করতে????

শখের ডায়েরি টাকেও কি আকাশ বলবে যে ডায়েরি আকাশ আর মেঘের গল্পত এখানেই শেষ, নাকি মেঘ এসে আকাশের অসামাপ্ত ডায়েরির বাকি গল্প টুকু লিখবে?? এরকম অনেক সপ্ন, অনেক আশা- অনেক ভালবাসা, আর মেঘকে নিয়ে অনেক ভাবনা ভেবে আকাশের রাত কাটে.....।

মেঘ হয়ত এখন আকাশের ফেসবুক বন্ধুদের মধ্য একজন....
মেঘের উদ্দেশ্য আকাশের শেষ লেখা:- মেঘ, ঐ মেঘ শুনতে পাচ্ছিস????? ছোট বেলার মত ওত সাহস দেখিয়ে সামনে এসে বলতে পারলাম না ভালবাসি, কারন একবার সাহস দেখিয়েই আজ প্রায় ১১ বৎসর তোর সামনে আসতে পারিনি তাই আর........
তবে মেঘ শুনে রাখ তোকে আজ -ও প্রচন্ড ভালবাসি, খুব, খুব-খুব বেশি, খুব বেশি ভালবাসি রে,
মন সায় দিলে এ বুকে মাথা রেখে দেখিস, এতটা ভাল কেও কোনদিন তোকে বাসতে পারবে কিনা জানিনা,

সর্বশেষ একটি কথাই বলব- ভালবাসি আর ভালবেসে যাব তুই আমাকে ভালবাসতে পারিস আর না পারিস ভালবাসতে নিষেধ করিস না, তাহলে হয়ত তোকে ভাবাহীন বেচে থাকাটা অসম্ভব হয়ে যাবে।।

মেঘ একটি কথা যেনে রাখ, জিবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত হয়ত তুই কারো কাছে তার রাজকন্ন্যা হয়েই থাকবি,

I Love you Megh......
I Love You A Lot........

হয়ত প্রতিক্ষায় থাকব..........
....The End...

Writing by Me.......

jahid hasan akash

২১- ২৪.... ছেলেদের জন্যে জীবনের সবচেয়ে কঠিন বয়স। বলতে গেলে মাঝ সমুদ্রে এসে আঁটকে থাকার মতো একটা বয়স। যেখান থেকে সামনে কি...
24/01/2016

২১- ২৪.... ছেলেদের জন্যে জীবনের সবচেয়ে কঠিন বয়স। বলতে গেলে মাঝ সমুদ্রে এসে আঁটকে থাকার মতো একটা বয়স। যেখান থেকে সামনে কি আছে জানা নেই... আবার পিছনে ফিরে যাবারও উপায় নেই।
এই বয়সে প্রেমিকার বাসায় একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব আসে.... প্রেমিকা যখন বিয়ের জন্যে চাপ দেয়, তখন বিষয়টি সম্পূর্ণ একটি হাস্যকর ব্যাপারে পরিণত হয়। এই বয়সে বিয়ের চিন্তা করাটাও ইঁচড়ে পাকামী... আবার চারপাশে বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার খবর শোনাটাও অস্বস্তির। একদিন প্রেমিকারও বিয়ে হয়ে যায়... এই ঘটনা জানানোর মতো বাসায় কাউকে পাওয়া যায় না ।
এই বয়সে পায়ের উপর পা তুলে নিউজ চ্যানেল দেখা যায় না... আবার কার্টুন চ্যানেল দেখাটাও ছেলে মানুষী হয়ে যায়। সমবয়সী বা ছোট মেয়ে কাজিনরা এসময় দেখলে খুব দূরের মানুষের মতো ব্যবহার করে। কয়েক বছর আগেও যে মুরব্বীরা ঈদের সালামী হিসেবে কচকচে একশ টাকার নোট হাতে ধরিয়ে দিতেন... তাঁরা এসময় খুব গম্ভীর মুখ করে জিজ্ঞেস করেন, "ফিউচার প্ল্যান কি...?? ক্যারিয়ার নিয়ে কি ভাবলে??"
এই বয়সে ডাইনিং টেবিলে বসে আহ্লাদী করে মা'কে খাইয়ে দিতে বলা যায় না.... তরকারী পছন্দ না হলেও শান্ত ভাবে খাওয়া শেষ করতে হয়। এসময় ছোট-খাটো জ্বর, সর্দি-কাশি হলে সেটা কারো চোখে পড়ে না.... এই ধরণের অসুখগুলো নীরবে সহ্য করে যেতে হয়।
এই বয়সটা কিছুই না পাওয়ার.... পুরোনো কাছের মানুষগুলোকে হারিয়ে ফেলার। এই বয়সটা অনিশ্চয়তার। অনাকাঙ্খিত, অপ্রত্যাশিত দায়িত্বের।
যেসব দায়িত্ব কাঁধে নেয়ার পর ভুলে যেতে হয় কে আমি???, কি ছিলাম???... কেনো আমি???

04/10/2015

দুঃখ পেলে 019 চাপুন কান্না পেলে
104
চাপুন হাসি পেলে 232 চাপুন
বন্ধু ভাবলে 50 চাপুন আর আমাকে
পেতে চাইলে সবগুলো একসাথে
চাপুন.......

Address

Daisy Garden, House 14 (Level-3), Block A, Main Road, Banasree
Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফুর্তি সারাবেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share